Logo
শিরোনাম
শবে বরাত পালন মুসলিম জাতিকে একতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে। ৫৭ তম খোশরোজ শরীফ ও মইনীয়া যুব ফোরামের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন বাঙালি সাংস্কৃতিতে মাইজভাণ্ডারী ত্বরীকার সাথে সম্পর্ক রয়েছে সীমান্তে হত্যা বন্ধের দাবীতে প্রতীকী লাশ নিয়ে হানিফ বাংলাদেশীর মিছিল লক্ষ্মীপুরে কৃষক কাশেম হত্যা: স্ত্রী, শ্বশুরসহ গ্রেপ্তার ৫ কুমিল্লা সিটি’র উপনির্বাচন: মেয়র পদে প্রতীক বরাদ্দ অবৈধ মজুদকারীরা দেশের শত্রু : খাদ্যমন্ত্রী ফতুল্লায় সিগারেট খাওয়ার প্রতিবাদ করায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা বকশীগঞ্জে মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা নোবিপ্রবিতে সিএসটিই এলামনাই এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ফেরাতে ছয় চার্টার্ড ফ্লাইট চীনের

প্রকাশিত:সোমবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

চীনের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ফিরিয়ে নিতে মোট ৬টি চার্টার্ড ফ্লাইটের ব্যবস্থা করেছে চীন। আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ২৬ অক্টোবরের মধ্যে এসব ফ্লাইট ঢাকা থেকে শিক্ষার্থীদের চীনের গুয়াংজু ও কুনমিং নিয়ে যাবে। করোনা মহামারির শুরুতে এই শিক্ষার্থীরা দেশে ফেরার পর আটকে পড়েছিলেন।

করোনাভাইরাস সতর্কতার কারণে দীর্ঘবিরতির পর গত ৭ আগস্ট থেকে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা চীনে ফিরতে পারবেন বলে জানিয়েছিলেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াংই।

চীন দূতাবাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, চীন সরকারের ব্যবস্থাপনায় ৬টি চার্টার্ড ফ্লাইটের মধ্যে চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইনসের ৩টি ফ্লাইট ২৮ সেপ্টেম্বর, ১২ অক্টোবর ও ২৬ অক্টোবর ঢাকা থেকে চীনের গুয়াংজুর উদ্দেশে ছেড়ে যাবে। এ ছাড়া চায়না ইস্টার্ন এয়ারলাইনসের ৩টি ফ্লাইট ২৬ সেপ্টেম্বর, ১০ অক্টোবর ও ২৪ অক্টোবর ঢাকা থেকে চীনের কুনমিংয়ের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে।


আরও খবর

আজ থেকে এক মাস বন্ধ সব কোচিং সেন্টার

মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




সরে দাঁড়ালেন বিলাওয়াল

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

নির্বাচনের পর পাকিস্তানে নতুন সরকার গঠনে রাজনৈতিক দলগুলোর সর্বাত্মক প্রচেষ্টার মাঝে দেশটির প্রধানমন্ত্রী পদের প্রার্থিতা থেকে নিজের নাম প্রত্যাহার করে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো। একই সঙ্গে তার রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজের (পিএমএল-এন) প্রধানমন্ত্রী পদের প্রার্থীকে সমর্থন জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। তবে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকারে তার দল পিপিপি যোগ দেবে না বলে জানিয়েছেন বিলাওয়াল।

দেশটির সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ বলছে, মঙ্গলবার দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির (সিইসি) বৈঠকে পিপিপি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিলাওয়াল বলেছেন, এটা সত্য যে, পিপিপির কেন্দ্রীয় সরকার গঠনের ম্যান্ডেট নেই। আর এই কারণে আমি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর প্রার্থিতায় থাকছি না।

তিনি বলেন, পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) এবং পিএমএল-এন জাতীয় পরিষদে তার দলের চেয়ে বেশি আসন পেয়েছে। কিন্তু সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান পিপিপির সাথে কোনও সংলাপে জড়াবেন না বলে ঘোষণা দেওয়ায় দেশে পিটিআই বা স্বতন্ত্রদের নেতৃত্বাধীন সরকার গঠনের কোনও সম্ভাবনা নেই।

