Logo
শিরোনাম

আত্মিক জ্ঞান ও বাহ্যিক জ্ঞান

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৮ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ |
Image

মাজহারুল ইসলাম মাসুম, সিনিয়র সাংবাদিক, লেখক ও গবেষক :

সৃষ্টি জগত দুভাগে বিভক্ত। বস্তুজগত ও আত্মিক জগত। বস্তু বা দৃশ্যমান জগতের সাথে আমরা দৈহিক ভাবে নানা কলা- কৌশল তথা নিয়ম পদ্ধতির মাধ্যমে যোগাযোগ করে থাকি। পক্ষান্তরে আত্মিক বা অদৃশ্য জগত হলো অত্যন্ত সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম ও রহস্যময় জগত। এই জগতের সাথে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য বস্তুজগত বা দৃশ্যমান জগতের যোগাযোগ মাধ্যম সম্পূর্ণ অচল। একমাত্র পরিশুদ্ধ ও নিয়ন্ত্রিত আত্মার সাহায্যেই আত্মিক জগতের সাথে যোগসূত্র স্থাপন করা যায়। বিজ্ঞানের চরম উন্নতির যুগেও আমরা অনেকেই আত্মিক জগত সম্পর্কে নানা মত পোষণ করে থাকি। এও মনে করি যে, আত্মিক জগত সম্পর্র্কে চিন্তা করারও কোন প্রয়োজন নেই, আর তা করলে ঈমানহারা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মৃত্যুর পরই কেবল সে জগতের প্রশ্ন আসে। আবার অনেকেই মনে করে থাকি যে, আত্মিক জগত শুধু কল্পনারই জগত ইত্যাদি। প্রকৃত পক্ষে সৃষ্টির সুচনালগ্ন থেকেই মহান আল্লাহর পক্ষ হতে আগত নবী-রাসূলগণ ও পরে তাঁদের উত্তরসূরী অসংখ্য মহামানব এবং তাদের অনুসারীগণ আত্মিক জগতের সাথে যোগাযোগ করতে সক্ষম হয়েছেন, তাঁরা মহান আল্লাহ্ পাক ও তাঁর প্রিয়তম বন্ধু হযরত রাসূল (সঃ)-এর দিদার লাভে ধন্য হয়েছেন। জেনেছেন স্রষ্টা ও সৃষ্টির রহস্য। কিন্তু বিজ্ঞানের এই চরম উন্নতির যুগেও আত্মিক জগতের সাথে আমরা অনেকেই পরিচিত নই, এটা আমাদের জন্য চরম ব্যর্থতা। আর এজন্য পবিত্র কুরআনে এরশাদ হয়েছে, “যে ইহলোকে অন্ধ সে পরলোকেও অন্ধ এবং আরো বেশী পথভ্রষ্ঠ”(সূরা বনি ইসরাঈল, আয়াত-৭২)।

