Logo
শিরোনাম

আমিরাতে বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল

প্রকাশিত:Thursday ২৮ April ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

মো নূরুল্লাহ  খান, আরব আমিরাত থেকে 

অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে প্রবাসীদের নানাবিধ সমস্যা ও সফলতা প্রচারে গণমাধ্যমকর্মীরা বেশ অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন। যখনই প্রবাসীরা কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত সমস্যায় পড়ছেন দূতাবাস ও কনস্যুলেটের সঙ্গে যোগাযোগ করে সমাধানের পথ বের করতে সহযোগিতা করছেন আমিরাতে বসবাসরত প্রবাসী সাংবাদিকেরা। সাহসিকতার সঙ্গে তারা তাদের দায়িত্ব পালন কর‍তে সক্ষম হচ্ছেন। 

গতকাল মঙ্গলবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের পেশাদার সাংবাদিকদের সংগঠন বাংলাদেশ প্রেসক্লাব ইউএই'র ইফতার ও দোয়া মাহফিলে অতিথিরা এসব কথা বলেন। সংগঠনের সভাপতি সিরাজুল হকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল বিএম জামাল হোসেন।

সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ মুরশেদ আলমের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কনস্যুলেটের প্রথম সচিব (পাসপোর্ট) মোহাম্মদ কাজি ফয়সাল, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রাজা মল্লিক, আবু হেনা, শওকত মোল্লা, নাজমুল হক, জাহাঙ্গীর আলম রুপু, ইমাম হোসেন জাহিদ পারভেজ। 

এসময় কনস্যুলেট জেনারেল বিএম জামাল হোসেন বলেন, প্রবাসীদের যেকোনো সমস্যা যাতে দ্রুত সময়ে আমাদের জানাতে পারেন সেজন্য কনস্যুলেটে প্রবেশের ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা করে রাখা হয়েছে। সাংবাদিকেরা দেশের স্বার্থে, প্রবাসীদের সমস্যার কথা আমাদের জানাতে প্রেস কার্ড দেখিয়ে যেকোনো পরিস্থিতিতে কনস্যুলেটে প্রবেশ কর‍তে পারবেন৷

এসময় উপস্থিত ছিলেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি মামুনুর রশীদ, প্রেসক্লাবের সহ সম্পাদক সনজিত কুমার শীল, সহ সম্পাদক মোদাসসের শাহ, সহ সম্পাদক আব্দুল আলিম সাইফুল, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল্লাহ শাহীন, অর্থ সম্পাদক মুহাম্মদ ইসমাইল, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক ইশতিয়াক আসিফ, সৈয়দ খোরশেদ আলম, শামসুল হক, মুহাম্মদ মেহেদি, মামুন, সাগর প্রমুখ।

সবশেষে মোনাজাত পরিচালনা করেন অর্থ সম্পাদক মুহাম্মদ ইসমাইল।


আরও খবর



অবৈধ স্টান্ড উচ্ছেদের দাবিতে মানববন্ধন

প্রকাশিত:Saturday ১৪ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image
নারায়ণগঞ্জে যানজট নিরসনে

বুলবুল আহমেদ সোহেল :

নারায়ণগঞ্জে যানজট নিরসনে চাষাঢ়ায় মৌমিতা বাসসহ সকল অবৈধ স্ট্যান্ড শহর থেকে উচ্ছেদ হকার্সমুক্ত ফুটপাত এবং পুলিশ ফাঁড়ি ও ডাক বাংলোর ছেড়ে দেয়া রাস্তা দ্রুত নির্মাণ করার দাবীতে মানববন্ধন করেছে আমরা নারায়ণগঞ্জবাসী সংগঠন। শনিবার সকালে নগরীর চাষাঢ়ায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। মানববন্ধনে আমরা নারায়ণগঞ্জবাসী সংগঠনের সভাপতি নুর উদ্দিনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন নারায়ণগঞ্জ নাগরিক কমিটির সভাপতি এ বি এম সিদ্দিক, কুতুব উদ্দিনসহ নেতৃবৃন্দ।

