Logo
শিরোনাম

আগামীকাল এসএসসি সমমানের ফল

প্রকাশিত:Sunday ২৭ November ২০২২ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

সারাদেশে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল আগামীকাল সোমবার প্রকাশ করা হবে। সকালে ফলাফল প্রকাশের কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে ফলাফলের বিস্তারিত জানানো হবে। আগামীকাল দুপুর ১২টায় এসএসসি পরীক্ষার ফল নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান থেকে এবং অনলাইনে একযোগে প্রকাশ করা হবে বলে।

 বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সভাপতি তপন কুমার সরকার।

যেভাবে ফল জানা যাবে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট ও এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে পারবে। নির্ধারিত ওয়েবসাইটে রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, পরীক্ষার নাম, বছর ও শিক্ষা বোর্ড সিলেক্ট করে সাবমিট বাটনে ক্লিক করে ফল জানা যাবে।

এছাড়া মুঠোফোনে খুদে বার্তার মাধ্যমেও ফলাফল জানা যাবে। মুঠোফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে SSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে আবার স্পেস দিয়ে পাসের বছর লিখে পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে। উদাহরণ—SSC DHA 123456 2022 লিখে পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে। ফিরতি এসএমএসে জানা যাবে ফল।

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের জন্য DAKHIL লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে আবার স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে পাসের সাল লিখে পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে। উদাহরণ—DAKHIL MAD 123456 2022 লিখে পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে। ফিরতি এসএমএসে জানা যাবে ফল।



আরও খবর



৪৭কোটি টাকা আত্মসাৎ! বুড়িচংয়ের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:Tuesday ১৭ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

কু‌মিল্লা ব্যুরো :

ব্যাংক থেকে ৪৭ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাৎ চেষ্টার অভিযোগে কুমিল্লা বুড়িচং উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান  জাকির এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী জাকির হোসেন জাহেরকে গ্রেফতার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। রানা বিল্ডার্সের কাগজপত্র জালিয়াতির মাধ্যমে পাওয়া টেন্ডার কার্যাদেশের বিপরীতে এ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলেও দুদকের দায়েরকৃত মামলার এজাহারে বলা হয়েছে।

দুদকের উপপরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা আরিফ সাদেক জানান, দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানে জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে ঋণ নিয়ে আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া গেছে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পোর্ট কানেকটিং রোডের টেন্ডার কার্যক্রমে জালিয়াতির মাধ্যমে প্রাপ্ত কার্যাদেশের বিপরীতে ঋণ নিয়ে ব্যাংকের টাকা আত্মসাৎ করেন তিনি। কার্যাদেশের শর্ত অনুযায়ী কাজ শেষ না করে রাষ্ট্রীয় ক্ষতি সাধনের তথ্য পাওয়া গেছে তার বিরুদ্ধে।

পরে ২০২২ সালের ১০ মে জাকির হোসেনসহ আট জনের বিরুদ্ধে চট্টগ্রামের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে দুদক দুটি মামলা দায়ের করে। মামলা দুটির তদন্তকালে জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় তাকে  কুমিল্লা শহরের নিজ বাসভবন থেকে মঙ্গলবার (১৭ জানুয়ারি) ভোর রাতে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়।

দুদক জানায়, গ্রেফতার হওয়া সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রানা বিল্ডার্সের কাগজপত্র জালিয়াতির মাধ্যমে সিটি করপোরেশনের কার্যাদেশ পান। তার বিপরীতে ইউসিবিএল ব্যাংকের কুমিল্লা শাখা থেকে ৪৭ কোটি টাকা ঋণ নেন। কিন্তু কাজের বিপরীতে প্রাপ্ত বিলের চেক নগদায়ন করে ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ না করে সম্পূর্ণ টাকা আত্মসাৎ করেন। অন্যদিকে সিটি করপোরেশনের কাজটি অসমাপ্ত রেখে চলে যাওয়ায় জনভোগান্তির সৃষ্টি হয়। পুনরায় টেন্ডার করে কাজটি সমাপ্ত করতে যেয়ে অতিরিক্ত সাত কোটি টাকার রাষ্ট্রীয় ক্ষতি হয় 

