Logo
শিরোনাম

বেনজীরের ক্রোককৃত সম্পত্তি রক্ষণাবেক্ষণে তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগের আদেশ

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি রিপোর্ট:


পুলিশের সাবেক আইজি বেনজীর আহমেদ ও তার স্ত্রী-সন্তানদের জব্দ করা সম্পত্তি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য রিসিভার নিয়োগের আদেশ দিয়েছে আদালত।


 দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আসসামস জগলুল হোসেন এ আদেশ দেন।


দুদকের অনুসন্ধানকারী টিমের প্রধান উপপরিচালক মো. হাফিজুল ইসলাম ক্রোক করা স্থাবর সম্পত্তি দেখভালের জন্য রিসিভার নিয়োগের জন্য আবেদন করেন। 


আদালত তার গুলশানের চারটি ফ্ল্যাট ছাড়া ক্রোককৃত সব স্থাবর সম্পত্তির জন্য রিসিভার নিয়োগের আদেশ দেন। দুদকের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর।



তিনি বলেন, গত ২৩ ও ২৬ মে দুই দফায় বেনজীরের প্রায় ৬১২ বিঘা সম্পত্তি ক্রোক করার আদেশ দিয়েছে আদালত। এসব সম্পত্তির আয়-ব্যয়ের রিপোর্ট দুই মাস অন্তর অন্তর আদালতে দাখিলের আবেদন করি।


 শুনানি শেষে গুলশানের চারটি ফ্ল্যাট বাদে বাকি সম্পত্তিগুলোর জন্য রিসিভার নিয়োগের আদেশ দিয়েছে। তবে কারা কোন সম্পত্তির দায়িত্ব পাবে, তা পূর্ণাঙ্গ আদেশে থাকবে।


আরও খবর



ঈদে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু রোববার থেকে

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ |

Image



নিজস্ব প্রতিবেদক:


আগামী ১৭ জুনকে পবিত্র ঈদুল আজহার দিন ধরে আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট অগ্রিম বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।


 বরাবরের মতো এবারও ঈদের আগে বিশেষ ব্যবস্থায় ৫ দিনের ট্রেনের টিকিট বিক্রি করা হবে।



ঈদ উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের এই ট্রেন যাত্রার টিকিট বিক্রি শুরু হবে আগামীকাল রোববার ( ২ জুন) থেকে। যাত্রীদের সুবিধার্থে এবারও শতভাগ আসন অনলাইনে বিক্রি করা হবে।



এইচএসসি পরীক্ষা কবে শুরু জানাল শিক্ষা বোর্ড

সম্প্রতি ঈদুল আজহা উপলক্ষে বাংলাদেশ রেলওয়ের নেওয়া কর্মপরিকল্পনা থেকে এ তথ্য জানা যায়।


কর্ম পরিকল্পনায় বলা হয়েছে, এবার ঢাকা থেকে বহির্গামী ট্রেনের মোট আসন সংখ্যা হবে ৩৩ হাজার ৫০০টি। যা শতভাগ অনলাইনে বিক্রি করা হবে।


 আগামীকাল ২ জুন থেকে যাত্রা শুরুর ১০ দিন আগের আন্তঃনগর ট্রেনের আসন অগ্রিম হিসেবে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় বিক্রি করা হবে।


 পশ্চিমাঞ্চলে চলাচল করার সকল আন্তঃনগর ট্রেনের আসন সকাল ৮টায় এবং পূর্বাঞ্চলে চলাচল করা সকল ট্রেনের আসন দুপুর ২টায় বিক্রি করা হবে।


আরও বলা হয়, ঈদের আগে আন্তঃনগর ট্রেনের ১২ জুনের আসন বিক্রি হবে ২ জুন; ১৩ জুনের আসন বিক্রি হবে ৩ জুন; ১৪ জুনের আসন বিক্রি হবে ৪ জুন; ১৫ জুনের আসন বিক্রি হবে ৫ জুন; ১৬ জুনের আসন বিক্রি হবে ৬ জুন।


আরও খবর



৩০ হাজার যুবকের স্বপ্ন ভেঙে ২০ হাজার কোটি টাকা লুট

প্রকাশিত:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

সমীর কুমার দে :

আদনান রহমান (২৮)। বাড়ি ময়মনসিংহের গৌরীপুর। মায়ের গহনা আর মাঠের ২০ শতক জমি বিক্রি করে ৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা দিয়েছিলেন এজেন্সিকে। এর মধ্যে কিছু ধারও আছে। স্বপ্ন ছিল মালয়েশিয়ায় গিয়ে পরিবারের ভাগ্য ফেরাবেন। 


