Logo
শিরোনাম

বাংলাদেশ বিজনেস চেম্বার অব সিঙ্গাপুরের কমিটি গঠন

প্রকাশিত:বুধবার ২৫ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

সালেহ দোহা শাহীন সিঙ্গাপুর প্রতিনিধি ঃ

বাংলাদেশ বিজনেস চেম্বার অব সিঙ্গাপুরের নবম এজিএম সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় পার্করয়েল হোটেলের জেড বলরুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিজনেস চেম্বারের সহ-সভাপতি মো. মনিরুজ্জামান রাহিম।

সভা পরিচালনা করেন বিজনেস চেম্বারের সাধারণ সম্পাদক সাব্বির সাহান। বাংলাদেশ বিজনেস চেম্বার অব সিঙ্গাপুরের সাধারণ সম্পাদক সাব্বির সাহান স্বাক্ষরিত প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

সভায় বিজনেস চেম্বারের বিগত কার্যক্রম ও আর্থিক বিবরণী সাধারণ সদস্যদের নিকট উপস্থাপন করেন ভারপ্রাপ্ত কোষাধ্যক্ষ আসাদ মামুন এবং বিজনেস চেম্বারের সার্বিক পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সদস্যদের মাঝে তুলে ধরেন বিজনেস চেম্বারের সাবেক সভাপতি মো. সাহিদুজ্জামান।

সভায় সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে সংগঠনবিরোধী কার্যকলাপ ও বিজনেস চেম্বারের ভাবমূর্তি নষ্ট ও শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে সদস্যদের সম্মতিক্রমে ৫ সদস্যকে আজীবন বহিষ্কার করা হয়। বহিষ্কৃতরা হলেন- মির্জা গোলাম সবুর, আজহারুল ইসলাম, নাসিরুল ইসলাম মনি, সৈয়দ ফয়সাল আহমেদ পাভেল ও এমএ রাহীম।

বাংলাদেশ বিজনেস চেম্বারের নবনির্বাচিত সদস্যরা হলেন-১.মোঃশাহিদুজ্জামান,২.মোঃ মনিরুজ্জামান,৩.আমানুল ইসলাম,৪.আসাদ মামুন,৫.ইশতিয়াক আহমেদ, ৬.আবু সায়েম আজাদ,৭. ফিরোজ আহমেদ চৌধুরী,৮.মোহাম্মদ হোসাইন, ৯.শামসুর রহমান ফিলিপ,১০.মাহাবুব আলম, ১১.আলী মোস্তফা,১২. আশ্রাফুর রহমান খান,১৩.জাহেদুল কবির,১৪.মোঃ তুহিন ও ১৫.সাব্বির হাসান শাহান।


আরও খবর



নওগাঁয় ধান ক্ষেত থেকে মৃতদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত:সোমবার ২১ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টারঃ 


নওগাঁয় ধানের ক্ষেত থেকে বিনয় চন্দ্র মন্ডল (৬৪) নামে এক বৃদ্ধের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। সোমবার সকালে নওগাঁর মান্দা উপজেলার মধ্য-দুর্গাপুর গ্রামের একটি ধান ক্ষেত থেকে মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরন করেন মান্দা থানা পুলিশ।

নিহত বিনয় চন্দ্র মন্ডল মান্দা উপজেলার পিরোরি বিলদুধলা গ্রামের মৃত শ্রীখণ্ঠ মন্ডলের ছেলে। তিনি পেশায় একজন গোয়াল ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার বিকেল থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। নিখোঁজের পর তার পরিবারের লোকজন তাকে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও কোনো সন্ধান পায়নি। সোমবার ২১ নভেম্বর সকালে জমির মালিক ধান কাটতে গিয়ে ধান ক্ষেতের ভিতরে তার মৃতদেহ দেখতে পান। মহূর্তের মধ্যে ঘটনাটি জানাজানি হলে শত শত লোকজন ঘটনাস্থলে ভীড় জমান। পরে পরিবারের লোকজন এসে মৃতদেহ টি শনাক্ত করেন। খবর পেয়ে মান্দা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে মৃতদেহটি উদ্ধার করেন।

সত্যতা নিশ্চিত করে মান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নুর-এ-আলম সিদ্দিকী জানান, খবর পেয়ে থানা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছে প্রাথমিক সুরতহাল রির্পোট অন্তে মৃতদেহটি উদ্ধার পূর্বক ময়না তদন্তের জন্য নওগাঁ জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান ওসি।


আরও খবর



৬ সেকেন্ডে ক্রেডিট কার্ড হ্যাক করা সম্ভব !

