Logo
শিরোনাম

আসছে ৭ লাখ ৫৯ হাজার কোটি টাকার বাজেট

প্রকাশিত:বুধবার ২৪ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ |

Image

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) থেকে ঋণ নেওয়ার সময় সংস্থাটির পক্ষ থেকে বাংলাদেশ সরকারকে কয়েকটি নির্দেশনা ও শর্ত দেওয়া হয়েছে। এ সব নির্দেশনার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে জ্বালানি খাতে ভর্তুকি পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া। গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে সরকার প্রাথমিক পর্যায়ে এ ক্ষেত্রে কিছু পদক্ষেপ নিয়েছিল। এতে মূল্যস্ফীতির প্রভাবে নিম্ন ও মধ্যবিত্তদের জীবনে দেখা দিয়েছে আর্থিক অনটন। আগামী সংসদ নির্বাচনে সাধারণ মানুষের সমর্থন পেতে চায় সরকার। একারণে আইএমএফের নির্দেশগুলোর সবদিক বাস্তবায়ন করার ক্ষেত্রে সরকার ধীরে চল নীতি গ্রহণ করেছে।

আসন্ন ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে বিভিন্ন প্রকার জ্বালানি তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতে ভর্তুকি থাকবে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন বিভাগের সঙ্গে অর্থমন্ত্রীর বিভিন্ন বৈঠক এবং একাধিক সরকারি সূত্রে এসব কথা জানা গেছে। এছাড়া জানা গেছে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে হবে ৭ লাখ ৫৯ হাজার কোটি টাকার।

আর্থিক খাত সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রের বরাতে জানা গেছে, সাম্প্রতিককালে কেন্দ্রিয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে গেলে চাপে পড়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল থেকে ঋণের জন্য আবেদন করে সরকার। তবে এই ঋণ যেন যথাসময়ে পরিশোধ হয়, সেজন্য সংস্থাটির পক্ষ থেকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানিসহ বিভিন্ন খাতে ভর্তুকি কমানোসহ বেশ কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে সরকারকে। এসব নির্দেশনা মানায় এরই মধ্যে ঋণের প্রথম কিস্তির টাকা পেয়েছে সরকার।

তবে গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর ফলে একদিকে যেমন সাধারণ মানুষের জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে, অপরদিকে এসবের কারণে নিত্যপণ্যের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় স্বল্প ও মাঝারি আয়ের পরিবারগুলো সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছে। মানুষকে এই আর্থিক কষ্ট থেকে পরিত্রাণ দিতে এবার আইএমএফের নির্দেশনাগুলোকে পাশ কাটাতে যাচ্ছে সরকার। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, সরকার চাইলেও আগামী বাজেটে ভর্তুকি খুব বেশি কমাতে পারবে না। কারণ চাপে থাকা অর্থনীতিতে গতিসঞ্চার করতে হবে। সেক্ষেত্রে কয়েকটি খাতে ভর্তুকি কমানো যাচ্ছে না। আইএমএফের চাপ ও শর্ত সত্ত্বেও না, এমনই ভাবছেন সরকারের নীতিনির্ধারকরা।

বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাজেটের আকার ছিল ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকা। কিন্তু আসন্ন ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে এই আকার ৭ লাখ ৫৯ হাজার কোটি টাকায় দাঁড়াতে পারে, যা গত অর্থবছরের চেয়ে ১৩ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি। পাশাপাশি ভর্তুকির আকারও বাড়ানো হবে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে ভর্তুকির পরিমাণ ছিল ৮১ হাজার ৪৯০ কোটি। কিন্তু আসন্ন বাজেটে এই পরিমাণ ৩৫ শতাংশ বাড়িয়ে ১ লাখ ৫ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাব করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থাপনা ও সম্পদ কমিটি। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গ্যাস খাতে চলতি অর্থবছর ৬ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়েছে সরকার।

