Logo
শিরোনাম
নেত্রকোনায় পৃথক স্থানে শিশু ও দুই নারীসহ চারজনপর মরদেহ উদ্ধার সমবায়ের মাধ্যমে চাষাবাদ করার আহ্বান পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রীর জয়পুরহাট সরকারি কলেজে কর্তৃপক্ষের শর্ত মেনে ক্যাম্পাসে প্রবেশের নির্দেশনা রাজবাড়ীতে সড়ক দূর্ঘটনায় পুলিশ সদস্যের মৃত্যু কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ২০ কেজি গাঁজাসহ প্রাইভেটকার জব্দ সাত পৃষ্ঠার চিরকুট লিখে কলেজ ছাত্রীর আত্মহতা লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে প্রণোদনার সার-বীজ নিয়ে কর্মকর্তাদের নয়-ছয় নেত্রকোনায় হাওড়ে নৌকা ডুবে দুই নারীর মৃত্যু নেত্রকোনায় ইমাম হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন নেত্রকোনায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পদযাত্রা ও স্মারক লিপি প্রদান
জীবন চরিত্র ০৩

আল্লামা শাহ্সূফী সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী ওয়াল্ হোসাইনী

প্রকাশিত:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image

জাতিসংঘে ভাষণ ও মিলাদে মোস্তফা (দঃ) এর শুভ উদ্বোধন

বিগত ২০০০ সালের ২৮-৩১শে আগষ্ট জাতিসংঘ সদর দপ্তরে বিশ্বশান্তি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এ সম্মেলনে উদ্বোধন করেন তৎকালিন জাতিসংঘ মহাসচিব কফি আনান। এ সম্মেলনে পৃথিবীর বিভিন্ন ধর্মের শীর্ষ স্থানীয় ধর্মগুরু ও আধ্যাত্মিক শীর্ষ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ অংশ গ্রহণ করেন। বাংলাদেশ থেকে প্রতিনিধি দলে নেতৃত্ব দেন আওলাদে রাসূল (দঃ) শায়খুল ইসলাম হযরত শাহ্সূফী মাওলানা সৈয়দ মইনুদ্দিন আহমদ আল্-হাসানী ওয়াল্ হোসাইনী (মাঃজিঃআঃ)।
জাতিসংঘে আয়োজিত উক্ত কনফানেন্সে হুজুর কেবলা ভাষণে বলেনঃ আজকের জাতিসংঘ বিশ্ব-শান্তি ও সকল ধর্মের ও বর্ণের মানুষের মধ্যে ভেদাভেদ, হানাহানি, যুদ্ধ, ক্ষুধা ও দরিদ্র নিসনের যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, তা আজ থেকে ১৪০০ বছর পূর্বে আমাদের মহানবী হযরত মুহাম্মদ (দঃ) ‘মদিনার সনদের’ মাধ্যমে বিশ্ববাসীকে উপহার দিয়েছিলেন, যা জাতিসংঘ আজ বাস্তবায়ন করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
সম্মেলন সমাপনী দিবসে প্রার্থনা পর্বে আওলাদে রাসূল (দঃ) সৈয়দ মইনুদ্দিন আহমদ আল্-হাসানী ওয়াল্ হোসাইনী (মাঃজিঃআঃ) মিলাদ শরীফ (ছালাত ও সালাম) পরিচালনা করেন এবং সমগ্র বিশ্ববাসীর সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে মুনাজাত পরিচালনা করেন। জাতিসংঘের ইতিহাসে তিনিই প্রথম ব্যাক্তিত্ব, যিনি মিলাদে-মোস্তফা (দঃ) এর শুভ উদ্বোধন করেন। মিলাদ মাহফিলে রাবেতার মহাসচিব আবদুল্লাহ ওমর নাসিফ, ইরাক, ইরান, ভারত ও পাকিস্থানসহ বিভিন্ন দেশের ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উজবেকিস্তান সরকার ও ইউনেস্কোর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত বিশ্ব-আধ্যাত্মিক সম্মেলনে আমন্ত্রিত এবং ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ কর্তৃক বিপুলভাবে বিরল সম্মানে ভূষিত।