দেশটির তরুণ এই রাজনীতিক বলেন, পিপিপি কেন্দ্রে সরকার গঠনের অবস্থানে না থাকায় কোনও মন্ত্রণালয়েও যোগ দেবে না। তিনি বলেন, আমরা দেশে বিশৃঙ্খলা বা দেশে চিরস্থায়ী সংকট দেখতে চাই না।

লোভনীয় পদে প্রতিদ্বন্দ্বী দলের প্রার্থীকে সমর্থন করার পেছনের কারণ ব্যাখ্যা করে বিলাওয়াল বলেন, পিপিপি দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার জন্য প্রধানমন্ত্রী পদে পিএমএল-এনের প্রার্থীকে সমর্থন জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এর আগে, ইমরান খানের পিটিআই দেশটিতে সরকার গঠনের জন্য মজলিস-ই-ওয়াহদাত-মুসলিমিন (এমডব্লিউএম) পার্টির সাথে জোট করবে বলে জানিয়েছে। ইমরান খানের নির্দেশে কেন্দ্র এবং পাঞ্জাব প্রদেশে দলটির সাথে পিটিআই এই জোট গড়বে বলে পিটিআইয়ের মুখপাত্র রউফ হাসান জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার ইসলামাবাদে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেছেন, দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন), পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) এবং মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্ট-পাকিস্তানের (এমকিউএম-পি) সাথে সরকার গঠনের সব ধরনের আলোচনার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়ে এমডব্লিউএমের সাথে জোট করার নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি সংরক্ষিত আসন নিয়ে খাইবার পাখতুনখোয়া (কেপি) প্রদেশে জামায়াত-ই-ইসলামির (জেআই) সঙ্গে পিটিআইকে জোট করতে বলেছেন তিনি।

গত ৮ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ইমরান খানের নেতৃত্বাধীন পিটিআই-সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৯২টি আসনে জয় পেয়ে এগিয়ে রয়েছে। এ ছাড়া পিএমএল-এন ৭৯ ও পিপিপি ৫৩ আসনে জয় পেয়েছে। দেশটিতে কোনও দলই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় ব্যাপক রাজনৈতিক অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

এর মাঝেই দেশটিতে সরকার গঠনের জন্য স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তবে পিএমএল-এন এবং পিপিপির তাদের সংসদীয় অবস্থান শক্তিশালী করার জন্য বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থীদের দলে ভেড়ানোর জোর প্রচেষ্টা শুরু করেছে।

পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে মাত্র একটি আসনে জয় পেয়েছে এমডব্লিউএম। এখন এই দলটির সাথে কেন্দ্রে জোট গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পিটিআই। আর পাঞ্জাবের প্রাদেশিক পরিষদে ইমরান খানের দলের সমর্থিত ১১৬ প্রার্থী জয় পেয়েছেন। নির্বাচন কমিশন চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পিটিআই-সমর্থিত বিজয়ী প্রার্থীদের যেকোনও একটি দলে যোগ দিতে হবে। যদি কোনও দলে যোগ দিতে ব্যর্থ হয় তাহলে সংরক্ষিত আসনের বরাদ্দ পাবে না পিটিআই-সমর্থিত বিজয়ীরা।

দেশটির সংবিধানে বলা আছে, রাজনৈতিক দলগুলোকে আগামী ২৯ ফেব্রুয়ারি অথবা নির্বাচনের দিন থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে সরকার গঠন করতে হবে। দেশটির জাতীয় পরিষদে মোট ৩৩৬টি আসন রয়েছে। যার মধ্যে ২৬৬টি আসনে সরাসরি ভোটের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করা হয়। এ ছাড়া জাতীয় পরিষদে ৭০টি সংরক্ষিত আসন রয়েছে। এর মধ্যে ৬০টি নারীদের এবং ১০টি অমুসলিমদের জন্য সংরক্ষিত। জাতীয় পরিষদে রাজনৈতিক দলগুলোর অবস্থান অনুযায়ী এসব আসন বণ্টন করা হয়।

