Logo
শিরোনাম
রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন কমপ্লিট শাটডাউন : ঢাকাসহ সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২ শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০

আজ মালয়েশিয়া যাওয়ার স্বপ্নভঙ্গ হচ্ছে সাড়ে ৩১ হাজার শ্রমিকের

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:


মালয়েশিয়ায় কর্মী ভিসায় যাওয়ার সময় আজ শুক্রবার রাতেই শেষ হয়ে যাবে। দেশটির সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আজই দেশটিতে কর্মীদের যাওয়ার শেষ সুযোগ। 


আগামীকাল শনিবার থেকে আর কোনো কর্মী মালয়েশিয়ায় যেতে পারবেন না। এ কারণে বাংলাদেশের অনুমোদনকৃত ৩১ হাজার ৭০১ জন কর্মীর মালয়েশিয়া যাওয়ার স্বপ্নভঙ্গ হচ্ছে।



বাংলাদেশ জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য বলছে, গত ২১ মে পর্যন্ত প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় পাঁচ লাখ ২৩ হাজার ৮৩৪ জন কর্মীকে মালয়েশিয়া যাওয়ার অনুমোদন দেয়।


 ২১ মের পর আর অনুমোদন দেয়ার কথা না থাকলেও বিএমইটির তথ্য বলছে, মন্ত্রণালয় আরও এক হাজার ১১২ জন কর্মীকে দেশটিতে যাওয়ার অনুমোদন দিয়েছে। অর্থাৎ বৃহস্পতিবার (৩০ মে) পর্যন্ত পাঁচ লাখ ২৪ হাজার ৯৪৬ জন কর্মীকে মালয়েশিয়া যাওয়ার অনুমোদন দেওয়া হয়। 


এর মধ্যে গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দেশটিতে চার লাখ ৯১ হাজার ৭৪৫ জন কর্মী মালয়েশিয়ায় গেছেন।


হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তথ্য বলছে, আজ বাংলাদেশ থেকে মাত্র এক হাজার ৫০০ জন কর্মী মালয়েশিয়ায় যেতে পারবেন। অর্থাৎ অনুমোদনকৃত ৩১ হাজার ৭০১ জন কর্মীর যাত্রা বাতিল হয়ে যাচ্ছে।


কুয়ালালামপুরের দুটি আন্তর্জাতিক বিমান টার্মিনালের ফ্লোরে গতকাল পর্যন্ত ১৪টি দেশ থেকে আসা প্রায় ২০ হাজার কর্মী অবস্থান করছিলেন। এর মধ্যে প্রায় পাঁচ হাজার কর্মী বাংলাদেশের।


এই মুহূর্তে কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে কর্মীর উপচে পড়া ভিড়। দুর্ভোগ বাড়ছে কর্মী ও নিয়োগকর্তাদের। নিজেদের কর্মী শনাক্তে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে নিয়োগকর্তাদের।র্মীরা বলছেন, তারা তিন-চার দিন ধরে বিমানবন্দরে অবস্থান করছেন। কেউ নিয়োগকর্তার খোঁজ পাচ্ছেন, আবার কেউ পাচ্ছেন না।



হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তথ্য বলছে, আজ সকাল থেকে রাত পর্যন্ত হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সাতটি ফ্লাইট মালয়েশিয়ার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশের দুটি, ইউএস-বাংলার দুটি, মালয়েশিয়ান এয়ারলাইনসের একটি, এয়ার এশিয়ার একটি এবং বাতিক এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইট মালয়েশিয়ায় যাবে।


মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধের সময় ঘনিয়ে আসায় বাড়তি দামে টিকিট বিক্রির অভিযোগ করেছে রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো। বিমান বাংলাদেশের বিশেষ ফ্লাইটের টিকিটের দামও এক লাখ টাকা ছাড়িয়ে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে।


মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিক নিয়োগপ্রক্রিয়ার দুর্নীতি নিয়ে গত ২৮ মার্চ মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশ সরকারকে চিঠি দেয় জাতিসংঘের চারজন স্বাধীন বিশেষজ্ঞ। তবে দুই দেশের সরকারই এই চিঠির কোনো উত্তর দেয়নি বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।


