Logo
শিরোনাম

আন্ত:জেলা ডাকাত দলের ৬ সদস্যকে গ্রেফতার ও লুণ্ঠিত মালামাল

প্রকাশিত:Thursday ০৩ November ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রির্পোটারঃ 

নওগাঁয় রাস্তায় গাছ ফেলে বিভিন্ন পরিবহনে ডাকাতির সঙ্গে জড়িত আন্ত:জেলা ডাকাত দলের ৬ জন সদস্যকে গ্রেফতার ও লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার সহ ডাকাতি কাজে ব্যবহৃত দেশী অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করেছে নওগাঁ জেলা পুলিশ। বৃহস্পতিবার ৩ নভেম্বর দুপুরে নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মুহাম্মদ রাশিদুল হক রাশেদ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ৩০ অক্টাবর রাত অনুমান ১.৫০ ঘটিকায় নওগাঁ জেলার মহাদেবপুর উপজেলার মহাদেবপুর- সতীহাট গামী পাকা রাস্তার সুলতানপুর নামক স্থানে ৮/১০ জন এর ডাকাতকদল গাছ কেটে রাস্তায় প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করে মাইক্রোবাস এবং পিকআপ ঠেকিয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রের ভয় দেখিয়ে লোকজনের কাছ থেকে মোবাইল ফোন ও নগদ ২৮ হাজার ২শ’ টাকার মালামাল লুট করে নেয়।


এঘটনার শিকার মহাদেবপুর থানার মহাদেবপুর দুলালপাড়ার মৃত মমতাজ হোসেনের ছেলে আবুল কালাম আজাদ বাদী হয়ে বুধবার মহাদেবপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার সূত্র ধরে জড়িত ডাকাতদের শনাক্তকরন, গ্রেফতার, লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার ও ডাকাতি কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেন পুলিশের একটি চৌকস দল। বুধবার রাতে জেলার মান্দা, নিয়ামতপুর, পোরশা ও মহাদেবপুর উপজেলায় অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ সদস্যরা জেলার মান্দা উপজেলার চকজামদই গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে ডাকাতদলের সদস্য তারেক ওরফে হৃদয় (২৫), একই উপজেলার মোয়াই গ্রামের সাত্তারের ছেলে জুয়েল (২৬), নিয়ামতপুর উপজেলার ভবানীপুর দামনাশপাড়ার ইছাহক আলীর ছেলে নুরুজ্জামান সাগর (২৮), একই উপজেলার পরানপুর (বরাইল দেনপুকুরপাড়া) গ্রামের বিকাশ (২৬), পোরশা উপজেলার শোভাপুর গ্রামের মৃত আবেদ আলীর ছেলে হায়দার আলী (৩২) ও একই গ্রামের শুকুর মিস্ত্রির ছেলে মেহেদী (২১)কে গ্রেফতার করেন।

গ্রেফতারকৃত আসামীদের কাছ থেকে লুন্ঠিত ৩টি মোবাইল ফোন, ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত চায়নিজ কুড়াল, হাসুয়া, হ্যান্ডকাপ, চাকু এবং লাঠি উদ্ধার করা হয়। এরা সবাই একাধিক ডাকাতি মামলার আসামীও। সকল প্রক্রিয়া শেষে বৃহস্পতিবার বিকেলে গ্রেফতারকৃতদের বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে নওগাঁ জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়। এসময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গাজিউর রহমান, জয়ব্রত পালসহ পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



ধামরাইয়ে দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

প্রকাশিত:Monday ০৬ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

মাহবুবুল আলম রিপন ধামরাই :

