Logo
শিরোনাম

আমি ভালো আছি। শরীর একদম ঠিকঠাক

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

সাংবাদিক রাজিব নুরের ফেসবুক ওয়াল থেকে ঃ

আমি ভালো আছি। শরীর একদম ঠিকঠাক। একটু অবসন্ন। অনেকখানি ট্রমাটাইজড হয়ে আছি।

হামলাটা আমার ওপর যতখানি হয়েছে, তার চেয়ে অনেক বেশি হয়েছে আলমগীর রেজার ওপর। সেলফিটা ওরই তোলা। 

আলমগীরের সঙ্গে আমার ওই দিন, ১১ সেপ্টেম্বরেই প্রথম পরিচয় হয়েছে। ও ‘দেশসেবা’ পত্রিকার বানিয়াচং উপজেলা প্রতিনিধি। তবে প্রথম পরিচয়ে আমাকে বলেছিল, সে আর্টিস্ট। টুকটাক আঁকাআঁকি এবং কম্পিউটার গ্রাফিকস করে জীবিকা নির্বাহ করে। বেশির ভাগ উপজেলা প্রতিনিধিরই বিশাল সহায়সম্পত্তি না থাকলে তা-ই করতে হয়।

আলমগীরকে ইট দিয়ে মারতে গিয়েছিল ওয়াহেদের ছেলে ওয়ালিদ। ও গ্রেপ্তার হয়েছে। মোশাহেদ পেছন থেকে ওয়ালিদকে আটকাতে না পারলে হয়তো আলমগীরের জন্য বাকি জীবন আমার অনুশোচনা করতে হতো।

মোশাহেদ মিয়া ‘কালের কণ্ঠ’ পত্রিকার বানিয়াচং প্রতিনিধি। এর আগে ছিলেন ‘প্রথম আলো’তে। আমিও তখন ‘প্রথম আলো’য় কাজ করতাম। পুরোনো সহকর্মীকে পেয়ে মোশাহেদ ছিলেন উৎফুল্ল। হবিগঞ্জ থেকে আমি সঙ্গে নিয়ে গিয়েছিলাম ওখানকার স্থানীয় দৈনিক সমাচারের নিজস্ব প্রতিবেদক তৌহিদ মিয়াকে।

ছবিতে আমার আর আলমগীরের মাঝে আছে তৌহিদ মিয়া।

আমরা হবিগঞ্জ থেকে রওয়ানা দেওয়ার আগেই তৌহিদ মোশাহেদকে জানিয়ে রেখেছিল। আমাদের জন্য অপেক্ষা করছিলেন মোশাহেদ।ওয়াহেদের পরিবারের লোকজন মোশাহেদ ছাড়া আমাদের সবাইকে মারধর করেছে। মোশাহেদকে বানিয়াচংয়ের গাছপালাও চেনে বলে আমার ধারণা। তাই যে বাড়ির মেয়েরাও বাইরের চার জন লোককে মারতে আসতে পারে, সেই বাড়িতেও তিনি রেহাই পেয়ে গেছেন। 

আলমগীরের তোলা সেলফিতে একটু বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকা মানুষটা হলেন মোশাহেদ মিয়া।  

আহত তিন জনের মধ্যে তুলনায় আমি কম আঘাত পেয়েছি। আমার মোবাইল কেড়ে নিতে গিয়ে হাত মচকে দিয়েছে ওয়াহেদের ছেলেরা। আমাকে ওরা বাধ্য করেছে প্যাটার্ন লক জানাতে।তখন মারধরও করেছে। 

আমার ওপর হামলার প্রতিবাদ করায় অন্যদের ওপর হামলে পড়ে ওরা। আলমগীর রেজা পাশের গ্রামের ছেলে। তাই ওর প্রতিবাদ ছিল জোরালো। ওকেই মেরেছে বেশি ওরা। ইট দিয়ে ওয়ালিদ যে আঘাতটা করতে চেয়েছিল, তাকে বোধ হয় আইনের ভাষায় ‘হত্যাচেষ্টা’ বলা চলে। 