গত রবিবার জাতিসংঘের হাইকমিশনার ফর হিউম্যান রাইটস (ওএইচসিএইচআর) এই চিঠি প্রকাশ করেন। জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞ টোমোয়া ওবোকাটা, রবার্ট ম্যাককরকোডালে, গেহাদ মাদি ও সিওবান মুল্লালি এই চিঠি দেন।



চিঠিতে বলা হয়, বাংলাদেশি কর্মীদের জনপ্রতি সাড়ে চার থেকে ছয় হাজার ডলার পর্যন্ত নিয়োগ ফি দিতে হচ্ছে, যা ২০২১ সালে এই দুই দেশের মধ্যে সই হওয়া সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) খেলাপ। ওই এমওইউ অনুযায়ী, এই ফি হবে ৭২০ ডলার পর্যন্ত।


জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা উভয় সরকারের কাছে এ বিষয়ে তদন্ত, অপরাধীদের বিচার এবং নৈতিক নিয়োগের নীতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চেয়েছেন। তবে ৬০ দিনের মধ্যে কোনো সরকার থেকে জবাব না আসায় এই চিঠি মানবাধিকার কাউন্সিলে উপস্থাপন করা হবে বলে জানানো হয়।


আটকে থাকা কর্মীদের বিষয় কোনো পদক্ষেপ নেয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিজের সভাপতি আবুল বাশার গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা এ বিষয়ে একাধিকবার মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছি। 


আমরা দু-এক মাস সময় বাড়িয়ে দেয়ার কথা বলেছিলাম। তাহলে সব কর্মীকে পাঠানো যেত। কারণ কর্মীরা যেতে না পারলে তাদের আর্থিক ক্ষতি হবে। তারা অনেক টাকা দিয়ে বসে আছে। 


বৃহস্পতিবারও এই বিষয় মন্ত্রণালয়কে অবগত করেছি। কাল (শুক্রবার) মন্ত্রণালয়ে এ বিষয়ে একটি বৈঠক রয়েছে। বৈঠকের পর জানা যাবে বিষয়টির কী হবে।’


প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (কর্মসংস্থান) গাজী মো. শাহেদ আনোয়ার বলেন, ‘এ বিষয় আন্ত মন্ত্রণালয়ের বৈঠক চলছে। সামনেও বৈঠক হবে। এরপর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’


আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




নওগাঁয় আবাদপুকুর হাটের ইজারা প্রদানে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁর বৃহত্তম ধান ও পশুর হাট হচ্ছে রাণীনগর উপজেলার আবাদপুকুর হাট। চলতি সনে এই হাটটির খাস আদায়ের ইজারা প্রদানে ব্যাপক অনিয়ম করা হয়েছে মর্মে অভিযোগ উঠেছে। চলতি বাংলা সনের বৈশাখ মাসে অবৈধ ভাবে গোপনে খোলা ডাকের মাধ্যমে হাটের নতুন ইজারা প্রদান করা হলেও বিষয়টি জানেন না হাটের খাস আদায় কমিটির কোন সদস্যরা। যদি প্রকাশ্যে খোলা ডাকের মাধ্যমে হাটের ইজারা প্রদান করা হতো তা হলে সরকার আরো দ্বিগুন পরিমাণ রাজস্ব পেতো বলে মনে করছেন সচেতন মহল। সূত্রে জানা সর্বশেষ গত ১৪২৯সনে (২০২২খ্রি:) প্রকাশ্যে খোলা ডাকের মাধ্যমে হাটটি ভ্যাট-ট্রাক্স ছাড়া ৮০ লাখ টাকায় ইজারা প্রদান করা হয়েছিলো। এরপর ২০২৩খ্রি: হাটটি খাস আদায়ের আওতায় আনতে একটি মহলের নির্দেশনা মোতাবেক ঐ বছর আবাদপুকুর উচ্চ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাদের স্কুল মাঠে পশুর হাট বসতে দিবে না মর্মে একটি মামলা দায়ের করলে পরবর্তিতে হাটটি মামলার যাতাকলে খাস আদায়ের আওতায় চলে যায়। অপরদিকে খাস আদায়ে বাৎসরিক ইজারা প্রদানের কোন নিয়ম না থাকলেও উপজেলা প্রশাসন তা করে আসছে। আর খাস আদায়ের নামে প্রশাসনের সহযোগিতায় গত দু' বছর যাবত নামে হাটের টাকা হরিলুট করছে কতিপয় একটি সিন্ডিকেট।  

