Logo
শিরোনাম
শবে বরাত পালন মুসলিম জাতিকে একতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে। ৫৭ তম খোশরোজ শরীফ ও মইনীয়া যুব ফোরামের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন বাঙালি সাংস্কৃতিতে মাইজভাণ্ডারী ত্বরীকার সাথে সম্পর্ক রয়েছে সীমান্তে হত্যা বন্ধের দাবীতে প্রতীকী লাশ নিয়ে হানিফ বাংলাদেশীর মিছিল লক্ষ্মীপুরে কৃষক কাশেম হত্যা: স্ত্রী, শ্বশুরসহ গ্রেপ্তার ৫ কুমিল্লা সিটি’র উপনির্বাচন: মেয়র পদে প্রতীক বরাদ্দ অবৈধ মজুদকারীরা দেশের শত্রু : খাদ্যমন্ত্রী ফতুল্লায় সিগারেট খাওয়ার প্রতিবাদ করায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা বকশীগঞ্জে মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা নোবিপ্রবিতে সিএসটিই এলামনাই এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন
মদের কারখানাতে র‌্যাবের অভিযান

৪ হাজার ৩শ' ৪৫ লিটার মদ সহ দু'জন আটক

প্রকাশিত:শনিবার ১২ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টারঃ


নওগাঁয় চোলাই মদ তৈরির কারখানায় র‌্যাবের অভিযানে ৪ হাজার ৩শ' ৪৫ লিটার চোলাই মদ সহ দু'জন মাদক কারবারী আটক।

সত্যতা নিশ্চিত করে র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩, জয়পুরহাট ক্যাম্প থেকে প্রতিবেদক কে জানানো হয়, মাদক বিরোধী অভিযানে ৪ হাজার ৩শ' ৪৫ লিটার চোলাই মদ সহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।


র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩, জয়পুরহাট ক্যাম্পের একটি চৌকশ অপারেশনাল দল স্কোয়াড কমান্ডার সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ রানা এর নেতৃত্বে শনিবার ১২ নভেম্বর দুপুর পনে ১টারদিকে নওগাঁর বদলগাছি উপজেলার মথুরাপুর ইউপি'র কাষ্টগাড়ী গ্রামের একটি বাঁশ ঝাড়ের ভেতর অভিযান পরিচালনা করে ৪ হাজার ৩শ' ৪৫ লিটার চোলাই মদ, ৫টি প্লাস্টিক বালতি, ৬টি ড্রাম, ৫টি সিলভার পাতিল, ১টি আর্থিং পাতিল, ১২ টি প্লাস্টিকের বোতল ও ২ টি মোবাইলসহ মাদক ব্যবসায়ী ১। মোঃ মামুন হোসেন (৩৮), পিতা-মৃত আবুল হোসেন মন্ডল, সাং-উত্তর কাষ্টগাড়ী, ২। মোঃ সবুজ হোসেন (২০), পিতা-মোঃ সাইফুল ইসলাম, সাং- কাষ্টগাড়ী সাজিপাড়া, উভয় থানা-বদলগাছি, জেলা-নওগাঁদ্বয়কে চোলাই মদ (প্রস্তুত) তৈরিকালে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। উল্লেখ্য, অভিযুক্ত আসামীদ্বয় স্থানীয় বাজারে বিক্রির জন্য অবৈধভাবে চোলাই মদ উৎপাদন করতো। এ বিষয়ে ধৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে নওগাঁ জেলার বদলগাছি থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইন ২০১৮ অনুসারে একটি মামলা দায়ের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন এবং প্রয়োজনীয় প্রমাণাদি রাখার পর উদ্ধারকৃত অবশিষ্ট চোলাই মদ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ এর ধারা ২৯(৩) অনুযায়ী ঘটনাস্থলেই ধ্বংস করা হয়েছে বলেও নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব।


আরও খবর



নাইক্ষ্যংছড়ি: আতঙ্কে ঘরছাড়া ৩ গ্রামের মানুষ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

মিয়ানমারের অভ্যন্তরে বিদ্রোহী ও সরকারি বাহিনীর মধ্যে চলমান সংঘাত-সংঘর্ষ থামছেই না। দুই বাহিনীর গোলাগুলি ও মর্টার শেলের বিকট শব্দে সীমান্তজুড়ে ভীতিকর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে বিদ্রোহীদের অবস্থান লক্ষ্য করে হেলিকপ্টার থেকে ছোঁড়া হচ্ছে গুলি ও মর্টার শেল। গুলির মুহুর্মুহু শব্দে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় ঘর ছেড়েছেন ঘুমধুম ইউনিয়নের তিন গ্রামের মানুষ। এরই মধ্যে দুপুরে মিয়ানমার থেকে ছুটে আসা একটি মর্টার শেলের আঘাতে নিহত হয়েছেন স্থানীয় জলপাইতলী গ্রামের গৃহবধূ ও এক রোহিঙ্গা। এ সময় আহত হয় এক শিশুও।