সূত্র: জিও নিউজ, ডন।


আরও খবর

অনুমতি ছাড়া হজ করলে শাস্তি ঘোষণা

শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪




নিষিদ্ধ হচ্ছে ইমরানের পিটিআই

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরানের খানের রাজনৈতিক দল পাকিস্তান তেহরিক ই ইনসাফ (পিটিআই) নিষিদ্ধ হওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছে। ১৯৯৬ সালে নিজের হাতে এই দলটি প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন ইমরান খান।


দেশটির বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, বেশ আগে পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশনে (ইসিপি) একটি অভিযোগ এসেছিল। সেখানে বলা হয়েছে, ২০০৩ সালে নিষিদ্ধ উৎস থেকে তহবিল সংগ্রহ করেছিল পিটিআই।

দীর্ঘদিন এই অভিযোগটি নিয়ে নির্বাচন কোনো তৎপরতা দৃশ্যমান হয়নি। তবে সম্প্রতি এ ইস্যুতে ইসিপি তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গেছে।

পাকিস্তানের সংবিধান অনুসারে, যদি কোনো রাজনৈতিক দল বিদেশি কোনো উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহ করে এবং যদি তা প্রমাণিত হয়, তাহলে সেই রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা যাবে। পিটিআইয়ের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ রয়েছে এবং সেটিরই তদন্ত শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন।

এছাড়া গত ৯ আগস্টের দাঙ্গা এবং রাষ্ট্রের গোপন তথ্য ফাঁসের অভিযোগে মামলা চলছে ইমরান খান এবং পিটিআইয়ের প্রথম সারির কয়েক জন নেতার বিরুদ্ধে। সেই মামলার রায়ও তাদের বিরুদ্ধে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

যদি এসব মামলায় ইমরান ও তার দলের জেষ্ঠ্য নেতারা দোষী সাব্যস্ত হন, সেক্ষেত্রে রাজনীতিতে নিষিদ্ধ হবেন তারাও। ফলে সার্বিক ভাবে এক চরম অন্ধকার ভবিষ্যতের দিকে ধাবিত হচ্ছে পিটিআই।

২০২২ সালের ২৭ মার্চ এক জনসভায় ইমরান খান একটি চিঠি প্রদর্শন করে বলেছিলেন, তার নেতৃত্বাধীন সরকারের পতন ঘটাতে যুক্তরাষ্ট্র চাপ দিচ্ছে এবং এই ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর যে তারবার্তা আদানপ্রদান চলছে, তার প্রমাণ এই চিঠিতে রয়েছে। তারপরই তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের গোপন তথ্য ফাঁস (সাইফার) মামলা দায়ের করা হয়।

তারপর ২০২৩ সালের ৯ মে ইসলামাবাদ হাইকোর্ট চত্বরে ইমরান খান গ্রেপ্তার হওয়ার পর ক্ষোভে ফেটে পড়েন পিটিআই কর্মী-সমর্থকরা এবং পাকিস্তানের ইতিহাসে সেবার প্রথমবারের মতো সামরিক বাহিনীর স্থাপনায় হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দলের সমর্থকদের উসকানি দেওয়ার অভিযোগে ইমরান খান ও তার দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা চলছে পাকিস্তানের একাধিক আদালতে।

পিটিআই নিষিদ্ধ হচ্ছে এই সংবাদটি অবশ্য পাকিস্তানের অপর দুই বড় রাজনৈতিক দল পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএলএন) এবং পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি)সহ অন্যান্য অনেক রাজনৈতিক দলের জন্য সুখবর। কারণ এই মুহূর্তে পিটিআই পাকিস্তানের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল এবং ইমরান খান এখনও দেশটির সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা। বস্তুত, এখন পর্যন্ত পিটিআই এবং ইমরানের যে জনপ্রিয়তা পিএমএলএন এবং পিপিপি তার ধারে কাছেও নেই।

