Logo
শিরোনাম

৩২ ঘন্টার হরতাল ডেকেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

উচিংছা রাখাইন, রাঙ্গামাটি প্রতিনিধিঃ

রাঙ্গামাটি -  পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন আইন বাতিল,৭ দফা দাবী বাস্তবায়নসহ  ৭সেপ্টেম্বর রাঙ্গামাটিতে পার্বত্য ভূমি কমিশন চেয়ারম্যানের বৈঠক বাতিলের দাবিতে আগামীকাল ৬ সেপ্টেম্বর সকাল ৬ টা থেকে ৭ সেপ্টেম্বর দুপুর ২টা পর্যন্ত রাঙ্গামাটি শহর এলাকায় টানা ৩৮ ঘন্টার হরতাল ডেকেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ।

সোমবার সকাল ১১টায় রাঙ্গামাটি স্থানীয় রেস্টুরেস্টে সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে  এই কর্মসূচী ঘোষণা করে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটি।

সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত সকল নেতৃবৃন্দের পক্ষে বক্তব্য রাখেন পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মুজিবুর রহমান।

এসময় সংবাদ সম্মেলনে,  পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবির,  কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আনিসুর জামান ডালিম,  যুগ্ম-সম্পাদক  রুহুল আমিন,  কেন্দ্রীয় কমিটির সহ- সাদারণ সম্পাদক এস এম মাসুম রানা,  রাঙামাটি জেলা কমিটির মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আসমা মল্লিক,  সাংগঠনিক সম্পাদক লাভলী আক্তার সহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের ৭দফা দাবী গুলো হচ্ছে ১. পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনে জনসংখ্যা অনুপাতে সকল জাতি গোষ্ঠী থেকে সমান সংখ্যক সদস্য নিশ্চিত করতে হবে । ২. পার্বত্য চট্টগ্রামে ভূমি নিরোধ নিষ্পত্তি এর কার্যক্রম শুরুর পূর্বে , ভূমির বর্তমান অবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ভূমি জরিপ সম্পন্ন করতে হবে । ৩. জাতি - ধর্ম নির্বিশেষে সকল সম্প্রদায়ের মানুষের ভূমির উপর ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দেশের সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক ভূমি কমিশন সংশোধনী আইন ২০১৬ এর ধারা সমূহ বাতিল করতে হবে । ৪. পার্বত্য চট্টগ্রামের ভূমি ব্যবস্থাপনা দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রবর্তন করতে হবে এবং সমতলের ন্যায় জেলা প্রশসকগণকে ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তির অধিকার দিতে হবে । ৫. কমিশন কর্তৃক ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তির কারনে কোন ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্থ হলে তাকে পার্বত্য চট্টগ্রামে সরকারী খাস জমিতে পূনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে । ৬. পার্বত্য চট্টগ্রামে তথাকথিত রীতি , প্রথা ও পদ্ধতির পরিবর্তে দেশে বিদ্যমান ভূমি আইন অনুসারে ভূমি ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম পরিচালনা কর হবে । ৭. বাংলাদেশ সরকারের আদেশ অনুযায়ী জেলা প্রশাসক কর্তৃক বন্দোবস্তীকৃত অথবা কবুলিয়ত প্রাপ্ত মালিকানা থেকে কাউকে উচ্ছেদ করা যাবে না 


আরও খবর



অধিকরণ করা অব্যবহৃত জমি

জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য কাজে লাগানোর দাবী

প্রকাশিত:শুক্রবার ১১ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

বুলবুল আহমেদ সোহেল ঃ

সরকারী অধিকরণ করা অব্যবহৃত জমি উদ্ধার করে জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য কাজে লাগানোর দাবীতে সমাবেশ করেছে নারায়ণগঞ্জ ভূমি রক্ষা সম্মিলিত নাগরিক পরিষদ। শুক্রবার বিকেলে, নগরের চাষাড়ায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। 

ভূমি রক্ষার সম্মিলিত নাগরিক পরিষদের আহবায়ক সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রবিউর রাব্বির সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন এডভোকেট মাহবুবু রহমান মাসুম, ভবানী শঙ্কর রায়সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। 

