Logo
শিরোনাম

আমিরাত ভ্রমণকারীর তালিকায় শীর্ষ তিনে বাংলাদেশ

প্রকাশিত:Friday ০৮ April ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভ্রমণকারীদের তালিকায় শীর্ষ তিনে রয়েছেন বাংলাদেশি নাগরিকরা। এই তালিকায় বাংলাদেশের ওপরে রয়েছে যুক্তরাজ্য ও ভারত।

দ্য ন্যাশনাল নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। তালিকার চতুর্থ, পঞ্চম ও ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে পাকিস্তান, জার্মানি এবং সৌদি আরব থেকে আসা পর্যটকরা।

প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, আরব আমিরাতের রাজধানী দুবাইতে আসা ব্যবসায়ী ভ্রমণকারীরা মূল্য বাংলাদেশ, ভারত এবং পাকিস্তান থেকে ভ্রমণ করেন। এই তালিকায় এরপরই রয়েছে সৌদি আরব এবং যুক্তরাজ্য।

ট্রাভেল টেকনোলজি কোম্পানি ট্রাভেলপোর্টের মতে, ভ্রমণ শিল্পের সাথে জড়িত দেশগুলোর মধ্যে করোনার প্রভাব সবচেয়ে বেশি কাটিয়ে উঠতে পেরেছে ইউএই। মহামারি শুরুর আগের তুলনায় বেড়েছে এমিরেটসের যাত্রী সংখ্যাও।

ইতোমধ্যেই আরব আমিরাতের জনসংখ্যার ৯৮.৪৯ শতাংশেরও বেশি সম্পূর্ণরূপে টিকাপ্রাপ্ত হওয়ায় ভ্রমণকারীরাও করোনার আশঙ্কা ছাড়াই দেশটিতে ভ্রমণ করতে পারছেন। এছাড়া আমিরাতে ভ্রমণকারীদের বেশিরভাগই দুবাইতে ভ্রমণ করছেন।

ট্র্যাভেল পোর্টের মতে, করোনার প্রভাব থেকে মুক্ত হওয়া মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে দুবাইয়ের অবস্থান দ্বিতীয় এবং বিশ্বব্যাপী পঞ্চম। আর দুবাইয়ের আগে তালিকায় রয়েছে ডোমিনিকান রিপাবলিক, জ্যামাইকা, মেক্সিকো এবং সৌদি আরবের রিয়াদ।


আরও খবর



মালয়েশিয়ায় কর্মসংস্থান আইন সংশোধন

প্রকাশিত:Wednesday ১১ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

রোকসানা মনোয়ার :মালয়েশিয়া এমপ্লয়মেন্ট (কর্মসংস্থান) আইন সংশোধন করেছে। যা ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট আইনের ৬০ ধারা সংশোধন করে লেবারের ডিরেক্টর জেনারেলের কাছ থেকে পূর্বানুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

এজন্য নিয়োগকর্তা বা নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের জন্য কিছু বাধ্যতামূলক শর্ত রয়েছে; যেমন—এমপ্লয়মেন্ট আইনের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো ইস্যু পেন্ডিং থাকা যাবে না; এমপ্লয়মেন্ট আইনের অধীনে প্রদত্ত কোনো সিদ্ধান্ত বা আদেশ বা নির্দেশনা বাস্তবায়ন করা; সকসো, মিনিমাম বেতন এবং মিনিমাম আবাসনের শর্ত প্রতিপালন না করার কারণে নিয়োগ কর্তাকে কোনো দণ্ড আরোপ করলে এবং সে মোতাবেক অবস্থার উন্নয়ন না করলে; মানবপাচার ও জবরদস্তিমূলক শ্রমের জন্য নিয়োগকর্তা শাস্তি পেলে নিয়োগের অনুমতি পাবে না।

বর্তমান আইন অনুযায়ী বিদেশিকর্মী নিয়োগের জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হবে নিয়োগকর্তাদের এবং অবশ্যই কোন পদে বা কোন কাজের জন্য নিয়োগ করবে তা স্পষ্ট উল্লেখ করা; কর্মরত স্থানীয় কর্মীর সংখ্যা; কর্মরত বিদেশি কর্মীর সংখ্যা, কোম্পানির নাম, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, কোম্পানির ঠিকানা ও অবস্থান; কোম্পানির যোগাযোগের তথ্যাদি; সেক্টর; কোম্পানি বা ব্যবসা শুরুর তারিখ; কোম্পানির বর্তমান অবস্থা; সকসো নম্বর তথ্য দিতে হবে।