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৮ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

মইনুল ইসলাম মিতুল : আপনি যখন কার্ড রিডার স্লটে কার্ড ঢোকান তখন ডাটা স্কিমিং ডিভাইস দিয়ে আপনার কার্ডের ম্যাগনেটিক স্ট্রিপ থেকে তথ্য চুরি করে প্রতারকরা। পাশাপাশি কাছাকাছি কোথাও তারা ক্যামেরা বসায় আপনার পিন চুরি করার জন্য। এরকম অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে যখন আপনি কার্ড ঢোকালেন কিন্তু বের হতে সময় নিল, বা আঁটকে গেল। বুথে ঢুকে কোন সমস্যায় পড়লেন, হতে পারে আপনার কার্ড আঁটকে গেল, বুথের ভিতরে বা বাইরের কেউ স্বত:স্ফুর্তভাবে এসে আপনার ঘাড়ের উপর দিয়ে উঁকি দিল, আপনাকে সাহায্য করবে বলে। সতর্ক হোন, তিনি আপনার পিন চুরি করতে পারে।


আপনি যদি কার্ডের উপর পিন নাম্বার লিখে রাখেন, আর যদি সেটা বুথে আঁটকে যায়, বা হারিয়ে যায়, আপনি কিন্তু চোরকে আমন্ত্রণ দিলেন। ই-শপিং বা অনলাইনে বিল পেমেন্টের মাধ্যমে প্রতারণা হতে পারে। আপনি সেখানে কেনাকাটা বা লেনদেন করলেই আপনার কার্ডের তথ্য প্রতারকরা নিয়ে নিবে। অনেক সময় নিজের অজান্তেই কোনো সফটওয়্যার ডাউনলোড করে ফেলেন। এতে প্রতারকরা আপনার কার্ডের তথ্য, পাসওয়ার্ড এবং ব্যাংকিং তথ্য পেয়ে যেতে পারে। যদি আপনি আপনার স্মার্টফোন ব্যবহার করে পাবলিক ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে লেনদেন করেন, হ্যাকারদের জন্য চুরি করার এটা একটা দারুণ সুযোগ।

 প্রতারণার এটা সবচেয়ে কার্যকরী উপায় যখন আপনি আপনার কার্ডটি সেলসপার্সনকে দিলেন সোয়্যাপ করার জন্য। কার্ডের তথ্য কপি করে পরবর্তীতে খারাপ উদ্দেশে ব্যবহার করা হতে পারে। আপনার ইমেইলের স্প্যাম মেইলের মাধ্যমে আপনার কার্ডের পাসওয়ার্ড বা অ্যাকাউন্ট নাম্বার চুরি হতে পারে। প্রতারকরা আপনার মোবাইল অপারেটরের কাছে ফোন করে ভুয়া পরিচয়ে ডুপ্লিকেট সিম তুলতে পারে।

অপারেটররা আপনার অরিজিনাল সিম নিস্ক্রিয় করে দেয়। চোরেরা ওয়ান-টাইম পাসওয়ার্ড (ওটিপি) তৈরি করে আপনার অনলাইন লেনদেন চালাতে পারে। প্রতিষ্ঠিত অ্যাপ কোম্পানির বাইরে অনেক কোম্পানি আছে যেগুলো থেকে অ্যাপ ডাউনলোড করলে আপনার ফোনে তারা ঢুকে তথ্য হাতিয়ে নিতে পারে। চুরি যাওয়া কার্ড দিয়েও প্রতারণা হতে পারে। আবেদনপত্র বা বাতিল নথি থেকে তথ্য চুরি করে প্রতারকরা নতুন কার্ড তৈরি করেও প্রতারণা করে।
মাত্র ৬ সেকেন্ডে ক্রেডিট কার্ড হ্যাক করা সম্ভব ! মাত্র ৬ সেকেন্ডেই অপরাধীরা ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের নম্বর, মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ এবং পাসওয়ার্ড জেনে নিতে পারেন বলে দাবি করেছেন আইটি বিশেষজ্ঞরা।

