Logo
শিরোনাম

বিদ্যালয়ের অর্থ আত্মসাৎ সংবাদ প্রকাশের পর প্রধান শিক্ষক শোকজ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৩ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ |
Image

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ

লালমনিরহাট সদর উপজেলার ফুলগাছ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শাহজাহান আলী, জমি বিক্রয় করে অর্থ আত্মসাৎ সহ নানা অপরাধ কর্মকান্ডের সাথে জড়িত। এমন খবর দৈনিক ভোরের আলো পত্রিকায় প্রকাশ হলে জেলা শিক্ষা অফিসার বিদ্যালয়ে তদন্ত করেন। এতে প্রাথমিক ভাবে নানা অসঙ্গতি প্রতিয়মান হয়।

২৪ অক্টোবর দৈনিক ভোরের আলো পত্রিকায় বিদ্যালয়ের ১১০ শতক জমি বিক্রয় করে অর্থ আত্মসাৎ ও নানা রকম দূর্ণীতি করেন প্রধান শিক্ষক শাহজাহান আলী এমন অভিযোগের তথ্য প্রকাশ হয়। যা জেলা শিক্ষা অফিসার আব্দুল বারি- মহোদয়ের নজরে আসে। তারই ধারাবাহিকতায় জেলা শিক্ষা অফিসার গত ৩১ শে অক্টেবর বিদ্যালয় পরিদর্শন এ আসেন। এতে জমি সংক্রান্তসহ বিভিন্ন অসঙ্গতির প্রমান পান। পরবর্তীতে গত ২ নভেম্বর বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহজাহান আলী ও করণীক মোঃ জয়নাল আবেদীনকে শোকজ করেন। যার উত্তর ৭ দিনের মধ্যে দাখিল করতে বলা হয়েছে।

কারন দর্শানো নোটিসে দেখা যায়, বিদ্যালয়টি অনুমোদনের জন্য দাখিলকৃত ৩২৯৬ নং ( হাল দাগ নং ৪১৭৯ ) দাগে স্থাপন করার কথা থাকলেও একই জমিতে স্থাপিত হয়নি, হয়েছে রেলওয়ে ও বাংলাদেশ সরকারের ত্রাণের জমিতে। সেইসাথে মৃত মোঃ জহির উদ্দিনের নিকট থেকে কবলাকৃত ৪ দাগের মোট ৪০ শতক জমিও ভোগদখল করে আসছেন এই বিদ্যালয়ের করণীক মোঃ জয়নাল আবেদীন। এ সকল জমিতে ফসল ও দোকান করে ভাড়া তুলে ভোগ করেন জয়নাল আবেদীন। এ কারনে জেলা শিক্ষা অফিসার বিদ্যালয়ের করণীক জয়নাল আবেদীনকেও শোকজ করেন। এমন ৫ টি বিষয় উল্লেখ পূর্বক প্রধান শিক্ষক শাহজাহানকে শোকজ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা অফিসার আব্দুল বারির নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন “পত্রিকায় খবর দেখে আমরা তদন্তে যাই এবং অসঙ্গতী দেখতে পেয়েছি, এ জন্য প্রধান শিক্ষক ও করণীক কে শোকজ করা হয়েছে।


আরও খবর

আগামীকাল এসএসসি সমমানের ফল

রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২

ঢাবির ৫৩তম সমাবর্তন আজ

শনিবার ১৯ নভেম্বর ২০২২




বিএনপির আন্দোলনের পতন ঘটবে ১০ ডিসেম্বর

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৪ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

রোকসানা মনোয়ার :  ১০ ডিসেম্বর রাজধানীর মহাসমাবেশ থেকে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের ঘণ্টাধ্বনি বাজানো হবে যে হুঁশিয়ারি বিএনপি নেতারা দিচ্ছেন তাকে পাত্তাই দিচ্ছেন না আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। উল্টো সেদিন বিএনপির আন্দোলনের পতন ঘণ্টা বাজবে বলে জানান তিনি।

বাংলাদেশের রাজনীতির সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে আগামী ১০ ডিসেম্বর। কয়েক সপ্তাহ ধরে বিভিন্ন পর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। আলোচনার সূত্রপাত হয়েছিল বিএনপি নেতা আমান উল্লাহ আমানের এক বক্তব্যকে ঘিরে।

