Logo
শিরোনাম
রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন কমপ্লিট শাটডাউন : ঢাকাসহ সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২ শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০

আলোচিত জল্লাদ শাহজাহান মারা গেছেন

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস রিপোর্ট:


মানবতাবিরোধী ও বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করাসহ ৬০ জনকে ফাঁসির দড়িতে ঝুলানো আলোচিত জল্লাদ শাহজাহান ভূঁইয়া মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। 



আজ সোমবার (২৪ জুন) ভোরে রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।



জল্লাদ শাহজাহানের বোন ফিরোজা বেগম সাংবাদিকদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সাভারে একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন তিনি। 


ফিরোজা বলেন, আমরা খবর পেয়ে মরদেহ গ্রহণ করতে দুপুরে হাসপাতালে পৌঁছেছি। হাসপাতাল থেকে মরদেহ নিয়ে গ্রামের বাড়ি নরসিংদী পলাশের ইছাখালীতে নিয়ে আসা হবে। পরে সেখানে তার জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন হবে।


নিহতের স্বজনরা জানান, সাভারের হেমায়েতপুরের কাশেম আলীর একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন শাহজাহান। সেখানে আজ ভোরে তার বুকে ব্যথা ওঠে। পরে বাড়ির মালিক রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে এলে ভোর সাড়ে ৫টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।


ডিএমপির শেরেবাংলা নগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সজীব দে জানান, ভোর ৫টার দিকে জল্লাদ শাহজাহানকে হেমায়েতপুর থেকে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে আসেন তার বাড়ির মালিক। 



বুকে ব্যথা অনুভব করায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয় শাহজাহানকে। হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।



বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছয়জন ঘাতক, ছয়জন যুদ্ধাপরাধী, কুখ্যাত সন্ত্রাসী এরশাদ শিকদার, জঙ্গি নেতা বাংলাভাই, আতাউর রহমান সানী, শারমীন রীমা হত্যার আসামি খুকু মনির, ডেইজি হত্যা মামলার আসামি হাসানসহ আলোচিত ২৬ জনের ফাঁসি কার্যকর করেছেন শাহজাহান। ২০০১ সাল থেকে তিনি ফাঁসি কার্যকর শুরু করেন।


শাহজাহান ভূঁইয়া নরসিংদীর পলাশ উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের ইছাখালী গ্রামের বাসিন্দা। নানা অপরাধে গ্রেপ্তারের পর শাহজাহান ১৯৯১ সালের ১৭ ডিসেম্বর মানিকগঞ্জ জেলা কারাগারে যান। ২০২৩ সালের ১৮ জুন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি। 


৭৪ বছর বয়সী শাহজাহান কারাভোগ শেষে মুক্তি পাওয়ার পর এক তরুণীকে বিয়ে করেছিলেন। কিন্তু কয়েক মাস সংসারের পর তাদের বিচ্ছেদ হয়ে যায়।



আরও খবর



রাণীনগর থানা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ককে অবাঞ্চিত ঘোষনা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

রাণীনগর, নওগাঁ প্রতিনিধি::


নওগাঁর রাণীনগর থানা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মোসারব হোসেনকে অবাঞ্চিত ঘোষনা করা হয়েছে। থানা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক ও যুগ্ন আহ্বায়ককে অব্যাহতি এবং নিয়ম বহির্ভূতভাবে ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক অনুমোদনের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা বাসস্ট্যান্ডে থানা বিএনপির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উপজেলা বিএনপির অব্যাহতি পাওয়া আহ্বায়ক রুকুনুজ্জামান খান রুকু। 