দেহ আর আত্মার সমন্বয়েই মানুষ। আত্মা ছাড়া দেহ মৃত লাশ। আর প্রত্যেক মানুষ মূলতঃ দুটি দেহের অধিকারী। একটি তার জৈবিক বা জড় দেহ যা রক্ত মাংস ও হাড্ডিযুক্ত, অপরটি হচ্ছে আলোক বা ইথারিক দেহ যা ধরা ছোঁয়ার বাইরে। কিন্তু আলোক দেহধারীর ছবি দেখা যায় ও তার কথাও শোনা যায়। ওই দেহধারীর বাস্তবতা আমরা দেখতে পাই টেলিভিশন নামক যন্ত্রে। টিভি সম্প্রচার কেন্দ্র থেকে একজন জড় দেহের মানুষকে আধুনিক বিজ্ঞানের কলা কৌশলের মাধ্যমে ইথারিক বা আলোক দেহে রূপান্তরিত করে সমগ্র বিশ্বে ইথার তথা তরঙ্গে ছড়িয়ে দেয়া হয়। ভূ-উপগ্রহের মাধ্যমে টেলিভিশন নামক গ্রাহক যন্ত্রের দ্বারা পৃথিবীর যে কোন প্রান্ত থেকে তাৎক্ষণিক জড় দেহধারী ব্যক্তির আলোক দেহ দেখা যায় ও তার কথাও শোনা যায়। টিভিতে আমরা যে ছবি দেখি তা ধরা ছোয়ার বাইরে। কিন্তু তার ছবি ও কথা কোনটিই মিথ্যা নয়। এতো সামান্য জ্ঞানের অধিকারী মানুষের আবিস্কারকৃত কলা কৌশলের ফল। বর্তমান বিশ্বের অন্যতম যোগাযোগের মাধ্যম ইন্টারনেটএর সাথে আলোকময় জগতের যোগাযোগ পদ্ধতির অনেকটা সামঞ্জস্য লক্ষ্য করা যায়। যেমন, একটি কম্পিউটার বা ল্যাপটপে ইন্টারনেট কানেকশন সংযোগ করে ঘরে বসে পৃথিবীর যেকোন দেশের খবরাখবর নেয়া ও ছবি দেখা যায়। তেমনি ডিস এ্যান্টিনার মাধ্যমে টেলিভিশন নামক যন্ত্রে বিশ্বের খবরাখবর নেয়া ও ছবি দেখা যায়। এই বিষয়গুলো নিয়ে আমরা যদি গভীর ভাবে চিন্তা করি তা হলেই আত্মিক জগতের চিত্র আমাদের সামনে অনেকটাই পরিস্কার হয়ে যায়। তবে এইযে জাগতিক কলাকৌশলের বিষয়ে আলোচনা করলাম এগুলো হলো মহান আল্লাহ্ পাকের সৃষ্টি ক্ষুদ্র জ্ঞানের মানুষের আবিস্কার যা জাগতিক জ্ঞানের ফসল। অপরদিকে আত্মিক জগতের সাথে যোগযোগ করতে হলে আধ্যাত্মিক জ্ঞান অর্জন করতে হবে। আর এই আত্মিক জ্ঞান অর্জনের বিষয়ে পবিত্র কুরআনে সবিস্তারে বর্ণনা রয়েছে।

পবিত্র কুরআনে এরশাদ হয়েছে, “আসমান ও জমিনে যা কিছু আছে সব আল্লাহ্রই এবং সব কিছুকে আল্লাহ্ পরিবেষ্টন করে আছেন” (সূরা নেসা, আয়াত-১২৬)। অন্যত্র এরশাদ হয়েছে,“তিনি (আল্লাহ্) যাকে ইচ্ছা হিকমত(বিশেষ জ্ঞান)প্রদান করেন এবং যাকে হিকমত প্রদান করা হয় তাকে প্রভূত কল্যাণ দান করা হয় এবং বোধশক্তিসম্পন্ন লোকেরাই শুধু শিক্ষা গ্রহণ করে” (সূরা বাকারা-২৬৯)। প্রথমোক্ত আয়াতে বলা হয়েছে, আল্লাহ্ পাক বিশ্বজাহানের মালিক এবং সমগ্র বিশ্ব জগত তিনি পরিবেষ্টন করে আছেন। অর্থাৎ তিনি সমগ্র সৃষ্টি জগতে বিরাজমান। পরের আয়াতে বলা হয়েছে, মহান আল্লাহ্ দয়া করে যাকে ইচ্ছা তাকেই হিকমতবিশেষ জ্ঞান (তাঁকে জানার জ্ঞান) দান করেন। আর যাকে ওই বিশেষ জ্ঞান দান করেন তাঁকে প্রভূত কল্যাণও দান করে থাকেন। আর বোধশক্তিসম্পন্ন অর্থাৎ বিশেষ জ্ঞানের অধিকারীগণই প্রকৃত শিক্ষা লাভের ক্ষমতা রাখেন। মহান আল্লাহ পাকের জ্ঞানে যারা জ্ঞানী তারা সাধারণ মানব নন বরং তারা বিশেষ মর্যদাশীল ব্যক্তি,তারা আল্লাহ পাকের মনোনিত ব্যক্তি, তারা আল্লাহ্ পাকের বন্ধু বলে পরিগণিত। আল্লাহ্র বন্ধুগণই আত্মিক জগতের সাথে যোগাযোগের ক্ষমতা রাখেন এবং অপরকেও আত্মিক জগতের শিক্ষায় শিক্ষিত করতে পারেন। সৃষ্টির শুরু থেকে যত নবী-রাসূল জগতে আগমন করেছেন, তাঁরা প্রত্যেকেই মহান আল্লাহর সাথে যোগাযোগ রেখে তাঁর নির্দেশ অনুযায়ী ধর্ম প্রচার এবং মানব জাতিকে হেদায়েতের কাজ করেছেন। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাঁর নিজ সম্পর্কে এরশাদ করেন, “তিনি (আল্লাহ্) আদি, তিনিই অন্ত, তিনি প্রকাশ, তিনি গুপ্ত এবং তিনি সর্ব বিষয়ে সম্যক অবহিত”(সূরা হাদিদ, আয়াত-৩)। অর্থাৎ সৃষ্টি জগত সৃজনের আগে মহান আল্লাহ ব্যতীত আর কোন কিছুই ছিলনা, সৃষ্টি জগত ধ্বংস হওয়ার পরও তিনি থাকবেন, তিনি সৃষ্টির মাঝেই নিজেকে প্রকাশ করেছেন,আবার তিনি তাঁর সৃষ্টি থেকে গোপন অবস্থায় আছেন।