জি-টু-জি প্লাসের নিয়োগের সময় বাংলাদেশ হাইকমিশনের শ্রম উইং ডিমান্ড এটেস্টেশন করার পূর্বে সরেজমিন নিয়োগকর্তা বা কোম্পানির উপযুক্ততা নির্ণয়ের জন্য যেসব বিষয়াদি যাচাই করেছিল ঠিক সে বিষয়গুলো মালয়েশিয়া সংশোধিত এমপ্লয়মেন্ট আইনের অধীনে এনেছে।

হাইকমিশনের শক্ত অবস্থানের কারণে জি-টু-জি প্লাসের সময় তুলনামূলক ভালো এবং শতভাগ কর্মসংস্থান হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে মালয়েশিয়ার সংসদেও ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। সিন্ডিকেট এবং অতিরিক্ত অভিবাসন খরচের ইস্যুর ভিড়ে ভালো কর্মসংস্থানের ইস্যুটি চাপা রয়ে গেছে।

এমন কি কোম্পানির পরিচালকের সাক্ষাৎ এবং লিখিত ঘোষণাও নিয়েছিল যেন বাংলাদেশি কর্মীরা ভালো থাকে। উপযুক্ততা না থাকায় অনেক কোম্পানির এটেস্টেশন করেনি এবং পদ্ধতি অনুসরণ না করায় মালয়েশিয়ার বিমান বন্দরে আগত কর্মীকে নিয়োগকর্তা নিজ খরচে ফেরত পাঠিয়ে এবং পুনরায় যথা নিয়মে মালয়েশিয়ায় আনয়ন করেছিল।

সে সময়ের লেবার কাউন্সিলর সরকারের অবসরপ্রাপ্ত সচিব মো. সায়েদুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের কর্মীদের যৌক্তিক এবং নিরাপদ মাইগ্রেশন অর্থাৎ সঠিক কোম্পানিতে কাজ পাওয়া এবং ভালোভাবে থাকার বিষয়টি ছিল চ্যালেঞ্জের এবং অত্যাধিক গুরুত্বারোপ করা হয়েছিল। ফলে অনেক চাপ ও বিরোধিতা এবং নেতিবাচক প্রপাগান্ডা সত্ত্বেও আমরা নিয়োগকর্তার ও কোম্পানির অবস্থা যাচাই না করে এটেস্টেশন করিনি। এতে দীর্ঘদিনের কাজ না পাওয়া, অমানবিক অবস্থার শিকার হওয়ার যে দুর্নাম ছিল সেখান থেকে উত্তরণ ঘটানো সম্ভব হয়েছে।

করোনার আগে মালয়েশিয়ায় আগমনে বিদেশি কর্মীদের উচ্চ অভিবাসন খরচ এবং কর্মীদের মানহীন আবাসনের কারণে আমেরিকা ও ইউরোপ মালয়েশিয়ায় উৎপাদিত পণ্য গ্রহণ না করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।

আন্তর্জাতিকভাবে এ দুটিকে মানবপাচার এবং জবরদস্তিমূলক শ্রম অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এ দুটি অভিযোগ মালয়েশিয়ার উন্নত দেশের স্বীকৃতি লাভের ক্ষেত্রে অন্যতম বাধা। এসব সমস্যা কাটিয়ে ওঠার জন্য মালয়েশিয়া সরকার জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা এবং দেশীয় এনজিওদের সঙ্গে কাজ করছে।

এরই মধ্যে মালয়েশিয়া সরকার আইএলও কনভেনশনে সই করেছে। বর্তমান সরকার বিদেশি কর্মী নিয়োজন প্রক্রিয়া বেশি সহজ ও সংক্ষিপ্ত করার কাজ করছে।


আরও খবর



নওগাঁয় স্কুলে যাওয়ার একমাত্র পথ ভেঙ্গে পুকুর-গর্ভে

প্রকাশিত:Monday ২৩ January 20২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন :

নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার একটি প্রত্যন্ত অঞ্চল হচ্ছে মিরাট গ্রাম। মিরাট গ্রামে ১৮৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত মিরাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আর এক পাশে ১৯৯০ সালে প্রতিষ্ঠিত মিরাট উচ্চ বিদ্যালয়। এই দুই বিদ্যালয়ের যাতায়াতের জন্য মাঝে রয়েছে একটি রাস্তা। যে রাস্তাদিয়ে দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শতাধিক শিক্ষার্থী সহ গ্রামবাসীরা প্রতিনিয়তই চলাচল করেন। কিন্তু দীঘদিন যাবত ঢালাই করা রাস্তাটি ভেঙ্গে পুকুর-গর্ভে বিলীন হলেও তা মেরামত করার প্রতি দৃষ্টি নেই কর্তৃপক্ষের।

স্থানীয় বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম বলেন, রাস্তাটি নির্মাণ করার ৪ মাস পর যদি ভেঙ্গে যায় তাহলে কি পরিমাণ নিম্ম মানের কাজ করা হয়েছিলো তা বোঝা যায়। প্রতিদিনই শিক্ষার্থীসহ শত শত গ্রামের বাসিন্দাদের চরম ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। রাস্তাটি ভেঙ্গে যাওয়ার কারণে পায়ে হেটে যাওয়া ছাড়া কোন উপায় নেই। এতে করে প্রতিনিয়তই চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

মিরাট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মমতাজ উদ্দিন বলেন, আনুমানিক দেড়বছর আগে এই রাস্তাটি তৈরি করে উপজেলা এলজিইডি বিভাগ। পুকুরপাড়ে পালাসাইড না দিয়ে শুধুমাত্র কয়েকটি পিলারের সঙ্গে ইটের গাঁথুনির উপর ঢালাই দিয়ে নির্মাণ করা হয় জনগুরুত্বপূর্ন এই রাস্তাটি। নির্মাণের প্রায় ৪মাস পরই ইটের গাঁথুনি আর পিলার পুকুরগর্ভে ভেঙ্গে যাওয়ার কারণে রাস্তাটির ৪ ভাগের ৩ ভাগই ভেঙ্গে পুকুরগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। সামান্য একটু অংশের উপর দিয়ে প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। শুষ্ক মৌসুমে কোনমতে চলাচল করা গেলেও বর্ষা মৌসুমে চলাচল করতে গেলেই পা পিছলে পুকুরের মধ্যে পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। ইতিমধ্যেই স্কুলে চলাচল করার সময় শিশুসহ অনেক শিক্ষার্থী মনের অজান্তে পুকুরে পড়ে ঘটেছে দুর্ঘটনা। তাই অতিদ্রুত দীর্ঘস্থায়ীভাবে এই রাস্তাটি মেরামত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি। 

উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ ইসমাইল হোসেন বলেন, আমি এই উপজেলাতে নতুন। সরেজমিনে পরিদর্শন করে দ্রুত এই রাস্তাটিকে মেরামত কিংবা সংস্কার করার পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।


আরও খবর



ঊনসত্তরের শহিদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা

প্রকাশিত:Friday ২০ January ২০23 | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

অধ্যাপক আ ব ম ফারুক :

আজ ছিল শহিদ আসাদ দিবস। ১৯৬৯ সালের এই দিনে অর্থাৎ ২০শে জানুয়ারি পাকিস্তানের কুখ্যাত স্বৈরাচার আইয়ুব খানের কুশাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনরত ছাত্র-গণমিছিলে পুলিশের গুলিবর্ষণে আসাদ (পুরো নাম আমানউল্লাহ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান) শহিদ হন। তিনি ছিলেন ঊনসত্তরের তীব্র গণ-আন্দোলনে পথিকৃত শহিদ। এই আন্দোলনে অগণিত শহিদদের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত অন্য দুজন হলেন শহিদ রুস্তম ও শহিদ মতিউর। 