সরকারী নিয়মানুসারে উপজেলা পরিষদ নিয়ন্ত্রনাধীন হাট-বাজারের ক্ষেত্রে খাস আদায়ের জন্য ৯ সদস্যের একটি কমিটি থাকবে যে কমিটির মাধ্যমে খাস আদায় হবে। কমিটিতে সভাপতি পদে উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সদস্য পদে চেয়ারম্যান (উপজেলা পরিষদ কর্তৃক মনোনীত পরিষদের একজন সদস্য), সংশ্লিষ্ট হাটের নিকটবর্তি হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য, ওয়ার্ডের সংরক্ষিত আসনের ইউপি মহিলা সদস্য, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা ও সদস্য সচিব হিসেবে সহকারী কমিশনার (ভূমি) থাকবেন। যদি সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদটি শূন্য থাকে তাহলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কমিটির সদস্য এমন একজন কর্মকর্তাকে সদস্য সচিব মনোনীত করতে পারবেন। 

সরকারের এমন নিয়মকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে হাট কমিটির সভাপতি অবৈধ ভাবে গোপনে খোলা ডাকের নামে দীর্ঘদিনের একটি সিন্ডিকেটকে খাস আদায়ের দায়িত্ব প্রদান করেছেন। অথচ কমিটির অধিকাংশ সদস্যরা হাটের খাস আদায় ইজারার বিষয়টি জানেন না। অপরদিকে হাটের সাপ্তাহিক খাস আদায়ের কাজটি সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসের সহকারী কর্মকর্তার দায়িত্ব হলেও ঝামেলার কারণে ভূমি কর্মকর্তা দায়িত্ব পালনে অস্বীকৃতি জানালে খোলা ডাকের মাধ্যমে গত দু' বছর যাবত বাৎসরিক হিসেবে ইজারা প্রদানের মাধ্যমে খাস আদায় করে আসছে উপজেলা প্রশাসন। এতে করে প্রতি হাটেই খাজনা আদায়ের নামে ক্রেতা-বিক্রেতাদের গলা কাটা হচ্ছে। প্রতিটি পণ্যের বিশেষ করে গরু, ছাগল ও ভেড়ার খাজনা সরকারী নির্ধারিত হারের চেয়ে দ্বিগুনেরও বেশি হারে খাজনা আদায় করা হচ্ছে। এমন অনিয়মকে শুদ্ধ করতে মাঝে মধ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে দায়সারানো ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানও পরিচালনা করা হয়। 

চলতি বাংলা ১৪৩১সনের (২০২৪খ্রি:) জন্য গত বৈশাখ মাসে আবাদপুকুর হাটটি জেলা প্রশাসনের অনুমতি সাপেক্ষে খাস আদায় কমিটির সদস্যদের উপস্থিতি ছাড়াই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও কমিটির সভাপতি উম্মে তাবাসসুম অবৈধ ভাবে গোপনে নামমাত্র খোলা ডাকের মাধ্যমে ইজারা প্রদান করেছেন। দীর্ঘদিনের সিন্ডিকেট হেলু মেম্বার গংদের কাছে প্রতি সপ্তাহে ভ্যাট-ট্যাক্স সহ ৩ লাখ (৫২ সপ্তাহ) টাকার বিনিময়ে হাটের খাস আদায়ের ইজারা প্রদান করা হয়েছে। যে সিন্ডিকেটটি কৌশল করে বছরের পর বছর রাজনৈতিক ও স্থানীয় প্রভাবশালীদের ছত্র-ছাঁয়ায় আবাদপুকুর হাটের ইজারা গ্রহণের মাধ্যমে প্রতিটি পণ্যের নির্ধারিত হারের চেয়ে দ্বিগুন টাকা খাজনা হিসেবে আদায় করে আসছে।

