Logo
শিরোনাম

২০২৫ অক্টোবরেই আয়ু শেষ হচ্ছে উইন্ডোজ ১০

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ মে 2০২3 | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

বিশ্ববিখ্যাত প্রযুক্তি সংস্থা মাইক্রোসফ্ট জানিয়েছে, ২০২৫ সালের অক্টোবরেই আয়ু শেষ হচ্ছে উইন্ডোজ ১০-এর। সংস্থা জানিয়েছে, ১৪ অক্টোবর ২০২৫ সালই উইন্ডোজ ১০-এর শেষ। বর্তমানে যে 22H2 ভার্সানটি রয়েছে, সেটিই থাকবে চূড়ান্ত হিসেবে। বাকি সমস্ত সংস্করণ থাকবে সমর্থনের যোগ্য হিসেবে। বর্তমানে যে লং টার্ম সার্ভিসিং চ্যানেল রিলিজ হয়, তা হতে থাকবে। ওই নির্দিষ্ট তারিখের পরও চলবে আপডেট গ্রহণ, যাতে সিস্টেম তার নিজস্ব জীবনচক্রকে চালিয়ে যেতে পারে।

এরপর কী?

উইন্ডোজ ১০ যদি থেমে যায়, তাহলে পরবর্তী পর্যায়ে কী হতে পারে, তা নিয়ে রয়েছে প্রশ্ন। বলা হচ্ছে, উইজাররা এই পরিস্থিতিতে উইন্ডোজ ১১-এ দিকে যেতে পারেন। এদিকে, উইন্ডোজ ১০-এর পর বাকি অনেক আপডেট হবে বলে জানানো হচ্ছে। তবে যারা উইন্ডোজ ১০ চালিয়ে যেতে চান, তারা তাদের অপারেটিং সিস্টেম আপডেট করতে পারেন। 22H2 ভার্সানটি পর্যন্ত আপডেট করতে পারেন। এছাড়াও উইন্ডোজ ১০, ২০২৫ সালের ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত ব্যবহার করতে পারেন।

উইন্ডোজ ১১ কী হতে পারে?

বিশ্ব প্রযুক্তির কিংবদন্তী বিল গেটসের সংস্থআ মাইক্রোসফটের বর্তমান উইন্ডোজটি ২০২১ সাল বাজারে এসেছিল। তার পরের বছরের মে মাসেই সব ডিভাইসের মধ্যে তা ঢুকে যায়। এদিকে, উইন্ডোজ ১১-এ নতুন নক্সা তুলে ধরে মাইক্রোসফট। সেখানে নতুন নানা ফিচার দেখা যায়।


সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস


আরও খবর



বছরে সাড়ে ১৬ লাখের বেশি আয়, বাজেটে আসছে দুঃসংবাদ!

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

বিডিডিজিটাল ডেস্ক:


আসছে বাজেটে সাড়ে ১৬ লাখ টাকার বেশি বার্ষিক আয়কারীদের ওপর নির্ধারিত করহার ২৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩০ শতাংশ করা হবে বলে জানা গেছে।


 এ বাজেটে মূলত ধনীদের ওপর বেশি কর আরোপ করে ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতি থেকে তুলনামূলকভাবে কম আয়ের মানুষকে স্বস্তি দেওয়ার বিষয়ে জোর দেওয়া হয়েছে।


বৃহস্পতিবার (৬ জুন) অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করবেন। এটিই হবে দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম বাজেট।



জানা গেছে, বাজেটে সাড়ে ১৬ লাখ টাকার বেশি বার্ষিক আয়কারীদের ওপর নির্ধারিত করহার ২৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩০ শতাংশ করা হবে। বর্তমানে করমুক্ত আয়সীমা সাড়ে ৩ লাখ টাকা। 


এছাড়া এর পরবর্তী ১ লাখ টাকা আয়ের ওপর করহার ৫ শতাংশ। আগামী বাজেটেও এই হার অপরিবর্তিত থাকতে পারে।


