Logo
শিরোনাম

১২০ টাকায় উঠল ডলারের দাম

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

ব্যাংক প্রতি ডলারের দর ১২০ টাকার বেশি নিচ্ছে। আমদানির ঋণপত্র নিষ্পত্তি করতে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে এই টাকা নেওয়া হচ্ছে।

ব্যাংকাররা বলছেন, তারা রেমিট্যান্স কিনেছেন ১১৯ টাকায়। এ কারণে আমদানিকারকদের কাছ থেকে ডলারের দর ১২০ টাকা নিতে হচ্ছে। বেশ কয়েকটি ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধান বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

তারা জানান, ক্রলিং পেগ পদ্ধতি চালু করে ডলারের যে রেট নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে, সেই রেটে ডলার কিনতে পাওয়া যায় না। বাধ্য হয়ে বাড়তি দরে ডলার কেনাবেচা শুরু করেছেন তারা।

গত ৮ মে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময়ের জন্য ক্রলিং পেগ ব্যবস্থা চালু করে। ক্রলিং পেগ মিড-রেট (সিপিএমআর) বা এই ব্যবস্থার আওতায় প্রতি ডলারের মাঝামাঝি বিনিময় হার নির্ধারণ করা হয় ১১৭ টাকা করে। যদিও এই ব্যবস্থা চালুর আগে দেশে প্রতি ডলারের দাম ছিল ১১০ টাকা। আইএমএফের ৪ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার ঋণের শর্ত হিসেবে সংস্থাটির পরামর্শ অনুযায়ী ক্রলিং পেগ ব্যবস্থা চালু করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কিন্তু এই দরে কোথাও ডলার মিলছে না। যদিও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওয়েবসাইটে ক্রলিং পেগ পদ্ধতির আশপাশেই আন্তঃব্যাংকে ডলার কেনাবেচা হচ্ছে বলে তথ্য দেওয়া হয়েছে।

তবে একটি ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধান জানান, মঙ্গলবার তাদের ব্যাংক ১১৯ টাকায় রেমিট্যান্স কিনেছে। আর আমদানি এলসি নিষ্পত্তি করা হয় ১২০ টাকার বেশি দরে।

এ প্রসঙ্গে রাষ্ট্রায়ত্ত একটি ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধান বলেন, ক্রলিং পেগ চালুর প্রথম সপ্তাহে সব ব্যাংক ঠিকঠাক অনুসরণ করলেও এখন অনেক ব্যাংক বেশি রেটে ডলার সংগ্রহ করছে, একইসঙ্গে এলসি খুলতেও বেশি রেট নিচ্ছে। শরিয়াভিত্তিক অধিকাংশ ব্যাংক এই ক্রলিং পেগ রেট অনুসরণ করছে না বলে জানান তিনি।

এর আগে বাংলাদেশ ব্যাংকের মধ্যস্থতায় ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন এবিবি এবং বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনকারী ডিলারদের সংগঠন বাফেদা ডলারের একটি আনুষ্ঠানিক দর ঘোষণা করত। যদিও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এর চেয়ে বেশি দরে লেনদেন হতো। নতুন পদ্ধতি চালুর আগে সর্বশেষ ঘোষিত দর ছিল ১১০ টাকা।

মঙ্গলবার (২১ মে) থেকে কিছু কিছু ব্যাংক বিদেশি এক্সেঞ্জ হাউজগুলো থেকে রেমিট্যান্স সংগ্রহ করেছে ১১৯ টাকা দরে। এছাড়া, আমদানিকারকদের এলসি নিষ্পত্তি করেছে ১২০ টাকা কিংবা তার চেয়েও বেশি দরে। এদিকে খোলা বাজারে ডলার বিক্রি হচ্ছে ১২৫ টাকারও বেশি দরে।


আরও খবর



বাংলাদেশের দুর্বিষহ কর ব্যবস্থা ও পরিসংখ্যান

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

বাংলাদেশ তার উন্নয়ন কার্যক্রম চালানোর জন্য অর্থ যোগানে রাজস্ব বাড়াতে লড়াই করছে, এমনকি একই আয়ের তালিকায় থাকা অন্যান্য দেশগুলির চেয়েও বেশি। আর্থিক বছর ২০২২ এ, মাত্র ১.৪% মানুষ আয়কর রিটার্ন দাখিল করেছে। প্রতিবেশী ভারতে এই সংখ্যা ৫.৮%।