আবাদুপুকর হাটের খাজনা আদায়কারী টিমের প্রধান হেলু মেম্বার মোবাইল ফোনে জানান, তারা নিয়মানুসারে হাটের খাস আদায়ের ইজারার দায়িত্ব পেয়ে খাজনা আদায় করছেন। আমি একটু ব্যস্ত আছি আপনি পরে ফোন দিয়েন বলে হেলু মেম্বার সাংবাদিক এর মোবাইল ফোনের সংযোগ কেটে দেন। 

কালীগ্রাম ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী কর্মকর্তা মোঃ কৌশিক আহমেদ মোবাইল ফোনে জানান, খাস আদায় একটি ঝামেলা পূর্ণ কাজ তাই গত বছরও উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাটের খাস আদায় খোলা ডাকের মাধ্যমে ইজারা প্রদান করেছিলেন। চলতি বছর হাটের খাস আদায় বিষয়ে একটি নোটিশ পেয়েছিলাম। আর চলতি বছর খাস আদায়ের ইজারার খোলা ডাকের দিন আমাকে বলা হয়নি বিধায় বিষয়টি আমার জানা নেই। 

আবাদপুকুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুস সোবহান মোবাইল ফোনে জানান, চলতি বছর আবাদপুকুর হাটের খাস আদায়ের ইজারা বিষয়ে আমার কোন কিছু জানা নেই। আমি কমিটির একজন সদস্য হলেও কিভাবে হাটটির খাস আদায়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে কিছুই জানানো হয়নি। তবে যেভাবেই হাটের খাস আদায়ের ব্যবস্থা করা হোক না কেন খোলা ডাকের দিন কমিটির সকল সদস্যদের উপস্থিতিতেই ইজারা প্রদানের ব্যবস্থা করা উচিত ছিলো। তাহলে কমিটির সদস্যদের মাঝে এই বিষয়ে আর কোন সন্দেহ থাকতো না। স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল কাহার মোবাইল ফোনে জানান, তিনি খাস আদায় কমিটির সদস্য হলেও হাটের ইজারার বিষয়ে কোন কিছুই জানেন না। অবৈধ ভাবে গোপনে হাটের ইজারা প্রদান করার কারণে সরকার যেমন রাজস্ব হারাচ্ছে তেমনি ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে হাটে আসা ক্রেতা-বিক্রেতা সহ আমরা স্থানীয়রা।  

কালীগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল ওহাব চাঁন মোবাইল ফোনে জানান, আমার ইউনিয়নের মধ্যে থাকা বৃহত্তম আবাদপুকুর হাটের খাস আদায়ের বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। কবে কিভাবে কখন খোলা ডাকের মাধ্যমে হাটের খাস আদায়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে তা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে বারবার জানতে চাইলেও আমাকে বিষয়গুলো জানানো হয়নি। অনেক পরে বিষয়টি জানতে চাইলে ইউএনও জানান, যে জেলা প্রশাসক স্যার ও স্থানীয় এমপির নির্দেশনা মোতাবেক সিন্ডিকেট হেলু মেম্বার গংদের কাছে হাটের খাস আদায়ের দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। শুধু তাই নয় আমি ঐ হাটের প্রতি সপ্তাহের ইজারা মূল্য ৪লাখ দিতে চাইলেও হাটের খাস আদায়ের দায়িত্ব আমাকে দেয়া হয়নি। উপজেলা প্রশাসন দীর্ঘদিনের সিন্ডিকেট হেলু মেম্বার গং এর সঙ্গে আঁতাত করে হাটের টাকা হরিলুট করছে। হাটের খাস আদায়ের ক্ষেত্রে কোন নিয়মই মানা হয়নি এবং মানা হচ্ছে না। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও হাটের খাস আদায় কমিটির সভাপতি উম্মে তাবাসসুম মোবাইল ফোনে বলেন, ১৪৩০ সনের (২০২৩খ্রি:) চেয়ে প্রায় দ্বিগুন টাকায় ১৪৩১সনের (২০২৪খ্রি:) জন্য খোলা ডাকের মাধ্যমে আবাদপুকুর হাটের খাস আদায়ের ইজারা প্রদান করা হয়েছে। যারা হাটের ইজারা মূল্য সবচেয়ে বেশি দিয়েছেন তাদেরকেই খাস আদায়ের ইজারার দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। বিষয়টি জেলা প্রশাসক স্যারও জানেন। এক কথায় সকল নিয়ম মেনেই আবাদপুকুর হাটের খাস আদায়ের ইজারা প্রদান করা হয়েছে।


