Logo
শিরোনাম

বাংলাদেশের কোচ হওয়ার দৌড়ে যারা

প্রকাশিত:Saturday ৩১ December ২০২২ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

ইয়াশফি রহমান :  হুট করেই জাতীয় দলের হেড কোচের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন রাসেল ডমিঙ্গো। ইংল্যান্ড সিরিজের আগে তাই এক প্রকারে অভিভাবকশূন্য হয়ে পড়েছে জাতীয় দল। যদিও ভারত সিরিজের পর থেকেই ডমিঙ্গোর বিকল্প খোঁজা শুরু করেছিল বোর্ড।

যেকোন সময় হতে পারেন চাকুরিচ্যুত। আর সে ভয়েই কি ডমিঙ্গো নিজ থেকেই সরে দাঁড়ালেন? এর উত্তরটা রয়ে গেছে অজানাই। কেননা বোর্ডের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট করে কিছুই জানানো হয়নি।

ডমিঙ্গোর সরে যাওয়ার পর থেকেই সবার মনে প্রশ্ন একটাই। কে হতে যাচ্ছেন ডমিঙ্গোর উত্তরসূরি। গুঞ্জনে নাম উঠে আসছে অনেকেরই।

বিসিবি চাইছে লাল ও সাদা বলের খেলার জন্য পৃথক দুই কোচ রাখতে। সেই মোতাবেক ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজনের সঙ্গে যোগাযোগও করেছে বোর্ড। যার সঙ্গেই ব্যাটে বলে মিলে যাবে তাকেই আনা হবে টাইগারদের নতুন কোচ করে।

বোর্ডের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছে নতুন কোচের দৌড়ে বোর্ডের পছন্দ তিনজন। তারা হলেন সাকিব-মুশফিকদের সাবেক কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে, সাউথ আফ্রিকার সাবেক ক্রিকেটার ল্যান্স ক্লুজনার ও অস্ট্রেলিয়ার মাইক হাসি।

বিসিবির সেই সূত্রের দেয়া তথ্য মতে, বোর্ডের চাহিদা অনুযায়ী সবদিক দিয়েই নতুন কোচ হিসেবে দায়িত্বভার বুঝে নেয়ার পাল্লাটা ভারী লঙ্কান কোচ হাথুরুসিংহের। বাকি দুইজনের চেয়ে তিনিই বেশি পছন্দ বোর্ডের।

ইতোমধ্যেই হাথুরুর সঙ্গে কথাবার্তা অনেকদূর এগিয়েছে বোর্ডের। যদিও বেতন থেকে শুরু করে সুযোগসুবিধা সবকিছুই বেশ বাড়িয়ে চেয়েছেন লঙ্কান এই কোচ। কিন্তু সেগুলো মেনে নিয়ে হলেও তাকে আনতে চায় বোর্ড।

জানা গেছে দুই পক্ষের ভেতর চলছে এখন দরকষাকষি। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে সপ্তাহ খানেকের ভেতর। আর সবকিছু ব্যাটে বলে হলেই ফের জাতীয় দলের দায়িত্ব নিতে দেখা যেতে পারে হাথুরুসিংহেকে।

পাশাপাশি বোর্ড কথা চালিয়ে যাচ্ছে ল্যান্স ক্লুজনার ও মাইক হাসির সঙ্গেও। হাসি আপাতত বাংলাদেশ দলের দায়িত্ব নিতে না চাইলেও ক্লুজনার আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানাননি এখনও।

এদিকে গুঞ্জন রয়েছে টি-টোয়েন্টি দলের কোচের ভূমিকায় দেখা যেতে পারে টেকনিক্যাল কনসালটেন্ট শ্রীধরন শ্রীরামকে। যদিও এটি কেবল গুঞ্জনের ভেতরেই সীমাবদ্ধ রয়েছে।


আরও খবর



রৌমারীতে প্রধান শিক্ষক কর্তৃক বিদ্যালয়ের সভাপতিকে পেটানোর অভিযোগ

প্রকাশিত:Tuesday ৩১ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি : 

কুড়িগ্রামের রৌমারীতে বারবান্ধা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সরকারি বরাদ্দের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ দেওয়ায় বিদ্যালয়ের সভাপতি মনিরুল ইসলামকে (৩৬) পেটানোর অভিযোগ উঠেছে। 

