Logo
শিরোনাম

আরেক অস্ত্র মামলায় নূর হোসেনের বিচার শুরু

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

বুলবুল আহমেদ সোহেল নারায়ণগঞ্জঃ

নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুন মামলার মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামি নূর হোসেনের বিরুদ্ধে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার আরোও একটি অস্ত্র মামলায় বিচার করেছে আদালত। রোববার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ ( বিশেষ ট্রাইবুনাল ১) আদালতের বিচার মুন্সী মোঃ মশিয়ার রহমান এ আদেশ দিয়েছেন৷ এসময় নূর হোসেন সহ মামালার অন্য আসামীরা আদালতে উপস্তিতির ছিলেন।

আদালত পুলিশের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সিদ্ধিরগঞ্জ থানার আরেকটি অস্ত্র মামলায় আসামী নূর হোসনকে আদালত হাজির করতে সকালে গাজিপুরের কাশিমপুর কারাগার থেকে নারায়ণগঞ্জ আদালতে আনা হয়। পরে তাকে সহ ১১ আসামীকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। শুনানি শেষে আদালত তাদের বিরুদ্ধে মামলার চার্জ গঠন করেছেন। শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর হয়েছে। এর আগে গত চার আগস্ট আরেকটি অস্ত্র মামলায় নূর হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত।

২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড থেকে অপহৃত হন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম, আইনজীবী চন্দন সরকারসহ সাতজন। তিন দিন পর ৩০ এপ্রিল শীতলক্ষ্যা নদীতে একে একে তাদের মরদেহ ভেসে ওঠে। ঘটনার এক দিন পর কাউন্সিলর নজরুলের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বাদী হয়ে আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতা (পরে বহিষ্কৃত) নূর হোসেনসহ ছয়জনের নাম উল্লেখ করে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা করেন। আইনজীবী চন্দন সরকার ও তাঁর গাড়িচালক ইব্রাহীম হত্যার ঘটনায় ১১ মে একই থানায় আরেকটি মামলা হয়। ২০১৭ সালের ১৬ জানুয়ারি আলোচিত এই মামলায় চাকরিচ্যুত লেফটেন্যান্ট কর্নেল তারেক সাঈদ মোহাম্মদ ও নূর হোসেন সহ ২৬ আসামিকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন নারায়ণগঞ্জের আদালত। এর পর থেকে তিনি কারাগারে।


আরও খবর



বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ফেরাতে ছয় চার্টার্ড ফ্লাইট চীনের

প্রকাশিত:সোমবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

চীনের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ফিরিয়ে নিতে মোট ৬টি চার্টার্ড ফ্লাইটের ব্যবস্থা করেছে চীন। আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ২৬ অক্টোবরের মধ্যে এসব ফ্লাইট ঢাকা থেকে শিক্ষার্থীদের চীনের গুয়াংজু ও কুনমিং নিয়ে যাবে। করোনা মহামারির শুরুতে এই শিক্ষার্থীরা দেশে ফেরার পর আটকে পড়েছিলেন।

করোনাভাইরাস সতর্কতার কারণে দীর্ঘবিরতির পর গত ৭ আগস্ট থেকে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা চীনে ফিরতে পারবেন বলে জানিয়েছিলেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াংই।

চীন দূতাবাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, চীন সরকারের ব্যবস্থাপনায় ৬টি চার্টার্ড ফ্লাইটের মধ্যে চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইনসের ৩টি ফ্লাইট ২৮ সেপ্টেম্বর, ১২ অক্টোবর ও ২৬ অক্টোবর ঢাকা থেকে চীনের গুয়াংজুর উদ্দেশে ছেড়ে যাবে। এ ছাড়া চায়না ইস্টার্ন এয়ারলাইনসের ৩টি ফ্লাইট ২৬ সেপ্টেম্বর, ১০ অক্টোবর ও ২৪ অক্টোবর ঢাকা থেকে চীনের কুনমিংয়ের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে।