মানববন্ধনে বক্তাগন প্রশাসনের প্রতি নারায়ণগঞ্জে যানজট নিরসনে চাষাঢ়ায় মৌমিতা বাসসহ সকল অবৈধ স্ট্যান্ড শহর থেকে উচ্ছেদ দাবী জানিয়ে বলেন, মৌমিতা বাস গুলির অনুমতি না থাকা সত্ত্বেও চাষাঢ়ায় এসে প্রতি নিয়ত যানজটের সৃষ্টি করছে। অবিলম্বে এ বাস চাষাঢ়ায় আসা বন্ধ করতে হবে। ফুটপাতের অবৈধ দখল মুক্ত করতে হবে। বক্তগন বলেন, এ সব বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে কঠোর আন্দোলন করা হবে।


আরও খবর



রহস্যময় বেলুন কানাডায়ও

প্রকাশিত:Saturday ০৪ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

যুক্তরাষ্ট্রের পর কানাডার আকাশেও একটি রহস্যময় বেলুন দেখা গেছে শুক্রবার দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাতে রয়টার্স তথ্য জানিয়েছে

বলা হয়, মার্কিন কর্মকর্তারা মোন্টানার আকাশে নজরদারি বেলুন দেখতে পাওয়ার পর তারাও একইরকম একটি নজরদারি বেলুনের সন্ধান পেয়েছেন অতি-উচ্চতার থাকা বেলুনটি শনাক্তের পর গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছে নর্থ আমেরিকান অ্যারোস্পেস ডিফেন্স কমান্ড আকাশ নিরাপদ রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এর আগে মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, তারা নিশ্চিত, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে গোয়েন্দা নজরদারি করতে চীন বেলুন পাঠিয়েছে যদিও বেলুনের জন্য সরাসরি চীনকে দোষারোপ করেনি কানাডা


আরও খবর



নওগাঁয় বোরো ধান চাষের শুরুতেই বিদ্যুতের লোড শেডিং, দুঃশ্চিন্তায় কৃষকরা

প্রকাশিত:Thursday ০২ February 2০২3 | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :

নওগাঁয় চলতি ইরি বোরো ধান চাষের ভরা মৌসুমের শুরুতেই বিদ্যুতের ঘনঘন লোড শেডিংএ দেখা দিয়েছে। ফলে ইরি বোরো ধান চাষের জমিতে পানি সেচ দেওয়া নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে কৃষকদের মাঝে। সার-তেলের সংকট না থাকলেও ধানের চারা এক চতুর্থাংশ নষ্ট এবং বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি করায় ধান উৎপাদনে বাড়তি খরচ হচ্ছে বলেও দাবি ধান চাষি কৃষকদের। চৈত্র মাসে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে যায় বর্তমান সময়ের দেড়গুণ। সে সময় চাহিদা মতো বিদ্যুৎ সরবরাহ না হওয়ায় অধিকাংশ জমিতে পানি সেচ এর অভাবে ধান চাষের জমি শুকে ফেটে যায়। ইতি মধ্যেই ধানের জন্য দেশের মধ্যে বিক্ষাত এজেলায় কৃষি পরামর্শের পাশাপাশি ধান উৎপাদন সঠিক রাখতে নওগাঁয় বিদ্যুতের বিশেষ বরাদ্দের বাদি জানানো হয়েছে। 

নওগাঁ গ্রিড (বিদ্যুৎ) বিভাগ অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি ইরি বোরো মৌসুমের শুরুতে জেলায় ১শ’ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ চাহিদার পরিবর্তে ৮০ মেগাওয়াটের নিচে সরবরাহ থাকছে। যার ফলে আগের চেয়ে বর্তমানে লোডশেডিং এর পরিমাণ বেড়ে গেছে।

চৈত্র মাসে নওগাঁ জেলায় প্রায় দেড়শ’ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা হয়। 

