Logo
শিরোনাম

৬২ বছর পর ব্রাইটনের কাছে বিধ্বস্ত লিভারপুল

প্রকাশিত:Sunday ১৫ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

প্রিমিয়ার লিগে পরপর দুই ম্যাচে তিনটি করে গোল খেয়ে পরাজয়ের বৃত্তে লিভারপুল। লিগে আগের ম্যাচেই ব্রেন্টফোর্ডের কাছে ৩-১ গোলে হেরেছিল লিভারপুল। এবার একই লজ্জায় অলরেডদের ডুবালো ব্রাইটন। ১৯৬১ সালের পর প্রথমবারের মতো লিগে ব্রাইটনের কাছে হারতে হল লিভারপুলকে। শনিবার (১৪ জানুয়ারি) নিজেদের মাঠে লিভারপুলকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে ব্রাইটন। ম্যাচের সব কয়টি গোলই হয়েছে দ্বিতীয়ার্ধে।

বল দখল, আক্রমণ, গোলে ও লক্ষ্যে শট- প্রতিটি ক্ষেত্রেই লিভারপুলকে টেক্কা দিয়েছে ব্রাইটন। অবশ্য শুধু টেক্কা দেয়নি, বেশ বড় ব্যবধানেই এগিয়ে ছিল ব্রাইটন। ম্যাচের অষ্টম মিনিটে ব্রাইটন এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল ব্রাইটন।

ম্যাক অ্যালিস্টারের পাসে ডান দিক থেকে নিচু শট নিয়েছিলেন ব্রাইটন ফুটবলার মার্স। তবে তাতে লিভারপুল গোলরক্ষক অ্যালিসন বেকার পরাস্ত হলেও গোললাইন থেকে ক্লিয়ার করে লিভারপুলের দুর্গ অক্ষত রাখেন ট্রেন্ট অ্যালেকজান্ডার-আর্নল্ড। এরপর বিরতির আগে আরও দুইটি সুযোগ হাতছাড়া করে ব্রাইটন। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগ মুহূর্তে পেনাল্টি পেয়েছিল ব্রাইটন। তবে ভিএআরে দেখে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন রেফারি। তবে প্রথমার্ধে গোল না পেলেও দ্বিতীয়ার্ধের শুরুর আট মিনিটের মধ্যে জোড়া গোল করে লিভারপুলকে ব্যাকফুটে ফেলে দেয় ব্রাইটন।

বিরতি থেকে ফেরার পর ম্যাচের ৪৬তম মিনিটে কাছের পোস্ট থেকে দুর্দান্ত শটে ব্রাইটনকে প্রথম লিড এনে দেন মার্চ। সাত মিনিটের ব্যবধানে আবারও গোলদাতা সেই মার্চ। ফার্গুসনের পাস নিয়ে বক্সে ঢুকে বাঁ পায়ের শটে বল দূরের পোস্ট দিয়ে লক্ষ্যভেদ করেন তিনি। ম্যাচের ৮১তম মিনিটে লিভারপুলের কফিনে শেষ পেরেক মারেন ওয়েলবেক।

থ্রো থেকে মার্চের বাড়ানো পাসে দারুণভাবে ফ্লিক করে গোল করেন তিনি। ম্যাচের বাকি সময়ে লিভারপুল একাধিক চেষ্টা করেও গোল ব্যবধান কমাতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত অলরেডদের বিপক্ষে ৩-০ গোলের ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ব্রাইটন। এর আগের লেগেও লিভারপুলের বিপক্ষে ৩-১ গোলের ব্যবধানে জিতেছিল তারা।

এখন পর্যন্ত ১৮ ম্যাচে ৯ জয় ও ৩ ড্রয়ে ৩০ পয়েন্ট নিয়ে এখন সাত নম্বরে রয়েছে ব্রাইটন। সমান ম্যাচে ২৮ পয়েন্ট নিয়ে আটে আছে লিভারপুল। ১৭ ম্যাচে ৪৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে আর্সেনাল।


