Logo
শিরোনাম
রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন কমপ্লিট শাটডাউন : ঢাকাসহ সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২ শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০

কিডনি অপসারণের ঘটনায় ভারতীয় নারী চিকিৎসক গ্রেফতার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

বিডি টুডেস রিপোর্ট: বাংলাদেশ ও ভারতের কিডনি পাচার চক্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে ভারতের নয়াদিল্লি ভিত্তিক ইন্দ্রপ্রস্থ অ্যাপোলো হাসপাতালের এক নারী চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করেছে দিল্লি পুলিশ। ৫০ বছর বয়সী ও চিকিৎসকের নাম ডা. বিজয়া কুমার।

প্রাথমিক অভিযোগে জানা গেছে, ওই নারী চিকিৎসক রাজধানীর সংলগ্ন নয়ডা শহরে ‘যথার্থ’ নামের একটি হাসপাতালে অপারেশনের নামে অন্তত ১৫ থেকে ১৬ জন ব্যক্তির কিডনি সরিয়েছেন। 

কিডনি পাচারকারী দলের সদস্য হিসেবে এসব অপারেশন করেছেন তিনি। যাদের কিডনি তিনি সরিয়েছেন, তাদের অধিকাংশই বাংলাদেশের নাগরিক। ২০২১ থেকে ২০২৩ সালের বিভিন্ন সময়ের মধ্যে হয়েছে এসব অপারেশন।

পুলিশ জানিয়েছে, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সক্রিয় এই চক্র মধ্যবর্তী ব্যক্তি বা দালালদের মাধ্যমে দরিদ্র বাংলাদেশিদের অর্থের লোভ দেখিয়ে নয়াদিল্লির আশপাশের কিছু হাসপাতালে নিয়ে আসত।

 সেসব হাসপাতালে চক্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরা বাংলাদেশিদের কিডনি অপসারণ করতেন।

দিল্লিতে একাধিক কিডনি পাচারকারী চক্র সক্রিয়। ডা. বিজয়া কুমারি যে চক্রটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিলেন, সেই চক্রের অধিকাংশই বাংলাদেশি। গত মাসে নয়াদিল্লি থেকে এই চক্রের তিনজনকে গ্রেপ্তার করে দিল্লি পুলিশ। তাদের সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। 

বিশ্বের অধিকাংশ দেশের মতো ভারতেও অর্থের বিনিময়ে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিক্রি করা নিষিদ্ধ এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তবে, কোনো ব্যক্তি যদি স্বেচ্ছায় কাউকে কিডনি বা অন্য কোনো প্রত্যঙ্গ প্রদান করতে চান, তাহলে তা বৈধ।

 এক্ষেত্রে দাতা ও গ্রহীতার নাম-পরিচয় ও অন্যান্য তথ্য কর্তৃপক্ষকে জমা দিতে হয়।

দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, চক্রটি কেবল বাংলাদেশ থেকে আসা ভিকটিমদের কিডনি অপারেশন করত এবং দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে এসব অপারেশন সংক্রান্ত বিভিন্ন ভুয়া নথি প্রদান করত। সেসব নথিও জব্দ করেছে পুলিশ।

ডা. বিজয়া কুমারি নয়াদিল্লির ইন্দ্রপ্রস্থ অ্যাপোলো হাসপাতালের একজন জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা এবং কিডনি প্রতিস্থাপন বিষয়ক সার্জন। প্রায় ১৫ বছর আগে জুনিয়র ডাক্তার হিসেবে ইন্দ্রপ্রস্থ অ্যাপোলোতে যোগ দেন তিনি।

অ্যাপোলোর পাশাপাশি নয়ডার ‘যথার্থ’ হাসপাতালের ভিজিটিং কনসালটেন্ট ও সার্জনও ছিলেন ডা. বিজয়া কুমারি। ওই হাসপাতালের অতিরিক্ত মেডিকেল সুপারিটেন্ডেন্ট সুনীল বালিয়ান জানিয়েছেন, যেসব ব্যক্তির কিডনি তিনি অপসারণ করেছেন, তাদের কেউই ওই হাসপাতালের রোগী ছিলেন না। 

ভিজিটিং কনসালটেন্ট হিসেবে তিনি রোগী ভর্তির জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বরাবর সুপারিশ করতে পারতেন। যে ১৫-১৬ জন বাংলাদেশির কিডনি তিনি অপারেশন করেছেন, তাদের সবাইকে তার সুপারিশের ভিত্তিতেই ভর্তি করা হয়েছিল।

ডা. বিজয়া কুমারি ব্যতীত ইন্দ্রপ্রস্থ অ্যাপোলো হাসপাতালের আর কোনো চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কিডনি পাচার চক্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। 