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার বারবান্ধা বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে। এ ঘটনায় সোমবার রাতে নির্যাতনের শিকার বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি বাদী হয়ে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেমসহ দুইজনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। ঘটনার আগের দিন রোববার (২৯ জানুয়ারি) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে ওই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাত নিয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দেন ওই সভাপতি।  

অভিযুক্ত আবুল কাশেম (৪৮) উপজেলার সদর ইউনিয়নের বারবান্ধা গ্রামের মৃত জসিম উদ্দিনের ছেলে।  তিনি উত্তর বারবান্ধা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। এছাড়া একই ইউনিয়নের বারবান্ধা গ্রামের নুর হোসেনের ছেলে রঞ্জু মিয়াকে (৪০) আসামী করা হয়েছে। রঞ্জু মিয়া ওই প্রধান শিক্ষকের সম্পর্কে ভাতিজা। ভুক্তভোগি সভাপতি মনিরুল ইসলাম উপজেলার সদর ইউনিয়নের উত্তর বারবান্ধা গ্রামের মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে।

নির্যাতনের শিকার বিদ্যালয়ের সভাপতি মনিরুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, ২০২১-২২ইং অর্থ বছরে উপজেলার উত্তর বারবান্ধা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামে বিদ্যালয় উন্নয়নের জন্য বরাদ্দকৃত মোট ২লাখ ৭৫হাজার ৫০২টাকা যৌথ হিসাব নাম্বারে জমা হয়। তৎকালীন সভাপতি আইয়ুব আলীর মেয়াদ শেষ হলে গত বছর  মনিরুল ইসলাম ওই বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত হন। পরে প্রধান শিক্ষকসহ ব্যাংকে যৌথ হিসাব খুলতে যান সভাপতি মনিরুল ইসলাম। এ সময় তিনি দেখেন ব্যাংকে জমানো কোনো টাকা নেই। সন্দেহ হলে খেঁাজ নিয়ে জানতে পান তৎকালীন সভাপতি আইয়ূব আলীর স্বাক্ষর জাল করে অবৈধভাবে সমস্ত টাকা উত্তোলন করে আত্মসাত করেছেন প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম।

এর প্রতিকার চেয়ে রোববার (২৯জানুয়ারি) সভাপতি বাদি হয়ে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেন। এতে ক্ষিপ্ত হন প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম। পরদিন (সোমবার) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ওই সভাপতি বারবান্ধা বাজার এলাকায় গেলে প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেমসহ ভাতিজা রঞ্জু মিয়া তঁাকে এলোপাথারী মারধর করেন। এসময় স্থানীয়রা সভাপতিকে উদ্ধার করে রৌমারী উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। ওইদিন (সোমবার) রাতে মারধরের শিকার সভাপতি মনিরুল ইসলাম বাদি হয়ে প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেমসহ দু’জনের নাম উল্লেখ করে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেন।

বিদ্যালয়ের তৎকালীন সভাপতি আইয়ূব আলী বলেন, আমি এক বছর ধরে অসুস্থ্য। সরকারি বরাদ্দের টাকা উত্তোলনের বিষয়ে কিছুই জানিনা এবং আমাকে জানানোও হয়নি। আমার স্বাক্ষর জাল করে সমস্ত টাকা আত্মসাত করেন প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, আমার অসুস্থ্যতার খবর শুনেও একবারের জন্য দেখতে আসেননি ওই প্রধান শিক্ষক।

রৌমারী সদর ইউনিয়ন পরিষদের ৬নম্বর ওয়ার্ড সদস্য ও বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সহসভাপতি ফিরোজ মিয়া বলেন, তৎকালীন সভাপতি আইয়ূব আলীর স্বাক্ষর জাল করে সরকারি বরাদ্দের টাকা আত্মসাত করেন ওই প্রধান শিক্ষক। এনিয়ে সভাপতি মনিরুল ইসলাম বাদি হয়ে বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হন তিনি। এর জের প্রধান শিক্ষক ও তঁার ভাতিজা রঞ্জু মিয়া মিলে সভাপতির উপর হামলা চালান।

