Logo
শিরোনাম

বিদ্যালয়ের জমি বিক্রয়সহ নানা অনিয়মের অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে

প্রকাশিত:Wednesday ০২ November 2০২2 | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ 

ফুলগাছ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহজাহান আলীর বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানের জমি বিক্রয় করে অর্থ আত্মসাত, দ্বায়িত্বে অবহেলা সহ নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এছাড়াও তার নিকট তথ্য অধিকার আইন অনুযায়ী তথ্য জানতে চাইলেও তিনি তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।

লালমনিরহাট সদর উপজেলার, ১ নং মোগলহাট ইউনিয়ন পরিষদের ৮ নং ওয়ার্ডে অবস্থিত ফুলগাছ উচ্চ বিদ্যালয়টি। যা ১৯৯৪ সালে স্থাপিত হয়। এ সময় ফুলগাছ এলাকার বাসিন্দা মোঃ জালাল উদ্দিন বিদ্যালয়ের নামে ১১০ শতক জমি কবলা করে দেন। অভিযোগকারীর তথ্য মতে মোঃ জালাল উদ্দিন ১১০ শতক ও মোঃ জহির উদ্দিন ৪০ শতক জমি প্রতিষ্ঠানের নামে কবলা করে দেন। এতে মোট ১৫০ শতক জমি ফুলগাছ উচ্চ বিদ্যালয় ১৯৯৭ সালে ফুলগাছ নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নামে খারিজ করেন।

জানা যায় , ফুলগাছ উচ্চ বিদ্যালয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি ১৯৯৯ সালে নিম্ন মাধ্যমিক ও ২০০১ সালে মাধ্যমিক শাখা এমপিও হয়। প্রতিষ্ঠাকালীন প্রধান শিক্ষক হিসেবে দ্বয়িত্ব পালন করেন মোঃ শাহজাহান আলী। সূচনা লগ্ন থেকেই প্রতিষ্ঠানকে নিজস্ব সম্পত্তি মনে করে আসছেন প্রধান শিক্ষক শাহজাহান আলী। তিনি নিজের ইচ্ছেমত সকল কাজ করে আসছেন বলেও বিভিন্ন জনের নিকট তথ্য পাওয়া যায়। তারই ধারাবাহিকতায় বিদ্যালয়ের ১১০ শতক জমি বিক্রয় করে সমুদয় অর্থ আত্মসাত করেন প্রধান শিক্ষক শাহজাহান আলী। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় বিদ্যালয়ের নিজস্ব জমিতে বর্তমানে মুরগীর খামার রয়েছে। 

এবিষয়ে প্রধান শিক্ষকের সাথে সাক্ষাত করতে ৪ (চার) দিন স্বশরীরে বিদ্যালয়ে গেলেও তার দেখা পাওয়া যায়নি। বিভিন্ন অজুহাতে তিনি বিদ্যালয়ে থাকেন না। অবশেষে তার বিদ্যালয়ের দ্বায়িত্ব ছেড়ে তিনি বাড়িতে অবস্থানের কারন জানতে চাইলে সহকারি প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম শফি ও সহকারি শিক্ষক দীনেশ চন্দ্র জানান তিনি বাড়িতে বসে বোর্ডের খাতা মূল্যায়ন করতে বাসায় আছেন। সহকারি দীনেশ চন্দ্র আরও বলেন আমরাই প্রধান শিক্ষকের দ্বায়িত্ব পালন করি। তার বিদ্যালয়ে অবস্থান করা নিয়ে জানতে চাইলে স্থানীয় লোকজন জানান তিনি প্রতিদিনই দুপুর ১২ টা বা ১ টা বাজলেই বাড়িতে চলে যান আর আসেন না। মোবাইলে তার নিকট তথ্য জানতে চাইলে তিনি ব্যস্ত আছেন বলে ফোন কেটে দেন। 

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি হাবিবুর রহমান হাবিবের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, জমি বিক্রয়ের বিষয়টি আমার জানা নেই। আমি বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নিবো।

জেলা শিক্ষা অফিসার জনাব আব্দুল বারি- এর নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, জমি বিক্রয়ের বিষয়ে আমার নিকট তথ্যএসেছে, অচিরেই আমি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।