সমাবেশে বক্তারা বলেন, নারায়ণগঞ্জে নাগরিকদের প্রয়োজনে জমির অভাবে উন্নতমানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মেডিকেল কলেজ, বিনোদনের জন্য পার্কসহ কোন কিছুই করা যাচ্ছে না। অথচ নারায়ণগঞ্জে রেলওয়ে, রাজউক, বিআইডব্লিউটিএ, জেলা পরিষদ, সড়ক ও জনপদ বিভাগ সহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের অব্যবহৃত জমি আত্মসাৎ এর জন্য ভূমিধস্যু একটি চক্র তৎপর রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের অসাদু কর্মকর্তা কর্মচারীদের যোগসাজসে তারা আত্মসাৎ করছে। 

বক্তারা বলেন, রেলওয়ে তাদের অব্যবহৃত জমি স্থানীয় ভূমিদস্যুদের নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত গোপনে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে বিক্রি করে আসছে। শহরের এক নং রেলগেইট এলাকায় ৪৭ হাজার দুইশ' বর্গফুট জমি ১০ বছর আগে রেলওয়ে কল্যাণ ট্রাস্ট নামক একটি  সংগঠনের নামে বরাদ্দ দিয়ে আত্মসাতের ব্যবস্থা করে। তখন নাগরিক আন্দোলনের মুখে তা বন্ধ করলেও এখন আবার সে জায়গা আত্মসাতের চেষ্টা করছে।

বক্তারা বলেন, রাজউক দেশের বিভিন্ন জায়গায় জরিপ করে টেকসই উন্নয়নের জন্য নদী বন্দর সংলগ্ন ২১ টি জেলায় নৌ-বন্দর, রেল স্টেশন ও বাস টার্মিনাল একই জায়গায় তৈরির জন্য ডিটেল এরিয়া প্ল্যান প্রণয়ন করেছে। সে পরিকল্পনায় নারায়ণগঞ্জের নৌ-বন্দর, রেল স্টেশন ও বাস টার্মিনালটি রয়েছে। নারায়ণগঞ্জ রেল স্টেশন এলাকায় স্কুল, কলেজ, দ্বিগুবাবুর বাজার ও বাস টার্মিনাল রয়েছে এ এলাকায়।

অথচ সরকারি প্রতিষ্ঠান হয়েও এ পরিকল্পনা উপেক্ষা করে রেলওয়ে অনৈতিকভাবে স্থানীয় ভূমিদস্যুদের সাথে নিয়ে এ জায়গাটি আত্মসাতের প্রক্রিয়ায় লিপ্ত হয়েছে।তারা এসব জিমে উদ্ধার করার দাবি জানিয়েছেন।


আরও খবর

ই-টিকেটিংয়ে কমেছে ভাড়ার নৈরাজ্য

মঙ্গলবার ২৯ নভেম্বর ২০২২

ই-টিকেটিংয়ে বন্ধ অতিরিক্ত ভাড়া

শুক্রবার ২৫ নভেম্বর ২০২২




বকশীগঞ্জের ধানুয়া কামালপুর হানাদার মুক্ত দিবস কাল

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ ডিসেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

মাসুদ উল হাসান,জামালপুর প্রতিনিধি ঃ

আগামী কাল ৪ ডিসেম্বর জামালপুরের বকশীগঞ্জের ধানুয়া কামালপুর মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক এই দিনে পাকহানাদার মুক্ত হয় মহান মুক্তিযুদ্ধের ১১ নম্বর সেক্টরের কামালপুর রণাঙ্গন। পাক হানাদার বাহিনীর ১৬২ জন সদস্য অস্ত্রসহ আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে আত্মসর্মপণ করে। কামালপুর মুক্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে সূচিত হয় জামালপুর, ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল তথা ঢাকা মুক্ত হওয়ার পথ। 

