Logo
শিরোনাম

বাণিজ্য মেলায় দর্শনার্থীদের ভিড়

প্রকাশিত:Saturday ২১ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

ছুটির দিনটিতে মেলায় দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে। বেলা গড়াতেই যেন তিল ধারণের ঠাঁই নেই মেলায়।

শুরুতে সকালের দিকে দর্শনার্থী কিছুটা কম থাকলেও বেলা গড়াতেই জমে উঠেছে বাণিজ্য মেলা প্রাঙ্গণ। কেনাবেচাও হয়েছে গত কয়েক দিনের তুলনায় বেশি।

মেলা ঘুরে দেখা গেছে, মেলার অভ্যন্তরীণ প্যাভিলিয়ন ও স্টলগুলো কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে গেছে। দেশীয় পোশাক, হস্তশিল্পজাত পণ্য, সাজসজ্জার সামগ্রী, পাটজাত পণ্য, প্লাস্টিক, মেলামিন, আসবাব ও কার্পেটসহ গৃহসজ্জার বিভিন্ন সরঞ্জাম, ব্যাগ-জুতাসহ চামড়াজাত পণ্য, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, ইলেকট্রনিক পণ্য, স্টেশনারি, ক্রোকারিজ ও ইমিটেশন জুয়েলারি পণ্যের স্টলের সামনে ক্রেতাদের বেশি ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ব্লেজারসহ অন্যান্য শীতের কাপড়ে দেওয়া হয়েছে বিশেষ ছাড়। এর ফলে বেড়েছে কেনাবেচা।

দর্শনার্থীরা বলছেন, মেলার সরকারি ছুটির দিন থাকায় লোকজন বেশি। ভিড় ঠেলে কেনাকাটা করতে হয়েছে। তবে সব কিছু একসঙ্গে পেয়ে ভালো লাগছে। মেলা ঘুরতে আসা একজন বলেন, একটু দূরে হওয়ায় মেলায় আসতে অসুবিধা হয়েছে। তবে মেলায় আসার পর পণ্য দেখে ও কম দামে কিনতে পেরে খুব ভালো লাগছে।

বাণিজ্য মেলার পরিচালক ও রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সচিব ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী জানিয়েছেন, সকাল ১০টা থেকে মেলা শুরু হয়েছে। মেলার আর্চওয়ের হিসেবে এমনিতে মেলায় প্রতিদিন ক্রেতা ও দর্শনার্থী সংখ্যা থাকে ৪০ থেকে ৫০ হাজার মতো। তবে আজকে (শুক্রবার) রেকর্ড পরিমাণ দর্শনার্থী হয়েছে। মেলায় এখন পর্যন্ত (বিকেল ৪টা) ক্রেতা-দর্শনার্থীর উপস্থিতি কয়েক গুণ ছাড়িয়েছে।


আরও খবর

কমছে আয়, বাড়ছে ব্যয়

Saturday ০৪ February ২০২৩




র‌্যাবের অভিযানে গাঁজাসহ নওগাঁর দুই যুবক আটক

প্রকাশিত:Saturday ১৪ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন  :


র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩, এর অভিযানে সারে ১৪ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি নওগাঁর দুই যুবক আটক। আটককৃতদের শনিবার জেল-হাজতে প্রেরন।

সত্যতা নিশ্চিত করে র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩, জয়পুরহাট কাম্প থেকে জানানো হয়, র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩, জয়পুরহাট ক্যাম্পের একটি চৌকশ অপারেশনাল দল কোম্পানি অধিনায়ক মেজর মোঃ মোস্তফা জামান এবং স্কোয়াড কমান্ডার সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ রানা'র নেতৃত্বে শুক্রবার দিনগত রাতে জয়পুরহাট জেলার সদর উপজেলার কাশিয়াবাড়ি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে সারে ১৪ কেজি,  একটি মোটর সাইকেল, ৩ টি মোবাইল ফোন ও নগদ ৪ হাজার ৩শ' টাকা সহ মাদক ব্যবসায়ী নুর নবী ওরফে লুৎফর রহমান (৩৭) ও সাদেকুল ইসলাম ওরফে বুদু (২৬) নামে দুই যুবককে হাতেনাতে আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন, নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার ঘোষনগর গ্রামের নবীর উদ্দিনের ছেলে নুর নবী ওরফে লুৎফর রহমান ও একই গ্রামের কুদ্দুস আলীর ছেলে সাদেকুল ইসলাম ওরফে বুদু। র‌্যাব আরো জানায়, আটককৃত দু' যুবক দীর্ঘদিন ধরে মাদক (গাঁজা) এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নিয়ে যাওয়া ব্যবসার সাথে জড়িত। শুক্রবারও তারা কুরিয়ার সার্ভিস থেকে গাঁজা পেয়ে জয়পুরহাট থেকে পাঁচবিবি এলাকায় নিয়ে যায়। এ সময় কাশিয়াবাড়ি এলাকায় র‌্যাব-৫ এর চৌকশ অপারেশনাল দল অভিযান চালিয়ে তাদেরকে হাতেনাতে আটক করেন।