কিছুদিন আগে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেছিলেন, ১০ ডিসেম্বরের পরে বাংলাদেশের সব কিছু পরিচালিত হবে খালেদা জিয়ার কথায়। একইসঙ্গে বিএনপির পক্ষ থেকে বিভিন্ন ধরনের বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে। তাদের কোনো কোনো নেতা বলছেন যে, তাদের নেতা তারেক রহমান দেশে ফিরবেন।

বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্যকে ঘিরে অনেকের মধ্যে যে প্রশ্নটি ঘুরপাক খাচ্ছে তা হলো আগামী ১০ ডিসেম্বর কিংবা তার পরবর্তী সময়ে দেশে কি কোনো ঘটনা ঘটতে চলেছে?

শুক্রবার ঢাকায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে ১০ ডিসেম্বর নিয়ে বিএনপির নেতাদের বক্তব্যকে পাত্তা না দিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ১০ ডিসেম্বর বিএনপির আন্দোলনের পতন ঘণ্টা বাজবে।

অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনাকে টার্গেট করে যারা ১৫ আগস্ট ঘটিয়েছে তাদের চেয়ে আর কেউ প্রতিহিংসাপরায়ণ নেই বলে মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

চতুর্থ শিল্প বিপ্লব উপলক্ষে ৪ ও ৫ নভেম্বর রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশে (আইইবি) এই সম্মেলনের আয়োজন করেছে আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপ-কমিটি।


আরও খবর



৮ ডিসেম্বর ছাত্রলীগের সম্মেলন

প্রকাশিত:শনিবার ১৯ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ |
Image

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৩০তম কেন্দ্রীয় সম্মেলন আগামী ৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক দলীয় সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বরাত দিয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়া আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন আওয়ামী যুব মহিলা লীগের সমাবেশ ১৫ ডিসেম্বর পুনঃনির্ধারিত হয়েছে।

এর আগে গত মঙ্গলবার সকালে গণভবনে সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডিসেম্বরের ৩ তারিখের পরিবর্তে ওই মাসের অন্য কোনো তারিখে সম্মেলনের প্রস্তুতি নেয়ার নির্দেশনা দেন।

আগামী ২৯ নভেম্বর রাষ্ট্রীয় সফরে জাপান যাবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ৩ ডিসেম্বর দেশে ফিরবেন। এ কারণে ৩ ডিসেম্বরের পরিবর্তে ওই মাসের অন্য কোনো দিন সম্মেলনের প্রস্তুতি নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। একই কারণে ৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় যুব মহিলা লীগের সম্মেলনও পেছানো হয়।


আরও খবর



রাণীনগরে দম্পতিসহ তিনজন আটক মাদক উদ্ধার

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৫ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

কাজী আনিছুর রহমান,রাণীনগর (নওগাঁ) :

নওগাঁর রাণীনগর থানাপুলিশ পৃথক অভিযান চালিয়ে দম্পতিসহ তিনজনকে আটক করেছে। আটককৃতদের নিকট থেকে ৩শ’গ্রাম গাঁজা এবং ১২পিস ট্যাপেন্ডাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। রাতেই আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদক মামলা রুজু করে শুক্রবার আদালতে প্রেরণ করেছে।

রাণীনগর থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ বলেন,বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার বড়গাছা উত্তর পাড়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে ওই গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে সুজন আলী (৩৪) ও সুজনের স্ত্রী রুবিনা বিবি (৩২) কে আটক করা হয়। আটককালে ওই দম্পতির নিকট থেকে ৩শ’গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া একই রাতে উপজেলার ভবানীপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে ওই গ্রামের সাইফুল মুন্সির ছেলে মিলন মুন্সি (৪১)কে আটক করা হয়েছে। মিলনের নিকট থেকে ১২পিস নেশাজাতীয় ট্যাপেন্ডাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। রাতেই তাদের বিরুদ্ধে মাদক মামলা রুজু করে শুক্রবার আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। 


