Logo
শিরোনাম

১০ বছরে সাড়ে ৯ হাজারের বেশি ধর্ষণ

প্রকাশিত:Monday ০৭ November ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

বাংলাদেশে ১০ বছরে সাড়ে ৯ হাজারের বেশি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে, এরমধ্যে ২ হাজারের বেশি সংঘবদ্ধ ধর্ষণ। সবচেয়ে বেশি ১ হাজার ৬২৭টি ধর্ষণ হয়েছে ২০২০ সালে। সে বছর দেশে করোনা মহামারি শুরু হয়। বেসরকারি মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্য বিশ্লেষণ করে এই চিত্র পাওয়া গেছে।

২০১৩ সাল থেকে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এ সময় দেশে ৯ হাজার ৬৫৫টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এরমধ্যে ২ হাজার ৩৭৯টি সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। তবে দেশে যে পরিমাণ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে, সে তুলনায় মামলা হয়েছে অনেক কম।

২০১৯ সালে ধর্ষণ হয়েছে ১ হাজার ৪১৩টি এবং এরমধ্যে মামলা হয়েছে ৯৯৯টি। ২০২০ সালে ধর্ষণ হয়েছে ১ হাজার ৬২৭টি এবং মামলা হয়েছে ১ হাজার ১৪০টি। ২০২১ সালে ১ হাজার ৩২১টি ধর্ষণের ঘটনায় মামলা হয়েছে ৯১৬টি। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে ৭৩৪টি ধর্ষণের ঘটনায় মামলা হয়েছে ৫০৩টি। গত ১০ বছরে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে ৫৭২ জনকে এবং ধর্ষণের পর আত্মহত্যা করেছেন ১০৩ জন।

আসক সূত্রে জানা গেছে, তারা মূলত ৯টি জাতীয় দৈনিক ও কয়েকটি অনলাইন পোর্টাল থেকে এসব তথ্য সংগ্রহ করে থাকে। এর বাইরেও সংবাদে প্রকাশ হয়নি এমন ধর্ষণের ঘটনাও তাদের তথ্যে সংযুক্ত করা হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের  অধ্যাপক ড. রাশেদা রওনক খান বলেন, ধর্ষণের সঙ্গে ক্ষমতার সম্পর্ক আছে। ধর্ষণের ক্ষেত্রে একজন পুরুষের জৈবিক চাহিদা পূরণের চেয়ে বেশি প্রাধান্য পায় তার শক্তি প্রদর্শনের চিন্তা। তাছাড়া বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থা, নাগরিক অধিকার, সামাজিক সুরক্ষা এসব কিছুর সঙ্গেও ধর্ষণের সম্পর্ক রয়েছে। যখন দেশে কোনো ধর্ষণের ঘটনা ঘটে, তখনই তা নিয়ে আলোচনা হয়। এর বাইরে কোনো আলোচনা হয় না। মানুষের নৈতিক শিক্ষারও অভাব রয়েছে। সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হওয়ায় অনেকেই ধর্ষণের ঘটনা প্রকাশ্যে আনতে চান না জানিয়ে রেজওয়ানা করিম স্নিগ্ধা বলেন, ধর্ষণের কোনো ঘটনা প্রকাশ পেলে উল্টো ভুক্তভোগীকেই সমাজ দোষীর চোখে দেখে এবং তাকেই কটুকথা শোনায়। অনেক সময় তার ওপরই দোষ চাপিয়ে দেওয়া হয় এবং ধর্ষককে নিরপরাধী হিসেবে তুলে ধরা হয়।

জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. হেলাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রত্যেক মানুষের মধ্যে দুটি প্রবৃত্তি থাকে। তার মধ্যে একটি হলো পাশবিক প্রবৃত্তি। যারা ধর্ষণ করেন, তারা এই পাশবিক প্রবৃত্তি দ্বারা চালিত হন। এটিকে কোনোভাবেই মানসিক সমস্যা বলার সুযোগ নেই। করোনার সময় ধর্ষণের ঘটনা বেড়ে যাওয়ার কারণ হিসেবে এই মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ বলেন, করোনার সময় মানুষ ঘরের মধ্যে এক ধরনের বন্দিজীবন কাটানোর ফলে সামাজিক কর্মকা- খুব কম হয়েছে। সামাজিক সম্পর্ক মানুষ চালিয়ে যেতে পারছিল না। এতে করে মানুষের মধ্যে এক ধরনের একঘেয়েমি তৈরি হয়। তাদের মধ্যে অনিশ্চয়তা কাজ করে; যা মানুষকে নানা অপরাধের দিকে প্ররোচিত করে। তাছাড়া বিভিন্ন দুর্যোগের সময় এ ধরনের অপরাধ বেড়ে যায়।



