Logo
শিরোনাম

৯৩ হাজার টাকা ছাড়াল স্বর্ণের দাম

প্রকাশিত:Wednesday ১৮ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

এক সপ্তাহের ব্যবধানে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ভরিতে দুই হাজার টাকার বেশি বেড়েছে। নতুন দর অনুযায়ী প্রতি ভরি ভালো মানের স্বর্ণ কিনতে গ্রাহককে গুনতে হবে ৯৩ হাজার টাকার বেশি।

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন-বাজুস দাম বাড়ানোর এই সিদ্ধান্ত নেয়। এর আগে গত ৭ জানুয়ারি স্বর্ণের দাম বাড়ায় বাজুস, যা ৮ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়েছে। তখন প্রথমবারের মতো দেশের বাজারে প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৯০ হাজার টাকা ছাড়ায়।

বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান এনামুল হক ভূঁইয়া লিটন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, 

বাজুস ভালো মানের স্বর্ণ ভরিতে দুই হাজার ৬৮৩ টাকা বাড়িয়েছে। এতে প্রতি ভরি সোনার দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৩ হাজার ৪২৯ টাকা। আগে এই দাম ছিল ৯০ হাজার ৭৪৬ টাকা।


আরও খবর

কমছে আয়, বাড়ছে ব্যয়

Saturday ০৪ February ২০২৩




মির্জাগঞ্জে ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযানে ৭ দোকানিকে জরিমানা

প্রকাশিত:Wednesday ১১ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি,পটুয়াখালী :


পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে অভিযান চালিয়ে ৭ টি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানকে ৩১ হাজার টাকা জরিমানা করেছে পটুয়াখালী জেলা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

বুধবার (১১ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত উপজেলার কলেজ রোড থেকে সুবিদখালী বাজারের ষ্টীল ব্রিজ পর্যন্ত ৭ টি দোকান থেকে এ জরিমানা আদায় করা হয়।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পটুয়াখালী জেলার সহকারী পরিচালক মো.শাহ শোয়াইব মিয়ার নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়। এসময় মির্জাগঞ্জ থানার এসআই মো.ইব্রাহীম,উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মাখসুদুর রহমান খান অভিযানে সহয়তা করেন।

সুবিদখালী কলেজ রোডস্থ সকাল সন্ধ্যা হোটেলকে ৬ হাজার,হোটেল সালামকে ৩ হাজার,মৃধা স্টোরকে ১ হাজার,স্টিল ব্রিজ সংলগ্ন রোগ মুক্তি ফার্মেসীকে ৩ হাজার,অন্তরা মেডিকেল হলকে ১০ হাজার এবং নান্নু শপিং কমপ্লেক্সের সুরাইয়া ফ্যাশনকে ৪ হাজার ও শেফা ফ্যাশন হাউসকে ৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।


জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পটুয়াখালী জেলার সহকারী পরিচালক মো.শাহ শোয়াইব মিয়া বলেন,মির্জাগঞ্জ উপজেলার কয়েকটি জায়গায় অভিযান পরিচালনা করে মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করা,অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যপন্য তৈরি ও সংরক্ষন করা,মেয়াদোত্তীর্ন ঔষধ বিক্রয় ও বিক্রয় প্রস্তাব করা,এমআরপি থেকে অতিরিক্ত দামে ঔষধ বিক্রয় করা,বিক্রয় নিষিদ্ধ কসমেটিক্স বিক্রয় করা ও কসমেটিকসের মোড়কে খুচরা মূল্য উল্লেখ না থাকার কারণে ৭ টি  ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়। জনস্বার্থে বাজার তদারকি মূলক এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।


আরও খবর



নওগাঁয় বড় ভাইয়ের কোদালের আঘাতে ছোট ভাইয়ের মৃত্যু'র অভিযোগ

প্রকাশিত:Tuesday ১৭ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :


নওগাঁ জেলা সদর উপজেলার গুমারদহ এলাকায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বড় ভাই ফজলুর রহমানের (৫৫) এর কোদালের হাতলের আঘাতে আহত ছোট ভাই নজরুল ইসলাম (৫২) এর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুর অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনার ৭ দিন পর  সোমবার ১৬ জানুয়ারি রাতে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে ।  সংবাদ পেয়ে নওগাঁ সদর মডেল থানার পুলিশ নিহত নজরুল ইসলামের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে। তবে মঙ্গলবার বিকেল সারে চারটায় সংবাদ লেখা পর্যন্ত থানায় কোন মামলা দায়ের হয়নি।  

গত ১০ জানুয়ারি নওগাঁ সদর উপজেলার শৈলগাছি ইউনিয়নের গুমারদহ গ্রামের মাঠে তাদের পারিবারিক একটি জমিতে বোরো ধান লাগানোর জন্যে জমি তৈরী করার সময় এই মারপিটের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।  নিহত নজরুল ইসলাম গুমারদহ গ্রামের  মৃত আবুল হোসেনের ছেলে। 

নিহতের স্বজন, স্থানীয়রা জানায়, নজরুল ইসলামেরা দুই ভাই ও দুই বোন। তাদের বাবার রেখে যাওয়া সম্পত্তির ভাগ বাটোয়ারা না হওয়ায় নজরুল ইসলাম ও তার বড় ভাই ফজলুর রহমানের মধ্যে মাঝে মাঝেই বিরোধ লেগে থাকতো। গত ১০ জানুয়ারি ফজলুর রহমান গ্রামের মাঠে একটি জমিতে বোরো ধান লাগানোর জন্য আইল দিতে যান। এ সময় নজরুল তাকে বাধা দিতে যান। এ নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ফজলুর রহমানের হাতে থাকা কোদালের হাতল দিয়ে নজরুলকে বেশ কয়েকটি আঘাত করেন। এতে নজরুল গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নওগাঁ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার অবস্থার অবনতি হলে ওই দিনই তাকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

শৈলগাছী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, ফজলুর ও নজরুল দুই ভাই। দীর্ঘদিন ধরে তাদের দু'জনের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। ৫/৬ দিন আগে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ফজলুর তার ছোট ভাইকে কোদালের হাতল দিয়ে মারধর করেন। এতে নজরুল গুরুতর আহত হন। সোমবার রাতে রাজশাহীতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে লাশ গ্রামের বাড়িতে আসার পর পুলিশ খবর পেয়ে ময়না তদন্তের জন্য মৃতদেহ থানায় নিয়ে যায়।  

নওগাঁ সদর মডেল থানার ওসি ফয়সাল জানান, খবর পেয়ে মৃতদেহ উদ্ধার পূর্বক ময়না তদন্তের জন্যে পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরেই মৃত্যুর সঠিক কারন জানাযাবে।


আরও খবর



রেস্তোরাঁ ব্যবসায় ফিরছে সুদিন

প্রকাশিত:Sunday ১৫ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

রোকসানা মনোয়ার :বড় পরিবর্তন এসেছে দেশের রেস্তোরাঁ শিল্পে। মানুষের খাদ্যাভ্যাস ও রুচির পরিবর্তন হয়েছে। সারা দেশের ছোট-বড় শহরে গড়ে উঠেছে উন্নতমানের রেস্তোরাঁ। জিডিপির পাশাপাশি প্রতি বছর বাড়ছে কর্মসংস্থান। পৃথিবীজুড়ে এখন এ শিল্প সম্ভাবনাময়। বাংলাদেশেও সেটা হবে। আগামীতে পাশ্চাত্যের দেশগুলোর মতো মানুষ রেস্তোরাঁনির্ভর জীবনযাপন করবে। সেভাবে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ও অভ্যাস গড়ে উঠছে। এদিকে, সম্প্রতি সরকারিভাবে রেস্তোরাঁকে শিল্পের মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। এ ঘোষণায় উচ্ছ্বসিত ব্যবসায়ীরা। উন্নত বিশ্বের মতো দেশের রেস্তোরাঁ ব্যবসাকেও মানসম্পন্ন জায়গায় নিতে স্বপ্ন বুনছেন তারা।