আরও খবর



নয়াপল্টনে বিএনপি'র সমাবেশ শুরু

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২২ জুলাই ২০২৪ |

Image


বিডি টুডেস ডেস্ক:


বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে রাজধানীতে সমাবেশ করছে বিএনপি। নয়া পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে শনিবার (২৯ জুন) বিকাল ৩টায় সমাবেশের কার্যক্রম শুরু হয়।


দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।



 এছাড়া বক্তব্য দেবেন স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ কেন্দ্রীয় ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতারা। প্রায় আট মাস পর দলের চেয়ারপারসনের মুক্তির দাবিতে এ কর্মসূচি দিয়েছে তারা।


এদিকে সকাল থেকে দুই দফা বৃষ্টি হওয়ায় নয়া পল্টনের সড়কের দুই প্রান্তে পানি জমে থাকে। তবে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি উপেক্ষা করে রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে জড়ো হন নেতাকর্মীরা।


ছয়টি খোলা ট্রাক একত্রিত করে তৈরি করা অস্থায়ী মঞ্চে টানানো হয়েছে বিশাল ব্যানার। সেখানে খালেদা জিয়ার প্রতিকৃতির পাশে লেখা রয়েছে ‘প্রতিহিংসার শিকার দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে সমাবেশ’।



আরও খবর



সুবর্ণচরে ৭০০ একর খাস জমি দখলের অভিযোগ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

প্রকাশিত:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪ |

Image
 নোয়াখালী প্রতিনিধি::

নোয়াখালী সুবর্ণচরের মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের চরলক্ষী,উরিরচর ও চর নোমান মৌজার ১ নং খাস খতিয়ানের প্রায় ৭ শত একর খাসজমি দখলের অভিযোগ উঠেছে কবিরহাটের ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কামাল কোম্পানী ও মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে। ভূমিহীন কৃষকদের ফসল নষ্ট করে এরই মধ্যে তারা এক সাথে প্রায় অর্ধশতাধিক পুকুর খননের কাজ চালাচ্ছে।  

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার চরলক্ষী,উরিরচর ও চর নোমান মৌজার ১ নং খাস খতিয়ানের প্রায় ৭শত একর খাসজমি ৫শতাধিক ভূমিহীন কৃষকের দখলে চাষাবাদ হতো। ২০১৪ সালে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) সমুদ্র গবেষণার জন্য ৪০০ একর খাসজমি সরকারের কাছে বরাদ্দ চায়। ওই প্রস্তাবনার প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনও শিক্ষামন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা সরেজমিন পর্যবেক্ষণ করে। এরপর থেকে ওই খাসজমিতে শেখ হাসিনা সমুদ্র বিজ্ঞান ও সামুদ্রিক সম্পদ ইউনিস্টিটিউট স্থাপনে ১৫০ একর খাসজমি বন্ধোবস্ত প্রক্রিয়াধীন। নোবিপ্রবির প্রস্তাবিত জায়গায় বাহিরে ৫শত ভূমিহীন পরিবার সেই জমিতে চাষাবাদ করে আসছিলো। সম্প্রতি উপজেলা নির্বাচনের পর থেকে একটি প্রভাবশালী মহল  ভূমিহীনদের ভয়ভীতি দেখিয়ে পুরো ৭শ একর জায়গা জুড়ে অবৈধভাবে দখলের মহোৎসবে মেতে উঠে। সেখানে নোবিপ্রবির প্রস্তাবিত শেখ হাসিনা সমুদ্র বিজ্ঞান ইউনিস্টিটিউট সাউনবোর্ড থাকলেও সেটির তোয়াক্কা না করে কবিরহাটের ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কামাল কোম্পানী ও মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ ও তাদের লোকজন খাসজমি দখল করে প্রজেক্ট করার জন্য ভেকু মেশিন দিয়ে দিনরাত মাঠি কেটে যাচ্ছে। অভিযুক্ত দুই ইউপি চেয়ারম্যান সুবর্ণচর উপজেলার দুই শীর্ষ জনপ্রতিনিধির আস্থাভাজন অনুসারী হিসেবে পরিচিত।    

