Logo
শিরোনাম

বাবার পদবি বাদ দিতে আদালতে ব্র্যাড পিট-জোলির কন্যা

প্রকাশিত:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image

 ডিজিটাল ডেস্ক:


নিজ নামের শেষ অংশ থেকে বাবার নাম বাদ দিতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন হলিউড তারকা ব্র্যাড পিট ও অ্যাঞ্জেলিনা জোলি দম্পতির কন্যা শিলো নুভেল জোলি-পিট। 



‘পিট’ পদবি বাদ দিয়ে এখন শুধু ‘শিলো জোলি’ নামেই পরিচিত হতে চান তিনি। এজন্য গত ২৭ মে তার ১৮ তম জন্মদিনে লস অ্যাঞ্জেলেসের একটি আদালতে আবেদন করেছেন তিনি। 



২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে ব্র্যাড পিটের সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদের আবেদন করেন অ্যাঞ্জেলিনা জোলি। তবে তাদের বিচ্ছেদের রায় এখনও চূড়ান্ত হয়নি। উপরন্তু, তারা বর্তমানে একসাথে কেনা একটি ফরাসি ওয়াইনারি শ্যাটো মিরাভাল নিয়েও আইনি লড়াইয়ে জড়িত।


অ্যাঞ্জেলিনা জোলি ও ব্র্যাড পিটের ছয় সন্তানের মধ্যে শিলো তৃতীয়। তবে তিনিই প্রথম নন যিনি পিট নাম থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রেখেছেন। এ বছরের শুরুর দিকে তার ১৫ বছর বয়সী বোন ভিভিয়েন 'দ্য আউটসাইডারস' মঞ্চনাটকে শুধু তার মায়ের শেষ নাম ব্যবহার করেন। 


২০২৩ সালের একটি ভিডিওতে, বড় মেয়ে জাহারাকে স্পেলম্যান কলেজে আলফা কাপ্পা আলফা সোরোরিটিতে যোগদানের সময় নিজেকে জাহারা মার্লে জোলি হিসাবে পরিচয় দিতে শোনা যায়।


তবে অ্যানিমেটেড চলচ্চিত্র কুংফু পান্ডা ৩-এ ভয়েস অভিনেতা হিসেবে অভিনয় করা শিলো ভাইবোনদের মধ্যে প্রথম যিনি যিনি আইনিভাবে নাম পরিবর্তনের পথে হাঁটলেন। 


ব্র্যাড এবং অ্যাঞ্জেলিনার ছয় সন্তানের নাম ম্যাডক্স, জাহারা, শিলো, প্যাক্স এবং যমজ নক্স ও ভিভিয়েন। তারা বর্তমানে জোলির অভিভাবকত্বে রয়েছে।



আরও খবর



ট্রেজারি বিল ও বন্ডে ব্যাংকের বিনিয়োগ বাড়ছে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডে রিপোর্ট:



ব্যাংকগুলো ক্রমবর্ধমান সুদের হার থেকে বেশি মুনাফা পেতে ট্রেজারি বিল ও বন্ডে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে।


বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের ১ জুলাই ও ২৯ মে সময়ে সরকার বিল ও বন্ড ব্যবহার করে ব্যাংক থেকে ৭৮ হাজার ১১৭ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে, যা আগের বছরের একই সময়ের ১৭ হাজার ৮৮৩ কোটি টাকার চেয়ে ৩৩৭ শতাংশ বেশি।



মূলত কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরকারকে ঋণ দেওয়া কমালে বিল ও বন্ডের মাধ্যমে সরকারের ঋণ নেওয়া বাড়তে থাকে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ঘাটতি মেটাতে ব্যাংক থেকে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।


এদিকে ক্রমবর্ধমান সুদহারের কারণে ব্যাংকগুলো বেসরকারি খাতে ঋণ দেওয়ার চেয়ে বিল ও বন্ডে বিনিয়োগে বেশি আগ্রহী। কারণ সরকারি সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ নিরাপদ, কিন্তু ঋণ মন্দ হওয়ার আশংকা থাকে।



কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক কর্মকর্তা বলেন, ব্যাংকগুলো ট্রেজারি বিল ও বন্ডের ব্যাপারে আগ্রহী। তারা তাদের উদ্বৃত্ত তারল্যের একটি বড় অংশ এসব উপকরণে বিনিয়োগ করেছে। ট্রেজারি বিলের সুদের হার বর্তমানে ১১.৬০ শতাংশ থেকে ১২ শতাংশের মধ্যে আছে। 


অথচ গত বছরের জুনে তা ছিল ৬.৭৫ শতাংশ থেকে ৭.৭৫ শতাংশ। এছাড়া সম্প্রতি বন্ডের সুদের হার ১৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ ১২.৭৫ শতাংশে পৌঁছেছে। টেজারি বিলগুলোর স্বল্পমেয়াদী ম্যাচিউরিটি ও বন্ডগুলোর দীর্ঘমেয়াদি ম্যাচিউরিটি সময়কাল রয়েছে।


 এদিকে সরকারি সিকিউরিটিজে ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগ বেশি হওয়ায় ব্যাংকিং ব্যবস্থায় উদ্বৃত্ত তারল্য বেড়েছে, যার মধ্যে ট্রেজারি বিল ও বন্ডসহ নগদ ও নগদ অর্থের সমতুল্য সম্পদ রয়েছে।


কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিল শেষে উদ্বৃত্ত তারল্য দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৭৬ হাজার ২০৫ কোটি টাকায়, যা এক মাস আগে ছিল ১ লাখ ৬৬ হাজার ৮২৫ কোটি টাকা।