মিয়ানমারের অভ্যন্তরে চলমান অস্থিরতায় টেকনাফের হোয়াইক্যং উলুবনিয়া সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশের সময় এক রোহিঙ্গা পরিবারকে আটক করেছে বিজিবি। এর আগে মিয়ানমার বিদ্রোহীদের প্রচণ্ড গোলাগুলির মুখে টিকে থাকতে না পেরে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে ১০৩ জন মিয়ানমার বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) সদস্য।

চলমান পরিস্থিতিতে সীমান্তের ওপারে বসবাস করা মিয়ানমারের চাকমা জাতি ও রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের অপেক্ষায় জড়ো হচ্ছেন। তবে, বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সীমান্তে যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন তারা।

সোমবার মর্টার শেলের আঘাতে নিহতরা হলেন নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম তুমব্রু জলপাইতলী এলাকার বাসিন্দা হোসনে আরা (৫৫) ও উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৮/ই এর ডি ব্লকের বাসিন্দা মৃত ধলু হোসেনের ছেলে নবী হোসেন (৬০)। আহত নুসরাত মনি (৬) স্থানীয় শহিদুল ইসলামের মেয়ে। নিহতরা চাষের জমিতে কাজ শেষে দুপুরের খাওয়ার জন্য বাড়িতে অবস্থান করছিলেন বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।

উল্লেখ্য, মিয়ানমারের আরাকান রাজ্য স্বাধীনের নামে সরকারি বাহিনীর বিভিন্ন ক্যাম্পে হামলা চালিয়ে আসছে বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন আরাকান আর্মি। প্রতিদিন মিয়ানমারের অভ্যন্তরে কোনো কোনো এলাকায় চলছে দুই বাহিনীর তুমুল সংঘর্ষ। এরই মধ্যে আরাকান রাজ্যের বিভিন্ন অঞ্চল দখলের দাবি করেছে আরাকান আর্মি। দুই পক্ষের চলমান সংঘর্ষে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম ইউনিয়ন, উখিয়ার পালংখালী ও টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের সীমান্তে বসবাসকারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

ঘুমধুম ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার দ্বীন মোহাম্মদ বলেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে সীমান্তে বসবাসকারীদের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে গোলাগুলির আতঙ্কে ইউনিয়নের তিন গ্রামের সহস্রাধিক মানুষ বসতবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছেন। দুজন নিহত হওয়ার পর আতঙ্ক আরও বেড়েছে।

মর্টার শেলের আঘাতে নিহতদের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মান্নান। তিনি বলেন, সীমান্তের ওপারে গোলাগুলি চললেও আমাদের দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তবে, সীমান্তে বসবাসকারীদের সরানোর বিষয়টি উপজেলা প্রশাসন বলতে পারবে।

টেকনাফ হোয়াইক্যং উলুবনিয়া এলাকার জালাল আহমেদ বলেন, সকাল সাড়ে ১০টার দিক থেকে মিয়ানমারের ওপারে ব্যাপক গোলাগুলি ও মর্টার শেলের শব্দ আমরা শুনতে পারছি। ভয়ে সীমান্ত থেকে লোকজন সরে যাচ্ছেন। অনেকে ঘর থেকে বের হচ্ছেন না।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আদনান চৌধুরী বলেন, ওপার থেকে রোহিঙ্গা ও বিজিপি সদস্যরা পালিয়ে বাংলাদেশে আসতে পারেন এমন আশঙ্কায় সীমান্তে বিজিবি সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। সাগরে কোস্টগার্ড সদস্যরাও প্রস্তুত রয়েছেন। কোনো অবস্থাতেই আমরা রোহিঙ্গা কিংবা অন্য কাউকে ঢুকতে দেব না।

টেকনাফ-২ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, সীমান্তে আমরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছি।

৩৪ বিজিবি কক্সবাজার রিজিয়ন কমান্ডার লে. কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মাশরুকী বলেন, কোনো অবস্থাতেই মিয়ানমারের কোনো নাগরিককে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।

বিজিবি কক্সবাজার রিজিওয়নের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোরশেদ আলম বলেন, মিয়ানমার অভ্যন্তরে চলা সংঘাতের কারণে আমরা সদর দপ্তরের অনুমতিক্রমে ১০৩ জন বিজিপি সদস্যকে আশ্রয় দিয়েছি। তাদের মিয়ানমার হস্তান্তর করার জন্য পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কাজ করছে।

 


আরও খবর



রাঙ্গাবালীতে নির্বাচনের পরিবেশ অশান্ত করার চক্রান্তের অভিযোগ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি :

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পরিবেশ অশান্ত করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করার চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে একটি পক্ষের বিরুদ্ধে। সোমবার বিকেল সাড়ে ৩ টায় উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করা হয়। 

এ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মু. সাইদুজ্জামান মামুন। তিনি বলেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকার বিরোধীতা করে পরাজিত হওয়া একটি অপশক্তি জোট বেঁধেছে। সবুজ ছায়া আবাসন গ্রæপের চেয়ারম্যান বাশেদ সিমনের কাঁধে ভর করে এই অপশক্তি আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন এবং ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদের উপনির্বাচনকে বিতর্কিত করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। 

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সাইদুজ্জামান মামুন আরও বলেন, তফসিল ঘোষণার আগেই বাশেদ সিমন উপজেলা নির্বাচনের প্রচারণার অজুহাত দেখিয়ে গত শনিবার ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের উপনির্বাচন কার্যক্রম চলাকালীন শতাধিক মোটরসাইকেল নিয়ে শোডাউন করে জনমতে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছেন। সেই সময় কে বা কাদের সঙ্গে তার হট্টগোল হয়েছে, তা সম্পর্কে আমরা অবগত নই। অথচ তিনি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমাকে এবং আমার দলকে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছেন। আমি এই অপপ্রচারের নিন্দা জানাই। 

এ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আবুল হোসেন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক, রাঙ্গাবালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মঞ্জু হাওলাদার, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সাজিদুল আকনসহ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ।


আরও খবর



রাঙ্গাবালীতে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে লড়তে চান বাশেদ সরদার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :

আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হয়ে লড়তে চান সবুজ ছায়া আবাসন গ্রæপের চেয়ারম্যান মো. বাশেদ সরদার। তিনি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় বন ও পরিবেশ বিষয়ক উপকমিটির সদস্য। 

ঢাকা থেকে লঞ্চযোগে বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় নিজ এলাকা রাঙ্গাবালীর ফেলাবুনিয়া লঞ্চঘাট পৌঁছালে বাশেদ সরদারকে অভ্যর্থনা জানান তার কর্মী-সমর্থকরা।  পরে ফেলাবুনিয়া বাজারে আয়োজিত এক পথসভায় উপজেলা চেয়ারম্যান পদোপ্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। 

পথসভা শেষে নিজ বাসভবনে মতবিনিময় সভায় বাশেদ সরদার বলেন, ‘নদী ও সাগর বেষ্টিত এলাকা রাঙ্গাবালী। এখনও নানা সমস্যায় জর্জরিত এই এলাকাটি। আমি এই এলাকার মানুষকে সাথে নিয়ে এগিয়ে  যেতে চাই। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ডিজিটাল থেকে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মানের পথে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ । আওয়ামী লীগ সরকারের স্মার্ট বাংলাদেশের ভিশন, এর সঙ্গে তাল মিলিয়ে রাঙ্গাবালীকেও এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই ।’

জনগণ তাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করলে তাদের চাহিদা অনুযায়ী কাজ করার অঙ্গীকার জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছেন, এই নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন থাকবে না। সেক্ষেত্রে আরও একটি সম্ভাবনার দুয়ার খুলে গেছে। যোগ্য প্রার্থী সুযোগ পাবে। জনগণও তাদের যোগ্য প্রার্থী বেছে নিতে পারবে। সেক্ষেত্রে আমি আশাবাদী।


আরও খবর



শীতে তীব্র দূষণের কবলে রাজধানীবাসী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩০ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

রাজধানী ঢাকায় আজ মঙ্গলবার সকালে সূর্য উঁকি দিলেও কুয়াশা কাটতে পারেনি সেভাবে। ঠাণ্ডাভাব রয়েছেই। এমন অবস্থায় ঢাকার বাতাসের মান খুব অস্বাস্থ্যকর হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। সকাল ৮টা ৫৫ মিনিটে ২৬৯ এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে রাজধানী।

এ সময় ঘানার আক্রা, উগান্ডার কাম্পালা ও ভারতের মুম্বাই যথাক্রমে ২০৯, ১৮৯ ও ১৮৮ একিউআই স্কোর নিয়ে তালিকার দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ স্থান দখল করে।

১০১ থেকে ১৫০ এর মধ্যে হলে বাতাসের মান সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর, ১৫০ থেকে ২০০ এর মধ্যে একিউআই স্কোরকে অস্বাস্থ্যকর বলে মনে করা হয়। ২০১ থেকে ৩০০ এর মধ্যে খুব অস্বাস্থ্যকর বলা হয়, ৩০১+ একিউআই স্কোরকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যা বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

বাংলাদেশে একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের পাঁচটি বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে। সেগুলো হলো বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন (ও৩) ।