২০০০ ইং সালের ১৭-১৮ই সেপ্টেম্বর উজবেকিস্তান সরকার প্রধানের আমন্ত্রণে এবং ইউনেস্কোর তত্ত্বাবধানে উজবেকিস্তানের রাজধানী তাসখন্দে হোটেল শেরাটনে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক আধ্যাত্মিক সম্মেলনে অষ্ট্রেলিয়া, আজারবাইজান, বেনিন, চীন, ফ্রান্স, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, ইস্রাইল, জাপান, সুদান, কাজাখাস্তান, মরক্কো, সউদী আরব, স্পেন, শ্রীলংকা, সুইজারল্যান্ড, থাইল্যান্ড, তিউনিশিয়া, তুরস্ক, ভ্যাটিকান, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য থেকে ধর্মীয় আধ্যাত্মিক শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ অংশ গ্রহন করেন। বড় শাহজাদা আল্হাজ্ব শাহ্সূফী সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী ওয়াল্ হোসাইনী (মাঃজিঃআঃ) সফরসঙ্গী ছিলেন। জর্দানের প্রিন্স আল্-হাসান বিন্ তালাল স্বাগত বক্তব্য রাখেন। সভাপতিত্ব করেন ইউনেস্কো সদর দপ্তর হতে আগত ডাইক্টের ডায়েন (উড়ঁফড়ঁ উরবহব)। ইন্টারন্যাশনাল এ কনফানেন্সে মুর্শেদ কেবলা বিশেষভাবে সমাদৃত হন। তাসখন্দ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। উজবেকিস্তান সরকার তাঁকে বিশেষ ফ্লাইটে পবিত্র বুখারী নগরীতে নিয়ে যান। তিনি হযরত ইমান বুখারী (রঃ), ইমাম আহমদ বিন হাম্বল (রঃ) এবং শায়খ বাহাউদ্দিন নক্শবন্দী (রঃ) প্রমুখ মনীষীদের মাজার জিয়ারত করেন।


আরও খবর



মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক সুলতান আহম্মেদের ২৭তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

শাহেদ হোসেন রানা,রামগড় :

পার্বত্য খাগড়াছড়ির জেলার রামগড়ে ১৯৭১ সালে পার্বত্য অঞ্চলে মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাবেক সদস্য বিশিষ্ট সমাজ সেবক মরহুম সুলতান আহম্মেদ এর ২৭তম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫শে জুন) সকাল ১০টায় রামগড় পৌরসভার মাষ্টার পাড়াস্থ কেন্দ্রীয় কবরস্থানে মরহুম সুলতান আহম্মেদের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ, কবর জিয়ারত ও দোয়া-মাহফিলের মাধ্যমে সুলতান স্মৃতি সংসদ, রামগড় উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন দিবসটি পালন করে।

পার্বত্য অঞ্চলের ত্যাগী এই আওয়ামী লীগ নেতা দীর্ঘ-সময় রামগড় মহকুমা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পরবর্তীতে খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।


এছাড়াও ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে গঠিত ১নং সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক হিসেবে তাঁর অনন্য ভূমিকা ছিল, পরবর্তীতে তিনি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে সদস্য পদ লাভ করেন। ১৯৯৭ সালে বার্ধক্যজনিত রোগে সুলতান আহমদ মারা যান। সুলতান নানা নামে পরিচিত নির্লোভ, ত্যাগী এই আওয়ামী লীগ নেতা আগামী প্রজন্মের কাছে অনুকরণীয় হিসেবে বেঁচে থাকবে এই প্রত্যাশা সুশীল সমাজের।