আরও খবর

বিশ্বজয় করে দেশে ফিরল ক্ষুদে হাফেজ

শুক্রবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২




মাসিক চাঁদা না দেওয়ায়

কাপ্তাই-আসামবস্তী সড়কে সিএনজিতে আগুন দিল আঞ্চলিক দলের সন্ত্রাসীরা

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

উচিংছা রাখাইন,রাঙ্গামাটি ঃ

রাঙ্গামাটি-আসামবস্তি টু কাপ্তাই সড়কে মাসিক চাঁদা না দেওয়ার অভিযোগে পাহাড়ের একটি আঞ্চলিক দলের সন্ত্রাসীরা একটি অনটেস্ট সিএনজি চালিত অটোরিক্সা সম্পূর্ণ পুড়িয়ে দিয়েছে।

শুক্রবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে ঐ সড়কের আগরবাগান এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কাপ্তাই পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ পরিদর্শক শাহীনুর রহমান জানান, এলাকাটি রাঙ্গামাটি সদর উপজেলার জীবতলী ইউনিয়নের মধ্যে পড়েছে বলে জানান তিনি।

এদিকে খবর পেয়ে কাপ্তাই ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার শাহাদাত হোসেন এর নেতৃত্বে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তিনি জানান, আমরা ঘটনার সংবাদ পেয়ে সাড়ে ১১টার দিকে ঐ সড়কে গিয়ে সিএনজির আগুন নেভাতে সক্ষম হই এবং সিএনজির ইঞ্জিন বাঁচাতে পারলেও ততক্ষণে সিএনজির বাকি অংশটুকু আগুনে পুড়ে যায়। 

ঘটনার সংবাদ পেয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কাপ্তাই ৭আর ই ব্যাটালিয়নের একটি টহল দল দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং এলাকায় টহল জোর করা হয়


পুড়ে যাওয়া সিএনজির চালক রাঙ্গামাটি তবলছড়ি মসজিদ কলোনি এলাকার বাসিন্দা মোঃ কামাল হোসেন জানান, ৪ থেকে ৫ জনের জেএসএস (মূল দল) সমর্থিত সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা গাড়ি থামিয়ে মাসিক টোকেন আছে কিনা জিজ্ঞেস করে। তাঁরা মাসিক চাঁদা না পেয়ে আমাকে গুলি করতে চাইলে আমি না মারার জন্য কাকুতি মিনতি করি। তাদেরকে ১ হাজার টাকা দিতে চাইলেও তারা তা না শুনে সিএনজিটি'তে আগুন লাগিয়ে দিয়ে তারা চলে যায়। ঘটনার সময় উক্ত সিএনজি চালক ২ জন যাত্রী নিয়ে রাঙ্গামাটি হতে কাপ্তাই এর দিকে আসছিলেন বলে তিনি জানান।

চালক মোঃ কামাল হোসেন এর কাছে এই বিষয়ে থানায় কোন অভিযোগ করেছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি জানান, আমি বর্তমানে কাপ্তাই নতুনবাজার এলাকায় অবস্থান করছি এবং বিষয়টি রাঙ্গামাটি জেলা অটোরিক্সা চালক সমিতির নেতৃবৃন্দকে অবহিত করেছি।

কাপ্তাই নতুনবাজার  সিএনজি অটোরিকশা চালক সমিতির সভাপতি আবু বক্কর ছিদ্দিক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এই বিষয়ে রাঙ্গামাটি জেলা সিএনজি চালক সমিতির অভিযোগ দায়ের করে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।


আরও খবর



মোরেলগঞ্জে পিআইওর দপ্তরের অর্ধ দিবস কলম বিরতি

প্রকাশিত:সোমবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

এম.পলাশ শরীফ, বাগেরহাট প্রতিনিধি :

সারাদেশের ন্যায় বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জেও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের ন্যায্য দাবী আদায়ের লক্ষে অর্ধ দিবস কলম বিরতি কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরে স্বারকলিপি প্রদান।

 সোমবার উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসে এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকাল ৮টা থেকে ১২ টা পর্যন্ত অর্ধ দিবসে কলম বিরতি পালন করেছেন প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. রোকনুজ্জামানসহ সকল কর্মকর্তা-কর্মচারিবৃন্দ।

এ সময় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. রোকনুজ্জামান বলেন, কর্মকর্তা-কর্মচারি কল্যাণ পরিষদের কেন্দ্রীয় কর্মসূচি অনুযায়ী নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরে স্বারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলমান থাকবে। তাদের সকল ন্যায্য দাবি মেনে না নেওয়া হলে পরবর্তীতে লাগাতার কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। 


আরও খবর



অনিয়মিত মাসিক কেন ?

