Logo
শিরোনাম

আপাতত হচ্ছে না ইভিএম প্রকল্প

প্রকাশিত:Monday ২৩ January 20২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

ইভিএম প্রকল্পটি আপাতত হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন সচিব জাহাঙ্গীর আলম। পরিকল্পনা কমিশন ইভিএম প্রকল্পটি ফেরত পাঠিয়েছে বলেও জানান তিনি।

নির্বাচন কমিশনে এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন সচিব। বর্তমানে যতগুলো ইভিএম আছে সেগুলো দিয়েই সংসদ নির্বাচন হবে বলেও জানান তিনি।এর আগে, নির্বাচন কমিশনার আনিছুর রহমান জানান, কতগুলো আসনে ইভিএম বা ব্যালটে নির্বাচন হবে তা নিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন। একই সাথে বর্তমানে থাকা ইভিএমগুলো দিয়ে কতগুলো নির্বাচন করা যাবে তাও যাচাই করবে ইসি।এ সময় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রসঙ্গে কমিশনার জানান, এ বিষয়ে দুএকদিনের মধ্যেই স্পিকারের সাথে দেখা করবেন সিইসি। 


আরও খবর

সুখবর নেই বাজারে

Saturday ০৪ February ২০২৩




অস্তিত্ব সংকটে কক্সবাজারের বাঁকখালী নদী

প্রকাশিত:Wednesday ২৫ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

নিজস্ব প্রতিবেদক :কক্সবাজারের প্রধান নদী বাঁকখালী দখল ও দূষণে পড়েছে রীতিমতো অস্তিত্ব সংকটে। এমন কঠিন পরিস্থিতিতে মৃতপ্রায় এ নদী উদ্ধারে এগিয়ে এসেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। নদীর ৫০০ একর ভূমি উদ্ধারে ১৫৭ জন প্রভাবশালী দখলদারের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে এই সংস্থা। ইতোমধ্যে কিছু দখলদারকে নোটিশও দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

দুর্নীতি দমন কমিশন চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-২ এর উপসহকারী পরিচালক জানান, পর্যায়ক্রমে বাঁকখালী নদীর সব দখলদারের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট বাঁকখালী দখলদারদের তালিকা তৈরি করে তাদের উচ্ছেদ এবং দূষণের উৎস চিহ্নিত করে তা বন্ধের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে নদীর তীরে চিংড়ি চাষ, তামাক বা ভিন্ন কোনো উদ্দেশ্যে ইজারা প্রদান থেকে বিরত থাকতে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসকসহ ১০ সরকারি কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন আদালত।

কিন্তু আদালতের নির্দেশনার ছয় বছর পরও জেলা প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর কিংবা কক্সবাজার পৌরসভা কার্যকর কোনো পদক্ষেপই নেয়নি। দখলবাজ চক্র নদী তীরে অবৈধ স্থাপনা গড়ে তোলার পাশাপাশি বাঁকখালী নদীর জমি দেখিয়ে কোটি কোটি টাকার ব্যাংক ঋণ গ্রহণের নজিরও রয়েছে। ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসন থেকে নদী দখলদারদের যে তালিকা করা হয়েছে তাতে প্রভাবশালী অনেকের নাম বাদ পড়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। তবে ওই তালিকার বাইরে থাকা দখলদারদের বিরুদ্ধেও দুদক তদন্ত করবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

নদী তীরবর্তী বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, শহরের উত্তর নুনিয়াছড়া থেকে মাঝেরঘাট পর্যন্ত নদীর প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকায় ভরাট ও দখল তৎপরতা বেশি। কস্তুরাঘাটের বিআইডব্লিউআইটি টার্মিনাল সংলগ্ন নদীর ভরাট জমিতে গড়ে উঠেছে নানা স্থাপনা। তৈরি হয়েছে চিংড়িঘের, লবণ উৎপাদনের মাঠ, প্লট বিক্রির হাউজিং কোম্পানি, নৌযান মেরামতের ডকইয়ার্ড, ময়দা ও বরফ কল, শুঁটকি মহালসহ অসংখ্য ঘরবাড়ি।

