Logo
শিরোনাম

আত্মিক জ্ঞান ও বাহ্যিক জ্ঞান

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৮ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

মাজহারুল ইসলাম মাসুম, সিনিয়র সাংবাদিক, লেখক ও গবেষক :

সৃষ্টি জগত দুভাগে বিভক্ত। বস্তুজগত ও আত্মিক জগত। বস্তু বা দৃশ্যমান জগতের সাথে আমরা দৈহিক ভাবে নানা কলা- কৌশল তথা নিয়ম পদ্ধতির মাধ্যমে যোগাযোগ করে থাকি। পক্ষান্তরে আত্মিক বা অদৃশ্য জগত হলো অত্যন্ত সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম ও রহস্যময় জগত। এই জগতের সাথে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য বস্তুজগত বা দৃশ্যমান জগতের যোগাযোগ মাধ্যম সম্পূর্ণ অচল। একমাত্র পরিশুদ্ধ ও নিয়ন্ত্রিত আত্মার সাহায্যেই আত্মিক জগতের সাথে যোগসূত্র স্থাপন করা যায়। বিজ্ঞানের চরম উন্নতির যুগেও আমরা অনেকেই আত্মিক জগত সম্পর্কে নানা মত পোষণ করে থাকি। এও মনে করি যে, আত্মিক জগত সম্পর্র্কে চিন্তা করারও কোন প্রয়োজন নেই, আর তা করলে ঈমানহারা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মৃত্যুর পরই কেবল সে জগতের প্রশ্ন আসে। আবার অনেকেই মনে করে থাকি যে, আত্মিক জগত শুধু কল্পনারই জগত ইত্যাদি। প্রকৃত পক্ষে সৃষ্টির সুচনালগ্ন থেকেই মহান আল্লাহর পক্ষ হতে আগত নবী-রাসূলগণ ও পরে তাঁদের উত্তরসূরী অসংখ্য মহামানব এবং তাদের অনুসারীগণ আত্মিক জগতের সাথে যোগাযোগ করতে সক্ষম হয়েছেন, তাঁরা মহান আল্লাহ্ পাক ও তাঁর প্রিয়তম বন্ধু হযরত রাসূল (সঃ)-এর দিদার লাভে ধন্য হয়েছেন। জেনেছেন স্রষ্টা ও সৃষ্টির রহস্য। কিন্তু বিজ্ঞানের এই চরম উন্নতির যুগেও আত্মিক জগতের সাথে আমরা অনেকেই পরিচিত নই, এটা আমাদের জন্য চরম ব্যর্থতা। আর এজন্য পবিত্র কুরআনে এরশাদ হয়েছে, “যে ইহলোকে অন্ধ সে পরলোকেও অন্ধ এবং আরো বেশী পথভ্রষ্ঠ”(সূরা বনি ইসরাঈল, আয়াত-৭২)।