ধারণা করা হচ্ছে, আগামী বাজেটেও ভর্তুকি এই পরিমাণ অব্যহত থাকবে। কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, সম্প্রতি স্পট মার্কেটে এলএনজির দাম বেড়ে যাওয়ায় আমদানি কমিয়েছে সরকার। আগামী অর্থবছরেও এই খাতে তেমন কোনো পরিবর্তন আসছে না। তবে বিদ্যুৎ খাতে চলতি অর্থবছরে ভর্তুকি ১৭ হাজার কোটি টাকা রাখা হলেও সংশোধিত বাজেটে তা আরো ৬ হাজার কোটি টাকা বাড়িয়ে মোট ২৩ হাজার কোটি টাকা করা হয়েছে। আসন্ন বাজেটে এই খাতে ভর্তুকি আরো বাড়তে পারে।

সূত্র জানায়, গত এপ্রিলে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে কো-অর্ডিনেশন কাউন্সিল অন বাজেট ম্যানেজমেন্ট, কারেন্সি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ রেটের এক সভায় বিদ্যুৎ সচিব বলেছেন, প্রতি মাসে বিদ্যুতের দাম ৫ শতাংশ হারে বাড়ানোর কথা থাকলেও গতমাসে তা বাড়ানো হয়নি। আগামী দুমাসের মধ্যে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সম্ভাবনা নেই। সে সময় অর্থ বিভাগের এক কর্মকর্তা সভা শেষে গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, ব্যবসায়ীরা প্রতিমাসে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয়ের দাবি জানিয়েছে। কিন্তু সরকার প্রতি তিন মাস অন্তর অন্তর আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী জুলাই থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হতে পারে। এর বাইরে কৃষি উৎপাদনকে প্রাধান্য দিয়ে সারে ভর্তুকিও বাড়তে পারে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

তারা বলেছেন, বিশ্ববাজারে সারের দাম কিছুটা কমলেও এখন পর্যন্ত কোভিডপূর্ব মূল্যে ফিরে আসেনি। ফলে এই খাতে ভর্তুকি বাড়বে। বর্তমান বাজেটে এই খাতের জন্য বরাদ্দ আছে ২৬ হাজার কোটি টাকা। এদিকে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে খাদ্য ভর্তুকিসহ সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতা বাড়াচ্ছে সরকার।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, আগামী অর্থবছরে খাদ্য ভর্তুকিতে ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা বাড়তি বরাদ্দ রাখা হতে পারে। টিসিবির মাধ্যমে এক কোটি পরিবারকে কমমূল্যে খাদ্যপণ্য দেওয়াসহ সরকার পরিচালিত খোলা বাজারে বিক্রয় (ওএমএস) এবং ভালনারেবল গ্রুপ ডেভেলপমেন্ট (ভিজিডি) কর্মসূচিগুলোর সরবরাহ ঠিক রাখতে এই বাড়তি বরাদ্দ রাখা হচ্ছে। এছাড়া বয়স্কভাতা, বিধবা ভাতা ও প্রতিবন্ধী ভাতার মতো সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় উপকারভোগীর সংখ্যা ৭ লাখ ৩৫ হাজার বাড়ানো হচ্ছে। শুধু উপকারভোগীর সংখ্যাই নয়, মাসিক ভাতার হারও বাড়ানো হচ্ছে এসব খাতে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে এই খাতে বরাদ্দের পরিমাণ ছিল ১ লাখ ১৩ হাজার কোটি টাকা, যা এখন প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকায় দাঁড়াবে।


আরও খবর

১২০ টাকায় উঠল ডলারের দাম

শুক্রবার ২৪ মে 20২৪




অবৈধ টিভি চ্যানেলের বিরু‌দ্ধে কার্যক্রম শুরু

প্রকাশিত:সোমবার ০৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ |

Image

অবৈধভাবে দেশি-বিদেশি টিভি চ্যানেল প্রদর্শন ও লাইসেন্সবিহীন বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনা বন্ধে কার্যক্রম শুরু করেছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।