সরকারি বরাদ্দের টাকা আত্মসাতের বিষয়টি অস্বীকার করেন উত্তর বারবান্ধা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম। তিনি বলেন, তৎকালীন সভাপতি আইয়ূব আলী অসুস্থ্যতার কারণে সব কিছু ভুলে গেছেন। তঁার স্বাক্ষরেই টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। সভাপতি মনিরুল ইসলামকে পেটানোর বিষয়ে তিনি বলেন, ঘটনাটি আমার ভাতিজা রঞ্জু মিয়ার সাথে ঘটেছে। আমি এর সাথে জড়িত নই।  

রৌমারী উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে চিকিৎসক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, মারধরের ঘটনায় মনিরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি ভর্তি হয়েছেন। তঁার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ছেলা, ফোলা ও জখমের চিহ্ন রয়েছে। তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

রৌমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) এবিএম সরোয়ার রাব্বী বলেন, অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি উপজেলা শিক্ষাকর্মকর্তাকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

রৌমারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বলেন, তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পেলে ওই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে সুপারিশ করা হবে।

অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করে রৌমারী থানার ওসি রুপ কুমার সরকার বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর



রেস্তোরাঁ ব্যবসায় ফিরছে সুদিন

প্রকাশিত:Sunday ১৫ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

রোকসানা মনোয়ার :বড় পরিবর্তন এসেছে দেশের রেস্তোরাঁ শিল্পে। মানুষের খাদ্যাভ্যাস ও রুচির পরিবর্তন হয়েছে। সারা দেশের ছোট-বড় শহরে গড়ে উঠেছে উন্নতমানের রেস্তোরাঁ। জিডিপির পাশাপাশি প্রতি বছর বাড়ছে কর্মসংস্থান। পৃথিবীজুড়ে এখন এ শিল্প সম্ভাবনাময়। বাংলাদেশেও সেটা হবে। আগামীতে পাশ্চাত্যের দেশগুলোর মতো মানুষ রেস্তোরাঁনির্ভর জীবনযাপন করবে। সেভাবে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ও অভ্যাস গড়ে উঠছে। এদিকে, সম্প্রতি সরকারিভাবে রেস্তোরাঁকে শিল্পের মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। এ ঘোষণায় উচ্ছ্বসিত ব্যবসায়ীরা। উন্নত বিশ্বের মতো দেশের রেস্তোরাঁ ব্যবসাকেও মানসম্পন্ন জায়গায় নিতে স্বপ্ন বুনছেন তারা।

শিল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রেস্তোরাঁর প্রসারে এ শিল্পে এখন পর্যন্ত বিপুল কর্মসংস্থানও হয়েছে। দেশের প্রায় দুই কোটি মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এ শিল্পের সঙ্গে জড়িত। পাশাপাশি এ শিল্প কৃষি, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও পর্যটনসহ অন্যান্য অর্থনীতিতেও বড় ভূমিকা রাখছে। সরকার শিল্প ঘোষণা করায় আগামী এক দশকে এ শিল্প আরো তিন গুণ প্রসার হবে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হোটেল ও রেস্টুরেন্ট সার্ভে-২০২১ এর তথ্য বলছে, গত ১১ বছরে দেশে হোটেল ও রেস্তোরাঁর সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ১ লাখ ৬১ হাজার। ২০০৯-১০ সালে যেখানে দেশে রেস্তোরাঁর সংখ্যা ছিল ২ লাখ ৭৫ হাজার, তা গত বছর বেড়ে ৪ লাখ ৩৬ হাজার হয়েছে। এ সময়ে কর্মরত মানুষের সংখ্যাও হয়েছে দ্বিগুণ। ২০০৯-১০ অর্থবছরে হোটেল ও রেস্তোরাঁয় কর্মরত ছিলেন ৯ লাখ ৪ হাজার মানুষ, যা গত বছর বেড়ে ২০ লাখ ৭২ হাজার হয়েছে। ফলে এক দশকে মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপিতে মূল্য সংযোজন বেড়েছে আট গুণ। এক দশক আগে ২০০৯-১০ অর্থবছরে হোটেল-রেস্তোরাঁ থেকে মূল্য সংযোজন হয়েছিল মাত্র ১১ হাজার ৯৮৬ কোটি টাকা। আর সবশেষ ২০১৯-২০ অর্থবছরে হয়েছে ৮৭ হাজার ৯২৬ কোটি টাকা।