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩০ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

দুই মাসিকের মধ্যবর্তী সময় যদি বার বার পরিবর্তন হতে থাকে, তাহলে তাকে অনিয়মিত মাসিক বলে । অনিয়ম দুইভাবে হতে পারে-ঘন ঘন,নয়তো দেরিতে দেরিতে।


মাসিকের চক্র কিভাবে হিসাব করতে হয় ?

এক মাসিকের প্রথম দিন থেকে আর এক মাসিকের প্রথম দিন পর্যন্ত যে সময় সেটাই হলো এক মাসিক চক্র। সাধারণত ২৮ দিন পরপর মাসিক হয়। যদিও ২১ থেকে ৩৫ দিন অন্তর পর্যন্ত স্বাভাবিকতার তারতম্য হতে পারে। একবার মাসিক হলে সাধারণত ২-৮ দিন থাকে এবং এক মাসিকে মোট ৫-৮০ মিলি পর্যন্ত রক্ত যেতে পারে। এই তিনটার যেকোনো একটার অনিয়ম মানেই অনিয়মিত মাসিক।

কেন হয় ?

বিভিন্ন বয়সে বিভিন্ন কারণে অনিয়মিত মাসিক হয়। যেমন:

১) সাবালিকা হওয়ার প্রথম ১-২ বছর ডিম্বাশয়ের অপরিপক্বতার জন্য।
২) মেনোপজ হওয়ার আগের ৪-৫ বছর হরমোনের তারতম্যের জন্য।
৩) কিছু কিছু পিল খাওয়ার সময় বা কপার-টি দেওয়া অবস্থায় পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার জন্য।
৪) বুকের দুধ খাওয়ানো অবস্থায় হরমোনের তারতম্যের জন্য।
৫) খুব বেশি ব্যায়াম করলে।
৬) অতিরিক্ত টেনশনে থাকলে।
৭) হঠাৎ খুব ওজন বেড়ে বা কমে গেলে।
৮) হরমোনজনিত রোগ পিসিওএস হলে।
৯) থাইরয়েড রোগীদের।
১০) স্ত্রী রোগ যেমন-জরায়ুর পলিপ, ফাইব্রয়েড টিউমার, জরায়ুর প্রদাহ ও এন্ডোমেট্রোসিস রোগ হলে।

 কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন ?

কয়েকদিন মাসিক এদিক ওদিক হলেই ডাক্তারের কাছে দৌড়ানোর দরকার নেই। অথবা সাবালিকা হওয়ার কয়েকবছর মাসিক দেরিতে দেরিতে হলেই ডাক্তারের কাছে যাওয়ার দরকার নেই।

নীচের সমস্যাগুলো থাকলে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। সমস্যাগুলো হলো:

১) হঠাৎ করে যদি মাসিকের চক্র পরিবর্তন হয় এবং রোগীর বয়স ৪৫ এর কম হয়।
২) ২১ দিনের চেয়ে কম সময়ে বা ৩৫ দিনের চেয়ে বেশি সময়ে মাসিক হলে।
৩) মাসিক ৭ দিনের চেয়ে বেশি থাকলে বা ৩ দিনের চেয়ে কম হলে।
৪) সর্বনিম্ন মাসিক ও সর্বোচ্চ মাসিক হওয়ার দিনের মাঝে ২০ দিনের অধিক তফাৎ থাকলে।
৫)অনিয়মিত মাসিক, কিন্তু বাচ্চা নিতে চান।

কেন মাসিক নিয়মিত হওয়া জরুরি ?

অনিয়মিত মাসিক এর সাথে অনেক দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্য সমস্যা জড়িত বলেই মাসিক নিয়মিত হওয়া জরুরি। মেয়েদের পরিপাক, ঘুম, বাচ্চা হওয়া সবই এর সাথে সম্পর্কিত।

ডাক্তার কি করবেন ?