আরও খবর



৮ বিভাগে আ.লীগ নেতাদের দায়িত্ব বণ্টন

প্রকাশিত:Tuesday ১০ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

জহিরুল কবির আমজাদ :সাংগঠনিক কাজ দেখার জন্য দেশের আট বিভাগে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদকদের মধ্যে দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে। রবিবার  দলটির দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চারজন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের মধ্যে রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের দায়িত্ব পেয়েছেন ড. হাছান মাহমুদ। মাহবুব-উল-আলম হানিফ পেয়েছেন সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের দায়িত্ব। আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম পালন করবেন খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দায়িত্ব। ডা. দীপু মনি পেয়েছেন ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগ।

দলটির আট সাংগঠনিক সম্পাদকের মধ্যে আহমদ হোসেন সিলেট বিভাগ, বি এম মোজাম্মেল হক খুলনা, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন চট্টগ্রাম, এস এম কামাল হোসেন রাজশাহী, মির্জা আজম ঢাকা, অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন বরিশাল, শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল ময়মনসিংহ ও সুজিত রায় নন্দী রংপুরের দায়িত্ব পেয়েছেন। রংপুরে এর আগে সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শাখাওয়াত হোসেন শফিক দায়িত্বে ছিলেন। তবে ২২তম সম্মেলনে তিনি সাংগঠনিক পদ থেকে বাদ পড়েন। তার স্থানে সুজিত রায় নন্দী সাংগঠনিক দায়িত্ব পান।


আরও খবর



নওগাঁর আত্রাইয়ে ভুট্টা চাষে ঝুকেছেন কৃষকরা

প্রকাশিত:Tuesday ১০ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন :


খরচ কম, ফলন ও দাম বেশি পাওয়ায় ভুট্টা চাষে ঝুকেছেন কৃষকরা।

দেশের উত্তর জনপদ নওগাঁর আত্রাইয়ে এবার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অধিক পরিমাণ জমিতে ভুট্টা চাষ করা হয়েছে। ভুট্টার বাম্পার ফলনে আশাবাদী উপজেলার কৃষকরা। আবহাওয়া অনুকূলে ও আধুনিক কৃষি প্রযুক্তিতে কৃষকদের আগ্রহ সৃষ্টি হওয়ায় স্বল্প খরচে যথাসময়ে কৃষকরা এবার ভুট্টার বাম্পার ফলন পাবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেছেন।

আত্রাই উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, আত্রাই উপজেলার ৮ টি ইউনিয়নে ৪ হাজার ৪শ' ৫০ হেক্টর জমিতে ভুট্টার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও তার চেয়ে অধিক জমিতে ভুট্টার চাষ করেছেন কৃষকরা। এবার ভুট্টা চাষে উপজেলার কৃষকরা বেশি ঝুকে পড়ছেন। ভুট্টা চাষে খরচ কম অথচ ফলন ও দাম বেশি পাওয়ায় কৃষকদের মধ্যে ভুট্টা চাষের আগ্রহ বেশি পরিলক্ষিত হচ্ছে। উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের কৃষক ওয়াজেদ আলী প্রামানিক বলেন, এলাকার যেসব জমিতে আগে বোরোচাষ করা হতো সেই জমিগুলোতেই আমরা এবার ভুট্টা চাষ করছি। বোরো চাষে উৎপাদন খরচ অনেক বেশি। অথচ যখন ধান কাটা মাড়াই শুরু হয় তখন ধানের বাজারে ধস নামে। ফলে অনেক ক্ষেত্রে উৎপাদন খরচই উঠে না। কিন্তু ভুট্টার উৎপাদন খরচ যেমন কম দামও অনেক বেশি থাকে। এ জন্য আমরা ভুট্টা চাষে এবার ঝুকে পড়েছি। উপজেলার চৌড়বাড়ি গ্রামের কৃষক আব্দুল জব্বার বলেন, একই কথা। 

আমাদের এলাকা আলু চাষের জন্য দীর্ঘদিন থেকে বিখ্যাত। উপজেলার সিংহভাগ আলু আমাদের এলাকায় উৎপন্ন হয়ে থাকে। মৌসুমের শেষ দিকে আলুর দাম বাড়লেও এর মুনাফা কৃষকরা পায়নি। মুনাফা পেয়েছে মজুতদাররা। তাই এবার ভুট্টা চাষ করছি। আশা করি ফলনও বাম্পার হবে। তবে ন্যায্য দাম পেলে কষ্ট সার্থক হবে।