আমার আইনজ্ঞ বন্ধুরা বলছেন, ‘মামলা শক্ত হয়নি।’  

শোরগোল তুলে আমাদের মনে যে আতঙ্ক তৈরি করা হয়েছে, তা-ও কি কম অপরাধ? আমার তখন মনে হয়েছিল, প্রাণসংশয় হতে পারে আজ। আমি ওই আতঙ্কঘোর থেকে বেরিয়ে আসতে পারছি না। ট্রমাটাইজড বাংলা কি আতঙ্কঘোর হবে? এখনও কাজে মনে দিতে পারছি না। ওয়াহেদের মতো ভয়ঙ্কর লোক আমি খুব একটা দেখিনি। মোটর সাইকেল ছেড়ে দেওয়ার পরও লোকটা আমাদের পেছন পেছন দৌড়ে আসছিলেন।

মামলা শক্ত হলো কিনা জানি না। করার দরকারও নেই। ওয়াহেদের কাছ থেকে তো রামনাথ বিশ্বাসের বাড়ি আমি দখল করে নিতে চাইনি। রামনাথ বিশ্বাস নামে একজন ভূপর্যটক, যিনি পৃথিবী ঘুরে এসে বলেছিলেন বানিয়াচং তাঁর পৃথিবী, সেই মানুষের বাড়িটা দখল হয়ে গেছে, এই খবর আমি আমাদের পাঠককে জানাতে জানাতে চেয়েছি।

হাওরাঞ্চলের তিন বিশ্বাস, দেবব্রত বিশ্বাস, হেমাঙ্গ বিশ্বাস আর রামনাথ বিশ্বাস আমাকে সংগীতে এবং ভ্রমণে বিশ্বস্ত হতে শিখিয়েছেন।আমি যদি নির্বাসনে বাধ্য হই, বাধ্যবাধকতা থাকে নির্বাসনদণ্ডে শুধু একজন শিল্পীকেই শুনতে হবে আমার, তবে দেবব্রতকে সঙ্গে নিয়ে যাব। ১০ জন হলে নিশ্চয়ই হেমাঙ্গ বিশ্বাসও থাকবেন সঙ্গে। পাঠক হিসেবে আমার কাছে রামনাথ বিশ্বাস অত অনিবার্য নন।তাঁর গোটা তিরিশেক ভ্রমণকাহিনি আছে, পড়েছিও বেশ কিছু।সেই কবে মনে নেই, যখন জেনেছিলাম, অনেক দিন আগে রামনাথ বিশ্বাস বাই-সাইকেলে করে পৃথিবী ঘুরে এসেছেন, তখন ভেবেছিলাম আমি হেঁটে হেঁটে ঘুরব দেশটা। হেঁটে না হলেও আমি তো ঘুরেছি দেশটা। এক বানিয়াচংয়েই অন্তত পাঁচবার গিয়েছি। আবারও যাব নিশ্চয়ই।আমি তো এখন রামনাথ বিশ্বাসের পক্ষভুক্ত হয়ে গিয়েছি।

আমাদের ওপর হামলার বিচার চেয়ে অনেক মানুষ মাঠে নেমেছেন দেখতে পাচ্ছি।আপনাদের কাছে আমার কৃতজ্ঞতার সীমা নেই। আমিও বিচার চাই আমাদের ওপর হামলার। আইনানুযায়ী যতটা শাস্তি ওয়াহেদ ও তাঁর ছেলেদের পাওনা হয়, তার চেয়ে একটু যেন কম না হয় বিচারটা। সেই সঙ্গে চাই, সবাই যেন রামনাথ বিশ্বাসের দখল হয়ে যাওয়া বাড়িটি উদ্ধার করে সংরক্ষণের দাবি জানান।

বানিয়াচংয়ে কমলারাণীর সাগরদীঘি বলে একটা দীঘি আছে। পুরানকথার সেই দীঘির পাড়ে আমাদের চারজনের এই ছবিটা তোলা হয়েছিল।