নওগাঁর বিভিন্ন এলাকার কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ধান উৎপাদনে দেশের অন্যতম জেলা নওগাঁয় পুরোদমে শুরু হয়েছে ইরি বোরো চাষ। সার-তেলের সংকট না থাকলেও ইরি বোরো চাষের শুরুতেই দেখা দিয়েছে বিদ্যুতের ঘনঘন লোডশেডিং। 

এই লোডশেডিং এর মাত্রা বেড়ে যায় প্রতি বছরের চৈত্র মাসে। সে সময় বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে যায় বর্তমান সময়ের দেড়গুণ। চাহিদা মতো বিদ্যুৎ সরবরাহ না হওয়ায় চৈত্র মাসে সেচ দেওয়া সম্ভব হয় না অনেক বোরো ধান চাষের জমিতে। সে সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ না পাওয়ায় ঘনঘন লোডশেডিংএ সেচের অভাবে ধানের জমি ফেটে যায়। এতে তূলনা মূলক ফেটে যাওয়া জমিতে ফলন কম হয়। 

নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার চৌমাশিয়া ও খোর্দ্দনারায়নপুর গ্রামের কৃষক সাজ্জাদ হোসেন মন্ডল, শাহ আলম, নজরুল ইসলাম বাবু সহ জেলা সদর উপজেলার শৈলগাছী বাজার এলাকায় কথা হয় কৃষক আমজাদ হোসেন, করিম হোসেন, আবুল কালাম সহ আরো কযেক জন কৃষকের সাথে। কৃষকরা জানান, গত কয়েক দিনের ঠান্ডায় এক চতুর্থাংশ ইরি বোরো ধানের চারা নষ্ট হয়ে গেছে। ফলে ধানের চারা বাজার থেকে কিনে প্রতি বিঘায় প্রায় ২ হাজার টাকারও বেশি খরচ হচ্ছে। এসময় কৃষি বিভাগ থেকে পরামর্শ না পাওয়ার অভিযোগ করেন কয়েক জন কৃষক।

নওগাঁ সদরের বোয়ালিয়া গ্রামের মাঠে কৃষক মেহেদী হাসান জানান, জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের দাম সরকারি ভাবে বৃদ্ধি করায় গত বছরের তুলনায় প্রতি বিঘায় এ বছর সেচের দাম ৫শ’ টাকা থেকে ১ হাজার টাকা বেড়ে দিয়েছে নলকূপের মালিকরা। এ ছাড়াও কিটনাশকের দাম বৃদ্ধি, জমি চাষ,  লাগানো, নিরানী সহ শ্রমিকের মূল্যও বেড়েছে। একারনে গত বছরের চেয়ে এ বছর প্রতি বিঘায় ৩ হাজার টাকা থেকে ৪ হাজার টাকা ধান উৎপাদন খরচও বেড়ে গেছে। প্রতি মণ বোরো ধান ১৫শ’ টাকা থেকে ১৬শ’ টাকায় বিক্রি না হলে লোকসান গুণতে হবে বলেও মনে করছেন কৃষকরা।  

নওগাঁ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আবু হোসেন জানান, নওগাঁ জেলায় চলতি মৌসুমে ১ লাখ ৮৯ হাজার হেক্টর জমিতে ইরি বোরো ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইত্যে মধ্যেই প্রায় ৪৫ হাজার হেক্টর জমিতে ধান চাষ (রোপন) সম্পন্ন করেছেন কৃষকরা। কৃষি বিভাগ থেকে কৃষকদের কৃষি পরামর্শ না পাওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে আবু হোসেন আরো জানান, প্রয়োজন মত লোকবল না থাকায় কোথাও অসুবিধা হতে পারে। তবে মাঠ পর্যায়ে উপ-সহকারিদের সেল ফোন ও তাদের সাথে যোগাযোগ করার জন্যে বলা হয়েছে কৃষকদের। 

বাংলাদেশ কৃষক সমিতি নওগাঁ জেলা শাখার সহ-সভাপতি মহসিন রেজা জানান, একে তো বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি করায় বোরো ধানের উৎপাদন খরচ বেড়ে গেছে। আবার সেচ নির্ভর বোরো ধান বিদ্যুতের লোডশেডিং আরো বেশি হলে সেক্ষেত্রে সেচ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে জ্বালানি তেল দিয়ে ইরি বোরো চাষের জমিতে পানি সেচ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। এতে আরো বেড়ে যাবে কৃষকদের উৎপাদন খরচ।