কিন্তু শেষ পর্যন্ত এজেন্সির প্রতারণায় যাওয়া হয়নি তার। স্বপ্ন ভেঙেছে, পথে বসে গিয়েছেন। এখনো বিমানবন্দরে বসে আছেন। কান্নায় ভেঙে পড়েছেন। কোন মুখ নিয়ে বাড়িতে ফিরবেন? সামনে শুধুই হতাশা। শুধু আদনান নয়, তার মতো ৩০ হাজারেরও বেশি যুবকের স্বপ্ন ভেঙে গেছে। তারা পথে বসেছেন আর এজেন্সির নামে হাতেগোনা কয়েক জন লুটে নিয়ে গেছে অন্তত ২০ হাজার কোটি টাকা।


বিমানবন্দরে অপেক্ষায় থাকা শাহরিয়ার মোল্লা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছিলেন, ‘মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার কারা নিয়ন্ত্রণ করছেন? কাদের মাধ্যমে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে? তাদের নাম সবাই জানে। প্রভাবশালী এই মানুষগুলোর বিরুদ্ধে কে ব্যবস্থা নেবে? এরা সরকারে খুব প্রভাবশালী। 


সরকারের শীর্ষ নেতৃত্বের আশপাশে থাকেন। আদেশ-উপদেশ দেন। তাহলে আমরা কীভাবে টাকা ফেরত পাব? পথে বসে যাওয়া এই লোকগুলোর কি হবে? সরকার কি তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে? তারাই তো সরকার চালাচ্ছে? আমাদের কথা কেউ ভাবে না।’



প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী বলেছেন, ‘কাদের কারণে এই মানুষগুলো যেতে পারল না, সেটা অবশ্যই তদন্ত করে দেখা হবে। তদন্তে যারা দোষী হবেন, তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’


তবে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সির (বায়রা) মহাসচিব আলী হায়দার চৌধুরী বলেন, ‘প্রথমত ৩০ হাজার মানুষ যে যেতে পারেনি, এ কথা কে বলেছে? এই সংখ্যাটা অবশ্যই এত বেশি নয়। তবে কিছু মানুষ যেতে পারেনি, এটা সত্যি। এখন কেন যেতে পারেনি, সেটা আমাদের দেখতে হবে? আমরা বারবার চেয়েও বিমানের ফ্লাইট পাইনি। 


আবার মালয়েশিয়ার কিছু নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানকে কালোতালিকাভুক্ত করেছে ঐ দেশের সরকার এবং আমাদের দেশের সরকারও। কিন্তু তার আগেই তাদের কাছ থেকে কিছু চাহিদা এসেছিল, সে লোকগুলো যেতে পারেনি। আমরা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলেছি, যারা যেতে পারেনি, অবশ্যই তাদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। কারো টাকা মার যাবে না।’


বিমান কর্তৃপক্ষ তো বলছে, তাদের আগে থেকে কিছুই জানানো হয়নি। অথচ গত মার্চেই মালয়েশিয়া জানিয়ে দিয়েছিল ৩১ মের পর আর কোনো কর্মী তারা নেবে না? তাহলে তিন মাসেও কেন ব্যবস্থা করা 


যায়নি? জানতে চাইলে আলী হায়দার চৌধুরী বলেন, ‘এটা ঠিক না। আমরা যৌথভাবে অনেক বৈঠক করেছি। শেষ মুহূর্তে বিমান অনেক ফ্লাইটও বাড়িয়েছিল। তার পরও কিছু মানুষ যেতে পারেনি। আর কিছু মানুষের যাওয়ার সুযোগ ছিল না। তারাও বিমানবন্দরে গিয়ে অপেক্ষা করেছে। ফলে দেখতে এত মানুষ মনে হয়েছে।’


কেন এত যুবকের স্বপ্ন ভঙ্গ হলো? এর দায় আসলে কার? জানতে চাইলে ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম ও ইয়ুথ প্ল্যাটফরমের প্রধান শরিফুল হাসান বলেন, ‘এর দায় সবার। সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে কোনো সমন্বয় নেই। মার্চেই তো তারা জানিয়ে দিয়েছিল, ৩১ মের পর কোনো শ্রমিক নেবে না। তাহলে এত দিনেও আমরা কেন ব্যবস্থা করতে পারিনি। 


