Logo
শিরোনাম
রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন কমপ্লিট শাটডাউন : ঢাকাসহ সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২ শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০

১২৭ জন এমপিকে বাদ দিয়ে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চূড়ান্ত

প্রকাশিত:শনিবার ১১ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

সদরুল আইন,প্রধান প্রতিবেদক :

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে দিন থেকে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে সেদিন থেকে আওয়ামী লীগ তার মনোনয়ন ফর্ম বিক্রি করবে। 

মনোনয়ন ফরমের দাম ৩০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০ হাজার টাকা করা হয়েছে। 

আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঐ কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে বলেছেন যে, নির্বাচনে কাদেরকে মনোনয়ন দেবেন তার তালিকা পুরোপুরি ভাবে চূড়ান্ত করা হয়েছে।

আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল একাধিক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে যে, ৩০০ আসনের চূড়ান্ত মনোনয়ন তালিকা এখন প্রধানমন্ত্রীর টেবিলে। 

একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে বর্তমানে যারা আওয়ামী লীগের এমপি আছেন তাদের মধ্যে অন্তত ১২৭ জন আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাবেন না। তাদেরকে নির্বাচনে বাদ দেওয়া হয়েছে। 

বিভিন্ন সূত্রমতে, আওয়ামী লীগ ধরে নিয়েছে বিএনপি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছে। কাজেই বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছে এটা মাথায় রেখেই মনোনয়ন তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। 

আওয়ামী লীগ সভাপতি গতকাল ইঙ্গিত করেছেন যে, বিএনপি শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে আসবে মনোনয়ন বাণিজ্য করার জন্য এবং নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য।

বিভিন্ন সূত্রগুলো বলছে যে, ১৭২ জন পুরনো প্রার্থী আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের জন্য আবার টিকিট পাবেন। ১২৭ জন যে নতুন প্রার্থী রয়েছেন, তাদের মধ্যে অন্তত ১০ জন রয়েছেন যারা ২০০৮ বা ২০১৪ নির্বাচন করেছে। ২০১৮ নির্বাচনে মনোনয়ন পাননি। 

এ রকম ব্যক্তিদের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেও বিভিন্ন সূত্র বলছেন। 

একেবারে নতুন এবং আনকোরা, ২০০৮ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত কোন নির্বাচনেই প্রার্থী হননি এমন অন্তত ৩০ জন আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। 

মনোনয়নে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ছাড়াও ব্যবসায়ী, সাবেক আমলা, সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা এবং প্রাক্তন সেনা কর্মকর্তাদেরকেও রাখা হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্র নিশ্চিত করেছে।

আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্র বলছে, তরুণ এবং প্রবীণদেরকে মিলিয়ে এই মনোনয়ন তালিকা করা হয়েছে।

 সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানাচ্ছে যে, এর মধ্যে ৩০০ আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করলেও আওয়ামী লীগ শেষ পর্যন্ত শরিকদের জন্য ৫০টি আসন ছেড়ে দেবে। 

এ নিয়ে শরিকদের সঙ্গে খুব শিগগিরই বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যে আসনগুলো শরিকদের ছেড়ে দেওয়া হবে সেই আসনগুলোতে যারা আওয়ামী লীগের প্রার্থী আছে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হবে। 

একাধিক সূত্র বলছে যে, আওয়ামী লীগ মহাজোটের অধীনে নির্বাচনে যাবে নাকি শুধুমাত্র ১৪ দলকে নিয়ে নির্বাচনে যাবে তা নিশ্চিত নয়।

আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সূত্র বলছে, কৌশলগত কারণে আওয়ামী লীগ ১৪ দলগত ভাবে নির্বাচন করতে চায়। জাতীয় পার্টিকে আলাদা অবস্থানে রেখে নির্বাচনে প্রার্থী দিতে চায়। 

কারণ বিএনপি যদি শেষ মুহুর্তে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেয় তাহলে কোন আসন যেন প্রার্থী শূন্য না হয় সেই বিষয়টি মাথায় রেখে আওয়ামী লীগ বিভিন্ন ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। 

একাধিক সূত্র বলছে যে, প্রার্থীতা মনোনয়নের ক্ষেত্রে জনপ্রিয়তাকেই প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। তবে কিছু কিছু আসনে আওয়ামী লীগ কৌশলগত অবস্থান গ্রহণ করেছে। 

যে সমস্ত আসন ঝুঁকিপূর্ণ, যে আসনগুলোয় আওয়ামী লীগ কখনোই নির্বাচিত হতে পারেনি, সেই সমস্ত আসনে অপেক্ষাকৃত তরুণদেরকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে, যেন তারা ভবিষ্যতে সংগঠন গোছাতে পারে।

