Logo
শিরোনাম
শবে বরাত পালন মুসলিম জাতিকে একতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে। ৫৭ তম খোশরোজ শরীফ ও মইনীয়া যুব ফোরামের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন বাঙালি সাংস্কৃতিতে মাইজভাণ্ডারী ত্বরীকার সাথে সম্পর্ক রয়েছে সীমান্তে হত্যা বন্ধের দাবীতে প্রতীকী লাশ নিয়ে হানিফ বাংলাদেশীর মিছিল লক্ষ্মীপুরে কৃষক কাশেম হত্যা: স্ত্রী, শ্বশুরসহ গ্রেপ্তার ৫ কুমিল্লা সিটি’র উপনির্বাচন: মেয়র পদে প্রতীক বরাদ্দ অবৈধ মজুদকারীরা দেশের শত্রু : খাদ্যমন্ত্রী ফতুল্লায় সিগারেট খাওয়ার প্রতিবাদ করায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা বকশীগঞ্জে মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা নোবিপ্রবিতে সিএসটিই এলামনাই এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন

৩ ফিলিস্তিনিকে গুলি করে হত্যা

প্রকাশিত:সোমবার ১৩ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

অধিকৃত পশ্চিম তীরের একটি তল্লাশি চৌকিতে হামলা চেষ্টার সময়, রবিবার তিন ফিলিস্তিনিকে গুলি করে হত্যা করেছে ইসরাইলি সৈন্যরা।

এই ঘটনায় চতুর্থ এক ফিলিস্তিনি বন্দুকধারীকে আটক করেছে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী। পশ্চিম তীরের উত্তরাঞ্চলের নাবলুস শহরের কাছের এই ঘটনায় নিহতদের পরিচয় প্রকাশ করেছে ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরাইলের গুলিতে নাবলুসে নিহতরা হলেন জিহাদ মোহাম্মদ আল-শামি, উদয় ওসমান ও রাঈদ দাবিক । ইসরাইলের সেনাবাহিনী বলেছে, পশ্চিম তীরের নাবলুসের কাছে সেনাবাহিনীর অবস্থান লক্ষ্য করে গুলি ছুড়েছে বন্দুকধারীরা। এর জবাবে সৈন্যরা গুলিবর্ষণ করেছে। নিহত ফিলিস্তিনিরা প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের রাজনৈতিক দল ফাতাহর সশস্ত্র শাখা আল-আকসা শহীদ ব্রিগেডের সদস্য বলে দাবি করা হয়েছে। 


আরও খবর

অনুমতি ছাড়া হজ করলে শাস্তি ঘোষণা

শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪




বায়ুদূষণে নীরবে ধুঁকছে ঢাকা

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

দিনের পর দিন অস্বাস্থ্যকর থাকছে রাজধানীর বাতাস। মাঝেমধ্যে সারা বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকার শীর্ষে উঠে আসছে। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর বায়ুমান সূচক ছিল ২৬৬, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত।

সূচক ২০০ থেকে ৩০০-এর মধ্যে হলে তা খুব অস্বাস্থ্যকর। অনেক জেলা শহরেও দূষণ ঝুঁকির পর্যায়ে পৌঁছেছে। এমনকি কখনও কখনও ঢাকাকে ছাড়িয়ে গেছে রংপুর-সিলেটের মতো কিছু শহর। তবু সরকার এ বিষয়ে সতর্কবার্তা জারি করছে না; বরং দূষণের মাত্রা কমিয়ে দেখাচ্ছে। বায়ুদূষণে অ্যাজমা, নিউমোনিয়ার মতো রোগীর সংখ্যা বাড়ছে প্রতিনিয়ত।

বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার টানা দুইদিন ঢাকার বাতাসের মান আজ খুব অস্বাস্থ্যকর হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। আর আজ শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা ২৪ মিনিটে ২৩৯ এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে প্রিয় রাজধানী ঢাকা।

গত ৬ দিন সকালে ঢাকার বাতাসের মান খুব অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় ছিল। ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪ ও ১৫ ফেব্রুয়ারি বাতাসের একিউআই স্কোর ছিল যথাক্রমে ২৬৩, ২৫৭, ২৮৬, ২৩২, ২৮৮ ও ২৬৬।