অন্যদিকে বিমান মন্ত্রণালয় বলছে, তারা কিছুই জানে না। আবার মালয়েশিয়া সরকারেরও দায় আছে। তারা একেক সময় একেক নীতি নিচ্ছে। ফলে পুরো মার্কেটটা সিন্ডিকেটের হাতেই থাকছে। আগে যেখানে নিয়ন্ত্রণ করতেন ৮-১০ জন, এখন সেটা বেড়ে ২৫ জনের মতো হয়েছে। আর সারা বিশ্বেই ভিসার মেয়াদ থাকলে শ্রমিকরা যেতে পারেন, শুধু তারা দিনক্ষণ বেঁধে দেন, এটা ঠিক না।’    


খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শুক্রবার শেষ দিনে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে মাত্র দেড় হাজার কর্মীর। এর বাইরে আরও ৩১ হাজার ৭০১ জন বাংলাদেশি কর্মী চাকরি নিয়ে মালয়েশিয়া যাওয়ার সুযোগ পেয়েছেন, কিন্তু টিকিট জটিলতায় তারা যেতে পারেনি। বিমানবন্দরে ব্যাগ-ট্রলি, লাগেজ নিয়ে বসে থাকা এমন কয়েক জনের সঙ্গে কথা হয়। তারা বাড়ি থেকে বিদায় নিয়ে এসেছেন, বলে এসেছেন, মালয়েশিয়া যাচ্ছেন।


বিমানবন্দরে অনেকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এজেন্সিগুলো মালয়েশিয়া রুটে বিমান ভাড়া কয়েকগুণ বেশি নিয়েছে। ২৫ হাজার টাকার টিকিটের দাম ১ লাখ টাকা ছাড়িয়ে গেছে। তার পরও টিকিট মেলেনি। যারা গেছেন তাদের কেউই ৬ লাখ টাকার নিচে যেতে পারেনি। উপরে সাড়ে ৭ লাখ টাকা পর্যন্ত দিতে হয়েছে কাউকে কাউকে।


বাংলাদেশ জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য বলছে, গত ২১ মে পর্যন্ত প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় ৫ লাখ ২৩ হাজার ৮৩৪ জন কর্মীকে মালয়েশিয়া যাওয়ার অনুমোদন দেয়। ২১ মের পর আর অনুমোদন দেওয়ার কথা না থাকলেও মন্ত্রণালয় আরও ১ হাজার ১১২ জনকে তা দিয়েছে। 


অর্থাৎ বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ৫ লাখ ২৪ হাজার ৯৪৬ জন বাংলাদেশি মালয়েশিয়া যাওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মালয়েশিয়া চলে গেছেন ৪ লাখ ৯১ হাজার ৭৪৫ জন। বিএমইটির তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার বাংলাদেশ থেকে মাত্র ১ হাজার ৫০০ জন মালয়েশিয়ায় যেতে পারবেন। তাই যদি হয়, তাহলে অনুমোদন পেয়েও ৩১ হাজার ৭০১ জনের মালয়েশিয়া যাওয়া হচ্ছে না, এটা নিশ্চিত।


গত বৃহস্পতিবার বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালে অগ্রগতি পরিদর্শনে গিয়ে মালয়েশিয়ার টিকিট সংকট নিয়েও সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী মুহাম্মদ ফারুক খান। তিনি বলেন, বিমান ভাড়ার বিষয়টা সাপ্লায়ার এবং বিমানের ব্যাপার। যারা এটার সঙ্গে জড়িত, তারা ডেডলাইনের এক মাস আগে জানত। 


কিন্তু এটা নিয়ে রিক্রুটিং এজেন্সি বা অন্য যারা সাপ্লায়ার আছেন, তারা ব্যবস্থা নেয়নি। এখন বিমান প্রতিদিন মালয়েশিয়ায় তিন থেকে চারটা করে ফ্লাইট পরিচালনা করা হচ্ছে। বুধবারও ঢাকা থেকে মালয়েশিয়ায় একটা এয়ার কম্বোডিয়ার, একটা এয়ারক্রাফট দিয়ে একটি চার্টাড ফ্লাইট পরিচালনার পারমিশন চেয়েছে, সেদিনই আমরা তাদের পারমিশন দিয়ে দিয়েছি। 


এটা এফিশিয়েন্ট আমরা মনে করি। বিমান যদি আরো আগে জানত, তাহলে ব্যবস্থা নিতে পারত। বর্তমানে বিমানের হজ ফ্লাইট চলছে, তবুও আমরা চেষ্টা করেছি।