ইরি বোরো উৎপাদন মৌসুমে নওগাঁয় নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ রাখার দাবি জানান এই কৃষক নেতা।  

নওগাঁ গ্রিড (বিদ্যুৎ ) বিভাগের উপ-সহকারি প্রকৌশলী সুলতান বায়জিত জানান, বর্তমানে নওগাঁয় ১শ’ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা থাকলেও সেখানে ৭৫ মেগাওয়াট থেকে ৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুত সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে, এজন্য মাঝে মাঝে লোডশেডিং চলছে জানিয়ে অতিদ্রুত চাহিদা মতো বিদ্যুৎ পেলে এসমস্যার সমাধান হবে বলেও আশাব্যাক্ত করেন তিনি। তিনি আরো বলেন, চৈত্র মাসে প্রায় দেড়শ’ ১শ’ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা হয়। ইত্যে মধ্যেই সরকারের উচ্চ পর্যায়ে চাহিদা পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি। 

 


আরও খবর



রেস্তোরাঁ ব্যবসায় ফিরছে সুদিন

প্রকাশিত:Sunday ১৫ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

রোকসানা মনোয়ার :বড় পরিবর্তন এসেছে দেশের রেস্তোরাঁ শিল্পে। মানুষের খাদ্যাভ্যাস ও রুচির পরিবর্তন হয়েছে। সারা দেশের ছোট-বড় শহরে গড়ে উঠেছে উন্নতমানের রেস্তোরাঁ। জিডিপির পাশাপাশি প্রতি বছর বাড়ছে কর্মসংস্থান। পৃথিবীজুড়ে এখন এ শিল্প সম্ভাবনাময়। বাংলাদেশেও সেটা হবে। আগামীতে পাশ্চাত্যের দেশগুলোর মতো মানুষ রেস্তোরাঁনির্ভর জীবনযাপন করবে। সেভাবে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ও অভ্যাস গড়ে উঠছে। এদিকে, সম্প্রতি সরকারিভাবে রেস্তোরাঁকে শিল্পের মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। এ ঘোষণায় উচ্ছ্বসিত ব্যবসায়ীরা। উন্নত বিশ্বের মতো দেশের রেস্তোরাঁ ব্যবসাকেও মানসম্পন্ন জায়গায় নিতে স্বপ্ন বুনছেন তারা।

শিল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রেস্তোরাঁর প্রসারে এ শিল্পে এখন পর্যন্ত বিপুল কর্মসংস্থানও হয়েছে। দেশের প্রায় দুই কোটি মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এ শিল্পের সঙ্গে জড়িত। পাশাপাশি এ শিল্প কৃষি, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও পর্যটনসহ অন্যান্য অর্থনীতিতেও বড় ভূমিকা রাখছে। সরকার শিল্প ঘোষণা করায় আগামী এক দশকে এ শিল্প আরো তিন গুণ প্রসার হবে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হোটেল ও রেস্টুরেন্ট সার্ভে-২০২১ এর তথ্য বলছে, গত ১১ বছরে দেশে হোটেল ও রেস্তোরাঁর সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ১ লাখ ৬১ হাজার। ২০০৯-১০ সালে যেখানে দেশে রেস্তোরাঁর সংখ্যা ছিল ২ লাখ ৭৫ হাজার, তা গত বছর বেড়ে ৪ লাখ ৩৬ হাজার হয়েছে। এ সময়ে কর্মরত মানুষের সংখ্যাও হয়েছে দ্বিগুণ। ২০০৯-১০ অর্থবছরে হোটেল ও রেস্তোরাঁয় কর্মরত ছিলেন ৯ লাখ ৪ হাজার মানুষ, যা গত বছর বেড়ে ২০ লাখ ৭২ হাজার হয়েছে। ফলে এক দশকে মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপিতে মূল্য সংযোজন বেড়েছে আট গুণ। এক দশক আগে ২০০৯-১০ অর্থবছরে হোটেল-রেস্তোরাঁ থেকে মূল্য সংযোজন হয়েছিল মাত্র ১১ হাজার ৯৮৬ কোটি টাকা। আর সবশেষ ২০১৯-২০ অর্থবছরে হয়েছে ৮৭ হাজার ৯২৬ কোটি টাকা।