আরও খবর



পৃথিবীর মতো গ্রহের সন্ধান : নাসা

প্রকাশিত:Tuesday ১৭ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

পৃথিবীর মতো নতুন গ্রহের সন্ধান পেল মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। এই গ্রহ আকৃতিতে পৃথিবীর ৯৫ শতাংশ। নিজের সূর্যকে ২৮ দিনেই প্রদক্ষিণ করে এই গ্রহ। তবে নিজের অক্ষের উপর ঘোরে না একেবারেই। এ ব্যাপারে তার মিল বরং চাঁদের সঙ্গে।

নতুন আবিষ্কৃতি গ্রহ বাসযোগ্য কি না, তা এখনই বলা না গেলেও সেখানে পানি থাকতে পারে বলে অনুমান করছেন বিজ্ঞানীরা। কারণ নব আবিষ্কৃত গ্রহটির অবস্থান তার সূর্যেহ্যাবিটেবল জোন অর্থাৎ বাসযোগ্য এলাকার মধ্যেই।

গ্রহের নাম টিওআই ৭০০ই। পৃথিবী থেকে প্রায় ১০০ আলোকবর্ষ দূরে ডোরাডো নক্ষত্রপুঞ্জের ঠিকানা। মহাবিশ্বের হিসাবে এই দূরত্ব খুব বেশি নয়। টিওআই ৭০০ নামের নক্ষত্রকে মাঝখানে রেখে সঙ্গী আরো কয়েকটি গ্রহের সঙ্গে ঘুরে চলেছে টিওআই ৭০০ই

নাসার ট্রানজিটিং এক্সোপ্ল্যানেট সার্ভে স্যাটেলাইটের (টেস) চোখেই ধরা পড়েছে এই গ্রহ। টেসের দেওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করেই এই গ্রহের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে জানতে পারে নাসার জেট প্রপালসান গবেষণাগারের বিজ্ঞানীরা। সেই বিজ্ঞানী দলেরই প্রতিনিধি এমিলি গিলবার্ট সম্প্রতি আমেরিকার সিয়াটেল শহরে আয়োজিত জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের বার্ষিক বৈঠকে এই নতুন গ্রহ সম্পর্কে তথ্য দিয়েছেন। যা গ্রহণও করেছে দ্য অ্যাস্ট্রোফিজিকাল জার্নাল লেটারস নামের বিজ্ঞানবিষয়ক গবেষণা পত্রিকা।

গিলবার্ট জানিয়েছেন, টিওআই ৭০০ একটি বামন নক্ষত্র। তাকে প্রদক্ষিণকারী আরো তিনটি গ্রহ টিওআই ৭০০ বি, সি এবং ডি-এর খোঁজ আগেই পেয়েছিল নাসা। এবার একটি চতুর্থ গ্রহের সন্ধান পাওয়া গেছে। নাসার পাওয়া তথ্য অনুযায়ী টিওআই ৭০০ ই-এর জমি পাথুরে। তবে তাতে পানিও থাকতে পারে। তার কারণ, বিজ্ঞানীদের কথায় নক্ষত্রের সঙ্গে এই গ্রহের যে দূরত্ব, সেই দূরত্বে গ্রহের পৃষ্ঠে পানি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

নাসার দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, নব্য আবিষ্কৃত গ্রহটি পৃথিবীর আয়তনের ৯৫ শতাংশ। নিজের সূর্যকে ২৮ দিনেই প্রদক্ষিণ করে এই গ্রহ। তবে নিজের অক্ষের উপর ঘোরে না টিওআই ৭০০ই। ফলে চাঁদের মতো তার একটি দিক সব সময়েই নক্ষত্রের আলোর দিকে মুখ করে থাকে। অন্য দিকটি অন্ধকার। এর ফলে এই গ্রহ যদি বাসযোগ্য হয়ও তবে এর একদিকে সর্বক্ষণ দিনের আলো থাকবে, অন্য দিকে অন্তহীন রাত।

