Logo
শিরোনাম

বাজারে অসহায় ক্রেতা

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ |

Image

বাজারে সাধ্যের বাইরে সবকিছুর দাম। ফলে অস্বস্তি বাড়ছে ক্রেতাদের মধ্যে। এ অবস্থায় অর্থ সাশ্রয়ে খুচরা বাজার থেকে সরাসরি পাইকারি বাজারে চলে যাচ্ছেন সাধারণ ক্রেতারা। বেশির ভাগ ক্রেতা বলছেন, টাকা বাঁচাতে তারা এখন পাইকারি বাজারেই ভিড় করছেন। কিন্তু তাতেও লাভ হচ্ছে না। কারণ, পাইকারি বাজারে সব সবজির দামই বেশি। পাইকারি বাজারে শুধু আলু ৩০ টাকায় এবং লেবু এক ডজন ৩০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। এ ছাড়া বাজারের সব ধরনের সবজি ৬০ টাকার ওপরে, যা খুচরাপর্যায়ে গিয়ে আরো বেড়ে যাচ্ছে। এদিকে, বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে গরুর মাংস, দেশি ও ব্রয়লার মুরগি এবং ডিমের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। মাংসের সঙ্গে বেড়েছে প্রায় সব ধরনের মাছের দামও। ফলে আমিষের চাহিদা মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষ। ফলে আমরা সব জায়গাতেই অসহায়।

রাজধানীর পাইকারি সবজির আড়ত কারওয়ান বাজারের এর সঙ্গে খিলগাঁও রেলগেট বাজার, গোড়ান বাজার, মেরাদিয়া হাটের মতো স্থানীয় পর্যায়ের খুচরা বাজার ঘুরে দামের এমন চিত্র দেখা গেছে।

সবজির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পাইকারি পর্যায়ে প্রতি কেজি করলা বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০ টাকায়। কিন্তু খুচরা বাজারে সেই করলা বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১০০ টাকায়। পাইকারি বাজারে ঢেঁড়স বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়, যা খুচরাপর্যায়ে ৬০ টাকা। পাইকারিতে পটোলের কেজি ৩৫-৪০ টাকা, যা খুচরা পর্যায়ে ৮০ টাকা। পাইকারিতে টমেটোর কেজি ৩০ টাকা, যা খুচরা পর্যায়ে ৬০ টাকা। পাইকারিতে চিচিঙ্গার কেজি ৩৫-৪০ টাকা, যা খুচরায় ৮০ টাকা। আকারভেদে প্রতি পিস লাউ বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০ টাকা পর্যন্ত, যা খুচরা বাজারে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাইকারি বাজারে লেবুর ডজন (১২ পিস) ২০-৩০ টাকা হলেও খুচরা বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়।

কারওয়ান বাজারে কেনাকাটা করতে এসেছিলেন মো. সোহাগ। মা এবং ভাইসহ থাকেন শাহীনবাগে। মা তাকে বাসার জন্য বাজার করতে পাঠিয়েছেন। নিয়মিত তার বড় ভাই বাজার করতে আসেন। মায়ের অনুরোধে বাজারে গিয়ে সবজির দাম শুনে মাথা ঘুরছিল তার। হাতে যে বাজারের তালিকা ছিল, তার মধ্যে বেশ কটি পণ্য কেনা বাকি ছিল। কিন্তু টাকায় কুলায়নি! দাম বেশি হওয়ায় ও পকেটে হিসাবের বাড়তি টাকা না থাকায় কিছু পণ্য বাদ রেখেই বাজার থেকে বাসায় ফিরছেন। তিনি বলেন, পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় বাজার করতে এসেছি। খুচরা বাজারে সবকিছুর দাম বেশি, তাই কম দামের কথা চিন্তা করে বাসার কাছে হওয়ায় কারওয়ান বাজারে আসা। কিন্তু এখানেও দাম অনেক! টাকায় টান পড়ায় প্রয়োজনের সবকিছু কেনা হয়নি। আগে দুই হাজার টাকার মধ্যে পাইকারি বাজার থেকে সব ধরনের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কেনা যেত। এখন দাম বাড়ায় এই অল্প টাকায় প্রয়োজনীয় অনেক পণ্যই কেনা সম্ভব হচ্ছে না।

বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রায় সব পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় সোহাগের মতো অবস্থা অধিকাংশ ক্রেতার। সাধ্যের মধ্যে ভরছে না তাদের বাজারের ব্যাগ।

