Logo
শিরোনাম

৮১ বছর পর বন্ধ হলো বিবিসি বাংলা রেডিও

প্রকাশিত:Sunday ০১ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

সংবাদ ও সাময়িক প্রসঙ্গের অনুষ্ঠান ‘প্রবাহ’ আর ‘পরিক্রমা’ শেষবারের মত প্রচারিত হবে আজ বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা এবং রাত সাড়ে দশটায়। অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করবেন লন্ডনে মানসী বড়ুয়া আর ঢাকায় আকবর হোসেন।

বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিসে ব্যাপক পরিবর্তনের পটভূমিতে বিবিসি বাংলা রেডিও বন্ধের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সেপ্টেম্বর মাসে ওয়ার্ল্ড সার্ভিস কর্তৃপক্ষ বাংলায় রেডিও সম্প্রচার বন্ধ করার পরিকল্পনা ঘোষণা করে।

বিবিসি বাংলার সম্পাদক সাবির মুস্তাফা বলেন,‘বিবিসি বেশ কিছু দিন থেকে ডিজিটাল প্লাটফর্মের ওপর বেশি জোর দিচ্ছে, এখন এই পরিবর্তনের প্রক্রিয়া আরো ত্বরান্বিত করা হবে।

রেডিও শ্রোতাদের আহ্বান জানানো হচ্ছে, তারা যেন সংবাদ এবং সাময়িক প্রসঙ্গ নিয়ে প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, সাক্ষাতকার ইত্যাদির জন্য ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করেন –অর্থাৎ, বিবিসি বাংলার নিজস্ব ওয়েবসাইট

(www.bbcbangla.com), ইউটিউব চ্যানেল (https://www.youtube.com/bbcbangla),

ফেসবুকপেজ (https://www.facebook.com/BBCBengaliService)

এবং টুইটার (https://twitter.com/bbcbangla)

বিবিসি বাংলা রেডিও যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৯৪১ সালের ১১ই অক্টোবর, একটি সাপ্তাহিক নিউজলেটার দিয়ে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ক্রান্তিকালে মিত্র পক্ষের বক্তব্য ভারতীয় উপমহাদেশের মানুষের কাছে পৌঁছে দেওবার লক্ষ্য নিয়েই শুরু হয়েছিল বিবিসি বাংলা রেডিওর যাত্রা।

বাংলাদেশের মানুষের মাঝে বিবিসি নামটি সব চেয়ে বেশি পরিচিতি পায় ১৯৭১ সালে, স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়।

বিবিসির খবরের ওপর শ্রোতাদের আস্থা আর বিবিসি বাংলা রেডিওর জনপ্রিয়তা ব্যাপকভাবে বেড়ে যায়। মানুষ তখন যুদ্ধের খবরের জন্য পুরোপুরি নির্ভর করত বিবিসি বাংলার ওপর।

বিগত আট দশকে বিবিসি বাংলার রেডিও অনুষ্ঠানমালা এবং ব্যবস্থাপনা বিভিন্ন ধরনের পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে গিয়েছে। রেডিওর চূড়ান্ত সম্প্রসারণ ঘটে ২০০৭ সালের জানুয়ারি মাসে যখন চতুর্থ একটি দৈনিক অধিবেশন শুরু করা হয়।

তার চার বছরের মাথায় সকালের দুটি রেডিও অধিবেশন লন্ডন থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়, এবং বাংলাদেশে কর্মরত বিবিসি বাংলার সাংবাদিক সংখ্যায় উল্লেখযোগ্য সম্প্রসারণ ঘটে।

তবে রেডিওর শ্রোতা কমে যাওয়ায় বিবিসি বাংলাদেশকে নিয়ে নতুন করে ভাবতে শুরু করে। চ্যানেল আই-এর সহযোগিতায় ‘বিবিসি প্রবাহ’ নামক সাপ্তাহিক অনুষ্ঠান নিয়ে ২০১৫ সালে বিবিসি বাংলা বাংলাদেশের টেলিভিশন জগতে প্রবেশ করে।

সাবির মুস্তাফা বলেন, বিবিসি বাংলা রেডিও ঘিরে অনেক স্মৃতি, অনেক আবেগ রয়েছে। কিন্তু যারা সংবাদের প্রতি আগ্রহী, তাদের চাহিদা মেটানোর জন্য বিবিসি রেডিও বন্ধ করার মত কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বাস্তবতার আলোকে বিবিসি সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলা রেডিও বন্ধ করে লোকবল ডিজিটাল মাধ্যমে নিয়োজিত করতে।