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এই চিকিৎসককে সাময়িক বরখাস্ত করেছে। তথ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।


আরও খবর



প্রাথমিকে বড় পরিসরে 'মিড-ডে মিল' চালু করতে যাচ্ছে সরকার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image



বিডি টুডেস ডেস্ক:


শিক্ষাব্যবস্থা থেকে শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার হার কমানোর লক্ষ্যে দুই বছর পর আবারও মিড-ডে মিল চালু করতে যাচ্ছে সরকার। 


এবার আরও বড় পরিসরে, ১৫০টি উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চালু হতে যাচ্ছে এ স্কুল ফিডিং কর্মসূচি। আগামী আগস্ট মাসের শুরু থেকেই প্রকল্পটি চালুর পরিকল্পনা আছে বলে জানা গেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একাধিক সূত্রে।


মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা থেকে জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে দেশের দারিদ্র্যপ্রবণ এলাকার ১৯ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ৩৭ লাখ শিক্ষার্থীর জন্য তিন বছর মেয়াদে এ প্রকল্প চালু হবে।



 প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৪ হাজার ৭০০ কোটি টাকা। প্রাক্কলিত এ ব্যয়ের মধ্যে ৪ হাজার ১৮১ কোটি টাকা ব্যয় হবে খাদ্য সংগ্রহ খাতে। আর বাকি অর্থ ব্যয় হবে ঠিকাদার, পরিবহন, সার্ভিস চার্জ, খাদ্য বিতরণ ও প্যাকেজিং খাতে। প্রকল্পটি সফল হলে সারা দেশের স্কুলগুলোতেই এই মিড-ডে মিল চালু করা হবে।


নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী নিজে তার বাজেট বক্তৃতায় স্কুল ফিডিং কর্মসূচির কথা বলেছেন।



 শিক্ষার্থীদের মিড-ডে মিল সরকারের অগ্রাধিকার তালিকায় থাকায় প্রকল্পটি দ্রুত অনুমোদন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে পরিকল্পনা কমিশনও ইঙ্গিত দিয়েছে।


প্রসঙ্গত, ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম ২০০১ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য একটি ফিডিং প্রকল্প পরিচালনা করে। এরপর ২০১০ সালে ১০৪টি দারিদ্র্যপ্রবণ উপজেলায় ১৫ হাজার ৩০০টিরও বেশি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরকারিভাবে স্কুল ফিডিং প্রোগ্রাম চালু হয়েছিল। 



এ কর্মসূচির আওতায় প্রায় ৩০ লাখ শিশুকে ফর্টিফায়েড বিস্কুট এবং তিন উপজেলার শিক্ষার্থীদের গরম খাবার বিতরণ করা হয়। প্রকল্পটি ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত চলে। মাঝে ২০২০ সালের আগস্টে ৬৫ হাজার ৫৬৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীকে পাঁচ বছর মেয়াদে খাবার বিতরণের জন্য ১৭ হাজার ২৯০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প প্রণয়ন করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়।



 তবে মিড ডে মিলের খিচুড়ি বানানো শিখতে কর্মকর্তাদের বিদেশ সফর নিয়ে বিভিন্ন মহলে সমালোচনার ঝড় উঠলে প্রকল্পটি আর অনুমোদন পায়নি একনেক সভায়।


এ ব্যাপারে তৎকালীন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছিলেন, প্রকল্পটির কাঠামো নিয়ে প্রধানমন্ত্রী উদ্বিগ্ন ছিলেন বলে প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়নি। স্কুলে খিচুড়ি রান্না করলে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে বলে মনে করছিলেন তিনি। 



আর প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেছিলেন, গরম খাবার সরবরাহ করা তাদের পক্ষে কঠিন হবে কারণ এতে লোকবল এবং রান্নার জন্য জায়গা প্রয়োজন।


এদিকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ফরিদ আহমেদ জানিয়েছেন, চলতি বছরের শেষের দিকে শুরু হতে যাওয়া নতুন এই কর্মসূচিতে সরকার শুধু ফর্টিফায়েড বিস্কুটই নয়, মৌসুমি ফল, কলা, ডিম ও রুটিও সরবরাহ করবে। 



এ ছাড়া জুলাই মাসে কক্সবাজার ও বান্দরবান জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর প্রায় ২ লাখ ২০ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য সমান্তরাল আরেকটি স্কুল ফিডিং কর্মসূচি চালু করা হবে।


উল্লেখ্য, ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রামের ২০১৮ সালের একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, মিড-ডে মিল কর্মসূচির ফলে বিদ্যালয়ে ভর্তির হার ৪ দশমিক ২ শতাংশ বেড়েছে এবং বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়ার হার ৭ দশমিক ৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।