দুদক আ‌রো জানায়, জা‌কির হো‌সেন ঠিকাদার এর বিরুদ্ধে কুমিল্লা, ঢাকা- চট্টগ্রাম সহ বিভিন্ন জেলায় অর্থ আত্মসাৎ, চেক জালিয়াতি সহ বিভিন্ন অপরাধে ২০টির অধিক মামলা রয়েছে।


আরও খবর



ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ

প্রকাশিত:Tuesday ১০ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

মাজহারুল ইসলাম মাসুম, সিনিয়র সাংবাদিক, লেখক ও গবেষক :

ঐতিহাসিক ১০ জানুয়ারি আজ । জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস । ২৯০ দিন পাকিস্তানের কারাগারে থাকার পর ১৯৭২ সালের এইদিনে তিনি পাকিস্তানের বন্দীদশা থেকে মুক্তি পেয়ে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে প্রত্যাবর্তন করেন। 

পাকিস্তানের মিয়ানওয়ালি কারাগারে দীর্ঘ ৯ মাস কারাভোগের পর মুক্তি লাভ করেন তিনি। পরে তিনি পাকিস্তান থেকে লন্ডনে যান। তারপর দিল্লি হয়ে ঢাকা ফেরেন মুক্তির মহানায়ক। সেদিন বাঙালি জাতি বঙ্গবন্ধুকে প্রাণঢালা সংবর্ধনা জানানোর জন্য প্রাণবন্ত অপেক্ষায় ছিল। আনন্দে আত্মহারা লাখ লাখ মানুষ ঢাকা বিমানবন্দর থেকে রেসকোর্স ময়দান পর্যন্ত তাকে স্বতঃস্ফূর্ত সংবর্ধনা জানান। বিকেল ৫টায় রেসকোর্স ময়দানে প্রায় ১০ লাখ লোকের উপস্থিতিতে তিনি ভাষণ দেন। স্বয়ং জাতির জনক তার এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে আখ্যায়িত করেছিলেন ‘অন্ধকার হতে আলোর পথে যাত্রা’। সেই থেকে দিনটি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস হিসেবে পালিত হয়।

জীবনমৃত্যুর কঠিন চ্যালেঞ্জের ভয়ঙ্কর অধ্যায় পার হয়ে সারাজীবনের স্বপ্ন, সাধনা ও নেতৃত্বের ফসল স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে মহান এ নেতার প্রত্যাবর্তন স্বাধীনতা সংগ্রামের বিজয় পূর্ণতা পায়। এ কারণেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এটি একটি অবিস্মরণীয় ও ঐতিহাসিক দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে।

দিনটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ তার বাণীতে বলেন, সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হলেও ১০ জানুয়ারি ১৯৭২ বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে পূর্ণতা পেয়েছিল বাংলার বিজয়। তাই দিনটি বাঙালি জাতির জীবনে অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাণীতে বলেন, বাঙালির মুক্তি-সংগ্রামের ইতিহাসে এক কালজয়ী মহাপুরুষ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে ১৯৭২ সালের এই দিনে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন। সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের মানুষ তাদের প্রাণপ্রিয় নেতাকে ফিরে পায়। আমাদের মহান নেতার আগমনে মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ের আনন্দ পরিপূর্ণতা লাভ করে।