সংবাদ সম্মেলনে রুকু বলেন উপজেলা বিএনপির আমি এবং ১নং যুগ্ন আহবায়ক ও আহবায়ক কমিটির সদস্যবৃন্দ উপজেলার ৭২টি সাংগঠনিক ওয়ার্ডসহ ৮টি ইউনিয়ন বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটি গত মাসের ২৭তারিখে অনুমোদন দেয়া হয়। এর মধ্যে ৪টি ইউনিয়ন কমিটি বহাল রেখে বাঁকী ৪টি ইউনিয়ন কমিটিতে জেলা বিএনপির আহবায়ক ও সদস্য সচিবের পছন্দের লোক না থাকায় বিধি ও গঠনতন্ত্র বহির্ভূত ভাবে বাতিল করে জেলা বিএনপি। এছাড়া উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্যদের উপেক্ষা করে উল্লেখিত কমিটি পূর্ণ গঠন করে।এতে রাজনৈতিক পরিক্ষীত মেধাবী,যোগ্য ও ত্যাগী নেতা-কর্মীদেরকে বাদ রেখে অযোগ্য ও আওয়ামীলীগের ডামী নির্বাচনে সহায়তাকারী ব্যাক্তিদের পদ-পদবী প্রদান করেছে। 


ফলে দলের জন্য আগামী আন্দোলন সংগ্রামকে দুর্বল করবে। সুতরাং এই নিয়ম বহির্ভূত কমিটি প্রত্যাখান করে সেই সাথে আওয়ামীলীগের চর ও এজেন্ডা বাস্তবায়নকারী নিয়ম বহির্ভূত ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মোসারব হোসেনকে অবাঞ্চিত ঘোষনা করছি। 


সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে আহ্বায়ক কমিটির অব্যাহতি পাওয়া যুগ্ন আহ্বায়ক আতিকুজ্জামান জাপান (ভি.পি),আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মেজবাউল হক লিটন,মাহমুদুল হাসান মধু,থানা কৃষকদলের সভাপতি আব্দুল মতিন,থানা ছাত্রদলের যুগ্ন আহ্বায়ক ইউসুফ খাঁন,থানা সৈনিক দলের সভাপতি পাভেল রহমান প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।


ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক মোসারব হোসেন বলেন,বিভিন্ন অভিযোগের প্রেক্ষিতে আহ্বায়ক রুকুনুজ্জামান খাঁন রুকু ও ১নং যুগ্ন আহ্বায়ক আতিকুজ্জামান জাপানকে জেলা বিএনপি তাদের পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে নিয়ম অনুযায়ী আমাকে ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়কের দায়িত্ব দিয়েছেন। এখানে কোন অনিয়ম করা হয়নি। এছাড়া অব্যাহতি পাওয়া আহ্বায়ক এবং যুগ্ন আহ্বায়ক আমাকে অবাঞ্চিত ঘোষনা করতে পারেননা। 


তিনি অভিযোগ করে আরো বলেন,অব্যাহতি পাওয়া অহ্বায়ক ও যুগ্ন আহ্বায়ক দলীয় কার্যালয়ের তালা ভেঙ্গে অফিসে ঢুকে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। আমি এদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে জেলা বিএনপিতে অভিযোগ দায়ের করব। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে রুকুনুজ্জামান খাঁন রুকু বলেন,আমাদের দলীয় কার্যালয়ের চাবি আমাদের কাছেই ছিল। এখানে তালা ভাঙ্গার কোন ঘটনা ঘটেনি। জেলা বিএনপির সদস্য সচিব বায়েজিদ হোসেন পলাশ এর মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। 


উল্লেখ্য,অনিয়ম ও দলীয় শৃংখলা ভঙ্গের দায়ে গত ২৮জুন রাণীনগর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির ১নং যুগ্ন আহ্বায়ক আতিকুজ্জামান জাপান (ভি.পি)কে এবং ৮জুলাই আহ্বায়ক রুকুনুজ্জামান খাঁন রুকুকে পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান করে নওগাঁ জেলা বিএনপি। সেই সাথে গত ৮জুলাই কমিটির ২নং যুগ্ন আহ্বায়ক মোসারব হোসেনকে ভারপ্রাপ্ত আহবায়কের দায়িত্ব প্রদান করা হয়।