নাসা জানাচ্ছে টিওআই ৭০০-এর পরিবারের বাকি গ্রহগুলোও নিজের অক্ষে স্থির। কোনোটির আকৃতি পৃথিবীর ৯০ শতাংশ কোনোটি আড়াই গুণ। কোনোটি ১৬ দিনে তাদের নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করে। আবার কোনোটি ৩৭ দিনে। তবে আপাতত সেই সব গ্রহে মন না দিয়ে টিওআই ৭০০ই সম্পর্কেই আরো জানার তোড়জোড় শুরু করেছেন নাসার বিজ্ঞানীরা।

 


আরও খবর



ধামরাই মানবাধিকার কমিশনের উদ্যোগে তিন শতাদিক কম্বল বিতরণ

প্রকাশিত:Friday ২০ January ২০23 | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

মাহবুবুল আলম রিপন(স্টাফ রিপোর্টার) :

ঢাকার ধামরাইয়ে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশনের উদ্যোগে গরীব অসহায় মানুষের মাঝে তিন শতাদিক কম্বল বিতরণ করা হয়েছে ধামরাই সিটি সেন্টারে। 

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন মানবাধিকার কমিশন ধামরাই উপজেলা সভাপতি হাফিজুর রহমান। 

এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও মাননীয় সংসদ সদস্য ঢাকা ২০ বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব বেনজির আহমেদ। 

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা এনামুল হক আইয়ুব,  ধামরাই উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র গোলাম কবির মোল্লা, ধামরাই উপজেলা পরিষদ এর ভাইস চেয়ারম্যান সিরাজ উদ্দিন সিরাজ, ধামরাই উপজেলা আওয়ামী লীগ ১ নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও চেয়ারম্যান সানোড়া ইউনিয়ন পরিষদ খালেদ মাসুদ খান লাল্টু, ভাড়ারিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মোরছালিন সরদার, অনুষ্ঠানের সঞ্চালনায় ছিলেন ধামরাই উপজেলা মানবাধিকার কমিশন সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা সহ উপস্থিত ছিলেন মানবাধিকার কমিশনের সকল সদস্য গণ।


আরও খবর



স্কুলকে মোবাইল অ্যাপে নিয়ে আসলেন ব্রাহ্মণপাড়ার ইউএনও

প্রকাশিত:Sunday ২৯ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

কুমিল্লা ব্যুরো :

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য শিখন ব্যবস্থাপনা অ্যাপ তৈরি করে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে উপজেলা প্রশাসন।       নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সোহেল রানার উদ্ভাবিত মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে উপজেলা ও জেলার বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তাদের শিখন ব্যবস্থাপনায় এনেছে অভাবনীয় পরিবর্তন। রুটিন থেকে শুরু করে লেসন প্ল্যান, শিক্ষা সহায়ক ডিজিটাল উপকরণসহ শিখন কার্যক্রমের পুরোটা এখন চলছে মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে। নতুন বছরের শুরুতে অ্যাপ ভিত্তিক শিখন শেখানো কার্যক্রম হাতের মুঠোয় পেয়ে চরম খুশি শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নেও এ অ্যাপ হতে পারে দারুণ সহায়ক।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের মাধ্যমে শিখন কার্যক্রমকে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসা হয়। তবে, বাংলাদেশের স্কুল কলেজের জন্য এক নতুন ধরণের লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম উদ্ভাবন করলেন কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ার ইউএনও সোহেল রানা। ‘শিক্ষায়তন’ নামের এই লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম একটি স্যাস ( সফটওয়ার এজ এ সার্ভিস) মডেল অনুসারে তৈরী করা ই-সার্ভিস এপ্লিকেশন যাতে দুইটি ওয়েব বেজড প্ল্যাটফর্ম ও একটি মোবাইল এ্যাপ। পুরো সিস্টেমটির স্পেসিফিকেশন ডিজাইন করেছেন ইউএনও সোহেল রানা। এই ডিজাইনটিকে বাস্তবায়ন করতে জেলা প্রশাসন, কুমিল্লা পরবর্তীতে বিজনেস একসিলারেট বিডি নামে একটি টেকনোলজি পার্টনার নিযুক্ত করে যারা সফলভাবে এই লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ডেভেলাপ করে। সফল পাইলটিং শেষে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বর্তমানে কুমিল্লার ৫টি স্কুলে বাস্তবায়নাধীন আছে সফটওয়ারটি। স্কুল ৫টি হলো কুমিল্লার কালেক্টরেট স্কুল, ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলাধীন শিদলাই আশরাফ স্কুল, ভগবান সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, ওশান হাই স্কুল এবং সদর দক্ষিণ উপজেলার শিক্ষা বোর্ড মডেল স্কুল এন্ড কলেজ। 