হাদীসে কুদসীতে আল্লাহ বলেন, “আমি গুপ্ত ধনাগার ছিলাম, নিজকে প্রকাশ করতে ভালোবাসলাম, তাই সৃষ্টি জগত সৃজন করলাম” (সিররুল আসরার)। অর্থাৎ আল্লাহ্ পাক গোপনে না থেকে নিজেকে প্রকাশ করার জন্য ভালবাসলেন এবং সৃষ্টিকেই তাঁর ভালবাসার মাধ্যম হিসেবে বেঁচে নিলেন। হাদিসে কুদসীতে আল্লাহ আরো বলেন, “মানবজাতি আমার গুপÍ ভেদ এবং আমি মানুষের গুপ্ত রহস্য” (সিররুল আসরার)। মানুষ সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব। সমগ্র সৃষ্টিরাজির উপর প্রাধান্য বিস্তার করার ক্ষমতা মানুষকে দেয়া হয়েছে। এরপরও মানুষ হিসেবে আমরা আত্মিক জগতের কথা ভাবিনা, আল্লাহ পাকের দিদার লাভের চিন্তা করিনা বা কি করে তাঁর দিদার লাভ করা যায় সেই পথের সন্ধানও করিনা। অথচ মহান আল্লাহ পাকের মানব সৃষ্টির উদ্দেশ্যই ছিল-মানুষের মাধ্যমে তাঁর গুনাবলী প্রকাশ পাবে। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ্ বলেন,“ পৃথিবীর সব গাছ যদি কলম হয়, আর এই যে সমুদ্র এর সঙ্গে যদি সাত সমুদ্র যোগ দিয়ে কালি হয় তবুও আল্লাহ্র গুণাবলী লিখে শেষ করা যাবেনা। আল্লাহ্তো শক্তিমান তত্ত্বজ্ঞানী” (সূরা লোকমান, আয়াত-২৭)। এই অসীম গুনাবলীর অধিকারী মহান আল্লাহ গোপন অবস্থা থেকে প্রকাশ পেয়ে তাঁর গুণাবলীর বিকাশ ঘটাতে চেয়েই মানব সৃষ্টি করেন। আল্লাহ্ পাক মানুষকে এতো উচ্চ মর্যাদায় দিয়েছেন যে, তাঁর প্রতিনিধি করে মানুষকে দুনিয়াতে প্রেরণ করেছেন। আল্লাহ্ প্রদত্ত এই উচ্চ মর্যাদা সম্পর্কে আমরা নিজেরাই হয়ত অনেকে জানিনা। এছাড়া মানুষের সার্বিক প্রয়োজনে এই সৃষ্টি জগত সৃজিত। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ্ ঘোষণা করেন, “তোমরা কি দেখনা আকাশ ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবই আল্লাহ্ তোমাদের কল্যাণে নিয়োজিত করেছেন এবং প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য অনুগ্রহ সম্পূর্ণ করেছেন?” (সূরা লুকমান, আয়াত-২০)। বস্তুতঃ আল্লাহ্র অনুগ্রহ ব্যতীত কারো চলার শক্তি নেই। আরো এরশাদ হয়েছে, “তিনি (আল্লাহ্) পৃথিবীর সবকিছু তোমাদের জন্য সৃষ্টি করেছেন, তৎপর তিনি আকাশের দিকে মনোসংযোগ করেন এবং উহাকে সপ্তাকাশে বিন্যস্ত করেন; তিনি সর্ব বিষয়ে সবিশেষ অবহিত”(সূরা বাকারা-২৯)। এই সৃষ্টি জগত দুভাগে বিভক্ত। যার একটি হলো বস্তু জগত বা দৃশ্যমান জগত আর অপরটি আলোকময় তথা আত্মিক জগত। 