 নির্বাচনে হারার পরও যেন তারা সাংগঠনিক কাজে নিজেদেরকে ব্যস্ত রাখতে পারে। 

আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সূত্র বলছে, যে যারা ত্যাগী ও পরিশ্রমী কর্মী তাদেরকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে বগুড়া, লক্ষ্মীপুরের মতো বিএনপি প্রবণ এলাকাগুলোতে সাংগঠনিক ব্যক্তিদেরকেই প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। 

তবে এবারের নির্বাচনে চমক হিসাবে বড় বড় শিল্প গ্রুপের অন্তত তিনজন ব্যক্তি প্রার্থী হতে পারেন বলে জানা যাচ্ছে। 

এছাড়াও নির্বাচনে প্রার্থীদের ক্ষেত্রে আরও কিছু নাটকীয় চমক থাকবে বলেও জানা গেছে।


আরও খবর



শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image
মোঃ কামরুল ইসলাম টিটু - শরনখোলা প্রতিনিধি::


শরণখোলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে আসা রহিমন (৩৫) নামে এক মহিলা রোগির মৃত্যু হয়েছে কর্তব্যরত নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় । এই অভিযোগ করছেন চিকিৎসা নিতে এসে মারা যাওয়া রহিমনের আত্মীয়-স্বজনরা ।

রায়েন্দা বাজার পূর্ব মাথায় বসবাসকারি আঃ রহিমের স্ত্রী  রহিমন অসুস্থ হয়ে পড়লে ১৫ জুলাই ২০২৪ তারিখ বুধবার বেলা ১১:৩০ মিনিটে শরণখোলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে নিয়ে আসা হয়। জরুরী বিভাগের চিকিৎসা দিয়ে শরণখোলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করানো হয়।

এরপর রহিমনের শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে রহিমনের স্বামি আঃ রহিম কর্তব্য সিনিয়র স্টাফ নার্স কবিতা রানী বালাকে ডাকলে তিনি অবহেলা ও খারাপ ব্যবহার করেন বলে অভিযোগ করেন রহিমনের স্বামী আঃ রহিম ও রহিমনের মামাতো ভাই মোঃ কামরুল।

কিছুক্ষণ পরই রহিমন মারা যায়। রহিমনের মারা যাওয়ার সাথে সাথেই রহিমনের স্বামী ছেলে ও আত্মীয়-স্বজন কান্নায় ভেঙে পড়েন ও সিনিয়র স্টাফ নার্স কবিতা রানী বালার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। রহিমনের মৃত্যুর খবর শুনে ছুটে আসেন শরণখোলা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান হাসানুজ্জামান পারভেজ ও শরণখোলা উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি যুবলীগ নেতা বাদশা আলম।

শরণখোলা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান হাসানুজ্জামান পারভেজ ও শরণখোলা উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি বাদশা আলম বলেন সিনিয়র স্টাফ নার্স কবিতা রানী বালার অবহেলার কারণে রহিমনের মৃত্যু হয়েছে।

তারা আরো বলেন শরণখোলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নার্সদের ব্যবহারে সাধারণ মানুষের মধ্যে অনেক অভিযোগ রয়েছে। এই বিষয়ে বাগেরহাট ৪ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সফল সভাপতি এইচএম বদিউজ্জামান সোহাগকে জানানো হবে। তদন্তের মাধ্যমে শরণখোলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সিনিয়র স্টাফ নার্স কবিতা রানী বালার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সিনিয়র স্টাফ নার্স কবিতা রানী বালার খারাপ ব্যবহার ও অবহেলার কারণে রোগী রহিমার মৃত্যুর বিষয়ে শরণখোলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ আশফাক হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন মৃতঃ রহিমার আত্মীয়-স্বজন  লিখিত অভিযোগ করলে সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

চিকিৎসার অবহেলার কারণে রহিমার মৃত্যু ও খারাপ ব্যবহারের বিষয়ে জানতে চাইলে শরণখোলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সিনিয়র স্টাফ নার্স কবিতা রানী বালা বলেন আমি যথাযথ নিয়মে ঠিকমতো চিকিৎসা দিয়েছি ও আমি কারো সাথে খারাপ ব্যবহার করিনি। আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

আরও খবর



কোম্পানিগঞ্জের ভারতীয় সীমান্তে খাসিয়ার গুলিতে নিহত ২ বাংলাদেশী

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image
কোম্পানিগঞ্জ প্রতিনিধি::