আরও খবর



নওগাঁয় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে

ডিজিটাল সার্টিফিকেট ও স্মাট আইডি কার্ড বিতরণ

প্রকাশিত:সোমবার ০৭ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রির্পোটারঃ

নওগাঁ জেলা সদর উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে ডিজিটাল সার্টিফিকেট ও স্মাট আইডি কার্ড বিতরণ। 

ডিজিটাল সার্টিফিকেট ও স্মাট আইডি কার্ড বিতরণ এর শুরুতেই বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সকল সদস্য ও সকল শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনায় এক মিনিট নিরবতা পালন শেষে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

রবিবার ৬ নভেম্বর নওগাঁ সদর উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মির্জা ইমাম উদ্দিনের সভাপতিত্বে ভার্চুয়ালীতে যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথি হিসাবে বিতরণ কার্যক্রমের উদ্ধোধন করেন জাতীয় সংসদ, নওগাঁ সদর-৫, আসনের এমপি ব্যারিষ্টার নিজাম উদ্দিন জলিল জন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ রফিকুল ইসলাম রফিক, ভাইস চেয়ারম্যান ইলিয়াস তুহিন রেজা, সাবেক অধ্যক্ষ শরিফুল ইসলাম খান, সাবেক নওগাঁ জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার হারুন অল-রশিদ ও সাবেক নওগাঁ সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার গোলাম সামদানী প্রমুখ।

১০টি বুথের মাধ্যমে নওগাঁ সদর উপজেলার ৫শ' ৭৮ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে ডিজিটাল সার্টিফিকেট ও স্মাট আইডি কার্ড বিতরন করা হয়। এসময় সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সকল সদস্য ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথি বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের যে সম্মান দিয়েছেন, বিগত কোন সরকারই তা দেয়নি। যতদিন আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় আছে ততদিন মুক্তিযোদ্ধাদের এই সম্মান প্রদান অব্যাহত থাকবে। তাই আগামীতেও আওয়ামীলীগ সরকারকে ক্ষমতায় আনতে উন্নয়নের প্রতিক নৌকায় ভোট দেয়ার আহ্বান জানান তিনি।


আরও খবর



কার্যকারিতা হারাচ্ছে অ্যান্টিবায়োটিক

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৫ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

মইনুল ইসলাম মিতুল : দেশে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার ভয়ংকর স্বাস্থ্য বিধ্বংসী রূপ নিচ্ছে। অ্যান্টিবায়োটিকের মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহারের ক্ষতিকর দিক নিয়ে বিস্তর লেখালেখি হলেও থামছে না, বরং এর অপব্যবহার বেড়েই চলেছে।অ্যান্টিবায়োটিক, জীবনদায়ী ওষুধ হিসেবে বিশ্বব্যাপী পরিচিত। মূলত এটি এক ধরনের অণুজীবনাশী পদার্থ; যা ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের বিরুদ্ধে কাজ করে। কিন্তু অযৌক্তিক ব্যবহারে ওষুধটি দেশে অকার্যকর হয়ে পড়ছে । চিকিৎসক ও রোগী উভয়ের অসচেতনতা, অবহেলা ও অজ্ঞতার কারণে বাংলাদেশে ক্রমেই তা কার্যকারিতা হারাচ্ছে। প্রাপ্তবয়স্কদের পাশাপাশি এখন শিশুদের শরীরেও এটি অকার্যকর হয়ে পড়ছে। দুটি আলাদা গবেষণায় দেখা গেছে, শতকরা ৯ ভাগ শিশুর মধ্যে কোনো অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করছে না। ৭০ শতাংশ নিউমোনিয়া রোগীর শরীরে কার্যকারিতা হারিয়েছে চার ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক। কোনো অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করছে না, এমন রোগীর সংখ্যা ৭ শতাংশ।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মূলত অপ্রয়োজনীয় ও অনিয়মতান্ত্রিকভাবে সেবনের কারণে কার্যকারিতা হারাচ্ছে অ্যান্টিবায়োটিক। করোনাকালে এই সমস্যা বেড়েছে আশঙ্কাজনক হারে। এর আগে গত নভেম্বরে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) এবং যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংগঠন আমেরিকান সোসাইটি ফর মাইক্রোবায়োলজির যৌথ গবেষণায় দেখা গেছে, দেশে বেশি ব্যবহৃত অ্যান্টিবায়োটিক অনেক ক্ষেত্রে রোগ নিরাময়ে কাজে আসছে না, বরং স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াচ্ছে।

অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহার এবং এর অকার্যকারিতা উভয়ই রোগীর জন্য অশুভ। বয়স্ক ও শিশুদের শরীরে অ্যান্টিবায়োটিকের কার্যকারিতা হারানোর বিষয়টিকে অশনিসংকেত বলে মনে করেন গবেষকরা। সংশ্লিষ্টদের মতে, অ্যান্টিবায়োটিকের মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে শরীরে সেই ওষুধের প্রতি রেজিস্ট্যান্স বা প্রতিরোধ তৈরি হয়। তখন সৈই ওষুধ আর কাজ করতে চায় না। কারণ শরীরে থাকা ব্যাকটেরিয়া তখন ওষুধের চেয়েও শক্তিশালী হয়ে ওঠে। অথচ ব্যাকটেরিয়াজনিত কিছু রোগের চিকিৎসায় অ্যান্টিবায়োটিক অপরিহার্য। কিন্তু আগে থেকে এটি কার্যকারিতা হারালে মৃত্যু ছাড়া তখন কোনো গতি থাকবে না। উল্লেখ্য, দেশে প্রায় আড়াই লাখের মতো ওষুধের দোকান আছে। এর মধ্যে এক লাখ বা তারও বেশি অননুমোদিত। প্রতিদিন জ্বর, সর্দি, কাশি, শরীর ব্যথা, আমাশয় আক্রান্ত কয়েক লাখ মানুষ ওষুধের দোকানদার, অপ্রশিক্ষিত ব্যক্তির পরামর্শে অথবা নিজের ইচ্ছায় অ্যান্টিবায়োটিক কিনে সেবন করেন। বেশির ভাগই ব্যবহারে কোনো নীতিমালা মানেন না। এভাবে অনিরাপদ ব্যবহার অ্যান্টিবায়োটিককে অকার্যকর করে তুলছে। এতে করে ভবিষ্যতে কেউই নিরাপদ থাকবে না। অর্থাৎ রোগী, দোকানদার এবং চিকিৎসক সবাই অ্যান্টিবায়োটিক কার্যকারিতা হারনোর ক্ষেত্রে সবিশেষ ভূমিকা রাখছে।

আমাদের এখানে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার কমানো সম্ভব হচ্ছে না। ফলে অ্যান্টিবায়োটিক কার্যকারিতা হারাচ্ছে। অবশ্য অ্যান্টিবায়োটিক অকার্যকর হয়ে পড়ার বা জীবাণু অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী হওয়ার ঘটনা নতুন নয়। বেশ কয়েক বছর ধরেই সমস্যাটি নিয়ে আলোচন হচ্ছে, গণমাধ্যমে খবর বের হচ্ছে। তবে অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহার বন্ধে সরকার বা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দৃশ্যমান ও কার্যকর কোনো কর্মসূচি চোখে পড়ে না। এর মূল্য দিতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। অ্যান্টিবায়োটিক ঠিকমতো কাজ না করায় রোগীকে একাধিক অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হচ্ছে, রোগীকে হাসপাতালে বেশি দিন থাকতে হচ্ছে। রোগীর চিকিৎসা ব্যয় বাড়ছে। সংগত কারণে এন্টিবায়োটিকের যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিত করা জরুরি। এজন্য প্রয়োজনে কঠোর হতে হবে। আর সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেতন হতে হবে। এই সচেতনতা দরকার নীতিনির্ধারকদের, স্বাস্থ্য ও ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের, হাসপাতাল ব্যবস্থাপকদের, ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের, ব্যবস্থাপত্র যারা লেখেন, সেই চিকিৎসকদের, ওষুধের দোকানদারদের, সর্বোপরি সাধারণ মানুষের।


আরও খবর

জন্মনিয়ন্ত্রণে আগ্রহ কমছে

শনিবার ২৬ নভেম্বর ২০২২