আরও খবর



মোরেলগঞ্জে নারী ইউপি সদস্য’র জমি দখল, পিটিয়ে আহত

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

এম.পলাশ শরীফ, নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

 বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্য জাহানারা বেগম (৪৮) কে পিটিয়ে আহত করে জমি দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার দুপুরে পশুরবুনিয়া গ্রামে। আহত ওই ইউপি সদস্যকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

অভিযোগে জানাগেছে, খাউলিয়া ইউনিয়নের ১,২ ও ৩ নং সংরক্ষিত আসনের ইউপি সদস্য পশুরবুনিয়া গ্রামের মো. ফকরুল ইসলাম ফকিরের স্ত্রী জাহানারা বেগম দীর্ঘদিন ধরে ক্রয়সূত্রে বসতবাড়ি সংলগ্ন ১৭ শতক জমি ভোগ দখল করে আসছে।

উক্ত জমি জোরপূর্বক দখলের জন্য দু’দফা হামলা চালায় একই গ্রামের প্রভাবশালী আব্দুল খালেক হাওলাদারের নেতৃত্বে বহিরাগত ২০/২৫ জন লোক জমিতে ঘেরাবেড়া দিয়ে দখলে নেয়। এ সময় হামলাকারিদের বাঁধা দিলে ইউপি সদস্য জাহানারা ও তার ছোট ছেলে জহিরুল ইসলাম ফকিরকে বেধড়ক মারপিট করে আহত করে। গুরুত্বর জখমী জাহানারা বেগমকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসারত মেম্বার জাহানারা বলেন, চিকিৎসা নিতে আসার পথিমধ্যে ওরা বাঁধা প্রদান করেছে। বিষয়টি চেয়ারম্যান সাহেব ও ফাঁড়ি পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।  

এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান মাষ্টার মো. সাইদুর রহমান বলেন, ইউপি সদস্যকে মারপিটের ঘটনা শুনে তাৎক্ষনিক পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে। পরিষদে একটি লিখিত অভিযোগও দিয়েছেন। শনিবার উভয় পক্ষকে ডাকা হয়েছে।

সন্ন্যাসী ফাঁড়ি ইনচার্জ এসআই অনুপ রায় বলেন, পশুরবুনিয়া গ্রামে ইউপি মেম্বারের ওপর হামলা ঘটনা শুনে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করা হয়েছে। মেম্বার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। লিখিত কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি। 


আরও খবর



আমদানি ব্যয় সংকোচন নীতির সুফল মিলছে অর্থনীতিতে

প্রকাশিত:রবিবার ১১ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

সরকারের নানা পদক্ষেপের কারণে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। ব্যাংক-ব্যবসায় এবং বাণিজ্য সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, গত জুলাই ও আগস্ট মাসে অর্থনীতির কয়েকটি সূচক ঊর্ধ্বমুখী ধারায় ফিরেছে। বিশেষ করে রেমিট্যান্স প্রবাহ ও রপ্তানি আয় বৃদ্ধি পেয়েছে। এর সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের আমদানি ব্যয় সংকোচন নীতির সুফল মিলছে অর্থনীতিতে।

বিদেশি মুদ্রার সঞ্চয়ন বা রিজার্ভের প্রধান উৎস রপ্তানি আয় ও রেমিট্যান্স। আর এ দুটির উল্লম্ফনের মধ্য দিয়ে অর্থনীতিতে স্বস্তির আভাস মিলেছে। এখন তৈরি পোশাক রপ্তানির ওপর ভর করেই গত অর্থবছরের মতো রপ্তানি আয়ে সুবাতাস বইতে শুরু করেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য মতে, চলতি বছরের সদ্যবিদায় হওয়া মাস আগস্টে ২০৩ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। গত বছরের আগস্টে এসেছিল ১৮১ কোটি ডলার। সে হিসাবে গত বছরের একই সময়ের ব্যবধানে রেমিট্যান্স বেড়েছে ১২ দশমিক ৬ শতাংশ। চলতি বছরের জুলাই মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ২০৯ কোটি ডলার।