জানা যায়,১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক মুক্তিযুদ্ধের ১১ নং সেক্টরের গুরুত্বপূর্ণ স্থান বকশীগঞ্জ উপজেলার ধানুয়া কামালপুর রণাঙ্গন। এই সেক্টরের সদর দপ্তর ছিল ভারতের মহেন্দ্রগঞ্জে । ১ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অধীনে থাকা ১১ নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম বীর সেনানী কর্নেল আবু তাহের বীর উত্তম। মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় মিত্র বাহিনীর রাজধানী ঢাকা দখলের সহজ ও একমাত্র পথ ছিল এটি। কামালপুর দখল হলেই ঢাকা দখল সহজ হয়ে যাবে এ কারনে পাক হানাদার বাহিনি ধানুয়া কামালপুরে শক্তিশালী ঘাঁটি গড়ে তুলে ছিলো। পাকসেনাদের এই শক্তিশালী ঘাটির পতন ঘটানোর লক্ষ্যে কর্নেল আবু তাহেরের নেতৃতে ১২ জুন থেকে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে হানাদার পাকসেনাদের দফায় দফায় সম্মুখ যুদ্ধ হয়। সব চেয়ে বড় সম্মুখ যুদ্ধ হয় ৩১ জুলাই রাতে। সম্মুখ যুদ্ধে ক্যাপ্টেন সালাহ উদ্দিনসহ ১৯৪ জন মুক্তিযুদ্ধা শহীদ ও শত্রু পক্ষের একজন মেজরসহ ৪শ ৯৭ জন নিহত হয়। এই যুদ্ধে পাকসেনাদের একটি মর্টার শেলের আঘাতে সেক্টর কমান্ডার কর্নেল আবু তাহের গুরুতর আহত হন এবং ১টি পা হারান। ৩ ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনি হানাদার বাহিনির কামালপুর বিওপিতে আঘাত হানে। মাত্রাতিরিক্ত আর্টিলারি গোলা বর্ষণ করেও তেমন কোন ক্ষতি করা সম্ভব হয়নি। এর পর বিমান হামলার মাধ্যমে পাকিস্থান সেনা বাহিনির বিওপি ধ্বংস করার সিদ্ধান্ত হয়। শুরু হয় বিমান আক্রমণ। প্রতিটি মিশনের পর মেজর জেনারেল গিল পাক বিওপি কমান্ডার ক্যাপ্টেন আহসান কে আত্বসর্মপণ করার জন্য একটি করে চিঠি পাঠান। মৃত্যু নিশ্চিত জেনেও ৪ ডিসেম্বর শত্রু সেনা বিওপিতে প্রথম চিঠি নিয়ে যান বীর মুক্তিযোদ্ধা বশীর আহমদ বীর প্রতীক। চিঠিতে লেখা ছিল তোমাদের চারদিকে যৌথবাহিনী ঘেরাও করে রেখেছে। বাচঁতে চাইলে আত্মসর্মপণ কর, তা না হলে মৃত্যু অবধারিত। এই চিঠি পেয়ে অগ্নিমূর্তি ধারন করে পাকসেনা কমান্ডার আহসান মালিক। বশিরের ফিরতে বিলম্ব হওয়ায় আরেকটি চিঠি দিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা সঞ্জুকে পাঠানো হয় পাকসেনা ক্যাম্পে। চিঠির জবাব না পাওয়ায় শুরু হয় চুড়ান্ত বিমান হামলা। অবস্থা বেগতিক দেখে অস্ত্রসহ পাক বাহিনির কামালপুর ক্যাম্পের গ্যারিসন কমান্ডার আহসান মালিকসহ ১৬২ জনের একটি দল আনুষ্ঠানিকভাবে আত্বসমর্পন করতে বাধ্য হয়। হানাদার মুক্ত হয় কামালপুর রণাঙ্গণ। মুক্তিযোদ্ধারা প্রথম বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন কামালপুর মাঠে। এরপর থেকেই ৪ ডিসেম্বর ধানুয়া কামালপুর মুক্ত দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।


আরও খবর



মঞ্চ মাতালেন নোরা ফাতেহি

প্রকাশিত:শনিবার ১৯ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

ঢাকায় এসেই মঞ্চ মাতালেন বলিউড অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী নোরা ফাতেহি। নেচে-গেয়ে মুগ্ধতা ছড়ালেন তিনি। রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় উইমেন লিডারশিপ করপোরেশনের আয়োজনে ‘উইমেন এমপাওয়ারমেন্ট ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক আয়োজনে অংশ নেন নোরা ফাতেহি।