অনিয়মিত মাসিকের রোগীদের গত ৬ মাসের মাসিকের ক্যালেন্ডার রাখতে বলা হয়। কি ধরনের মাসিকের সমস্যা তা ক্যালেন্ডার দেখলে বোঝা যায়। এছাড়া ডাক্তার রোগীর হিস্ট্রি, শারীরিক পরীক্ষা , কিছু রক্তপরীক্ষাসহ আলট্রাসাউন্ড করে জরায়ু ও তার আশপাশে কোন সমস্যা আছে কিনা তা নির্ণয় করবেন।


কিশোরীর অনিয়মিত মাসিক

কিশোরীদের অনিয়মিত মাসিকের কারণগুলো হলো :

১) ডিম্বাশয়ের অপরিপক্বতা, যার কারণে মেয়েলি হরমোন ইসট্রোজেন ও প্রজেস্টেরনের তারতম্য হয় এবং মাসিক যে পর্দা থেকে হয় সে পর্দা নিজেকে ধরে রাখতে পারেনা এবং ভাঙতে শুরু করে। (পরিপক্ব ডিম্বাশয় হলো সেটা যেটা থেকে প্রতি মাসে একটা করে ডিম্বাণু ফুটে বের হয়। কিশোরীর ডিম্বাশয় পরিণত হতে সাধারণত কয়েক বছর সময় লেগে যায়। এজন্য এ কয় বছর মেয়েদের মাসিক অনিয়মিত হয়, ওজন পরিবর্তন হয় ও মানসিক পরিবর্তন হয়।)
২) পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রম, যেখানে অনিয়মিত মাসিকের সাথে হাতে-পায়ে ও মুখে অবাঞ্ছিত লোম হয় এবং ঘাড়ে ও গলায় কালো দাগ পড়ে যায়। ওজন বেড়ে যায়।
৩) এছাড়া যেসব কিশোরীর থাইরয়েডের সমস্যা আছে।

যে সব কিশোরীর মাসিক অনিয়মিত তাদের চিন্তা থাকে কখন মাসিক হবে, কখন মাসিক হবে। তাদের মাসিক কখন হবে বোঝার জন্য কিছু লক্ষণ আছে।

সেগুলো হলো:

১) কোমরের পেছনে ক্রাম্পিং পেইন।
২) ব্রেস্ট ভার ভার লাগা।
৩) মাথা ব্যথা।
৪) ব্রণ।
৫) ঘুমের সমস্যা।
৬) মেজাজ পরিবর্তন।
৭) পেট ফাঁপা।
৮) নরম পায়খানা।

কিশোরীরা কিভাবে তৈরি থাকবে মাসিকের জন্য ?

যেসব কিশোরীর অনিয়মিত মাসিক থাকে তাদেরকে যেন অস্বস্তিকর অবস্থায় পড়তে না হয় সেজন্য নিজেকে তৈরি থাকতে হবে। একটা প্যাড এবং অতিরিক্ত একটা প্যান্টি সবসময় তাদের স্কুল ব্যাগে রাখতে পারে, যাতে হঠাৎ মাসিক হলে অপ্রস্তুত অবস্থায় পড়তে না হয়।

চিকিৎসা

১) জীবনযাত্রা পরিবর্তন, যোগ ব্যায়াম, ওজন কমানোর জন্য ব্যায়াম ও খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন।
২) প্রজেস্টোরন ট্যাবলেট বা জন্ম নিয়ন্ত্রণ বড়ি।
৩) থাইরয়েড সমস্যার জন্য ওষুধ, যদি দরকার হয়।

অনিয়মিত মাসিকের ক্ষেত্রে বাচ্চা নিতে চান?

অনিয়মিত মাসিক অবস্থায় বাচ্চা আসা কঠিন। কেননা অনিয়মিত মাসিক মানে তার ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বাণু ফুটছে না। ডিম না ফুটলে বাচ্চা হবে কোত্থেকে। তাই বাচ্চা নিতে হলে ওষুধ দিয়ে মাসিক নিয়মিত করতে হবে। তাতেও যদি বাচ্চা না আসে তবে ডিমফোটার ওষুধ দিতে হবে।