দেহ আর আত্মার সমন্বয়েই মানুষ। আত্মা ছাড়া দেহ মৃত লাশ। আর প্রত্যেক মানুষ মূলতঃ দুটি দেহের অধিকারী। একটি তার জৈবিক বা জড় দেহ যা রক্ত মাংস ও হাড্ডিযুক্ত, অপরটি হচ্ছে আলোক বা ইথারিক দেহ যা ধরা ছোঁয়ার বাইরে। কিন্তু আলোক দেহধারীর ছবি দেখা যায় ও তার কথাও শোনা যায়। ওই দেহধারীর বাস্তবতা আমরা দেখতে পাই টেলিভিশন নামক যন্ত্রে। টিভি সম্প্রচার কেন্দ্র থেকে একজন জড় দেহের মানুষকে আধুনিক বিজ্ঞানের কলা কৌশলের মাধ্যমে ইথারিক বা আলোক দেহে রূপান্তরিত করে সমগ্র বিশ্বে ইথার তথা তরঙ্গে ছড়িয়ে দেয়া হয়। ভূ-উপগ্রহের মাধ্যমে টেলিভিশন নামক গ্রাহক যন্ত্রের দ্বারা পৃথিবীর যে কোন প্রান্ত থেকে তাৎক্ষণিক জড় দেহধারী ব্যক্তির আলোক দেহ দেখা যায় ও তার কথাও শোনা যায়। টিভিতে আমরা যে ছবি দেখি তা ধরা ছোয়ার বাইরে। কিন্তু তার ছবি ও কথা কোনটিই মিথ্যা নয়। এতো সামান্য জ্ঞানের অধিকারী মানুষের আবিস্কারকৃত কলা কৌশলের ফল। বর্তমান বিশ্বের অন্যতম যোগাযোগের মাধ্যম ইন্টারনেটএর সাথে আলোকময় জগতের যোগাযোগ পদ্ধতির অনেকটা সামঞ্জস্য লক্ষ্য করা যায়। যেমন, একটি কম্পিউটার বা ল্যাপটপে ইন্টারনেট কানেকশন সংযোগ করে ঘরে বসে পৃথিবীর যেকোন দেশের খবরাখবর নেয়া ও ছবি দেখা যায়। তেমনি ডিস এ্যান্টিনার মাধ্যমে টেলিভিশন নামক যন্ত্রে বিশ্বের খবরাখবর নেয়া ও ছবি দেখা যায়। এই বিষয়গুলো নিয়ে আমরা যদি গভীর ভাবে চিন্তা করি তা হলেই আত্মিক জগতের চিত্র আমাদের সামনে অনেকটাই পরিস্কার হয়ে যায়। তবে এইযে জাগতিক কলাকৌশলের বিষয়ে আলোচনা করলাম এগুলো হলো মহান আল্লাহ্ পাকের সৃষ্টি ক্ষুদ্র জ্ঞানের মানুষের আবিস্কার যা জাগতিক জ্ঞানের ফসল। অপরদিকে আত্মিক জগতের সাথে যোগযোগ করতে হলে আধ্যাত্মিক জ্ঞান অর্জন করতে হবে। আর এই আত্মিক জ্ঞান অর্জনের বিষয়ে পবিত্র কুরআনে সবিস্তারে বর্ণনা রয়েছে।

পবিত্র কুরআনে এরশাদ হয়েছে, “আসমান ও জমিনে যা কিছু আছে সব আল্লাহ্রই এবং সব কিছুকে আল্লাহ্ পরিবেষ্টন করে আছেন” (সূরা নেসা, আয়াত-১২৬)। অন্যত্র এরশাদ হয়েছে,“তিনি (আল্লাহ্) যাকে ইচ্ছা হিকমত(বিশেষ জ্ঞান)প্রদান করেন এবং যাকে হিকমত প্রদান করা হয় তাকে প্রভূত কল্যাণ দান করা হয় এবং বোধশক্তিসম্পন্ন লোকেরাই শুধু শিক্ষা গ্রহণ করে” (সূরা বাকারা-২৬৯)। প্রথমোক্ত আয়াতে বলা হয়েছে, আল্লাহ্ পাক বিশ্বজাহানের মালিক এবং সমগ্র বিশ্ব জগত তিনি পরিবেষ্টন করে আছেন। অর্থাৎ তিনি সমগ্র সৃষ্টি জগতে বিরাজমান। পরের আয়াতে বলা হয়েছে, মহান আল্লাহ্ দয়া করে যাকে ইচ্ছা তাকেই হিকমতবিশেষ জ্ঞান (তাঁকে জানার জ্ঞান) দান করেন। আর যাকে ওই বিশেষ জ্ঞান দান করেন তাঁকে প্রভূত কল্যাণও দান করে থাকেন। আর বোধশক্তিসম্পন্ন অর্থাৎ বিশেষ জ্ঞানের অধিকারীগণই প্রকৃত শিক্ষা লাভের ক্ষমতা রাখেন। মহান আল্লাহ পাকের জ্ঞানে যারা জ্ঞানী তারা সাধারণ মানব নন বরং তারা বিশেষ মর্যদাশীল ব্যক্তি,তারা আল্লাহ পাকের মনোনিত ব্যক্তি, তারা আল্লাহ্ পাকের বন্ধু বলে পরিগণিত। আল্লাহ্র বন্ধুগণই আত্মিক জগতের সাথে যোগাযোগের ক্ষমতা রাখেন এবং অপরকেও আত্মিক জগতের শিক্ষায় শিক্ষিত করতে পারেন। সৃষ্টির শুরু থেকে যত নবী-রাসূল জগতে আগমন করেছেন, তাঁরা প্রত্যেকেই মহান আল্লাহর সাথে যোগাযোগ রেখে তাঁর নির্দেশ অনুযায়ী ধর্ম প্রচার এবং মানব জাতিকে হেদায়েতের কাজ করেছেন। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাঁর নিজ সম্পর্কে এরশাদ করেন, “তিনি (আল্লাহ্) আদি, তিনিই অন্ত, তিনি প্রকাশ, তিনি গুপ্ত এবং তিনি সর্ব বিষয়ে সম্যক অবহিত”(সূরা হাদিদ, আয়াত-৩)। অর্থাৎ সৃষ্টি জগত সৃজনের আগে মহান আল্লাহ ব্যতীত আর কোন কিছুই ছিলনা, সৃষ্টি জগত ধ্বংস হওয়ার পরও তিনি থাকবেন, তিনি সৃষ্টির মাঝেই নিজেকে প্রকাশ করেছেন,আবার তিনি তাঁর সৃষ্টি থেকে গোপন অবস্থায় আছেন।