ব্যাংকাররা জানান, বিল ও বন্ডকে লিকুইড অ্যাসেট হিসেবে বিবেচনা করা হলেও সেকেন্ডারি মার্কেট এখনো প্রাণবন্ত হয়ে ওঠেনি। তাই তাত্ক্ষণিকভাবে এগুলো নগদে পরিণত করা যাবে না। সুতরাং, বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে দেখানো উদ্বৃত্ত তারল্যের পরিমাণ প্রকৃত তারল্য পরিস্থিতি নয়। তার প্রমাণ বর্তমানে বেশ কয়েকটি ব্যাংক তারল্যসংকটে ভুগছে।



 অন্যদিকে গত ছয় মাসে ব্যাংকগুলো রেপো ও তারল্য সহায়তার মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে প্রতি কর্মদিবসে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা নিয়েছে।


ব্যাংককাররা জানান, ব্যাংকিং খাতে তারল্যসংকট রয়েছে। কোনো কোনো ইসলামি ব্যাংক এক বছরের বেশি সময় ধরে তারল্যসংকটে ভুগছে। 


এর প্রভাব পড়েছে সামগ্রিক ব্যাংকিং খাতে। এছাড়া ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো বর্তমানে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।


আরও খবর

বন্যার অজুহাতে সবজির দাম চড়া

শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪




প্রধানমন্ত্রী নয়াদিল্লি যাচ্ছেন আজ : ভারতের সঙ্গে সই হতে পারে ১০টির বেশি চুক্তি ও এমওইউ

প্রকাশিত:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডে রিপোর্ট:


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে আজ শুক্রবার নয়াদিল্লি যাচ্ছেন। 


টানা চতুর্থ মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এটি প্রথম দ্বিপক্ষীয় সফর। আগামীকাল শনিবার শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদি নয়াদিল্লিতে শীর্ষ বৈঠকে বসবেন। 


তারা দুই ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী দেশের সম্পর্ক ভবিষ্যতে কোথায় নিয়ে যেতে চান, তার দিক-নির্দেশনা থাকবে ঐ বৈঠকে। 


প্রধানমন্ত্রীর সফরে দুই দেশের মধ্যে সংযোগ, জ্বালানি, বাণিজ্যসহ সহযোগিতার বিভিন্ন ক্ষেত্রে ১০টির বেশি চুক্তি ও এমওইউ সই হতে পারে বলে জানা গেছে। ১৫ দিনেরও কম সময়ের মধ্যে ভারতের রাজধানীতে এটি শেখ হাসিনার দ্বিতীয় সফর হবে। 



তিনি গত ৯ জুন নরেন্দ্র মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন। সফরসূচি অনুযায়ী, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইট আজ দুপুর ২টার দিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করবে। 


ফ্লাইটটি স্থানীয় সময় বিকাল ৪টায় নয়াদিল্লির পালাম বিমানবন্দরে অবতরণ করবে। সন্ধ্যায় ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার বাসভবনে সাক্ষাৎ করবেন।



প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আগামীকাল শনিবার সকালে রাষ্ট্রপতি ভবনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে অভ্যর্থনা জানাবেন। পরে তিনি রাজঘাটে ভারতের জাতির পিতা মহাত্মা গান্ধীর সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানাবেন।



 এরপর দিল্লির হায়দরাবাদ হাউজে শেখ হাসিনার সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির আনুষ্ঠানিক বৈঠকের পাশাপাশি একান্তে বৈঠক হবে। সূত্র জানায়, ঐ বৈঠকে ভবিষ্যতে দুই দেশের এই সম্পর্ক নিয়ে এক ধরনের রূপকল্পের কথা উঠে আসবে তাদের আলোচনায়। এবারের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি অভিন্ন নদী তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তি, সীমান্ত হত্যা পুরোপুরি বন্ধের মতো বিষয়গুলো আলোচনায় তুলবে ঢাকা। 



ভারত তিস্তার প্রকল্পে অর্থায়নে আগ্রহী বলে গত মে মাসে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিনয় কোয়াত্রার সফরে জানা গিয়েছিল। এবার শীর্ষ বৈঠকে ভারতের পক্ষ থেকে তিস্তার ব্যাপারে নতুন একটি প্রস্তাব দেওয়া হতে পারে।


সূত্র আরও জানায়, ভারতে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়লেও দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য অনেকটাই ঝুঁকে আছে ভারতের দিকে। এবারের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে সেপা (সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি) আলোচনা শুরুর ঘোষণা দেওয়ার কথা রয়েছে। এটি সই হলে দুই দেশের বাণিজ্যে ভারসাম্য আসার পথ সুগম হতে পারে। 


এছাড়া দুই দেশের মধ্যে সড়ক, রেল, নৌসহ কানেকটিভিটির বিষয়গুলো ২০১০ সাল থেকে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। এবার যে প্রকল্পগুলোর বিষয়ে ঘোষণা আসতে পারে তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে, বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সেতু। 


বাংলাদেশের খাগড়াছড়ির রামগড়ের সঙ্গে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সাবরুমের মধ্যে এই সেতু সংযোগ স্থাপন করবে।



দুই প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের পর জ্বালানি, সংযুক্তি, অর্থনীতিসহ সহযোগিতার নানা ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে ১০ থেকে ১৩টি চুক্তি ও এমওইউ সই হতে পারে। এসব চুক্তি ও এমওইউর মধ্যে অন্তত চারটির মেয়াদ শেষে নবায়ন হওয়ার কথা। এরপর তারা হায়দরাবাদ হাউজে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী আয়োজিত ভোজসভায় যোগ দেবেন।



 বিকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সচিবালয়ে ভারতের উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকড়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। সন্ধ্যায় শেখ হাসিনা রাষ্ট্রপতি ভবনে ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।


আরও খবর



ইসরায়েলি বর্বরতায় আরও ২৭ ফিলিস্তিনি নিহত

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় নয় মাস ধরে ইসরায়েলের হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৮ হাজার ছাড়িয়েছে। আহত হয়েছেন ৮৭ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা শনিবার জানায়, ইসরায়েলের হামলা শুরুর পর থেকে গাজায় নিহত ফিলিস্তিনির সংখ্যা ৩৮ হাজার ১১ জন। অন্যদিকে হামলায় আহত হয়েছেন অন্তত ৮৭ হাজার ৪৪৫ জন।

শুক্রবার ভোর থেকে চালানো হামলায় ২৭ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দুইজন ফিলিস্তিনি সাংবাদিকও রয়েছেন।

এছাড়া অধিকৃত পশ্চিম তীরের জেনিনে ইসরায়েলি অভিযানে নিহতের সংখ্যা বেড়ে সাতজনে দাঁড়িয়েছে।

গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে ঢুকে গাজার শাসক দল হামাসের প্রাণঘাতী হামলার জবাবে উপত্যকায় প্রায় বিরামহীন হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল।

হামাসের ওই হামলায় নিহত হয় ১২ শর মতো ইসরায়েলি। ওইদিন দুই শতাধিক ইসরায়েলিকে বন্দি করে গাজায় নিয়ে আসেন সশস্ত্র ফিলিস্তিনিরা।

ওই হামলার প্রতিক্রিয়ায় গাজায় নির্বিচার হামলা শুরু দখলদার দেশ ইসরায়েল। তাদের হামলা থেকে রেহাই পায়নি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, মসজিদ কিংবা গির্জার মতো বেসামরিক স্থাপনা। ইসরায়েলি হামলায় নিহত ফিলিস্তিনিদের বেশিরভাগ নারী ও শিশু।

হামলার পর বিভিন্ন ভবনের ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়া অনেকেই নিখোঁজ হয়েছেন। তারা মারা গেছেন বলে ধরে নেওয়া হয়েছে।


আরও খবর



প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের ১৯৬ তালিকায় রয়েছেন যারা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

সদরুল আইন:

চারদিনের সফরে চীনের বেইজিংয়ে অবস্থান করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। চীনে সরকারপ্রধানের সফরসঙ্গী হিসাবে রয়েছেন ১৯৬ জন। 

যাদের মধ্যে রয়েছেন মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোকজন। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইট সোমবার (৮ জুলাই) সকালে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে ঢাকা ত্যাগ করে এবং স্থানীয় সময় বিকেল ৬টায় বেইজিং পৌঁছায়। 

বুধবার (১০ জুলাই) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং এবং চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে বৈঠক হবে প্রধানমন্ত্রীর। গুরুত্বপূর্ণ ওই দুই বৈঠকে বাংলাদেশ ডেলিগেশনের স্বল্প সংখ্যক সদস্য অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন বলে জানা গেছে।  

প্রতিনিধি দলে রয়েছেন-

১. পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ

২. অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী

৩. প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান

৪. ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম

৫. বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ

৬. ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক

৭. বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু

৮. প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন মিয়া

৯. প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল কবীর আহাম্মদ, এসজিপি এনডিইউ, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, 

১০. প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক প্রফেসর ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ

১১. প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-১ মনিরা বেগম

১২. প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-২ আল মামুন মুর্শেদ

১৩. প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব-১ ড. ইসমাত মাহমুদা

১৪. প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. তৌহিদা নওয়াজেশ রোজী

১৫. প্রধানমন্ত্রীর উপ-সামরিক সচিব কর্নেল জি এম রাজীব আহমেদ

১৬. পরিচালক-১ মোহাম্মদ ফিজনূর রহমান

১৭. প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার-১ মোহাম্মদ শামীম মুসফিক

১৮. পরিচালক-৯ মোহাম্মদ নাজমুল হক

১৯. প্রধানমন্ত্রীর এডিসি মেজর উম্মে সালমা দিনা 

২০. স্কোয়াড্রন লিডার হালিমুর রহমান

২১. বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টার সহকারী একান্ত সচিব নাহিয়ান আহমেদ

২২. মেডিকেল অফিসার রুবাইয়াৎ ফেরদৌসী

২৩. প্রোগ্রামার আতাউল করিম

২৪. প্রধানমন্ত্রীর নার্সিং অফিসার মেজর আকলিমা

২৫. অফিস সহকারী প্রটোকল শাখা মানিক চন্দ্র শীল

২৬. প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত স্টাফ আবদুর রহমান শেখ

২৭. মেডিকেল এ্যাসিস্ট্যান্ট ল্যান্স কর্পোরাল মো. শাহ আলম

২৮. প্যান্ট্রিম্যান মো. হজরত আলী 

২৯. মাসুদ বিন মোমেন, পররাষ্ট্র সচিব (সিনিয়র সচিব)

৩০. তৌফিক হাসান, মহাপরিচালক (পূর্ব এশিয়া ও প্যাসিফিক অনুবিভাগ) 

৩১. নাঈম উদ্দিন আহমেদ, রাষ্ট্রাচার প্রধান

৩২. মো. হাসান আব্দুল্লাহ্ তৌহিদ, রাষ্ট্রাচার উপ-প্রধান (সফর) 

৩৩. মো. জসিম উদ্দিন, এনডিসি, চীনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত 

৩৪. লোকমান হোসেন মিয়া, নির্বাহী চেয়ারম্যান (সিনিয়র সচিব), বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ

৩৫. সত্যজিত কর্মকার, সিনিয়র সচিব, পরিকল্পনা বিভাগ, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়

৩৬. শিবলি রুবাইয়াত উল ইসলাম, চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন

৩৭. মো. কামরুল হাসান, এনডিসি সচিব, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়

৩৮. মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী, সচিব, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ

৩৯. নাজমুল আহসান, সচিব, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়

৪০. মো. মোস্তাফিজুর রহমান, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সচিব), পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ কর্তৃপক্ষ

৪১. প্রফেসর ড. মো. গিয়াসউদ্দীন মিয়া, উপাচার্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর

৪২. আবুল কালাম আজাদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)

৪৩. ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম, মহাপরিচালক, বাংলাদেশ টেলিভিশন

৪৪. মিজ মিরানা মাহরুখ, অতিরিক্ত সচিব, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ

৪৫. মেজর জেনারেল এ কে এম নাজমুল হাসান, বিজিবিএম, বিএএম. এনডিসি, পিএসসি, মহাপরিচালক- এসএসএফ

৪৬. ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ খালেদ কামাল, বিএসপি, এনডিসি, পিএসসি, কমান্ডার- পিজিআর

৪৭. লেফটেন্যান্ট কর্ণেল দেওয়ান মঞ্জুরুল হক, পিএসসি, পরিচালক- এসএসএফ

৪৮. মেজর মো. তাওহীদুল ইমাম, উপ-পরিচালক, এসএসএফ

৪৯. লেফটেন্যান্ট কমান্ডার নাজিবুল হাসান, উপ পরিচালক, এসএসএফ

৫০. এএসপি ইমরানুল ইসলাম, পিপিএম সহকারী পরিচালক, এসএসএফ

৫১. এএসপি পার্থ চক্রবর্তী, সহকারী পরিচালক, এসএসএফ

৫২. ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট সামান্থা সিলভিয়া, সহকারী পরিচালক, এসএসএফ

৫৩. ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট শাবনূর রহমান, সহকারী পরিচালক, এসএসএফ

৫৪. ক্যাপ্টেন রুমায়া ফারিন, সহকারী পরিচালক, এসএসএফ

৫৫. ক্যাপ্টেন আলভি আকিফ বিন সিদ্দিক, পিজিআর, ঢাকা সেনানিবাস

৫৬. মো. নাসির উদ্দিন মন্ডল, সহকারী পুলিশ সুপার, এসবি

৫৭. কর্ণেল মো. শহীদুর রহমান, পিবিজিএম, পিবিজিএমএস, পরিচালক, এসএসএফ

৫৮. মেজর মো. নাজীব হাসান, উপ পরিচালক, এসএসএফ

৫৯. মেজর মো. তাসনিফুজ্জামান উপ পরিচালক, এসএসএফ

৬০. মেজর মো. ইমরান হোসেন, উপ পরিচালক, এসএসএফ

৬১. মেজর ফাহিম তালহা, উপ পরিচালক, এসএসএফ

৬২. মেজর মো. রাকিবুল আলম, উপ পরিচালক, এসএসএফ

৬৩. ক্যাপ্টেন মো. তকি ইয়াছির, সহকারী পরিচালক, এসএসএফ

৬৪. ক্যাপ্টেন মাহবুব হাসান, সহকারী পরিচালক, এসএসএফ

৬৫. ক্যাপ্টেন ফাহিম শাহরিয়ার, সহকারী পরিচালক, এসএসএফ

৬৬. ক্যাপ্টেন মো. তানভীর রহমান, সহকারী পরিচালক, এসএসএফ

৬৭. লেফটেন্যান্ট কর্ণেল মো. আরিফুল ইসলাম হিমেল, এসপিপি, পিএসসি, পিজিআর, ঢাকা সেনানিবাস

৬৮. মেজর মো. নাজমুছ ছাকিব, পিজিআর, ঢাকা সেনানিবাস

৬৯. মেজর ইকবালুর রহমান, পিএসসি, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়

৭০. শামীম, সহকারী পরিচালক, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়

৭১. মো. নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার

৭২. মো. নাঈমুল ইসলাম খান, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব

৭৩. এম. এম. ইমরুল কায়েস, প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব

৭৪. মিজ্ গুল শাহানা,  প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব

৭৫. এস এম গোর্কি, প্রধানমন্ত্রীর সিনিয়র ফটোগ্রাফার

৭৬. মো আতাউর রহমান. নির্বাহী প্রযোজক বার্তা, বাংলাদেশ টেলিভিশন

৭৭. আশরাফুল হক, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)

৭৮. মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ, সিনিয়র করেসপনডেন্ট ইউনাইটেড নিউজ অব বাংলাদেশ

৭৯. মো. রুবাইয়াত হাসান খান, সিনিয়র ক্যামেরাম্যান, বাংলাদেশ টেলিভিশন

৮০. মহিউদ্দিন মাহমুদ, সিনিয়র করেসপনডেন্ট, বাংলা নিউজ ২৪.কম

৮১. মোহাম্মদ ইউসুফ হোসেন, অফিসিয়াল ফিল্ম ক্যামেরাম্যান, ডিএফপি

৮২. মো. আলতাফ হোসেন, অফিসিয়াল ফটোগ্রাফার, তথ্য অধিদপ্তর (পিআইডি)

৮৩. সাইফুল ইসলাম কল্লোল, সিনিয়র ফটোসাংবাদিক, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)

৮৪. ইয়াসিন কবীর জয়, সিনিয়র ফটোগ্রাফার, ফোকাস বাংলা নিউজ

৮৫.  স্বদেশ রায়, এডিটর এ্যান্ড পাবলিসার (সাবেক নির্বাহী সম্পাদক, দৈনিক জনকণ্ঠ)