পাকিস্তানের পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ সিনেটের সদস্য এবং পিএমএলএন নেতা শেহবাজ শরিফের নেতৃত্বাধীন সাবেক সরকারের আইন ও বিচার বিষয়ক মন্ত্রী আজম নাজির তারার অবশ্য মনে করেন, নিষিদ্ধ হওয়ার ঝুঁকিতে থাকলেও শিগগিরই পিটিআইকে এমন বিপর্যয়ের মুখে পড়তে হবে না।

এই মুহূর্তে পাকিস্তানের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো টালমাটাল অর্থনীতিকে স্থিতিশীল অবস্থায় আনা। লাগামহীন মূল্যস্ফীতির কারণে ব্যাপক সংকটে রয়েছেন সাধারণ জনগণ। এই সংকটের সুরাহা হওয়া এখন সবচেয়ে জরুরি, সাংবাদিকদের বলেছেন আজম নাজির তারার।


আরও খবর

অনুমতি ছাড়া হজ করলে শাস্তি ঘোষণা

শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪




ফুল দেওয়াকে কেন্দ্র করে নোবিপ্রবিতে শহীদ দিবস পালনে বিশৃঙ্খলা

প্রকাশিত:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

মোঃ সিনান তালুকদার নোবিপ্রবি প্রতিনিধি,

ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের অব্যবস্থাপনায় নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) জাতীয় শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপনে শৃঙ্খলা ভঙ্গ হয়েছে (বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে)। 

বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) নোবিপ্রবির শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদনকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সংগঠনের মধ্যে উত্তেজনামূলক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। 

জানা যায়, দিবস উদযাপনের অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দপ্তর, বিভাগসহ বিভিন্ন সামাজিক,  সাংস্কৃতিক ও ছাত্র সংগঠনের পক্ষ থেকে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করার জন্য নাম ঘোষণা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগ। ক্রমান্বয়ে নাম ঘোষণার কথা থাকলেও বিভাগটির অব্যবস্থাপনায় শহীদ মিনারেই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। 

শ্রদ্ধা নিবেদন করতে আগ্রহী সংগঠনসমূহকে পূর্ব নির্ধারিত কোন ক্রম জানানো হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে কোন নিয়মনীতি অনুসরণ না করেই শ্রদ্ধা নিবেদন করার আহবান জানায় ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগ।

ঘটনাস্থল সূত্রে জানা যায়, দিবস উপলক্ষে শুরুতে শোক পদযাত্রা করা হয়। শোক পদযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে শহীদ মিনারে এসে শেষ হয়। পরবর্তীতে শহীদ মিনারে ফুল দেওয়াকে কেন্দ্র করে শহীদ মিনার চত্বরে এই হট্টগোলে সৃষ্টি হয়। 


সূত্র অনুসারে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শিক্ষক সমিতির পর নোবিপ্রবি ছাত্রলীগকে শ্রদ্ধা নিবেদন করার আহবান জানানো হয়। শিক্ষক সমিতির পরে নোবিপ্রবি অফিসার্স এসোসিয়েশনের নাম ঘোষণা না করায় তাৎক্ষণিক ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেন অফিসার্স এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ। পরবর্তীতে ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের ঘোষণা না মেনে সকল বিভাগ, দপ্তর ও সংগঠনের ফুল দেওয়া শেষে শ্রদ্ধা নিবেদন করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তাদের এই সংগঠন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, নোবিপ্রবিতে সব সময়ই সাদামাটা ভাবে আয়োজন করা হয় দিবসসমূহ। যার ফলে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ এক শতাংশ ও হয়না।

দিবস পালনে কোন সমন্বয় নেই বলে অভিযোগ নোবিপ্রবি ছাত্রলীগেরও। এই বিষয় অভিযোগ করে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি নাঈম রহমান ও সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান শুভ বলেন, আমাদেরকে যখনি সুযোগ দেওয়া হতো তখনি আমরা শ্রদ্ধা নিবেদন করতাম। দিবস উদযাপনে সব সময়ের মত এবারও সমন্বয়হীনতা দেখা গেছে। ভবিষ্যতে জাতীয় দিবস উদযাপনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে আরো সতর্ক হয়ে পরিকল্পনা করার আহবান নোবিপ্রবি ছাত্রলীগের। 