আরও খবর



কোটা নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আপিল

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা বহাল রেখে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করেছে রাষ্ট্রপক্ষ।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ আবেদন করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এর আগে ১৪ জুলাই ২৭ পৃষ্ঠার এ পূর্ণাঙ্গ রায় সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়।

গত ১১ জুলাই রায়ের মূল অংশ প্রকাশ করা হয়। সেখানে সব কোটা বজায় রেখে সরকারি নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রয়োজন মনে করলে সরকার কোটার হার পরিবর্তন বা বাড়াতে-কমাতে পারে বলে রায় দেন হাইকোর্ট।

আদালত ২০১৮ সালের পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে বলেন, ২০১২ সালে করা এক রিটের পরিপ্রেক্ষিতে দেওয়া রায় ও আদেশ, যেটি ২০১৩ সালের লিভ টু আপিলের পরিপ্রেক্ষিতে আপিল বিভাগের বহাল ও সংশোধিত আদেশ এবং ২০১১ সালের ১৬ জানুয়ারির অফিস আদেশের আলোকে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান/নাতিনাতনিদের জন্য কোটা পুনর্বহাল করতে বিবাদীদের নির্দেশ দেওয়া হলো। এছাড়া জেলা, নারী, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, উপজাতিক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জন্য কোটাসহ, যদি অন্যান্য থাকে, তাদের ক্ষেত্রে কোটা বজায় রাখতে নির্দেশ দেওয়া হলো। এ বিষয়ে যত দ্রুত সম্ভব, আদেশ পাওয়ার তিন মাসের মধ্যে পরিপত্র জারি করতে নির্দেশ দেওয়া হলো।

রায়ে হাইকোর্ট আরও বলেন, প্রয়োজনে উল্লিখিত শ্রেণির ক্ষেত্রে কোটা পরিবর্তন, অনুপাত বা শতাংশ কমানো বা বাড়ানোর বিষয়ে এই রায় বিবাদীদের জন্য কোনো বাধা তৈরি করবে না। যেকোনো পাবলিক পরীক্ষায় কোটা পূরণ না হলে সাধারণ মেধাতালিকা থেকে শূন্য পদ পূরণ করায় বিবাদীদের স্বাধীনতা রয়েছে।

নবম গ্রেড (পূর্বতন প্রথম শ্রেণি) ও ১০ম থেকে ১৩তম গ্রেডের (পূর্বতন দ্বিতীয় শ্রেণি) পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি বাতিল করে ২০১৮ সালে সরকার পরিপত্র জারি করে।

২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর জারি করা এ পরিপত্র চ্যালেঞ্জ করে ২০২১ সালে রিট দায়ের করেন অহিদুল ইসলামসহ সাত শিক্ষার্থী। একই বছরের ৭ ডিসেম্বর হাইকোর্ট রুল জারি করেন। ওই রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে চলতি বছরের ৫ জুন রায় দেন হাইকোর্ট।

এরপর ওই রায় স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করে। এর প্রতিবাদে দেশব্যাপী শিক্ষার্থীদের আন্দোলন শুরু হয়। পরে গত ৯ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতির সভাপতি আল সাদী ভূঁইয়া এবং উর্দু বিভাগের শিক্ষার্থী আহনাফ সাঈদ খান চেম্বার কোর্টের অনুমতি নিয়ে একটি সিএমপি (হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে) আবেদন করেন। ওইদিনই আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে সেই আবেদনের শুনানির জন্য ১০ জুলাই দিন ধার্য করেন চেম্বার আদালত।

সেদিন মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল করে জারি করা পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিষয়ে চার সপ্তাহের স্থিতাবস্থা দেন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ সদস্যের আপিল বেঞ্চ।