এসময় রামগড় কেন্দ্রীয় কবরস্থানে মরহুম সুলতান আহমদের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল ও শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, রামগড় পৌরসভার মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি রফিকুল আলম কামাল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ২নং পাতাছড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কাজী নুরুল আলম আলমগীর, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোবারক হোসেন বাদশা, ৪নং মাষ্টারপাড়া পৌর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক আহসান উল্লাহ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শাহ আলম, প্রদেশ ত্রিপুরা, ২নং জগন্নাথপাড়া ওয়ার্ড পৌর কাউন্সিলর শ্যামল ত্রিপুরা, সাবেক পৌর কাউন্সিলর বিষ্ণু দত্ত,  উপজেলা যুবলীগ নেতা, রুবেল বড়ুয়া, খাজা নাজিম উদ্দীন, সুমন বড়ুয়া, সুমন ত্রিপুরা, রামগড় মাদ্রাসা ছাত্রলীগ সভাপতি মো.মুজিবুর রহমান প্রমূখ।


আরও খবর



কোটা বাতিলের দাবিতে জাবি শিক্ষার্থীদের ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image


বিডি টুডেস ডেস্ক:



২০১৮ সালে ঘোষিত সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিল ও মেধাভিত্তিক নিয়োগের পরিপত্র বহাল রাখাসহ চার দাবিতে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শিক্ষার্থীরা। এতে সড়কের উভয় লেনে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।



বুধবার (৩ জুলাই) বিকাল তিনটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন শিক্ষার্থীরা। মিছিল নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক (ডেইরি গেইট) সংলগ্ন ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে গিয়ে অবরোধ করেন তারা।



তাদের অন্য দাবিগুলো হলো: ২০১৮ এর পরিপত্র বহাল সাপেক্ষে কমিশন গঠন করে দ্রুত সময়ের মধ্যে সরকারি চাকরিতে (সকল গ্রেডে) অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক কোটা বাদ দেওয়া এবং সংবিধান অনুযায়ী কেবল অনগ্রসর ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর কথা বিবেচনা করা; সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় কোটা সুবিধা একাধিকবার ব্যবহার করা যাবে না এবং কোটায় যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে শূন্য পদগুলোতে মেধা অনুযায়ী নিয়োগ দিতে হবে; দুর্নীতিমুক্ত, নিরপেক্ষ ও মেধাভিত্তিক আমলাতন্ত্র নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া।



অবরোধের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মাহফুজুল ইসলাম মেঘ বলেন, ‘আমরা স্বাধীনতার ৫০ বছর পরে এসেও দেখছি সরকারি চাকরিতে ৫৬ শতাংশ কোটা বিদ্যমান। 



এই বৈষম্যের জন্যই কি মুক্তিযোদ্ধারা দেশ স্বাধীন করেছিলেন? আমরা ২০১৮ সালে ঘোষিত সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিল ও মেধাভিত্তিক নিয়োগের পরিপত্র বহালসহ চার দফা দাবিতে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করেছি। অতিদ্রুত কোটা পদ্ধতি বাতিলের দাবি জানাচ্ছি।’



বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ৪৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী তৌহিদ সিয়াম বলেন, 'আগামীকাল ৪ জুলাই কোটা নিয়ে আপিল বিভাগের শুনানি হবে। সেখানে যদি সরকারি চাকুরিতে কোটা বহাল রাখা হয়, তাহলে আমাদের আন্দোলন আরো জোরালো হবে।’


এদিকে অবরোধের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরসহ প্রক্টরিয়াল বডির অন্য সদস্যরা। তারা শিক্ষার্থীদের বোঝানোর চেষ্টা করেন, তবে শিক্ষার্থীরা পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী অবরোধ কর্মসূচি চালিয়ে যান। পরে বিকাল পাঁচটায় অবরোধ কর্মসূচি তুলে নেন তারা।


এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মোহাম্মদ আলমগীর কবির বলেন, ‘আমরা সেখানে গিয়ে শিক্ষার্থীদের কাছে অনুরোধ করেছি, যাতে তারা সাধারণ মানুষের ভোগান্তির বিষয়টি খেয়াল রাখে। তবে যেহেতু এটা জাতীয় ইস্যু, সেহেতু শিক্ষার্থীরা তাদের পূর্বঘোষিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে।’


আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এফ এম সায়েদ বলেন, ‘অবরোধের খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করি। তাদের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বোঝানোর চেষ্টা করি। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের কথা ভেবে বিকল্প রাস্তা ব্যবহারের জন্য ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েন করা হয়।’






আরও খবর



সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার সময় পেছাল ১১১ বার

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image


বিডি টুডেস ডিজিটাল ডেস্ক:



সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যার ঘটনায় করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময়সীমা ৪ আগস্ট পর্যন্ত বাড়িয়েছে ঢাকার একটি আদালত। 



এ নিয়ে এই মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে এ পর্যন্ত ১১১ বার সময় বাড়ানো হলো।


আজ রোববার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহবুবুল হক এ আদেশ দেন। গত ১৬ মে একই আদালত র‌্যাবকে আজকের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলেন।



তদন্ত কর্মকর্তা র‌্যাবের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খন্দকার মো. শফিকুল আলম আজ প্রতিবেদন দাখিল করতে ব্যর্থ হন।


২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে সাংবাদিক দম্পতি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি তাদের ভাড়া বাসায় নির্মমভাবে খুন হন।


তাদের একমাত্র ছেলে মাহির সারোয়ার মেঘ (৫) সেসময় বাড়িতে ছিল। হত্যার ঘটনায় রুনির ভাই নওশের আলী রোমান শেরেবাংলা থানায় মামলা করেন।


মামলা দায়েরের পর শেরেবাংলা নগর থানাকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিন দিন পর মামলাটি গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তাদের ব্যর্থতার পর মামলাটি র‌্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয় ১৮ এপ্রিল, ২০১২।


মামলায় গ্রেপ্তার আট জনের মধ্যে দুজন জামিন পেয়েছেন। বাকিরা কারাগারে আছেন।


র‌্যাবের অতিরিক্ত এসপি খন্দকার মো. শফিকুল আলম মামলার সপ্তম তদন্ত কর্মকর্তা। ২০১৯ সালের ৭ জুলাই তাকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়।




আরও খবর



আড়াইশ বছরের ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখতে কোরবানির মাংস দেড় হাজারের উপরে ভাগ করা হয়

প্রকাশিত:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image



সদরুল আইন:


ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার পুটিজানা ইউনিয়নের বৈলাজান গ্রামে ঈদ উল আজহা উপলক্ষে দেশের অন্যতম কোরবানির মাঠে ১৫৬টি খাসি ৭০টি গরু কোরবানী করা হয়েছে।


 কোরবানির মাংসের বন্টন হয়েছে ১৫শ ৫৫টি। আাড়াইশ বছরের ঐতিহ্যবাহী কোরবানির মাঠ দেশের বৃহত্তম কোরবানির মাঠ বলে বলে দাবী করেন অনেকে।  


উপজেলার পুটিজানা ইউনিয়নের বৈলাজান গ্রামের কোরবানির মাঠটি দুটি ঈদগাহ ও সাতটি মসজিদ সমাজ নিয়ে গঠিত। এ কোরবানির সমাজের এ বছর ১৫৬টি খাসি ও ৭০টি গরু কোরবানি করা হয়েছে। 


জানা যায়, বৈলাজান কোরবানির মাঠে সকাল ১০টা থেকে শুরু হয় পশু জবাই, মাংস তৈরির কাজ চলে সন্ধ্যা পর্যন্ত। এ উপলক্ষে মাঠে বিরাজ করে আনন্দ ঘন পরিবেশ। 


যার যার কোরবানিকৃত পশুর মাংস বানাতে নিজেরাই ব্যস্ত  হয়ে পরে। মাঠে এক পাশে বসে দোকান। ছোট ছেলে মেয়েরা আনন্দ উল্লাস করে থাকে। এ কোরবানির মাঠে রয়েছে এক ঐতিহ্যবাহী নিয়ম।



 এখানে পশু জবাই করার পর তা তিন ভাগের একভাগ মাংস জমা রাখতে হয়। যেখানে জমা রাখা হয় তাকে বলা হয় পঞ্চায়েত। পঞ্চায়েতে দায়িত্বে থাকা সেচ্ছাসেবীরা কোরবানি সমাজের ১৫৫৫টি খানার মধ্যে তা সমান হারে বন্টন করে যার যার বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করে থাকে।



