Logo
শিরোনাম

আট ব্যাংকের প্রভিশন ঘাটতি ২০ হাজার কোটি টাকা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৭ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ |
Image

রোকসানা মনোয়ার :  ব্যাংকিং খাতে বাড়ছে খেলাপ ঋণ। সেই সঙ্গে বাড়ছে ঝুঁকিপূর্ণ ঋণের পরিমাণও। আর এই ঝুঁকিপূর্ণ ঋণের বিপরীতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা (প্রভিশন) সংরক্ষণ করতে ব্যর্থ হয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত ও বেসরকারি খাতের আটটি ব্যাংক ।  সেপ্টেম্বর শেষে এসব ব্যাংকের প্রভিশন ঘাটতির পরিমাণ ১৯ হাজার ৮৩৩ কোটি টাকা।

ঘাটতির তালিকায় রয়েছে সরকারি অগ্রণী, বেসিক, জনতা ও রূপালী ব্যাংক। আর বেসরকারিতে বাংলাদেশ কমার্স, মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট, ন্যাশনাল ও স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের নাম।

করোনাভাইরাসের কারণে ২০২০ ও ২০২১ সালে দেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে নানামুখী সুবিধা দিয়েছে সরকার। এ ক্ষেত্রে ব্যাংক ঋণ পরিশোধেও বিভিন্ন ছাড় দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। চলতি বছরের শুরুতে তা তুলে নেয়ার পর ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে খেলাপি ঋণ। 

বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী, সব ধরনের ব্যাংক যেসব ঋণ দেয় তার গুণমান বিবেচনায় নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রভিশন হিসেবে জমা রাখতে হয়। কোনো ঋণ শেষ পর্যন্ত মন্দ ঋণে পরিণত হলে তাতে যেন ব্যাংক আর্থিকভাবে ঝুঁকিতে না পড়ে, সেজন্য এ প্রভিশন সংরক্ষণের নিয়ম রাখা হয়েছে।

ব্যাংকের অশ্রেণিকৃত বা নিয়মিত ঋণের বিপরীতে দশমিক ২৫ থেকে পাঁচ শতাংশ হারে প্রভিশন রাখতে হয়। নিম্ন বা সাব-স্ট্যান্ডার্ড ঋণের বিপরীতে রাখতে হয় ২০ শতাংশ, সন্দেহজনক ঋণের বিপরীতে ৫০ শতাংশ এবং মন্দ বা কু-ঋণের বিপরীতে ১০০ শতাংশ প্রভিশন সংরক্ষণ করতে হয়। 

প্রতিবেদন বিশ্লেষণে দেখা যায়, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর প্রান্তিক শেষে রাষ্ট্রায়ত্ত চার ব্যাংকের প্রভিশন ঘাটতি ১১ হাজার ৬৯৬ কোটি টাকা। জুন শেষে এ চার ব্যাংকের ঘাটতি ছিল ১১ হাজার ১৭ কোটি টাকা। সবচেয়ে বেশি ঘাটতি বেসিক ব্যাংকে চার হাজার ৫৬২ কোটি টাকা। জুনে যা ছিল চার হাজার ৪৪১ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। এর পরেই অগ্রণী ব্যাংকের ঘাটতি তিন হাজার ৫২১ কোটি টাকা। জুনে ছিল দুই হাজার ৯৭৩ কোটি ২২ লাখ টাকা। তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে রূপালী ব্যাংক। তিন হাজার ১৩ কোটি ৫৪ লাখ টাকা প্রভিশন ঘাটতিতে পড়েছে ব্যাংকটি। জুনে রূপালীর ঘাটতি ছিল দুই হাজার ৯৬২ কোটি ১০ লাখ টাকা৷ 

চতুর্থ অবস্থানে থাকা জনতা ব্যাংকের প্রভিশন ঘাটতি কিছুটা কমে হয়েছে ৫৯৮ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। জুনে যা ছিল ৬৪০ কোটি ৫০ লাখ টাকা।