হাদীসে কুদসীতে আল্লাহ বলেন, “আমি গুপ্ত ধনাগার ছিলাম, নিজকে প্রকাশ করতে ভালোবাসলাম, তাই সৃষ্টি জগত সৃজন করলাম” (সিররুল আসরার)। অর্থাৎ আল্লাহ্ পাক গোপনে না থেকে নিজেকে প্রকাশ করার জন্য ভালবাসলেন এবং সৃষ্টিকেই তাঁর ভালবাসার মাধ্যম হিসেবে বেঁচে নিলেন। হাদিসে কুদসীতে আল্লাহ আরো বলেন, “মানবজাতি আমার গুপÍ ভেদ এবং আমি মানুষের গুপ্ত রহস্য” (সিররুল আসরার)। মানুষ সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব। সমগ্র সৃষ্টিরাজির উপর প্রাধান্য বিস্তার করার ক্ষমতা মানুষকে দেয়া হয়েছে। এরপরও মানুষ হিসেবে আমরা আত্মিক জগতের কথা ভাবিনা, আল্লাহ পাকের দিদার লাভের চিন্তা করিনা বা কি করে তাঁর দিদার লাভ করা যায় সেই পথের সন্ধানও করিনা। অথচ মহান আল্লাহ পাকের মানব সৃষ্টির উদ্দেশ্যই ছিল-মানুষের মাধ্যমে তাঁর গুনাবলী প্রকাশ পাবে। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ্ বলেন,“ পৃথিবীর সব গাছ যদি কলম হয়, আর এই যে সমুদ্র এর সঙ্গে যদি সাত সমুদ্র যোগ দিয়ে কালি হয় তবুও আল্লাহ্র গুণাবলী লিখে শেষ করা যাবেনা। আল্লাহ্তো শক্তিমান তত্ত্বজ্ঞানী” (সূরা লোকমান, আয়াত-২৭)। এই অসীম গুনাবলীর অধিকারী মহান আল্লাহ গোপন অবস্থা থেকে প্রকাশ পেয়ে তাঁর গুণাবলীর বিকাশ ঘটাতে চেয়েই মানব সৃষ্টি করেন। আল্লাহ্ পাক মানুষকে এতো উচ্চ মর্যাদায় দিয়েছেন যে, তাঁর প্রতিনিধি করে মানুষকে দুনিয়াতে প্রেরণ করেছেন। আল্লাহ্ প্রদত্ত এই উচ্চ মর্যাদা সম্পর্কে আমরা নিজেরাই হয়ত অনেকে জানিনা। এছাড়া মানুষের সার্বিক প্রয়োজনে এই সৃষ্টি জগত সৃজিত। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ্ ঘোষণা করেন, “তোমরা কি দেখনা আকাশ ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবই আল্লাহ্ তোমাদের কল্যাণে নিয়োজিত করেছেন এবং প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য অনুগ্রহ সম্পূর্ণ করেছেন?” (সূরা লুকমান, আয়াত-২০)। বস্তুতঃ আল্লাহ্র অনুগ্রহ ব্যতীত কারো চলার শক্তি নেই। আরো এরশাদ হয়েছে, “তিনি (আল্লাহ্) পৃথিবীর সবকিছু তোমাদের জন্য সৃষ্টি করেছেন, তৎপর তিনি আকাশের দিকে মনোসংযোগ করেন এবং উহাকে সপ্তাকাশে বিন্যস্ত করেন; তিনি সর্ব বিষয়ে সবিশেষ অবহিত”(সূরা বাকারা-২৯)। এই সৃষ্টি জগত দুভাগে বিভক্ত। যার একটি হলো বস্তু জগত বা দৃশ্যমান জগত আর অপরটি আলোকময় তথা আত্মিক জগত। 