১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তির পরপরই তিনি বাংলাদেশে ছুটে আসতে চান। ওই সময়ের প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলি ভুট্টো তাকে তেহরান বা অন্য কোনো এয়ারলাইন্স বেছে নিতে বললে তিনি ব্রিটিশ এয়ারওয়েজে আসার সিদ্ধান্ত নেন। লন্ডন পৌঁছে তিনি বিবিসিতে বিশ্ববাসীর উদ্দেশে একটি ভাষণ দেন। তিনি যখন ভরাট কণ্ঠে তার সুস্থতার কথা জানান, ঠিক সেই মুহূর্তটিতে লাখ লাখ বাঙালি আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়েন। তখনও যুক্তরাজ্য বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি না দিলেও তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যাডওয়ার্ড হিথ বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় ব্রিটিশ বিরোধী দলীয় নেতা হ্যারাল্ড উইলসনও তাকে স্বাগত জানাতে সাক্ষাৎ করেন। তাকে দেয়া হয় রাষ্ট্রীয় অতিথির মর্যাদা।

লন্ডন থেকে দিল্লিতে পৌঁছান অবিস্মরণীয় নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ভারতের রাষ্ট্রপতি ভিভি গিরি, প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী, সমগ্র দেশবাসী তাকে উষ্ণ সংবর্ধনা দেন। এ সময় তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে অনন্য ভূমিকার জন্য ভারতবাসী ও প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর কাছে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। এরপর আসে সেই কাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত। ১০ জানুয়ারি দুপুর ১টা ৪১ মিনিটে তিনি পা রাখেন স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের মাটিতে। অধীর আগ্রহে অপেক্ষারত লাখ লাখ বাঙালি সেই মুহূর্তে আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়েন প্রিয় নেতা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ফিরে পেয়ে। পুরো দেশই তাকে বরণ করে নিতে প্রস্তুত ছিল, তার কিছুটা চিত্র ধরা পড়ে তেজগাঁও বিমানবন্দরে। জয় বাংলা ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠা বিমানবন্দর যেন বাংলার আকাশ-বাতাসকেই প্রতিনিধিত্ব করছিল। পাঁচ লাখেরও বেশি মানুষ সেই মুহূর্তে অবিস্মরণীয় এই নেতাকে গ্রহণ করতে অংশ নিয়েছিলেন। মহান এই নেতাকে একটু ছুঁয়ে দেওয়ার জন্য সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে এক ধরনের ব্যাকুলতা কাজ করছিল। 

স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে পা রেখেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন বঙ্গবন্ধু। দীর্ঘ ৯ মাস পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের এ দেশীয় দোসরদের গণহত্যার সংবাদ শুনে কান্নায় ভেঙে পড়েন। বঙ্গবন্ধু বিমানবন্দর থেকে সরাসরি চলে যান রেসকোর্স ময়দানে। সেখানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে সমবেত লাখো জনতার উদ্দেশে বঙ্গবন্ধু ভাষণ দেন। স্বাধীন বাংলাদেশে জনতার উদ্দেশে দেয়া প্রথম সেই ভাষণে বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের জন্য দেশবাসীকে অভিনন্দন এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে গড়ে তোলার কাজে সবাইকে আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানান। সেদিন রেসকোর্স ময়দানে লাখো জনতার উদ্দেশে বঙ্গবন্ধু ঘোষণা দেন, ‘রক্ত দিয়ে হলেও আমি বাঙালি জাতির এই ভালোবাসার ঋণ শোধ করে যাব। 


[email protected]


আরও খবর



নওগাঁয় ১২ দফা দাবিতে ইনসাফের মানববন্ধন

প্রকাশিত:Thursday ১৯ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :


নওগাঁয় ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়ন বাংলাদেশ (ইনসাফ) এর ১২ দফা দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