বেসরকারি চার ব্যাংকের প্রভিশন ঘাটতি আট হাজার ১৩৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে শুধু ন্যাশনাল ব্যাংকেরই ঘাটতি  সাত হাজার ৪৭৪ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। জুনে ঘাটতি ছিল সাত হাজার ১১৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা। 

দ্বিতীয় স্থানে থাকা বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের ৩৪৪ কোটি ৬৮ লাখ টাকা প্রভিশন ঘাটতি রয়েছে। এ ছাড়া মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ১৭১ কোটি ১৫ লাখ টাকা ও স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের ১৪৬ কোটি ৭৭ লাখ টাকা প্রভিশন ঘাটতি রয়েছে।


আরও খবর



৮০ দলের নিবন্ধনের আবেদন

প্রকাশিত:সোমবার ৩১ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিবন্ধন পেতে ৮০টি নতুন রাজনৈতিক দল আবেদন করেছে। ৩০ অক্টোবর শেষ দিন পর্যন্ত ওই আবেদন জমা পড়েছে। এ দলগুলোর নথি পর্যালোচনা করে নিবন্ধন দেবে ইসি। বিকল্প নামে জামায়াত ইসলাম নতুন আরেকটি নাম দিয়ে নিবন্ধন করেছে।

নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর বলেছেন, নিবন্ধনের সব শর্তপূরণ সাপেক্ষে আগামী বছরের মে মাসের মধ্যে নতুন রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন প্রক্রিয়া শেষ করা হবে। তিনি বলেন, আবেদন করা সব রাজনৈতিক দলকে শতভাগ শর্তপূরণ করতে হবে। একটি শর্তও অপূরণ থাকলে সেই দল নিবন্ধন পাবে না।

৩০ অক্টোবর নিবন্ধনের আবেদনের সময় শেষ হচ্ছে। দু-এক দিনের মধ্যে আমরা একটি কমিটি করে দেব। অন্য এক প্রসঙ্গে বলেন, নতুন বছরের জানুয়ারি মাসে রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন হবে। এ সিটির ভোটেও ইভিএম ও সিসি ক্যামেরার ব্যবহার থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে, নতুন আবেদন করা অনেক দলের নাম কৌতূকপূর্ণ। এগুলোর মধ্যে মুসকিল লীগ, ইত্যাদি পার্টি, বেকার সমাজ, বৈরাবরী এসব নাম রয়েছে।


আরও খবর

কর্মবিরতিতে নৌযান শ্রমিকরা

রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২




সরকার মিথ্য বলে জনগণকে ভাউতা দিয়ে ক্ষমতায় টিকে আছে

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৮ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

বুলবুল আহমেদ সোহেল ঃ

সরকার মিথ্য বলে জনগণকে ভাউতা দিয়ে ক্ষমতায় টিকে আছে বলে মন্তব্য করেছেন নাগরিক ঐক্যর সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। তিনি বলেছেন মানুষ এই সরকারের পরিবর্তন চায়। শুক্রবার বিকেলে নগরীর চাষাঢ়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গনতন্ত্র মঞ্চ আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। 

তিনি বলেন, দেশের ১৭ কোটি মানুষ। তার মধ্যে ৮ কোটি মানুষই গরিব, ২ কোটি শিক্ষিত যুবক বেকার। এই সরকারের পরিবর্তন চায় বলে  বিএনপির সামাবেশে মানুষ নানা ভাবে ছুটে গেছে। ঢাকায়ও মানুষকে আটকে রাখা যাবে না। 

রাজনৈতিক সভা-সমাবেশে বাধা, হামলা-মামলা, দমন-পীড়ন, গুলি-হত্যা বন্ধ করার দাবিতে ৭টি দলের রাজনৈতিক জোট ‘গণতন্ত্র মঞ্চ’ এ সমাবেশের আয়োজন করে।