কারওয়ান বাজারের পাইকারি সবজি বিক্রেতা ফোরকান আহমেদ বলেন, ঈদের পর সব ধরনের সবজির দাম বেড়েছে। বর্তমানে বাজারে সবজির গাড়ি কম আসছে। পাশাপাশি লেবার খরচও আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। যে কারণে পাইকারি বাজারে সবজির দাম বাড়তি।

রাজধানীর খুচরা বাজারগুলোতে ফুলকপি, লাউ প্রতি পিস ৮০ টাকায়, বাঁধাকপি প্রতি পিস ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শুধু কমের মধ্যে বিক্রি হচ্ছে লেবু ৩০ টাকা হালি এবং আলু প্রতি কেজি ৩৫-৪০ টাকা। এ ছাড়া দাম বেড়ে কাঁচা মরিচ প্রতি কেজি ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর ধনেপাতার দাম বেড়ে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকায়।

পাশাপাশি ঢেঁড়স, শসা, টমেটো, চালকুমড়া প্রতি কেজি ৬০ টাকা। ভালো মানের দেশি পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৬৫-৭০ টাকায়। ঝিঙে, ধুন্দুল, চিচিঙ্গা, পটোল, কাঁচা, পেপে, প্রতি কেজি ৮০ টাকা। করলা, গাজর, লতি, প্রতি কেজি ১০০ টাকা। কাঁকরোল ১২০ টাকা কেজি। কচুরমুখি প্রতি কেজি ১৪০ টাকা।

খিলগাঁও রেলগেট বাজারের খুচরা সবজি বিক্রেতা ফজলে রাব্বি বলেন, বাজারে এখন বেচাকেনা কম। মানুষের কাছে টাকাপয়সা নেই। আগে যেখানে প্রতিদিন ৪০ হাজার টাকার সবজি বিক্রি করতাম, এখন সেখানে ৩০ হাজার টাকাও বিক্রি করতে পারি না। লাভ করতে আমাদের খুব কষ্ট হয়ে যায়। কারণ মালের দাম তো বাড়তি।

এদিকে, বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে গরুর মাংস, দেশি ও ব্রয়লার মুরগি এবং ডিমের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। মাংসের সঙ্গে বেড়েছে প্রায় সব ধরনের মাছের দামও। ফলে আমিষের চাহিদা মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষ।

সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) হিসাবে প্রতি কেজি গরুর মাংস গত এক বছর আগেও ছিল ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকার মতো। এক বছরে ১৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ মূল্য বৃদ্ধি পেয়ে গরুর মাংস বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ থেকে ৭৮০ টাকায়। কোনো কোনো বাজারে যা ৮০০ টাকায়ও বিক্রি হতে দেখা গেছে।

টিসিবির হিসাবে, বাজারে ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৮৫ থেকে ২১৫ টাকায় বিক্রির কথা থাকলেও এ দামে বিক্রি হচ্ছে না। বর্তমানে বাজারে ব্রয়লার বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৩০ টাকা কেজিতে। এক বছরের ব্যবধানে ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে ২২ দশমিক ৩২ শতাংশ। আর দেশি মুরগি বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৬৫০ থেকে ৭৫০ টাকায়।

খুচরা বাজারে ব্রয়লার মুরগির ডিম প্রতি ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায়। দেশি মুরগির ডিম প্রতি হালি ৭৫ টাকা এবং হাঁসের ডিমের হালি ৭০ টাকা। অন্যদিকে খাসির মাংস ১ হাজার থেকে ১ হাজার ১০০ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে। এক বছরে পণ্যটির ১৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ দাম বেড়েছে, যা এক বছর আগেও বিক্রি হতো ৮৫০ থেকে ৯৫০ টাকায়। তবে মাংসের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে নানা যুক্তি দাঁড় করাচ্ছেন বিক্রেতারা। বলছেন, বর্তমানে সবকিছুর দামই বেড়েছে। গো-খাদ্য ও পোলট্রি ফিডের দাম বেড়েছে। বাজারে বর্তমানে চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ কম। ফলে খরচও আগের থেকে অনেক বেড়েছে। তাই মাংসের দামও বাড়তি।

 


আরও খবর

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ল

শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪




সাপ্তাহিক দর পতনের শীর্ষে ছিল যে ১০ শেয়ার

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে ডেস্ক রিপোর্ট:


 সপ্তাহে (২৬-৩০ মে) প্রধান শেয়ারবাজার  ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নিয়েছে ৪১২টি প্রতিষ্ঠান। 


এরমধ্যে ১১৫টির দর বেড়েছে, ২৪৮টির দর কমেছে, ২৭টির দর অপরিবর্তিত ছিল এবং ২২টির লেনদেন হয়নি।