মূলত এই প্ল্যাটফর্মে স্কুলের সকল কার্যক্রম প্রধান শিক্ষক ওয়েব প্ল্যাটফর্মে, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা মোবাইল অ্যাপে করতে পারবেন। শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতিটি কোর্সে আলাদা আলাদাভাবে সাজানো আছে। কোর্সের ভেতরে সেই কোর্সে সকল ক্লাসের আলাদা ডাইনামিক সেকশন আছে যেখানে শিক্ষকেরা অতিরিক্ত লার্নিং ম্যাটেরিয়াল জমা করতে পারবেন এবং শিক্ষার্থীরা তা দেখতে পাবেন। শিক্ষকেরা  অ্যাপে লেকচার নোট আপলোড করতে পারবেন, শিক্ষার্থীদের গ্রুপে ভাগ করতে পারবেন, ক্লাসে নোটিফিকেশন পাঠাতে পারবেন, এসাইনমেন্ট দিতে পারবেন ও জমা নিতে পারবেন, গ্রেড বসাতে পারবেন। ক্লাসে বসে সফটওয়্যার ব্যবহার করে শিক্ষকেরা হাজিরা নিতে পারবেন। অর্থাৎ স্কুলের সকল কার্যক্রম মোবাইল অ্যাপে করতে পারবেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। এছাড়াও, প্রত্যেক শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের রয়েছে নিজস্ব ওয়েব পেইজ। 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে  ইউএনও সোহেল রানা বলেন, ‘ লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের ধারণাটি বেশ পুরনো। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ক্যানভাস, মুডল, স্কুলজি, ব্ল্যাকবোর্ড ইত্যাদি নানা ধরণের লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার আছে। এগুলো স্কুল ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার থেকে কিছুটা ভিন্ন ধাচের। তবে, নানা ধরণের সফটওয়্যার এর ডিজাইন বিশ্লেষণ করে, শিক্ষক শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনান্তে স্থানীয় চাহিদা নআমরা কুমিল্লার সকল স্কুলে এটি বাস্তবায়ন করতে চাই ও পরবর্তীতে সরকার বড় পরিসরে পুরো বাংলাদেশে এটি ছড়িয়ে দিতে পারে। শিক্ষার মানোন্নয়নে ও সরকারের স্মার্ট বাংলাদেশের রূপকল্প বাস্তবায়নেও এটি সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে। তবে, এটি বাস্তবায়নের অনেকগুলো চ্যালেঞ্জ আছে যেগুলো মোকাবিলা করে সামনে এগুতে হবে।’ 

কু‌মিল্লার সাবেক জেলা প্রশাসক  ও বর্তমানে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্মসচিব জনাব মোহাম্মদ কামরুল হাসান জানান,“ আমি জেলা প্রশাসনে যোগ দেওয়ার পর থেকেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়নে ও চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কাজ করে আসছি। কাজ করতে গিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থাপনাকে যুগোপযোগি করে তোলার কথা মাথায় আসে। ব্রাহ্মণপাড়ার উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোহেল রানা শিক্ষাক্ষেত্রে লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের আধুনিকায়নের কথা বললে আমরা সেই অভাব পূরণের লক্ষ্যে লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম তৈরী করার উদ্যোগ গ্রহণ করি এবং পরবর্তীতে তা প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের মাঝে ছড়িয়ে দেই। সেখান থেকেই মূলত শিক্ষায়তনের যাত্রা শুরু।”