আরও খবর



সম্পদের দুই-তৃতীয়াংশ এক ভাগ মানুষের হাতে

প্রকাশিত:Monday ১৬ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

২০২০ সাল থেকে এ পর্যন্ত বিশ্বের ৯৯ ভাগ মানুষ মোট যে পরিমাণ সম্পদ অর্জন করেছে, তার প্রায় দ্বিগুণ সম্পদের মালিক হয়েছে বাকি এক শতাংশ মানুষ। এমনটিই বলছে অক্সফামের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদন।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক দাতব্য সংস্থা অক্সফাম 'সারভাইভাল অব দ্য রিচেস্ট' শীর্ষক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। ১৬ জানুয়ারি সুইজারল্যান্ডের ডাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বার্ষিক সভায় প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়।

পৃথিবীর মোট সম্পদের দুই-তৃতীয়াংশই নিয়ন্ত্রণ করছে মাত্র এক ভাগ মানুষ। সোমবার 'সারভাইভাল অব দ্য রিচেস্ট' নামে এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক দাতব্য সংস্থা অক্সফাম। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২০ সাল থেকে বিশ্বে নতুন করে ৪২ ট্রিলিয়ন ডলারের সম্পদ অর্জিত হয়েছে। যার প্রায় সবটাই গেছে ঐ ধনকুবেরদের পকেটে। এ সময়ে বিলিয়নিয়ারদের সম্পদ আবার প্রতিদিন বেড়েছে দুই দশমিক সাত বিলিয়ন ডলার করে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, বিলিয়নিয়ারদের সম্পদ প্রতিদিন দুই দশমিক সাত বিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিলিয়নিয়ারদের অর্ধেক এমন দেশগুলোতে বাস করেন, যেখানে উত্তরাধিকার সূত্রে সম্পদের মালিক হতে কোনো ট্যাক্স দিতে হয় না।

অন্যদিকে, আয়ের সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে জিনিসপত্রের দাম। সম্পদের ব্যবধানের মতোই এই উর্ধমুখী মুল্যস্ফীতির সঙ্গে তাল মেলাতে হিমশিম খাচ্ছেন বিশ্বের ১ দশমিক ৭ বিলিয়ন কর্মী। আর বিলিয়নিয়ারদের অর্ধেক এমন দেশগুলোতে বাস করেন যেখানে উত্তরাধিকার সূত্রে সম্পদের মালিক হতে কোনো ট্যাক্সই দিতে হয় না। ফলে গেল ১০ বছরে বিশ্বের সব ধনকুবেরদের সম্পদ বেড়ে হয়েছে দ্বিগুণ।

অক্সফাম বলছে, ভারতের মোট সম্পদের ৪০ ভাগ রয়েছে মাত্র এক ভাগ ধনীর হাতে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের মাত্র ১০ জন ধনী ব্যক্তির ওপর যদি ৫ শতাংশ কর আরোপ করা হয়, সেই টাকাতেই আগামী তিন বছর শিশুদের শিক্ষার ব্যায়ভার উঠে আসবে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে যে ভারতের ধনকুবেররা যদি তাদের সম্পূর্ণ সম্পদের উপর একবার মাত্র ২% কর দেন তবে আগামী তিন বছরের জন্য ভারতে অপুষ্টির শিকার মানুষের পুষ্টির জন্য ৪০,৪২৩ কোটি টাকার প্রয়োজন মেটাবে। ২০২২ সালে ভারতে বিলিয়নেয়ারের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৬৬, যেখানে ২০২০ সালে এই সংখ্যা ছিল ১০২।

উপার্জনের পরিপ্রেক্ষিতে লিঙ্গ বৈষম্যেকেও প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে। তফসিলি জাতি এবং গ্রামীণ কর্মীদের মধ্যে পুরুষ-মহিলাদের আয়ের পার্থক্য অনেকটাই বেশি । অক্সফ্যাম আরও বলেছে যে করোনা মহামারি শুরু হওয়ার পর থেকে ২০২২ সালের নভেম্বর পর্যন্ত ভারতে ধনকুবেরদের সম্পদ প্রকৃত অর্থে ১২১ শতাংশ বা প্রতিদিন ৩৬০৮ কোটি টাকা বেড়েছে।