সপ্তাহটিতে সবচেয়ে বেশি দর কমেছে পাইওনিয়ার ইন্সুরেন্স লিমিটেডের। সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির শেয়ারদর ১৯.৫৪ শতাংশ কমেছে। ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনায় এই তথ্য জানা গেছে।


সাপ্তাহিক দর পতনের শীর্ষ তালিকায় স্থান পাওয়া অন্যান্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে যমুনা ব্যাংকের ১৭.৩১ শতাংশ, প্রগতি ইন্সুরেন্সের ১৪.৩১ শতাংশ, ইজেনারেশনের ১৩.৫৪ শতাংশ।


এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজের ১৩.১৫ শতাংশ, খান ব্রাদার্সের ১২.৯৫ শতাংশ, সালভো কেমিক্যালের ১২.০২ শতাংশ, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকের ১১.৯০ শতাংশ, প্রিমিয়ার ব্যাংকের ১১.৩০ শতাংশ এবং ন্যাশনাল লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের ১১.১০ শতাংশ শেয়ার দর কমেছে।



আরও খবর

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ল

শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪




প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আওয়ামী লীগের শোভাযাত্রায় মানুষের ঢল

প্রকাশিত:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image



সদরুল আইন:



৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীতে শোভাযাত্রা করছে আওয়ামী লীগ। 



২৩ জুন দলটির ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী হলেও যানজট এড়াতে শোভাযাত্রাটি ছুটির দিন শুক্রবার করেছে। এদিন বিকেল ৩টা থেকে রাজধানীর রমনা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের সামনে অস্থায়ী সমাবেশ মঞ্চে শোভাযাত্রার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হয়।



এতে অংশ নেন দলটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, জাহাঙ্গীর কবির নানক, ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, এস এম কামাল হোসেন, সুজিত রায় নন্দি, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান, যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা।


ঢাকা মহানগরীর ১৫টি নির্বাচনী এলাকা, ৪১টি থানা এবং শতাধিক ওয়ার্ড থেকে অজস্র মিছিলের স্রোত এসে মিশেছে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সামনে। ৫২ বছর আগে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের যেস্থানে পাক হানাদার বাহিনী আত্মসমর্পণ করেছিল ঠিক সেই স্থান থেকেই শোভাযাত্রা শুরু করে আওয়ামী লীগ।


দলের প্লাটিনাম জুবিলি উপলক্ষে আয়োজিত শোভাযাত্রা রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যান সংলগ্ন ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন অব বাংলাদেশ প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে শাহবাগ, এলিফ্যান্ট রোড এবং মিরপুর রোড হয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি-বিজড়িত বাসভবন ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের ঐতিহাসিক বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়।



সোহরাওয়ার্দী উদ্যান সংলগ্ন ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউটের সামনে রাস্তার উপর স্থাপিত মঞ্চে শোভাযাত্রা পূর্ব সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।


উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম, ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন ও জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ ও আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, এসএম কামাল হোসেন, শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল ও সুজিত রায় নন্দী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান, দক্ষিনের সভাপতি আবু আহমদ মন্নাফি, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম, সংসদ সদস্য ফেরদৌস আহমেদসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা শোভাযাত্রায় অংশ নেন।



ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট সংলগ্ন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের গেটের সামনে নির্মিত অস্থায়ী মঞ্চে শোভাযাত্রা পূর্ব সমাবেশে বিএনপি-জামায়াতসহ দেশি-বিদেশি সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন দলের নেতারা।


 আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর শোভাযাত্রায় দলীয় নেতাকর্মীসহ নেমেছিল মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী মানুষের ঢল। ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন স্থান থেকে একযোগে বিজয় শোভাযাত্রা করে মিলিত হয় সোহরাওয়ার্দীর সামনে। অজস্র মিছিলের স্রোতে দুপুর ২টার আগেই শাহবাগ থেকে মৎস্য ভবন মোড় পর্যন্ত জনসমুদ্রে পরিণত হয়।



প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শোভাযাত্রায় বিভিন্ন ট্রাকে লাগানো মাইকে ঐতিহাসিক ৭ মার্চে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ প্রচার ও দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করা হয়।


শোভাযাত্রায় অংশ নিতে জাতীয় ও দলীয় পতাকা, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, শেখ হাসিনা, সজিব ওয়াজেদ জয়ের ছবি সম্বলিত পোস্টার, প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সামনে হাজির হয় আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। 



একইসাথে লাল-সবুজ টি-শার্ট, ক্যাপ, শাড়ি পরে, হাতে নৌকা, ফেস্টুন ও ব্যানার নিয়ে, নেচে-গেয়ে জনতার স্রোত নামে রাজপথে।



আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এ শোভাযাত্রায় আওয়ামী যুবলীগ, ছাত্রলীগ, কৃষকলীগ, তাঁতী লীগ, কৃষকলীগ, যুব মহিলা লীগ, জাতীয় শ্রমিক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ব্যাপক উৎসাহ, উদ্দীপনায় অংশগ্রহণ করেন।


শোভাযাত্রা উপলক্ষে সকাল থেকে রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের বিভিন্ন শাখা থেকে নেতাকর্মীরা নানা সাজে মিছিল নিয়ে আসতে শুরু করে। বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় দেখা মিলেছে দুটি হাতির। যা শোভাযাত্রায় আসা নেতাকর্মীদের বিশেষ দৃষ্টি কেড়েছে। হাতি দুটির ওপর দু’জন করে চারজন মাহুতকে দেখা গেছে।


দলীয় কোনো নেতাকর্মী হাতির পিঠে না চাপলেও হাতির মাথার সামনে দেখা গেছে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিমের ছবি সম্বলিত পোস্টার। 



এছাড়া হাতির পিঠে আওয়ামী লীগের ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে তৈরি করা বিশাল ব্যানার বাঁধা হয়েছে। সূত্র: বাসস


আরও খবর



যাত্রাবাড়ি ও মিরপুরে ময়লার ড্রেনের ভেতর দিয়ে ওয়াসার পানির লাইন,দেখার কেউ নেই

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

সদরুল আইন:

রাজধানীর জুরাইন, মিরপুরসহ অনেক এলাকায় ঢাকা পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশন কর্তৃপক্ষের (ওয়াসা) পানির লাইন গেছে ড্রেনের ভেতর দিয়ে। 


কোনো কারণে প্লাস্টিকের পাইপ ফাটলে বা লিক হলে সেই পানির সঙ্গে মিশবে মলমূত্র। আর সেই দূষিত পানিই ব্যবহার হবে বাসা-বাড়িতে। 



সিটি করপোরেশন বলছে, ওয়াসা চাইলে তাদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা করা দেওয়া যেত। অথচ পুরো বিষয়টিই অস্বীকার করছে ওয়াসা।



জুরাইনে ড্রেনের ময়লা পানির দৃশ্য প্রতিদিনের ব্যাপার। ড্রেন উপচে সেই ময়লা পানি মিশছে রিজার্ভ ট্যাঙ্কিতে, ফলে সংকট দেখা দেয় খাবার পানির। এই যখন পরিস্থিতি, তখন ওয়াসার নতুন পাইপ লাইন বসানোর উদ্যোগে স্বস্তি পায় এলাকাবাসী। 


কিন্তু সেটিও ঝুঁকিতে পড়েছে। কারণ জুরাইনে ড্রেনের ভেতর দিয়েই বসানো হচ্ছে ওয়াসার পানির লাইন।


সংবাদমাধ্যমকে এলাকাবাসী জানিয়েছে, ড্রেনের ভেতর থেকেই বাসাবাড়িতে লাইন টেনে দিয়েছে ওয়াসা। কোনো কারণে এই পাইপ লিক হলেই খাওয়ার পানির সঙ্গে মিশে যাবে মলমূত্র। 



ওয়াসার এ কাজে ক্ষুব্ধ সিটি করপোরেশন। বলছে, সমন্বয় করে কাজ করলেই এ পরিস্থিতি এড়ানো যেত। উল্টো সিটি করপোরেশনের ওপর দায় চাপাচ্ছে ওয়াসা।


ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, ওয়াসার এই কাজের কারণে নর্দমার যে কাজ তাও ব্যাহত হবে, আর ওয়াসার কাজও ব্যাহত হবে। এভাবে পানির লাইনের কাজটা ঠিক হচ্ছে না।


এদিকে ওয়াসার উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌ. এ.কে.এম সহিদ উদ্দিন বলেন, সিটি করপোরেশন পুরো এলাকাজুড়েই ড্রেন তৈরি করছে বলে, ওয়াসার পানির লাইনের জন্য কোনো আলাদা জায়গা পাওয়া যাচ্ছে না। 


ড্রেনের ভিতর দিয়ে ওয়াসার পাইপ টানার অভিযোগ পাওয়া গেছে ওয়ারী, যাত্রাবাড়ী ও মিরপুরে। 


আরও খবর



সৌদিতে মৃত হজযাত্রীর সংখ্যা ৯০০, খোঁজ নেই অনেক হাজীর

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image



বিডি টুডে ডিজিটাল ডেস্ক:


চলতি বছর হজে গিয়ে তাপপ্রবাহ ও অসহনীয় গরমে এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৯২২ জন হজযাত্রীর। এখনো বহু সংখ্যক হজযাত্রীর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।