বুধবার ১৮ জানুযারি নওগাঁ জেলা শহরের ডিগ্রী মোড়ে ইনসাফ জেলা শাখার আয়োজনে ঘন্টাব্যাপী এ কর্মসূচী পালিত হয়। এসময় সংগঠনের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক ও জেলা শাখার সভাপতি মো. মাহবুব আলম এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, সদস্য আতোয়ারুল ইসলাম জুয়েল, আনোয়ার হোসেন ও জহুরুল হক স্বপন এবং পৌর কমিটির সভাপতি ফিরোজ মন্ডল ও সাধারন সম্পাদক খায়রুল বাসার। মানববন্ধনে প্রায় শতাধিক নির্মাণ শ্রমিকের নারী-পুরুষ অংশ নেয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, নির্মাণ শ্রমিকদের দাবি দিবস উপলক্ষে ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে বাজেটে অর্থ বরাদ্দ করে মৌলিক অধিকারসহ ১২ দফা দাবী বাস্তবায়ন করা হোক। সেই সাথে সরকারি উদ্যোগে রাজধানী ঢাকা শহরে থানা ও ওয়ার্ড ভিত্তিক এবং সারাদেশে জেলা ও উপজেলা ভিত্তিক নির্মাণ কলোনী স্থাপন করে সুলভ মূল্যে দীর্ঘ  মেয়াদী লীজ প্রদানের মাধ্যমে নির্মাণ শ্রমিকদের বাসস্থান নিশ্চিত করতে হবে। কলোনীতে শ্রমিকদের ছেলে মেয়েদের লেখাপড়ার জন্য স্কুল এবং চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের বোর্ড সভা প্রতিমাসে একবার এবং তহবিল থেকে নির্মাণ শ্রমিকদের জন্য ব্যাপক কল্যাণমুখী কর্মসূচি গ্রহণ ও সাহায্যের আবেদন ফরমে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী কর্মকর্তার সুপারিশ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে তা প্রত্যাহার করতে হবে। এছাড়াও শ্রমিকদের পূর্ণ অধিকার নিশ্চিত করে রেশনিং ব্যবস্থা, পেনশন স্কীম চালু, দুর্ঘটনায় নিহত এবং আহত বা আজীবন পঙ্গুত্ব বরণকারী শ্রমিকের ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে বলেও বক্তব্যে দাবি করেন বক্তারা।


আরও খবর



কে হচ্ছেন পরবর্তী রাষ্ট্রপতি

প্রকাশিত:Monday ০৯ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

মইনুল ইসলাম মিতুল :রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ দুই মেয়াদে এ পদে থাকায় তিনি আর রাষ্ট্রপতি হতে পারছেন না। সংবিধান অনুযায়ী নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যে। সে কারণে খুব শিগগিরই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ব্যাপারে আওয়ামী লীগকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে।

আগামী ২৩ এপ্রিল বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের দায়িত্বের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। রাষ্ট্রপতির ৫ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগের ৯০ দিন থেকে ৬০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের কথা বলা হয়েছে সংবিধানে। সে অনুযায়ী আগামী ২৩ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হবে। এদিকে সময় যত এগিয়ে আসছে এ পদটি নিয়ে আলোচনাও তত বাড়ছে। বিশেষ করে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে এ আলোচনা জোরালো হয়ে উঠেছে। কারণ, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ যাকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী করবে, তিনিই সংসদ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হবেন। সংসদীয় গণতন্ত্রে জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। বর্তমান সংসদে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে।

সংসদীয় গণতন্ত্রে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা সীমিত। সরকারের প্রধান প্রধানমন্ত্রী এবং তিনিই সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী। প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমেই রাষ্ট্রপতি সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন। বাংলাদেশ বর্তমানে সংসদীয় গণতান্ত্রিক পদ্ধতির সরকার দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। চলতি বছরের শেষে অথবা আগামী বছরের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের সময় কোনো কোনো ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। আগামী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অপশক্তির দ্বারা সংকট তৈরির চেষ্টা হতে পারে বলে অনেকেই আশঙ্কা করছেন। এরই মধ্যে বর্তমান নির্বাচন কমিশন নিয়ে বিএনপি ও কোনো কোনো রাজনৈতিক দল আপত্তি তুলেছে। নির্বাচনের সময় বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের পরিবর্তে নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছে দলগুলো। এ পরিস্থিতিতে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সংকটমুক্ত হওয়া অনেকটাই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এই প্রেক্ষাপটে একজন দক্ষ, সবার কাছে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিকেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করার ওপর গুরুত্ব দেবে আওয়ামী লীগ।