ঢাকার ধামরাইয়ে দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার ২যুগ পূর্তি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম স্মরণে দোয়া মাহ্ফিল আলোচনা সভা ও র‍্যালী অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের সুত্রাপুরে মেসার্স তানজীল ট্রেডার্স এ এক সুবিশাল কেক কাটার মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার ধামরাই প্রতিনিধি ও ধামরাই উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ শামীম খান এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কাওয়ালীপাড়া বাজার তদন্ত কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত ইনচার্জ মোঃ আল-আমিন হাওলাদার। অনুষ্ঠানের উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমতা ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আরিফ হোসেন।উক্ত অনুষ্ঠানে বালিয়া ইউনিয়ন আ’লীগের ১নং যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আব্দুল গনি সুমন এর সঞ্চালনায়ে, আরো উপস্থিত ছিলেন দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার সাটুরিয়া প্রতিনিধি মোঃ সাজাহান সরকার, চ্যানেল এস এর ধামরাই প্রতিনিধি ও ধামরাই উপজেলা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মোঃ আমিনুর রহমান, মোহনা টিভি’র ধামরাই প্রতিনিধি ও ধামরাই উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক মেহেদী ইমাম জান কায়সার,দৈনিক আলোকিত প্রতিদিন পত্রিকার ধামরাই প্রতিনিধি ও ধামরাই উপজেলা প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মোঃ মাসুদ রানা, দৈনিক জনবানী পত্রিকার ধামরাই প্রতিনিধি ও ধামরাই উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান খান, দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকার ধামরাই প্রতিনিধি ও ধামরাই উপজেলা প্রেসক্লাবের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম,দৈনিক সকালের সময় ও দৈনিক জনকন্ঠ পত্রিকার ধামরাই প্রতিনিধি ও ধামরাই উপজেলা প্রেসক্লাবের ক্রীড়া-সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোঃ সোহেল রানা, ধামরাই উপজেলা প্রেসক্লাবের অর্থ সম্পাদক ফজলুল হক সবুজ, দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদ পত্রিকার ধামরাই প্রতিনিধি আব্দুর রউফ, দৈনিক খবরপত্র পত্রিকার মোঃ ওয়াশিম, ধামরাই উপজেলা প্রেসক্লাবের সদস্য সাইফুল ইসলাম জনী, মামুন হোসেন,ফারুক হোসেন, সাইফুল ইসলাম মোশারফ হোসেন সহ সকল সাংবাদিক বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



ক্ষতির মুখে আইসিসি

প্রকাশিত:Monday ২৩ January 20২৩ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

ইয়াশফি রহমান :বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। কমপক্ষে ২৫ লাখ ডলার বা প্রায় ২০ কোটি ৩০ লাখ টাকা ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে আইসিসি। তবে ক্ষতির সঠিক পরিমাণ এখনও জানা যায়নি। প্রাথমিক ভাবে জানা গেছে অপরাধটি সংগঠিত হয়েছে আমেরিকা থেকে। যা ২০২২ সালের ঘটনা।

আমেরিকার তদন্তকারী সংস্থা ফেডারেল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই) জানিয়েছে, প্রতারকরা বিজনেস ই-মেল কম্প্রোমাইজ (বিইসি) বা ই-মেল অ্যাকাউন্ট কম্প্রোমাইজ ব্যবহার করেছে। অনলাইন অপরাধের সব থেকে ক্ষতিকারক পদ্ধতি বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা। যদিও আইসিসির বরাত দিয়ে এখনো এই ঘটনা নিয়ে কোনও কিছু বলা হয়নি।

প্রতারকরা আইসিসির অ্যাকাউন্ট থেকে ঠিক কী ভাবে টাকা সরিয়ে নিয়েছে তা এখনও জানা যায়নি। দুবাইয়ে সংস্থার সদর দফতরের কোনও কর্মী এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত কিনা, তাও স্পষ্ট নয়। আইসিসির সঙ্গে যুক্ত অন্য কোনও সংস্থার জড়িত থাকার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না তদন্তকারীরা। এক বারে টাকা সরানো হয়েছে না একাধিক বারে সরানো হয়েছে, তা নিয়েও কিছু জানায়নি আইসিসি কিংবা এফবিআই।


আরও খবর



অস্তিত্ব সংকটে কক্সবাজারের বাঁকখালী নদী

প্রকাশিত:Wednesday ২৫ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

নিজস্ব প্রতিবেদক :কক্সবাজারের প্রধান নদী বাঁকখালী দখল ও দূষণে পড়েছে রীতিমতো অস্তিত্ব সংকটে। এমন কঠিন পরিস্থিতিতে মৃতপ্রায় এ নদী উদ্ধারে এগিয়ে এসেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। নদীর ৫০০ একর ভূমি উদ্ধারে ১৫৭ জন প্রভাবশালী দখলদারের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে এই সংস্থা। ইতোমধ্যে কিছু দখলদারকে নোটিশও দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

দুর্নীতি দমন কমিশন চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-২ এর উপসহকারী পরিচালক জানান, পর্যায়ক্রমে বাঁকখালী নদীর সব দখলদারের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট বাঁকখালী দখলদারদের তালিকা তৈরি করে তাদের উচ্ছেদ এবং দূষণের উৎস চিহ্নিত করে তা বন্ধের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে নদীর তীরে চিংড়ি চাষ, তামাক বা ভিন্ন কোনো উদ্দেশ্যে ইজারা প্রদান থেকে বিরত থাকতে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসকসহ ১০ সরকারি কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন আদালত।