আত্রাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কেরামত আলী বলেন, এলাকার কৃষকরা যাতে যথাযথভাবে স্বল্প খরচে উচ্চ ফলনশীল ভুট্টা উৎপাদন করতে পারে এ জন্য আমরা প্রতিনিয়ত কৃষকদের কাছে গিয়ে পরামর্শ দিচ্ছি। বিভিন্ন রোগ-বালাই থেকে ভুট্টাকে মুক্ত রাখতেও পরিমিত পরিমান ওষুধ প্রয়োগের পরামর্শ দিয়ে থাকি।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কেএম কাউছার হোসেন জানান, সব ধরনের ফসল উৎপাদনে আমরা কৃষকদের আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করছি। যাতে করে কৃষকরা সহজভাবে কৃষি উপকরণ পায়। বিশেষ করে বীজ, সার ও তেল এর জন্য সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছি। এবার ভুট্টার ফলন বাম্পার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।


আরও খবর



মোংলায় বিশ্ব জলাভূমি দিবসে বক্তারা

দূষণ ও দখলের কবল থেকে ম্যানগ্রোভ জলাভূমি সুন্দরবনকে বাঁচাও

প্রকাশিত:Thursday ০২ February 2০২3 | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

এম.পলাশ শরীফ, বাগেরহাট :

 প্লাস্টিক এবং শিল্প দূষণ ও দখলের কবল থেকে বিশ্ব ঐতিহ্য ম্যানগ্রোভ জলাভূমি সুন্দরবনকে বাঁচাও। পরিবেশের ভারসাম্য, জীববৈচিত্র, কৃষি, মৎস্যসহ খাদ্য নিরাপত্তার অবিচ্ছেদ্য অংশ হলো জলাভূমি। বাংলাদেশে জীববৈচিত্রের ক্ষেত্রে সমৃদ্ধ উদাহারণ হলো সুন্দরবন। প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময়ে এই সুন্দরবন আমাদের মায়ের মতো আগলে রাখে। বিশ্ব ঐতিহ্য ম্যানগ্রোভ জলাভূমি সুন্দরবনসহ দেশের সকল জলাভূমি রক্ষায় সরকারকে যথাযথ উদ্যোগ নিতে হবে। ২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার দুপুরে বিশ্ব জলাভূমি দিবস উপলক্ষে  মোংলার কাপালিরমেঠ বিলে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা), ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ ও পশুর রিভার ওয়াটারকিপারের আয়োজনে ”সুন্দরবন বাঁচাও” শীর্ষক মানববন্ধনে বক্তারা একথা বলেন।

বৃহস্পতিবার বেলা ১২টায় বিশ্ব জলাভূমি দিবসের ”সুন্দরবন বাঁচাও” শীর্ষক মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন বাপা মোংলা আঞ্চলিক শাখার আহ্বায়ক মোঃ নূর আলম শেখ। মানবন্ধনে বক্তব্য রাখেন বাপা নেতা নাজমুল হক, রাকেশ সানা, শেখ রাসেল, হাছিব সরদার, ছবি হাজরা প্রমূখ। মানববন্ধনে বক্তারা আরো বলেন সম্প্রতি ব্রাজিলের তিনটি বিশ্ববিদ্যালয় , বাংলাদেশের দুটি বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ পরমানু শক্তি কমিশনের ফুড সেফটি এন্ড কোয়ালিটি ডিভিশনের এক যৌথ গবেষণায় সুন্দরবন সংলগ্ন পশুর নদী, মোংলা নদী ও রূপসা নদীর ১৭ প্রজাতির মাছ মাইক্রো প্লাস্টিকের সংক্রমিত হওয়ার ভয়াবহ তথ্য বেরিয়ে এসেছে। প্লাস্টিক দূষণের ফলে সামুদ্রিক মাছ এখন হুমকির মুখে। আর মাইক্রো প্লাস্টিকে সংক্রমিত মাছ খেলে লিভার ও কিডনি ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে মানুষ ক্যান্সারে আক্রান্ত হবে। ”সায়েন্স অব দ্য টোটাল এনভায়রনমেন্ট” জার্নালে প্রকাশিত গবেষণা থেকে এসব তথ্য জানা যায়।  তাই দূষণ ও দখলের কবল থেকে বিশ্ব ঐতিহ্য ম্যানগ্রোভ জলাভূমি সুন্দরবন পুনরুদ্ধারের এটাই সময়। সুন্দরবনের খালে বিষ দিয়ে মাছ মারা, নদীতে প্লাস্টিক বর্জ্য ফেলা ও শিল্প দূষণের কবল থেকে সুন্দরবন রক্ষার আমাদের দৃঢ় অঙ্গীকার ও শপথ নিতে হবে। 


আরও খবর



দিনাজপুরে ৩৯১ বোতল ফেন্সিডিলসহ দুই জন আটক

প্রকাশিত:Tuesday ২৪ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :

সিএনজি যোগে বহনকালে ৩৯১ বোতল ফেন্সিডিল সহ দুই জনকে আটক করেছে র‌্যাব।

সত্যতা নিশ্চিত করে র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩, জয়পুরহাট কাম্প থেকে প্রতিবেদক কে জানানো হয়, র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩, জয়পুরহাট ক্যাম্পের একটি চৌকশ অপারেশনাল দল কোম্পানি অধিনায়ক মেজর মোঃ মোস্তফা জামান এবং স্কোয়াড কমান্ডার সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ রানা এর নেতৃত্বে সোমবার দিনগত রাত সোয়া ১১ টারদিকে দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর থানাধীন ধরন্দা এলাকায় অভিযান পরিচালনা ''একটি সিএনজি'' তল্লাসি করে  ৩৯১ বোতল ফেন্সিডিল সহ

জয়নাল আবেদিন (৪৪) ও জহুরুল ইসলাম (৪০) কে হাতেনাতে আটক করেন। আটককৃতরা হলেন, দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর উপজেলার শালগ্রাম গ্রামের মৃত আবুল কাশেম এর ছেলে জয়নাল আবেদিন ও মোঃ আবুল কাশেম এর ছেলে জহুরুল ইসলাম।

র‌্যাব আরো জানান, আটককৃত দুইজন দীর্ঘদিন ধরে মাদক এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নিয়ে যাওয়ার এই অবৈধ ব্যবসার সাথে জড়িত। ঘটনার সময়ও তারা দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর সীমান্ত এলাকা থেকে ফেন্সিডিল নিয়ে হিলিতে যাচ্ছিল। এ সময় দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর থানার হিলি সীমান্ত এলাকায় র‌্যাবের একটি চৌকশ অপারেশন দল অভিযান চালিয়ে তাদের দুই জনকে ৩৯১ বোতল ফেন্সিডিল সহ গ্রেফতার করেন।

এব্যাপারে নিকটস্থ্য থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ অনুসারে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও নিশ্চিত করেছে র‌্যাব।


আরও খবর



গজারিয়ার হোসেন্দী এলাকায়

মেঘনা নদীতে গোসল করার সময় নিখোঁজ ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত:Friday ০৩ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

নিজস্ব প্রতিবেদক :

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় মেঘনা নদীতে গোসল করতে নেমে মো. শিহাব (১০) নামে   নিখোঁজ মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর (১০) লাশ উদ্ধার করেছে ডুবুরী দল। 

জানা যায়, আজ শুক্রবার সকাল আনুমানিক ১০ টার দিকে জেলার গজারিয়া উপজেলার ভবানীপুর গ্রাম সংলগ্ন মেঘনা নদীতে এ ঘটনা ঘটে।

নিখোঁজ শিহাব উপজেলার জামালদী গ্রামের মোতালেব মিয়ার ছেলে। সে ভবানীপুর জামিয়া ইসলামিয়া আরাবিয়া কবরস্থান মাদরাসার ছাত্র। 

এদিকে, নিখোঁজ ছাত্রের সন্ধানে উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছে গজারিয়া ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিদল। ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের টিম লিডার দুলাল ব্যানার্জী জানান, খবর পেয়েই তারা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। নিখোঁজের সন্ধানে সকাল থেকে  আপ্রাণ চেষ্টা চলছে।

নিখোঁজ শিহাবের মা সালেহা বেগম জানান, 

সকালে মাদরাসা থেকে বের হয়ে সহপাঠী আব্দুল্লাহ আল তামিমের (১০) সঙ্গে পার্শ্ববর্তী বলাকীচর গ্রামের বালুর মাঠে ফুটবল খেলতে যায়। সেখানে খেলাধুলা শেষ করে ভবানীপুর গ্রামের সিটি গ্রুপের লবন ফ্যাক্টরীর পানি নিস্কাষনের ড্রেনের পাশেই মেঘনা নদীতে সহপাঠীকে নিয়ে তার ছেলে গোসল করতে নামে। 

গজারিয়া থানার পরিদর্শক তদন্ত মুক্তার হোসেন বলেন, এক শিক্ষার্থী নিখোঁজের খবর শোনার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ সেখানে পৌঁছে যায়। ফায়ার সার্ভিসও উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে, নিখোঁজ ছাত্রের সন্ধানে উদ্ধার তৎপরতায় বিকাল তিনটার দিকে লাশ উদ্ধার করে ডুবুরী দল।


আরও খবর