পাকিস্তানের লাহোর, ভারতের দিল্লি ও কলকাতা এবং ইরাকের বাগদাদ যথাক্রমে ২২৩, ২১৯, ১৯৯ ও ১৮৭ একিউআই স্কোর নিয়ে তালিকার দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম স্থান দখল করেছে।

১০১ থেকে ১৫০ এর মধ্যে হলে বাতাসের মান সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর, ১৫০ থেকে ২০০ এর মধ্যে একিউআই স্কোরকে অস্বাস্থ্যকর বলে মনে করা হয়।

২০১ থেকে ৩০০ এর মধ্যে খুব অস্বাস্থ্যকর বলা হয়, ৩০১+ একিউআই স্কোরকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যা বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

বাংলাদেশে একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের ৫টি বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে। সেগুলো হলো- বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন (ও৩) ।

দীর্ঘদিন ধরে বায়ু দূষণে ভুগছে ঢাকা। এর বাতাসের গুণমান সাধারণত শীতকালে অস্বাস্থ্যকর হয়ে যায় এবং বর্ষাকালে কিছুটা উন্নত হয়।

২০১৯ সালের মার্চ মাসে পরিবেশ অধিদফতর ও বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ঢাকার বায়ু দূষণের তিনটি প্রধান উৎস হলো- ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া ও নির্মাণ সাইটের ধুলো।


আরও খবর

ফুটপাতের চাঁদার টাকা খায় কারা ?

সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

অবৈধ দখল উচ্ছেদ শুরু প্যারিস খালের

শুক্রবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২4




বাজারের সন্ধানে গার্মেন্টস ব্যবসায়ীরা

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

মন্দা পরিস্থিতিতে ইউরোপ-আমেরিকার উন্নত দেশগুলো ব্যয় সংকোচন নীতি অবলম্বন করায় জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও রাশিয়ার মতো অপ্রচলিত বাজারে পণ্য রফতানি বাড়িয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্প মালিকরা।

গত ৪০ বছরের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রফতানির মূল বাজার ইউরোপ এবং যুক্তরাষ্ট্র। ২০২৩ সালে বাংলাদেশ থেকে রফতানি হওয়া ৪৭.৩৮৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত ২৭টি দেশেই রফতানি হয়েছে ২৩.৩৮৪ মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য। এ ছাড়া আমেরিকায় ৮.২৭৩ বিলিয়ন ডলার, যুক্তরাজ্যে ৫.৩৪৪ বিলিয়ন ডলার এবং কানাডায় ১.৫১৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য রফতানি হয়েছে।

এদিকে ২০২১ সালে এক লাফে গার্মেন্টস খাতের আয় ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বেড়ে ৪৫.৮০৯ বিলিয়ন ডলার হলেও গত দুবছরে মন্দা পরিস্থিতির কারণে প্রবৃদ্ধির হার ক্রমেই কমছে।

সেটি কাটিয়ে ওঠার বিষয়ে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) প্রথম সহসভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম বলেন, ইউরোপ-আমেরিকায় আমাদের রফতানি কমার বিষয়টি আমরা অন্যান্য দেশে রফতানি বাড়ানোর মাধ্যমে কাটিয়ে ওঠার পরিকল্পনা করছি এবং তা কিছুটা কাটিয়ে উঠেছিও।

ইউরোপ-আমেরিকার বাজার হারানোর শঙ্কার মাঝেই নতুন নতুন মার্কেটের সন্ধানে নেমেছেন বাংলাদেশের গার্মেন্টস ব্যবসায়ীরা। বিশেষ করে এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য এবং আফ্রিকায় কয়েক বছর ধরে গার্মেন্টস পণ্য রফতানি বাড়ছে। ২০২৩ সালে অপ্রচলিত দেশ থেকে বাংলাদেশের রফতানি আয় হয়েছে ৮.৮৭১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে জাপানে ১.৬৭৫ বিলিয়ন ডলার, অস্ট্রেলিয়ায় ১.২৮৪ বিলিয়ন ডলার, ভারতে ৯১৮ মিলিয়ন ডলার, দক্ষিণ কোরিয়ায় ৫৬৭ মিলিয়ন ডলার এবং রাশিয়ায় ৪৭৮ মিলিয়ন ডলার রফতানি আয় হয়েছে। এতে ২০২২ সালে আয় হয় ৭.৩৫৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এ ছাড়া ২০২১ সালে অপ্রচলিত বাজারে রফতানি হয়েছে ৫.৬৮০ বিলিয়ন ডলার এবং ২০২০ সালে ৪.৫১৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