আগামী ৭ আগস্ট এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানি হবে। শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে বলেন, সব প্রতিবাদী কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদের স্ব স্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফিরে গিয়ে নিজ নিজ কাজে অর্থাৎ পড়াশোনায় মনোনিবেশ করতে বলা হয়েছে। দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও প্রক্টর এবং অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানরা তাদের ছাত্র-ছাত্রীদের স্ব স্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফিরিয়ে নিয়ে শিক্ষার উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করবেন বলে এ আদালত আশা করে।

আদালত আরও বলেন, স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদকারী ছাত্র-ছাত্রীরা চাইলে আইনজীবীর মাধ্যমে তাদের বক্তব্য এ আদালতের সামনে তুলে ধরতে পারে। আদালত মূল আবেদন নিষ্পত্তির সময় তাদের বক্তব্য বিবেচনায় নেবেন।

কিন্তু শিক্ষার্থীরা বিষয়টি নির্বাহী বিভাগের সঙ্গে সম্পর্কিত বলে আন্দোলন চলমান রাখার ঘোষণা দেন। এর ধারাবাহিকতায় ১৪ জুলাই তারা রাষ্ট্রপতির বাসভবন বঙ্গভবন অভিমুখে পদযাত্রা করেন। পরে শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিবের কাছে স্মারকলিপি জমা দেয়। পাশাপাশি তাদের আন্দোলন চালিয়ে আসছেন।


আরও খবর



যমুনার পানি বিপৎসীমার ৬১ সেন্টিমিটার ওপরে, ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দী

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২২ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টুডেস ডেস্ক:



সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় ৩ সেন্টিমিটার বেড়েছে। 



এরইমধ্যে বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে জেলার পাঁচটি উপজেলার ৩৪টি ইউনিয়নের সাড়ে পাঁচ হাজার পরিবারের অর্ধলক্ষাধিক মানুষ। 



বন্যা কবলিত এলাকার বসতবাড়ি, রাস্তা-ঘাট, হাটবাজারের পাশাপাশি অসংখ্য তাঁত কারখানায় পানি প্রবেশ করায় কর্মহীন হয়ে পড়েছে শ্রমিকেরা।



রোববার (৭ জুলাই) সকালে শহর রক্ষা বাধ পয়েন্টে যমুনা নদীর পানি বিপৎসীমার ৬১ সেন্টিমিটার ওপরে রয়েছে। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড সিরাজগঞ্জের গেজ রিডার হাসান মামুন জানান, পানি বৃদ্ধির হার অনেকটাই কমে এসেছে।


এদিকে সিরাজগঞ্জ জেলা শহরের হার্ড পয়েন্ট ও মালশাপাড়ায় পাউবোর চায়না বাঁধ এলাকা থেকে ভ্রমণকারীদের যমুনায় নৌকা চলাচল শনিবার দিনভর নিয়ন্ত্রণ করে পুলিশ ও জেলা প্রশাসন। ‌



পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি এড়াতে প্রশাসন থেকে শহর রক্ষা বাঁধের আশেপাশে ও যমুনায় নৌ চলাচল সাময়িক বন্ধ রাখা হয়েছে।


পানি বৃদ্ধির ফলে জেলার কাজিপুর, সদর, বেলকুচি, চৌহালী ও শাহজা্দপুর উপজেলার নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলের নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। পানি উঠে পড়ায় এসব এলাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও বন্ধ রাখা হচ্ছে।


সিরাজগঞ্জে পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান বলেন, ‌আজ থেকে পানি বৃদ্ধির হার আরও কমার সম্ভাবনা আছে।


আরও খবর



লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে প্রণোদনার সার-বীজ নিয়ে কর্মকর্তাদের নয়-ছয়

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২২ জুলাই ২০২৪ |

Image

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি::


আমন ধান উৎপাদন বৃদ্ধি এবং উৎসাহের সাথে ফলনের জন্যে বাংলাদেশ সরকার কৃষকদের মাঝে কৃষি প্রণোদনা হিসেবে সার-বীজ কৃষি অফিসের মাধ্যমে বিতরণ করে থাকেন। কিন্ত লক্ষ্মীপুরের কমলনগর কৃষি অফিস সেই সার-বীজ নিয়ে নয়-ছয় করছে।