ফ্রান্সে অবস্থিত ওইসিডি(OECD) অর্গানাইজেশন ফর ইকনোমিক কর্পোরেশন এন্ড ডেভেলপমেন্ট জরিপ মতে ২০২০ সালে বাংলাদেশের কর-টু-জিডিপি হার ১০.২ শতাংশ যেখানে এশিয়ার দেশগুলোর কর-টু-জিডিপি হার ১৯.১ শতাংশ যা আমাদের দেশের তুলনায় ৮.৯ শতাংশ বেশি এবং যদি ওইসিডি(OECD) ভুক্ত দেশগুলোর সাথে তুলনা করি তাহলে ওইসিডি(OECD) দেশগুলোর কর- টু-জিডিপি হার ৩৩.৫ শতাংশ যা আমাদের দেশ থেকে ২৩.৩ শতাংশ বেশি। পরিসংখ্যান অনুযায়ী ভারতে ১৫%, শ্রীলংকায় ১১.৫%, পাকিস্তানে ১১.৮%, আফগানিস্তানে এ হার ৯.৩% ও নেপালে ১৮% ।

যদি, আমরা ২০০৭ থেকে ২০২০ সালের পরিসংখ্যান লক্ষ করি , তাহলে দেখা যাবে যে ২০০৭ সালে বাংলাদেশের কর-টু-জিডিপি হার ৮.৫ শতাংশ ছিল, ২০২০সালে যা শুধু ১.৭শতাংশ বেঁড়ে ১০.২ শতাংশ হয়েছিল, যার মধ্যে ২০১৩ সালে সর্বোচ্চ ১০.৮ শতাংশ ছিল।

সিইআইসি(CEIC) এর তথ্য মতে, ২০২২ সালে কত কর-টু-জিডিপি হার ছিল ৮ শতাংশ ২০২৩সালে যা এসে দাঁড়িয়েছে ৭.৮ শতাংশ। গত এক বছরে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভে এক বড় ধাক্কার সম্মুখীন হয়েছে, এঁর পিছনে নানান কারন জড়িত। রিজার্ভ ঘাটতি মেটাতে ব্যর্থ হওয়ায় এ দেশের অর্থনীতিতে বড়সড় আঘাত লেগেছে, যার কারনে নিত্যপন্য দ্রব্য থেকে শুরু করে বিলাসবহুল জিনি্সের বাজারেও নেতিবাচক প্রভাব পরেছে। এই সমস্যার আরেকটি বড় কারণ হলো সরকার কাঙ্ক্ষিত কর তুলতে ব্যর্থ হয়েছে। যার কারন হতে পারে জনগনের কর ফাঁকি অথবা কর দানে অনুৎসাহ, ফলশ্রুতিতে জিডিপিতে কর হার এত কম।

অর্থনীতির এই জটিল অবস্থায় অর্থনীতিকে টিকিয়ে রাখতে বাংলাদেশ যখন আইএমএফ(IMF) এর কাছে ঋণ অনুমোদন চায় তখন আইএমএফ এর দেয়া শর্তগুলোর মধ্যে একটি ছিল , কর-টু-জিডিপি হার ২০২৪ এর মধ্যে ৮.৩ শতাংশ এবং ২০২৬ এর মধ্যে ৯.৫%মধ্যে উন্নিত করতে হবে। এত কিছুর পরেও ২০২৩ সালে সরকার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৪৪ হাজার কোটি টাকা কর আয় কম তুলতে পেরেছে ।