১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ঐতিহাসিক ৬-দফা দাবিনামা পেশের পর থেকে বাঙালি এর স্বপক্ষে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলে। এই আন্দোলনে ৬-দফাকে সমর্থন করে তার সাথে গণমুখী শিক্ষার দাবি একত্রিত করে দেওয়া ছাত্রদের ১১-দফা দাবি পেশ এই আন্দোলনকে সুতীব্র করে। এই আন্দোলন-হরতালের সাথে আইয়ুব খানের ‘আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা’ দায়ের ও কথিত এই মামলায় ‘প্রধান আসামী’ শেখ মুজিবসহ (তিনি তখনও ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি লাভ করেননি) মোট ৩৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তির নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে ছাত্র নেতৃবৃন্দ ৬-দফা ও ১১-দফার সাথে একাত্মতা ঘোষণা করে ১৯৬৯ সালের ৪ঠা জানুয়ারি। দেশের সর্বত্র এই প্রতিবাদ-আন্দোলন আরো বেগবান হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভা থেকে ছাত্র-নেতৃবৃন্দ কর্তৃক ১৭ই জানুয়ারি দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের ডাকে । এর বিরুদ্ধে তখনকার পূর্ব পাকিস্তানের কুখ্যাত গভর্নর মোনায়েম খান দেশব্যাপী ১৪৪ ধারা জারি করে। কিন্তু এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ২০শে জানুয়ারি দুপুরে এক ছাত্র-গণমিছিল ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের পাশে চাঁন খাঁর পুলে সমবেত হলে পুলিশের গুলিতে আসাদ শহীদ হন। এর প্রতিবাদে লাখো ছাত্র-জনতা কান্না ও ক্ষোভে  পুনরায় আসাদের রক্তমাখা শার্ট পতাকার মতো নিয়ে সমবেত হয়ে মিছিল নিয়ে শহিদ মিনারে আসে। সেখানে ছাত্র নেতৃবৃন্দ ২২, ২৩ ও ২৪শে জানুয়ারি শহিদ আসাদের স্মরণে সারা দেশে ধর্মঘট ও গণ-বিক্ষোভের ডাক দেয় এবং দেশবাসী তা শ্রদ্ধার সাথে পালন করে। এর শেষ দিনে অর্থাৎ ২৪শে জানুয়ারি পুলিশ আবার ক্ষোভে উত্তাল ছাত্র-জনতার উপর গুলিবর্ষণ করে এবং ঢাকার মালিবাগ মোড়ে মতিউর রহমান শহিদ হন। 

ঊনসত্তরে সারা দেশব্যাপী এই গণ-আন্দোলনের ফলস্বরূপ বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন আরো বেগবান হয়, আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা তুলে নিতে সরকার বাধ্য হয়, বাংলার অবিসংবাদিত জননেতা শেখ মুজিব ষড়যন্ত্রমূলক মৃত্যুর হাত থেকে ফিরে আসেন এবং স্বৈরাচারী আইয়ুব সরকারের পতন হয়।

শহিদ আসাদ, শহিদ মতিউর ও ঊনসত্তরের আরো অগণিত নাম না জানা শহিদদের আত্মদান দেশের স্বাধীনতাকামী মানুষের জন্য প্রবল শোক ও সেই সাথে প্রবল অনুপ্রেরণার উৎস। এই ঐতিহাসিক গণ-আন্দোলন পাকিস্তানের অমানবিক শোষণের প্রতি বাঙালির তীব্র ঘৃণা ও প্রতিবাদের প্রতীক এবং অধিকার আদায়ের আন্দোলনের প্রেরণা হয়ে বেঁচে থাকবে।

আসাদের আত্মদানের খবরে সমগ্র দেশ বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। বিক্ষুব্ধ জনতা সর্বত্র আইয়ুবের ছবি অপসারণ করে, ঢাকার আইয়ুব গেটের নামফলক ভেঙ্গে নতুন নামকরণ করে ‘আসাদ গেট’, আইয়ুব রোডের নাম রাখে ‘আসাদ রোড’ এবং আইয়ুব পার্কের নাম রাখে ‘আসাদ পার্ক’।

এই গণ-আন্দোলন ও আত্মত্যাগের স্মরণে আমাদের কবি-সাহিত্যিকরাও অনেক প্রবন্ধ-কবিতা-গল্প লিখেছেন। কয়েকটি বিখ্যাত কবিতা হলো কবি শামসুর রাহমানের ‘আসাদের শার্ট’, কবি হেলাল হাফিজের ‘নিষিদ্ধ সম্পাদকীয়’ এবং তখনকার পাকিস্তানি সৈন্য আর পুলিশ বোঝাই  অসংখ্য ট্রাক নিয়ে কবি আল মাহমুদের নিম্নরূপ কবিতাটি -