এদিকে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিকদের প্রতারণামূলক নিয়োগের অভিযোগে চিঠি দিয়েছিল জাতিসংঘ। গত ২৮ মার্চ জাতিসংঘের দেওয়া সেই চিঠির জবাব দিয়েছে মালয়েশিয়ার সরকার। এর মাধ্যমে বিদেশি শ্রমিকদের অধিকার রক্ষার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করল দেশটি। 


গত শুক্রবার ফ্রি মালয়েশিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গত মঙ্গলবার জেনেভায় জাতিসংঘে মালয়েশিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধি নাদজিরা ওসমান মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশন দপ্তরে (ওএইচসিএইচআর) চিঠিটি হস্তান্তর করেন। 


এ সময় তিনি বলেন, আমরা জাতিসংঘকে আশ্বস্ত করছি, মালয়েশিয়া অভিবাসী শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি আরও বলেন, প্রতিশ্রুতির সঙ্গে কাগজপত্রও রয়েছে যেখানে শোষণ এবং মানব পাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য সরকারের নেওয়া পদক্ষেপগুলোর রূপরেখাও রয়েছে।





আরও খবর



রাইসির মৃত্যুতে উদ্বিগ্ন মুসলিম বিশ্ব

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image

হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই শোকের ছায়া নেমে এসেছে মুসলিম দেশগুলোতে।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান তার এক্স অ্যাকাউন্টে আবেগঘন একটি পোস্ট করেছেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, আমি আমার এক ভাই হারালাম। প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি ছিলেন আমার প্রিয় একটি ভাই। তাকে হারিয়ে আমি গভীর শোকাহত।

তিনি আরও লেখেন, এই শোকের দিনে তুরস্কের মানুষ ইরানি ভাইদের সঙ্গে আছে। প্রেসিডেন্ট রাইসির মৃত্যুতে তুরস্কের ভ্রাতৃপ্রতীম জনগণ গভীরভাবে শোকাহত। এটি কি নিছকই দুর্ঘটনা, না-কি এর পিছনে অন্য কিছু আছে, তা খুঁজে বের করতে ইরানি কর্তৃপক্ষকে সব ধরনের সহযোগীতা করবে তুরস্ক।

সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে প্রেসিডেন্ট রাইসি ও তার সঙ্গীদের জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করে জানায়, এই কঠিন পরিস্থিতিতে আমরা ইরানের পাশে রয়েছি।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ গভীর সমবেদনা এবং সহানুভূতি প্রকাশ করে এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেছেন, মহান ইরানি জাতি তাদের প্রথাগত সাহসের মাধ্যমেই এই ট্র্যাজেডি কাটিয়ে উঠবে। মর্মান্তিক এই ঘটনায় পাকিস্তান একদিনের জন্য শোক পালন করবে এবং পাকিস্তান তার পতাকা অর্ধনমিত করবে।

কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল-থানি এক্সে দেওয়া এক বার্তায় বলেছেন, ইরানের সরকার ও জনগণের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা এবং নিহতদের জন্য মহান আল্লাহর রহমত ও ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আমরা আল্লাহর জন্য এবং আমরা তার কাছেই ফিরে যাব।

ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া এক পোস্টে লিখেছেন, তার (ইব্রাহিম রাইসি) পরিবার এবং ইরানের জনগণের প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা। ভারত এই দুঃখের সময়ে ইরানের পাশে আছে।

এ ছাড়া ইরাক, সিরিয়া, আজারবাইজান, আফগানিস্তান, ফিলিস্তিন, মিশর, লেবানন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, জর্ডান, কুয়েত, ইয়েমেন, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ইউরোপীয় কাউন্সিল ও জাতিসংঘ মহাসচিব শোকপ্রকাশ করেছে।

এর আগে, রোববার (১৯ মে) আজারবাইজানের সীমান্তবর্তী এলাকায় একটি অনুষ্ঠান থেকে ফেরার সময় ইব্রাহিম রাইসিকে বহনকারী হেলিকপ্টার অবতরণের সময় বিধ্বস্ত হয়। পরে দীর্ঘসময় উদ্ধার অভিযান চালানোর পর হেলিকপ্টারটির ধ্বংসাবশেষ খুঁজে পায় তারা। এরপর হেলিকপ্টারে থাকা কোনো আরোহী জীবিত নেই বলে নিশ্চিত করা হয়।