আরও খবর



দশমিনায় পল্লীবিদুৎ অফিসের লোকমানের বিরুদ্ধে গ্রাহক ভোগান্তির অভিযোগ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

মোঃ নাঈম হোসাইন দশমিনা,পটুয়াখালী  প্রতিনিধি :

পটুয়াখালীর দশমিনা সাব জোনাল পল্লী বিদুৎ অফিসের জুনিয়র ইঞ্জিনিয়র মো.লোকমান এর বিরুদ্ধে গ্রাহকদের সাথে খারাব আচারন ও গ্রাহক ভোগান্তির অভিযোগ উঠেছে। গতকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় অফিসে একাধিক গ্রাহক সেবা নিতে গেলে তাদের সাথে খারাব আচারন ও পরে আসেন বলে ভোগান্তির এ অভিযোগ উঠে।

জানা যায়, জুনিয়র ইঞ্জিনিয়র মো. লোকমান হোসেন দশমিনা সাব জোনাল পল্লী বিদুৎ অফিসে যোগদান এরপর থেকেই সেবা নিতে আশা গ্রাহকের সাথে খারাব আচারন ও ভোগান্তির দিয়ে আসছেন। তার কাছে গ্রাহক কথা বলতে গেলে তিনি ব্যস্ত কাজ করি। আজকে হবেনা কালকে আসেন।

নাম না প্রকাশ করাশর্তে একাধিক দশমিনা সাব জোনাল অফিসে কর্মরতজন জনান, তার ব্যবহারে যেমন আমরা অতিষ্ঠ তেমনি সাধারন গ্রাহকরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। কারনে অকারনে গ্রাকদের সাথে খারাব আচারন ও তাদেরকে ভোগান্তিতে ফেলছেন তিনি। সাধারন গ্রাহক দুর দুরান্ত থেকে সেবা নিতে আসেন এ অফিসে। এমন আচারনে আমারা ও গ্রাহক খুশি হচ্ছিনা।

এবিষয়ে দশমিনা সাব জোনাল পল্লী বিদুৎ অফিসের জুনিয়র ইঞ্জিনিয়র মো. লোকমান জানান, 01754547984 এ নাম্বারে একাধিকবার কল দিলে রিসিভ না করার কারনে তার কোন বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। 

এবিষয়ে দশমিনা সাব জোনাল পল্লী বিদুৎ অফিসের এজিএমকম আবুল কালাম আজাদ বলেন, এভাবে কোন বক্তব্য দেয়া সম্ভব না। আপনি উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করুন।


আরও খবর



নেত্রকোনায় হাওড়ে নৌকা ডুবে দুই নারীর মৃত্যু

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ |

Image
নেত্রকোনা প্রতিনিধি::

নেত্রকোনার কলমাকান্দায় আত্নীয়ের বাড়ি থেকে শ্রাদ্ধ খেয়ে বাড়ি ফেরার সময় নৌকা ডুবে দুই নারী মারা গেছেন।


রবিবার(১৪ জুলাই) দুপুরে বড়খাপন ইউনিয়নের বরইউন্দ ও সুনামগঞ্জের মধ্যনগর এলাকার মধ্যবর্তী হাওড়ে নৌকা ডুবে দুই নারীর মৃত্যু হয়েছে।

নিহতরা হলেন-জেলার মোহনগঞ্জ উপজেলার সুনিল সরকারের স্ত্রী উজ্জ্বলা রানী সরকার (৫৯) ও অপরজন সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার বিশারা গ্রামের রানা সরকারের স্ত্রী জলি সরকার (৫০)।

নৌকা ডুবে দুই নারীর মারা যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বড়খাপন ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম।

জানা গেছে, বড়ইউন্দ বাজার থেকে ইঞ্জিনচালিত নৌকা (ছোট ট্রলার) ২০ থেকে ২৫ জনের মতো যাত্রী নিয়ে মধ্যনগরের দিকে রওয়ানা হয়। এসময় হাওরের কিছু দূর পেরিয়ে গোমাই নদীতে গেলেই স্রোতের তোড়ে কাত হয়ে নৌকাটি ডুবে যায়। সাথে সাথে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ও সাঁতরে বাকিরা পাড়ে উঠলেও দুই নারী উঠতে পারেননি। তাদের কিছুক্ষণ পরই উদ্ধার করে কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। 

কলমাকান্দা থানার ওসি মোহাম্মদ লুৎফুল হক জানান, গোড়াডুবা হাওরে নৌকা ডুবে দুই নারী মারা গেছেন। পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে বিনা ময়নাতদন্তে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। 

আরও খবর



বাংলাদেশকে ১০০ কোটি ডলার দেবে চীন

প্রকাশিত:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ |

Image

অর্থনৈতিক সহযোগিতার অংশ হিসেবে বাংলাদেশকে ১০০ কোটি ডলার প্রদানের ঘোষণা দিয়েছেন চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং।