এ বিষয়ে বিকেএমইএ’র সহ-সভাপতি ফজলে শামীম এহসান বলেন, বৈশ্বিক মন্দা যখন শুরু হয়েছে, তখন আমরা ইউরোপকে পাশ কাটিয়ে এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের দিকে ঝুঁকেছি। বিশেষ করে, মধ্যপ্রাচ্যে এখন আমাদের পণ্যের বড় বাজার সৃষ্টি হচ্ছে।

নানা সংকটে ইউরোপ-আমেরিকার বাজারে কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধি না হলেও নতুন বাজার খুঁজে ভূমিকা রাখছেন গার্মেন্টস ব্যবসায়ীরা। কিন্তু পণ্য পাঠাতে সৃষ্টি হচ্ছে জটিলতা। বিজিএমইএর পরিচালক এ এম মহিউদ্দিন বলেন, আমরা আগে থেকে নতুন বাজারে খোঁজে ছিলাম। কিন্তু এখন ইউরোপ-আমেরিকার ওপর নির্ভরশীলতা কমানোর জন্য সেই খোঁজ আরও জোরালোভাবে হওয়াটা প্রয়োজন।

বিজিএমইএর তথ্যানুযায়ী, ২০১৯ সাল থেকে গত চার বছরে ইউরোপীয় ইউনিয়নে বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্পের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪০.৯৮ শতাংশ। যুক্তরাষ্ট্রে ৩৭.৪২ শতাংশ, যুক্তরাজ্যে ৩৯.২৮ শতাংশ এবং অপ্রচলিত বাজারের দেশগুলোতে প্রবৃদ্ধির হার ৬০.৮৯ শতাংশ বেড়েছে।

বিশ্বমন্দার পাশাপাশি রাজনৈতিক মেরুকরণে ইউরোপ-আমেরিকার বাজারে তৈরি পোশাক রফতানি নিয়ে যে শঙ্কার সৃষ্টি হয়েছিল, অবশেষে তা কাটতে শুরু করেছে। অপ্রচলিত দেশগুলোতে পোশাক রফতানি বাড়িয়ে সে সমস্যা কাটিয়ে উঠছে বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্প। তবে রফতানির এ ধারা বজায় রাখতে গেলে সেসব দেশে কর্মরত বাংলাদেশি দূতাবাস কর্মীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে, এমনটিই বলছেন গার্মেন্টস ব্যবসায়ীরা।


আরও খবর

চড়া দাম অধিকাংশ পণ্যের

শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




জাবিতে গৃহবধূ ধর্ষণ: মূলহোতার দায় স্বীকার

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

সম্রাট মনির : জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) স্বামীকে আটকে রেখে স্ত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় মো. মামুনুর রশিদ ওরফে মামুন (৪৪) ও তার অন্যতম সহায়তাকারী মো. মুরাদ হোসেন দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।

শুক্রবার তাদের আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর তারা ধর্ষণের ঘটনায় স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হন। ফলে জবানবন্দি রেকর্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আশুলিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক মিজানুর রহমান। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শেখ মুজাহিদুল ইসলাম তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

এর আগে বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) তিনদিনের রিমান্ড শেষে ছাত্রলীগ নেতা মোস্তাফিজুরসহ চারজনকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকার জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফারহানা ইয়াসমিন তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। কারাগারে যাওয়া অন্য আসামিরা হলেন সাব্বির হাসান, সাগর সিদ্দিক ও হাসানুজ্জামান।

এর আগে ৪ ফেব্রুয়ারি আসামিদের তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাবেয়া বেগমের আদালত।

৩ ফেব্রুয়ারি দিনগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে জাবির মীর মশাররফ হোসেন হলে স্বামীকে আটকে রেখে স্ত্রীকে হলের পাশে জঙ্গলে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় ভিকটিমের স্বামী রাতেই বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন।