গবেষকরা বলছেন, সাইবার অপরাধীরা যখন ওয়েবসাইটে কার্ডের কোনো তথ্যের সন্ধান চালিয়ে যান সেটা সিস্টেমে ধরাও পড়ে না। এ গবেষণার বিষয়ে ভিসার বক্তব্য হলো- জালিয়াতি রোধে পেমেন্ট সিস্টেমে যে ব্যবস্থাগুলো রয়েছে গবেষণায় তার সবগুলোর উল্লেখ করা হয়নি।


আরও খবর



সমাজ বদলাতে চরিত্রের পরিবর্তন প্রয়োজন

প্রকাশিত:বুধবার ০৯ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

মাজহারুল ইসলাম মাসুম, সিনিয়র সাংবাদিক, লেখক, গবেষক :

প্রতিদিন শিশু, বৃদ্ধা পর্যন্ত ধর্ষিত হচ্ছে। শিক্ষক, পেশাজীবী সব শ্রেণির মানুষ প্রায় সময় দেখা যাচ্ছে ধর্ষণে জড়িত। ইদানীং মাদরাসা অধ্যক্ষ, শিক্ষককে দেখা যাচ্ছে বেশি ধর্ষণে জড়িত হতে। অথচ মাদরাসা শিক্ষক হচ্ছে ইসলামি শিক্ষার গুরু।

সমাজে ভালো কাজের উপদেশ, ধর্মীয় শিক্ষা, ধর্মীয় জ্ঞান মাদরাসা শিক্ষকরা যুগ যুগ ধরে দিয়ে আসছেন। কলেজ, স্কুল, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের যৌন হয়রানি ও ধর্ষণের ঘৃণ্য খারাপ কাজে নিয়োজিত হতে প্রায় পত্রিকায় খবরে প্রকাশ পাচ্ছে। ধর্ষণ এই চিত্র আজকাল বেশি বেশি প্রকাশ পাচ্ছে। কিন্তু অনেকে বলেন, ধর্ষণ আগেও সমাজে ছিল। তখন নারী সমাজ প্রতিবাদ করত না, তা প্রকাশ পেতও না। তখন নারী সমাজ শিক্ষিত, প্রতিবাদ শিখেছে। তাদের সাহস হয়েছে। তাই ঘটনা খবরের কাগজের খবর হয়ে প্রতিনিয়ত বের হচ্ছে।
অনেকে বলেন, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ধর্ষণ ও যৌন হয়রানি রয়েছে। ঘটনা ঘটছে। তা ওইসব দেশে তেমন প্রকাশ পায় না। কিন্তু আমাদের দেশে প্রকাশ বেশি। কিন্তু প্রতিবেশী দেশ ভারতেও যৌন হয়রানি, ধর্ষণ ঘটনা বেশ ঘটছে। প্রকাশও পাচ্ছে। নারী জাতিকে স ষ্টা অনেক বেশি সম্মান, মান-মর্যাদা ও অধিকার দিয়ে সৃষ্টি করেছেন। কিন্তু আমরা কি সেই সম্মান রক্ষা করে চলতে পারছি। পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোয় নারীকে সম্মান অধিকার দিয়ে প্রতিষ্ঠা দিয়েছে। নারী-পুরুষের কোনো ভেদাভেদ উন্নত দেশগুলোয় এখন নেই। শুধু অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশে নারী এখনও অবহেলিত।
একসময় আমাদের দেশে নারীদের এসিড মেরে আহত করার বেশ প্রচলন হয়েছিল। প্রতিদিন যুবকরা কিছু কিছু নারীকে যৌন হয়রানি করত। প্রেমের ভ্রান্ত দিয়ে প্রত্যাখ্যাত হলে তখন এসিড মেরে ওই নারীকে আহত করত। এখন বেশ কম দেখা যায় এসিড নিক্ষেপ। কেন এসিড নিক্ষেপ কমল। কী কারণ রয়েছে এর পেছনে। সমাজ বিজ্ঞানীরা তখনও এ বিষয়ে গবেষণা প্রকাশ করেননি। নিশ্চয় এসিড নিক্ষেপ কমে যাওয়ার পেছনে যথেষ্ট কারণ রয়েছে।
এখনও আমাদের সমাজে অনিয়ম, অন্যায়, আইন অমান্য, ঘুষ, দুর্নীতি নিয়মিত ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রায় প্রতিদিন অনিয়ম, দুর্নীতি, ঘুষ বাণিজ্যের নানা খবর দেশে আসছে। বর্তমান সরকারও এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে বেশ সোচ্চার। দুর্নীতি দমন কমিশনও এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে সক্রিয়। বেশ কিছু মামলা হয়েছে। অনেক মামলা বিচারাধীন রয়েছে। নতুন নতুন অনুসন্ধান চলেছে দুর্নীতির বিরুদ্ধে। পত্রপত্রিকায়ও প্রকাশ পাচ্ছে। সরকারও বেশ কঠোর নীতি গ্রহণ করেছে বলে ঘোষণা দিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু পরিস্থিতির উন্নতি বেশ কম হচ্ছে। কেন এ অবস্থার সৃষ্টি হলো। কিংবা আমাদের উদ্যোগ গ্রহণ করা উচিত।
বাংলাদেশি বিপুলসংখ্যক ধনী ব্যক্তি সুইস ব্যাংকে প্রচুর অর্থ জমা রেখেছেন। ব্যাংকে অর্থ কীভাবে জমা হয়েছে, তা নিয়ে নানা বিতর্ক রয়েছে। শুধু যে বাংলাদেশ থেকে অর্থ পাচার হয়েছে তা নাও হতে পারে। এই অর্থ বিদেশে উপার্জিত অর্থ থেকেজমাও হতে পারে। শুধু যে পাচারের টাকা জমা হয়েছে তা নয়।