বুধবার (১০ জুলাই) পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ এতথ্য জানান। তিনি সাংবাদিকদের জানান, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে চীন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী।

তিনি জানান, বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ককে নতুন মাত্রায় নিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন চীনের প্রধানমন্ত্রী।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে সব বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।

ড. হাছান মাহমুদ আরও জানান, ১৯৫২ ও ১৯৫৭ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চীন সফর এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছয়টি সফরের মধ্য দিয়ে যে সম্পর্কের সূচনা হয়েছিল তা স্মরণ করে লি কিয়াং বলেছেন, আগামী দিনগুলোতে এই সম্পর্ক আরও সম্প্রসারিত হবে।

দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপনে আগামী বছর বাংলাদেশ সফরের জন্য চীনের প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী ও অন্যদের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন শেখ হাসিনা।

কূটনৈতিক সম্পর্কের সুবর্ণজয়ন্তী যথাযথভাবে উদযাপনের ওপর দুই নেতাই গুরুত্বারোপ করেন। রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে চীনের সহযোগিতা কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এছাড়াও তিনি চীনের সঙ্গে বাণিজ্য ব্যবধান কমানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। জবাবে চীনে আরও বাংলাদেশি পণ্য আমদানির কথা বলেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী।

এসময় চীনের প্রধানমন্ত্রীকে চামড়াজাত পণ্য, পাটজাত পণ্য, ওষুধ পণ্য ও সিরামিক পণ্য আমদানির অনুরোধ জানান শেখ হাসিনা।

বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা ও বিশ্বজুড়ে মানবতা সমুন্নত রাখতে একসঙ্গে কাজ করতে সম্মত হয়েছে দুই দেশ।

চীনা বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশ একটি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল বরাদ্দ করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে আরও চীনা বিনিয়োগের আমন্ত্রণ জানান।

এছাড়াও ব্রিকসে যেকোনো ফরম্যাটে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির কথা উল্লেখ করেন শেখ হাসিনা।


আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




তিস্তা চুক্তির জন্য ভারতকে চাপে রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ০১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ |

Image

 টুডেস রিপোর্ট:

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত বলেছেন, ভারতের সাথে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সমঝোতা স্মারক কোনভাবেই সরকারের নতজানু পররাষ্ট্রনীতি নয়। 

তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তির জন্য ভারতকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চাপের মধ্যে রেখেছেন।



আজ সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক ভারত সফরে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক নিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সাম্প্রতিক বক্তব্যের বিষয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রতিমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।



এ সময় প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ভারতের সাথে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সমঝোতা স্মারক কোনভাবেই সরকারের নতজানু পররাষ্ট্রনীতি নয় বরং এটি উভয় দেশের জন্যই লাভজনক। 



বিএনপি অপপ্রচার করছে যে, বাংলার বুক চিরে ভারতের ট্রেন চললে বাংলাদেশের জন্য নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হবে। এটি মোটেই সঠিক নয়। সমঝোতা স্মারকের ৩ নম্বর ধারায় পরিষ্কার বলা হয়েছে, ‘রেড ট্রাফিক’তথা অস্ত্র, গোলাবারুদ ও বিস্ফোরকসহ বিপজ্জনক ও আপত্তিকর পণ্য পরিবহণ করা যাবে না।



 সমঝোতা স্মারকের ৪ নম্বর ধারায় এটাও বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পণ্য ও মানুষের চলাচল সংশ্লিষ্ট দেশের জাতীয় আইন, প্রবিধান এবং প্রশাসনিক বিধানের অধীন হবে।



 বিএনপি এটা বলে না যে, ভারতের মধ্য দিয়েও বাংলাদেশের ট্রেন নেপাল ও ভুটান পর্যন্ত চলবে, নেপাল-ভুটান থেকে ভারতের মধ্য দিয়ে ট্রেন বাংলাদেশে আসবে এবং কলকাতা বন্দর ব্যবহার না করে মোংলা ও চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করবে।



 তারা এটাও বলে না যে, ভারতের অভ্যন্তরীণ বিদ্যুত গ্রিডের মাধ্যমে তাদের ট্রান্সমিশন লাইন ব্যবহার করে ভারতের বুক চিরে বাংলাদেশ নেপাল থেকে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করবে।



প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তিতে ভারতকে রাজি করিয়ে, গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা শেখ হাসিনাই আদায় করেছেন। আর বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া তো গঙ্গার পানির কথা বলতেই ভুলে গিয়েছিলেন-এ কথা দেশের সবাই জানে।



আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