৮৬.  কাসেম হুমায়ন, ম্যানেজিং এডিটর, দৈনিক সংবাদ

৮৭.  শেখ নাজমুল হক সৈকত, এডিটর ইন চিফ, কিংস নিউজ (সাবেক বার্তা প্রধান, মাই টিভি)

৮৮.  মোজাম্মেল হক, সভাপতি-এডিটর্স গিল্ড বাংলাদেশ ও প্রধান সম্পাদক-একাত্তর টেলিভিশন

৮৯.  শ্যামল দত্ত, সভাপতিমন্ডলীর সদস্য-এডিটর্স গিল্ড বাংলাদেশ; সাধারণ সম্পাদক-জাতীয় প্রেস ক্লাব ও সম্পাদক, দৈনিক ভোরের কাগজ

৯০.  এম শামসুর রহমান, কার্যনির্বাহী সদস্য-এডিটর্স গিল্ড বাংলাদেশ ও সিইও এবং প্রধান সম্পাদক, ইন্ডিপেনডেন্ট টেলিভিশন লিঃ

৯১.  মোল্লাহ এম আমজাদ হোসেন, কার্যনির্বাহী সদস্য-এডিটর্স গিল্ড বাংলাদেশ ও সম্পাদক, এনার্জি এন্ড পাওয়ার ম্যাগাজিন বাংলাদেশ সম্পাদক ফোরাম

৯২.  রফিকুল ইসলাম রতন, আহবায়ক, বাংলাদেশ সম্পাদক ফোরাম ও সম্পাদক, বাংলাদেশ বুলেটিন

৯৩.  মাহফুজ রহমান রিমন, সম্পাদক, সংবাদ প্রতিদিন ও যুগ্ম সদস্য সচিব, সম্পাদক ফোরাম এবং সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি (বাচসাস)

৯৪  রাজু আলীম, সভাপতি, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি (বাচসাস) ও সিনিয়র সাংবাদিক, চ্যানেল আই এবং সদস্য, সম্পাদক


৯৫.  মাহবুবুল আলম, সভাপতি, এফবিসিসিআই

৯৬.  এস এম মান্নান (কচি) সভাপতি, বিজিএমইএ

৯৭.  মো. জসিম উদ্দিন

৯৮. মিজ শমী কায়সার, সাবেক সভাপতি, এফবিসিসিআই, সভাপতি সার্ক চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি ভাইস চেয়ারম্যান, বেঙ্গল গ্রুপ ও আরটিভি সহ-সভাপতি, এফবিসিসিআই, সিইও, ধানসিঁড়ি কমিউনিকেশন লিমিটেড

৯৯.  মোহাম্মদ আনোয়ার সাদাত সরকার, সহ-সভাপতি, এফবিসিসিআই, সভাপতি, গাজীপুর চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি প্রোপ্রাইটর, গ্লোব ট্রেড

১০০.  রাশেদুল হোসেন চৌধুরী (রনি), সহ-সভাপতি, এফবিসিসিআই, সিইও, মায়া কর্পোরেশন

১০১.  যশোদা জীবন দেব নাথ, সহ-সভাপতি, এফবিসিসিআই, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, টেকনোমিডয়া লিমিটেড

১০২.  খান আহমেদ শুভ, এমপি পরিচালক, এফবিসিসিআই, প্রোপ্রাইটর, দেশবাসী প্রিন্টিং প্রেস, মেসার্স শুভ এন্টারপ্রাইজ

১০৩.  মো. সিদ্দিকুর রহমান, সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স এন্ড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন (বিজিএমইএ), সাবেক সহ-সভাপতি, এফবিসিসিআই

১০৪.  মো. হাবিব উল্লাহ ডন, পরিচালক, এফবিসিসিআই, সভাপতি, সিআইএ-বিসিসিআই, সভাপতি, বারতি চেয়ারম্যান, এ এম গ্রুপ

১০৫.  আশরাফ আহমেদ, সভাপতি, ঢাকা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই), চিফ এক্সিকিউটিং অফিসার, রিভারস্টোন ক্যাপিটাল লিমিটেড

১০৬.  মোহাম্মদ আলী খোকন, সভাপতি, বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস, এসোসিয়েশন, পরিচালক, এফবিসিসিআই, চেয়ারম্যান, ম্যাকসনস স্পিনিং মিলস লিমিটো।

১০৭.  ওমর হাজ্জাজ, সভাপতি, চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি, মেসার্স রিলায়েন্স ইন্টারন্যাশনাল

১০৮.  কামরান তানভিরুর রহমান, সভাপতি, মেট্রোপলিটান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি, ঢাকা

১০৯.  মো. সাইফুল ইসলাম, সাবেক সভাপতি, মেট্রোপলিটান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি, ঢাকা, পরিচালক, এফবিসিসিআই, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, পিকার্ড বাংলাদেশ লিমিটেড

১১০.  মো. আমিনুল হক শামীম, সাবেক সহ-সভাপতি, এফবিসিসিআই, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, সি পার্ল বিচ রিসোর্ট এন্ড স্পা লিমিটেড

১১১.  দিলীপ কুমার আগারওয়ালা, পরিচালক, এফবিসিসিআই, জেনারেল সেক্রেটারি, বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতি, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড লিমিটেড

১১২. মিসেস হাসিনা নেওয়াজ, পরিচালক, এফবিসিসিআই, সাবেক সহ-সভাপতি, এফবিসিসিআই, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, অর্কিড প্রিন্টার্স লিমিটেড