সিদ্ধান্তসমূহ বাস্তবায়নে গত বৃহস্পতিবার সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের চিঠি দেওয়া হ‌য়ে‌ছে। তারই পরিপ্রেক্ষি‌তে অবৈধভাবে দেশি-বিদেশি টিভি চ্যানেল প্রদর্শন ও লাইসেন্সবিহীন বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনা বন্ধে কার্যক্রম শুরু করেছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।

সিদ্ধান্তগুলো হলো-

১। কেবল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক পরিচালনা আইন, ২০০৬ এর অধীনে অনুমোদিত সেবা প্রদানকারীগণই সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দেশি ও বিদেশি চ্যানেলসমূহ গ্রাহকের নিকট বিতরণ করতে পারবে।

২। ক্লিনফিড ছাড়া বিদেশি চ্যানেল কিংবা অননুমোদিত কোনো চ্যানেল ডাউনলিংক, সম্প্রচার, সঞ্চালন বা বিতরণ করা যাবে না।

৩। সেট-টপ বক্স অবৈধভাবে আমদানি ও বাজারজাত করা যাবে না।

৪। টিভি চ্যানেল স্ট্রিমিং এর অ্যাপসসমূহ ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করে প্রচারণা করা কিংবা এ ধরনের অ্যাপস সেট-টপ-বক্সে ইনস্টল করে বিক্রি করা সম্পূর্ণরূপে অবৈধ। এর বিরুদ্ধে বিটিআরসি আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

৫। বাংলাদেশের নিরাপত্তার স্বার্থে, সরকারের রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধির স্বার্থে, বিদেশে অর্থ পাচার রোধে এবং দেশের শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও মূল্যবোধ সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে যেকোনো অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং ডাক, টেলিযোগযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

৬। কেবল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক পরিচালনা আইন, ২০০৬ এর ৩(১) ধারা অনুযায়ী, কোনো ডিস্ট্রিবিউটর বা সেবাপ্রদানকারী নির্ধারিত আবেদনপত্রের ভিত্তিতে সরকার কর্তৃক অনুমোদিত চ্যানেল ব্যতিত অন্য কোনো চ্যানেল বাংলাদেশে ডাউনলিংক, বিপণন, সঞ্চালন বা সম্প্রচার করতে পারবে না। এছাড়া, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় হতে বিদেশি টিভি চ্যানেলের অনুষ্ঠান ক্লিনফিড সম্প্রচারের বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করেছে বিধায় কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ক্লিনফিড ব্যতিত বিদেশি টিভি চ্যানেলের অনুষ্ঠান সম্প্রচার বা সঞ্চালন করতে পারবে না।

৭। কেবল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক পরিচালনা আইন, ২০০৬ এর ৩(২) ধারা অনুযায়ী, কোন ডিস্ট্রিবিউটর বা সেবাপ্রদানকারী সরকার অনুমোদিত চ্যানেল ব্যতিত নিজস্ব কোনো অনুষ্ঠান যথা: ভিডিও, ভিসিডি, ডিভিডি এর মাধ্যমে অথবা অন্যকোনো উপায়ে কোনো চ্যানেল বাংলাদেশে বিপণন, সঞ্চালন ও সম্প্রচার করতে পারবে না। আইন অমান্য করে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান দেশি বা বিদেশি টিভি চ্যানেলের ফিড বা নিজস্ব কোনো চ্যানেল সম্প্রচার বা সঞ্চালন করতে পারবে না।

৮। কেবল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক পরিচালনা আইন, ২০০৬ এর ৪(১) ধারা অনুযায়ী, লাইসেন্সপ্রাপ্ত না হয়ে কোনো ব্যক্তি, ডিস্ট্রিবিউটর বা সেবাপ্রদানকারী হিসাবে কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে না। তাই লাইসেন্সধারী ডিস্ট্রিবিউটর বা সেবাপ্রদানকারী ব্যতিত অন্য কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান টিভি চ্যানেল বা অনুষ্ঠান সঞ্চালন বা সম্প্রচার করতে পারবে না।

৯। অনুমোদিত ডিস্ট্রিবিউটরগণ এই সিদ্ধান্তসমূহ তাদের বিদেশি টিভি চ্যানেল সম্প্রচারকারীদের লিখিতভাবে অবহিত করবে।