বাচ্চা নেওয়ার বয়সে অনিয়মিত মাসিক

সাধারণত বিভিন্ন স্ত্রী রোগের কারণেই বেশি হয় এ সমস্যা। তাই প্রথমে কোন স্ত্রী রোগ আছে কিনা তা আলট্রাসাউন্ড করে দেখতে হবে। যদি কোন সমস্যা থাকে, সে সমস্যার সমাধানে ওষুধে কাজ না হলে প্রয়োজনে অপারেশনও লাগতে পারে। যদি কোন স্ত্রী রোগ না থাকে তাহলে ধরে নিতে হবে হরমোনজনিত সমস্যা, যা হরমোন বা পিল দিয়ে ঠিক করা যায়। তবে মনে রাখতে হবে-যেকোনো অনিয়মিত মাসিকের ফলে রক্তশূন্যতা হতে পারে। তাই রক্তের হিমোগ্লোবিন পরীক্ষা করে কম থাকলে আয়রন দিতে হবে। থাইরয়েড সমস্যা থাকলে এর ওষুধ নিয়মিত সকাল বেলা খেতে হবে (কেননা এটা সারা জীবনের রোগ)।

এছাড়া পিসিওএস-যেটা খুব কমন একটা সমস্যা, এটাও সারাজীবনের রোগ। এদের জীবনযাত্রার পরিবর্তন না করলে, ওজন না কমালে, নিয়মিত ব্যায়াম না করলে নানা জটিল রোগ হতে পারে। এসব রোগীদের সাধারণত দেরিতে দেরিতে মাসিক হয়। সুস্থ থাকার জন্য বছরে কমপক্ষে চারবার মাসিক হওয়া উচিত। তাই কমপক্ষে তিন মাস অন্তর অন্তর মাসিক হওয়া জরুরি। প্রাকৃতিক নিয়মে না হলে, ওষুধ দিয়ে মাসিক করাতে হবে তিন মাস পরপর।

যাদের ঘন ঘন মাসিক হয় তাদের ক্ষেত্রে হরমোন বা পিল ২১ দিন করে কমপক্ষে তিন চক্র দিয়ে মাসিক নিয়মিত করাতে হবে। অনেক ক্ষেত্রে আরও দীর্ঘদিন ওষুধ লাগতে পারে।

মেনোপজের আগে অনিয়মিত মাসিক

যদি কোন স্ত্রীরোগের কারণে অনিয়মিত না হয় তাহলে দুশ্চিন্তার কিছু নাই। দেরিতে দেরিতে হলে কোন চিকিৎসার দরকার নেই। তবে ঘন ঘন হলে বা একবার হয়ে বেশিদিন থাকলে হরমোন বা পিল কমপক্ষে তিনমাস খেয়ে মাসিক ঠিক করাতে হবে। তবে এতেও যদি সমাধান না হয় তাহলে জরায়ুর সবচেয়ে ভেতরের লেয়ার থেকে মাংস নিয়ে পরীক্ষা করে দেখতে হবে কোন সমস্যা আছে কিনা। সমস্যা থাকলে সমস্যা অনুযায়ী চিকিৎসা নিতে হবে।

যে বয়সেই অনিয়মিত মাসিক হোক না কেন, এটা মেয়েদের জন্য বিশাল দুশ্চিন্তার ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। মেয়েদের মাসিক শুরু হওয়ার সময় থেকে মাসিক উঠে যাওয়ার আগ পর্যন্ত প্রজননতন্ত্রের সুস্থতার মূল লক্ষণ হলো নিয়মিত মাসিক। এর ব্যত্যয় হলে অবশ্যই গাইনি রোগের চিকিৎসকের কাছে গিয়ে যাচাই করতে হবে কোন রোগ আছে কিনা। কেননা সঠিক সময়ে চিকিৎসা করলে অনেক জটিল সমস্যা এড়ানো সম্ভব।

সূত্র: অধ্যাপক ডাঃ মুনিরা ফেরদৌসী, প্রসূতি, স্ত্রীরোগ, বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ ও সার্জন   শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল

 