শিল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রেস্তোরাঁর প্রসারে এ শিল্পে এখন পর্যন্ত বিপুল কর্মসংস্থানও হয়েছে। দেশের প্রায় দুই কোটি মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এ শিল্পের সঙ্গে জড়িত। পাশাপাশি এ শিল্প কৃষি, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও পর্যটনসহ অন্যান্য অর্থনীতিতেও বড় ভূমিকা রাখছে। সরকার শিল্প ঘোষণা করায় আগামী এক দশকে এ শিল্প আরো তিন গুণ প্রসার হবে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হোটেল ও রেস্টুরেন্ট সার্ভে-২০২১ এর তথ্য বলছে, গত ১১ বছরে দেশে হোটেল ও রেস্তোরাঁর সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ১ লাখ ৬১ হাজার। ২০০৯-১০ সালে যেখানে দেশে রেস্তোরাঁর সংখ্যা ছিল ২ লাখ ৭৫ হাজার, তা গত বছর বেড়ে ৪ লাখ ৩৬ হাজার হয়েছে। এ সময়ে কর্মরত মানুষের সংখ্যাও হয়েছে দ্বিগুণ। ২০০৯-১০ অর্থবছরে হোটেল ও রেস্তোরাঁয় কর্মরত ছিলেন ৯ লাখ ৪ হাজার মানুষ, যা গত বছর বেড়ে ২০ লাখ ৭২ হাজার হয়েছে। ফলে এক দশকে মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপিতে মূল্য সংযোজন বেড়েছে আট গুণ। এক দশক আগে ২০০৯-১০ অর্থবছরে হোটেল-রেস্তোরাঁ থেকে মূল্য সংযোজন হয়েছিল মাত্র ১১ হাজার ৯৮৬ কোটি টাকা। আর সবশেষ ২০১৯-২০ অর্থবছরে হয়েছে ৮৭ হাজার ৯২৬ কোটি টাকা।

আগামী ১০ বছরে এ শিল্প আরো তিন গুণ এগিয়ে যাবে বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করে বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির মহাসচিব ইমরান হাসান বলেন, সরকারের উদ্যোগে রেস্তোরাঁকে শিল্প ঘোষণা করা হয়েছে। এতে আমাদের খাতের বিদ্যমান অনেক সমস্যা সমাধান হবে। বর্তমানে এ শিল্প যে অবস্থায় রয়েছে, আগামী ১০ বছরে তা আরো তিন গুণ বাড়বে।

ইমরান হাসান আরো বলেন,  আগামীতে এ শিল্প থেকে প্রচুর প্রশিক্ষিত কর্মী রপ্তানি সম্ভব হবে। সেটি অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখবে। আবার বিভিন্ন দেশ থেকে ফেরত প্রবাসীরাও এ খাতে জড়িয়ে পড়ছে ব্যাক টু ব্যাক শিল্পের মতো। সরকারের সদিচ্ছা থাকলে বিশ্বব্যাপী হসপিটালিটি খাতে দুই কোটি কর্মী রপ্তানি সম্ভব।

এসব বিষয়ে কথা হয় আল-কাদেরিয়া লি: এর চেয়ারম্যান, রেস্তোরাঁ মালিক ফিরোজ আলম সুমনের সাথে । তিনি জানান, অপেক্ষাকৃত কম পুঁজিতে বাংলাদেশে হোটেল-রেস্তোরাঁ ব্যবসা লাভজনক। এছাড়া মানুষের খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন ও ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি এ শিল্প জনপ্রিয় হওয়ার মূল কারণ। সে কারণেই ঢাকা নয়, জেলা ও উপজেলায়ও প্রতিনিয়ত নতুন নতুন হোটেল-রেস্তোরাঁ গড়ে উঠছে। আবার প্রতিনিয়ত নতুন নতুন খাদ্যের প্রসার এ শিল্পকে সমৃদ্ধ করছে। যে কারণে দেশের অর্থনীতিতে অবদান বাড়ছে এ শিল্পের।