জানা যায়, ৭ নং হাজিরহাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন কৃষি অফিস থেকে মোট ৫৫ জনের একটি তালিকা পেয়েছেন। কিন্তু এদের মধ্যে অনেকেই প্রণোদনা পাননি। তালিকাভূক্ত ১নং ওয়ার্ডের মোহাম্মদ উল্যাহ অভিযোগ করেন তার নাম থাকলেও তিনি কোন সার-বীজ পাননি।পরে তিনি অফিসে গিয়ে তালিকা চেক করলে জানতে পারেন অন্য একজন স্বাক্ষর দিযে তার সার-বীজ নিযে গেছে।

একই এলাকার হেলাল উদ্দিন বলেন, তালিকায় নাম থাকলেও দেয়া হয় না সঠিকভাবে সার-বীজ এবং তিনিও পাননি। ১৪ জুলাই ২০২৪, সকালে অফিসে গেলে উপ-সহকারী কৃষি অফিসার আসিফ রেজা জানান, আপনাদের বরাদ্দকৃত প্রণোদনা শেষ হয়ে গেছে, আবার আসলে পাবেন। 

পরবর্তীতে সংবাদকর্মীদের উপস্থিতিতে, আরেক উপ-সহকারী কৃষি অফিসার আরিফ সহ তালিকা চেক করলে দেখা যায়, প্রণোদনার সার-বীজ মজুদ না থাকলেও, স্বাক্ষর দেয়ার জায়গা খালি রয়েছে। নামে প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বলেন, কিছুদিন আগে আমি এবং স্বপন নামে একজন লাইনে দাড়িয়ে দেখতে স্বপনের নামের পাশে কৃষি অফিসার আসিফ রেজা নিজেই স্বাক্ষর করেছেন। কিছুক্ষণ পরে স্বপন প্রণোদনার সার-বীজ চাইলে তাৎক্ষণিক তিনি বলেন আপনি এইমাত্রই নিয়েছেন। পরে আমি আসিফ রেজাকে বললাম, উনি নেননি, আপনিতো নিজেই এখন তালিকায় স্বাক্ষর করেছেন।

অভিযুক্ত অফিসার আসিফ রেজার কাছে এসব বিষয় সম্পর্কে চানতে চাইলে, তিনি বলেন- কেউ একজন স্বাক্ষর দিয়ে মোহাম্মদ উল্যাহর প্রণোদনার সার-বীজ উত্তোলন করে নিয়ে গেছে, হেলাল উদ্দিনের বিষয়ে বলেন, অসুবিধা নাই উনাকে সার-বীজ ব্যবস্থা করে দিবো। তালিকার স্বাক্ষর না থাকা, সার-বীজ নিয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে জানতে চাইলে, তিনি এ বিষয়ে কোন যথাযথ কোন উত্তর দেননি।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার শাহীন রানার কাছে জানতে চাইলে, তিনি বলেন- যদি কোন কারণে কৃষক সার-বীজ না পেয়ে থাকে দবে পেয়ে যাবে। অব্যবস্থাপনার বিষয়ে তিনি কোন যথাযথ উত্তর দেননি। 

আরও খবর



টানা দ্বিতীয়বারের মতো কোপা আমেরিকা চ্যাম্পিয়ন মেসি বাহিনী

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

ক্রীড়া প্রতিবেদক::


আর্জেন্টাইন ফ্যানদের জন্য একটু আবেগেরই ছিলো কোপার ফাইনালের এ ম্যাচটা। কারণ আর্জেন্টিনার জার্সিতে এটিই ছিল ডি মারিয়ার শেষ ম্যাচ। 