শিক্ষায়তনের টেকনিক্যাল বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করছেন বিজনেস একসিলারেটের সিইও কামরুল হাসান সুমন। তিনি বলেন এ ধরণের সফটওয়্যারের ব্যবহার দেশে নেই। “ দেশে প্রচলিত সফটওয়্যারগুলোতে  ক্লাসরুমে কি পড়ানো হচ্ছে সে বিষয়টি সংযোগ করার অপশন কম। শিক্ষায়তনের মাধ্যমে অভিভাবক, শিক্ষার্থীরা জানতে পারবেন তার বাচ্চারা কি পড়ছে। যেগুলো আছে (যেমন টেন মিনিট স্কুল) তাদের অধিকাংশ কনটেন্ট নির্ভর সেবা দেয়। আমাদের এই সফটওয়্যার কনটেন্ট নির্ভর নেই। জেলা প্রশাসনের মতো প্রতিষ্ঠান থেকে এরকম সফটওয়্যার এর ডিজাইন অভাবনীয়। আমরা এই উদ্যোগের অংশীদার হতে পেরে গর্বিত এবং ভবিষ্যতে এটিকে সারা দেশে ছড়িয়ে দিতে ইচ্ছুক।” 

ভগবান সরকারি স্কুলে শিক্ষায়তন বাস্তবায়ন করছেন বিজ্ঞান শিক্ষক মহিউদ্দিন পলাশ। তিনি  জানান শিক্ষায়তন এমন একটি সফটওয়্যার যেখানে এক কথায় শ্রেণি কার্যক্রমের সবকিছু রয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা মোবাইলের মাধ্যমে উন্নত মানের শিক্ষা সেবা গ্রহণ করতে পারবে। অ্যাপের  মাধ্যমে শিক্ষকদের কাজ অনেকটাই সহজ হয়ে যাবে। বিশেষ করে তদের টিচিং প্ল্যান সাজানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।    

বর্তমানে www.sikkhayton.gov.bd   ইউআরএলের মাধ্যমে প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করা যাবে ও গুগল প্লে স্টোরে এপের নাম ‘শিক্ষায়তন’ অথবা ‘sikkhayton’ নামে এন্ড্রয়েড অ্যাপটি পাওয়া যাবে। শিক্ষায়তন নেটওয়ার্কে যুক্ত হতে চাইলে আগ্রহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জেলা প্রশাসন, কুমিল্লা অথবা উপজেলা প্রশাসন, ব্রাহ্মণপাড়ার সংশ্লিষ্টদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।


আরও খবর



প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবদান

উন্নয়নের জোয়ারে ভাসছে পার্বত্য অঞ্চল- পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর

প্রকাশিত:Tuesday ১৭ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

মো. রেজুয়ান খান:


পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি বলেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পার্বত্য অঞ্চলকে উন্নয়নের জোয়ারে ভাসিয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, পার্বত্য অঞ্চল এখন আর পিছিয়ে পড়া জনপদ নয়। পার্বত্য অঞ্চল এখন দেশের সম্পদ। সমতলের মতোই পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষ এখন দেশের উন্নয়নে সমানভাবে ভূমিকা রাখছে। সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশ্য করে তিনি আরও বলেন, আমাদের চলমান প্রকল্পগুলো যথাযথভাবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে যেন বলতে পারি, আমাদের যে দায়িত্ব দিয়েছেন, তা আপনার দিকনির্দেশনায় সঠিকভাবে সম্পন্ন করেছি।
আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এডিপি বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বীর বাহাদুর এমপি এসব কথা বলেন।
সভার সভাপতিত্ব করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোসাম্মৎ হামিদা বেগম।
সম্প্রতি সফলভাবে সম্পন্ন হওয়া পার্বত্য মেলা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বীর বাহাদুর বলেন, মন্ত্রণালয়ের সচিব, অতিরিক্ত সচিব, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড, পার্বত্য তিন জেলা পরিষদ ও অন্যান্য সহযোগী প্রতিষ্ঠান অত্যন্ত সুন্দর, সফল ও আকর্ষণীয়ভাবে মেলার কাজ সম্পন্ন করেছেন। এ জন্য তিনি সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। পার্বত্য জেলা পরিষদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড-এর কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের কোমর তাঁতের কাপড়, পুঁথির মালা, কুটির শিল্প, হস্তশিল্প খুবই সুন্দর ও সূ²। এগুলোর মান যথেষ্ট ভালো। এর ব্র্যান্ডিংয়ের জন্য আপনারা পরিকল্পনা নেন। মিশ্র ফল বাগান, তুলা চাষ ও আখ চাষের উপর কৃষকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেন। মন্ত্রী বলেন, এবারের পার্বত্য মেলা দেশের বিভিন্ন এলাকার মানুষ স্বতঃস্ফ‚র্তভাবে উপভোগ করেছেন।
সভায় তিন পার্বত্য জেলায় ০৩টি কোল্ড স্টোরেজ নির্মাণ, পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় টেকসই সামাজিক সেবা প্রদান প্রকল্পের কার্যক্রম, পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় মিশ্র ফল চাষ এবং মসলা চাষ প্রকল্প, পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় টেকসই সামাজিক সেবা প্রদান প্রকল্প, পার্বত্য চট্টগ্রামে তুলা চাষ বৃদ্ধি ও কৃষকদের দারিদ্র্য বিমোচন, পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে কফি ও কাজুবাদাম চাষের মাধ্যমে দারিদ্র্য হ্রাসকরণ, পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রত্যন্ত এলাকায় সোলার প্যানেল স্থাপনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ (২য় পর্যায়) প্রসঙ্গে আলোচনা হয়।
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোসাম্মৎ হামিদা বেগম এর সভাপতিত্বে এসময় অন্যান্যের মধ্যে পার্বত্য চট্টগাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান নিখিল কুমার চাকমা, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সত্যেন্দ্র কুমার সরকার, অতিরিক্ত সচিব মো. আমিনুল ইসলাম, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মংসুইপ্রæ চৌধুরী, পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রত্যন্ত এলাকায় সোলার প্যানেল স্থাপন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ হারুন-অর-রশীদ উপস্থিত ছিলেন।



লেখক ঃ জনসংযোগ কর্মকর্তা, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়,

আরও খবর



নওগাঁয় মানব পাচার মামলায় বাবা সহ পুলিশ সদস্য শ্রীঘরে

প্রকাশিত:Monday ২৩ January 20২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন :

নওগাঁয় মানব পাচারের অপরাধে বাবা সহ পুলিশ সদস্য শ্রীঘরে।

মানব পাচারের অভিযোগে সিরাজগঞ্জ জেলায় কর্মরত নওগাঁ সদর উপজেলার পার বোয়ালিয়া গ্রামের বাসিন্দা পুলিশ কনস্টেবল মোঃ আল আমিন ও তার বাবা মোঃ আব্দুর রহমানকে কারাগারে প্রেরনের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। সোমবার দুপুর ১২ টারদিকে তাদের কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন নওগাঁর অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রট মোঃ ইমতিয়াজুল ইসলাম।

মামলা সূত্রে জানা যায়, নওগাঁ জেলা সদর মডেল থানার বাঙ্গাবাড়িয়া গ্রামের আব্দুস সাত্তার সোনারের ছেলে মোঃ ময়নুল হক লিটনের কাছ থেকে সৌদি আরবে পাঠাবেন বলে পুলিশ কনস্টেবল মোঃ আল আমিন ৮ লাখ টাকা নেন। পরবর্তীতে সে লিটনকে সৌদি আরবে না পাঠিয়ে তালবাহানা করেন এবং গ্রহণকৃত টাকা ফেরত দিতে অস্বীকার করেন। এরপর লিটন বাদী হয়ে মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইবোনাল ১, নওগাঁয় অভিযোগ দায়ের করলে মানব পাচার পিটিশন মামলা রুজু হয়।

উক্ত মামলায় কনস্টেবল আল আমিন ও তার বাবা আজ সোমবার বিজ্ঞ আদালত নওগাঁয় হাজির হয়ে জামিনের জন্য আবেদন করেন। তাদের জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে বিজ্ঞ আদালত তাদের জেলা কারাগার প্রেরনের আদেশ দেন।


আরও খবর