আরও খবর

অক্টোবরের ৪ থেকে টিকার প্রথম ডোজ বন্ধ

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

করোনায় এক দিনে ৫ জনের মৃত্যু

বুধবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২




সীমান্তে কাঁটাতার নির্মাণে কাজ করবে দুই দেশ

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

বাংলাদেশ-ভারতের ত্রিপুরা থেকে শুরু করে সীমান্তের কাঁটাতারবিহীন অংশে কাঁটাতার নির্মাণের কাজ শেষ করার বিষয়ে একমত হয়েছে দুই দেশ। এছাড়া সীমান্ত রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বিজিবি বিএসএফের পদক্ষেপের মাধ্যমে সীমান্তে মৃত্যু কমিয়ে আনা, অস্ত্র, মাদক ও জাল টাকার চোরাচালান এবং পাচার রোধে পারস্পরিক সহযোগিতাও প্রশংসিত হয়েছে। ভারতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাষ্ট্রীয় সফরে দুই দেশের মধ্যে যৌথ সম্মতিতে নেওয়া হয়েছে সিদ্ধান্তগুলো। কূটনৈতিক সূত্রগুলো এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সম্মিলিতভাবে লড়াইয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : উভয় নেতাই সন্ত্রাসবাদের সব রূপ ও অভিব্যক্তি নির্মূলে তাদের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। এই অঞ্চল ও এর বাইরে সন্ত্রাসবাদ, সহিংস চরমপন্থা এবং মৌলবাদের বিস্তার প্রতিরোধে ও সে সম্পর্কিত পদক্ষেপে সহযোগিতা আরো জোরদার করার বিষয়ে সম্মত হয়েছে।

প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা : বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর জন্য যানবাহন সংগ্রহের পরিকল্পনাসহ ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্রতিরক্ষা লাইন অব ক্রেডিটের অধীনে প্রকল্পগুলোর প্রাথমিক চূড়ান্তকরণে রাজি হয়েছে। বর্ধিত সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে ২০১৯ সালে স্বাক্ষরিত উপকূলীয় রাডার সিস্টেম সমঝোতা স্মারকের প্রাথমিক কার্যকারিতা চূড়ান্তকরণ।

মানুষ ও পণ্যের স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ চলাচলের সুবিধা নিশ্চিতকরণ : আন্তর্জাতিক সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে চলমান উন্নয়নমূলক কাজগুলো দ্রুত সম্পন্ন করার বিষয়ে একমত হয়েছে দুই দেশ, যার মধ্যে চার হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্তের বিভিন্ন ক্রসিংয়ে গুরুত্বপূর্ণ অভিবাসন ও বাণিজ্য-সম্পর্কিত অবকাঠামো রয়েছে।

আঞ্চলিক সমস্যা : মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে জোর করে বাস্তুচ্যুত ১০ লাখেরও বেশি মানুষকে আশ্রয় দেওয়া এবং মানবিক সহায়তা প্রদানে বাংলাদেশের উদারতার প্রশংসা করেছে ভারত। জোর করে বাস্তুচ্যুত এসব লোককে নিরাপদ, টেকসই ও দ্রুত স্বদেশ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে তারা অব্যাহত প্রতিশ্রুতির ওপর জোর দিয়েছে।

উন্নয়ন সহযোগিতা : বাংলাদেশ ভারত সরকারের সঙ্গে যুক্ত লাইন অব ক্রেডিটের অধীনে, বিশেষ করে গত বছরের তহবিল বিতরণের কার্যকারিতা এবং গতির জন্য ভারতের প্রশংসা করেছে। বাংলাদেশকে প্রায় ১ দশমিক ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেয়াতি ঋণ দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ভারতের শীর্ষ উন্নয়ন সহযোগী। ভারত কর্তৃক অন্যান্য দেশকে দেওয়া সব উন্নয়ন অর্থায়নের প্রায় এক-চতুর্থাংশ বা ২৫ শতাংশ করে বাংলাদেশকে প্রদান করে।

বঙ্গবন্ধু ও ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা : বঙ্গবন্ধুর ওপর যৌথভাবে নির্মিত বায়োপিক  শিগগিরই শেষ হবে এবং আগামী বছর মুক্তি পেতে পারে। মুক্তিযুদ্ধের ওপর একটি প্রামাণ্যচিত্রের যৌথ প্রযোজনা এবং দুর্লভ ভিডিও ফুটেজের যৌথ সংকলনে সম্মত হয়েছে উভয় পক্ষ। 


আরও খবর

পঞ্চগড়ে নৌকা ডুবে ২৪ জন নিহত

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

এবার ৩২ হাজার মণ্ডপে দুর্গাপূজা

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২