প্রথমে মঞ্চে নোরা ফাতেহির জমকালো এন্ট্রি। রাত ৯টা ৪০ মিনিটে তিনি মঞ্চে এলে উপস্থিত দর্শক-ভক্তরা তাকে ‘নোরা নোরা’ বলে আওয়াজ তুলে স্বাগত জানান। এরপর পর্দায় দেখানো হয় তার অভিনয় ও গান। পরে সহশিল্পীদের সঙ্গে নিয়ে হাজির হন নোরা নিজেই।

এরপর শুরু হয় পারফরম্যান্স। ‘দিলবার’ গানের সঙ্গে নাচ করেন নোরা। শুধু দর্শকরাই তার নাচে উন্মাতাল হননি, নোরা নিজেও ভক্তদের আবেগ সাড়া দিয়েছেন। 

শুরুতেই মঞ্চে উঠে নোরা ফাতেহি হাত নেড়ে ঢাকার অনুগারীদের মাঝে অপার ভালোবাসা ছড়িয়ে দেন। মঞ্চে নোরার বক্তব্য শুনে মনে হয়েছে তিনি বাংলাদেশকে খুব ফিল করছেন। এ দেশের মানুষের ভালোবাসায় তিনি মুগ্ধ।


আরও খবর

নোরাকে অশালীনভাবে স্পর্শ !

বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২




নওগাঁয় স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে স্বামী আটক

প্রকাশিত:শনিবার ০৫ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রির্পোটারঃ


নওগাঁয় স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে শ্বশুরের দায়ের করা মামলায় মোস্তফা কামাল সরকার ওরফে রিভেন মাস্টার নামে জামাইকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার পূর্ব মধ্যরাতে নওগাঁর ধামুরহাট উপজেলার চককালু গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। সকালে এই খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে শত শত মানুষ কৌতুহল নিয়ে ছুটে যায় ঐ বাড়িতে। পত্নীতলা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আফতাব উদ্দিন, থানার ওসি মোজাম্মেল হক কাজীসহ থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৬ বছর পূর্বে জয়পুরহাট সদরের বাঁশকাটা গ্রামের আবু বক্করের মেয়ে রেশমা খাতুনকে (৩০) বিয়ে করে উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের আবুল কালাম সরকারের ছেলে শিশু দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক ও আলমপুর ইউনিয়ন যুবদল নেতা মোস্তফা কামাল সরকার ওরফে রিভেন (৪০)। বিয়ের পর এক সন্তানের জননী রেশমাকে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রায়শ মারপিট করে আসছিলেন স্বামী মোস্তফা কামাল রিভেন। এমতাবস্থায় বৃহস্পতিবার দিনগত রাত ১ টারদিকে রেশমা খাতুন স্ট্রোক করেছে বলে রেশমার বাবার বাড়িতে খবর দিলে শ্বশুর আবু বক্কর দ্রুত মেয়ের বাড়ি এসে তাকে মৃত দেখতে পান এবং গৃহবধুর মাথায় ও মুখমন্ডলে আঘাতের চিহ্ন দেখে সন্দেহ হলে জামাই মোস্তফা কামাল সরকার ওরফে রিভেনকে ঘটনার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে জামাই মোস্তফা জানায়, তার স্ত্রী আত্নহত্যা করেছে। কিন্তু তাতেও শ্বশুর আবু বক্কর বিশ্বাস করতে না পেরে থানায় মামলা দায়ের করলে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পৌছে স্বামী মোস্তফা কামালকে গ্রেফতার করেন।

মৃত গৃহবধুর ভাইয়ের স্ত্রী আসমা খাতুন জানান, ৪ লাখ টাকা যৌতুক চুক্তিতে বিয়ের পরেই ২ লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। আবারও টাকার জন্য তার ননদকে মার-ধর করতো বলে আমার ননদ রেশমা প্রায়ই আমার কাছে বলতো।

এদিকে সাড়ে ৪ বছরের শিশুও জন্মদাতা বাবাকে বিশ্বাস করতে পারছে না, খুনের জন্য দায়ি করছে বাবাকেই। এ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে খুন হওয়া গৃহবধু রেশমার বাবা আবু বক্কর বাদী হয়ে ধামইরহাট থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