সূত্র: আল জাজিরা ও এনডিটিভি


আরও খবর



নওগাঁ শহর যানজট নিরসন ও রাস্তাঘাট সংস্কারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত:Tuesday ২৪ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :

নওগাঁ শহর যানজট নিরসন ও রাস্তাঘাট সংস্কারের দাবি জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে নওগাঁ জেলা সম্মিলিত ব্যবসায়ী পরিষদ। 

মঙ্গলবার দুপুরে নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে উপরোক্ত দাবি তুলে ধরেন সংগঠটি। 

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক কাজী জিয়াউর রহমান বাবলু বলেন, নওগাঁ শহরের প্রধান সড়ক সহ পৌর এলাকায় যানজট ইদানিংকালে অসহনীয় প্রকট আকার ধারণ করেছে। যার শিকার হতে হচ্ছে শহরবাসীকে। নওগাঁ শহরের ভিতরে ব্যাটারি চালিত রিকশা ভ্যান যেখানে সেখানে দাঁড়িয়ে যাত্রী ওঠানো নামানোর ফলে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত শহরে যানজট লেগে থাকে। এর ফলে সাধারণ পথচারী যেমন ঝামেলা পোহাতে বাধ্য হচ্ছে, তেমনি এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে ব্যবসা-বাণিজ্যও।

লিখিত বক্তব্য তিনি আরও বলেন, শহরের আরও একটি সমস্যা রাস্তাঘাট। শহরের প্রাণকেন্দ্র ব্যবসা প্রধান এলাকার ভিতরে পুরাতন সোনালী ব্যাংক রোড, সুপারি পট্টি, কাপড় পট্টি, তুলাপট্টি, ইসলামপুর রোড, চুড়ি পট্টি, কাঁজা বাজার, মুরগি বাজার এবং মাছ বাজার সহ বেশকিছু রাস্তা একেবারে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। রাস্তাঘাটের এমন অবস্থা খুবই কষ্টদায়ক। বছরের পর বছর একই অবস্থা যেন নওগাঁ বাসীর নিয়তি হয়ে দাঁড়িয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহলের উদাসীনতা ও বাস্তব পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় শহরবাসী হতবাক। বছরের পর বছর একই অবস্থা যেন নওগাঁ বাসি নিয়তি হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই এসব সমস্যা সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের দাবি জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে। 

কাজী জিয়াউর রহমান বাবলু বলেন, ব্যবসায়ী হিসেবে আমাদেরকে বিভিন্ন সময় নানা ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। কখনো কখনো পরিস্থিতি জটিল আকার ধারণ করে যা কাম্য নয়। মাঝে মধ্যেই আমাদেরকে ভ্যাট, আয়করসহ বিভিন্ন ধরনের (ভোক্তা অধিকার, নিরাপদ খাদ্য) জরিমানা সমস্যায় পড়তে হয়। অথচ সমস্যা গুলো যৌথ আলোচনার মাধ্যমে সমাধানযোগ্য। 

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সভাপতি নজরুল ইসলাম সহ অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।



আরও খবর



ধামরাইয়ে ৩ হাজার কম্বল বিতরন

প্রকাশিত:Friday ২৭ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

মোঃ মাহবুবুল আলম রিপন :

ঢাকার ধামরাইয়ে স্থানীয় এমপি ও ৫ টি ইউনিয়নের সমন্বয়ে প্রায় ৩ হাজার নিন্মআয়ের পরিবারের শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র কম্বল বিতরন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ জানুয়ারি ) দুপুরে উপজেলার কাওয়ালীপাড়া বাজারে চৌহাট, আমতা, বালিয়া, গাঙ্গুটিয়া, ও কুশুরা ইউনিয়নের শীতার্তদের মাঝে এই শীতবস্ত্র কম্বল বিতরন করা হয়।