তাছাড়া বছরে সাড়ে ৭ লাখ টাকা আয়কারীদের বর্তমানে ১০ শতাংশ হারে কর দিতে হয়। এবারের বাজেটে এই সীমা এক লাখ টাকা বাড়িয়ে সাড়ে ৮ লাখ টাকা করা হতে পারে। 


তবে আগের মতোই থাকবে করের হার। একইসঙ্গে পরবর্তী ৪ লাখ টাকা আয়ের ওপর ১৫ শতাংশ কর বহাল থাকলেও সীমা বেড়ে হতে পারে ৫ লাখ টাকা।


আয়-ব্যয়ের হিসাব মেলাতে এবার বাজেটে খরচের লাগাম টানা হচ্ছে। প্রতি বছর গড়ে ১২ থেকে ১৫ শতাংশ আকার বাড়ানো হলেও এবার মাত্র সাড়ে ৪ শতাংশ বাড়িয়ে বাজেট উপস্থাপন করতে যাচ্ছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। টাকার অঙ্কে যার পরিমাণ ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা।


গত জুনে চলতি অর্থবছরের জন্য যে বাজেট উপস্থাপন করা হয়েছিল তার থেকে এই বাজেট মাত্র ৪ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি। আগামী বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা থাকছে ৫ লাখ ৪১ হাজার কোটি টাকা। বাকি ২ লাখ ৫৬ হাজার কোটি টাকা ঘাটতি পূরণে অভ্যন্তরীণ ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে ঋণের অঙ্ক বাড়ানো হচ্ছে।


অর্থ মন্ত্রণালয়ের হিসাব বলছে, আয়-ব্যয়ের যে হিসাব বাজেটে দেওয়া হয় তার কোনোটাই লক্ষ্য পূরণ হয় না। প্রতি অর্থবছর শুরুতে যে বাজেট দেওয়া হয়, ৯ মাস শেষে একবার সংশোধন করা হয়। কিন্তু অর্থবছর শেষে দেখা যায়, বাস্তবায়নের হার আরও কম। 


গত তিন বছর ধরে ঘোষিত বাজেটের চেয়ে প্রায় ১ লাখ কোটি টাকা কম ব্যয় হচ্ছে। অর্থ বিভাগের গত এক দশকের তথ্য-উপাত্ত অনুযায়ী, প্রতি বারই বাজেট বাস্তবায়ন হচ্ছে গড়ে ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ।





আরও খবর

শেখ হাসিনার প্রশংসায় জয়শঙ্কর

শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪




সহজ ম্যাচে কঠিন করে জয় পেল বাংলাদেশ

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে ডিজিটাল ক্রীড়া রিপোর্ট:


বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে শ্রীলঙ্কাকে স্বল্প রানে বেধে রাখে বাংলাদেশ। এরপর কাজটা ছিল ব্যাটারদের। ১২৫ রানের মামুলি টার্গেট তাড়া করতে নেমে বেশ বেগ পেতে হয়েছে টাইগার ব্যাটারদের।


 তবে শেষ পর্যন্ত জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে লঙ্কানদের ২ উইকেটে হারিয়ে টাইগাররা। এতে জয় দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করলো নাজমুল হোসেন শান্তর দল। জয় পেলেও ব্যাটারদের সামর্থ্য নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। 


শনিবার (৮ জুন) ডালাসের গ্র্যান্ড প্রেইরি স্টেডিয়ামে টস জিতে লঙ্কানদের ব্যাটিংয়ে পাঠান টাইগার অধিনায়ক শান্ত। লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন ও মোস্তাফিজুর রহমানের বোলিং তোপে ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১২৪ রান সংগ্রহ করে শ্রীলঙ্কা।



 

লঙ্কানদের পক্ষে পাথুম নিশাঙ্কা ২৮ বলে ৪৭ ও ধানাঞ্জায়া ডি সিলভা ২৬ বলে ২১ রান করেন। বাংলাদেশের পক্ষে রিশাদ ও মোস্তাফিজ নেন ৩টি করে উইকেট।   