এ বিষয়ে নোবিপ্রবি অফিসার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি মেজবাহ উদ্দিন পলাশ ও সাধারণ সম্পাদক ইবনে ওয়াজেদ ইমন বলেন, এখানে একটি ভুল বুঝাবুঝি হয়েছে। আমরা আশা করি পরিবর্তীতে এরকম কোন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটবেনা।

এ বিষয়ে ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক ড. বিপ্লব মল্লিক বলেন, আমাদের দিবস উদযাপনের বিষয়ে সংশ্লিষ্টটা নেই, আমরা নির্দেশিত হয়ে দায়িত্ব পালন করেছি।

নোবিপ্রবি জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক বিশ্ববিদ্যালয় উপ উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুল বাকী বলেন, প্রশাসনিক কিছু বিষয়ে সমস্যা হলে তা পুরো নোবিপ্রবির নাম চলে আসে, তাই আমাদের সবাইকে এই বিষয়ে সতর্ক হতে হবে। আমরা সকলে পরবর্তীতে আরো সতর্কতার সাথে সকলের সহযোগিতায় স্বতঃস্বপূর্ত ভাবে সুন্দর আয়োজন করবো।


আরও খবর

আজ থেকে এক মাস বন্ধ সব কোচিং সেন্টার

মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




স্থানীয় নির্বাচনে যেতে চায় বিএনপির তৃণমূল

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩০ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

২০২১ সালের পর মার্চের পর থেকেই নির্বাচন পুরোপুরি এড়িয়ে চলছে বিএনপি। নির্বাচন এলেই সরব, তবু গত দুই বছরে একটিও নির্বাচনে অংশ নিতে দেখা যায়নি দলটিকে। উলটো দলের যে নেতাই এ সময়ে নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে নাম লিখিয়েছে, হাইকমান্ড থেকে তার উপরই নেমে এসেছে বহিষ্কারাদেশ; যার সর্বশেষ নজির সদ্য সমাপ্ত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।

এরই মধ্যে ঘনিয়ে এসেছে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। তৃণমূলে সক্রিয়তা জানান দিতে এ নির্বাচন অন্য যেকোন দলের চেয়ে বিএনপির জন্য আলাদা গুরুত্ব বহন করছে এই মুহূর্তে- এমনই মত দলটির একাংশের। নির্বাচন ঘিরে মাঠে নামার প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন দলটির তৃণমূলের অনেক নেতা, যদিও এ নির্বাচনে অংশগ্রহণের ব্যাপারে এখন পর্যন্ত কোনও সিদ্ধান্ত আসেনি বিএনপি হাইকমান্ড থেকে।

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের পর এখন ৪৮৫টি উপজেলা পরিষদে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। গত ১৬ জানুয়ারি ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ জানিয়েছেন, ধাপে ধাপে এসব নির্বাচন হবে। রোজার আগেই প্রথম ধাপের নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া আগামী ৯ মার্চ ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন নির্বাচন এবং কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে উপ-নির্বাচন। একই দিন কয়েকটি পৌরসভায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। পরে আনুষ্ঠানিকভাবে তফসিল ঘোষণা করা হবে।

তাছাড়া আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনসহ স্থানীয় সরকার এবার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক না রাখার নীতিগত সিদ্ধান্তও হয়েছে। এ ব্যাপারটাই বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীদের আরও বেশি প্রলুব্ধ করছে নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য। তাদের বড় একটি অংশ মনে করছে, দলীয় প্রতীক না থাকায় ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তার জোরে স্থানীয় সরকারে জনপ্রতিনিধি হওয়ার ভালো সুযোগ আছে তাদের সামনে। একইসঙ্গে তাদের মত, পরপর দুইটি জাতীয় নির্বাচন বর্জনের পর এমনিতেই অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে দেশের অন্যতম বৃহত্তম দলটি। দুই বছর ধরে ভোটের মাঠে উপস্থিতি নেই তাদের। এবারও যদি নির্বাচনের ট্রেন না ধরার সিদ্ধান্তে অটল থাকে বিএনপি হাইকমান্ড, তবে একেবারে বিলীন হতে হবে দলটিকে।