শহরের চারটি পয়েন্টে ময়লা-আবর্জনা ফেলে নদীর তলদেশ ভরাট করছে খোদ পৌরসভা কর্তৃপক্ষ। ভরাট নদীতে ময়লা-আবর্জনা ও পলিথিনের কারণে কেওড়া ও বাইন গাছের প্যারাবন মরে যাচ্ছে। ধ্বংস হচ্ছে জীববৈচিত্র্য।

আদালতের নির্দেশের পর প্রশাসন কতিপয় দখলদারের একটি তালিকা তৈরি করে নোটিশ জারি করেছিল। এরপর কয়েক দফা লোকদেখানো উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত নদীতে বর্জ্য ফেলা বন্ধ হয়নি। উচ্ছেদ হয়নি অবৈধ দখলদারও। প্রায় ৮০ কিলোমিটারের এই নদীর বাংলাবাজার থেকে নুনিয়াছড়া পর্যন্ত ১৬ কিলোমিটার অংশে দখলের ঘটনা বাড়ছে। এসব এলাকায় দখলদারের সংখ্যা অন্তত এক হাজার।

জানতে চাইলে এ বিষয়ে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) বলেন, উচ্চ আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য জেলা প্রশাসনের তরফ থেকে বাঁকখালী নদীর অবৈধ দখলদারদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। খুব শিগগিরই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে।


আরও খবর

সুখবর নেই বাজারে

Saturday ০৪ February ২০২৩




উন্নয়নের ছোঁয়ায় পাল্টে গেছে নওগাঁর সড়কগুলোর দৃশ্যপট

প্রকাশিত:Friday ২৭ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :

বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে পাল্টে গেছে নওগাঁর সড়ক মহাসড়ক গুলোর চিত্র। ২০০৯ ইং সাল থেকে ২০২২ ইং সাল পর্যন্ত নওগাঁ সড়ক ও জনপথ বিভাগের অধিনে ১৭টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এরমধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য প্রকল্পগুলো হলো নওগাঁর নজিপুর-ধামইরহাট-জয়পুরহাট সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প, নওগাঁ-বদলগাছী-পত্নীতলা সড়ক উন্নয়ন এবং মহাদেবপুর ও বদলগাছী ব্রীজ নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় মহাদেবপুর এবং বদলগাছী সেতু নির্মাণ, পত্নীতলা-সাপাহার-পোরশা-রহনপুর সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প, পিএমপি প্রোগ্রামের আওতায় আত্রাই সিংড়া সড়ক, মান্দা-বাঘমারা-আত্রাই সড়কে আহসানগঞ্জ সেতু নির্মাণ প্রমুখ। যার মোট বরাদ্দ ছিলো ৯৩১০৫.২৪ লাখ টাকা। 

আর ১৭২১৫৫.৭৯৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ৬টি প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। চলমান প্রকল্পগুলো হচ্ছে নওগাঁ সড়ক বিভাগাধীন ১টি আঞ্চলিক ও ২টি মহাসড়ক যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরন প্রকল্পের আওতায় বদলগাছী-পাহাড়পুর-জহয়পুরহাট সড়ক উন্নয়নের কাজ, নওগাঁ-আত্রাই-নাটোর মহাসড়কের অসমাপ্ত কাজ সমাপ্তকরণ, পিএমপি প্রোগ্রামের আওতায় এনায়েতপুর-মহাদেবপুর-পাটাকাটাহাট-মান্দা সড়কের উন্নয়ন কাজ, নওহাটামোড় চৌমাসিয়া, আব্দুল জলিল পার্ক এবং বশিপুর মোড়ে ইন্টারসেকশন নির্মাণ কাজ, পত্নীতলা-সাপাহার-পোরশা-রহনপুর সড়কের ওভারলেকরণ উন্নয়নের কাজ ও নওগাঁ সড়ক বিভাগাধীন ৩টি আঞ্চলিক ও ৩টি জেলা মহাসড়ক যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ কাজ। 