ওইসিডি(OECD) তথ্য অনুসারে বাংলাদেশের কর আয়ের সবচেয়ে বড় উৎস মূল্য সংযোজন কর / পণ্য ও পরিষেবা কর(value added taxes / goods and services tax) যার হার মোট কর উত্তলনের ৩৩ শতাংশ, এখানে ব্যক্তি আয়কর (Personal income tax) সবচেয়ে কম ১১ শতাংশ, আশ্চর্য ভাবে এদেশের সামাজিক নিরাপত্তা (Social security contributions) খাতের ক্ষেত্রে কোনো কর আদায় হয় না। কিন্তু যা অন্যান্য উন্নত দেশের প্রধানতম আয়ের উৎস। যদি এশিয়ার দেশ গুলোর দিকে দেখি তাহলে, ব্যক্তি আয়কর ১৬ শতাংশ, মূল্য সংযোজন কর ২৩ শতাংশ, সামাজিক নিরাপত্তা খাত থেকে আয় ৬ শতাংশ। আর ওইসিডি(OECD) ভুক্ত দেশ গুলোতে ব্যক্তি আয়কর ২৩ শতাংশ, মূল্য সংযোজন কর ২০ শতাংশ, সামাজিক নিরাপত্তা খাত থেকে আয় ২৬ শতাংশ। সুতরাং স্পষ্ট ভাবে বুঝা যাচ্ছে তাদের কর আদায়ের উৎস এবং প্রক্রিয়া কতটা ফলপ্রসূ এবং কার্যকর।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত এপ্রিল-জুন ২০২২সালের ত্রৈমাসিক কর আদায় এর তথ্য অনুসারে, ২০২২ সালে কর আয় লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩,৪৬,০০০ কোটি টাকা, যা বাস্তবে অর্জিত হয় ৩,০৮,৬২৫ কোটি টাকা। ২০২১সালে কর আয় লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩,১৬,০০০ কোটি টাকা যাতে অর্জিত হয় ২,৬৯ ,০০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে রাজস্ব বোর্ড থেকেই আয় হয় ৯১.৩ ভাগ।

এমন এক সমীকরণ সামনে রেখে নতুন আয়কর আইন ২০২৩ সালের জুন মাসে সংসদে পাস হয়েছে এবং এটি বেশ আলোড়ন তৈরি করেছে। দেশের কর ব্যবস্থা এত দিন ধরে ১৯৮৪ সালের আয়কর অধ্যাদেশ দিয়ে চলেছে। তবে বিভিন্ন সময়ে সেই আয়কর অধ্যাদেশের সংশোধন করা হয়েছে। আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪ এর পর এটিই প্রথম পুঙ্খানুপুঙ্খরূপে তৈরিকৃত আয়কর আইন। সবচেয়ে বড় কথা, দেশে এখন পরিপূর্ণ আয়কর আইন প্রণীত হয়েছে। প্রথমেই যে সেই আইনে সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে তেমনটা আশা করা যায় না। এখন এই আইনকে ভিত্তি ধরে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন ও পরিমার্জনের মাধ্যমে সময়ের পরিক্রমায় হয়তো আইনটি পরিপূর্ণ মাত্রা পাবে। আসা করা যায় এরই ফলশ্রুতিতে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থায় কর আয়ের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসবে।


আরও খবর



বেনজীর-আজিজ আওয়ামী লীগের লোক না: ওবায়দুল কাদের

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে ডিজিটাল ডেস্ক:



সাবেক সেনা প্রধান আজিজ আহমেদ ও সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ আওয়ামী লীগের কেউ নন বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। 


ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস এবং ২৩ জুন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্লাটিনাম জয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার দুপুরে আয়োজিত প্রতিনিধি সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।



প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সততা নিয়ে প্রশ্ন তোলার কোনো অবকাশ নেই উল্লেখ করে সেতুমন্ত্রী বলেন, আমরা পরিষ্কার বলে দিয়েছি, বেনজীর আমাদের দলের লোক নয়। সিনিয়রিটি মেধা নিয়ে সে আইজিপি হয়েছে।


 আজিজও আমাদের দলের লোক নয়। সেনাপ্রধান হয়েছে তার যোগ্যতায়, তার সিনিয়রিটি নিয়ে। আমরা তাদের বানাইনি।



তিনি আরও বলেন, এখন ভেতরে তারা যদি কোনো অপকর্ম করে, এটা যখন সরকারের কাছে বিষয়টি আসে, তখন এদের বিচার করার সৎ সাহস শেখ হাসিনা সরকারের আছে।


বিএনপি দুর্বৃত্তের জন্মদাতা উল্লেখ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আপনাদের  সময় কেউ শাস্তি পায়নি। আপনাদের দলের নেতা নিজেই দুর্নীতিবাজ। আমরা সিঙ্গাপুর থেকে তারেক-কোকোর পাচার করা অর্থের একটা অংশ আনতে পেরেছি। 


এফবিআই ঢাকায় এসে সাক্ষ্য দিয়ে গেছে তারেকের দুর্নীতির বিরুদ্ধে। সেই তারেককে ভালো মানুষ সাজাতে এসেছেন!