কিন্তু আদালতের নির্দেশনার ছয় বছর পরও জেলা প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর কিংবা কক্সবাজার পৌরসভা কার্যকর কোনো পদক্ষেপই নেয়নি। দখলবাজ চক্র নদী তীরে অবৈধ স্থাপনা গড়ে তোলার পাশাপাশি বাঁকখালী নদীর জমি দেখিয়ে কোটি কোটি টাকার ব্যাংক ঋণ গ্রহণের নজিরও রয়েছে। ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসন থেকে নদী দখলদারদের যে তালিকা করা হয়েছে তাতে প্রভাবশালী অনেকের নাম বাদ পড়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। তবে ওই তালিকার বাইরে থাকা দখলদারদের বিরুদ্ধেও দুদক তদন্ত করবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

নদী তীরবর্তী বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, শহরের উত্তর নুনিয়াছড়া থেকে মাঝেরঘাট পর্যন্ত নদীর প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকায় ভরাট ও দখল তৎপরতা বেশি। কস্তুরাঘাটের বিআইডব্লিউআইটি টার্মিনাল সংলগ্ন নদীর ভরাট জমিতে গড়ে উঠেছে নানা স্থাপনা। তৈরি হয়েছে চিংড়িঘের, লবণ উৎপাদনের মাঠ, প্লট বিক্রির হাউজিং কোম্পানি, নৌযান মেরামতের ডকইয়ার্ড, ময়দা ও বরফ কল, শুঁটকি মহালসহ অসংখ্য ঘরবাড়ি।

শহরের চারটি পয়েন্টে ময়লা-আবর্জনা ফেলে নদীর তলদেশ ভরাট করছে খোদ পৌরসভা কর্তৃপক্ষ। ভরাট নদীতে ময়লা-আবর্জনা ও পলিথিনের কারণে কেওড়া ও বাইন গাছের প্যারাবন মরে যাচ্ছে। ধ্বংস হচ্ছে জীববৈচিত্র্য।

আদালতের নির্দেশের পর প্রশাসন কতিপয় দখলদারের একটি তালিকা তৈরি করে নোটিশ জারি করেছিল। এরপর কয়েক দফা লোকদেখানো উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত নদীতে বর্জ্য ফেলা বন্ধ হয়নি। উচ্ছেদ হয়নি অবৈধ দখলদারও। প্রায় ৮০ কিলোমিটারের এই নদীর বাংলাবাজার থেকে নুনিয়াছড়া পর্যন্ত ১৬ কিলোমিটার অংশে দখলের ঘটনা বাড়ছে। এসব এলাকায় দখলদারের সংখ্যা অন্তত এক হাজার।

জানতে চাইলে এ বিষয়ে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) বলেন, উচ্চ আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য জেলা প্রশাসনের তরফ থেকে বাঁকখালী নদীর অবৈধ দখলদারদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। খুব শিগগিরই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে।


আরও খবর



সুলতান আলাউদ-দীন হোসাইন শাহের কবর ফলক স্থানান্তর

প্রকাশিত:Monday ২৩ January 20২৩ | হালনাগাদ:Sunday ০৫ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন :

নওগাঁর মান্দায় ঐতিহাসিক কুসুম্বা মসজিদে যাতায়াতের রাস্তার ধারে থাকা সাংস্কৃতিক অঙ্গনের কালো পাথরের প্রাচীন নিদর্শনটি ''সুলতান আলাউদ-দীন হোসাইন শাহের কবর ফলক বা শিরোনা'' স্থানান্তর করা হয়েছে। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের উদ্যোগ ও স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় শনিবার ২১ জানুয়ারী দুপুরে কুসুম্বা মসজিদের উত্তর পাশে তেঁতুলতলায় এটি সরিয়ে নেওয়া হয়।

এসময় প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর রাজশাহী ও রংপুর অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক ড. নাহিদ সুলতানা, প্রত্নতাত্ত্বিক যাদুঘর মহাস্থানগড়ের কাষ্টোডিয়ান রাজিয়া সুলতানা, প্রত্নতাত্ত্বিক যাদুঘর পাহাড়পুরের কাষ্টোডিয়ান ফজলুল করিম, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর রাজশাহী ও রংপুর অঞ্চলের গবেষনা সহকারী হাসানাত বিন ইসলাম, মান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবু বাক্কার সিদ্দিক, উপজেলা প্রকৌশলী শাইদুল ইসলাম মিয়া, কুসুম্বা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নওফেল আলী মণ্ডল, কুসুম্বা শাহী মসজিদের সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