১১৩. মিজ নাজ ফারহানা আহমেদ, সভাপতি, ঢাকা উইমেন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি, পরিচালক, এফবিসিসিআই, চেয়ারপার্সন, আলফা ইকুইটিজ লিমিটেড, উইমেন্স এগ্রো ইকনোমিক সোসাইটি, স্টার এভিয়েশন, আলফা এগ্রো, উপদেষ্টা, ইআরবিএ, আলফা এন্ড এসোসিয়েট

১১৪.  মুনতাকিম আশরাফ, পরিচালক, এফবিসিসিআই, সাবেক সিনিয়র, সহ-সভাপতি, এফবিসিসিআই, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ভ্যানটেজ হাই-টেক লিমিটেড

১১৫.  তাবারাকুল তোসাদ্দেক হোসেন খান, পরিচালক, এফবিসিসিআই, চেয়ারম্যান, আহবাব গ্রুপ

১১৬.  মীর নিজাম উদ্দিন আহমেদ, পরিচালক, এফবিসিসিআই, সাবেক সহ-সভাপতি, এফবিসিসিআই, প্রোপ্রাইটর, মেসার্স নিজাম এন্টারপ্রাইজ, হাসিনা ইয়াসিন মার্কেট

১১৭.  মোহাম্মদ বজলুর রহমান, পরিচালক, এফবিসিসিআই

১১৮.  খন্দকার রুহুল আমিন, পরিচালক, এফবিসিসিআই, প্রোপ্রাইটর, মেসার্স খন্দকার ট্রেডার্স

১১৯.  সুজীব রঞ্জন দাস, পরিচালক, এফবিসিসিআই, পরিচালক, ইউরো-পেট্রো প্রোডাক্ট লিমিটেড, নাভানা যানক্লেভ

১২০. নিহাদ কবির, সাবেক সভাপতি, মেট্রোপলিটান চেম্বার কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি-ঢাকা, সিনিয়র পার্টনার, সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ এন্ড

এসোসিয়েটস, পরিচালক, কেদারপুর টি কোম্পানি লিমিটেড

১২১. ড. মুনাল মাহবুব, সিনিয়র ভাইস সহ-সভাপতি, চট্টগ্রাম উইমেন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি পরিচালক, এফবিসিসিআই, প্রোপ্রাইটর, মেসার্স আনোয়ারা ট্রেডিং, চেয়ারম্যান, মাটিটা রিসোর্ট, আলফা শামস

১২২. হাসিনা রুমি, পরিচালক, ইউরোগ্যাজ এলপিজি, নুর ট্রেডিং

১২৩.  মো. ইকবাল হোসেন চৌধুরী, পরিচালক, এফবিসিসিআই, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, জেসিএক্স ডেভেলপমেন্টস লিমিটেড, জেসিএক্স বিজনেস টাওয়ার

১২৪.  মো. শাহ জালাল, পরিচালক, এফবিসিসিআই, মেসার্স জনতা ট্রেডার্স

১২৫.  মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন, সিআইপি, পরিচালক, এফবিসিসিআই, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, নিজাম গ্রুপ অব কোম্পানি

১২৬.  মোহাম্মদ ফয়জুর রহমান ভুইয়া, সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস এসোসিয়েশন, পরিচালক, এফবিসিসিআই

ব্যবস্থাপনা পরিচালক, জাজ ভুইয়া টেক্সটাইল মিলস এন্ড মেসার্স জে বি ইলেকট্রনিক্স

১২৭.  মোহাম্মদ রিয়াদ আলী, পরিচালক, এফবিসিসিআই, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ইন্ট্রাকো গ্রুপ, পরিচালক হোটেল আগ্রাবাদ, সভাপতি, ইন্দোনেশি

১২৮.  রাকিবুল আলম দিপু, পরিচালক, এফবিসিসিআই

১২৯.  মো. শহীদুল হক মোল্লা, পরিচালক, এফবিসিসিআই, চেয়ারম্যান, মোল্লা গ্রুপ, প্রোপ্রাইটর, মোল্লা মেশিনারি এন্ড মটরস

১৩০.  রাসেল টি আহমেদ, সভাপতি, বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার এন্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস পরিচালক, এফবিসিসিআই সিইও, টিম ক্রিয়েটিভ

১৩১.  মোহাম্মদ ফরিদ খান (সিআইপি), পরিচালক, এফবিসিসিআই, ভাইস, প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি

১৩২.  সালমান খান, পরিচালক, সামিট ওয়েল এন্ড শিপিং লিমিটেড, সাবেক পরিচালক, এফবিসিসিআই, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, জনতা ট্রাভেলস লিমিটেড

১৩৩. গোলাম মো. আলমগীর, চেয়ারম্যান, ম্যাক্স গ্রুপ

১৩৪. হাফেজ হাজী হারুনুর রশিদ, প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি

১৩৫. সৈয়দ মো. বকতিয়ার, পরিচালক, এফবিসিসিআই, চেয়ারম্যান, একটিভ লজিস্টিকস লিমিটেড

১৩৬. মিজ তাসফিয়া জসিম, পরিচালক, এফবিসিসিআই, পরিচালক, বেঙ্গল প্যাকেজিং এন্ড এক্সেসরিজ লিমিটেড

১৩৭. মোহাম্মদ ইছাকুল হোসেন সুইট, পরিচালক, এফবিসিসিআই, প্রোপ্রাইটর এন্ড সিইও, মেসার্স তোহফা এন্টারপ্রাইজ, চেয়ারম্যান, সামিট কমিউনিকেশন্স লিমি 

১৩৮. আমজাদ হোসেন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, জনতা ট্রাভেলস লিমিটেড