ওবায়দুল কাদের বলেন, আজকে টিআইবি একটা আছে, সুজন আছে। সুজন না দুর্জন জানি না। ফখরুল-গয়েশ্বর যে সুরে কথা বলে, তারাও একই সুরে কথা বলে। মানুষের প্রশ্ন টিআইবি আর সুজন কি বিএনপির বি-টিম? যেভাবে কথা বলে, কোনো পার্থক্য নাই; একই সুরে কথা বলে—সরকারের বিরুদ্ধে।






আরও খবর



৯টা থেকে ৫টা পর্যন্ত চলবে সরকারি অফিস

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image

ঈদুল আজহার ছুটির পর আগামী ১৯ জুন থেকে আগের মতো সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে সরকারি অফিস।

বৃহস্পতিবার (৬ জুন) এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এর আগে গত সোমবার মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ বিষয়ে অনুমোদন দেয়া হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আগামী ১৯ জুন (পবিত্র ঈদুল আজহার পরবর্তী প্রথম কর্মদিবস) থেকে দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের অফিস সময়সূচি পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত সরকার নির্ধারণ করলো।

এতে বলা হয়, রোববার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সরকারি অফিস চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। দুপুর ১টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত জোহরের নামাজ ও মধ্যাহ্নভোজের বিরতি। শুক্রবার ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি।

প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, জরুরি পরিসেবাগুলো নতুন অফিস সময়সূচির আওতার বাইরে থাকবে। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট এবং ব্যাংক, বিমা ও অন্যান্য অর্থিক প্রতিষ্ঠানের সময়সূচি স্ব স্ব কর্তৃপক্ষ নির্ধারণ করবে।

এর আগে গত সোমবার (৩ জুন) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো: মাহবুব হোসেন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

উল্লেখ্য, জ্বালানি সংকটের মধ্যে বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতে ২০২২ সালের ২৪ আগস্ট থেকে কর্মঘণ্টা কমিয়ে অফিস ও ব্যাংকের সময়সূচি বদলে দেয় সরকার। সে অনুযায়ী দুই মাসের বেশি সময় সব সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত অফিস সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত চলে।

দুই মাসেরও বেশি সময় সকাল ৮টা-বিকেল ৩টা সূচিতে অফিস চলার পর ২০২২ সালের ১৫ নভেম্বর থেকে সব সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত অফিস সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলছে।


আরও খবর



৩ লাখের বেশি অবৈধ হজযাত্রীকে বের করে দিলো সৌদি আরব

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image



বিডি টু ডে  ডিজিটাল ডেস্ক:


আর এক সপ্তাহ পরেই মক্কা নগরীতে মুসলিমদের পবিত্র হজ পালন শুরু হবে।


 গত শনিবার পর্যন্ত মক্কা থেকে কয়েক লাখ অনিবন্ধিত হজযাত্রীকে বের করে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সৌদি আরব। খবর আল আরাবিয়া।



প্রতিবছরই বার্ষিক হজ অনুষ্ঠানে জনসমাগম ব্যবস্থাপনাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচনা করে সৌদি কর্তৃপক্ষ। হজ পালন ইসলামের পাঁচটি প্রধান স্তম্ভের মধ্যে একটি। অফিশিয়াল তথ্য অনুযায়ী, গত বছর ১৮ লাখের বেশি মানুষ হজ পালন করেছিল। 



যাদের বের করে দেওয়া হয়েছে তাদের মধ্যে ১ লাখ ৫৩ হাজার ৯৯৮ জনই ছিলেন বিদেশি। তারা ভ্রমণ ভিসায় সৌদি আরবে প্রবেশ করেছিলেন এবং হজ পালনের জন্য তাদের কাছে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছিল না।