কেন এসব ঘটছে :

 আমরা এগিয়ে চলেছি। আমাদের চরম উন্নতি হচ্ছে বলে আমাদের রাষ্ট্রীয় ঘোষণা রয়েছে। রাষ্ট্র এগিয়ে চলেছে। কিন্তু জনগণ তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে যেন বারবার হোঁচট খাচ্ছে। চলতি বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষা-দীক্ষা ও উন্নয়নে দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এরই পাশাপাশি দেশের সমাজব্যবস্থায় বিভিন্ন কারণে বাড়ছে অস্থিরতা, বাড়ছে অপরাধপ্রবণতা, বাড়ছে হতাহতের ঘটনা।
খবরের কাগজ উল্টালেই চোখে পড়ছে ধর্ষণ, আত্মহত্যা, খুন, শিশু নির্যাতন, সন্ত্রাসবাদ, মাদক, মারামারি আর হানাহানির খবর। সমাজবিজ্ঞানীরা মনে করছেন, সামাজিক অস্থিরতা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ মূল্যবোধ তথা মানুষগুলোর নৈতিক অবক্ষয়। পাশাপাশি পারিবারিক বন্ধন ঢিলে হয়ে যাওয়া এবং অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে যাওয়ার
বিষয়টিও উল্লেখযোগ্য।


বাড়ছে পারিবারিক কলহ: পরিবার আমাদের সমাজব্যবস্থার অন্যতম মূল ভিত্তি। এ সময়টায় বিভিন্ন কারণে পারিবারিক কলহের ঘটনা বেড়ে গেছে। বেড়ে গেছে পরিবারের এক সদস্যের হাতে আরেক সদস্যের খুন হওয়ার ঘটনা। স্বামী-স্ত্রীর কলহের জেরে প্রাণ দিতে হচ্ছে নিষ্পাপ শিশুদের।

পারিবারিক কলহের কারণে পরিবারের সবাই একসঙ্গে আত্মহত্যার ঘটনাও ঘটছে। মানুষ এখন শুধু ঘরের বাইরেই নয়, তার আপনজনদের কাছেও নিরাপদ নয়। বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ বিভাগের তথ্যানুযায়ী বছরে মোট হত্যাকাণ্ডের প্রায় ৪০ শতাংশ সংঘটিত হচ্ছে পারিবারিক কলহের কারণে।


অপরাধ বিশ্লেষক তৌহিদুল হক বলছেন
: অভাব-অনটন, অর্থের প্রতি প্রবল দুর্বলতা, চাওয়া-পাওয়ার অসংগতির কারণে দাম্পত্য কলহ ও স্বামী-স্ত্রী পরস্পরের প্রতি বিশ্বাসহীনতা, নৈতিক মূল্যবোধের অবক্ষয়, সামাজিক-রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অস্থিরতা, অন্য দেশের সংস্কৃতির আগ্রাসন, স্বল্প সময়ে ধনী হওয়ার আকাক্ষা, বিষন্নতা ও মাদকাসক্তিসহ বিভিন্ন কারণে সামাজিক অশান্তি বাড়ছে। পুলিশ সদর দফতর সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য মতে, দেশে প্রতিদিন গড়ে খুন হচ্ছে ১৪ থেকে ১৫ জন। আর এর অধিকাংশই পারিবারিক ও সামাজিক অস্থিরতার কারণে।