এদিকে, ইব্রাহিম রাইসির মৃত্যুর পর দেশটির অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন মোহাম্মদ মোখবের। তিনি বর্তমানে ভাইস প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করছেন।

ইরানের সংবিধান অনুযায়ী, ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট মারা গেলে বা কোনো কারণে দায়িত্ব পালনে সক্ষম না হলে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নেবেন ভাইস প্রেসিডেন্ট। পরবর্তী ৫০ দিনের মধ্যে নতুন নির্বাচনের আয়োজন করতে হবে এবং নতুন প্রেসিডেন্ট বেছে নিতে হবে। নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব সামলাবেন ভাইস প্রেসিডেন্ট।

উল্লেখ্য, ইরানের অষ্টম প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি। তিন বছর আগে ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার আগে ইব্রাহিম রাইসিকে মনে করা হয় একদিন দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনির উত্তরসূরি হবেন। প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে দেশটির প্রধান বিচারপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি।


আরও খবর



বছরে সাড়ে ১৬ লাখের বেশি আয়, বাজেটে আসছে দুঃসংবাদ!

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image

বিডিডিজিটাল ডেস্ক:


আসছে বাজেটে সাড়ে ১৬ লাখ টাকার বেশি বার্ষিক আয়কারীদের ওপর নির্ধারিত করহার ২৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩০ শতাংশ করা হবে বলে জানা গেছে।


 এ বাজেটে মূলত ধনীদের ওপর বেশি কর আরোপ করে ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতি থেকে তুলনামূলকভাবে কম আয়ের মানুষকে স্বস্তি দেওয়ার বিষয়ে জোর দেওয়া হয়েছে।


বৃহস্পতিবার (৬ জুন) অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করবেন। এটিই হবে দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম বাজেট।



জানা গেছে, বাজেটে সাড়ে ১৬ লাখ টাকার বেশি বার্ষিক আয়কারীদের ওপর নির্ধারিত করহার ২৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩০ শতাংশ করা হবে। বর্তমানে করমুক্ত আয়সীমা সাড়ে ৩ লাখ টাকা। 


এছাড়া এর পরবর্তী ১ লাখ টাকা আয়ের ওপর করহার ৫ শতাংশ। আগামী বাজেটেও এই হার অপরিবর্তিত থাকতে পারে।


তাছাড়া বছরে সাড়ে ৭ লাখ টাকা আয়কারীদের বর্তমানে ১০ শতাংশ হারে কর দিতে হয়। এবারের বাজেটে এই সীমা এক লাখ টাকা বাড়িয়ে সাড়ে ৮ লাখ টাকা করা হতে পারে। 


তবে আগের মতোই থাকবে করের হার। একইসঙ্গে পরবর্তী ৪ লাখ টাকা আয়ের ওপর ১৫ শতাংশ কর বহাল থাকলেও সীমা বেড়ে হতে পারে ৫ লাখ টাকা।


আয়-ব্যয়ের হিসাব মেলাতে এবার বাজেটে খরচের লাগাম টানা হচ্ছে। প্রতি বছর গড়ে ১২ থেকে ১৫ শতাংশ আকার বাড়ানো হলেও এবার মাত্র সাড়ে ৪ শতাংশ বাড়িয়ে বাজেট উপস্থাপন করতে যাচ্ছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। টাকার অঙ্কে যার পরিমাণ ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা।


গত জুনে চলতি অর্থবছরের জন্য যে বাজেট উপস্থাপন করা হয়েছিল তার থেকে এই বাজেট মাত্র ৪ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি। আগামী বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা থাকছে ৫ লাখ ৪১ হাজার কোটি টাকা। বাকি ২ লাখ ৫৬ হাজার কোটি টাকা ঘাটতি পূরণে অভ্যন্তরীণ ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে ঋণের অঙ্ক বাড়ানো হচ্ছে।


অর্থ মন্ত্রণালয়ের হিসাব বলছে, আয়-ব্যয়ের যে হিসাব বাজেটে দেওয়া হয় তার কোনোটাই লক্ষ্য পূরণ হয় না। প্রতি অর্থবছর শুরুতে যে বাজেট দেওয়া হয়, ৯ মাস শেষে একবার সংশোধন করা হয়। কিন্তু অর্থবছর শেষে দেখা যায়, বাস্তবায়নের হার আরও কম। 