সুমন আরো বলেন, এতদিন রেস্তোরাঁ ব্যবসা শিল্পের মর্যাদা না পাওয়ার কারণে বেশ সমস্যা হয়েছে। বিশেষ করে ব্যবসায়ীদের সরকারি সেবা নেওয়ার ক্ষেত্রে চড়া মূল্য দিতে হতো। ফলে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়েছে অনেকে। তা ছাড়া ব্যাংকঋণের উচ্চ সুদহারের কারণে যেসব প্রতিষ্ঠান ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে তাদের ব্যবসার প্রসার করেছেন, তারা প্রতিনিয়ত চড়া সুদ গুনেছে।

ঋণ পরিশোধ সব সময়ই আর্থিক চাপ, এমনকি অনেক প্রতিষ্ঠান টিকতে পারেনি। শিল্প না হওয়ার কারণে এতদিন রেস্তোরাঁ ব্যবসা দেশের পুঁজিবাজার, বিশেষ করে সম্ভাবনাময় বন্ড মার্কেট গড়ে ওঠার ক্ষেত্রেও কোনো ভূমিকা নেয়নি।

আল-কাদেরিয়া রেস্টুরেন্টের কর্ণধার ফিরোজ আলম সুমন আরো বলেন, রেস্তোরাঁ ব্যবসা নির্ঞ্ঝাট নয়। বড় বড় রেস্তোরাঁয় এখন বিনিয়োগও প্রচুর। তারপরও এ ব্যবসার কোনো স্বীকৃতি ছিল না। কোনো মন্ত্রণালয়ের অধীনে সহায়তা মেলেনি। সেজন্য এ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত উদ্যোক্তাদের প্রায়ই নানা ধরনের সংকটের মুখোমুখি হতে হয়েছে। টিকতে না পেরে মুখ থুবড়ে পড়েছে অনেক তরুণের উদ্যোগ। এ খাত শিল্প হওয়ায় এখন অনেক সমস্যা কেটে যাবে। বড় বিনিয়োগ আসবে। কয়েক বছরের মধ্যে এ খাত পাল্টে যাবে। যেসব তরুণ উদ্যোক্তা রেস্তোরাঁগুলোতে আধুনিকতার ছোঁয়া লাগিয়ে যাচ্ছেন তারা আরো উদ্যমী হবেন। ব্যাংকগুলো সব ব্যবসায় ঋণ দিলেও রেস্তোরাঁ ব্যবসায় ঋণ দিতে চাইতো না। সহজ শর্তে ঋণ পেলে তরুণরা আরো ভালো করবেন।

শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শেখ ফয়েজুল আমীন বলেন, মোটাদাগে এখন অন্য শিল্পের মতো সব সুবিধাপ্রাপ্ত হবে রেস্তোরাঁগুলো। তাতে এ ব্যবসায় সরকারের সহায়তা বাড়বে। বড় বড় বিনিয়োগ আসবে। ব্যাংকগুলোও বিনিয়োগকারীদের সহায়তা দেবে। এমনকি এ খাতে বিদেশি বিনিয়োগও বাড়বে।


আরও খবর

কমছে আয়, বাড়ছে ব্যয়

Saturday ০৪ February ২০২৩




স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রীর সংবাদ সম্মলেন

প্রকাশিত:Wednesday ০১ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

মোঃ নাঈম হোসাইন,পটুয়াখালী প্রতিনিধি :