এব্যাপারে জয়পুরহাট সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ অনুসারে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং আটককৃতদের শনিবার জেল হাজতে প্রেরণ করেছে পুলিশ।


আরও খবর



ভাষার মাস ফেব্রুয়ারি শুরু

প্রকাশিত:Wednesday ০১ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

ভাষার মাস ফেব্রুয়ারি। এই মাসের সঙ্গে বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনের গভীর যোগ রয়েছে। ৪৭-এ পাকিস্তান প্রতিষ্ঠা হয়। প্রতিষ্ঠার মাত্র সাড়ে চার বছর পরই নতুন রাষ্ট্র পাকিস্তান নিয়ে মোহ ভেঙে যায়। তারই প্রকাশ ঘটে অমর একুশে ফেব্রুয়ারিতে। তারই ধারাবাহিকতায় গড়ে ওঠে বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন। ধাপে ধাপে বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন, উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান এবং শেষে মহান মুক্তিযুদ্ধ। ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ শেষে বাংলার মুক্তিপাগল দামাল ছেলেরা ছিনিয়ে আনে রক্তে কেনা স্বাধীনতা। বাঙালির জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের নেতৃত্বে বাঙালি পায় একটি স্বাধীন-সার্বভৌম ভূখণ্ড।

বলা যায় বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনের প্রথম সোপান ফেব্রুয়ারি। রফিক, শফিক, বরকত, জব্বারসহ নাম না জানা ভাষাশহীদদের আত্মদানে মহিমান্বিত মাস ফেব্রুয়ারি। তাই ফেব্রুয়ারির সঙ্গে বাঙালির প্রাণের যোগ। এই ফেব্রুয়ারির একুশ তারিখ এতটাই মহিমান্বিত যে, সেটা বাংলাদেশের ছাড়িয়ে বিশ্ব পরিমণ্ডলে দ্যুতি ছড়িয়েছে। একুশে ফেব্রুয়ারি এখন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। বিশ্বজুড়ে পালিত হয় দিবসটি।

ফেব্রুয়ারি মাসজুড়ে বাংলা একাডেমির আয়োজনে চলে প্রাণের মেলা, অমর একুশে বইমেলা। এবারও যথাযথ মর্যাদায় চলবে বাংলা একাডেমি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত হবে অমর একুশে বইমেলা। অন্যবারের মতো এবারও আজ ১ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে প্রাণের মেলা। ১৮ মাঘ ১৪২৯/১ ফেব্রুয়ারি বুধবার শুরু হবে বাংলা একাডেমি আয়োজিত মাসব্যাপী ‘অমর একুশে বইমেলা ২০২৩।

বিকেল ৩টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে ‘অমর একুশে বইমেলা ২০২৩’-এর শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করবেন। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেবেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেবেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আবুল মনসুর এবং বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির সভাপতি মো. আরিফ হোসেন ছোটন। বিশেষ অতিথি থাকবেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। সভাপতিত্ব করবেন বাংলা একাডেমির সভাপতি কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন। অনুষ্ঠানে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২২ দেওয়া হবে।


আরও খবর

সুখবর নেই বাজারে

Saturday ০৪ February ২০২৩




নওগাঁয় অটিজম শিশুদের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:Tuesday ১৭ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Thursday ০২ February 2০২3 |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :

নওগাঁয় অটিজম ও বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের অংশগ্রহণে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ ক্রীড়া পরিদপ্তরের বার্ষিক ক্রীড়া কর্মসূচী ২০২২-২৩ এর আওতায় নওগাঁ জেলা ক্রীড়া অফিসের ব্যবস্থাপনায় অটিজম ও বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের নিয়ে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার আমবাটি অটিস্টিক ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। 

সোমবার বিকেলে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় ৭০ জন অটিস্টিক শিশু অংশগ্রহণ করেন। প্রতিযোগিতায় জেলা ক্রীড়া অফিসার আবু জাফর মাহমুদুজ্জামানের সভাপতিত্বে পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের মাঝে পুরুস্কার বিতরন করেন, পত্নীতলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ রুমানা আফরোজ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নওগাঁ জেলা তথ্য অফিসের উপ-পরিচালক আবু সালেহ মোঃ মাসুদুল ইসলাম, জেলা প্রতিবন্ধী বিষয়ক কর্মকর্তা মোঃ হুমায়ুন কবির, জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা চিন্ময় প্রামাণিক, জেলা লাইব্রেরিয়ান এস এম আশিফ, জেলা শিক্ষা অফিসের গবেষণা কর্মকর্তা সবুজ হোসেন। এসময় বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুরা কারো বোঝা নয়। এদেরকে স্নেহ আর ভালোবাসা দিয়ে গড়ে তুলতে পারলে এরাও দেশের সম্পদ হিসেবে নিজেদের তৈরি করতে পারে। তাই এই সব শিশুদের জন্য এই ধরনের আয়োজনের কোন বিকল্প নেই বলে বক্তব্যে বলেন অতিথিরা।


আরও খবর



নওগাঁয় সরকারী স্কুলে ষষ্ঠ শ্রেনীতে নিয়মবর্হিভূত ভর্তির অভিযোগ

প্রকাশিত:Wednesday ১৮ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :


নওগাঁর বদলগাছী সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেনীতে নিয়মবর্হিভূত ভাবে শিক্ষার্থীদের ভর্তি করার অভিযোগ উঠেছে প্রধান শিক্ষক সুরেশ সিংহ এর বিরুদ্ধে। তিনি নীতিমালাকে উপেক্ষা করে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে ভর্তি করিয়েছেন। একই শ্রেনীতে অতিরিক্ত ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করানোর ফলে মানসম্মত শিক্ষা প্রদানে ব্যাঘাত ঘটবে। ফলে যে আশা নিয়ে অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের এই বিদ্যালয়ে ভর্তি করিয়েছেন তা পূরণ করা সম্ভব হবে না বলে মন্তব্য করেন অভিভাবকরা।

জানা গেছে, ২০২৩ শিক্ষাবর্ষে বদলগাছী সরকারি মডেল পাইলট হাইস্কুলে ষষ্ঠ শ্রেনীতে ১২০ আসনে ছাত্র-ছাত্রীদের ভর্তির জন্য গত বছরের ১৬ নভেম্বর অনলাইনে আবেদন করতে বলা হয়। আবেদনের শেষ সময় ছিল ৬ ডিসেম্বর বিকেল ৫টা পর্যন্ত। এ সময়ের মধ্যে ২৪৭ জন ছাত্র-ছাত্রী আবেদন করে। সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে ১০ ডিসেম্বর লটারির ১৫১ জনের একটি তালিকা প্রকাশ করে স্কুল কর্তৃপক্ষ।

এরপর গত ৮ জানুয়ারি মেধা অনুযায়ী রোল নম্বর নির্ধারণের জন্য পঞ্চম শ্রেণির সিলেবাস অনুযায়ী একটি পরীক্ষা হয়। এরপর ১২০ জনকে মেধা তালিকা অনুসারে প্রথমে ভর্তি করানো হয়। পরবর্তীতে লটারিতে উঠা অপেক্ষামান তালিকা থেকে আরো ৩১ জনসহ মোট ১৫১জন ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করানো হয়। এছাড়া লটারির বাহিরে থাকা আরো ১৫-২০ জন ছাত্র-ছাত্রীর কাছ থেকে ভর্তি করানো হবে মর্মে টাকা নিয়ে রাখা হয়েছে।