১৩৯. এএসএম মাইনুদ্দিন মোনেম, সিইও এন্ড ব্যবস্থাপনা পরিচালক, আব্দুল মোনেম লিমিটেড

১৪০. মো. আমির হোসেন (সোহেল), পরিচালক, পিএইচপি গ্রুপ

১৪১. মো. জামাল উদ্দিন, সাবেক পরিচালক, এফবিসিসিআই ব্যবস্থাপনা পরিচালক, এম জামাল এন্ড কোম্পানি লিমিটেড

১৪২. খন্দকার মশিউজ্জামান (রোমেল), সভাপতি, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ট্যাংকার ওনার্স এসোসিয়েশন, সাবেক পরিচালক, এফবিসিসিআই, চেয়ারম্যান এন্ড সিইও, পিপুলস গ্রুপ, মেসার্স পিপুলস ফ্যাশন লিমিটেড

১৪৩. মো. হেলাল উদ্দিন, সভাপতি, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি, প্রোপ্রাইটর, মেসার্স নিলময় ভ্যারাইটিজ স্টোর

১৪৪.  আবু হোসেন ভূঁইয়া (রানু), সাবেক পরিচালক, এফবিসিসিআই

১৪৫. এম.জি.আর নাসির মজুমদার, প্রতিষ্ঠাতা, সেঞ্চুরি গ্রুপ অব কোম্পানিজ, সাবেক পরিচালক, এফবিসিসিআই

১৪৬. নুরুল কাইয়ুম খান, সভাপতি, বাংলাদেশ ইনল্যান্ড কন্টেইনার ডিপোস এসোসিয়েশন, চেয়ারম্যান, কিউএনএস কন্টেইনার সার্ভিসেস লিমিটেড, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, কিউএনএস গ্রুপ

১৪৭. শাহাব উদ্দিন খান, সভাপতি, কোরিয়া-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি

১৪৮. সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রথম সহ-সভাপতি, বিজিএমইএ, ডিরেক্টর, ওয়েল গ্রুপ

১৪৯. খন্দকার রফিকুল ইসলাম, সিনিয়র সহ-সভাপতি, বিজিএমইএ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ডিজাইনটেক্স নিটওয়্যার লিমিটেড

১৫০. মো. আকতার হোসেন, সিআইপি, সহ-সভাপতি, বিকেএমইএ, প্রোপ্রাইটর, বুনবক্স এ্যাপারেলস, গ্রুপ ডিরেক্টর, উইজডম গ্রুপ

১৫১. ফজলে শামীম এহসান, সহ-সভাপতি, বিকেএমইএ, ফতুল্লা এপারেলস

১৫২. আনোয়ার হোসেন (মানিক), পরিচালক, বিজিএমইএ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক; টেক্স টাউন লিমিটেড

১৫৩. শামস মাহমুদ, পরিচালক, বিজিএমইএ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, শাশা গার্মেন্টস লিমিটেড

১৫৪. মো. মিজানুর রহমান, পরিচালক, বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রি (বিসিআই), ব্যবস্থাপনা পরিচালক, টেটা বিজনেস সলিউশন্স লিমিটেড

১৫৫. মো. শামীম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মেসার্স ফেইথ লজিস্টিক্স

১৫৬. রাশেক রহমান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বুরাক কমোডিটিস এক্সচেঞ্জ কোম্পানি

১৫৭. মোহাম্মদ ওয়াহিদ রিহান ইফতেখার মাহমুদ, সহ সভাপতি, চট্টগ্রাম মেট্রপলিটন চেম্বার

১৫৮. মোহাম্মদ বাবুল আখতার, সভাপতি, বাংলাদেশ নন প্যাকার ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন

১৫৯. সৈয়দ মোহাম্মদ আরিফ, চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ শিপিং এজেন্টস এসোসিয়েশন

১৬০. মোহাম্মদ মনসুর, মহাসচিব, বাংলাদেশ ফ্রুটস ভেজিট্যাবলস এন্ড এলাইড প্রোডাক্টস এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মনসুর জেনারেল ট্রেডিং কো

১৬১. মোহাম্মদ খোরশেদ আলম, চেয়ারম্যান, এটুআই গ্রুপ

১৬২. রফিকুর রহমান খান ইউসুফজাই, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ই.বি সলিউশন্স লিমিটেড

১৬৩. আবুল হাসানাত কবির, চেয়ারম্যান, কেআরসি কম্পোসিট টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেড, আরও টেক্সটাইল মিলস (প্রাইভেট) লিমিটেড; ভাইস চেয়ারম্যান, একলিপস গ্রুপ; ব্যবস্থাপনা পার্টনার, ফারাজ ইন্টারন্যাশনাল বিডি, প্রোপাইটর: এইচ.কে কনটেক্সচার

১৬৪. হাসানুর বারি, মহাসচিব, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ট্যাংক ওনার্স এসোসিয়েশন; চেয়ারম্যান, সী লিয় শিপিং কো. লিমিটেড

১৬৫. যাদব দেবনাথ, চেয়ারম্যান এবং সিইও, যাদ্রু গ্রুপ

১৬৬. মিসেস শামিমা আখতার

১৬৭. খন্দকার আশিকুজ্জামান, পরিচালক, পিপলস শিপিং লিমিটেড

১৬৮. জি এস আকন্দ মাসুম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, সর্নালি গ্রুপ

১৬৯. মোস্তাফা আল মাহমুদ, চেয়ারম্যান, জি টেক সলিউশন লি.