১২৫ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে বাংলাদেশ। দলীয় ২৮ রানের মধ্যে তিন ব্যাটারকে হারিয়ে ধুঁকতে থাকে টাইগাররা। তানজিদ হাসান তামিম ৬ বলে ৩, নাজমুল হাসান শান্ত ১৩ বলে ৭ ও রানের খাতা খোলার আগেই সাজঘরে ফিরে যান সৌম্য সরকার।


এরপর তাওহিদ হৃদয়কে সঙ্গে নিয়ে চাপ সামাল দেন লিটন দাস। ৬৩ রানের জুটি গড়েন এই দুই ব্যাটার। আগ্রাসী ব্যাটিং করতে থাকেন হৃদয়।



তবে এরপর দ্রুতই জোড়া উইকেট হারিয়ে ফের চাপে পড়ে বাংলাদেশ। দলীয় ৯১ ও ৯৯ রানে ২০ বলে ৪০ রান করে হৃদয় ও লিটন ৩৮ বলে ৩৬ রান করে আউট হন। 


এরপর দলীয় ১০৯ রানে ১৪ বলে ৮ রান করে সাকিব আল হাসান আউট হলে আরও চাপে পড়ে বাংলাদেশ। তার বিদায়ের পর দ্রুতই আরও দুই উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে প্রায় ছিটকে যায় বাংলাদেশ।


তবে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ঠাণ্ডা মাথার ব্যাটিংয়ে ৬ বল হাতে রেখে ২ উইকেটের জয় পায় বাংলাদেশ। ১৩ বলে ১৬ রানে অপরাজিত থাকেন মাহমুদউল্লাহ। শ্রীলঙ্কার পক্ষে নুয়ান তুষারা নেন ৪টি উইকেট।       




আরও খবর



চার লাখ টাকা চুক্তিতে হত্যা করা হয় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে

প্রকাশিত:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

হাসিবুর রহমান রাজাপুর ঝালকাঠি :

ঝালকাঠির নলছিটিতে আলোচিত জিয়াউল আহসান ফুয়াদ কাজী হত্যার রহস্য উম্মোচন করেছে পুলিশ থানা পুলিশ। একই সাথে চার লক্ষ টাকা চুক্তিতে হত্যা মিশনে অংশ নেয়া মো. মিজানুর রহমান (৫১) কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ, উদ্ধার করা হয়েছে হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র। 


গত ৭ জানুয়ারি দিবাগত রাতে জাতীয় নির্বাচনী কাজ শেষে নিজ বাড়ী উপজেলার সিদ্ধকাঠি ইউনিয়নের চৌদ্দবুড়িয়া মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয় ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি জিয়াউল আহসান ফুয়াদ কাজীকে। 


এরপরই এর সাথে সংশ্লিষ্ট কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী গতকাল(২০জুন) নলছিটি থানা পুলিশ চুক্তিতে হত্যায় অংশ নেয়া উপজেলার কুশংগল ইউনিয়নের বাসিন্দা আইয়ুব আলী হাওলাদারের ছেলে মিজানুর হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। এসময় তার কাছ থেকে হত্যায় ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। 

পুলিশ জানিয়েছে, ফুয়াদ হত্যায় জরিত সন্দেহে গ্রেপ্তার করা পূর্বের আসামীদের জবানবন্দি অনুযায়ী কিলিং মিশনে অংশ নেয়া মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।  মিজানুর রহমানের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী,হত্যায় তারা দুজন অংশ নেয়, তার সাথেরজন ফুয়াদ কাজীর কোমর জাপটে ধরে এবং সে অনবরত কোপাতে থাকে। এসময় তার সাথের জনের হাতও মারাত্মক জখম হয়। পরে সে বরিশালের একটি বেসরকারি হাসাপাতালে চিকিৎসা নেয়। সে আরও জানিয়েছে স্থানীয় ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম হাওলাদার তাদের ভাড়া করেন। 

নলছিটি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো. মুরাদ আলী জানান, ফুয়াদ কাজী হত্যায় যারা সরাসরি অংশ নিয়েছে তাদের মধ্যে অন্যতম মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এখন তার সাথের জনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।