বিদ্যালয়ে দুইটি সেকশন (বিভাগ/ শাখা)। বিদ্যালয়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ইংরেজি বিষয়ে শিক্ষক মাত্র একজন। ইংরেজি বিষয়ে পাঠদান করানোর সময় দুই বিভাগের সকল ছাত্র-ছাত্রীদের এক কক্ষে স্থান দেওয়া সম্ভব না। এক্ষেত্রে ছাত্র-ছাত্রীরা পড়াশুনা থেকে পিছিয়ে যাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।

আরো জানা যায়- ২০১৬ সালে সারাদেশে ৩২৮টি বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে প্রথম ধাপে নওগাঁর দুইটি বিদ্যালয় তালিকা ভুক্ত হয়। যার একটি বদলগাছী মডেল পাইলট হাইস্কুল এবং অপরটি আত্রাই উপজেলার আহসানগঞ্জ মেমোরিয়াল একাডেমি উচ্চ বিদ্যালয়। এরপর ২০১৮ সালে ২১ মে সরকারি ঘোষণা করা হয়। এরপর বিদ্যালয়ের সঙ্গে সরকারি শব্দটি যোগ হয়ে বদলগাছী সরকারি মডেল পাইলট হাইস্কুল। তবে বিদ্যালয়টি সরকারিকরণ করা হলেও এখন পর্যন্ত সরকারি কোন সুযোগ সুবিধা পাচ্ছে না।

ঐ স্কুলের সাবেক ছাত্র ও বদলগাছী উপজেলার গাবনা গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা জমসত আলী বলেন, যদি এক শ্রেণীতে ১৫০ জনের অধিক ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করা হয় তাহলে কিভাবে ভাল পড়াশুনা হবে। বর্তমানে দেখা যায় ছাত্র-ছাত্রী বেশি প্রাইভেট পড়ছে। তাহলে কেন প্রাইভেট পড়ছে? আর এতোগুলো ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করানো আসলে ঠিক হয়নি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক জানান, নতুন ক্যারিকুলামে বিষয়ভিত্তিক একজন করে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক রয়েছেন এই বিদ্যালয়ে। এত বেশি সংখ্যক শিক্ষার্থী ভর্তি নেওয়ার ফলে দুটি শাখা এক ক্লাসে করেও ক্লাস নেওয়া সম্ভব হবে না। ফলে যে আশা নিয়ে অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের এই বিদ্যালয়ে ভর্তি করিয়েছেন তা পূরণ করা সম্ভব হবে না। এবং মান সম্মত শিক্ষা প্রদানে ব্যাঘাত ঘটবে।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক সুরেশ সিংহ বলেন, বিদ্যালয়টি এখনো শিক্ষক আত্তীকরণ হয়নি। একারণে অতিরিক্ত ভর্তি করানো হয়েছে। শিক্ষক আত্তীকরণ হয়ে গেলে তখন আর ১২০ আসনের বেশি ভর্তি করানো যাবে না। উপজেলায় ভাল আর কোন স্কুল নাই। একারণেও কিছু বেশি ভর্তি করাতে হয়েছে। তবে অর্থের বিনিময়ে ভর্তি করানোর অভিযোগটি সঠিক নয়।

এ বিষয়ে বদলগাছী মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, সরকারি নীতিমালার বাহিরে যাওয়া সম্ভব নয়। যেহেতু প্রতিষ্ঠানটি সরকারি হয়েছে তাই সরকারি বিধি-নিষেধ মেনে চলতে হবে। আমি আগামীকাল প্রতিষ্ঠানে গিয়ে এবিষয়ে খোঁজখবর নেবো।

বদলগাছী সরকারি মডেল পাইলট হাইস্কুলের সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আলপনা ইয়াসমিন বলেন, ১২০ আসনের বিপরীতে অতিরিক্ত ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করানোর নির্দেশনা নাই। তবে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারি সন্তানরা যদি দু-এক জন আসেন তাদের ভর্তি করানো যাবে। অতিরিক্ত ভর্তি করানো সম্ভব না।