অন্যদিকে আরেক কিংবদন্তি লিওনেল মেসির কোপা আমেরিকার টুর্নামেন্টে এটা ছিল শেষ ম্যাচ। তবে এমন আবেগের ফাইনালটাও যে রঙিন করে তুললেন লাউতারো মার্টিনেজ। ১১২ মিনিটে তার একমাত্র গোলেই টানা দ্বিতীয়বারের মতো কোপা আমেরিকা চ্যাম্পিয়ন হয় আর্জেন্টিনা।


কলম্বিয়ার উগ্র সমর্থকদের কারণে এক ঘণ্টা ২০ মিনিট পর মাঠে গড়ায় কোপা আমেরিকার ফাইনাল ম্যাচ। তবে ম্যাচের শুরু থেকেই আর্জেন্টিনাকে বেশ চাপে রাখে কলম্বিয়া। একের পর আক্রমণে ব্যস্ত থাকেন হামেস রদ্রিগেজরা। অন্যদিকে আর্জেন্টিনাও বেশ কয়েকবার হানা দিয়েছিল কলম্বিয়ার ডেরায়।



আর্জেন্টিনা ম্যাচ শুরু করেছিল মানসিকভাবে পিছিয়ে থেকেই। অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের মা, আলেহান্দ্রো গার্নাচোর ভাইসহ একাধিক খেলোয়াড়ের স্বজনরা আটকে ছিলেন উগ্রপন্থি কলম্বিয়ান সমর্থকদের মাঝে। খেলা শুরুর আগে নিজের মাকে নিরাপদে স্টেডিয়ামে নিয়ে আসতে লকাররুম ছেড়ে বেরিয়ে আসেন ম্যাক অ্যালিস্টার। এমন বিপর্যস্ত আর্জেন্টিনার ওপর শুরু থেকেই চড়াও হয় কলম্বিয়া। কিন্তু প্রথমার্ধে মানসিকভাবে বিধ্বস্ত সেই আর্জেন্টিনাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি সেভাবে। ম্যাচের শুরুতেই গোলের সুযোগ তৈরি করেছেন তারা। আলভারেজের শট অল্পের জন্য চলে যায় পোস্টের বাইরে দিয়ে। 

 

খেলার ৬ মিনিটে অবশ্য বেঁচে যায় আলবিসেলেস্তেরা। কলম্বিয়ার কর্ডোবার শট পোস্টে লেগে বেরিয়ে যায়। অল্পের জন্য গোল খাওয়া থেকে বেঁচে যায় তারা। তার ঠিক চার মিনিট পরে পর আবারও আক্রমণ চালায় কলম্বিয়া। কিন্তু সে যাত্রায় গোল আদায় করতে ব্যর্থ হয় তারা।

 

ম্যাচের ২০ মিনিটে সতীর্থের পাস থেকে সরাসরি গোল পোস্টে শট নিয়েছিলেন মেসি। তবে এ যাত্রায় কলম্বিয়াকে বাঁচিয়ে দেন তাদের গোলরক্ষক। তার ৫ মিনিট পর লিসান্দ্রোকে আঘাত করে হলুদ কার্ড দেখেন কর্ডোবা। ৪৩ মিনিটে বল নিয়ে এগোচ্ছিলেন তাগলিয়াফিকো। বক্সের কাছাকাছি জায়গায় তাকে বাজেভাবে ট্যাকল করায় ফ্রি কিক পায় আর্জেন্টিনা। এ থেকে বক্সের মধ্যে উড়িয়ে বল মারেন মেসি; সতীর্থের হেড চলে যায় ক্রসবারের উপর দিয়ে। আক্রমণ এবং প্রতি আক্রমণে গোলশূন্য সমতায় শেষ হয় প্রথমার্ধ।

 

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই দাপট ধরে রাখে কলম্বিয়া। আক্রমণেও উঠেছিলো কয়েকবার। কিন্তু ৫৮ মিনিটে কোনো রকমে বেঁচে যায় কলম্বিয়া। বাঁ দিক থেকে বল নিয়ে একেবারে প্রতিপক্ষের ডেরায় ঢুকে পড়েন ডি মারিয়া। তার নেয়া শট কোনো রকমে ঠেকিয়ে দেন কলম্বিয়ার গোলরক্ষক কামিলো ভারগাস।