নওগাঁ সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সাজেদুর রহমান জানান, বর্তমান সরকারের অধীনে পুরো দেশের সঙ্গে নওগাঁর সড়ক ব্যবস্থায় আধুনিকতা ও উন্নয়নের যে ছোঁয়া স্পর্শ করেছে তা বিগত সময়ের কোন সরকারের আমলেই করা হয়নি। বিশেষ করে আত্রাই উপজেলার আত্রাই নদীর উপর নির্মিত সেতু, নওগাঁ থেকে রাজশাহী যাওয়ার মহাসড়ক নতুন করে করে নির্মাণ, ঐতিহাসিক পাহাড়পুর মহাসড়কটি নতুন করে নির্মাণ ও বছরের পর বছর বন্ধ হয়ে থাকা নওগাঁ-নাটোর আঞ্চলিক মহাসড়কের নির্মাণ কাজ নতুন করে শুরু করাসহ সবগুলো প্রকল্পই নওগাঁকে দেশের বিভিন্ন স্থানের সঙ্গে নতুন করে আধুনিকমানের উন্নয়নের মহাসড়কের সঙ্গে যুক্ত করেছে। যার ফলে পুরো নওগাঁর লেগেছে উন্নয়নের ছোঁয়া। এই সব নতুন করে নির্মাণ হওয়া সড়কের আশেপাশের অঞ্চলের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বদলে গেছে। এই সড়কগুলোকে ঘিরে সৃষ্টি হয়েছে নতুন নতুন কর্মসংস্থানের যার কারণে এই সব অঞ্চলের মানুষের জীবন-যাপনেও এসেছে পরিবর্তনের ছোঁয়া। 

তিনি আরো জানান, আমরা চেস্টা করেছি সরকারের গৃহিত মিশন ও ভিশনকে শতভাগ সফল করতে এই প্রকল্পগুলোকে যথাযথ মান বজায় রেখে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করার। তবে বিশেষ কিছু কারণে অনেক প্রকল্পগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করা না গেলেও সেগুলোও আমরা যথাযথ পর্যবেক্ষনের মাধ্যমে শেষ করেছি। প্রধানমন্ত্রীর ভিশন ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে স্মার্ট বাংলাদেশে প্রবেশের লক্ষ্যে নওগাঁ সড়ক বিভাগের পক্ষ থেকে সব সময় সকল প্রকল্পগুলোকে সঠিক সময়ে ও সঠিক তদারকির মাধ্যমে সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে চেস্টা অব্যাহত রেখেছি। আগামীতেও নওগাঁর সড়ক বিভাগের এমন কর্মতৎপড়তা অব্যাহত থাকবে বলে আমি শতভাগ আশাবাদি। 

নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) আসনের এমপি আলহাজ্ব মোঃ আনোয়ার হোসেন হেলাল বলেন, দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামীলীগ সরকারের কোন বিকল্প নেই। এমন কোন খাত নেই যেখানে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের ছোঁয়া স্পর্শ করেনি। বিগত জোট সরকারের আমলে এই অঞ্চলে সর্বহারা নামক সন্ত্রাসীরা দিনে-দুপুরে মানুষকে গলা কেটে হত্যা করতো। যার কারণে পুরো দেশসহ বিশ্বের কাছে নওগাঁর রাণীনগর ও আত্রাই উপজেলা রক্তাক্ত জনপদ হিসেবে পরিচিতি পায়। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৯সালে সরকার গঠনের পরই এই রক্তাক্ত জনপদে বইতে শুরু করে শান্তি সুবাতাস। প্রধানমন্ত্রী কঠোর হাতে সর্বহারা ও জেএমবিকে দমন করেন। 

তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়নের কথা বলে শেষ করা যাবে না। তবে বিশেষ করে আমার নির্বাচনী এলাকা নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার ২২কিমি কালীগঞ্জ সড়কের নতুন পাকাকরণের কাজ ও আত্রাই নদীর উপর নির্মাণ করা আত্রাই সেতু আধুনিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে এই দুই উপজেলার সামগ্রিক প্রেক্ষাপট পাল্টে দিয়েছে। এছাড়াও প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন একাডেমিক ভবনগুলো এলাকার মানুষদের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে অগ্রনি ভূমিকা রাখছে। তাই দেশের মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ, গৃহিত মেগা প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন, শান্তি ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রেখে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে আগামীতেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন আওয়ামীলীগ সরকারের কোন বিকল্প নেই। 