এমনও গুঞ্জন আছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ না নিলে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অনেকেই অন্য রাজনৈতিক দলে যোগ দেবে, অনেকে পেশাজীবী হয়ে যাবে, নিষ্ক্রিয় হয়ে যাবে রাজনীতিতে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পক্ষে যেসব নেতা, তাদের দাবি, বিএনপির মূল শক্তি তৃণমূল। আর এখন তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের ধরে রাখতে হলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিকল্প নেই তাদের জন্য। সরকারবিরোধী আন্দোলন যদি বেগবান করা না যায়, বিশেষ করে বাংলাদেশ ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা বিশ্বের ভূমিকা যদি আন্দোলনের পক্ষে না থাকে, সেক্ষেত্রে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের ধরে রাখতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নেওয়া উচিত।

এ অংশের নেতারা মনে করেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিভক্তি বিএনপির প্রার্থীর জন্য সহায়ক হবে। সরকার-বিরোধী দলগুলোর নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ হলে অন্তত দুইশ' উপজেলায় উপজেলা চেয়ারম্যান বা ভাইস চেয়ারম্যান পদে জয়লাভ করার মতো সক্ষমতা এখনো রয়েছে বিএনপির।

তারা বলছেন, এ ইস্যুতে বিএনপির হাইকমান্ডের নমনীয় থাকা উচিত। যেহেতু দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হচ্ছে না, তাই যাদের সক্ষমতা আছে তারা নির্বাচন করলে প্রকাশ্য না হলেও অভ্যন্তরীণভাবে দল থেকে উৎসাহ দেওয়া উচিত। স্থানীয় নির্বাচনে যেহেতু সরকার পরিবর্তন হয় না, তাই আন্দোলনের অংশ হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়া উচিত। নির্বাচনে গেলে আত্মগোপনে থাকা নেতাকর্মীরা প্রকাশ্যে আসার সুযোগ পাবেন, যা চলমান আন্দোলনকে আরও গতিশীল করবে।

এদিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিপক্ষেও মত আছে বিএনপির নেতাদের একাংশের মধ্যে। তাদের দাবি, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জনের পর একই কমিশনের অধীনে নির্বাচনে অংশ নিলে তাতে বিএনপির নৈতিকতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে। সেটি সরকারের প্রতি সমর্থন জানানোও হবে।

বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, আওয়ামী লীগ সরকার এবং বর্তমান নির্বাচন কমিশনের অধীনে বিএনপি জাতীয় এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নেবে না। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য আগে অনেককেই দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তাদের কাছে দল কী জবাব দেবে? তাছাড়া উপজেলা নির্বাচনে যে বিপুল পরিমাণ টাকা খরচ হয় তা বহন করার সামর্থ্য এ মুহূর্তে বিএনপি নেতাকর্মীদের নেই। অনর্থক নেতাকর্মীদের হয়রানির শিকার করতে নির্বাচনে অংশ নেওয়া উচিত নয় বলে মনে করেন নির্বাচনের বিপক্ষ অংশ। এমনকি বিএনপি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ না নিলে আওয়ামী লীগের মধ্যে অভ্যন্তরীণ কোন্দল আরও প্রকট হবে বলেও মোট এ পক্ষের।

দলটির দায়িত্বশীল নেতারা বলছেন, বিষয়টি নিয়ে দলের মধ্যে আলোচনা থাকলেও সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরাম, স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এখনো কোনো আলোচনা হয়নি। ওই ফোরামের বৈঠকেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এছাড়া সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, শেখ হাসিনা সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন কখনোই শান্তিপূর্ণ, বিশ্বাসযোগ্য ও সুষ্ঠু হবে না। সুতরাং তার অধীনে কোনো নির্বাচনে বিএনপি যাবে না, সে সিদ্ধান্ত আগেই নেওয়া আছে। বিএনপি এখনো সে সিদ্ধান্তে অটল। উপজেলা পরিষদের ভোটে দলীয় প্রতীক নৌকা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আওয়ামী লীগ। সে ক্ষেত্রে দলীয় প্রতীক ছাড়া নির্বাচন হলে বিএনপি কী করবে, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, এ সরকারের অধীনে নির্বাচনই তো সুষ্ঠু হয় না। সেখানে দলীয় প্রতীক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়।