প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের মতো রপ্তানি আয়েও সুবাতাস বইছে। গত আগস্ট মাসে বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি করে ৪৬০ কোটি ৭০ লাখ ডলার আয় করেছেন বাংলাদেশের রপ্তানিকারকরা। এই অঙ্ক গত বছরের আগস্টের চেয়ে ৩৬ দশমিক ১৮ শতাংশ বেশি। আর লক্ষ্যমাত্রার বেশি ৭ দশমিক ১৪ শতাংশ। 

সম্প্রতি প্রকাশিত রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) হালনাগাদ তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই অর্থবছরের জুলাই-আগস্ট সময়ে তৈরি পোশাক রপ্তানি থেকে এসেছে ৭১১ কোটি ২৬ লাখ ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ২৬ দশমিক ১ শতাংশ বেশি। লক্ষ্যের চেয়ে বেশি আয় হয়েছে ৭ দশমিক ২৪ শতাংশ। দুই বছরের করোনা মহামারির পর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ধাক্কায় ওলটপালট হয়ে যাওয়া বিশ্ব অর্থনীতিতে রপ্তানি আয় কমবে বলে আশঙ্কা করছিলেন রপ্তানিকারকরা। 

আগামী দিনগুলোতেও রপ্তানি বাড়ার আশা করছেন দেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান খাত তৈরি পোশাকশিল্প-মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ-এর সাবেক সভাপতি বাংলাদেশ চেম্বারের বর্তমান সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী পারভেজ। তিনি বলেন, নানা ধরনের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার মধ্যেও দুই মাসে সার্বিক রপ্তানিতে ২৫ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি অবশ্যই একটা ভালো দিক। তৈরি পোশাক রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি ২৬ শতাংশের বেশি। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্যে এই উল্লম্ফন আমাদের আশান্বিত করেছে। এই সংকটের সময় রেমিট্যান্সের পাশাপাশি রপ্তানি আয় বাড়াটা খুবই দরকার ছিল। এর মধ্য দিয়ে রিজার্ভ বাড়বে। ডলারের বাজারে যে অস্থিরতা চলছে, সেটাও কেটে যাবে বলে আশা করছি।


আরও খবর

স্বর্ণের দাম কমেছে

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২




মতিঝিল থানার ৮, ৯ ও ১০ নং ওয়ার্ড আওমীলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

 নিজস্ব প্রতিনিধি: সোমবার রাজধানীর মতিঝিল টিএনটি স্কুল মাঠে ৮, ৯ ও ১০ নং ওয়ার্ড আওমীলীগের ত্রিবার্ষীক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানের শুভ উদ্ভোধন করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ¦ আবু আহমেদ মান্নাফী।

এসময় প্রধান অতিথি হিসিবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, প্রধান বক্তা হিসিবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ হুমায়ুন কবির।

অতিথিবৃন্দ দেশের উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত কে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে সকল নেতাকর্মীকে একসাথে কাজ করার আহŸান জানান।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আব্দুস সাত্তার মাসুদ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের ১নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এ্যাডঃ কাজী মোরশেদ হেসেন কামাল, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক মোঃ নাসির হোসেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের ৬৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শফিকুল ইসলাম খান দিলু, ০৯নং ওয়াড যুবলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও ০৯নং ওয়ার্ড আওমীলীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রাথী নুরুল ইসলাম চৌধুরী নুরুসহ আয়োমীলীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেত্রীবৃন্দ ও ইলেক্টিক ও পিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


এ সময় ৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী নুরুল ইসলাম চৌধুরী নুরু বলেন আমাকে যদি ৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয় তাহলে আমি এ এলাকার সন্ত্রাস মাদক নির্মূল সহ এলাকার উন্নয়নে কাজ করে যাবো।


আরও খবর



ঢাকায় বাড়ছে বন্যার ঝুঁকি

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

রোকসানা মনোয়ার : আগে ঢাকার মতো প্রাকৃতিক নিষ্কাশন ব্যবস্থা পৃথিবীর কোথাও ছিল না। কিন্তু এরই মধ্যে সেই নিষ্কাশন ব্যবস্থা মরে গেছে। ভরাট করা হয়েছে জলাশয়, পুকুর ও খালবিল। ফলে রাজধানী শহরটি মারাত্মকভাবে বন্যাকবলিত হওয়ার আশঙ্কায় আছে।