১৭০. খান নুরে আলম সিদ্দিকী, যুগ্ম মহাসচিব এফবিসিসিআই 

১৭১. সৈয়দ আমিরুল ইসলাম নাদিম, উপ মহাসচিব (পিএস টু প্রেসিডেন্ট), এফবিসিসিআই মেম্বার, বিকেএমইএ; ব্যবস্থাপনা পরিচালক, কেপস ফ্যাশন লিমিটেড

সচিব, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান, টাঙ্গাইল উপজেলা


১৭২.  মো. মুনির হোসেন, সহ-সভাপতি, এফবিসিসিআই

১৭৩. মো. আতাউর রহমান ভুইয়া, পরিচালক, এফবিসিসিআই এন্ড তমা কস্ট্রাকশন কো. লিমিটেড চেয়ারম্যান এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক জি-টেক সলিউশন লিমিটেড

১৭৪. কাউসার আহমেদ, পরিচালক, এফবিসিসিআই, প্রোপাইটর এন্ড সিইও, রুপসা ট্রেডিং কর্পোরেশন

১৭৫. মোহাম্মদ আফতাব জাবেদ, পরিচালক, এফবিসিসিআই, প্রোপাইটর, নাভেদ ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস, ইম্পেরিয়াল

১৭৬. ব্যারিস্টার তাহমিদুর রহমান, পরিচালক, কানাডা বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স, পরিচালক, এম আলাম গ্রুপ, প্রোপাইটর, টিআর ট্রেডিং

১৭৭. মাসুম জামিল খান, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর, কসমস গ্রুপ

১৭৮. মীর আসাদ হোসেন টিটু, প্রোপাইটর, টুশি এন্টারপ্রাইজ

১৭৯. শাহরিয়ার হাসান, কো-ফাউন্ডার এন্ড সিইও, ই-পোস্ট সফটওয়্যার লিমিটেড, প্রতিষ্ঠাতা এবং উপদেষ্টা, পেপারফ্লাই প্রাইভেট লিমিট।

১৮০. খন্দকার তাসফিন আলম, চিফ অপারেটিং অফিসার, দারাজ বাংলা লিমিটেড

১৮১. মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জিতু, চেয়ারম্যান, টেলিলিংক গ্রুপ

১৮২. কে এস এম মোস্তাফিজুর রহমান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ন্যাশনাল এ ইম্পোর্ট এন্ড এক্সপোর্ট লিমিটেড, ও ফার্মা লিমিটেড; সভাপতি, বাংলাদেশ এগ্রোকেমিক্যাল ম্যানুফ্যাকচারার্স এসোসিয়েশন

১৮৩. এসফারুল কাইয়ুম খান, পরিচালক, বাংলাদেশ মেরিন ফিশারিজ এসোসিয়েশন

১৮৪. এলথেম বি. কবির, চেয়ারম্যান, ইকে এন্ড এক্সেসরিজ

১৮৫. এস.এম ফারুকী হাসান, সিআইপি চেয়ারম্যান, প্রতিক গ্রুপ

১৮৬. খাইরুল হুদা চপল, সহ-সভাপতি, এফবিসিসিআই, সভাপতি, সুনামগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি

১৮৭. আব্দুস সামাদ লাবু, পরিচালক, এস আলম গ্রুপ

১৮৮. মোহাম্মদ আলামগীর পারভেজ, প্রোপাইটর, মেসার্স ফ্র্যাংক এন্টারপ্রাইজ, পরিচালক, দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি

১৮৯. এ.কে.এম শামসুদ্দোহা, সভাপতি, দোহাটেক নিউ মিডিয়া

১৯০. এজাজ মোহাম্মদ, মহাসচিব, বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব গালফ মেডিকেল সেন্টার্স (বিএজিএমসি)

১৯১. মো. মাহবুব উর রহমান, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, এইচএসবিসি

১৯২. তানভির এ মিশুক, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, নগদ লিমিটেড

১৯৩. মোহাম্মদ কামাল, সিনিয়র সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ ফ্রে ফ্রুটস ইম্পোর্টার্স এসোসিয়েশন

১৯৪. ইমরান করিম, ভাইস চেয়ারম্যান, কনফিডেন্স গ্রুপ

১৯৫. জিয়াউর রহমান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বে গ্রুপ

১৯৬. খন্দকার ফজলে রাব্বি, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, সীরক এ্যাপারেলস।


আরও খবর



মেট্রোরেলে প্রতিদিন যাতায়াত করেন ৩ লাখ যাত্রি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টুডেস:



প্রতিদিন তিন লাখ যাত্রী মেট্রোরেলে চড়ছেন বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।



 বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য এম আবদুল লতিফের এক প্রশ্নোত্তরে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এ তথ্য জানান।


ডিসেম্বর ঘাটার চর-কাঁচপুর রুটে পরীক্ষামূলক ঢাকা নগর পরিবহন উদ্বোধন করা হয়। ওই সেবায় বিআরটিসির ৩০টি বাস চলছে। পরবর্তীতে ২০২২ সালের অক্টোবরে ঘাটারচর-স্টাফ কোয়ার্টার ও ঘাটারচর-কমদতলী থানা রুটে নগর পরিবহন চালু করা হয়।


বর্তমানে ঘাটারচর-স্টাফ কোয়ার্টার রুটটি বন্ধ রয়েছে। অপর রুটে ২৫টি দ্বিতল বাস চলছে। ঘাটারচর-কাঁচপুর রুটে ২৫টি বাস চালানোর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়েছে। 


এর পরে ঘাটারচর-মিরপুর-উত্তরা দিয়াবাড়ি ও ঘাটারচর-খামারবাড়ি-দিয়াবাড়ি রুট দুটি চালু করা হবে। চলতি বছরের মধ্যে আরও দুটি রুটে বাস চালুসহ সবুজ ক্লাস্টার সম্পূর্ণরূপে চালু করা হবে।


আরও খবর