১০) আইন/নীতিমালা বহির্ভূত, অবৈধ বা অননুমোদিতভাবে সম্প্রচার কাজে জড়িত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

এর আগে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, সরকার অনুমোদিত দেশি ও বিদেশি টিভি চ্যানেলের ফিড কেবলমাত্র বৈধ ক্যাবল ও ডিটিএইচ অপারেটররা গ্রাহকের কাছে পৌঁছাতে পারবে। তাদের বাইরে অন্য কেউ এ কাজ করলে তা বেআইনি ও অবৈধ। এ বেআইনি কাজ বন্ধে সরকার আইনগত ব্যবস্থা নেবে। এই বেআইনি কাজের কারণে সরকার রাজস্ব হারায় এবং বিভিন্নভাবে বিদেশে অর্থ পাচার হয়। একই সঙ্গে দেশের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।

তিনি আরো বলেন, বিদেশি চ্যানেলের অবৈধ সম্প্রচারের মাধ্যমে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে বিদেশি চ্যানেলে বিজ্ঞাপন প্রচার বন্ধে যে ক্লিনফিডের ব্যবস্থা করা হয়েছে তা বাস্তবায়ন ব্যাহত হয়। দেশের জনগণের স্বার্থে এই সংক্রান্ত আইনের বাস্তবায়ন করা হবে।


আরও খবর



দুই লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকার এডিপি অনুমোদন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ |

Image

 ডিজিটাল ডেস্ক:


২০২৪-২৫ অর্থবছরে জন্য ২ লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকা বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) অনুমোদন দিয়েছে এনইসি।


বৃহস্পতিবার (১৬ মে) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এনইসির সভায় এই উন্নয়ন বাজেট অনুমোদন দেওয়া হয়।



সভা পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব সত্যজিৎ কর্মকার জানান, ২ লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকার মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ১ লাখ ৬৫ হাজার কোটি এবং বৈদেশিক ঋণ থেকে ১ লাখ কোটি টাকা ব্যয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।


তিনি আরও জানান, সভায় স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা বা কর্পোরেশনের প্রায় ১৩ হাজার ২৮৮ কোটি ৯১ লাখ টাকার এডিপিও অনুমোদিত হয়েছে। এর মধ্যে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে অর্থায়ন ১১ হাজার ৬৯৮ কোটি ৯৬ লাখ টাকা এবং বৈদেশিক উৎস থেকে অর্থায়ন ১ হাজার ৫৮৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। 


সুতরাং স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের প্রকল্পের বরাদ্দসহ এডিপির সর্বমোট আকার দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৭৮ হাজার ২৮৮ কোটি ৯১ লাখ।


২০২৪-২৫ অর্থবছরে এডিপির আওতায় প্রকল্পের সংখ্যা ১৩২১টি। সত্যজিৎ কর্মকার জানান, বরাদ্দ প্রদানের ক্ষেত্রে বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় রেখে খাদ্য নিরাপত্তার লক্ষ্যে কৃষি, কৃষিভিত্তিক শিল্প, বিদ্যুৎ খাত, শ্রম-শক্তির দক্ষতা বৃদ্ধি, দারিদ্র্য হ্রাসকরণ সংক্রান্ত প্রকল্পে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।


আরও খবর



স্বস্তি ফেরেনি নিত্যপণ্যের বাজারে

প্রকাশিত:শুক্রবার ১০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ |

Image

এবার অস্থির হয়ে উঠেছে নিত্যপণ্য ডিমের বাজারেও। সপ্তাহের ব্যবধানে ডজনপ্রতি বেড়েছে ২০-৩০ টাকা। অস্বস্তি রয়েই গেছে মাছ মাংসের বাজারে। চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে আলু-পেঁয়াজসহ বাজারের প্রায় সব ধরনের সবজি।

শুক্রবার (১০ মে) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৪০-১৫০ টাকায়। যা গেল সপ্তাহেও ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল। হালি বিক্রি হচ্ছে প্রায় ৪৮-৫০ টাকা।