পঞ্চায়েত সভাপতির দায়িত্ব থাকা ইউপি সদস্য মো. শাজাহান মিয়া বলেন, ‘আমাদের এ কোরবানির মাঠ কবে থেকে শুরু হয়েছে তা আমরা বলতে পারব না। আমার দাদা বাবারা এই মাঠে কুরবানি করেছেন। আমার দাদা করেছে আমার বাবা করেছে আমরাও কোরবানি করছি।’ 


এ ব্যাপারে অন্যান্যরা বলেন, এই কোরবানির মাঠে আমাদের বাপ দাদারা ও কোরবানি করেছে। এটি আমাদের ভাতৃত্বের বন্ধনকে সুদৃড় করে। এটি আমাদের গ্রামের একটি ঐতিহ্য।


আরও খবর



জামাই কেড়ে নিল শশুরের প্রাণ

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image

মোঃ আবু সুফিয়ান মুক্তার - জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধি::


জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের নন্দীগ্রাম (বানিয়া পুকুর) আর্দশ (আশ্রয়নে) আপন মেয়ে জামাইয়ের চাকুর আঘাতে শশুড় মারা গেছে। উপজেলার নিকড়দীঘি গ্রামের ইউসুফ আলীর ছেলে জামাই মোঃ ফারুক হোসেন (২৫)। 


আশ্রয়ন প্রকল্পে বসবাস করা মৃত শুকুর আলীর ছেলে ভুমিহীন কৃষক শশুড় ছুনছু মিয়া। ছুনছুর স্ত্রী আয়েশা বেগম জামাই ফারুক ও তার বাবার বিরুদ্ধে থানায় মামলা করলে পুলিশ রাতেই বাবা-ছেলেকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করেন। সরেজমিনে এলাকাবাসি ও ছুনছুর পরিবার বলেন, মাদক সেবী জামাই প্রায় মেয়ে সুমাইয়াকে শারীরিক নির্যানত করত। 


জামাইয়ের অত্যাচার থেকে মেয়েকে রক্ষা করতে মেয়েকে শশুড় বাড়ি যেতে দেয়নি। গত (৬ জুলাই) বৃহস্পতিবার ছেলের বউকে নিতে ইউসুব ও কয়েকজন বানিয়া পুকুর আর্দশ গ্রামে ছুনছুর বাড়িতে আসেন। এ বিষয়ে আলোচনার এক-পর্যায়ে উভয় পরিবারের লোকজনের মধ্যে উচ্চবাচ্য কথা কাটাকাটি হয়। ছেলের বউ শশুড়ের সঙ্গে যেতে না চাইলে ইউসুব বাড়িতে ফিরে যায়। 


ওইদিন বিকাল বেলা নন্দীগ্রাম চারমাথায় বাজার করতে যায় ছুনছু মিয়া। এসময় জামাই ফারুকের কাছে থাকা ধারালো চাকু দিয়ে শশুড়রের শরীরের বিভিন্ন স্থানে (৫-৬) টি আঘাত করে। গুরত্বর আহতবাস্থায় ছুনছুকে উদ্ধার করে প্রথমে মহীপুর হাসপাতালে ভর্তি করেন পরিবারের লোকজন। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। 


ঢাকায় চিকিৎসারত্ব অবস্থায় গত শুক্রবার দুপুরে সে মারা যায়। নিহত ছুনছুর স্ত্রী আয়েশা বেগম স্বামীর হত্যাকারী পাষন্ড জামাই ফারুকের ফাঁসি দাবি করেন। মেয়ে সুমাইয়া আক্তারও বলেন, আমার জন্মদাতা পিতাকে যে হত্যা করতে পারে সে আমার স্বামী হওয়ার অধিকার রাখে না। আমি আমার বাবা হত্যার সঠিক বিচার চাই। এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত ছুনছুর মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পৌছায়নি।



আরও খবর