আরও খবর

কাদের-চুন্নুকে পদ থেকে সরানো হয়েছে

শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪

তিন মাস পর কারামুক্ত মির্জা আব্বাস

সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




বইমেলা শুরু বৃহস্পতিবার

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

বছর ঘুরে অমর একুশে গ্রন্থমেলার শুরু হচ্ছে বৃহস্পতিবার (১ ফ্রেব্রুয়ারি)। বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানজুড়ে তৈরি বইয়ের স্টলগুলো বাহারি রঙের ছোঁয়া ও সজ্জায় বর্ণিল হয়ে উঠেছে। কাল থেকে প্রচ্ছদে রঙিন হয়ে উঠবে বইয়ের তাকগুলো।

১৯৫২র ভাষাশহীদদের স্মরণে আয়োজিত অমর একুশে বইমেলা এবারও পয়লা ফেব্রুয়ারি শুরু হচ্ছে। অধিবর্ষ হিসেবে ২০২৪ সালের বইমেলা হবে ২৯ দিন। এবার মেলার প্রতিপাদ্য, পড়ো বন্ধু গড়ো দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ।

বাংলা একাডেমি সূত্রে জানা গেছে, ১ ফেরুয়ারি বিকেল ৩টায় মাসব্যাপী বইমেলার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন বাংলা একাডেমির সভাপতি সেলিনা হোসেন, স্বাগত বক্তব্য দেবেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মুহম্মদ নূরুল হুদা। এই মঞ্চ থেকেই বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৩ তুলে দেওয়া হবে।

২০২৪ সালের অমর একুশে বইমেলার এর সার্বিক প্রস্তুতি বিষয়ে মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করেছে বাংলা একাডেমি। এতে বইমেলার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন একাডেমির মহাপরিচালক কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা।

একাডেমির মহাপরিচালক জানান, উদ্বোধনের পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মেলা ঘুরে দেখতে যাওয়ার পথের দুপাশে বঙ্গবন্ধু ও ভাষা আন্দোলনের নানা স্মৃতি সাজানো হয়েছে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সম্প্রতি পুরস্কার ফেরত দিয়ে বাংলা একাডেমি নিয়ে কথাসাহিত্যিক জাকির তালুকদারের তোলা নানা প্রসঙ্গ আমলে নিয়ে বিভিন্ন বিষয় সংস্কার করা হবে বলে আশ্বস্ত করেন তিনি।

এ দিকে বইমেলার আগেই রাজধানীতে শুরু হয়েছে মেট্রোরেল সার্ভিস। ফলে যানজটের ভয়ে উত্তরা, মিরপুরসহ বিভিন্ন এলাকার যেসব পাঠক-ক্রেতা বইমেলায় আসতে চাইতেন না, তারাও আসবেন আশা করা হচ্ছে। মেট্রোরেলের টিএসসি স্টেশনে নামলেই বইমেলা। তাই মেট্রোরেল চলাচলের সময়সীমা রাত ৯টা পর্যন্ত বাড়ানোর অনুরোধ জানিয়েছে বাংলা একাডেমি।

এছাড়া বইমেলা প্রাণোবন্ত করতে এ বছরই প্রথম ঢাকার ২৫টি স্কুলের প্রশাসনের কাছে তাদের শিক্ষার্থীদের বইমেলায় আনার জন্য চিঠি পাঠিয়েছে বাংলা একাডেমি।

মঙ্গলবার বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ঘুরে দেখা গেছে, স্টলের তুলনায় প্যাভিলিয়নগুলো নির্মাণ ও সজ্জা দিক দিয়ে এগিয়ে আছে। তবে স্টল সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, মেলা উদ্বোধনের আগেই সাজসজ্জার কাজ শেষ হয়ে যাবে।

বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে ৪টি চত্বরে সাজানো হয়েছে। সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের স্টল থাকছে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে থাকছে সৃজনশীল প্রকাশনা সংস্থা ও লিটলম্যাগ চত্বর।

একাডেমি সূত্রে জানা গেছে, মেলার সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে স্টল থাকছে ৪৫৯টি। উদ্যানের শিশু চত্বরে স্টল বরাদ্দ পেয়েছে ৬৭টি প্রতিষ্ঠান। চলতি বছর ২০টি নতুন প্রকাশনা সংস্থাকে স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এবার লিটল ম্যাগ চত্বর সরিয়ে উদ্যানের মুক্তমঞ্চের পাশে নিয়ে আসা হয়েছে। টিএসসির দিকের গেট দিয়ে মেলায় প্রবেশ করলে হাতের ডানে পড়বে এই চত্বরটি। একইভাবে উদ্যানের মন্দিরের গেটের পাশেই থাকছে শিশু চত্বর। উদ্যানের অংশে থাকছে লেখক বলছি মঞ্চ। সেখানে নতুন বই নিয়ে হবে লেখক-পাঠক মতবিনিময়।

এদিকে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে নজরুল মঞ্চের পাশেই থাকছে মেলার মূল মঞ্চ। মেলা উপলক্ষে মূল মঞ্চে থাকবে মাসব্যাপী সেমিনার ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। পাশাপাশি শিশু-কিশোরদের জন্য চিত্রাঙ্কন, সংগীত ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতা হবে।

মেলার তথ্যকেন্দ্রে নতুন বইয়ের খবর পাওয়া যাবে। থাকছে ডিজিটাল দিকনির্দেশনা। বইমেলার পরিধি ও বিন্যাস অপরিবর্তিত থাকছে। স্টল বিন্যাসের ক্ষেত্রে ফাঁকা জায়গা কম রেখে প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানগুলোকে কাছাকাছি রাখা হয়েছে।

মেলায় প্রথমবারের মতো স্টল দিচ্ছে প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান বেঙ্গলবুকস। লেকচার পাবলিকেশন লিমিটেডের এই প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের প্রকল্পপ্রধান আজহার বিন ফরহাদ বলেন, অমর একুশে বইমেলায় প্রথমবার স্টল পাওয়া চ্যালেঞ্জিং। এজন্য বাংলা একাডেমির দেওয়া নিয়মনীতি অনুসরণ করতে হয়েছে।

শিল্পী আজহার ফরহাদ আরো বলেন, বিগত দিনের অভিজ্ঞতায় বলব, এবারের বইমেলা নতুন প্রকাশকদের জন্য আশাপ্রদ একটি মেলা। যেখানে আগে স্টল হতো না, সেখানে স্টল দেওয়া হয়েছে। নতুন প্রকাশকের জন্য অনেক সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। তবে মেলা শুরুর পর এর বাস্তবতা বোঝা যাবে।

সংবাদ সম্মেলনে মেলার প্রস্তুতি বিষয়ে অবহিত করেন বইমেলা পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিব এবং বাংলা একাডেমির মানবসম্পদ উন্নয়ন ও পরিকল্পনা বিভাগের পরিচালক কে এম মুজাহিদুল ইসলাম। তিনি জানান, শুধু মেলার পূর্বপ্রস্তুতি ও পর্যবেক্ষণের জন্য এবার ৭টা কোর কমিটি কাজ করছে। গতবারের মেলায় ওঠা অভিযোগ এবার সমাধানের চেষ্টা করা হয়েছে। মেলার সুন্দর করতে গত বছর বইমেলা শেষ হওয়ার পর থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া হয়। বিগত সময়ে কিছু ঘটনার কারণে এবারও মেলার নিরাপত্তায় নেওয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। সিসি ক্যামেরাসহ কয়েক স্তরের সুরক্ষা ব্যবস্থা থাকছে মেলা এলাকায়।


আরও খবর