সূত্র : বিবিসি বাংলা


আরও খবর



দুই দিনের সফরে টুঙ্গিপাড়ায় প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:Friday ০৬ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

আওয়ামী লীগের সভানেত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথমবারের মতো দুই দিনের ব্যক্তিগত সফরে আজ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সফরে তিনি বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা জানানোসহ নানা কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।তার সাথে আছেন ছোট বোন শেখ রেহানা ও পারিবারের সদস্যরাও।

এছাড়া আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নবনির্বাচিত জাতীয় পরিষদ, কার্যনির্বাহী সংসদ ও উপদেষ্টা পরিষদের যৌথ সভায় অংশ নেবেন তিনি। সভাটি আগামীকাল শনিবার দুপুরে টুঙ্গিপাড়ায় অনুষ্ঠিত হবে। আজ শুক্রবার সকাল ৮টায় ঢাকা থেকে সড়কপথে প্রধানমন্ত্রী গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার উদ্দেশে রওনা হন। টুঙ্গিপাড়া পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাবেন। এরপর তিনি খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার নগরঘাট এলাকায় বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের নামে কেনা দুটি পাটের গুদাম দেখতে সড়কপথে খুলনায় যাবেন। রাতে গোপালগঞ্জে থাকবেন। সেখান থেকে পরদিন দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর মাজার জিয়ারত করে ঢাকায় ফিরবেন।  


আরও খবর

সুখবর নেই বাজারে

Saturday ০৪ February ২০২৩




বেহাল উপজেলা স্বাস্থ্যসেবা

প্রকাশিত:Wednesday ২৫ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

রোকসানা মনোয়ার :সারাদেশে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবার বেহাল দশা বিরাজ করছে। অনেক উপজেলা হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার যন্ত্রপাতি নেই। জনবলের সংকট রয়েছে। ডাক্তাররা কর্মস্থলে থাকেন না। দুই এক ঘণ্টা হাসপাতালে থেকে চিকিৎসকরা কর্মস্থলের বাইরে চলে যান। কোনো কোনো ডাক্তার কাজে যোগ দিয়েই ঢাকায় চলে আসেন। আর যারা কর্মস্থলে থাকেন তারাও সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করেন না। রয়েছে অক্সিজেনের সংকট।

আবার অনেক উপজেলা হাসপাতালে এক্সরে, প্যাথলিজ ও অপারেশন থিয়েটার এবং জনবল থাকলেও উদ্দেশ্যমূলকভাবে সেখানে রোগীদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা কিংবা অপারেশন করানো হয় না। রোগীদের পাঠিয়ে দেওয়া হয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আশাপাশে গড়ে ওঠা বেসরকারি ক্লিনিকে। এক্ষেত্রে ডাক্তাররা ৫০ থেকে ৬০ ভাগ কমিশন পান। আর এই টাকার ভাগ যায় উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা থেকে শুরু করে সিভিল সার্জন ও তার উপরের মহল পর্যন্ত। এ কারণে দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্রে চিকিত্সা সেবার করুণ অবস্থা থাকলেও কোনো প্রতিকার নেই।