গত মঙ্গলবার ৯ জুলাই দুপুরের দিকে ভূমিদস্যুদের এমন একচেটিয়া দখল ও হুমিকর প্রতিবাদে ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে উপজেলার  চরলক্ষী গ্রামে প্রতিবাদ মিছিল করে ভূমিহীন নদী ভাঙ্গা প্রায় শতাধিক মানুষ।

এলাকবাসী ও ভূমিহীনরা অভিযোগ করে বলেন, জেলার কবিরহাট উপজেলার ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কামাল কোম্পানী ও মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ দুই সপ্তাহ ধরে ৩০ থেকে ৪০ টি ভেকু মেশিন দিয়ে ৭শত একর জায়গা জুড়ে প্রজেক্ট করার  কাজ শুরু করে। তাদের দাবি শেখ হাসিনা সমুদ্র বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট হলে তাদের কোন আপত্তি নেই। কিন্তু সেটি না করে এতো বিশাল সরকারি খাসজমি ২/৪ জন লোক গিলে খাবে, সেটি কি করে হয়। 

প্রতিবাদ সামবেশে ভূমিহীনরা অভিযোগ করে আরও বলেন, দীর্ঘ ৩০ থেকে ৩৫ বছর ধরে তারা সেখানে বসবাস করছেন।  সম্প্রতি উপজেলা নির্বাচন শেষ হবার পর একটি মহল তাদেরকে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাদের সকল ঘরবাড়ী ভেঙ্গে উচ্ছেদ করে দেয়। এরপর ১শ একরের মত জায়গায় তাদের রোপন করা শিম,শসা, কচুসহ নানা প্রজাতির সবজি ও মাছের ঘের ধ্বংস করে দেয়। তবে প্রভাবশালীদের ভয়ে কেউ মুখ খুলেনা। 

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কামাল কোম্পানী খাসজমি দখলের অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে বলেন, এ জায়গার মালিক শাহজাহান নামে এক প্রবাসী বীর মুক্তিযোদ্ধা। তিনি আমাকে পাওয়ার দিয়েছেন জায়গাটি দেখাশোনার জন্য। বিশ্ববিদ্যালয়ের জায়গা হলে তারা কাগজ থাকলে জায়গা নিয়ে যাবে। তাদের জায়গা কেউ ধরে রাখতে পারবেনা।     

মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবু্ল কালাম আজাদ আমি জমি দখলের সাথে জড়িত নেই। তবে এটা আমাদের নৌকা মার্কার প্রার্থীর নির্বাচনী ইশতেহার ছিল আমরা জনগণের জমি জনগণকে বুঝিয়ে দেব। আগে এসব জায়গা তাদের লোকজনের ছিল বলেও দাবি করেন সাবেক এ চেয়ারম্যান।    

সুবর্ণচর উপজেলা কমিশনার (ভূমি) অশোক বিক্রম চাকমা বলেন, অবৈধ দখলের অভিযোগ পেয়ে দুই দফা অভিযান চালায় ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযানে ১১টি মাঠি কাটার ভেকু মেশিন জব্দ করে কয়েকটি সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড এবং লাল পতাকা উত্তোলন করে দেওয় হয়। একজনকে জিজ্ঞাসাবাদের বাদের জন্য আটক করে নিয়ে আসা হয়। পরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. দিদার-উল-আলম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।     