গত তিন বছর ধরে ঘোষিত বাজেটের চেয়ে প্রায় ১ লাখ কোটি টাকা কম ব্যয় হচ্ছে। অর্থ বিভাগের গত এক দশকের তথ্য-উপাত্ত অনুযায়ী, প্রতি বারই বাজেট বাস্তবায়ন হচ্ছে গড়ে ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ।





আরও খবর



জাতীয় নির্বাচন ধাপে ধাপে করার পক্ষে সিইসি

প্রকাশিত:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:

নির্বাচন আরও গ্রহণযোগ্য করতে উপজেলা নির্বাচনের মতো জাতীয় নির্বাচনও ধাপে ধাপে করার পক্ষে মত দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।

তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচন যদি ধাপে ধাপে আয়োজন করা যায় তাহলে নির্বাচন আরও গ্রহণযোগ্য হবে। এতে নির্বাচনের আয়োজন করতেও সহজ হবে।

রোববার (২ জুন) আগারগাঁও নির্বাচন ভবনের সভাকক্ষে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করে নির্বাচন কমিশন। এসময় সিইসি এসব কথা বলেন।


বৈঠকে সংসদ নির্বাচন পাঁচ দফায় করার পরামর্শ দেয় টিআইবি। তাদের এই পরামর্শের সঙ্গে ইসি একমত জানিয়ে কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, আমাদের আইনে সীমাবদ্ধতা আছে। আমরা সেটিও স্বীকার করেছি।



সিইসি বলেন, আমরা টিআইবিকে বলেছি- জাতীয় নির্বাচন ধাপে ধাপে করা যায় কি না, সে ব্যাপারে জনমত গড়ে তুলতে। কারণ ধাপে ধাপে নির্বাচন আয়োজন করতে পারলে নির্বাচনকে আরও বেশি সুষ্ঠু করা যাবে।


 কারণ, তখন আরও বেশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন করা যাবে। আরও বেশি পোলিং এজেন্ট মোতায়েন করা সম্ভব হবে।


রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বৈরিতা কমাতে এক টেবিলে বসার প্রয়োজনের কথা তুলে ধরেন হাবিবুল আউয়াল। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের একার পক্ষে সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করা সম্ভব নয়। এটি করতে হলে সকল রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা প্রয়োজন।



তিনি বলেন, টিআইবির সঙ্গে নির্বাচনী ব্যবস্থা নিয়ে কথা হয়েছে। তারা বলছে নির্বাচনটা অংশগ্রহণমূলক হয়নি। তবে ফেয়ার হয়েছে। একটা দক্ষতার অভাব রয়েছে। সেটা ওনারা জোর দিয়ে বলেছেন।


 আমরা তাদের বলেছি, আমাদের কাজ হচ্ছে নির্বাচন অবাধ, নিরপেক্ষ করা। আমরা বলেছি, সমস্যা অনেকটাই রাজনৈতিক। রাজনৈতিক সমস্যা নিরসন না হলে, নির্বাচন ব্যবস্থাটা আরও স্থিতিশীল হবে না। রাজনৈতিক সমাঝোতা হয়ে গেলে নির্বাচনটা আরও সুন্দর হতে পারে।


কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, আমরা সব অ্যাকশন নেই না। কিছু অ্যাকশন রিটার্নিং কর্মকর্তা নেন। হলফনামা বাছাই করবেন রিটার্নিং কর্মকর্তা, সে-ই নির্বাচন কমিশন। শত শত আপিল হয়, এখানে বাতিল হলে কোর্টে যায়, সেখানে ফিরে পায়। 



আবার আপিলে যায়। সেখানকার সিদ্ধান্তগুলো চ্যালেঞ্জ করি। আমাদের সীমিত সামর্থ্যে আমরা চেষ্টা করি। আমাদের যে অনন্ত সক্ষমতা আছে, সেটা মোটেই না। নির্বাচন কমিশন কখনো একা অবাধ, নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু নির্বাচন করতে পারবে না, যদি না রাষ্ট্র এবং সরকারের পলিটিক্যাল উইল সপক্ষে থাকে।


 রাষ্ট্রের যদি পলিটিক্যাল উইল সপক্ষে থাকে তাহলে প্রশাসন, পুলিশ, আইন শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনী তারা তাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে বাধ্য।


সিইসি জানান, ভবিষ্যতে নির্বাচনী আইনের সংস্কার করতে পরামর্শ দেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। জাতীয় নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করতে পরবর্তী কমিশনকে পরামর্শও দেয়া হবে।


আরও খবর