সিভিল সার্জনরা জেলার সরকারি স্বাস্থ্যসেবা পরিস্থিতি সঠিকভাবে মনিটরিং করেন না, কারণ অনেকে অবৈধ অর্থের ভাগ পান। অথচ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোর সার্বিক তদারকি করার দায়িত্ব সিভিল সার্জনদের। তারা চরম দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিচ্ছেন।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবার বেহাল দশা বিরাজ করলেও দেশে বড় কোনো বিপর্যয় আসেনি বলে এতোদিন মানুষ বুঝতে পারেনি। করোনা মহামারি দেশের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বেহাল দশা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে। তবে করোনা এসেছে প্রায় দুই বছর হতে চলেছে, কিন্তু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে কেউ ভাবেনি, কোন ব্যবস্থা নেয়নি।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সাধারণ অপারেশনের ব্যবস্থা আছে। কিন্তু এক শ্রেণীর ডাক্তাররা সেখানে অপারেশন না করে বাইরের ক্লিনিকে রোগীদের অপারেশন করান। করোনা রোগীদের প্রাথমিক চিকিৎসা ব্যবস্থার সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা অধিকাংশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আছে। কিন্তু রোগীরা আসলেই তাদের চিকিৎসা সেবা না দিয়ে বাড়িতে কোয়ারেন্টাইনে থাকার পরামর্শ দিয়ে পাঠিয়ে দেন। কিন্তু ওই রোগীটি কোয়ারেন্টাইনে থাকছে কিনা তার কোনো খবর নেওয়া হয় না। অথচ সংশ্লিষ্ট চিকিত্সক ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের জনপ্রতিনিধিদের জানিয়ে দিতে পারতেন, যাতে করোনা রোগী সঠিকভাবে কোয়ারেন্টাইন মেনে চলেন। এই ব্যবস্থা না করায় রোগী নিজের ইচ্ছামতো চলাফেরা করছেন এবং অন্যান্য মানুষকে সংক্রমিত করছেন। আর যখন শারীরিক অবস্থা খারাপ হয় তখন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হতে ঘুরতে থাকে। সেখানে চিকিৎসা সেবা না পেয়ে জেলা পর্যায়ে কিংবা ঢাকায় আসতে আসতে রাস্তায় মারা যান।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) বলেন, ইতিমধ্যে ডাক্তারদের কর্মস্থলে উপস্থিত থাকার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ নির্দেশনা বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য), সিভিল সার্জন ও উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। প্রতি সোমবার জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে বিষয়টি তদারকি করছি। যারা কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকবেন, দায়িত্ব পালনে অবহেলা করবেনখোঁজ খবর নিয়ে তাদের বিরদ্ধে অধিদপ্তর থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 


আরও খবর



নওগাঁয় শীর্তাত ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝে কম্বল বিতরণ

প্রকাশিত:Wednesday ০১ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :

নওগাঁয় ১২শ ১০ জন ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝে শীতবস্ত্র (কম্বল) বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার পৌরসভা চত্বরে হেক্স/ইপার সহয়োগিতায় ডাসকো ফাউন্ডেশন এসব শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। 

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আজাহার আলী। এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম, ধামইরহাট পৌর সভার মেয়র আমিনুর রহমান, ডাসকোর  পরিচালক (প্রোগ্রাম) এস,এম ফখরুল বাশার, ডাসকোর ধামইরহাট উপজেলা কর্মকর্তা রওনোক লায়লাসহ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। পরে ১২শ' ১০ জন ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়।


আরও খবর



দূষণে ধুঁকছে গাজীপুর

প্রকাশিত:Sunday ২৯ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

সদরুল আইন, বিশেষ প্রতিবেদক :অনিয়ন্ত্রিত শিল্পকারখানা আর মেগা প্রকল্পের দূষণে ধুঁকছে গাজীপুর নগরী। গবেষণা বলছে, অত্যাধিক ধোঁয়া আর ধুলার কারণে, এখানকার বাতাসে মিলছে স্বাভাবিকের চেয়ে তিনগুণ দূষিত পদার্থ। যা বায়ু দূষণের দিক থেকে গাজীপুরকে রেখেছে ৬৪ জেলার শীর্ষে। ফলে হাসপাতালগুলোতে দিনকে দিন বাড়ছে ফুসফুজনিত রোগীর সংখ্যা

গাজীপুর পরিচয় শিল্প নগরী হলেও, এখন যেনো ধোঁয়া আর ধুলোর জনপদ। কী সকাল, কী রাত...। গোটা শহরের যেখানেই যাওয়া যায়, ধুলোর অত্যাচার থেকে মেলে না রেহাই। বছরের পর বছর ধরে চলা মেগা প্রকল্প আর এলোপাতাড়ি উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে ধুলো ছড়াচ্ছে চারপাশে। শুষ্ক এই মৌসুমে নগরীর কোথাও যেনো এতটুকু প্রাণ নেই। নাকমুখ চেপে মাইলের পর মাইল পাড় হতে হয় এই পথে চলাচলকারী মানুষনজকে। বিশেষ করে ভোগান্তিতে, স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরা।

ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অসংখ্য শিল্পকারখানার কালো ধোঁয়া বিষিয়ে তুলছে বাতাস। সম্প্রতি গাজীপুরের বায়ুমান পর্যবেক্ষণ করেছে বেসরকারি সংস্থা ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ। যাতে দেখা যায়… টঙ্গীর স্টেশন রোড, কলেজ গেইট, মেইল গেইট, টঙ্গী বাজারসহ বেশ কিছু এলাকার বায়ুতে, প্রতি ঘনমিটারে গড়ে ধূলিকণা ও দূষিত পদার্থের পরিমাণ দুশো থেকে সাড়ে ৫শো মাইক্রোগ্রামে।