আরও খবর



সুপার ওভারে পাকিস্তানকে হারিয়ে চমক যুক্তরাষ্ট্রের

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 |

Image

বিডি ডিজিটাল ডেস্ক:


টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যকার ম্যাচ গড়িয়েছে সুপার ওভারে। প্রথমে ব্যাট করে ১৫৯ রান সংগ্রহ করে পাকিস্তান। 


জবাবে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৫৯ রান সংগ্রহ করে যুক্তরাষ্ট্র। ফলে ম্যাচ গড়িয়েছে সুপার ওভারে। 


বৃহস্পতিবার (৬ জুন) ডালাসের গ্র্যান্ড প্রেইরি স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাক অধিনায়ক বাবর আজম। ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে পাকিস্তান।



বাবর আজম ও শাদাব খানের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ায় পাকিস্তান। আর শেষ দিকে ইফতিখার আহমেদের ১৪ বলে ১৮ ও শাহিন আফ্রিদির ১৬ বলে ২৩ রানে চোট্ট ক্যামিওতে ভর করে ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৫৯ রান সংগ্রহ করে পাকিস্তান। শাদাব ২৫ বলে ৪০ ও বাবর ৪৩ বলে ৪৪ রান করেন। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে সৌরভ নেত্রাভালকার নেন ৩টি উইকেট।  


১৬০ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে দলকে ভালো শুরু এনে দেন দুই মার্কিন ওপেনার স্টিভেন টেইলর ও মোনাঙ্ক প্যাটেল। উদ্বোধনী জুটিতে ৩৬ রান যোগ করেন এই দুই ওপেনার। তবে ১৬ বলে ১২ রান করে ফিরে যান টেইলর।


এরপর ক্রিজে আসা অ্যান্ড্রিস গাউসকে সঙ্গে নিয়ে রানের চাকা সচল রাখেন মোনাঙ্ক। ৬৮ রানের জুটি গড়েন এই দুই ব্যাটার। সাবলীল ব্যাটিংয়ে ফিফটি তুলে নেন মোনাঙ্ক। এই দুই ব্যাটারের ব্যাটে জয়ের পথেই ছিল যুক্তরাষ্ট্র।


এরপর দ্রুতই জোড়া উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। গাউস ২৬ বলে ৩৫ ও মোনাঙ্ক ৩৮ বলে ৫০ রান করে আউট হন। তাদের বিদায়ের পর রানের চাকা সচল রাখেন অ্যারন জোন্স ও নিতিশ কুমার।


শেষ বলে জয়ের জন্য ৫ রান প্রয়োজন হয় যুক্তরাষ্ট্রে। সেই বলে চার মেরে ম্যাচ সুপার ওভারে নিয়ে যান নিতিশ। জোন্স ২৬ বলে ৩৬ ও নিতিশ ১৪ বলে ১৪ রানে অপরাজিত থাকেন।      




আরও খবর



মোদির সামনে চ্যালেঞ্জ

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

এবার ভাটা পড়ল নরেন্দ্র মোদির একক আধিপত্যে। লোকসভা নির্বাচনে জিতেও তিনি নিজের মতো করে দেশ শাসন করতে পারবেন না। পরপর দুবার দেশ শাসনে যে দাপট দেখিয়েছিলেন এবার আর সেটা সম্ভব হবে না। উঁচু গলা কিছুটা হলেও নিচু করতে হবে তাকে। 