সৌদির সরকারি প্রশাসন, মক্কার বিভিন্ন হাসপাতাল এবং সৌদির বিভিন্ন দেশের দূতাবাসের তথ্য সহায়তার ভিত্তিতে মৃত হজযাত্রীদের একটি সংখ্যাগত টালি করেছে বার্তাসংস্থা এএফপি। সেই টালির সর্বশেষ অবস্থা থেকে এই সংখ্যা নিশ্চিত করা হয়েছে।



এ বছর হজ শুরু হয়েছে গত ১৪ জুন থেকে। সৌদির আবহওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত এক সপ্তাহ ধরে মক্কার তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে। সোমবার মক্কার তাপমাত্রা ছিল ৫১ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।


মৃতদের অধিকাংশই মিসরের নাগরিক। মক্কার প্রশাসনসূত্রে জানা গেছে, হজের শুরু থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ৬০০ মিসরীয় হজযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। 


মিসরের বাইরে জর্ডান, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, সেনেগাল, তিউনিসিয়া, বাংলাদেশ ও ভারতের নাগরিকরাও রয়েছেন মৃত হজযাত্রীদের তালিকায়। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এবার হজ করতে মক্কায় গিয়ে মারা গেছেন ২৭ জন বাংলাদেশি।


বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় ১৮ লাখ হজযাত্রী এবার হজ করতে সৌদি এসেছেন। বিদেশি হজযাত্রীদের অনেকেই মক্কার তীব্র গরমে অভ্যস্ত নন। তাছাড়া এই হজযাত্রীদের মধ্যে এমন হাজার হাজার যাত্রী রয়েছেন, যারা বিধি মেনে সৌদিতে আসেননি। 



ফলে প্রখর তাপপ্রবাহ থেকে সুরক্ষা নিশ্চিতে যাত্রীদের জন্য যেসব সুবিধা ও পরিষেবা বরাদ্দ করেছে সৌদির সরকার, সেসব তারা পাচ্ছেন না। অবৈধভাবে সৌদিতে প্রবেশ করা এই যাত্রীরা এমনকি থাকা, খাওয়া এবং এয়ার কন্ডিশন সুবিধাও পাচ্ছেন না।


যেসব হজযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে, তাদের একটি বড় অংশই অবৈধভাবে সৌদিতে প্রবেশ করেছিলেন বলে জানিয়েছে দেশটির প্রশাসন।


এছাড়া হজের বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠান পালন করতে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন বহুসংখ্যক যাত্রী। এই গরমে নিরাপদ আশ্রয়ের বাইরে থাকা এই হজযাত্রীদের সবাই বেঁচে আছেন— এমন নিশ্চয়তা নেই। তাই সামনের দিনগুলোতে মৃত হজযাত্রীদের সংখ্যা আরও বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে।


আরও খবর



যুদ্ধে অর্থ ব্যয় না করে ক্ষুধার্ত মানুষের পেছনে ব্যয় করুন

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

যুদ্ধ-সংঘাতে বিশ্বশান্তি ব্যাহত হচ্ছে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, অস্ত্র প্রতিযোগিতা যত বাড়ছে, মানুষের জীবন তত দুর্বিষহ হচ্ছে। আমরা যুদ্ধ চাই না, শান্তি চাই।

বুধবার (২৯ মে) সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ দিবস-২০২৪ উদ্‌যাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বশান্তি নিশ্চিত করা এখন আগের চেয়ে কঠিন হয়ে পড়েছে। এ যুদ্ধ মানবজাতির কোনো কল্যাণ বয়ে আনছে না।

বিশ্বনেতাদের উদ্দেশে শেখ হাসিনা বলেন, যুদ্ধের পেছনে অর্থ ব্যয় না করে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে রক্ষা, ক্ষুধার্ত মানুষের ক্ষুধা নিবারণ ও শিক্ষাবঞ্চিতদের পেছনে ব্যয় করুন। আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করুন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ অন্যতম বৃহৎ শান্তিরক্ষী দেশ হিসেবে পরিচিতি লাভ করছে। এ ক্ষেত্রে নারীরা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে যাচ্ছেন। এ পর্যন্ত বাংলাদেশের ৩ হাজার ৩৮ জন নারী শান্তিরক্ষী জাতিসংঘের শান্তি মিশন সম্পন্ন করেছেন। জাতিসংঘ এখন আরও নারী শান্তিরক্ষী পাঠাতে বলছে।


আরও খবর

শেখ হাসিনার প্রশংসায় জয়শঙ্কর

শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