লিওনেল স্ক্যালোনিকে সচরাচর মাথা গরম করতে দেখা যায় না। তবে এদিন তিনি মেজাজ হারালেন। কলম্বিয়ার ফুটবলারদের মারকুটে ফুটবল দেখে নিজেকে আর ধরে রাখতে পারেননি তিনি।   


কোপা আমেরিকার টুর্নামেন্টে আর মাঠে নামা হবে না মেসির -- এটা এক প্রকার নিশ্চিত। চোট পেয়ে যখন মাঠ ছাড়ছিলেন, তখন নিশ্চয় এই কথাটা মনে পড়ছিল তার। ম্যাচের ৬৬ মিনিটে কান্নাভেজা চোখে মাঠ থেকে উঠে গেলেন মেসি। প্রথমার্ধের ৩৫তম মিনিটে চোট পেয়েছিলেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। তারপর বাকি সময়টা তাকে ভুগতে দেখা যায়। ভালভাবে খেলতেও পারছিলেন না। অবশেষে ৬৬ মিনিটে তাকে উঠে যেতে হলো মাঠ থেকে। এরপরে দেখা যায়, বেঞ্চে বসে কান্না করেছেন অঝরে।

  

মেসি উঠে যাওয়ার পর কিছুটা ছন্নছাড়া ফুটবল খেলতে থাকে আর্জেন্টিনা। আক্রমণে উঠেও তার কোনো ফল পাচ্ছিলো না আর্জেন্টনা। ৮৭ মিনিটে এগিয়ে যেতে পারতো আর্জেন্টিনা। গঞ্জালেসের হেড অল্পের জন্য বাইরে দিয়ে চলে যায়। ৯১ মিনিটে ভাল সুযোগ পেয়েছিলেন ডি মারিয়া। বিপক্ষে গোলরক্ষকের ভুলে তিনি সুযোগ পেয়েছিলেন; কিন্তু ফাঁকা পেয়েও বল নিয়ন্ত্রণ করতে না পারায় সুযোগ নষ্ট হয়।

 

নির্ধারিত ৯০ মিনিটও শেষ হয় গোলশূন্য সমতায়। ফলে ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। টুর্নামেন্টের নকআউট ম্যাচগুলোতে এ নিয়ম ছিল না। খেলার ৯০ মিনিট সমতায় শেষ হলে সরাসরি টাইব্রেকার দেয়া হতো। তবে ফাইনাল ম্যাচে সেই নিয়ম নেই। খেলার ৯০ মিনিট শেষে সমতা থাকলে আরও ৩০ মিনিট খেলা হবে। যার জন্য এ ম্যাচও গড়ায় অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে।

 

অতিরিক্ত সময়েও একের পর এক আক্রমণ করে গেছে দুদল। তবে কাঙ্খিত গোলের দেখা পাচ্ছিলেন না কোনও দল। অবশেষে সোনার হরিণ নামক সেই গোলটি পেয়ে যায় আর্জেন্টিনা। ১১২ মিনিটে এলো কাঙ্খিত সেই গোল। মাঝমাঠ থেকে লাউতারো মার্টিনেজকে বল বাড়িয়ে দিলেন লো সেলসো। বক্সের ভেতরে ঢুকে নিখুঁত শটে বল জালে জড়ান লাউতারো। আর সেই গোলেই টানা দ্বিতীয়বারের মতো কোপা আমেরিকার শিরোপা ঘরে তোলে আর্জেন্টিনা। সেই সঙ্গে কোপা আমেরিকার ইতিহাসে এককভাবে সর্বোচ্চ ১৬ বার চ্যাম্পিয়ন এখন আর্জেন্টিনা।


   


আরও খবর