সামবেশে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেছেন, আমরা সরকারের পদত্যাগ চাই। জনগন যদি চায় তাহলে কারো শক্তি নাই অবৈধ ভাবে নির্বাচন করার। সরকারের নানা সমালোচনা করে তিনি বলেন, বিদেশীরা এখন তাদের সাথে নেই। এ কারনে এখন সরকারের পায়ের তলায় মাটি নেই। এখন তারা ভয়ে আছে। কখন ক্ষমতা ছাড়তে হয়।

সমাবেশে আরও বক্ত্য রাখেন  বিপ্লবী ওয়াকার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, ভাসানী অনুসারী পরিষদের আহবায়ক শেখ রফিকুল ইসলাম, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী, হাসনাত কাউয়ুম। 

বক্তারা বলেন , সরকারি দলের নেতারা বলছেন ‘খেলা হবে’।  এই খেলার কথা বলতে- ক্ষমতাশীনরা মনে করে, গায়ের জোর ছারা ক্ষমতায় থাকার আর কোন পথ নাই।

কারণ এই সরকার ভোটে জিততে পারবে না। কেউ আর তাদের ভোট দিবেনা।


আরও খবর



নওগাঁয় হত্যা মামলায় ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

প্রকাশিত:বুধবার ২৩ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টারঃ


নওগাঁয় গভীর নলকুপ নিয়ে বিবাদে উজ্জল হোসেন হত্যা মামলায় ৫ সহোদর সহ ১০ জনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে বিজ্ঞ আদালত। এছাড়া প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরো দু' বছরের সশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা হয়। এসময় আসামীরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বুধবার ২৩ নভেম্বর দুপুর ১২টায় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালত এর বিচারক ফেরদৌস ওয়াহিদ এ রায় প্রদান করেন। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলে, অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আব্দুল বাকী এবং আসামীপক্ষের আইনজীবী ছিলেন, অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ-২।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার সারঙ্গপাড়া মৌজায় সমবায় অফিস থেকে নিবন্ধিত গভীর নলকুপ পরিচালনা করতেন দূর্গাপুর গ্রামের নিহত উজ্জল হোসেন এর চাচা সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম। ২০১৩ ইং সালে ৯ মে ঐ নলকুপকে কেন্দ্র করে পূর্ব শত্রুতার জেরে নলকূপটি দখলে নেওয়ার জন্য দূর্গাপুর গ্রামের কামরুজ্জামান, ওয়াহেদ আলী, সামসুজ্জামান, রকেট, ডাবলু, আব্দুল হামিদ, এনামুল, মোশারফ হোসেন, বজলুর রহমান, এমদাদুল হক, কারিমা বেগম, জলি আক্তার এবং জয়পুরহাট জেলার বাঁশকাটা গ্রামের মোছা. জীবন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা করে নলকুপ ঘড়ের দরজার তালা ভেঙে তারা ভেতরে প্রবেশ করে কৃষকদের কাছ থেকে টাকা আদায়ের রশিদ ছিড়ে ফেলেন এবং বাক্সে রাখা কৃষকদের নিকট থেকে আদায়কৃত ১৭ হাজার ৫শ' টাকা নিয়ে যাওয়ার সময় উজ্জল হোসেন সহ কয়েকজন বাঁধা দিলে লাঠিসোটা ও লোহার রড দিয়ে মারপিট সহ মরিচের গুড়া মেশানো গরম পানি ছিটিয়ে দিলে উজ্জলের শরীর "পেটের বামপাশে" ঝলসে যায়। উজ্জল গুরুত্বর আহত হলে তাকে উদ্ধার করে বদলগাছী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে নওগাঁ সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে রাজশাহী মেকিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে পরদিন মারা যান উজ্জল।