বিশেষ করে আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে নতুন রাষ্ট্রপতির সময়ে। সেজন্যই রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন, এটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই কে হচ্ছেন পরবর্তী রাষ্ট্রপতি- এ নিয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন মহলে আলোচনা হচ্ছে। রাষ্ট্রের শীর্ষ পদটির জন্য অনেকের নামও শোনা যাচ্ছে।

দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে আলোচনায় আছেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী। এছাড়া রয়েছেন আওয়ামী লীগের বর্তমান মন্ত্রিসভার দুই সদস্য। এছাড়া সাবেক একজন মন্ত্রীও রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হতে পারেন বলে আলোচনা শোনা যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর একজন উপদেষ্টা সদস্যের নামও রাষ্ট্রপতি হিসেবে আলোচিত হচ্ছে। আলোচনায় আছেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের এক সদস্যও। তবে কে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাবেন এবং কাকে রাষ্ট্রপতি করা হবে- সেটা সম্পূর্ণই নির্ভর করছে দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তের ওপর।

আওয়ামী লীগ নেতাদের মতে, সামনের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে যে কোনো সংকট তৈরি হলে সাহসিকতা, দক্ষতা ও বিশ্বস্ততার সঙ্গে যিনি সংকট থেকে উত্তরণে অবস্থান নিতে পারবেন, তেমন কাউকেই এ পদে বসাবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অনেক কিছু বিবেচনা করেই রাষ্ট্রপতি পদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন তিনি।

আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ এই পদটিতে আওয়ামী লীগ কাকে নির্বাচিত করবে তা দলের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তের ওপরই নির্ভর করছে। তিনি সার্বিক বিষয়গুলো বিবেচনা করেই সর্বাধিক যোগ্য ব্যক্তিকে এই পদে নির্বাচিত করবেন। তিনি বিশ্বস্ত, দলের আদর্শের প্রতি দায়বদ্ধ ও অনুগত ব্যক্তিকেই বিবেচনা করবেন।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন জাতীয় সংসদ সদস্যদের ভোটে। তফসিল ঘোষণাসহ এ নির্বাচন পরিচালনা করে নির্বাচন কমিশন। বর্তমানে জাতীয় সংসদে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে আওয়ামী লীগ যাকে মনোনীত করবে তিনিই রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন।

এছাড়া রাষ্ট্রপতি হওয়ার দৌড়ে এখন পর্যন্ত যাদের নাম আলোচনায় এসেছে তাদের মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারপতি খায়রুল হক, প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিকবিষয়ক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আ ক ম মোজাম্মেল হক, আওয়ামী লীগের টানা তিনবারের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

আওয়ামী লীগের উচ্চপর্যায়ের কয়েকজন নেতা বলেছেন, রাষ্ট্রপতি কে হবেন- এ নিয়ে আওয়ামী লীগের থিংক-ট্যাংকের মধ্যে আলাপ-আলোচনা চলছে। প্রধানমন্ত্রী নিজেও বিভিন্ন ব্যক্তির মতামত নিচ্ছেন। এ ব্যাপারে তিনিই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।

নতুন বছরের শুরুতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিষয়টি আলোচনায় এসেছে আইনমন্ত্রীর একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে। গত ৪ জানুয়ারি সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছেন, ‘যেহেতু তিনি (বর্তমান রাষ্ট্রপতি) দুই মেয়াদ থেকেছেন, সংবিধান অনুযায়ী আর থাকতে পারেন না। সেহেতু আমরা নতুন রাষ্ট্রপতি দেখব।’ মো. আবদুল হামিদকে তৃতীয় মেয়াদের জন্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করতে হলে সংবিধান পাল্টাতে হবে- এ কথা জানিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘এখন পর্যন্ত সংবিধান পাল্টানোর কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই।’