এসময় কম্বল বিতরণের সমন্বয়কারী কমিটির সভাপতি ও ধামরাই উপজেলা আওয়ামী কৃষক লীগের আহবায়ক আলহাজ্ব মোঃ আহম্মদ হোসেন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে কম্বল বিতরন করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও ঢাকা-২০ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব বেনজীর আহমদ এমপি। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ধামরাই উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ সিরাজ উদ্দিন সিরাজ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান এডভোকেট সোহানা জেসমিন মুক্তা, বাইশাকান্দা ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মিজানুর রহমান, আমতা ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আরিফ হোসেন, বালিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মজিবর রহমান,গাঙ্গুটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের কোম্পানি, নবাগত আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল মান্নান,ধামরাই উপজেলা আওয়ামী ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ জামিল হোসেন সহ আরও অনেকে।


আরও খবর



অস্তিত্ব সংকটে কক্সবাজারের বাঁকখালী নদী

প্রকাশিত:Wednesday ২৫ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

নিজস্ব প্রতিবেদক :কক্সবাজারের প্রধান নদী বাঁকখালী দখল ও দূষণে পড়েছে রীতিমতো অস্তিত্ব সংকটে। এমন কঠিন পরিস্থিতিতে মৃতপ্রায় এ নদী উদ্ধারে এগিয়ে এসেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। নদীর ৫০০ একর ভূমি উদ্ধারে ১৫৭ জন প্রভাবশালী দখলদারের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে এই সংস্থা। ইতোমধ্যে কিছু দখলদারকে নোটিশও দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

দুর্নীতি দমন কমিশন চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-২ এর উপসহকারী পরিচালক জানান, পর্যায়ক্রমে বাঁকখালী নদীর সব দখলদারের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট বাঁকখালী দখলদারদের তালিকা তৈরি করে তাদের উচ্ছেদ এবং দূষণের উৎস চিহ্নিত করে তা বন্ধের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে নদীর তীরে চিংড়ি চাষ, তামাক বা ভিন্ন কোনো উদ্দেশ্যে ইজারা প্রদান থেকে বিরত থাকতে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসকসহ ১০ সরকারি কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন আদালত।

কিন্তু আদালতের নির্দেশনার ছয় বছর পরও জেলা প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর কিংবা কক্সবাজার পৌরসভা কার্যকর কোনো পদক্ষেপই নেয়নি। দখলবাজ চক্র নদী তীরে অবৈধ স্থাপনা গড়ে তোলার পাশাপাশি বাঁকখালী নদীর জমি দেখিয়ে কোটি কোটি টাকার ব্যাংক ঋণ গ্রহণের নজিরও রয়েছে। ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসন থেকে নদী দখলদারদের যে তালিকা করা হয়েছে তাতে প্রভাবশালী অনেকের নাম বাদ পড়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। তবে ওই তালিকার বাইরে থাকা দখলদারদের বিরুদ্ধেও দুদক তদন্ত করবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

নদী তীরবর্তী বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, শহরের উত্তর নুনিয়াছড়া থেকে মাঝেরঘাট পর্যন্ত নদীর প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকায় ভরাট ও দখল তৎপরতা বেশি। কস্তুরাঘাটের বিআইডব্লিউআইটি টার্মিনাল সংলগ্ন নদীর ভরাট জমিতে গড়ে উঠেছে নানা স্থাপনা। তৈরি হয়েছে চিংড়িঘের, লবণ উৎপাদনের মাঠ, প্লট বিক্রির হাউজিং কোম্পানি, নৌযান মেরামতের ডকইয়ার্ড, ময়দা ও বরফ কল, শুঁটকি মহালসহ অসংখ্য ঘরবাড়ি।

শহরের চারটি পয়েন্টে ময়লা-আবর্জনা ফেলে নদীর তলদেশ ভরাট করছে খোদ পৌরসভা কর্তৃপক্ষ। ভরাট নদীতে ময়লা-আবর্জনা ও পলিথিনের কারণে কেওড়া ও বাইন গাছের প্যারাবন মরে যাচ্ছে। ধ্বংস হচ্ছে জীববৈচিত্র্য।