এঘটনায় নিহতের চাচা মাজহারুল ইসলাম বাদী হয়ে ১৩ জনকে আসামী করে থানায় মামলা করেন। মামলার দীর্ঘ শুনানি শেষে সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিত্বে ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড রায় দেয় আদালত। এছাড়া প্রত্যেক ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো দু' বছরের সশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন আদালত। তবে মামলায় ৩ জন নারীর কোন সম্পৃক্ততা না থাকায় ঐ ৩ জন নারীকে বেকসুর খালাস দেয় আদালত।

ন্যায় বিচারে আদালতের প্রতি সন্তুষ্ট প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুল বাকী জানান, দেশে যে ন্যায় বিচার আছে তা এই রায়ের মাধ্যমে আবারও প্রমাণিত হয়েছে।

অপরদিকে, আসামী পক্ষের আইনজীবী মামুনুর রশিদ-২ বলেন, এ মামলায় আমাদের বিপক্ষে যারা স্বাক্ষ্য প্রদান করেছেন তাদের প্রত্যেকের সাক্ষী হিসেবে জবানমন্দী ও জেরা এবং পুঙ্খানু-পুঙ্খ বিশ্লেষণে অবশ্যই আসামীদের বিপক্ষে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়নি। তারপরও আসামীদের যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। এতে করে আমরা ক্ষুদ্ধ, খুন্ন ও ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছি। আমরা এ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবে। 


আরও খবর



কিশোর ও স্কুল পডুয়া ছাত্রদের পর্ণো ভিডিও সরবরাহকারী ৬ জন আটক

প্রকাশিত:রবিবার ২০ নভেম্বর ২০22 | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রির্পোটারঃ


টাকার বিনিময়ে কিশোর ও স্কুল পডুয়া ছাত্রদের কাছে সরবরাহ করতো পর্নো ভিডিও। র‌্যাবের বিশেষ অভিযানে ৬ জন পর্নোগ্রাফি ভিডিও সরবরাহকারি গ্রেফতার।

সত্যতা নিশ্চিত করে র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩, কাম্প থেকে প্রতিবেদক কে জানানো হয়,

র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩, জয়পুরহাট র‌্যাব ক্যাম্পের একটি চৌকস অপারেশনাল দল কোম্পানী অধিনায়ক মেজর মোঃ মোস্তফা জামান, আর্টিলারি এর নেতৃত্বে শনিবার ১৯ নভেম্বর সন্ধার পর জয়পুরহাট জেলার কালাই থানাধীন মোলাগাড়ী বাজারে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ৬ টি মনিটর, ৬ টি সিপিইউ, ১১ টি হার্ড ডিস্ক, ৬ টি মাউস, ৬ টি কী-বোর্ড, বিভিন্ন ক্যাবল ১৮ টি ও ৬ টি মোবাইল ফোন সহ পর্নোগ্রাফি ভিডিও সরবরাহকারি ১। মোঃ আকতারুল ইসলাম (৩১), পিতা-মৃত মনসুর রহমান, সাং-বাখড়া বেলগারিয়া, ২। মোঃ সাদেক আলী (২৩), পিতা-মোঃ আব্দুস সাত্তার, সাং- নানাহার, ৩। মোঃ সাজু মিয়া ওরফে সেলিম (২৬), পিতা-মোঃ ইশারত আলী, সাং-মহিরোম ৪। মোঃ সবুর ইসলাম (২৪), পিতা-মোঃ আব্দুল আজিজ, সাং-বাখড়া (উত্তরপাড়া), ৫। মোঃ শামসুল আলম (৩৪), পিতা- মোঃ আব্দুল মান্নান, সাং-নানাহার, ৬। মোঃ সাহেব আলী (৩২), পিতা-মৃত হারেজ প্রামানিক, সাং-মোলামগাড়ী হাট, সর্ব উপজেলা কালাই, জেলা জয়পুরহাট কে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়।