আরও খবর



ধামরাইয়ের বিখ্যাত মিষ্টি ক্ষীরমোহন

প্রকাশিত:Tuesday ১৭ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

মাহবুবুল আলম রিপন (স্টাফ রিপোর্টার):


ঢাকার ধামরাইয়ের কাওয়ালীপাড়া বাজারের ইসমাইল সুইটস এর ক্ষীরমোহন অনন্য এক মিষ্টান্নের নাম। অনেকেই ভীষণ ভোজনপ্রিয় মানুষ। খাবারের নাম শুনলেই জিভে জল চলে আসে। আর যদি সেটা হয় মন জুড়ানো মিষ্টি গন্ধ, তাহলে তো কথাই নেই। এই সুস্বাদু মুখরোচক খাবারটি হচ্ছে কাওয়ালীপাড়ার ‘ক্ষীরমোহন’। দুধ, চিনি, ঘি, দুধের ছানা, ময়দা, তেজপাতা, ছোট এলাচ ইত্যাদি দিয়ে তৈরি ঘন রসযুক্ত মিষ্টান্ন।

ধামরাই উপজেলার গ্রামাঞ্চলে প্রাকৃতিক উপায়ে বেড়ে ওঠা সবুজ ঘাস, লতা-পাতাসহ নানা গো-খাদ্য বাড়িতে পালা গাভিকে খেতে দেয়া হয়। তাই এই এলাকার গরুর দুধ খাঁটি দুধের গুনাগুণ সমৃদ্ধ। সেই দুধ থেকে তৈরি হয় এই ক্ষীরমোহন।

প্রসঙ্গত,ক্ষীর ও মোহনের সংমিশ্রণে তৈরি হয় ক্ষীরমোহন। দুধ ক্ষীরে পরিণত হলে ও মিষ্টির ভেতরে ক্ষীর ঢুকে গেলে তৈরি হয় অমৃত স্বাদের ক্ষীরমোহন।

ইসমাইল সুইটস এর কর্মচারী মোঃ বাদশা মিয়া বলেন, খাঁটি ছানা থেকে তৈরি মিষ্টি প্রথমে গরম চিনির রসে জ্বাল দেয়া হয়। মিষ্টি হয়ে এলে তা থেকে রস ঝরিয়ে নিয়ে দুধে জ্বাল দেয়া হয়। দুধ ক্ষীরে পরিণত হলে ও মিষ্টির ভিতরে ক্ষীর ঢুকে গেলে তৈরি হয় লোভনীয় ‘ক্ষীরমোহন’। সাধারণত ১ মণ দুধ জ্বাল দিয়ে ১৭ থেকে ১৮ কেজি ক্ষীর তৈরি করা হয়। এতে যুক্ত হয় ২৫০ গ্রাম ঘী। এর সাথে ৮ কেজির মত মিষ্টি ক্ষীরে জ্বাল দিয়ে ২৪/ ২৫ কেজি ক্ষীরমোহন বানানো হয়। এর স্বাদ নিতে আসেন ছোট-বড় সকলেই। প্রতিটি ক্ষীরমোহন ৫০ টাকা এবং ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হয় ।

ক্ষীরমোহন খেতে আসা ভোজনপ্রিয় মানুষ মোঃ বাবুল হোসেন বলেন, ক্ষীরমোহনের স্বাদ ও গন্ধ থেকেই জিভে পানি আনার মতো। এই খাবার খেতে খুবই সুস্বাদু আত্মীয় স্বজনদের বাড়ি নিয়ে গেলেও এই রসমালাইকে গুরুত্ব দেয়।


আরও খবর



মির্জাগঞ্জে ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযানে ৭ দোকানিকে জরিমানা