আরও খবর

সাধনার মাধ্যমে আত্মশুদ্ধি অর্জন

বুধবার ০৯ নভেম্বর ২০২২

মাইজভান্ডারী তরিকা

মঙ্গলবার ২৫ অক্টোবর ২০২২




নওগাঁয় বাবা-মেয়ের মৃত্যু, মা-মেয়ে হাসপাতালে

প্রকাশিত:শনিবার ১৯ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টারঃ 


নওগাঁর পত্নীতলায় ট্রাক ও মোটরসাইকেল এর সংঘর্ষে শিশু মেয়ে জান্নাতুন ফেরদৌস (১১) এর মৃত্যুর মাত্র কয়েক ঘন্টার ব্যবধানে তার বাবা আবু সাইম সরকার (৩৮) এর ও মৃত্যু হয়েছে। একই দূর্ঘটনায় নিহত আবু সাইম সরকারের স্ত্রী মোসাঃ শান্তনা আক্তার (৩১) ও ছোট মেয়ে মোসাঃ লামিয়া জান্নাত (৫) গুরুতর আহত হয়েছেন। নিহত ও আহতদের বাড়ি নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার উত্তর গ্রামে।

হাসপাতাল ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সন্ধার দিকে আবু সাইম সরকার তার স্ত্রী ও দুই শিশু মেয়েকে নিয়ে একটি মোটরসাইকেল যোগে শশুর বাড়ী নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার আমন্ত গ্রামে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে পত্নীতলা উপজেলার নজিপুর-সাপাহার সড়কের আত্রাই নদীর সেতুর উপর পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সাথে মটরসাইকেল এর সংঘর্ষে তারা সবাই ছিটকে রাস্তার উপর পরে মারান্তকভাবে আহত হলে স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাদেরকে পত্নীতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক জান্নাতুল ফেরদৌসকে মৃত ঘোষনা করেন এবং অপর ৩ জনের মধ্যে আবু সাইম সরকার ও শান্তনাকে আশঙ্কা জনক অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে প্রেরণ করেন। রাজশাহীতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার ভোর ৪টার দিকে আবু সাইম সরকার এর মৃত্যু হয়।

সত্যতা নিশ্চিত করে পত্নীতলা থানার ওসি সেলিম রেজা বলেন, এ দূর্ঘটনায় শিশু মারা গেছে এবং ৩ জন কে আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করার পর চিকিৎসাধী অবস্থায় শনিবার ভোরে আবু সাইম সরকারের মৃত্যু হয়েছে। 


আরও খবর



নওগাঁর মহাদেবপুরে থানা পুলিশের অভিযানে ১০ জন আটক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৪ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টারঃ


নওগাঁর মহাদেবপুর থানা পুলিশ পৃথক অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন মামলার ওয়ারেন্টমূলে ১০ জনকে আটক করেছে। 

বুধবার ২৩ নভেম্বর দিনগত রাতে ও বৃহস্পতিবার সকালে পৃথক স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করেন পুলিশ। আটককৃতদের বৃহস্পতিবার বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে নওগাঁ জেল হাজতে প্রেরণ করেছে পুলিশ।

আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোজাফ্ফর হোসেন জানান, মাদক, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন, মারামারি প্রভৃতি মামলায় তাদেরকে আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন, মহাদেবপুর উপজেলা সদরের মাংস হাটির মৃত বিশ্বনাথ রবিদাসের ছেলে রাজন রবিদাস, সদর ইউনিয়নের লিচুবাগান ফাজিলপুর গ্রামের মৃত হাসেম আলী শেখের ছেলে তমিজ উদ্দিন, জোয়ানপুর গ্রামের মৃত ইয়াকুব আলীর ছেলে আবু রায়হান, চেরাগপুর ইউনিয়নের শালবাড়ী গ্রামের হামিদুল ইসলামের ছেলে মোঃ মামুন, ভীমপুর ইউনিয়নের খোর্দ্দনারায়নপুর গ্রামের মৃত ছপতুল মন্ডলের ছেলে হেলাল ওরফে হেলু, খাজুর ইউনিয়নের কুঞ্জবন গ্রামের তসলিম উদ্দিন মন্ডলের ছেলে দেলোয়ার হোসেন, উত্তরগ্রাম ইউনিয়নের শিবরামপুর গ্রামের মৃত তছির উদ্দিন মোল্লার ছেলে আবদুল জলিল মোল্লা, দরিয়াপুর গ্রামের সিদ্দিক শেখের জামাই মাসুদ রানা ওরফে হান্নান এবং পোরশা উপজেলার গোপালগঞ্জ যমুনার বাগান গ্রামের ফারুক হোসেনের ছেলে তারেক হোসেন।