কেননা এবার জোট সরকার গঠন করতে হবে মোদিকে। মোদির দল ভারতীয় জনতা পার্টি নিজেদেরকে নতুন ভারতের প্রতিনিধি হিসেবে দাবি করে আসছে। এমনকি কংগ্রেসকে ইঙ্গিত করে তারা বলছে তাদের হাতে বর্তমান ভারত নাকি স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতিমুক্ত। যদিও মোদী শাসনের বিপরীতে আছে ফ্যাসিবাদ, বেকারত্ব সমস্যা, হিন্দুত্ববাদী নীতি ও মুসলিমবিদ্বেষী মনোভাব সহ আরো অনেক অনেক অভিযোগ।

এবার নির্বাচনে বুথফেরত জরিপেও আশাহত হয়েছিলেন বিজেপি। কেননা ফলাফলে মোদির হ্যাটট্রিক জয়ের কথা থাকলেও তিনি পেয়েছেন মাত্র ২৪০ টি আসন। যদিও এবারের নির্বাচনে এটি সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন কিন্তু এককভাবে সরকার গঠনের জন্য দরকার ছিল ২৭২ টি আসন। যেটি কোন দলই পায়নি। আর এ কারণেই জোট শরীকদের কাঁধে ভর করা ছাড়া এখন বিজেপির হাতে আর কোন উপায় নেই। 

বিজেপির নেতৃত্বাধীন নরেন্দ্র মোদির সাথে জোট সরকারের গুরুত্বপূর্ণ শরিক হিসেবে থাকবে অন্ধ্রপ্রদেশের চন্দ্রবাবু নাইডুর দল টিডিপি এবং বিহারের নীতিশ কুমারের দল জেডিইউ। এছাড়াও, লোক জনশক্তি পার্টি (রামবিলাস) ও একনাথে শিন্ধের শিবসেনাসহ এমডিএ দলের ছোট ছোট দশটি শরিক দল রয়েছে।

ফলাফল প্রকাশের পর শরীকদের সাথে সরকার গঠনের জন্য মোদি সবরকম তোরজোর চালাচ্ছে। অন্যদিকে, রাজনৈতিক মহলগুলোতে আলোচনা চলছে- এককভাবে দেশ শাসন করা মোদি এখন শরিকদের কাঁধে ভর করে দেশ শাসন করতে পারবেন কিনা!

কারন, শরিকদের সাথে জোট সরকার গঠন করলে মোদীর সামনে থাকবে বহুমুখী চ্যালেঞ্জ। এর আগে, পরপর দুবার বিজেপির নেতৃত্বাধীন মোদি তার শাসনামলে নিজের সাম্প্রদায়িক উগ্র হিন্দুত্ববাদী চিন্তাধারা সাধারণ মানুষের উপর চাপিয়ে দিয়েছে। যা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়তে হয় তাকে। আর এখন সেই মোদিকেই কোন সিদ্ধান্তের জন্য নির্ভর করতে হবে জোট সরকারের ওপর। যা মোদির জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


আরও খবর

যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে ইইউ

বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24




৬ই জুন বাজেট : শিক্ষায় বাড়ছে বরাদ্দ

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 |

Image

সদরুল আইন:

আগামী ৬ জুন প্রথম বাজেট দিতে যাচ্ছেন অর্থমন্ত্রী। বাজেটে শিক্ষার দুই মন্ত্রণালয়ের প্রায় ৯৪ হাজার কোটি টাকার বাজেট বরাদ্দের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। 


শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা এবং কারিগরি শিক্ষায় বরাদ্দ থাকছে প্রায় ৫৫ হাজার কোটি টাকা। অন্যদিকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষায় ৩৮ হাজার কোটি টাকার কিছু বেশি বরাদ্দ আসছে।


 তবে শিক্ষাবিদরা বলছেন, বাজেটের আকারের সাথে বরাদ্দ বাড়লেও ইউনেস্কোর হিসেবে এখনও জিডিপির ৪ শতাংশে পৌঁছাতে পারেনি বাংলাদেশ।



শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, বরাদ্দর চেয়ে গুণগত বাস্তবায়নে এবার জোর দেয়া হবে। আসছে অর্থবছরে গুরুত্ব পাবে শিক্ষকদের প্রশিক্ষক ও কারিকুলাম বাস্তবায়ন। সেইসাথে গুরুত্বের তালিকায় থাকবে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক খাত।


শিক্ষামন্ত্রী অবশ্য বলছেন, বরাদ্দ যায় হোক বাস্তবায়নের গুরুত্ব দিতে হবে। এবার শিক্ষক প্রশিক্ষণসহ নতুন কারিকুলাম গুরুত্ব পাচ্ছে। গবেষণাও থাকবে অগ্রাধিকারে।


তিনি বলেন, বাজেট বাড়ালেই হবে না, সেটা কর্মমুখী করতে হবে। কর্মসংস্থান সংশ্লিষ্ট যে সব দক্ষতা আছে, সেগুলো তৈরি করতে হবে। শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, কারিকুলামের মান উন্নয়ন, উচ্চ শিক্ষায় জোর দেয়া হচ্ছে।   


প্রশ্ন ছিলো শিক্ষার সাথে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়কে জুড়ে দিয়ে টাকার অঙ্ক বড় করে দেখানো হয়। মন্ত্রীর জবাবও ২২ মন্ত্রণালয় শিক্ষার সাথে কাজ করছে। 


শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমাদের অনেক প্রতিষ্ঠান আছে যেগুলো পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে। সেগুলো কিন্তু এ হিসেবে দেখানো হয় না। আমাদের সাথে ২২টি মন্ত্রণালয় জড়িত। যেহেতু ২২টি মন্ত্রণালয় জড়িত সেখানে যথাযথ বাজেট বরাদ্দ হয়ে থাকে। 


করোনাকালীন ধাক্কা পুরোপুরি কাটিয়ে উঠেনি শিক্ষা খাত। সেই সাথে আরো কিছু চ্যালেঞ্জ ছিলো সব উৎরে বাজেটের সঠিক বাস্তবায়ন গুরুত্ব পাবে বলছেন শিক্ষামন্ত্রী।


আরও খবর



একটানা বৃষ্টিতে নাকাল রাজধানীবাসী

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

ডিজিটাল ডেস্ক:


প্রবল ঘূর্ণিঝড় রেমালের কেন্দ্র বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করে এখন খুলনা ও কয়রার দিকে অবস্থান করছে। 


ঘূর্ণিঝড়টির পুরো প্রভাব শেষ হতে আরও পাঁচ থেকে ছয় ঘণ্টা লাগতে পারে। এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে রোববার মধ্যরাত থেকেই রাজধানীতে বৃষ্টি হচ্ছে। দমকা বাতাসের সঙ্গে এমন বৃষ্টি আরও ভোগান্তিতে ফেলেছে নগরবাসীকে।


সোমবার (২৭ মে) বৃষ্টির কারণে রাজধানীতে অফিসগামী থেকে শুরু করে সাধারণ যাত্রীরা যাতায়াতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। 


পাশাপাশি স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও ফুটপাতের দোকানিরাও সমস্যায় পড়েছেন। তারপরও এক ধরনের যুদ্ধ করেই গন্তব্য যেতে হচ্ছে নগরবাসীকে।


এর ওপর রাস্তায় স্বাভাবিকের তুলনায় যানবাহন অনেকটা বেশি দেখা গেছে। ফলে বৃষ্টির মধ্যেই অনেক জায়গায় আরেক ভোগান্তি হয়ে দাঁড়িয়েছে যানজট।



রাজধানীর কিছু কিছু এলাকায় জলাবদ্ধতাও দেখা দিয়েছে। বাড্ডা, বিজয় সরণী, শেওড়াপাড়া, জাহাঙ্গীর গেট, ফার্মগেট, তালতলা, মগবাজার ও খিলক্ষেতসহ অনেক এলাকায় বৃষ্টির মধ্যে অফিসগামী মানুষকে বাসের জন্য অপেক্ষা করতে দেখা গেছে।