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. দিদার-উল-আলম বলেন, ওই জায়গা শেখ হাসিনা সমুদ্র বিজ্ঞান ও সামুদ্রিক সম্পদ ইনস্টিটিউটের প্রস্তাবিত স্থান। ১ নং খাস খতিয়ানভূক্ত ভূমিতে অবৈধভাবে কোনরুপ স্থাপনা নির্মাণসহ অবৈধভাবে দখল আইনগতভাবে নিষিদ্ধ। উক্ত জমি অবৈধভাবে দখলের চেষ্টা করা হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। ভূমিহীনদের বিনা নোটিশে তাড়িয়ে দেওয়া অমানবিক। ভূমিহীনদের পুর্নবাসন না করে কোন কিছু করা ঠিকনা। এত কিছু থাকার পরও যারা খাসজমি দখল চায় তারা মানসিক ভাবে অসুস্থ।   

আরও খবর



উরুগুয়েকে বিদায় করে ফাইনালে আর্জেন্টিনার সঙ্গী কলম্বিয়া

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

মার্সেলো বিয়েলসার অধীনে এবারের কোপা আমেরিকায় দাপুটে ফুটবল খেলেছে উরুগুয়ে। গ্রুপপর্ব থেকেই দুর্দান্ত পারফর্ম করে সেমিফাইনালে জায়গা করেন নেয় দলটি। কোয়ার্টার ফাইনালে ব্রাজিলকে হারানো ফেদে ভালভার্দেরা ফাইনালের টিকিট নিশ্চিতের লড়াইয়ে মাঠে নেমেছিল কলম্বিয়ার বিপক্ষে। জেমস রদ্রিগেজদের বিপক্ষে এই ম্যাচটিতে মুহূর্মুহু ছড়িয়েছে উত্তাপ, দুই দলই ফাউল করায় বারবার কার্ড দেখাতে হয়েছে রেফারিকে। দুই দলের ম্যাচটিতে আজ প্রথমে গোলের দেখা পেয়েছে কলম্বিয়া, তবে বিরতিতে যাওয়ার আগেই লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় কলম্বিয়ার ড্যানিয়েল মুনোজকে। কিন্তু প্রতিপক্ষ দশজনের দলে পরিণত হলেও আর গোল শোধ করতে পারেনি বিয়েলসার শিষ্যরা। ফলে ১-০ গোলের জয়ে ফাইনাল নিশ্চিত হয়েছে কলম্বিয়ার।

ফাইনালে উঠার লড়াইয়ে নেমে আজ শুরু থেকেই সমানে সমান লড়াই করেছে দুই দল। ম্যাচে ৬ মিনিটে প্রথম আক্রমণে যায় কলম্বিয়া। তবে জন অ্যারিসের নেয়া শট ঠিকানা খুঁজে পেতে ব্যর্থ হয়। এরপর মিনিট দশেক পর আরও একটিই সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন জেফারসন লার্মা।

এদিকে কলম্বিয়ার বিপক্ষে আজ উরুগুয়ে প্রথম আক্রমণে যায় ম্যাচের ১৭ মিনিটে। তবে ডারউইন নুনিয়েজের নেয়া শট চলে যায় পোস্টের বাইরে দিয়ে। এরপর ২৩ মিনিটে আরও একটি সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন লিভারপুলের এই তারকা ফুটবলার। ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে নেমে আজ লক্ষ্যভেদ করার আরও বেশ কয়েকটি সুযোগই পেয়েছিলেন তিনি, তবে দলকে এগিয়ে দিতে পারেননি।

এদিকে ম্যাচের ২৬ মিনিটে প্রথম লাল কার্ড দেখেন উরুগুয়ের নিকোলাস দে লা ক্রুজ। এর মিনিট পাচেক পর কলম্বিয়ার ড্যানিয়েল মুনোজকেও হলুদ কার্ড দেখান রেফারি। পরে বিরতিতে যাওয়ার আগে যোগ করা সময়ে আরও একবার কার্ড দেখায় লাল কার্ড পেয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি। তবে এর আগেই লিডে দেখা পায় কলম্বিয়া। ম্যাচের ৩৯ মিনিটের সময় ৬ গজ বক্সের বা দিক থেকে লার্মার করা হেডে জালের ঠিকানা খুঁজে পায় বল।