গাজীপুর সদরের মির্জাপুরের ব্যবসায়ী আতিক হাসান। শ্বাসকষ্ট ও বুকে ব্যাথা নিয়ে কাতরাচ্ছেন শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। চিকিৎসক জানান, অত্যধিক বায়ু দূষণের ফলে হাসানের মতো রোগির সংখ্যা বেড়েছে দ্বিগুন।

গাজীপুরের পরিবেশ অধিকার কর্মীদের অভিযোগ… শিল্প কলকারখানা ও নির্মাণকাজে পরিবেশ অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণ নেই বললেই চলে। নগরীর বায়ু দূষণ নিয়ন্ত্রণে একরকম অসহায়ত্ব ফুটে উঠলো জেলা পরিবেশ কর্মকর্তার কথায়। বলছেন, সীমিত জনবলের কারণে সবসময় অভিযান পরিচালনা সম্ভব হচ্ছে না।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বায়ু দূষণ নিয়ন্ত্রণে শিগগিরি শক্ত পদক্ষেপ না নিলে, আরো ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়বে গাজীপুর মহানগরবাসী।


আরও খবর

সুখবর নেই বাজারে

Saturday ০৪ February ২০২৩




'ফারাজ' এর আগে 'শনিবার বিকেল' মুক্তির দাবি

প্রকাশিত:Friday ১৩ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

৩ ফেব্রুয়ারি ভারতের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে বলিউড ফিল্ম ‘ফারাজ’, এদিকে একই ঘটনার উপর নির্মিত মোস্তফা সরয়ার ফারুকী পরিচালিত ছবি ‘শনিবার বিকেল’ এর মুক্তি গেলো ৪ বছর ধরে আটকে আছে। বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ফারুকী। তিনি দাবি তুলেছেন, ছবিটি যেনো ফারাজ মুক্তি পাবার ঘন্টাখানেক আগে হলেও বাংলাদেশে মুক্তি দেয়া হয়।

রাজধানীর গুলশানে হলি আর্টিজান বেকারিতে ২০১৬ সালেরে ১ জুলাই জঙ্গি হামলায় নিহত হন ফারাজ আইয়াজ হোসেন। বন্ধুদের বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ দিয়েছিলেন তিনি। তার সেই সাহসিকতা ও ত্যাগ নিয়ে ভারতীয় প্রেক্ষাগৃহে ৩ ফেব্রুয়ারি মুক্তি পাচ্ছে বলিউড সিনেমা ফারাজ।

এদিকে সেই ঘটনাকে অন্য দৃষ্টিভঙ্গিতে পর্দায় তুলে এনেছেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকী যা গেলো চার বছর ধরে সেন্সর বোর্ডে আটকে আছে। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে সোমবার নিজের ফেসবুক আইডিতে একটি স্ট্যাটাস দেন ফারুকী। ফারূকীর মন্তব্যের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে পরমুহূর্তেই সেই স্ট্যাটাসটি শেয়ার দিয়েছেন একাধিক পরিচালক, শিল্পী কলাকুশলী। একই সাথে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কেউ কেউ।

 এই গুণী পরিচালক বলেন, শনিবার বিকেল ছবিটি মুক্তি না পাওয়াটা কষ্টের। যেখানে ফারাজ মুক্তি পাচ্ছে সেখানে শনিবার বিকেল ছবির মুক্তি আটকে থাকায় নিজেকে এদেশের তৃতীয় শ্রেণীর নাগরিক মনে হচ্ছে তার।

বহিবিশ্বের বিভিন্ন চলচ্চিত্র উৎসবে ছবিটি ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। ফারুকী বলেন, ছবিটি সেখানে ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে দেশের। তার প্রশ্ন তাহলে বাংলাদেশে কেনো তার ছবিটি আটকে রাখা হচ্ছে?

ফারুকী বলেন, যেই ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর জন্যে ‘শনিবার বিকেল’ ছবিটি আটকে আছে তাদের এদেশে নিন্দিত হতে হবে।

পরিচালকের প্য়ত্য়াসা ভারতে ‘ফারাজ’ ছবির ঘন্টাখানেক আগে হলেও বাংলাদেশে শনিবার বিকেল আলোর মুখ দেখবে।  


আরও খবর