মনোবিজ্ঞানী মোহিত কামাল জানান
: সমাজে কেউ অপরাধী হয়ে জন্ম নেন না। মানুষ অপরাধী হয়ে ওঠে পরিবেশ-পরিস্থিতির কারণে। বেশিরভাগ সময়ে সে পরিবেশ তার কাছের মানুষরাই তৈরি করে দেয়। কখনও কখনও সমাজে মানুষদের আচরণ, অসহযোগিতার কারণে পরিবারে, সমাজে দ্বন্দ্ব সংঘাতের মাত্রা বেড়ে যায়। দীর্ঘদিন ধরে মানসিক যন্ত্রণা বা মনোকষ্টে ভুগলে এসব হতে পারে। এ জন্য কাউন্সিলিং দরকার। প্রত্যেককে নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে।


একাকিত্ব থেকে অশান্তি: একাকিত্ব মানসিক বিষন্নতা সৃষ্টির অনেক বড় একটা কারণ। অনেক সংসারেই স্বামীরা বুঝতে পারেন না তার কাজের ব্যস্ততার কারণে স্ত্রীকে একদম সময় দেওয়া হচ্ছে না। এ জন্য অফিসে গেলে মাঝে মধ্যে স্ত্রীকে ফোন দিতে হবে। মাঝে মধ্যে কী করছে না করছে সেটির খোঁজ নিতে হবে।

অফিস থেকে আসতে দেরি হলে বাসায় জানাতে হবে। নিজের ব্যস্ততার বিষয়টি স্ত্রীকে বোঝাতে হবে। আবার স্ত্রীকেও স্বামীর ব্যস্ততা বুঝতে হবে। ব্যস্ততার মাঝেও সপ্তাহে অন্তত একটা দিন স্ত্রীকে নিয়ে বিনোদনের জন্য পার্ক বা দর্শনীয় স্থানে ঘুরতে যাওয়া, সিনেমা দেখা, রেস্টুরেন্টে খেতে যাওয়ার অভ্যাস করতে হবে। কোনো কারণে স্ত্রী যদি বুঝতে পারে তার স্বামী তাকে যথেষ্ট সময় দিচ্ছেন না, তাহলে তাদের মধ্যে দূরত্বের সৃষ্টিই হবে। একাকিত্বের ফাঁদে পড়ে মেয়েরা অনৈতিক কোনো সম্পর্ক বা মানসিক রোগে আক্রান্ত হতে পারেন।


দাম্পত্য জীবনে অতৃপ্তি: বিয়ে বা সাংসারিক জীবনে কোনোভাবেই যৌনতাকে বাদ দেওয়া যাবে না। বরং যৌনতাকে ঘিরেই দাম্পত্য জীবনে গতি আসে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, কোনো সংসারে অভাব-অনটন থাকলে যতটা অশান্তি হবে তার চেয়ে ভয়াবহ অশান্তি হবে যদি কোনো দম্পতির যৌনজীবন সুখের না হয়। পরকীয়া বা বিবাহ বিচ্ছেদের সবচেয়ে আদিম কারণ শারীরিক চাহিদা অপূর্ণ থাকা।
 স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অশান্তি, হতাশা বা দূরত্ব বাড়ার অন্যতম একটি কারণ হলো শারীরিক চাহিদা অপূর্ণ থাকা। আমাদের দেশের অধিকাংশ ছেলে জানে না, একটা মেয়েকে কীভাবে শারীরিকভাবে সুখী করতে হয়। অনেকেই জানেন না, আদিম এই খেলায় ছেলের পাশাপাশি মেয়েরও পরিপূর্ণতা বা সন্তুষ্ট হওয়ার একটা ব্যাপার আছে।