আরও খবর



ঘূর্ণিঝড় রেমালে স্থগিত ২০ উপজেলায় ভোট ৯ জুন

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে ডিজিটাল ডেস্ক:


ঘূর্ণিঝড় রেমালে স্থগিত ২০ উপজেলায় ভোট ৯ জুন 

ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে স্থগিত হওয়া উপকূলীয় ২০ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটের নতুন তারিখ ৯ জুন নির্ধারণ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। 


বুধবার (২৯ মে) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এ সিদ্ধান্তের কথা জানান নির্বাচন কমিশন সচিব মো. জাহাংগীর আলম। 


তিনি আরও জানান, ঘূর্ণিঝড়ের কারণে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার কারণে স্থগিত চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ ও কচুয়ায় ভোট হবে চতুর্থ ধাপের সঙ্গে ৫ জুন।


 একই দিনে কুমিল্লার চান্দিনায় ভোটগ্রহণ হবে। এসব উপজেলায় বুধবার ভোটগ্রহণ হওয়ার কথা ছিল। ওইসব বাদ দিয়ে এদিন তৃতীয় ধাপের ৮৭ উপজেলায় ভোটগ্রহণ হয়েছে।



ইসির কর্মকর্তারা জানান, তৃতীয় ধাপে ১১২ উপজেলায় ভোটগ্রহণ হওয়ার কথা ছিল। ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে উপকূলীয় ২০টি উপজেলার ভোট স্থগিত করে কমিশন। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ ও কচুয়া উপজেলায় ভোট স্থগিত করা হয়।


 ওই দুই উপজেলায় ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণের কথা ছিল। আর আইনি জটিলতায় চতুর্থ ধাপে অনুষ্ঠেয় ৫ জুনের কুমিল্লার চান্দিনার ভোট আটকে গিয়েছিল।


এসব নির্বাচনের বিষয়ে ইসির সিদ্ধান্তের কথা সাংবাদিকদের জানান নির্বাচন কমিশন সচিব মো. জাহাংগীর আলম। তিনি বলেন, স্থগিত উপজেলাগুলোর ভোটের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি।


 উপকূলীয় এলাকাগুলোয় ভোট হবে ৯ জুন। আর চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ ও কচুয়া উপজেলায় ভোট হবে চতুর্থ ধাপের ভোটের দিন অর্থাৎ ৫ জুন। 


মামলার কারণে স্থগিত কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলারও ভোট হবে একই দিনে। সব মিলিয়ে চতুর্থ ধাপে ভোট হবে ৫৭ উপজেলায়।



৯ জুন যেসব উপজেলায় ভোট হবে, সেগুলো হচ্ছে—বাগেরহাটের শরণখোলা, মোড়েলগঞ্জ ও মোংলা; খুলনার কয়রা, পাইকগাছা ও ডুমুরিয়া; বরিশালের গৌরনদী ও আগৈলঝারা; পটুয়াখালীর সদর, মির্জাগঞ্জ ও দুমকি; পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া; ভোলার তজুমদ্দিন ও লালমোহন; ঝালকাঠির রাজাপুর ও কাঁঠালিয়া; বরগুনার বামনা ও পাথরঘাটা; রাঙামাটি পার্বত্য জেলার বাঘাইছড়ি ও নেত্রকোনার খালিয়াজুরী।  



আরও খবর

শেখ হাসিনার প্রশংসায় জয়শঙ্কর

শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪




নিকলী হাওরের বিলগুলো প্রভাবশালীদের দখলে

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image



নিকলী (কিশোরগঞ্জ) সংবাদদাতা:


নিকলী হাওরের বিলগুলো প্রভাবশালীদের দখলে

কৃষিপ্রধান বাংলাদেশে রয়েছে হাওর-বাঁওড়সহ বিভিন্ন আকৃতির জলাশয়।


 আর এগুলোতে শুষ্ক মৌসুমে ধান আর বর্ষায় মাছ পাওয়া যায়। কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার বেশির ভাগ মানুষ কৃষক ও মৎস্যজীবী। হাওরের ধান ও মাছের ওপর নির্ভর করে বেঁচে থাকতে হয় তাদের।