আদালতের নির্দেশের পর প্রশাসন কতিপয় দখলদারের একটি তালিকা তৈরি করে নোটিশ জারি করেছিল। এরপর কয়েক দফা লোকদেখানো উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত নদীতে বর্জ্য ফেলা বন্ধ হয়নি। উচ্ছেদ হয়নি অবৈধ দখলদারও। প্রায় ৮০ কিলোমিটারের এই নদীর বাংলাবাজার থেকে নুনিয়াছড়া পর্যন্ত ১৬ কিলোমিটার অংশে দখলের ঘটনা বাড়ছে। এসব এলাকায় দখলদারের সংখ্যা অন্তত এক হাজার।

জানতে চাইলে এ বিষয়ে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) বলেন, উচ্চ আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য জেলা প্রশাসনের তরফ থেকে বাঁকখালী নদীর অবৈধ দখলদারদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। খুব শিগগিরই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে।


আরও খবর

সুখবর নেই বাজারে

Saturday ০৪ February ২০২৩




পিআইবি মহাপরিচালক জাফর ওয়াজেদ

মোবাইল সাংবাদিকতা গণমাধ্যম কর্মীদের আরো সমৃদ্ধশালী করবে

প্রকাশিত:Tuesday ১৭ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

গজারিয়া প্রতিনিধিঃ 

সাংবাদিকরাই জনগণের বিবেক বলে মন্তব্য করেছেন মুন্সিগঞ্জ জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও বঙ্গবন্ধুর একান্ত সহচর আলহাজ মো মহিউদ্দিন। মুন্সিগঞ্জে ২ দিনব্যাপী " মোবাইল সাংবাদিকতা বিষয়ক প্রশিক্ষণের সমাপন দিনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। তিনি আরো বলেন, একমাত্র গণমাধ্যম কর্মীরাই পারে দেশ থেকে সকল ধরনের দূর্নীতি, অন্যায় দুর করতে। দেশকে স্বচ্ছতার রুপ দিতে। দেশকে আরো উন্নত ও সমৃদ্ধ করতে গণমাধ্যম কর্মীদের ভুমিকা অপরিসীম। 

গতকাল মঙ্গলবার সার্কিট হাউস মিলনায়তনে ২দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ” র সমাপণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাপন অনুষ্ঠানে সভাপ্রধান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রেস ইন্সটিটিউট বাংলাদেশ ( পিআইবি) মহাপরিচালক জাফর ওয়াজেদ। সভাপ্রদানের বক্তব্যে তিনি বলেন, মোবাইল সাংবাদিকতা গণমাধ্যম কর্মীদের আরো সমৃদ্ধশালী করবে। মোবাইল সাংবাদিকতা যেখানে ঘটনা সেখান থেকেই প্রতিবেদন লিখে পাঠানো যায়। সাংবাদিকদের আরো সচেতন ও কর্মঠ করতে মোবাইল সাংবাদিকতার বিকল্প নেই। 

প্রেস ইন্সটিটিউট বাংলাদেশ ( পিআইবি) প্রশিক্ষক পারভিন সুলতানা রাব্বির সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এড সোহানা তাহমিনা, ডেফোডিল ইউনির্ভারসিটি সহযোগী অধ্যাপক ( জার্নালিজম মিডিয়া কমিউনিকেশন বিভাগ) ড. জামিল খান, জেলা তথ্য অফিসার দ্বীপক চন্দ্র দাস। 

দুইদিন ব্যাপী প্রশিক্ষণে জেলার ৩৫ জন সাংবাদিক স্বাস্থ্যবিধি মেনে এতে অংশ নেয়। প্রশিক্ষণে ভিডিও রেকডিং, ভিডিও সম্পাদনা ও স্টোরি, মোবাইল সেটিংস তৈরিসহ নীতিমালার উপর প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। 

সমাপন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন পিআইবি মহাপরিচালক জাফর ওয়াজেদ। পরে সকল সাংবাদিকদের মাঝে সনদ বিতরণ করেন অতিথিরা।


আরও খবর