সিলেটের  কোম্পানীগঞ্জ সীমান্তে খাসিয়ার গুলিতে ২ বাংলাদেশী নাগরিক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরো একজন গুরুতর আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। রবিবার (১৪ জুলাই) নাজিরেরগাঁও কাওয়ারটুক ১২৫৩ পিলারের ওপারে এ ঘটনা ঘটে। কালাইরাগ বিওপি ও বিজিবির মিডিয়া উইং ২জন নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিহতরা হলেন কালাইরাগ করবলাটুক গ্রামের মৃত ফজর আলীর ছেলে আলী হুসেন ও মৃত সুন্দর আলীর ছেলে কাউছার আহমদ। এ ঘটনায় একই গ্রামের বিল্লাল মিয়ার ছেলে নবী হুসেন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, আলী হুসেন, কাউছার ও নবী হুসেন সীমান্তের ওপার থেকে প্রায়ই বিভিন্ন মালামাল নিয়ে আসেন। অন্যান্য দিনের মতো রবিবার সকালেও তারা ভারতে প্রবেশ করে। বিকাল ৩টায় খবর পাওয়া যায় ভারতীয় খাসিয়ার গুলিতে নিহত হয়েছে আলী হুসেন ও কাউছার আহমদ। এর কিছু পর গুরুতর আহত হয়ে ফিরে আসেন নবী হুসেন। নবী হুসেনকে পরিবারের লোকজন চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেছেন।

বিজিবির কালাইরাগ বিওপির ক্যাম্প কমান্ডার ও মিডিয়া উইং বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ২ জন বাংলাদেশী নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে তাদের লাশ এখনো বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয়নি।


আরও খবর



পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

পুঠিয়া (রাজশাহী) প্রতিনিধি::



রাজশাহীর পুঠিয়ায উপজেলায় নিহত ছাত্রলীগ কর্মীর গায়েবানা জানাজা ও সারা দেশব্যাপী জামায়াত, বিএনপির নৈরাজ্য ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুলাই) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে পুঠিয়া উপজেলার পরেশ নারায়ণ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় (পিএন) মাঠে নিহত ছাত্রলীগ কর্মী সবুজ আলীর গায়েবানা জানাজা শেষে, দেশব্যাপী সহিংসতার বিরুদ্ধে পুঠিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের আয়োজনে ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কে ওই বিক্ষোভ মিছিল করা হয়।

পরে বিক্ষোভ মিছিল শেষে পুঠিয়া উপজেলার ত্রিমোহনী বাজার মসজিদের সামনে নেতাকর্মীরা উপস্থিত হয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন। সংক্ষিপ্ত ওই সমাবেশে বক্তারা বলেন জামাত-বিএনপি ও শিবিরের দেশব্যাপী নৈরাজ্য ও দেশকে অস্থিতিশীল করার বিরুদ্ধে আমাদের সজাগ ও জাগ্রত থাকতে হবে। যারা রাজাকার ছিল তাদেরকে উৎখাত করা হয়েছে। এদেশে যুদ্ধাপরাধী, রাজাকারের কোন স্থান নেই। তোমরা যারা আন্দোলন করছো ভুল পথে যেওনা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এস এম একরামুল হকের সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগ যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক ও সাবেক এমপি আয়েন উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক চিন্ময় কান্তি দাস, জেলা যুবললীগের সাবেক সভাপতি আবু সালেহ, জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর বিষয়ক সম্পাদক প্রদ্যুৎ কুমার সরকার, উপ-দপ্তর সম্পাদক আব্দুল মান্নান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ গোলাম ফারুক, পুঠিয়া উপজেলা যুবলীগ সভাপতি ও সাবেক মেয়র রবিউল ইসলাম রবি, রাজশাহী জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম মিঠু, উপজেলা কৃষক লীগ সভাপতি রাজিবুল হক রাজিব, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি মো. তুহিনুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মাসুম, উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম-সম্পাদক ও পৌরসভার ২ নং প্যানেল মেয়র নিজাম উদ্দীন মকুলসহ উপজেলা আওয়ামী লীগের অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী ও বিভিন্ন ইউনিয়ন, ওয়ার্ডের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকগণ।




আরও খবর



রাজবাড়ীতে সড়ক দূর্ঘটনায় পুলিশ সদস্যের মৃত্যু

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

রাজবাড়ী জেলা প্রতিনিধি::




রাজবাড়ীতে গতকাল রাতে দায়িত্ব পালনকালে ব্যাটারী চালিত ইজিবাইকের ধাক্কায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক পুলিশ সদস্যের মৃত্যু হয়েছে।

নিহত পুলিশ সদস্যের নাম মোঃ মিজানুর রহমান। তার বাড়ী ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলার কাপুরিয়া সদরদী গ্রামে। সে রাজবাড়ী সদর থানায় কনস্টেবল পদে কর্মরত ছিলেন।

রোববার (১৪ জুলাই) জেলা পুলিশের এক শোক বার্তায় এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার জি.এম. আবুল কালাম আজাদ।