প্রকাশিত:Wednesday ১১ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি,পটুয়াখালী :


পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে অভিযান চালিয়ে ৭ টি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানকে ৩১ হাজার টাকা জরিমানা করেছে পটুয়াখালী জেলা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

বুধবার (১১ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত উপজেলার কলেজ রোড থেকে সুবিদখালী বাজারের ষ্টীল ব্রিজ পর্যন্ত ৭ টি দোকান থেকে এ জরিমানা আদায় করা হয়।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পটুয়াখালী জেলার সহকারী পরিচালক মো.শাহ শোয়াইব মিয়ার নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়। এসময় মির্জাগঞ্জ থানার এসআই মো.ইব্রাহীম,উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মাখসুদুর রহমান খান অভিযানে সহয়তা করেন।

সুবিদখালী কলেজ রোডস্থ সকাল সন্ধ্যা হোটেলকে ৬ হাজার,হোটেল সালামকে ৩ হাজার,মৃধা স্টোরকে ১ হাজার,স্টিল ব্রিজ সংলগ্ন রোগ মুক্তি ফার্মেসীকে ৩ হাজার,অন্তরা মেডিকেল হলকে ১০ হাজার এবং নান্নু শপিং কমপ্লেক্সের সুরাইয়া ফ্যাশনকে ৪ হাজার ও শেফা ফ্যাশন হাউসকে ৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।


জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পটুয়াখালী জেলার সহকারী পরিচালক মো.শাহ শোয়াইব মিয়া বলেন,মির্জাগঞ্জ উপজেলার কয়েকটি জায়গায় অভিযান পরিচালনা করে মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করা,অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যপন্য তৈরি ও সংরক্ষন করা,মেয়াদোত্তীর্ন ঔষধ বিক্রয় ও বিক্রয় প্রস্তাব করা,এমআরপি থেকে অতিরিক্ত দামে ঔষধ বিক্রয় করা,বিক্রয় নিষিদ্ধ কসমেটিক্স বিক্রয় করা ও কসমেটিকসের মোড়কে খুচরা মূল্য উল্লেখ না থাকার কারণে ৭ টি  ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়। জনস্বার্থে বাজার তদারকি মূলক এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।


আরও খবর



আবারও বাড়ল বিদ্যুতের দাম

প্রকাশিত:Wednesday ০১ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

মইনুল ইসলাম মিতুল :সরকারের নির্বাহী আদেশে বাড়ল খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম। একই সঙ্গে বাড়ানো হয়েছে পাইকারি বিদ্যুতেরও দাম। তবে বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে, নতুন করে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়নি। গত ১২ জানুয়ারিতে সরকারের নির্বাহী আদেশে বিদ্যুতের যে দাম বাড়ানো হয়েছিল, সেই জারিকৃত প্রজ্ঞাপন সংশোধন করে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম কার্যকর হবে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে। 

এর আগে ১২ জানুয়ারি গড়ে ৫ শতাংশ দাম বাড়ানো হয় বিদ্যুতের। ওই দাম জানুয়ারি মাসেই কার্যকর করা হয়। জানুয়ারি মাসের বিল গ্রাহককে ফেব্রুয়ারি মাসে দিতে হবে। এবার ফেব্রুয়ারি মাসের বাড়তি দামের বিদ্যুতের বিল গ্রাহককে দিতে হবে মার্চ মাসে।