এতে এক দশকেরও কম সময়ের মধ্যে নতুন করে বন্যার ঝুঁকিতে পড়েছেন দেড় কোটি মানুষ, যা দেশের জনসংখ্যার ৯ শতাংশ। প্লাবনভূমি ও নদী তীরে বসতি এবং অবকাঠামো বেড়ে যাওয়ায় এ ঝুঁকি আরো বাড়ছে। ফলে জলবায়ুর বিরূপ প্রভাবে বন্যার ভয়াবহতা সামনের দিনগুলোতে আরো তীব্র হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। 

 ( বাংলাদেশের নদী এলাকায় মানব উপস্থিতি ও বন্যার ঝুঁকির গতিবিধি ) বিভিন্ন সময়ের উপগ্রহের ছবির একটি মূল্যায়ন’ শিরোনামের গবেষণা করে জিওকার্টো ইন্টারন্যাশনাল। যা একটি আন্তর্জাতিক গবেষণা সাময়িকীতে প্রকাশ পেয়েছে। নিবন্ধটির গবেষকদের একজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক।

এছাড়া অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ গবেষণায় দেখা গেছে, বর্তমানে বাংলাদেশে আট কোটি ৭০ লাখ (প্রায় পৌনে ৯ কোটি) মানুষ সরাসরি বন্যাকবলিত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন। এসব মানুষ বাস করছেন দেশের ছোট-বড় নদীগুলোর দুই কিলোমিটারের মধ্যে। এ ছাড়াও বিভিন্ন কারণে মানুষের জন্য বন্যার ঝুঁকি বেড়েছে। যেমন, নদীর ১-২ কিলোমিটার তীরবর্তী বনাঞ্চল ৯১.৯৮ শতাংশ সংকুচিত হয়ে গেছে। তৃণভূমি ৬ শতাংশ ও অনুর্বর ভূমি কমেছে ২৭.৯২ শতাংশ। এ ছাড়াও প্লাবনভূমি আর নদী অববাহিকায় বসতি ও স্থাপনা নির্মাণ বেড়েছে ১১ শতাংশের বেশি।

এদিকে, মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার আর্থ অবজারভেটরির এক প্রতিবেদন বলছে, ১৯৮৮ সালে ঢাকার জনসংখ্যা ছিল ৫৭ লাখ। কিন্তু ২০২২ সালে এসে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে দুই কোটি ২০ লাখে। জনসংখ্যার এই ব্যাপক বৃদ্ধির কারণে বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ শহরগুলোর একটি এখন ঢাকা। যে কারণে এখানকার বহু মানুষকে বন্যাপ্রবণ এলাকাগুলোতে বাস করতে হচ্ছে।

ন্যাচার সাময়িকীর এক বিশ্লেষণ বলছে, ঢাকার চারপাশেই নদী। দক্ষিণে বুড়িগঙ্গা, পশ্চিমে তুরাগ, উত্তরে টঙ্গীখাল ও পূর্বে বালু নদী। ২০০০ সাল থেকে বুড়িগঙ্গা ও বালু নদীর তীরে জনবসতি বেড়েছে।

প্রসঙ্গত, ১৯৮৮ সালের বন্যায় ডুবে গিয়েছিল ঢাকা। এতে দুই হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। আর ১৯৯৮ সালের বন্যায় মারা যান ৯০০ জন। প্রায় সাড়ে ৩০০ কোটি মার্কিন ডলারের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, উপগ্রহের মাধ্যমে তোলা রাতের ছবির পিক্সেলের আলো বিশ্লেষণ করে দেশের কোথায় কোথায় মানুষের বসতি গড়ে উঠেছে, সে সম্পর্কে ধারণা নেওয়া হয়েছে। ছবিতে কোথাও কোথাও আলোর উজ্জ্বলতা বেড়েছে।