ধামইরহাট থানার ওসি মোজাম্মেল হক কাজী জানান, বাদী কর্তৃক খুনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে আসামীকে গ্রেফতার করে ঐ দিনই বিকেলে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে নওগাঁ জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে। এছাড়া তদন্ত পূর্বক প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে পুলিশ তৎপর রয়েছে বলেও জানান ওসি।


আরও খবর



হজযাত্রীদের ইমিগ্রেশন হবে ঢাকায়

প্রকাশিত:সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

হজযাত্রীদের শতভাগ ইমিগ্রেশন ও লাগেজ তল্লাশির কাজ ঢাকায় সম্পন্ন করা হবে। এ ছাড়া সৌদি আরব ও বাংলাদেশের মধ্যে নিরাপত্তা সহযোগিতার ক্ষেত্রে দুদেশের চুক্তি সই হয়েছে।

বাংলাদেশ সফররত সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র উপমন্ত্রী নাসের বিন আবদুল আজিজ আল দাউদের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে এ চুক্তি সই হয়। সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের নেতৃত্বে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান সাংবাদিকদের বলেন, আলোচনার পর আমরা দুটি এমওইউ সই করেছি। একটি হলো নিরাপত্তা সহযোগিতা চুক্তি, আরেকটি হলো রুট-টু-মক্কা সার্ভিস এগ্রিমেন্ট।

তিনি বলেন, প্রথমটিতে দুদেশের নিরাপত্তা আরো কীভাবে উন্নতি করা যায়, সে বিষয়টি মাথায় আছে। প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন বিষয় এর মধ্যে রয়েছে। রুট-টু-মক্কার মধ্যে রয়েছে আমাদের হজযাত্রীদের আরো কীভাবে সহযোগিতা দেওয়া যায়। এখান থেকে ইমিগ্রেশন ও সবকিছু ঠিকঠাক করে তারা উড়োজাহাজে উঠে যাবে। এ সুবিধাগুলো আগে পরীক্ষামূলকভাবে ছিল।

মন্ত্রী বলেন, এখন থেকে ইমিগ্রেশন, ব্যাগেজ চেকিং সবকিছু বাংলাদেশের বিমানবন্দর থেকে হয়ে যাবে। এটাই হলো রুট-টু-মক্কা সার্ভিস এগ্রিমেন্টের বিষয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ ছাড়া আরো অনেক বিষয় নিয়ে আলাপ হয়েছে। রোহিঙ্গা ইস্যু আলোচনায় এসেছে। আমাদের দুদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে প্রশিক্ষণ এবং পারস্পরিক তথ্য আদান-প্রদান। ভাতৃপ্রতিম মুসলিম দেশ, দুদেশের সম্পর্ক আরো উন্নত করা যায়, সেটা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমাদের যে শ্রমিকরা যেখানে যাচ্ছে, দক্ষ শ্রমিকদের সেখানে পাঠানোর জন্য তারা অনুরোধ জানিয়েছেন। দক্ষ শ্রমিক পাঠালে তারা আরো ভালো সুবিধা পাবেন বলে আলোচনা হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা আরো বলেছি, কীভাবে ভিসা আরো সহজ করা যায়। বাংলাদেশ থেকে প্রচুর হজ ও ওমরাহযাত্রী, ব্যবসায় ও চাকরির জন্য প্রতিনিয়ত সৌদি আরব যাচ্ছেন। তারা যে স্কলারশিপ দিচ্ছেন, সেটা আরো কীভাবে সহজ করা যায় সেটা নিয়ে এবং বিজনেস ভিসাটা আরো কীভাবে সহজ করা যায় সেটা নিয়ে বিস্তারিত আলাপ হয়েছে।

নতুন করে শ্রমিক নেওয়া ও সৌদি আরব থেকে এলএনজি আনার বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না জানতে চাইলে আসাদুজ্জামান খান বলেন, এলএনজির কোনো বিষয় আলোচনায় আসেনি। শ্রমিকদের ই-পাসপোর্ট তাড়াতাড়ি দেওয়ার বিষয়ে তারা অনুরোধ করেছেন। আমরা বলেছি আমরা তাড়াতাড়িই করব, কিন্তু প্র্যাকটিক্যালি এ অসুবিধাগুলো আছে।


আরও খবর