আরও খবর

তিন মাস পর কারামুক্ত মির্জা আব্বাস

সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




জিকির-বয়ানে মশগুল মুসল্লিরা

প্রকাশিত:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগ তীরে বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বের দ্বিতীয় দিন শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি)। ময়দানে জিকিরে ও বয়ানে মশগুল রয়েছেন মুসল্লিরা। ভোরে ফজরের নামাজের পর চলছে ধর্মীয় বয়ান। ফজরের পরে বয়ান করছেন ভারতের মাওলানা সাঈদ বিন সাদ। বাংলা তরজমা করছেন মুফতি ওসামা ইসলাম। আসরের নামাজের পর অনুষ্ঠিত হবে যৌতুক বিহীন গণবিয়ে।

আগামীকাল রবিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে শুরু হবে আখেরি মোনাজাত। আর আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে সাদপন্থীদের তাবলীগ জামাতের এবারের বিশ্ব ইজতেমা।

ইজতেমার আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, ইজতেমা ময়দানের ৮৯টি খিত্তায় অবস্থান নিয়েছেন দেশ-বিদেশি লাখো মুসল্লি। ফজরের নামাজের পর পিনপতন নিরবতায় ধর্মীয় বয়ান শুনছেন তারা। বয়ানের পর এগুলো থেকে নেওয়া শিক্ষা নিয়ে প্রতিটি খিত্তায় দল বেঁধে নিজস্ব আমিরের (দলনেতা) নেতৃত্বে হবে আলোচনা।

সকাল সাড়ে ১০টায় তালিমে হালকা মোয়াল্লেমেরদের নিয়ে কথা বলবেন মাওলানা আব্দুল আজিম।

তাবলীগ জামাতের শীর্ষ মুরুব্বিরা আরবি, উর্দু ও হিন্দিতে বয়ান করলেও তাৎক্ষণিকভাবে এগুলো বাংলা, ইংরেজিসহ বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদ করা হচ্ছে। এছাড়া যারা তাবলীগের দাওয়াতী কাজে বের হবেন খিত্তা অনুযায়ী তাদের তালিকাভুক্ত করা হবে।

ইজতেমার মিডিয়া সমন্বয়ক মোহাম্মদ সায়েম বলেন, ইজতেমার দ্বিতীয় দিনে যোহরের নামাজের পরে বয়ান করবেন ভারতের মাওলানা শরিফ, বাংলা তরজমায় মাওলানা মাহমুদুল্লাহ, আসরের পরে বয়ান করবেন পাকিস্তানের মাওলানা ওসমান, বাংলা তরজমায় মাওলানা আজিম উদ্দিন। বয়ানের পরে অনুষ্ঠিত হবে যৌতুক বিহীন গণবিয়ে।

তিনি বলেন, মূল বয়ান মঞ্চের পাশে শরীয়া আইন অনুযায়ী কনের অনুপস্থিতিতে তার অভিভাবক, বর ও আত্মীয়-স্বজনের উপস্থিতিতে এ বিবাহ অনুষ্ঠিত হবে। মাগরিবের পরে বয়ান করবেন ভারতের মুফতি ইয়াকুব, বাংলা তরজমায় মাওলানা মনির বিন ইউসুফ।

রবিবার ফজরের পরে বয়ান করবেন ভারতের মুফতি মাকসুদ, বাংলা তরজমা করবেন মাওলানা আব্দুল্লাহ। বয়ানের পরেই হেদায়াতি বয়ান ও দোয়া অনুষ্ঠিত হবে। মজলিশে শূরার সদস্যদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে আখেরি মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করবেন ভারতের মাওলানা ইউসুফ বিন সাদ।

এদিকে, ইজতেমায় আগত মুসল্লিদের সুবিধার্থে নেওয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ১৫ হাজার আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ময়দানের ভেতরে ও বাইরে কাজ করছে। সিসিটিভি ও ওয়াচ টাওয়ার দিয়ে পুরো ময়দান ও আশেপাশের এলাকা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এছাড়া জেলা প্রশাসন, সরকারের বিভিন্ন দফতরের লোকজন সমন্বিতভাবে কাজ করছেন।

 