আরও খবর



শস্য রপ্তানি চুক্তি স্থগিত রাশিয়ার

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

ইউক্রেনের সঙ্গে শস্য রপ্তানি চুক্তি স্থগিত করেছে রাশিয়া। শনিবার কৃষ্ণসাগরে রুশ নৌবহরে হামলার জেরে মস্কো এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এর আগে চুক্তি নবায়নের জন্য সবপক্ষকে আহ্বান জানায় জাতিসংঘ। সংস্থার মুখপাত্র স্টিফেন দুজারিক বলেন, যদি খাদ্য এবং সার যথাসময়ে বিশ্ব বাজারে না যায়, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। জুলাইতে ১২০ দিনের জন্য চুক্তিটি সই হয়। ১৯ নভেম্বর মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল। এর আগেই চুক্তি থেকে বেরিয়ে গেলো মস্কো। দু'পক্ষের চুক্তিতে মধ্যস্থতা করে তুরস্ক এবং জাতিসংঘ। পহেলা আগস্ট কৃষ্ণ সাগরে ইউক্রেনের বন্দর দিয়ে রপ্তানি শুরু হয়। এরপর ৩৬৫টি জাহাজ, ৮ মিলিয়ন টন কৃষিপণ্য নিয়ে বন্দর ছেড়ে গেছে।


আরও খবর

থাইল্যান্ডে গাড়িবোমা বিস্ফোরণ

মঙ্গলবার ২২ নভেম্বর 20২২

হেরে গেলেন মাহাথির

রবিবার ২০ নভেম্বর ২০22




নিত্যপণ্যের বাজারে দাম বৃদ্ধির মিছিল

প্রকাশিত:শনিবার ০৫ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

বাজারে কোনো পণ্য কিনতে গিয়েই স্বস্তি পাচ্ছেন না সাধারণ মানুষ। প্রতিটি পণ্যের দামই হু হু করে বাড়ছে। মধ্যবিত্তরাও এখন দামের চাপে ব্যাগের তলানিতে পণ্য নিয়ে ফিরছেন ঘরে। নিম্নবিত্তদের অবস্থা অবর্ণনীয়।

বাজারে নতুন অস্বস্তি নিয়ে এসেছে ভোজ্যতেল। দেশের বাজারে ভোজ্যতেলের দাম কমেছিল এক মাস আগে। এর মধ্যেই আবার দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এবার তারা লিটারে ১৫ টাকা বাড়াতে চান। মঙ্গলবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব দেওয়ার পর এরই মধ্যে বাজারে তেল সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে কোম্পানিগুলো। সেজন্য এখন বেশির ভাগ দোকানে আগের নির্ধারিত দাম অনুযায়ী তেল পাওয়া যাচ্ছে না। প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৭৮ টাকা এবং খোলা সয়াবিন তেল ১৫৮ টাকায় বিক্রি হওয়ার কথা থাকলেও কিনতে হচ্ছে আরো বেশি দরে।

মালিবাগ বাজারের এক খুচরা বিক্রেতা জানান, সরকার ঘোষণা দেওয়ার আগেই ডিলাররা তেলের দাম বেশি নেওয়া শুরু করেছে। বোতলজাত সয়াবিনের পাশাপাশি খোলা সয়াবিন ও পাম তেলের দামও বেড়েছে পাইকারি বাজারে। পাইকারি পর্যায়ে প্রতি ড্রাম (২০৪ লিটার) সয়াবিন ও পাম তেলে এক থেকে দেড় হাজার টাকা বেড়েছে।

অন্যদিকে বাজারে চিনির দাম এখনো কমেনি। প্রতি কেজি খোলা চিনি ৯০ টাকা এবং প্যাকেটজাত ৯৫ টাকা নির্ধারিত থাকলেও বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১১৫ টাকায়। আবার সরকারি চিনিকলের চিনিগুলো প্রতি কেজি ৮৫ টাকা দর নির্ধারিত থাকলেও সেসব বাজারে মিলছে না।