আগামী ১০ বছরে এ শিল্প আরো তিন গুণ এগিয়ে যাবে বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করে বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির মহাসচিব ইমরান হাসান বলেন, সরকারের উদ্যোগে রেস্তোরাঁকে শিল্প ঘোষণা করা হয়েছে। এতে আমাদের খাতের বিদ্যমান অনেক সমস্যা সমাধান হবে। বর্তমানে এ শিল্প যে অবস্থায় রয়েছে, আগামী ১০ বছরে তা আরো তিন গুণ বাড়বে।

ইমরান হাসান আরো বলেন,  আগামীতে এ শিল্প থেকে প্রচুর প্রশিক্ষিত কর্মী রপ্তানি সম্ভব হবে। সেটি অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখবে। আবার বিভিন্ন দেশ থেকে ফেরত প্রবাসীরাও এ খাতে জড়িয়ে পড়ছে ব্যাক টু ব্যাক শিল্পের মতো। সরকারের সদিচ্ছা থাকলে বিশ্বব্যাপী হসপিটালিটি খাতে দুই কোটি কর্মী রপ্তানি সম্ভব।

এসব বিষয়ে কথা হয় আল-কাদেরিয়া লি: এর চেয়ারম্যান, রেস্তোরাঁ মালিক ফিরোজ আলম সুমনের সাথে । তিনি জানান, অপেক্ষাকৃত কম পুঁজিতে বাংলাদেশে হোটেল-রেস্তোরাঁ ব্যবসা লাভজনক। এছাড়া মানুষের খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন ও ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি এ শিল্প জনপ্রিয় হওয়ার মূল কারণ। সে কারণেই ঢাকা নয়, জেলা ও উপজেলায়ও প্রতিনিয়ত নতুন নতুন হোটেল-রেস্তোরাঁ গড়ে উঠছে। আবার প্রতিনিয়ত নতুন নতুন খাদ্যের প্রসার এ শিল্পকে সমৃদ্ধ করছে। যে কারণে দেশের অর্থনীতিতে অবদান বাড়ছে এ শিল্পের।

সুমন আরো বলেন, এতদিন রেস্তোরাঁ ব্যবসা শিল্পের মর্যাদা না পাওয়ার কারণে বেশ সমস্যা হয়েছে। বিশেষ করে ব্যবসায়ীদের সরকারি সেবা নেওয়ার ক্ষেত্রে চড়া মূল্য দিতে হতো। ফলে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়েছে অনেকে। তা ছাড়া ব্যাংকঋণের উচ্চ সুদহারের কারণে যেসব প্রতিষ্ঠান ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে তাদের ব্যবসার প্রসার করেছেন, তারা প্রতিনিয়ত চড়া সুদ গুনেছে।

ঋণ পরিশোধ সব সময়ই আর্থিক চাপ, এমনকি অনেক প্রতিষ্ঠান টিকতে পারেনি। শিল্প না হওয়ার কারণে এতদিন রেস্তোরাঁ ব্যবসা দেশের পুঁজিবাজার, বিশেষ করে সম্ভাবনাময় বন্ড মার্কেট গড়ে ওঠার ক্ষেত্রেও কোনো ভূমিকা নেয়নি।