আরও খবর



পাকিস্তানে সরকার গঠন নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

নির্বাচনের পর পাকিস্তানের রাজনৈতিক পক্ষগুলো সমীকরণের পর সমীকরণ আর সুযোগ-সুবিধা ও পদ-পদবির টোপ দেওয়ার প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়েছে। এমনকি কারারুদ্ধ সাবেক প্রধানমন্ত্রী পিটিআই দলের প্রধান ইমরান খান সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ভেতরও টোপের লোভ পেয়ে বসেছে। ফলে প্রায় ডজনখানেক প্রার্থী এরই মধ্যে ইমরানের পক্ষ ছেড়ে নওয়াজ শরিফের পক্ষে চলে গেছেন। অন্যদিকে নওয়াজ শরিফের পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) এবং বিলাওয়াল ভুট্টোর পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) সমঝোতার পথে অনেক দূর এগিয়েছে বলে সর্বশেষ খবরে জানা গেছে। তারা একটি পালাক্রমের সরকার গঠনে প্রায় একমত। অর্থাৎ পাঁচ বছর মেয়াদকালের নতুন সরকারে তারা আড়াই বছর করে একে-অপরে সরকার চালানোর বিষয় নিয়ে মতৈক্যে পৌঁছার চেষ্টা করছে। সূত্র : জিও নিউজ, ডন, রয়টার্স, আল-জাজিরা, এনডিটিভি

প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। ফলে দেশটির জন্য জোট সরকার গঠন অনিবার্য হয়ে উঠেছে। জোট সরকার গঠন নিয়ে নওয়াজ শরিফ ও বিলাওয়াল ভুট্টোর দল সবচেয়ে বেশি এগিয়ে আছে। তারা ক্ষমতার ভাগাভাগিতে সমঝোতার চেষ্টা করছে। তবে কোনো পক্ষই এ বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলছে না।

পর্যবেক্ষকদের ভাষ্য অনুযায়ী, পাকিস্তানের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী যিনিই হন না কেন, আগামী দিনগুলোয় জাতীয় পরিষদে ১৬৯ জন সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠতা দেখাতে হবে তাকে। পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশনের ফল অনুসারে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের দল পিএমএল-এন এবারের নির্বাচনে ৭৫টি আসনে জয় পেয়েছে। অন্যদিকে বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারির দল পিপিপি পেয়েছে ৫৪টি আসন। অর্থাৎ এই দুই-এ মিলে আসন সংখ্যা হচ্ছে ১২৯। সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য তাদের প্রয়োজন আরও ৪০ আসন। এ কারণে তারা সুযোগ-সুবিধা ও পদ-পদবির টোপ দিয়ে স্বতন্ত্র এবং অন্য দলগুলোকে সঙ্গে আনার জোর চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

এরই মধ্যে ধারণা পাওয়া গেছে, নওয়াজ-বিলাওয়াল জোট সরকারে যুক্ত হতে পারে মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্ট-পাকিস্তান (এমকিউএম-পি), জেইউআইএফসহ আরও কয়েকটি রাজনৈতিক দল। জোট গড়ার ক্ষেত্রে বিলাওয়ালকে সরকারপ্রধানের পদে বসানোর কৌশল বেছে নিয়েছে পিপিপি। এ নিয়েই দলটি পিএমএল-এনের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, পাওয়ার শেয়ারিং ফর্মুলা বা ক্ষমতা ভাগাভাগি সূত্রের অধীনে ক্ষমতায় বসা নিয়ে আলোচনা করছে উভয় দল। এই সূত্রের আওতায় পাঁচ বছরের মেয়াদের অর্ধেক সময়ের জন্য পিপিপি এবং বাকি অর্ধেক সময়ের জন্য পিএমএল-এন তাদের দল থেকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দেবেন। এই সম্ভাবনা নিয়েই মূলত আলোচনা চলছে। এ আলোচনার সঙ্গে জড়িত একটি সূত্রের মতে, ৮ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর কেন্দ্র ও প্রদেশে জোট সরকার গঠনের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে গত রবিবার লাহোরে প্রথমবারের মতো আলোচনায় বসেন পিপিপি ও পিএমএল-এন নেতারা। এ সময়ই অর্ধেক মেয়াদের জন্য প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের ধারণাটি প্রথমবার আলোচনা করা হয়েছিল। বিলাওয়াল হাউসে অনুষ্ঠিত বৈঠকে উভয় পক্ষই সাধারণ নির্বাচনের পর দেশটিতে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য সহযোগিতা করতে নীতিগতভাবে সম্মত হয়। বৈঠকে পিপিপির সাবেক প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি, পিপিপির চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি এবং পিএমএল-এনের পক্ষ থেকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ উপস্থিত ছিলেন।