‘ট্রাক ট্রাক ট্রাক

শুয়োরমুখো ট্রাক আসছে 

দুয়োর বেঁধে রাখ।

বাঁধবো কেন দুয়ার ওগো

তুলবো কেন খিল।

আসাদ গেছে মিছিল নিয়ে

আসবে সে মিছিল।

ট্রাক ট্রাক ট্রাক 

ট্রাকের বুকে আগুন দিতে

মতিউরকে ডাক।

কোথায় পাবো মতিউরকে

ঘুমিয়ে আছে সে।

তোরাই তবে সোনা মাণিক

আগুন জ্বেলে দে।’

বঙ্গবন্ধু পরিষদের পক্ষ থেকে শহিদ আসাদ ও শহিদ মতিউরসহ ঊনসত্তরের সব বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করি।

জয় বাংলা। জয় বঙ্গবন্ধু।

লেখক ঃ

সাধারণ সম্পাদক, বঙ্গবন্ধু পরিষদ


আরও খবর



রাজবাড়ীতে অসহায় ১৬ শত নারীকে কম্বল ও চিকিৎসা সেবা প্রদান

প্রকাশিত:Monday ১৬ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

রাজবাড়ী প্রতিনিধি : দেশের সব চেয়ে বড় যৌনপল্লি রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া (পূর্বপাড়ায়) অসহায় ১৬শত নারীকে কম্বল ও ফ্রি চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়েছে।

সোমবার ( ১৬ জানুয়ারী ) বিকেলে রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া পূর্বপাড়া এলাকায় অসহায় নারীদের কম্বল বিতরন ও ফ্রি চিকিৎসা সেবা আয়োজন করেন উত্তরন ফাউন্ডেশন।

কম্বল বিতরন ও ফ্রি চিকিৎসা সেবা ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার এম এম শাকিলুজ্জামান। এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ সালাহউদ্দিন, গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি ) স্বপন কুমার দাস, উত্তরন ফাউন্ডেশনের সদস্য তানিয়া হক শোভা, পূর্বপাড়ার অসহায় নারী ঐক্য সংগঠনের সভানেত্রী ঝুমুর বেগম উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় দেশের সব চেয়ে বড় যৌনপল্লি রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া পূর্বপাড়ায় অসহায় ১৬ শত নারীকে কম্বল তুলে দেন আগত অতিথিরা। 

কম্বল বিতরন শেষে উত্তরন ফাউন্ডেশনের সদস্য তানিয়া হক শোভা বলেন, উত্তরন ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি হাবিবুর রহমানের নীজ উদ্যোগে উত্তরন ফাউন্ডেশন সব সময় অসহায়, পিছিয়ে পড়া, বেদে, যৌনকর্মী ও তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের জীবনযাত্রা উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। আামীতেও এর ধারা অব্যাহত থাকবে। 

পরে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে আগত দশ সদস্যের একটি টিম দিন ব্যপী চিকিৎসা সেবা ও বিনামূল্যে ঔষুধ বিতরন করেন।


আরও খবর



বাড়তে শুরু করেছে প্রবাসী আয়

প্রকাশিত:Tuesday ১৭ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

নতুন বছরের শুরুতেই বাড়তে শুরু করেছে প্রবাসী আয়। জানুয়ারি মাসের প্রথম ১৩ দিনে রেমিটেন্স এসেছে ৯২ কোটি ৮৬ লাখ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশী মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা।

এদিকে গেল বছরের ডিসেম্বরে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৫৯ কোটি ৪৭ লাখ মার্কিন ডলার। যা ২০২১ সালের ডিসেম্বরের চেয়ে প্রায় ৭ কোটি ডলার বেশি। সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক তাদের প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানায়। প্রতিবেদন বলছে এ সময় প্রবাসীরা সবচেয়ে বেশি ৭৭ কোটি ১৩ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে। অন্যদিকে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ১২ কোটি ৯২ লাখ মার্কিন ডলার। তবে এ সময়ে সাত ব্যাংক থেকে আসেনি কোনো প্রবাসী আয়। 


আরও খবর

কমছে আয়, বাড়ছে ব্যয়

Saturday ০৪ February ২০২৩