দীর্ঘদিন ধরে বায়ু দূষণে ভুগছে ঢাকা। এর বাতাসের গুণমান সাধারণত শীতকালে অস্বাস্থ্যকর হয়ে যায় এবং বর্ষাকালে কিছুটা উন্নত হয়।

২০১৯ সালের মার্চ মাসে পরিবেশ অধিদফতর ও বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ঢাকার বায়ু দূষণের তিনটি প্রধান উৎস হলো ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া ও নির্মাণ সাইটের ধুলো।

ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন (ডব্লিউএইচও) অনুসারে, বায়ু দূষণের ফলে স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ, ফুসফুসের ক্যান্সার এবং তীব্র শ্বাসযন্ত্রেরসংক্রমণের কারণে মৃত্যুহার বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে বিশ্বব্যাপী প্রতি বছর আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষ মারা যায়।

সূত্র : ইউএনবি


আরও খবর



নওগাঁয় প্রথম বারের মতো অনুষ্ঠিত হলো দুদকের গণশুনানি

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

'রুখবো দুর্নীতি, গড়বো দেশ হবে সোনার বাংলাদেশ'' এই প্রতিপাদ্য বিষয় কে সামনে রেখে নওগাঁয় প্রথম বারের মতো অনুষ্ঠিত হলো দুদক এর গণ-শুনানি। এবারের গণ-শুনানির শ্লোগান ছিলো দুর্নীতির বিরুদ্ধে এবার আওয়াজ তুলুন। রবিবার দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয় নওগাঁর আয়োজনে এবং জেলা প্রশাসন ও জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সহযোগিতায় নওগাঁ সদর উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত গণশুনানিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার (তদন্ত) মোঃ জহুরুল হক। নওগাঁ জেলা প্রশাসক মোঃ গোলাম মওলার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, দূর্নীতি দমন কমিশনের মহাপরিচালক (তদন্ত) আকতার হোসেন, রাজশাহী বিভাগীয় পরিচালক কামরুল আহসান, নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপার মুহাম্মদ রাশিদুল হক, দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয় নওগাঁর উপ-পরিচালক মোহাম্মদ মাহমুদুর রহমান, জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ডা. হাবিবুর রহমান সহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। 

গণশুনানিতে ১টি ইনস্যুরেন্স কোম্পানীর ও জেলার ১৫টি সরকারি দপ্তর এর বিরুদ্ধে ঘুষ, দুর্নীতি ও হয়রানির বিষয়ে সেবা প্রার্থীরা সরাসরি উপস্থাপন করলে ৩৯টি অভিযোগে মুখোমুখি হয়ে সেগুলো সমাধাণ করে দেন বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারিরা। নওগাঁ জেলা সদরে অবস্থিত যে কোন সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত দপ্তর, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে সেবা পেতে ঘুষ, দুর্নীতি বা হয়রানীর শিকার হয়েছে এমন অভিযোগের অনেক গুলো শুনানি শেষে তাৎক্ষণিক সমাধান করা হয়। এছাড়া অন্যান্য অভিযোগ স্বল্প সময়ের মধ্যে সমাধান করে তার প্রতিবেদন কমিশন বরাবর পাঠানোর নির্দেশনা প্রদান করেন প্রধান অতিথি। 

এসময় প্রধান অতিথি বলেন, এই দেশের মালিক জনগণ যা সংবিধানের মাধ্যমে এই মালিকানা প্রদান করা হয়েছে। আর সেই মালিকরা সরকারী অফিসে গিয়ে সেবা পাবেন না তা হতে পারে না। মালিক তার দপ্তরে সেবা নিতে গেলে হয়রানীর শিকার হবেন এটা মেনে নেওয়া যায় না। প্রতিটি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা হলো জনগণের সেবক। তাই জেগে ঘুমালে সেই ঘুম ভাঙ্গানো কঠিন। আমরা চাকরীজীবীরা যদি যে যার স্থান থেকে দুর্নীতিকে না বলি প্রতিরোধ না করি তাহলে এই ধরণের শত শত দুদকের পক্ষে দেশ থেকে দুর্নীতি নামক ভাইরাসকে দূর করা সম্ভব নয়। তাই মৃত্যুর কথা ভেবে, একজন অসহায় মানুষের জন্য ভালো কিছু করে পরের স্থায়ী জীবনের জন্য নেকী অর্জনের কথা ভেবে, সর্বোপরি হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে এবং আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুস্থ্য ও সুন্দর একটি বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে আজ থেকেই দুর্নীতি বিরুদ্ধে সবাইকে যুদ্ধ ঘোষণা করার প্রতি আহব্বান জানান প্রধান অতিথি।   


আরও খবর