সড়কে চলাচলরত অনেকের ছাতা থাকলেও শরীরের নিচের ও পেছনের অংশ ভিজে একাকার হয়ে গেছে। কারও পুরো শরীর ভিজে একাকার। অনেকেই কাকভেজা শরীরেই চলছেন অফিস কিংবা গন্তব্যে।


এদিকে, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ না থাকায় মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ ছিল। এতে ভোগান্তিতে পড়েন যান যাত্রীরা। তবে সকাল ১০টা ৮ মিনিটে চলাচল ফের শুরু হয়েছে।


আরও খবর



ঈদযাত্রার প্রথম দিনে ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয়

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 |

Image



সদরুল আইন:


শুরু হয়েছে ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে অগ্রিম টিকিটে ট্রেনযাত্রা। তবে, প্রথম দিনেই ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বিলম্ব ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করা।


 কাঙ্ক্ষিত ট্রেন পেতে যাত্রীদের এক থেকে আড়াই ঘণ্টা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছে। আর স্টেশন থেকে বলা হচ্ছে, ঈদের সময় এই বিলম্ব স্বাভাবিক।



আজ বুধবার (১২ জুন) কমলাপুর রেল স্টেশন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। সকালে ঢাকার কমলাপুর স্টেশন থেকে সিলেটগামী পারাবাত এক্সপ্রেসের ছাড়ার কথা ছিল ভোর ৬টা ৩০ মিনিটে। 


সেই ট্রেন ২ ঘণ্টা বিলম্বে ছেড়েছে সকাল ৮টা ৩৩ মিনিটে। সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে ছেড়ে যাওয়ার কথা কিশোরগঞ্জের এগারো সিন্ধু প্রভাতীর। ট্রেনটি ৯টা ২৫ মিনিটে স্টেশন ছাড়ে। 


এ ছাড়া ৮টা ১৫ মিনিটের মোহনগঞ্জগামী মহুয়া এক্সপ্রেস স্টেশন ছেড়েছে বেলা ১১টার কিছু পর।



ঈদ উপলক্ষে পরিবার নিয়ে স্বাচ্ছন্দ্যে বাড়ি যেতে কিশোরগঞ্জগামী এগারো সিন্ধু প্রভাতীর টিকিট কেটেছিলেন রফিকুল ইসলাম। ছেলে-মেয়ে ও মাকে নিয়ে কমলাপুর স্টেশনে যান ট্রেন ছাড়ার নির্দিষ্ট সময় আগেই। তবে দুই ঘণ্টা পার হলেও ট্রেন কমলাপুর ছাড়েনি।


রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ট্রেনের জন্য যদি অপেক্ষা করতেই হয়। তাহলে আর স্বাচ্ছন্দ্যে বাড়ি যাওয়া হলো কোথায়? আগে ট্রেনের টিকিট কেটেই কী লাভ হলো? সেই দুর্ভোগই পোহাতে হচ্ছে। গরমে ছেলে-মেয়ে আর মা কষ্ট পাচ্ছেন।’


মোহনগঞ্জগামী সালমা আক্তারও জানালেন ট্রেনযাত্রার ভোগান্তির কথা। তিনি বলেন, ‘স্টেশনে খুব একটা ভিড় নেই। ঈদের প্রথম ট্রেন। এরপরও কেন এমন শিডিউল বিপর্যয়।’ ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘এর চেয়ে বাসে যাওয়াই ভালো ছিল।’


তবে কমলাপুরের স্টেশন মাস্টারের দাবি, অধিকাংশ ট্রেন সময় অনুযায়ী ছেড়েছে। স্টেশন মাস্টার মোহাম্মদ মাসুদ সারওয়ার বলেন, ঈদের এ সময়টায় একঘণ্টা বা তারও বেশি দেরি স্বাভাবিক হিসেবেই দেখতে হবে।


 তবে আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) থেকে যেন ট্রেন সময়মতো ছেড়ে যায় সে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।



আরও খবর

শেখ হাসিনার প্রশংসায় জয়শঙ্কর

শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