র‌্যাব আরো জানান, গ্রেফতারকৃতরা দীর্ঘদিন যাবৎ তাদের নিজ দোকানের নিজস্ব কম্পিউটার এর হার্ডডিক্সে সংরক্ষণ করে টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন ইলেকট্রিক ডিভাইসের মাধ্যমে স্থানীয় কিশোর ও স্কুল পডুয়া ছাত্রদের কাছে পর্নোগ্রাফি ভিডিও সরবরাহ করে আসছিলেন।

পরবর্তীতে আসামীদের বিরুদ্ধে জয়পুরহাট জেলার কালাই থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রন আইন ২০১২ অনুযায়ী মামলা দায়ের করা রয়েছে বলেও নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব।


আরও খবর



লড়াই চালিয়ে যাবেন ইমরান খান

প্রকাশিত:শনিবার ০৫ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

পাকিস্তানে ক্ষমতাসীন জোট সরকারের পদত্যাগ ও আগাম নির্বাচনের দাবিতে যে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে, তা সফল করতে নিজের রাজনৈতিক দল পাকিস্তান তেহরিক-ই ইনসাফ (পিটিআই) নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের উদ্দেশে আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির বিরোধী নেতা ইমরান খান।

সেই সঙ্গে তিনি বলেছেন, যতদ্রুত সম্ভব শারীরিকভাবে সুস্থ হওয়ার পর তিনি নিজেও ফের আন্দোলনে নামবেন। ০৫ নভেম্বর পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের রাজধানী লাহোরের শওকত খানম হাসপাতাল থেকে জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে ইমরান খান বলেন, দাসত্বের শৃঙ্খলে বন্দি একটি জাতি কখনও কারো সম্মান পায় না, কোনো উন্নতিও করতে পারে না।

পাকিস্তানকে একটি আত্মমর্যাদাসম্পন্ন দেশ হিসেবে বিশ্বে পরিচিতি দিতে যে আন্দোলন জনগণ শুরু করেছে, তা অব্যাহত থাকবে এবং শারীরিকভাবে খানিকটা সুস্থ হয়ে উঠেই আমি ফের তাতে যোগ দেব।

ক্রিকেটার থেকে রাজনীতিবিদ বনে যাওয়া ইমরান ২০১৮ সালে ভোটে জিতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হন। দেশটির রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তারকারী সেনাবাহিনীর সমর্থন তখন তার দিকে থাকলেও কিছু দিন পর তাদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়।

সেনা সমর্থন হারানো ইমরানের বিরুদ্ধে এই বছরের শুরুতে জোট বেঁধে অনাস্থা প্রস্তাব আনে দেশটির বড় দুই রাজনৈতিক দল। তাতে হেরে গত এপ্রিলে ইমরানের সরকারের পতন ঘটলে প্রধানমন্ত্রী হন মুসলিম লীগের শাহবাজ শরিফ, যিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের ভাই।

ক্ষমতা হারানো ইমরান নতুন নির্বাচনের দাবি তুলে পাকিস্তানে ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে’ লংমার্চের ডাক দেন। গত ২৮ অক্টোবর লাহোর থেকে শুরু হয় এই কর্মসূচি।

৪ নভেম্বর শেষ হওয়ার কথা ছিল এই লংমার্চ; তার এক দিন আগে, ৩ নভেম্বর ওয়াজিরাবাদ শহরে সমাবেশ চলাকালে গুলিবিদ্ধ হন ইমরান। সমাবেশ চলাকালে স্থানীয় সময় সন্ধ্যার দিকে ইমরান খানকে লক্ষ্য করে একে-৪৭ অ্যাসল্ট রাইফেল থেকে গুলি চালায় এক হামলাকারী। আরেক হামলাকারী ইমরানের দিকে পিস্তল তাগ গুলি চালিয়েছিল।

পিস্তল দিয়ে যে হামলাকারী হামলার প্রস্তুতি নিয়েছিল, তাকে হামলার সময়েই পাকড়াও করেন বছর তিরিশের এক যুবক। তিনি ঠিক সময়ে তৎপর না হলে নিহতও হতে পারতেন পিটিআিই চেয়ারম্যান। একে ৪৭ অস্ত্রধারী হামলাকারীর বন্দুক থেকে বের হওয়া ৩ থেকে ৪টি গুলি ইমরান খানের পায়ে বিদ্ধ হয়েছে।