ফলে সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে তৃতীয় মেয়াদের জন্য মো. আবদুল হামিদ রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন না- এটা নিশ্চিত। আর আওয়ামী লীগের দলীয় ফোরামেও জোরেশোরে আলোচনা হচ্ছে নতুন রাষ্ট্রপতি কাকে করা হতে পারে- তা নিয়ে। তবে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে এ নিয়ে দলীয় ফোরামে আলোচনা হয়নি। দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনাও এ বিষয়টি ফোরামে উল্লেখ করেননি। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা বলছেন, সবকিছু বিবেচনা করে একজন যোগ্য ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেওয়া হবে।


আরও খবর

সুখবর নেই বাজারে

Saturday ০৪ February ২০২৩




শচিন ছাড়িয়ে উচ্চতায় কোহলি

প্রকাশিত:Wednesday ১১ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

ইয়াশফি রহমান :শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গোহাটিতে প্রথম একদিনের ম্যাচে খেলতে নামার আগে বিরাট কোহলির সামনে সুযোগ ছিল তিনটি নজির গড়ার। তার মধ্যে দু’টি নজির গড়লেন তিনি। একটি ক্ষেত্রে শচিন টেন্ডুলকারকে ছাপিয়ে গেলেন, অপর এক ক্ষেত্রে ধরে ফেললেন ব্যাটিং মাস্টারকে।

ঘরের মাঠে ১৬৪টি একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে শচিনের শতকের সংখ্যা ২০টি। তার এই বিশ্বরেকর্ড থেকে মাত্র একটি শতক দূরে ছিলেন কোহলি। আজ গোহাটিতে শচিনের সেই নজির স্পর্শ করলেন এই তারকা। দেশের মাটিতে ২০টি শতরান হলো প্রাক্তন অধিনায়কের। তার জন্য শচিনের থেকে ৬২টি ম্যাচ কম, ১০২ ম্যাচ সময় নিয়েছেন তিনি।

গোহাটিতে এদিন শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে নিজের নবম শতরান তুলে নিলেন কোহলি। আর এ জন্য তিনি সময় নিয়েছেন মাত্র ৪৮টি ম্যাচ। যেখানে শচিনকে খেলতে হয় ৮৪টি ম্যাচ।

আরও একটি নজিরের কাছাকাছি রয়েছেন বিরাট কোহলি। একদিনের ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকদের তালিকায় প্রথম পাঁচে আসতে গেলে কোহলির দরকার ছিল ১৮০ রান। তার মধ্যে গোহাটিতে এদিন ১১৩ রানের ইনিংস খেলেন তিনি।

অর্থাৎ আর মাত্র ৬৭ রান করলেই লঙ্কান গ্রেট মাহেলা জয়াবর্ধনেকে টপকে তালিকায় পাঁচ নম্বরে চলে আসবেন ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক। এই তালিকার শীর্ষে যথারীতি শচিনই। তিনি ৪৬৩টি ম্যাচ খেলে করেন ১৮,৪২৬ রান। কোহলির রান এখন ১২,৫৮৪।

চট্টগ্রামের পর গোহাটি, পর পর দুটি এক দিনের ম্যাচে শতরান করলেন বিরাট কোহলি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৭৩তম শতরান করে ফেললেন তিনি। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এদিন ৮০ বলে শতরান করলেন বিরাট।

যদিও এই ইনিংসে দুবার তার সহজ ক্যাচ ফেলে দেয় শ্রীলঙ্কা। বিরাটের ক্যাচ ফেলা যে কত ভয়ঙ্কর হতে পারে, তা দেখলেন দাসুন শনাকারা। বিরাটের ইনিংস শেষ হয় ৮৭ বলে ১১৩ রান করে। যাতে ভর করে এদিন ৭ উইকেটে ৩৭৩ রানের স্কোর গড়ে ভারত।

দলের পক্ষে এদিন কোহলি ছাড়া অন্যদের মধ্যে রোহিত ৮৩, শুভমন গিল ৭০ ও লোকেশ রাহুল ৩৯ রান করেন।


আরও খবর