 কিন্তু হাওরের জলমহাল ও বিলগুলো মৎস্যজীবীদের কাছ থেকে হাতছাড়া হয়ে যাওয়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন তারা। 


জেলেরা বলছেন, হাওরপাড়ের প্রভাবশালীরা মৎস্যজীবী সমিতির নামে বিভিন্ন বিল লিজ নিয়ে তাদের দখলে নিচ্ছেন। ফলে বিল ও জলমহাল থেকে মাছ ধরতে পারছেন না প্রকৃত জেলেরা।



জানা যায়, বর্ষাকালেই জেলেরা হাওরে মাছ ধরে থাকেন। চৈত্র মাসের শেষের দিকে সরকারের কাছ থেকে বিভিন্ন বিল লিজ নেয় সমাজের বিত্তশালীরা। স্থানীয় প্রভাবশালীরা সরকারের কাছ থেকে বিভিন্ন সমিতির নাম ব্যবহার করে বিলগুলো ইজারা নিয়ে জেলেদের মাছ ধরা বন্ধ করে দেয়। 


এতে করে বিপাকে পড়েন মৎস্যজীবীরা। যার ফলে জেলেদের জীবনে নেমে আসে অভাব-অনটন।


নিকলীতে প্রায় ছোট-বড় শতাধিক বিল ও জলাশয় রয়েছে। বর্ষার সময় এ বিলগুলো থেকে মাছ শিকার করে হাওর অঞ্চলের জেলেরা জীবনযাপন করেন। কিন্তু বর্ষার মাঝামাঝি সময়ে প্রভাবশালীরা জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে সরকারের কাছ থেকে হাওরগুলো লিজ দেওয়া হয়। 


একেকটি বিল লিজ নিতে কোটি বা অর্ধকোটি অথবা লাখ লাখ টাকা ব্যয় করতে জেলেরা না পারায় প্রভাবশালীদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায় বিলগুলো। বিল ইজারা নিয়ে হাওরে মাছ শিকার নিষেধ করে দেন মৎস্যজীবীদের। ফলে তাদের অর্ধাহারে-অনাহারে দিনাতিপাত করতে হয়। অভাবের কারণে অনেক জেলে পরিবারের ছেলেমেয়েদের পড়ালেখা, চিকিৎসা ও পরিবারের খরচ চালাতে হিমশিম খেতে হয়।


 মৎস্যজীবী রাকেশ দাস বলেন, সরকার বিলগুলো লিজ দেয় মৎস্যজীবীদের নামে। কিন্তু তার আধিপত্য চলে যায় প্রভাবশালীদের কাছে। ফলে আমাদের মতো সাধারণ মৎস্যজীবীদের বেঁচে থাকা দুর্বিষহ হয়ে পড়ে। তাই লিজ নেওয়া বিলে দিনমজুরি করে ছেলেমেয়েদের মুখে দুই বেলা ভাত তুলে দিতে হিমশিম খেতে হয়।


 সরকার যাদেরকে বিল লিজ দেয় তাদের একটা সীমানা নির্ধারণ করে দেওয়া দরকার। যাতে অন্য মত্স্যজীবীরা সীমানার বাইরে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করতে পারেন।



এ ব্যাপারে নিকলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পাপিয়া আক্তার বলেন, সরকার বিলগুলো লিজ দেয় মৎস্যজীবী সমিতির নামে। কিন্তু তারা পরবর্তীকালে প্রভাবশালীদের কাছে বিক্রি করে দেন। জলমহাল ব্যবস্থাপনা নীতিমালা অনুযায়ী মৎস্যজীবী সমিতিকে দেওয়া হয়। 


কিন্তু ব্যবস্থাপনা, দক্ষতা ও সচেতনতার অভাবে ও অর্থসংকটের কারণে প্রভাবশালীদের দ্বারস্থ হন তারা। মৎস্যজীবীদের যথাযথ প্রশিক্ষণ ও অর্থসংকট কাটিয়ে ওঠার জন্য ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা থাকলেও তারা প্রভাবশালীদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।


আরও খবর