বৃহস্পতিবার হাসপাতালে পরই পিটিআইয়ের জেষ্ঠ্য নেতাদের ইমরান খান জানান, হামলার জন্য তিন জনকে দায়ী মনে করেন তিনি। তারা হলেন পাকিস্তানের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রানা সানাউল্লাহ এবং সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল ফয়সাল নাসির। পিটিআইয়ের জেষ্ঠ্য নেতা আসাদ ওমরের মাধ্যমে এই তিন জনের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন গড়ে তেলারও আহ্বান জানিয়েছিলেন তিনি।

শুক্রবারের ভাষণে ফের তাদের পদত্যাগের দাবি জানিয়ে ইমরান বলেন, সেনাবাহিনী ও ক্ষমতাসীন জোট সরকারের বৃহত্তম শরিক দল পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) অনেক দিন থেকেই তাকে হত্যার চেষ্টা করছে।

বৃহস্পতিবার যা ঘটেছে, তা প্রতিষ্ঠান (সেনাবাহিনী) ও পিএমএল-এনের যৌথ পরিকল্পনার ফলাফল। (কিছুদিন আগে) প্রথমে তারা আমার বিরুদ্ধে ধর্মদ্রোহিতা ছড়ানোর অভিযোগ তুলল এবং এ সংক্রান্ত কিছু ভুয়া অডিও টেপ ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দিল। তারপর বৃহস্পতিবার ওয়াজিরাবাদে আমাকে হত্যার উদ্দেশে হামলা ঘটল।

ভুয়া অডিও টেপ ছড়ানোর কাজটি করেছে পিএমএল-এন। এবং দলটির কোন কোন নেতা এই ষড়যন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত, তাও আমি জানি। বর্তমানে আমরা সবাই ডিজিটাল পৃথিবীতে বসবাস করি, তাই এসব তথ্য বের করা কঠিন কিছু নয়।

অডিও টেপ ছড়িয়ে পিএমএল-এন একটা প্রেক্ষাপট আগেই তৈরি করে রেখেছিল, তারপর আমাকে হত্যার প্রচেষ্টা চালায় প্রতিষ্ঠানের কিছু কুলাঙ্গার কর্মকর্তা। আমার ওপর যে প্রাণঘাতী হামলা হতে পারে, সেই খবরও আমি লংমার্চ শুরুর আগেই পেয়েছিলাম।

আমাদের দাবি, যে তিন জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে- অবিলম্বে তাদের পদত্যাগ করতে হবে। যতক্ষণ তারা পদত্যাগ না করবে— জনগণ সড়ক ছাড়বে না।

পাকিস্তানের অখণ্ডতা একমাত্র রাজনৈতিক দলগুলোই নিশ্চিত করতে পারে বলে দাবি করেন পিটিআই চেয়ারম্যান। সেই সঙ্গে সেনাবাহিনীকে রাজনীতি থেকে দূরে থাকার আহ্বানও জানান তিনি।

যদি সেনাবাহিনী দেশের অখণ্ডতা রক্ষা করতে পারত, তাহলে পূর্ব পাকিস্তান আজ বাংলাদেশ হতো না। একমাত্র রাজনৈতিক দলগুলোই পাকিস্তানের অখণ্ডতা রক্ষা করতে সক্ষম, এক্ষেত্রে সেনাবাহিনী তাদের সহায়ক মাত্র।


সূত্র : রয়টার্স, ডন, দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন


আরও খবর

থাইল্যান্ডে গাড়িবোমা বিস্ফোরণ

মঙ্গলবার ২২ নভেম্বর 20২২

হেরে গেলেন মাহাথির

রবিবার ২০ নভেম্বর ২০22