আরও খবর



বেহাল উপজেলা স্বাস্থ্যসেবা

প্রকাশিত:Wednesday ২৫ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

রোকসানা মনোয়ার :সারাদেশে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবার বেহাল দশা বিরাজ করছে। অনেক উপজেলা হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার যন্ত্রপাতি নেই। জনবলের সংকট রয়েছে। ডাক্তাররা কর্মস্থলে থাকেন না। দুই এক ঘণ্টা হাসপাতালে থেকে চিকিৎসকরা কর্মস্থলের বাইরে চলে যান। কোনো কোনো ডাক্তার কাজে যোগ দিয়েই ঢাকায় চলে আসেন। আর যারা কর্মস্থলে থাকেন তারাও সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করেন না। রয়েছে অক্সিজেনের সংকট।

আবার অনেক উপজেলা হাসপাতালে এক্সরে, প্যাথলিজ ও অপারেশন থিয়েটার এবং জনবল থাকলেও উদ্দেশ্যমূলকভাবে সেখানে রোগীদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা কিংবা অপারেশন করানো হয় না। রোগীদের পাঠিয়ে দেওয়া হয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আশাপাশে গড়ে ওঠা বেসরকারি ক্লিনিকে। এক্ষেত্রে ডাক্তাররা ৫০ থেকে ৬০ ভাগ কমিশন পান। আর এই টাকার ভাগ যায় উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা থেকে শুরু করে সিভিল সার্জন ও তার উপরের মহল পর্যন্ত। এ কারণে দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্রে চিকিত্সা সেবার করুণ অবস্থা থাকলেও কোনো প্রতিকার নেই।

সিভিল সার্জনরা জেলার সরকারি স্বাস্থ্যসেবা পরিস্থিতি সঠিকভাবে মনিটরিং করেন না, কারণ অনেকে অবৈধ অর্থের ভাগ পান। অথচ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোর সার্বিক তদারকি করার দায়িত্ব সিভিল সার্জনদের। তারা চরম দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিচ্ছেন।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবার বেহাল দশা বিরাজ করলেও দেশে বড় কোনো বিপর্যয় আসেনি বলে এতোদিন মানুষ বুঝতে পারেনি। করোনা মহামারি দেশের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বেহাল দশা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে। তবে করোনা এসেছে প্রায় দুই বছর হতে চলেছে, কিন্তু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে কেউ ভাবেনি, কোন ব্যবস্থা নেয়নি।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সাধারণ অপারেশনের ব্যবস্থা আছে। কিন্তু এক শ্রেণীর ডাক্তাররা সেখানে অপারেশন না করে বাইরের ক্লিনিকে রোগীদের অপারেশন করান। করোনা রোগীদের প্রাথমিক চিকিৎসা ব্যবস্থার সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা অধিকাংশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আছে। কিন্তু রোগীরা আসলেই তাদের চিকিৎসা সেবা না দিয়ে বাড়িতে কোয়ারেন্টাইনে থাকার পরামর্শ দিয়ে পাঠিয়ে দেন। কিন্তু ওই রোগীটি কোয়ারেন্টাইনে থাকছে কিনা তার কোনো খবর নেওয়া হয় না। অথচ সংশ্লিষ্ট চিকিত্সক ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের জনপ্রতিনিধিদের জানিয়ে দিতে পারতেন, যাতে করোনা রোগী সঠিকভাবে কোয়ারেন্টাইন মেনে চলেন। এই ব্যবস্থা না করায় রোগী নিজের ইচ্ছামতো চলাফেরা করছেন এবং অন্যান্য মানুষকে সংক্রমিত করছেন। আর যখন শারীরিক অবস্থা খারাপ হয় তখন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হতে ঘুরতে থাকে। সেখানে চিকিৎসা সেবা না পেয়ে জেলা পর্যায়ে কিংবা ঢাকায় আসতে আসতে রাস্তায় মারা যান।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) বলেন, ইতিমধ্যে ডাক্তারদের কর্মস্থলে উপস্থিত থাকার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ নির্দেশনা বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য), সিভিল সার্জন ও উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। প্রতি সোমবার জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে বিষয়টি তদারকি করছি। যারা কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকবেন, দায়িত্ব পালনে অবহেলা করবেনখোঁজ খবর নিয়ে তাদের বিরদ্ধে অধিদপ্তর থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 


আরও খবর