 বৈঠকে উভয় দলের নেতারাই দেশটির রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং উন্নতির জন্য সহযোগিতামূলক প্রচেষ্টার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। জানা গেছে, এ সময় পিএমএল-এন নেতারা প্রধানমন্ত্রীর আকর্ষণীয় পদের দাবি জানালে পিপিপির সাবেক প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি বলেন, তাদের দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি (সিইসি) এরই মধ্যে বিলাওয়ালকে প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য মনোনীত করেছে। দেশটির তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের শীর্ষ এক সহযোগী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বার্তা সংস্থা ডিপিএকে বলেছেন, আমরা ক্ষমতা ভাগাভাগির একেবারে কাছাকাছি পৌঁছেছি। এ সপ্তাহটি গুরুত্বপূর্ণ।

পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এর বিপরীতে ইমরান খানের পক্ষে নির্বাচন করা স্বতন্ত্র প্রার্থীদের বিজয়ী আসন ১০১টি। পার্লামেন্টে এখন যদি তারা একক ব্লকে বা ছোট কোনো দলে যুক্ত হন, তাহলে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে জোর পদক্ষেপ নিতে পারেন। সংরক্ষিত আসন বরাদ্দ পেতে পারেন। এমনকি প্রধানমন্ত্রী পদেও প্রার্থী দাঁড় করাতে পারেন। এ ছাড়া জোট গড়ার জন্য অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সঙ্গেও আলোচনা করতে পারে স্বতন্ত্রদের দল বা জোট। এর ফলে প্রকারান্তরে ইমরান-সমর্থিতদের পাকিস্তানের ক্ষমতার কেন্দ্রে আবারও দেখা যাবে। এই পরিস্থিতি ইমরানের মুক্তির পথ খুলে যাবে। যদিও আইনি বাধা থাকায় ইমরান নিজে সরকারপ্রধান হওয়ার লড়াইয়ে আপাতত শামিল হতে পারবেন না।

প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, কারাবন্দি ইমরান খানের রাজনৈতিক দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) সমর্থিত প্রার্থী, যারা স্বতন্ত্র হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন, তাদের অন্য দলে যোগ দিতে আইনি কোনো বাধা নেই। ফলে প্রতিপক্ষের নানা টোপের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে অনেকেরই পিটিআই থেকে বেরিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এরই মধ্যে ডজনখানেক বিজয়ী প্রার্থী এ পথে হেঁটেছেনও। যদিও দেশটির সংবাদমাধ্যম এআরওয়াই নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রবিবার পর্যন্ত অন্তত ছয়জন স্বতন্ত্র প্রার্থী নওয়াজ শরিফের দল পিএমএল-এনে যোগ দিয়েছেন। তাদের মধ্যে পিটিআইয়ের সমর্থন নিয়ে লাহোরের একটি আসন থেকে জয়ী শহরটির সাবেক ডেপুটি মেয়র ওয়াসিম কাদির প্রথম এদিন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নওয়াজের দলে যোগ দেন। এরপর স্বতন্ত্র হিসেবে পিএমএল-এনে যোগ দিয়েছেন নির্বাচনে জয়ী রাজা খুররাম নওয়াজ, ব্যারিস্টার আকেল, পীর জহুর হুসেইন কুরেশি, সরদার শমসের মাজারি ও ব্যারিস্টার মিয়া খান বুগতি। বিভিন্ন সূত্র জানাচ্ছে, জোট সরকার গঠন করা নিয়ে পিএমএল-এন ও পিপিপির মাঝে এখনো সমঝোতা না হওয়ায় পিটিআই-সমর্থিত অন্তত ১৫ থেকে ২০ জন স্বতন্ত্র প্রার্থীকে দলে ভেড়ানোর জন্য যোগাযোগ করে যাচ্ছে পিএমএল-এন।


আরও খবর

কাদের-চুন্নুকে পদ থেকে সরানো হয়েছে

শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪

তিন মাস পর কারামুক্ত মির্জা আব্বাস

সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