শোক বার্তা থেকে জানা যায়, শনিবার দিবাগত রাতে মিজানুর রহমান মোবাইল ডিউটিতে ছিলেন। ডিউটিকালিন রাত ১২ টা ১০ মিনিটে রাজবাড়ী সদর উপজেলার মিজানপুর ইউনিয়নের বাগমারা এলাকায় একটি ব্যাটারী চালিত ইজিবাইক তাকে ধাক্কা দেয়। এসময় তিনি পিচ ঢালা রাস্তায় পড়ে মাথায় গুরুতর  আঘাত পান। তাকে উদ্ধার করে প্রথমে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাতেই উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

রাজবাড়ী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ ইফতেখারুল আলম প্রধান জানান, কনস্টেবল মিজানুরের মরদেহ ঢাকা থেকেই তার গ্রামের বাড়িতে পাঠানো হয়েছে। সেখানে জানাজা শেষে দাফন করা হবে।


আরও খবর



হল ত্যাগের নির্দেশ মানতে নারাজ বশেমুরবিপ্রবির শিক্ষার্থী

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

মোঃ ছিপু মোল্লা , বশেমুরবিপ্রবি সংবাদদাতাঃ

'আমার হলে আমি থাকব, আপনি নিষেধ করার কে?' -স্লোগানে মুখরিত গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়(বশেমুরবিপ্রবি)। ছয় ঘন্টার মধ্যে প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার না করলে আবারো উপাচার্য ভবন ঘেরাও করা হবে বলে আল্টিমেটাম দেওয়া হয়। 

বুধবার(১৭জুলাই) বিকেলে উপাচার্য ভবনের সামনে অবস্থান নেয় কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েক শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

জানা যায়, ওই দিন সকাল ১১ঘটিকায় রিজেন্ট বোর্ডের সভা হয়। সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলের শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়। এরপর দুপুর ১২টা নাগাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. দলিলুর রহমান কর্তৃক স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। বিজ্ঞপ্তিতে আবাসিক হলের ছেলে শিক্ষার্থীদের বিকেল পাঁচ ঘটিকার মধ্যে হলের ত্যাগের নির্দেশনা দেওয়া হয়। এবং মেয়ে শিক্ষার্থীদের পরদিন সকাল ১০ঘটিকা নাগাদ হল ত্যাগের নির্দেশনা দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করার পর থেকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোব দেখা যায়। তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া দেখায়। এরপর বিকেল ৩ঘটিকায় মিছিল বের করে। 'আমার হলে আমি থাকব, তুমি বলার কে?' 'শিক্ষা সন্ত্রাস একসাথে চলেনা' স্লোগান নিয়ে উপাচার্য ভবন ঘেরাও করে শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীরা বলেন, অবিলম্বে এই বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার করতে হবে। আমরা রাত ১২টা পর্যন্ত উপাচার্যকে সময় দিয়েছি। এই সময়ের মধ্যে যদি বিজ্ঞপ্তিটি প্রত্যাহার করা না হয় তাহলে আমরা কঠোর কর্মসূচিতে যাব। তারা বলেন, আমরা কোটা সংস্কার না করে বাড়ি যাবনা।

হলের ত্যাগের বিষয়ে আন্দোলনে অংশ নেওয়া লোক প্রশাসন বিভাগ ২০১৭-১৮শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সুবর্ণা জয় বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয় আমার। এই হল আমার। আমার হলে আমি থাকব। ইউজিসি আমাকে নিষেধ করার কে? রিজেন্ট বোর্ড আমাকে নিষেধ করার কে? 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক শিক্ষার্থী বলেন, উপাচার্য হয়তো ভয় পায়। তিনি আমাদেরকে নিরাপত্তা দিতে পারবেন না সেজন্য হয়তো হল ত্যাগের নির্দেশনা দিয়েছে। তিনি বলেন, উপাচার্যের যদি নিরাপত্তার অভাব হয় তাহলে আমরা ওনাকে নিরাপত্তা দিব। হল আমাদের, আমাদের হলে আমরা থাকব। 

আন্দোলন স্থলে উপস্থিত হয়ে উপাচার্য বলেন, হল ত্যাগের নির্দেশনা আমার না। এটি ইউজিসি থেকে নেওয়া হয়েছে। আমরা শুধুমাত্র প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেছি। শিক্ষার্থীরা যদি হলে থাকতে চায় তাহলে আমরা তাদেরকে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা দিব। আমরা পুলিশ প্রশাসনের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছি। তিনি বলেন, রিজেন্ট বোর্ডের সদস্যদের সাথে যোগাযোগ করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেওয়া হবে।


আরও খবর