পটুয়াখালীর দশমনিায় যৌতুক না পয়েে স্ত্রীকে শারীরকি ও মানসকি নর্যিাতনরে অভযিোগে সংবাদ সম্মলেন করছেনে স্ত্রী। এ ঘটনায় বচিাররে দাবতিে সংবাদ সম্মলেন করছেে স্বপ্না। বুধবার বকিাল ৪টায় উপজলোর বাঁশবাড়য়িা ইউনয়িনরে দক্ষনি দাস পাড়া গ্রামে বাবার নজি বাড়তিে ভুক্তভোগী পরবিাররে এ সংবাদ সম্মলেন করনে। সংবাদ সম্মলেনে লখিতি বক্তব্যে স্বপ্না বলনে, ২০১৬ সালে ঢাকা শনরি আখড়া এলাকায় মোফাজ্জলে হোসনে ওরফে সাগর এর সাথে প্রমে সংগঠতি সর্ম্পকে মাধ্যমে বয়িে হয়। বয়িরে ৩বছর পরে তাদরে ঘরে ১টি পুত্র সন্তানরে জম্মহয়। সন্তানরে জম্মরে পর থকেে এ র্পযন্ত ৬বার বাবার বাড়ি থকেে প্রায় সাড়ে ৩লাখ টাকা যৌতুক এনে দয়িছে।ি র্বতমানে ৩লাখ টাকা যৌতুক দাবী করে স্বামী মোফাজ্জলে হোসনে ওরফে সাগর। যৌতুকরে টাকা না পয়েে বড় ননদ, ভাশুররে ময়ে,ে ভাশুররে ছলেওে মোফাজ্জলে হোসনে নজিে মারধরসহ নানাভাবে শারীরকি-মানসকি নর্যিাতন চালায়। চলতি বছররে ২৬জানুয়ারী স্থানীয় একটি এনজওি থকেে দড়ে লাখ টাকা ঋন করে দলিে বলে আমি ঋন তুলে দতিে রাজি না হওয়ায় আমাকে মারধরসহ নানাভাবে শারীরকি-মানসকি নর্যিাতন শুরু কর।ে ৩০জানুয়ারী শারীরকি-মানসকি নর্যিাতনরে ভয়ে ছোট ননদরে বাড়তিে আশ্রয় নইে। সখোনে গয়িে আমাকে মারধর করে এবং খুন করার কথা বললে আমি গোপনে ৯৯৯নম্বরে কল দইে এর আগে আবার চাচাতো ভাইও ৯৯৯নম্বরে কল করলে বরশিাল বন্দর থানা পুলশি আমাকে হফোযত করনে এরপরে আমার চাচা ও চাচাতে ভাই থানা পুলশি হইতে ওই রাত ২টায় জম্বিায় ননে। আমার স্বামী নয়িোমতি একজন মাদক ব্যবসায়ী। বরশিাল সাইবরে হাট বন্দর থানার সংিহরে কাঠি গ্রামরে মৃত.হাফজে হাওলাদাররে ছোট ছলেে মোফাজ্জলে হোসনে ওরফে সাগর। এসব ঘটনার প্রতকিার চয়েে প্রশাসন ও প্রধানন্ত্রীর সহযোগতিা চয়েছেনে এবং বচিাররে দাবি জানয়িছেনে ভুক্তভোগী এই নারী। সংবাদ সম্মলেনে উপস্থতি ছলিনে ভুক্তভোগীর নারীর মা সুফয়িা বগেম, চাচা আমরি হোসনে সকিদার, চাচাতো ভাই রায়হান বাদল রাকবি, হুন্ডা চালক মো. হাসান মুন্সি ও ভাইর ছেলে রাব্বি 


আরও খবর



বাসচাপায় শিক্ষার্থী নাদিয়ার মৃত্যু

প্রকাশিত:Monday ২৩ January 20২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

রাজধানীতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নাদিয়া সুলতানাকে চাপা দেওয়া বাসের চালক ও তার সহকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার সকালে রাজধানীর বাড্ডা এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

 ঢাকা মহানগর পুলিশের গুলশান বিভাগের পুলিশের উপকমিশনার মো. আব্দুল আহাদ জানান, গ্রেপ্তার করা ভিক্টর পরিবহনের ওই বাসের চালক মো. লিটন ও সহকারী আবুল খায়েরের বাড়ি ভোলায়। এর আগে গতকালই এ ঘটনায় বাদী হয়ে ভাটারা থানায় সড়ক পরিবহন আইনে মামলা করেন নাদিয়ার বাবা জাহাঙ্গীর আলম। এই ঘটনায় ভিক্টর পরিবহনের বাসটি জব্দ রয়েছে। রোববার ক্লাস না থাকায় এক বন্ধুর সঙ্গে মোটরসাইকেলে করে বই কিনতে বসুন্ধরা যাচ্ছিলেন নাদিয়া । কুড়িল বিশ্বরোড এলাকায় তাঁদের মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয় ভিক্টর ক্ল্যাসিক পরিবহনের একটি বাস। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় নাদিয়া।  


আরও খবর