গত তিন দিনে মিল পর্যায়ে মোটা চাল প্রতি বস্তায় (৫০ কেজি) ৫০ থেকে ১০০ টাকা বেড়েছে। সে কারণে খুচরা বাজারে খোলা চালের দামও বেড়েছে ১-২ টাকা। প্রতি কেজি পায়জাম ও গুটি স্বর্ণা জাতের চাল বিক্রি হচ্ছে ৫৩ থেকে ৫৬ টাকায়। বিআর-২৮ জাতের চাল ৫৮ থেকে ৬০ টাকায়।

খুচরা বাজারে বেড়েছে খোলা আটা-ময়দার দামও। প্রতি কেজি আটা বিক্রি হচ্ছে ৫৫-৬০ টাকায়, যা আগে ৫ টাকা কম ছিল। একইভাবে ভালো মানের ময়দার দাম ৬৫-৭০ টাকা হয়েছে। ডালের দামও গত তিন-চার দিনে কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা বেড়েছে। দেশি প্রতি কেজি মসুর ডাল ১২৫ থেকে ১৩০ এবং আমদানি করা ডাল ১০০ থেকে ১০৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে সপ্তাহের ব্যবধানে আরো ৫ টাকা বেড়ে দেশি পেঁয়াজের কেজি ঠেকেছে ৬০ টাকায়। আবার ভালোমানের বাছাই করা পেঁয়াজ নিতে গেলে কোথাও কোথাও ৭০ টাকাও দিতে হচ্ছে। আমদানি করা পেঁয়াজের কেজি ৫৫ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া বাজারে অধিকাংশ সবজির দাম ৮০ টাকা কেজি। ৮০ টাকা বা তার কিছু কমবেশি দামের সবজির তালিকায় রয়েছে কাঁকরোল, কচুর লতি, করলা, ঝিঙা ও শিম। বেগুন, পটল, চিচিঙ্গা, মুলা ও একপিস ফুলকপি পাওয়া যাচ্ছে ৬০ টাকার মধ্যে। কম দামে শুধু পেঁপে, যা ৪০ টাকা কেজি। আর টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে।


আরও খবর



গ্যাস থাকবেনা টানা সাত দিন

প্রকাশিত:শনিবার ০৫ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

বুলবুল আহমেদ সোহেল ঃ

সঞ্চালন লাইন মেরামত কাজের জন্য ঢাকার কিছু অংশ নারায়ণগঞ্জের বেশ কয়েকটি এলাকায় এবং মুন্সীগঞ্জে  টানা এক সপ্তাহ ধরে গ্যাস সরবরাহ বিঘ্ন বা বন্ধ থাকতে পারে। বিতরণ সংস্থা তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি শনিবার এক জরুরি নোটিসে এই সতর্কবার্তা দিয়েছে।

রোববার (৬ নভেম্বর) থেকে ১২ নভেম্বর পর্যন্ত সঞ্চালন কোম্পানি জিটিসিএলের ৩০ ইঞ্চি পাইপের মেরামত কাজের জন্য এই পরিস্থিতি বিরাজ করবে।

তিতাসের বার্তায় বলা হয়, ‘জিটিসিএল কর্তৃক আগামী ০৬ নভেম্বর রোববার থেকে ১২ নভেম্বর শনিবার পর্যন্ত বাখরাবাদ-সিদ্ধিরগঞ্জ ৩০ ইঞ্চি ব্যাস, ৬০ কি.মি. দীর্ঘ উচ্চচাপ বিশিষ্ট গ্যাস সঞ্চালন পাইপলাইনে ইন্টেলিজেন্ট পিগিং করা হবে। এর ফলে এই সময়ের মধ্যে তিতাস গ্যাসের অধিভূক্ত ঢাকা মহানগরীর দক্ষিণ অংশের আংশিক এলাকা, জিঞ্জিরা, কেরানীগঞ্জ, মেঘনাঘাট, সোনারগাঁও, হরিপুর, নারায়ণগঞ্জ, ফতুল্লা ও মুন্সীগঞ্জ এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বিঘ্ন ঘটবে। কোথাও কোথাও স্বল্প চাপ বিরাজ করতে পারে।’

নারায়ণগঞ্জ আঞ্চলিক বিপনন বিভাগের ডিজিএম মামুনুর রশীদ জানান, ‘জিটিসিএলের সঞ্চালন লাইন পরিষ্কার করা হবে। এর ফলে গ্যাসের চাপ কিছুটা হলেও কমে গেছে। পাইপের ভেতর থেকে মরিচা পরিষ্কার করার পরে গ্যাসের চাপ বাড়বে।


আরও খবর

কর্মবিরতিতে নৌযান শ্রমিকরা

রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২