এদিকে প্রথমার্ধে এগিয়ে যাওয়া কলম্বিয়া দ্বিতীয়ার্ধে খেলেছে দশজনের দল নিয়ে। তবে খর্বশক্তির প্রতিপক্ষের বিপক্ষেও আর গোল করতে পারেননি সুয়ারেজরা। এক গোলের লিড পাওয়া কলম্বিয়া দশজনের দল নিয়ে দ্বিতীয়ার্ধে রক্ষণেই মনোযোগী থেকেছে বেশি। ফলে বারবার আক্রমণে গিয়েও জালের দেখা পায়নি উরুগুয়ে।

এদিকে উরুগুয়ের একের পর আক্রমণের মাঝেই পালটা আক্রমণে উরুগুয়ের রক্ষণে ভয় ধরিয়েছে কলম্বিয়া। তবে বেশ কয়েকটি সহজ সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হওয়ায় শেষ পর্যন্ত আর গলের দেখা পায়নি কলম্বিয়া। এদিকে সুয়ারেজরা শেষ পর্যন্ত গোল করতে না পারায় ১-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে কলম্বিয়া।


আরও খবর



দাবার কোর্টেই মৃত্যূর কোলে গ্র্যান্ডমাস্টার

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

সদরুল আইন:

জাতীয় দাবা চ্যাম্পিয়নশিপের ১২তম রাউন্ড চলছিল। গ্র্যান্ডমাস্টার এনামুল হোসেন রাজীবের বিপক্ষে ভালো পজিশনেই ছিলেন আরেক গ্র্যান্ডমাস্টার জিয়াউর রহমান। 

হঠাৎ-ই দাবা ফেডারেশনের রুমে দুই দাবাড়ু শাকিল ও নাইম হন্তদন্ত হয়ে দৌড়ে এসে জানান, ‘জিয়া ভাই মাথা ঘুরে পড়ে গেছে।’

সেখান থেকে আর ফেরা হলো না দেশের জনপ্রিয় এই গ্র্যান্ডমাস্টারের। চলে গেলেন পরপারে (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

জিয়ার অসুস্থ হওয়ার খবর শুনেই সবাই দ্রুত ছুটে যান দাবা বোর্ডের রুমে। সবাই তড়িঘড়ি করে তাকে ধরে নিচে নামায়। জিএম রাজীবের গাড়িতে করে শাহবাগের ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে জিয়াকে।

মাত্র নয় মিনিটে পল্টনের দাবা ফেডারেশন থেকে হাসপাতালে আনা হয়। সেখানে জরুরি বিভাগের ডাক্তাররা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছেন। শেষ পর্যন্ত তাকে মৃত ঘোষণা করে ডাক্তার।

জিয়ার স্ত্রী লাবণ্য ফেডারেশনেই ছিলেন। তার ছেলে তাহসিন তাজওয়ারও জাতীয় দাবা খেলছেন। এ সময় ইব্রাহিম কার্ডিয়াকে অবস্থান করছেন দাবা অঙ্গনের অনেকেই।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৪৯ বছর। ১৯৭৪ সালে জন্ম নেওয়া জিয়া ১৯৯৩ সালে ইন্টারন্যাশনাল আর ২০০২ সালে দেশের দ্বিতীয় গ্র্যান্ডমাস্টারের খেতাব অর্জন করেন। বাংলাদেশি দাবাড়ুদের মধ্যে সর্বোচ্চ ২৫ শো ৭০ ফিদে রেটিংও তার।

১৯৮৮ সালে প্রথমবার জাতীয় দাবায় চ্যাম্পিয়ন হোন জিয়াউর রহমান। টুর্নামেন্টে রেকর্ড ১৪ বারের চ্যাম্পিয়নও তিনি। যেখানে বাকি চার গ্র্যান্ডমাস্টার সম্মিলিতভাবে জিতেছেন ১৬ বার।


আরও খবর