মেয়েদের অর্গাজম ঘটানোর ব্যাপারেও উদাসীন ছেলেরা। ছেলেদের যৌনজ্ঞানের অভাব মেয়েদের চরমানন্দ থেকে বঞ্চিত করে। এভাবে দিনের পর দিন মেয়েরা বঞ্চিত হতে হতে একটা সময় তাদের মধ্যে এক ধরনের উদাসীনতা বা হতাশার সৃষ্টি হয়। আমাদের দেশের ছেলেরা মনে করে, মেয়েরা শুধু ভোগের বস্তু।
বিছানায় নিজের সন্তুষ্টি অর্জন হলেই সব শেষ। সঙ্গীর জৈবিক চাহিদার ব্যাপারে কোনো তোয়াক্কা নেই। এরকম ঘটনা যে শুধু ছেলেদের ক্ষেত্রেই ঘটে, সেটি নয়। অনেক মেয়েও তার সঙ্গীর শারীরিক চাহিদা পূরণে সচেতন, কিংবা আগ্রহী নন। এই শারীরিক অপূর্ণতাই পর-পুরুষ বা পর-নারীতে আগ্রহের সৃষ্টি করে। কাজেই শারীরিক চাহিদা পূরণের ব্যাপারে উভয়কে সচেতন হতে হবে।


আরও খবর



মূল্যস্ফীতি কমে এসেছে’

প্রকাশিত:শুক্রবার ০২ ডিসেম্বর 2০২2 | হালনাগাদ:শনিবার ০৩ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

বিশ্বব্যাপীই অর্থনীতিতে একটা সংকট বিরাজ করছে। অস্বীকার করছি না এটা আমাদের দেশেও আছে। তবে আমাদের দেশের আকাশে যে কালো মেঘ সেটি এখন সরতে শুরু করেছে। আশা করছি আগামী মাসে তা সরে যাবে। দেশে যে মূল্যস্ফীতি বেড়েছিল তা এখন অনেকটা কমে এসেছে। আগামী মাসে তা আরও কমবে, বলেছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান ।

বৃহস্পতিবার সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির বার্ষিক নৈশভোজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, মূল্যস্ফীতি আগামীতে পুরোপুরি কমে যাবে। এটা বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রীর নিরলস চেষ্টার কারণেই সম্ভব হবে। জননেত্রী শেখ হাসিনা সবসময় মানুষের কল্যাণের কথা ভাবেন। মানুষের কল্যাণে নিষ্ঠার সঙ্গে আমরা কাজ করছি।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেন, স্বল্পকালের জন্য হলেও সিলেটে হাইকোর্ট ব্রাঞ্চ চালু হওয়া উচিত। যদি সিলেটে হাইকোর্ট ব্রাঞ্চ হয় তাহলে এখানকার মানুষের ন্যায়বিচার প্রাপ্তি দ্রুত নিশ্চিত হবে।

তিনি পরিকল্পনামন্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে সিলেটে হাইকোর্ট ব্রাঞ্চ স্থাপনে আইনমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলবেন বলে স্থানীয় আইনজীবীদের আশ্বস্ত করেন।

বিলম্বিত বিচার ন্যায়বিচার প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করে উল্লেখ করে ড. মোমেন বলেন, সিলেট অঞ্চলে সবচেয়ে বড় সমস্যা জায়গা জমি সংক্রান্ত। বিশেষ করে প্রবাসীদের জায়গা জমি তাদেরই দুষ্ট কিছু আত্মীয় স্বজন বিভিন্নভাবে দখলের চেষ্টা করে থাকে। এরকম মামলা এখানে বেশি হয়। তাই জায়গা জমি ও প্রবাসীদের মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সিলেটে একটা প্রবাসী ট্রাইব্যুনাল গঠন করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে আইনজীবীদেরও কাজ করা উচিত।


আরও খবর



নয়াপল্টনে সমাবেশ নিয়ে নমনীয় বিএনপি

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

১০ ডিসেম্বরের বিএনপির সমাবেশের জন্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বিকল্প কোন জায়গার প্রস্তাব পেলে সেটি বিবেচনা করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

 দুপুরে নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন তিনি। এসময় নয়াপল্টনেই সমাবেশ করা নিয়ে নমনীয় হয় বিএনপি। তবে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান আর তুরাগ তীরে সমাবেশ না করার কথা জানান দলের মহাসচিব। এসময় তিনি আরো বলেন, যেকোনো স্থানে সমাবেশ করা দলেরন সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার। সেখানে আগ বাড়িয়ে নাশকতা হবে বলে সরকার বিএনপির সাংবিধানিক অধিকারকে লঙ্ঘন করছে বলেও অভিযোগ আনেন মির্জা ফখরুল।


আরও খবর