আলোর উজ্জ্বলতার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে গবেষক দলের নেতা ও অস্ট্রেলিয়ার কার্টিন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আশরাফ দেওয়ান বলেন, ‘আমাদের নগর কিংবা গ্রামীণ অঞ্চলে আলো থাকে। যেসব অঞ্চলে শিল্পকারখানা আছে, সেখানেও আলো থাকে। নাসার বিশেষায়িত একটি উপগ্রহ আছে, যেটা কেবল রাত্রিকালীন আলোর তথ্য চিত্রায়ন করে। অর্থাৎ কোথায় আলো কমেছে কিংবা কোথায় বেড়েছে, তা ধারণ করতে পারে এ উপগ্রহ। এ রকম উপগ্রহ দিয়ে ১৯৯২ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ৩০ বছরের ডেটা নিয়েছি আমরা। কিন্তু এ গবেষণায় ২০০০-২০১৮ সালের তথ্য ব্যবহার করেছি।

বন্যার ঝুঁকি কেন বেড়েছে তার ব্যাখ্যা দিয়ে এই গবেষক আরো বলেন, প্লাবনভূমি কমে গেলে বন্যার পানি কোথায় যাবে? তখন তা মানুষের বসতবাড়ি থেকে শুরু করে অবকাঠামোগুলো ডুবিয়ে দেবে। রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত করবে।

গবেষণা অনুসারে ঢাকা সবচেয়ে বেশি বন্যার ঝুঁকিতে। কারণ রাজধানীর জনসংখ্যার বড় একটি অংশ নদীর পাশে বসবাস করে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক, পানিসম্পদ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিশেষজ্ঞ আইনুন নিশাত বলেন, আগে পানি যেখানে ওঠার কথা উঠত, এখনো যেখানে ওঠার কথা সেখানে ওঠে। কিন্তু পানি যেখানে ওঠার কথা, এখন সেখানে মানুষ থাকে। কাজেই মানুষ থাকে বলে তাদের ক্ষতি হচ্ছে। আগে ঢাকার শ্যামলী পর্যন্ত পানি আসত, কল্যাণপুরে পানি আসত। এখন মানুষ থাকতে চাইলে পানি আটকাতে হবে। আর পানিকে আটকানো হয়েছে। আর ভিতরে যাতে পানি থাকতে না পারে, সে জন্য পাম্পিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। অর্থাৎ পানির সঙ্গে যুদ্ধ করে বসবাস করতে চাইলে পানি সরিয়ে দিতে হবে। কাজেই পানিকে দোষ দিয়ে কিছু হবে না, পানির কাজ পানি করবেই।


আরও খবর

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন বাজেট ঘোষণা

মঙ্গলবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০22

ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়েই চলেছে

সোমবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২




আশুলিয়ায় ৫শ' বাড়ির গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

আশুলিয়ায় প্রায় ৫শ বাসা বাড়ির অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে তিতাস গ্যাস এন্ড ট্রান্সমিশন ডিসট্রিবিউশন কোম্পানি। এসময় জব্দ করা হয়েছে অবৈধ গ্যাস সংযোগে ব্যবহার করা পাইপ ও রাইজার।

মঙ্গলবার বিকাল পর্যন্ত আশুলিয়ার ধনাইদ,গোরাট ও ইউসুফ মার্কেট এলাকায় এই উচ্ছেদ অভিযান চালায় তিতাস কর্তৃপক্ষ। কর্মকর্তারা জানায়, মূল লাইন থেকে অবৈধভাবে নিম্নমানের পাইপ ব্যবহার করে একটি চক্র বিভিন্ন বাসাবাড়িতে ঝুঁকিপূর্ণভাবে গ্যাস সংযোগ দিয়েছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। এসময় প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকায় অভিযান চালিয়ে জব্দ করা হয় অবৈধ সংযোগ নিতে ব্যবহার করা পাইপ ও রাইজার। এছাড়া প্রায় ৫শ বাসাবাড়ির অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে তিতাস কর্তৃপক্ষ।


আরও খবর