রাজধানীর বাড্ডা এলাকার দোকানদার আল-আমীন বলেন, কয়েক দিন আগে আমি নিজেই বিক্রি করেছি ১২০ টাকা ডজন। এখন আমরা এই দামে কিনতেও পাই না।

এদিকে সবজির বাজারে লম্বা বেগুন প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭০ টাকা, গোল বেগুন ৭০-৮০ টাকা, টমেটো ৬০-৭০, করলা ৮০-৯০ টাকা, চিচিঙ্গা ৭০-৮০ টাকা, ঢেরস ৪০-৫০ টাকা মান ও সাইজভেদে লাউ ৬০-৮০ টাকা, শশা ৫০-৬০, ছোট সাইজের মিষ্টি কুমড়া ১০০-১২০ টাকা, জালি ৫০-৬০ টাকা, পেপে ৪০-৫০, কাচা কলা ডজন ৯০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। যা গেল সপ্তাহজুড়ে প্রায় একই দামে বিক্রি হয়েছে।

শাকের মধ্যে পাট শাক ১৫-২০, কলমি শাক ১০-১৫, পালং ১০-১৫ টাকা, লাউ শাক ৩০-৪০, লাল শাক ১৫ টাকা, পুই শাক ৩০-৪০ টাকা আঁটি বিক্রি হচ্ছে। তবে বাজারে দোকানের তুলনায় ভ্যানে কিংবা ফুটপাতের দোকানগুলোতে প্রত্যেক সবজির দাম ৫-১০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে।

অপরদিকে আলু ৫০-৬০ টাকা, কাঁচামরিচ ১২০-১৪০ টাকা, আমদানির পরেও খুচরা বাজারে কমেনি পেঁয়াজের দাম। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬৫-৭৫ টাকা, রসুন ১৮০-২০০ টাকা, আদা ২০০-২২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। তবে বাজারভেদে দাম কিছুটা কমবেশি হচ্ছে।

অস্বস্তি রয়েই গেছে মাছ-মাংসের বাজারে। প্রতি কেজি ব্রয়লার বিক্রি হচ্ছে ২২০-২২৫ টাকা। সোনালি ৩৫০-৩৮০ টাকা। বাড়তি দামেই গরুর মাংস। বিক্রি হচ্ছে ৭৫০-৮০০ টাকা কেজি।

মাছের বাজারে সাইজভেদে তেলাপিয়া ২২০-২৩০ ও পাঙাশ ২০০ থেকে ২৪০ টাকা। যা গেল সপ্তাহেও প্রায় একই দামে বিক্রি হয়েছে। অন্য মাছের মধ্যে মাঝারি ও বড় আকারের চাষের রুই, কাতলা ও মৃগেল মাছের দাম প্রতি কেজি ২৮০ থেকে শুরু করে সাইজভেদে ৪০০-৪৫০ টাকা। এছাড়াও ৬০০ টাকার নিচে নেই পাবদা, টেংরা, কই, বোয়াল, চিতল, আইড় ও ইলিশ মাছ।


আরও খবর

১২০ টাকায় উঠল ডলারের দাম

শুক্রবার ২৪ মে 20২৪




যুক্তরাষ্ট্রের কথাও শুনছে না ইসরায়েল

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ |

Image

ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ও জিম্মি চুক্তি করতে ইসরায়েলকে চাপ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে এই চাপকে উপেক্ষা করেছে দখলদার ইসরায়েল।

শনিবার মিসরের রাজধানী কায়রোয় হামাসের একটি প্রতিনিধিদল যায়। সেখানে তারা যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা করে। তবে হামাসের এক কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, কোনো ফলাফল ছাড়াই আলোচনা শেষ হয়েছে। কিন্তু এটি পুরোপুরি ভেস্তে যায়নি। খবর টাইমস অব ইসরায়েলের।

আরববিশ্ব ও ইসরায়েলের বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র হামাসকে নিশ্চয়তা দিয়েছেযদি তারা ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপে রাজি হয়, তাহলে গাজায় যুদ্ধের অবসান ঘটানো হবে।