আগামী ১০ বছরে এ শিল্প আরো তিন গুণ এগিয়ে যাবে বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করে বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির মহাসচিব ইমরান হাসান বলেন, সরকারের উদ্যোগে রেস্তোরাঁকে শিল্প ঘোষণা করা হয়েছে। এতে আমাদের খাতের বিদ্যমান অনেক সমস্যা সমাধান হবে। বর্তমানে এ শিল্প যে অবস্থায় রয়েছে, আগামী ১০ বছরে তা আরো তিন গুণ বাড়বে।

ইমরান হাসান আরো বলেন,  আগামীতে এ শিল্প থেকে প্রচুর প্রশিক্ষিত কর্মী রপ্তানি সম্ভব হবে। সেটি অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখবে। আবার বিভিন্ন দেশ থেকে ফেরত প্রবাসীরাও এ খাতে জড়িয়ে পড়ছে ব্যাক টু ব্যাক শিল্পের মতো। সরকারের সদিচ্ছা থাকলে বিশ্বব্যাপী হসপিটালিটি খাতে দুই কোটি কর্মী রপ্তানি সম্ভব।

এসব বিষয়ে কথা হয় আল-কাদেরিয়া লি: এর চেয়ারম্যান, রেস্তোরাঁ মালিক ফিরোজ আলম সুমনের সাথে । তিনি জানান, অপেক্ষাকৃত কম পুঁজিতে বাংলাদেশে হোটেল-রেস্তোরাঁ ব্যবসা লাভজনক। এছাড়া মানুষের খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন ও ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি এ শিল্প জনপ্রিয় হওয়ার মূল কারণ। সে কারণেই ঢাকা নয়, জেলা ও উপজেলায়ও প্রতিনিয়ত নতুন নতুন হোটেল-রেস্তোরাঁ গড়ে উঠছে। আবার প্রতিনিয়ত নতুন নতুন খাদ্যের প্রসার এ শিল্পকে সমৃদ্ধ করছে। যে কারণে দেশের অর্থনীতিতে অবদান বাড়ছে এ শিল্পের।

সুমন আরো বলেন, এতদিন রেস্তোরাঁ ব্যবসা শিল্পের মর্যাদা না পাওয়ার কারণে বেশ সমস্যা হয়েছে। বিশেষ করে ব্যবসায়ীদের সরকারি সেবা নেওয়ার ক্ষেত্রে চড়া মূল্য দিতে হতো। ফলে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়েছে অনেকে। তা ছাড়া ব্যাংকঋণের উচ্চ সুদহারের কারণে যেসব প্রতিষ্ঠান ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে তাদের ব্যবসার প্রসার করেছেন, তারা প্রতিনিয়ত চড়া সুদ গুনেছে।

ঋণ পরিশোধ সব সময়ই আর্থিক চাপ, এমনকি অনেক প্রতিষ্ঠান টিকতে পারেনি। শিল্প না হওয়ার কারণে এতদিন রেস্তোরাঁ ব্যবসা দেশের পুঁজিবাজার, বিশেষ করে সম্ভাবনাময় বন্ড মার্কেট গড়ে ওঠার ক্ষেত্রেও কোনো ভূমিকা নেয়নি।

আল-কাদেরিয়া রেস্টুরেন্টের কর্ণধার ফিরোজ আলম সুমন আরো বলেন, রেস্তোরাঁ ব্যবসা নির্ঞ্ঝাট নয়। বড় বড় রেস্তোরাঁয় এখন বিনিয়োগও প্রচুর। তারপরও এ ব্যবসার কোনো স্বীকৃতি ছিল না। কোনো মন্ত্রণালয়ের অধীনে সহায়তা মেলেনি। সেজন্য এ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত উদ্যোক্তাদের প্রায়ই নানা ধরনের সংকটের মুখোমুখি হতে হয়েছে। টিকতে না পেরে মুখ থুবড়ে পড়েছে অনেক তরুণের উদ্যোগ। এ খাত শিল্প হওয়ায় এখন অনেক সমস্যা কেটে যাবে। বড় বিনিয়োগ আসবে। কয়েক বছরের মধ্যে এ খাত পাল্টে যাবে। যেসব তরুণ উদ্যোক্তা রেস্তোরাঁগুলোতে আধুনিকতার ছোঁয়া লাগিয়ে যাচ্ছেন তারা আরো উদ্যমী হবেন। ব্যাংকগুলো সব ব্যবসায় ঋণ দিলেও রেস্তোরাঁ ব্যবসায় ঋণ দিতে চাইতো না। সহজ শর্তে ঋণ পেলে তরুণরা আরো ভালো করবেন।

শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শেখ ফয়েজুল আমীন বলেন, মোটাদাগে এখন অন্য শিল্পের মতো সব সুবিধাপ্রাপ্ত হবে রেস্তোরাঁগুলো। তাতে এ ব্যবসায় সরকারের সহায়তা বাড়বে। বড় বড় বিনিয়োগ আসবে। ব্যাংকগুলোও বিনিয়োগকারীদের সহায়তা দেবে। এমনকি এ খাতে বিদেশি বিনিয়োগও বাড়বে।


আরও খবর

কমছে আয়, বাড়ছে ব্যয়

Saturday ০৪ February ২০২৩




বকশীগঞ্জের চন্দ্রাবাজ রশিদা বেগম শিক্ষা কমপ্লেক্সে নবীন বরণ অনুষ্ঠান

প্রকাশিত:Wednesday ০১ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

মাসুদ উল হাসান,জামালপুর :

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার চন্দ্রাবাজ রশিদা বেগম শিক্ষা কমপ্লেক্সে ২০২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

বুধবার চন্দ্রাবাজ রশিদা বেগম শিক্ষা কমপ্লেক্স অডিটোরিয়াম নবীন বরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন অধ্যক্ষ মোঃ রফিকুল ইসলাম। নবীন বরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা পরিষদ সদস্য ও বকশীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি জয়নাল আবেদীন। আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন ফতেহপুর কামিল মাদ্রাসার প্রভাষক ইকবাল হোসেন মিল্লাত। চন্দ্রাবাজ শেফালী মফিজ মহিলা আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আব্দুর রশিদের সভাপতিত্বে ও সহকারী শিক্ষক দিনুল ইসলাম সিরাজীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন শিক্ষার্থী শরিফ মাহমুদ,সৈয়দা কামরুন্নাহার কনক ও আসমাউল হোসনা প্রমূখ। এ সময় চন্দ্রাবাজ রশিদা বেগম স্কুল এন্ড কলেজের সকল শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



ফুলবাড়িতে,২৫ কেজি গাঁজাসহ-এক মাদক কারবারি আটক

প্রকাশিত:Monday ২৩ January 20২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

উত্তম কুমার মোহন্ত,ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) :

কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার এর নির্দেশ ক্রমে চলমান মাদক বিরোধী অভিযানের ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে ফুলবাড়ি থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২৫কেজি গাঁজা সহ-এক মাদক কারবারি কে আটক করে।

জানাযায় ফুলবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)ফজলুর রহমানের নেতৃত্বে,থানা পুলিশের মাদক উদ্ধারকারী একটি চৌকস টিম ২২(জানুয়ারি) রবিবার রাত একটার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার শিমুলবাড়ি ইউনিয়নের মিয়াপাড়া জাকলাটারী এলাকায় অভিযান চালিয়ে নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের খালিশা কোটাল গ্রামের মোঃ আব্দুল জলিলের ছেলে কুখ্যাত মাদক কারবারি মোঃ রশিদুল ইসলাম (৩৩)কে ২৫ কেজি গাঁজা সহ-হাতেনাতে আটক করে।

এব্যাপারে ফুলবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি ফজলুর রহমান জানান আটক ওই মাদক কারবারির বিরুদ্ধে নিয়মিত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। 


আরও খবর



দিল্লিতে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ থাকবে স্কুল

প্রকাশিত:Monday ০৯ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে তীব্র শীতের কারণে সব সরকারি-বেসরকারি স্কুল ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যটির শিক্ষা বিভাগ।

শীতের ছুটি শেষে আজ সোমবারই স্কুল খোলার কথা ছিলো। রবিবার দিল্লিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটি গত দশ বছরের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। এরপরই আসে এ ঘোষণা। দিল্লি ছাড়াও উত্তর ভারতের পাঞ্জাব, হরিয়ানা, চণ্ডীগড়, উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, উত্তর রাজস্থান, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ, সিকিম, আসাম, ত্রিপুরা, মধ্যপ্রদেশে কুয়াশা দুই থেকে তিন দিন ধরে জেঁকে বসেছে। যার কারণে ভারতের আবহাওয়া দপ্তর একাধিক সতর্কবার্তাও জারি করেছে।


আরও খবর