আল-কাদেরিয়া রেস্টুরেন্টের কর্ণধার ফিরোজ আলম সুমন আরো বলেন, রেস্তোরাঁ ব্যবসা নির্ঞ্ঝাট নয়। বড় বড় রেস্তোরাঁয় এখন বিনিয়োগও প্রচুর। তারপরও এ ব্যবসার কোনো স্বীকৃতি ছিল না। কোনো মন্ত্রণালয়ের অধীনে সহায়তা মেলেনি। সেজন্য এ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত উদ্যোক্তাদের প্রায়ই নানা ধরনের সংকটের মুখোমুখি হতে হয়েছে। টিকতে না পেরে মুখ থুবড়ে পড়েছে অনেক তরুণের উদ্যোগ। এ খাত শিল্প হওয়ায় এখন অনেক সমস্যা কেটে যাবে। বড় বিনিয়োগ আসবে। কয়েক বছরের মধ্যে এ খাত পাল্টে যাবে। যেসব তরুণ উদ্যোক্তা রেস্তোরাঁগুলোতে আধুনিকতার ছোঁয়া লাগিয়ে যাচ্ছেন তারা আরো উদ্যমী হবেন। ব্যাংকগুলো সব ব্যবসায় ঋণ দিলেও রেস্তোরাঁ ব্যবসায় ঋণ দিতে চাইতো না। সহজ শর্তে ঋণ পেলে তরুণরা আরো ভালো করবেন।

শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শেখ ফয়েজুল আমীন বলেন, মোটাদাগে এখন অন্য শিল্পের মতো সব সুবিধাপ্রাপ্ত হবে রেস্তোরাঁগুলো। তাতে এ ব্যবসায় সরকারের সহায়তা বাড়বে। বড় বড় বিনিয়োগ আসবে। ব্যাংকগুলোও বিনিয়োগকারীদের সহায়তা দেবে। এমনকি এ খাতে বিদেশি বিনিয়োগও বাড়বে।


আরও খবর

কমছে আয়, বাড়ছে ব্যয়

Saturday ০৪ February ২০২৩




বর্ষসেরা কোচ হলেন লিওনেল স্কালোনি

প্রকাশিত:Tuesday ১০ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Sunday ০৫ February ২০২৩ |
Image

ইয়াশফি রহমান :বিশ্বজয়ী কোচ লিওনেল স্কালোনিকে এবার বর্ষসেরা কোচের সম্মানে ভূষিত করেছে আন্তর্জাতিক ফুটবল ফেডারেশনের ইতিহাস এবং পরিসংখ্যান বিভাগ (আইএফএফএইচএস)। আর্জেন্টাইন এই কিংবদন্তি এখানে টেক্কা দিয়েছেন ফ্রান্সের দিদিয়ের দেশ্যম ও মরক্কোর ওয়ালিদ রেগরাগুইকে।

অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে আইএফএফএইচএস স্কালোনি সম্পর্কে লিখেছে, ২০২১ সালে কোপা আমেরিকা জয়ের পর স্কালোনির দল জিতেছে ফিনালিসিমা ও বিশ্বকাপ।

আর্জেন্টিনার প্রধান কোচ হিসেবে তার চুক্তি বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। সেই চুক্তিতে সই করবেন বলেও জানিয়েছেন স্কালোনি। আপাতত ২০২৬ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত চুক্তি রয়েছে স্কালোনির। অর্থাৎ, চার বছর পরে আমেরিকা, কানাডা ও মেক্সিকোতে আয়োজিত বিশ্বকাপেও আর্জেন্টিনার কোচ হিসেবে দেখা যাবে স্কালোনিকে।

আইএফএফএইচএস এর জরিপে সেরা কোচের তালিকায় যারা ছিলেন তারা হলেন- ১. লিওনেল স্কালোনি- ২৪০ পয়েন্ট, ২. দিদিয়ের দেশ্যম- ৪৫ পয়েন্ট, ৩. ওয়ালিদ রেগরাগুই- ৩০ পয়েন্ট, ৪. জ্লাত্‍কো দালিচ- ২০ পয়েন্ট, ৫. হাজিমে মরিয়াসু- ১৫ পয়েন্ট, ৬. লুইস ফন গাল ও গ্রেগ বারহাল্টার- ১০ পয়েন্ট, ৭. হার্ভে রেনার্ড, তিতে ও পাওলো বেন্তো- ৫ পয়েন্ট।


আরও খবর