বিদ্যুতের ব্যবহার ভেদে ছয় ধরনের গ্রাহক রয়েছে, যে গ্রাহক যত বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার করবেন, তাকে বিদ্যুতের দাম তত বেশি দিতে হবে। এর মধ্যে শূন্য থেকে ৫০ ইউনিট বিদ্যুৎ যারা ব্যবহার করে, তাদের অতি দরিদ্র মনে করা হয়; তাদের বিদ্যুতের ধাপকে লাইফলাইন বলা হয়। এ বাদেই ছয়টি ধাপ রয়েছে। সংশোধিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, শূন্য থেকে ৫০ ইউনিট ব্যবহারকারী লাইফলাইন গ্রাহকদের বিদ্যুতের দাম ইউনিটপ্রতি ৩ টাকা ৯৪ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৪ টাকা ১৪ পয়সা, শূন্য থেকে ৭৫ ইউনিট ব্যবহারকারীর বিদ্যুতের দাম ৪ টাকা ৪০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৪ টাকা ৬২ পয়সা এবং ৭৬ থেকে ২০০ ইউনিট ব্যবহারকারীদের ৬ টাকা ১ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৬ টাকা ৩১ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। সে সঙ্গে ২০১ থেকে ৩০০ ইউনিট ব্যবহারকারীদের ৬ টাকা ৩০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৬ টাকা ৬২ পয়সা, ৩০১ থেকে ৪০০ ইউনিটের জন্য ৬ টাকা ৬৬ পয়সা থেকে বেড়ে ৬ টাকা ৯৯ পয়সা, ৪০১ থেকে ৬০০ ইউনিটের জন্য ১০ টাকা ৪৫ পয়সা থেকে বেড়ে ১০ টাকা ৯৬ পয়সা এবং ৬০০ ইউনিটের ওপরে বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী আবাসিক গ্রাহকদের বিদ্যুৎ বিল ১২ টাকা ৩ পয়সা থেকে বেড়ে ১২ টাকা ৬৩ পয়সা করা হয়েছে।

দেশের পাইকারি বিদ্যুৎ কিনতে গিয়ে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) ৪০ হাজার কোটি টাকা লোকসান হবে। এর মধ্যে সরকার দেবে ১৭ হাজার কোটি টাকা। বাকি ২৩ হাজার কোটি টাকা ঘাটতি থেকে যাচ্ছে।

এর আগে চলতি মাসেই বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) দেশের ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থার দেওয়া মূল্যবৃদ্ধি প্রস্তাবের ওপর গণশুনানি করে। বিইআরসির কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি প্রায় ২০ শতাংশ খুচরা বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সুপারিশ করে। এর মধ্যেই ১২ জানুয়ারি বিদ্যুৎ বিভাগ ৫ শতাংশ খুচরা পর্য়ায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রজ্ঞাপন জারি করে বিইআরসির আদেশকে পাশ কাটিয়ে। মঙ্গলবার ফের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করল বিদ্যুৎ বিভাগ।

বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, সরকার একবারে ২০ শতাংশ দাম বাড়াতে চায়নি। সে কারণে মাসে মাসে সমন্বয়ের নামে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হবে। কম কম করে দাম বাড়ালে গ্রাহকের প্রতিক্রিয়া কম হবে বলে মনে করছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেন, বিদ্যুতের দাম একবারে ১৫ থেকে ২০ ভাগ বাড়লে বাজারে পণ্যের দাম অনেকটা বেড়ে যায়। এজন্য সরকারের যদি কিছুটা লোকসানও হয় তাহলেও ধাপে ধাপে দাম বাড়ালে মানুষের ওপর পণ্যের দাম বৃদ্ধির প্রভাব খুব একটা পড়ে না।

মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, সরকার সম্প্রতি বিদ্যুৎ, শিল্প ও বাণিজ্যে ব্যবহৃত গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে। এর ফলে গ্যাস বিক্রি থেকে অতিরিক্ত যে অর্থ পাওয়া যাবে তা দিয়ে বিশ্ববাজার থেকে এলএনজি কেনা হবে। এই এলএনজি দিয়ে যদি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয় তাহলে গড়ে এলএনজি চালিত বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ পড়বে সাড়ে আট টাকা। কিন্তু দেশের তেলচালিত (ফার্নেস) অয়েলে উৎপাদন খরচ ২৯ টাকার কাছাকাছি। এতে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে ২০ টাকার মতো কম প্রয়োজন হবে। যাতে সরকারের বিদ্যুৎ উৎপাদনে ভর্তুকি কম প্রয়োজন হবে। যাতে বিদ্যুৎ জ্বালানিতে সামগ্রিক ভর্তুকির হার কমবে।


আরও খবর

সুখবর নেই বাজারে

Saturday ০৪ February ২০২৩