এ প্রসঙ্গে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর রাজশাহী ও রংপুর অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক ড. নাহিদ সুলতানা বলেন, কালো পাথরের খণ্ডটি সাংস্কৃতিক অঙ্গনের প্রাচীন একটি নিদর্শন। এটি সুলতান আলাউদ-দীন হোসাইন শাহের কবর ফলক বা শিরোনা কিনা বলা যাচ্ছে না। লিপিটার পাঠোদ্ধার হলেই বিস্তারিত জানা যাবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জনশ্রুতি আছে সুলতান আলাউদ-দীন হোসাইন শাহের স্ত্রী কুসুম বিবি সেই সময় মান্দার কুসুম্বা গ্রামে অবস্থান করতেন। সেই সুবাদে শেষ বয়সে সুলতান কুসুম্বা গ্রামে স্ত্রীর কাছে অবস্থান করাও বিচিত্র নয়। যেহেতু সুলতান আলাউদ-দীন হোসাইন শাহ মৃত্যুর সময় কোথায় অবস্থান করছিলেন প্রচলিত গ্রন্থে তার উল্লেখ না থাকায় ধরে নেওয়া যায় তিনি কুসুম্বাতে সমাহিত রয়েছেন। প্রাচীন এ নিদর্শন সম্পর্কে ইতিহাসবিদ অধ্যাপক ইমরুল কায়েস চৌধুরী ‘কালান্তরে নওগাঁ’ গ্রন্থে উল্লেখ করেন লিপিযুক্ত প্রস্তর খণ্ডটি সুলতান আলাউদ-দীন হোসাইন শাহ্রে কবর ফলক বা শিরোনা।


আরও খবর



সীমান্ত সড়ক প্রকল্প পরিদর্শন করলেন সেনাপ্রধান

প্রকাশিত:Monday ৩০ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

উচিংছা রাখাইন, রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি :

পার্বত্য চট্টগ্রামের সীমান্ত সড়ক প্রকল্পের কাজ পরিদর্শন করেন সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। ৩০ জানুয়ারী সোমবার পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম সাইচাল আর্মি ক্যাম্পে দুমদুম্যা এলাকায় সীমান্ত সড়কের প্রকল্প পরিদর্শন করেন এবং কাজের অগ্রহতি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলেন।

এ সময় সেনাপ্রধানের সাথে লেঃ জেনারেল আতাউল হাকিম সারওয়ারি হাসান, এসবিপি, এসজিপি, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, পিএইচডি, মেজর জেনারেল মোঃ নজরুল ইসলাম, এসপিপি, এনডিইউ, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ হাবিব উল্লাহ, এসপিপি, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী, বিএসপি, এসইউপি, এনডিসি, এইচডিএমসি সহ রাঙ্গামাটি ব্রিগেড কমান্ডার সহ অন্যান্য সেনা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় সেনা প্রদান বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের দুর্গম এলাকা গুলোতে কাজ করা খুবই কষ্টসাধ্য। এই অঞ্চলের পর্যটন শিল্পের বিকাশেও এই বর্ডার রোড ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, দুর্গম এই এলাকা কাজ করতে গিয়ে কষ্ট হলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এই সড়কের কাজ সমাপ্ত করা হবে। তিনি বলেন, আমি পরিদর্শন করতে এসে তা হলো এই এলাকায় যারা কাজ করছে তাদের মনোবল বাড়ানোর জন্য আমার পরিদর্শণে আসা। 

পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়নের অংশ হিসেবে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সীমান্ত সড়ক নির্মাণ (প্রথম পর্যায়) শীর্ষক প্রকল্প হাতে নেয়।

প্রকল্পটির বাস্তবায়নকাল ২০১৮ সালের জুন থেকে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত। রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে প্রকল্পটির কাজ চলছে। সড়কটির মোট দৈর্ঘ্য ১ হাজার ৩৬ কিলোমিটার।

 প্রকল্পটির নির্মাণকাজ শেষ হলে পার্বত্য জেলাগুলোর সীমান্ত বরাবর নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ যোগাযোগব্যবস্থার উন্নতি হবে। এ ছাড়া সীমান্তে দুই পাশের অবৈধ ব্যবসা বন্ধ হবে।

পাশাপাশি প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগের মাধ্যমে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে। এটি সীমান্ত এলাকার কৃষিপণ্য দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পরিবহনের মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নতিতেও ভূমিকা রাখবে।


আরও খবর