এমন খবর প্রকাশ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তারা স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধ করতে রাজি নয়।

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম কান এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, হামাসের সঙ্গে আলোচনার জন্য শনিবার মিসরের কায়রোয় ইসরায়েলকে প্রতিনিধিদল পাঠাতে চাপ দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেতানিয়াহু তাদের কথা শোনেননি। তিনি কায়রোয় প্রতিনিধিদল পাঠাতে অস্বীকৃতি জানান।

এদিন হামাসের এক কর্মকর্তা জানান, তারা ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপ কার্যকরে রাজি হয়েছিলেন। মূলত যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ বন্ধের নিশ্চয়তা দেওয়ার পর তারা এ ব্যাপারে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছিলেন।

কিন্তু এরপর যখন ইসরায়েলের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, তারা যুদ্ধ পুরোপুরি বন্ধ করতে রাজি না, তখন হামাস জানায়, যুদ্ধ বন্ধ করা ছাড়া অন্য কোনো চুক্তিতে তারা রাজি হবে না।

ইসরায়েলের উগ্রপন্থি জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন গিভির এবং অর্থমন্ত্রী বাজায়েল স্মোরিচ হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির চুক্তি না করতে হুমকি দিয়েছেন। তারা সতর্কতা দিয়ে বলেছেন, রাফাহতে হামলা ছাড়া যদি যুদ্ধবিরতি করা হয়, তাহলে সরকার ভেঙে দেওয়া হবে।


আরও খবর



নেত্রকোনায় নির্বাচনি আচরণ বিধি লঙ্ঘনে মোবাইল কোর্টের জরিমানা

প্রকাশিত:রবিবার ১২ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ |

Image

নেত্রকোনা প্রতিনিধি :

নেত্রকোনায় দ্বিতীয় ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আচরণবিধি প্রতিপালন সংক্রান্ত মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়েছে। তিন প্রার্থীর সমর্থকদের ৬ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। 

এছাড়াও দেয়ালে সাঁটানো পোস্টার অপসারণ করা হয়। 

আজ শনিবার সন্ধ্যা ৬ টায় জেলা শহরের মোক্তারপাড়া মগড়া নদীর ব্রিজ থেকে নাগড়া জেলা পরিষদ পর্যন্ত সাড়ে তিন ঘণ্টা ব্যাপি এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।

আদালতে নেতৃত্ব দেন নেত্রকোনা সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আকলিমা আক্তার।


এসময় নাগড়া এলাকায় আনারস প্রতীকের এক সমর্থক মো. ওয়াফিজ ও মো. সমেদ মিয়া পোস্টার অপসারণে বাধা প্রদান করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও তার সাথে থাকা পুলিশ সদস্যদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করে। পরবর্তীতে মো. ওয়াফিজকে আচরণবিধি ভঙ্গের দায়ে সতর্কতা মূলক ১০০০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। 


পরবর্তীতে প্রার্থীদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করা হবে বলেও জানান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।  


এছাড়াও আচরণ বিধি লঙ্ঘনের দায়ে কাপ পিরিচের প্রার্থীর সমর্থক মো. শফিকুল ইসলামকে ৩ হাজার টাকা ও হেলিকপ্টার প্রার্থীর সমর্থক মো হায়দার আলীকে ২ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন। 


উল্লেখ্য দ্বিতীয় ধাপের উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে নেত্রকোনা সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে মোট ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।  


নেত্রকোনা সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আকলিমা আক্তার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আচরণ বিধি প্রতিপালন সংক্রান্ত মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়েছে এবং নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হবে। প্রার্থীদেরকে সতর্ক করা হয়েছে, যাতে দেয়ালে পোস্টার না লাগানো হয়।  আচরণ বিধি মেনেই তাদের প্রচার প্রচারণা চালাতে হবে। এছাড়া প্রার্থীদেরকে নির্বাচনী প্রচারণা কেন্দ্রের তালিকা প্রদান করতে বলা হয়েছে


আরও খবর