 পাশাপাশি হজের অনুমতি ছাড়াই সৌদি আরবের অন্যান্য শহর থেকে মক্কায় আসা ১ লাখ ৭১ হাজার ৫৮৭ জনকে মক্কা থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। 


আগামী ১৪ জুন সৌদি আরবের মক্কায় পবিত্র হজ পালন শুরু হবে। সব মুসলিমের জন্যই জীবনে অন্তত একবার হজ পালন আবশ্যক। অন্তত চার দিন ধরে মক্কা এবং এর আশপাশের অঞ্চলে হজের বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। এসব অনুষ্ঠানে অনেকেই অবৈধ উপায়ে অংশগ্রহণের চেষ্টা করেন। 



কারণ বৈধ উপায়ে হজের অনুমতি পাওয়া এবং এ সম্পর্কিত ভ্রমণ প্যাকেজগুলো বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই তুলনামূলক ব্যয়বহুল হয়ে থাকে। তাছাড়া প্রতিটি দেশেই হজ পালনকারীদের জন্য কোটা সীমাবদ্ধ থাকে। 


সৌদি আরবের মক্কা ও মদিনায় ইসলামের সবচেয়ে পবিত্র মাজারগুলো রয়েছে। মক্কার স্থানীয় প্রশাসন এক্সে পোস্ট করা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, গত শনিবার পর্যন্ত ১৩ লাখের বেশি নিবন্ধিত হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন।


আরও খবর

ঈদুল আজহা কবে, জানা যাবে কাল

বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪




জমকালো কান চলচিত্র উৎসবে পর্দা উঠছে নবাগতা কিয়ারা আদভানির

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image



বিডি বিনোদন ডেস্ক:


গতকাল জমকালো আয়োজনে পর্দা উঠেছে চলচ্চিত্রের অন্যতম সম্মানজনক আসর কান চলচ্চিত্র উৎসবের। 


প্রতিবছরই এই চলচ্চিত্র উৎসবে বাহারি পোশাকে রেড কার্পেট মাতান ভারতীয় তারকারা। সেই তালিকায় অনেক আগেই নাম লিখিয়েছেন দীপিকা পাডুকোন, ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন, আনুশকা শর্মা, সোনম কাপুর, সারা আলী, অদিতি রাওসহ অনেক জনপ্রিয় অভিনেতা-অভিনেত্রী। 


এবার সেখানে যুক্ত হতে যাচ্ছে অভিনেত্রী কিয়ারা আদভানির নাম। এবার কান চলচ্চিত্র উৎসবে ভারতকে প্রতিনিধিত্ব করতে দেখা যাবে তাকে। 


জানা গেছে, চলতি আয়োজনে ‘রেড সি ফিল্ম ফাউন্ডেশন’-এর ‘উইমেন ইন সিনেমা গালা ডিনার’-এ অংশ নেবেন কিয়ারা। এটি ‘ভ্যানিটি ফেয়ার’ দ্বারা আয়োজিত হবে। 


অনুষ্ঠানে সারাবিশ্ব থেকে ৬ জন প্রতিভাবান নারীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। যারা বিনোদন মহলে অসামান্য অবদানের জন্য স্বীকৃত।



তাছাড়া, ‘কান চলচ্চিত্র উৎসব’-এ বিশ্বে ছবি প্রযোজনা এবং চিত্রগ্রহণ সম্পর্কে ১৮ মে চারটি প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। যেখানে কিয়ারা রেড সি ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল প্যানেলে অংশগ্রহণ করবেন। 


তার প্রস্তুতিও এরইমধ্যে শুরু করে দিয়েছেন তিনি। নিজের সেই আনন্দঘন মুহূর্তের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশও করেছেন কিয়ারা। যা ভক্তদের মাঝে বেশ উচ্ছ্বাস তৈরি করেছে। 


অনেকেই তার কান অভিষেক নিয়ে কমেন্ট বক্সে শুভ কামনা জানাচ্ছেন। উল্লেখ্য, গতকাল শুরু হয়েছে ৭৭তম কান চলচ্চিত্র উৎসব। চলবে ২৫ মে পর্যন্ত।


আরও খবর