Logo
শিরোনাম
নওগাঁয় ককটেল হামলা

বিএনপি নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা, একজন গ্রেফতার

প্রকাশিত:Tuesday ২২ November 20২২ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টারঃ 


নওগাঁর মহাদেবপুরে আওয়ামী লীগ অফিসের পাশে ৩টি ককটেলের বিষ্ফোরণের পর বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের ছয় নেতার নামসহ অজ্ঞাত আরো ২০/২৫ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়েরের পর এরশাদ আলী (৩৭) নামে স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি উপজেলার উত্তরগ্রাম ইউনিয়নের শিবরামপুর গ্রামের মৃত ময়েন উদ্দিনের ছেলে ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য।

মঙ্গলবার মহাদেবপুর থানায় দায়ের করা মামলায় উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি কাওসার আলী অভিযোগ করেন যে, সোমবার সন্ধ্যা ৭টায় নওগাঁ-৩ (মহাদেবপুর-বদলগাছী) আসনে এমপির ছেলে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক নেতা সাকলাইন মাহমুদ রকি, এমপির ভাগ্নে সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পদাক ও সদর ইউপি চেয়ারম্যান সাঈদ হাসান তরফদার শাকিলসহ আওয়ামী লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগের ৩০/৩৫ জন নেতাকর্মী উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে পাশের ফাঁকা স্থানে বসে থাকার সময় ৩/৪টি মোটরসাইকেলযোগে একদল দুষ্কৃতকারি সেখানে এসে পরপর ৩টি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে নেতাকর্মী ও পথচারীরা আতংকিত হয়ে দিকবিদিক ছুটোছুটি শুরু করেন। তারা দুষ্কৃতকারিদের ধাওয়া করলে পালিয়ে যায়।

মামলায় উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান উপজেলা সদরের মৃত ডা: তমিজ উদ্দিনের ছেলে সাজ্জাদ হোসেন (৪৫), উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সদর ইউনিয়নের নাটশাল গ্রামের আবেদ আলীর ছেলে আমিনুল ইসলাম (৪৫), সদস্য চেরাগপুর ইউনিয়নের বাজিতপুর গ্রামের মৃত মজিবর রহমানের ছেলে চঞ্চল রহমান (৩৫), উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কুড়মইল গ্রামের ফজলুর রহমানের ছেলে শাকিল আহমেদ (৩৩), জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য এরশাদ আলী ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক এনায়েতপুর ইউনিয়নের বুজরকান্তপুর গ্রামের বিএনপি নেতা শহীদুল ইসলামের ছেলে এফআই সবুজের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ২০/২৫ জনকে আসামী করা হয়।

মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা এস আই সামিনুর রহমান বলেন, মামলা দায়ের এর পরই ভোরে এরশাদ আলীকে তার বাড়ি থেকে আটক করে দুপুরে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে নওগাঁ জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।

মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোজাফ্ফর হোসেন জানান, ঘটনার পরপরই থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আলামত সংগ্রহ করেন। ঘটনার প্রতিবাদে রাতেই উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিল শেষে দেয়া বক্তব্যে, সাকলাইন মাহমুদ রকি, সাঈদ হাসান তরফদার শাকিল, কাওসার আলী ও আওয়ামী লীগ নেতা সোহাগ প্রমুখ বলেন, বিএনপি জামাত জোট তাদেরকে উদ্দেশ্য করে এই ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায়। ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত করা প্রয়োজন বলেও তারা উল্লেখ করেন।

স্থানীয়রা জানান, ৩টি ককটেল একটি বৈদ্যুতিক খুটিতে লেগে বিস্ফোরিত হয়। তবে এতে কেউ আহত হননি। ঘটনার পরপরই উপজেলা সদরের ব্যস্ত এলাকা বাসস্ট্যান্ড মাছের মোড়, বকের মোড়, পোষ্ট অফিস মোড়সহ বিভিন্ন স্থান জনশুণ্য হয়ে পড়ে। বিশেষ করে বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা অনেকেই গা ঢাকা দেন। থানা পুলিশ রাতে আসামীদের ধরতে বিভিন্ন স্থানে হানা দেয়।


আরও খবর



নওগাঁয় খাদ্যমন্ত্রী

শেখ হাসিনা সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের আধুনিকায়নের উদ্যোগ নিয়েছেন

প্রকাশিত:Monday ১৬ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ন্যায়ের পথে কাজ করে যাচ্ছেন। সকল সম্প্রদায়ের উন্নয়নে তিনি নিবেদিত প্রাণ বলে মন্তব্য করেছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপি।

তিনি সোমবার ১৬ জানুয়ারী সকালে ২য় পর্যায়ে সারাদেশে ৫০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র উদ্বোধন অনুষ্ঠানে নওগাঁর নিয়ামতপুরে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। 

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে ভার্চুয়ালিতে যুক্ত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের জন্য  ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর সুযোগ্য কন্যার নেত্রীত্বে সারা দেশে মডেল মসজিদ নির্মিত হচ্ছে। তিনি সকল ধর্মের উন্নয়নে কাজ করেন। তিনি বিশ্বাস করেন ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার।

খাদ্যমন্ত্রী আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিগত বছরগুলোতে বাংলাদেশের অভূতপূর্ব অগ্রগতি হয়েছে। পৃথিবীর অনেক শক্তিশালী দেশের চেয়েও এখন বাংলাদেশের জিডিপি ও এসডিজির অগ্রগতি ভালো। প্রধানমন্ত্রীর সুযোগ্য নেত্রীত্বে বাংলাদেশ করোনা মোকাবিলায় বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়েছে।

তিনি বলেন, বিভিন্ন অবকাঠামো ও রাষ্ট্রীয় উন্নয়নের পাশাপাশি দেশরত্ন শেখ হাসিনা ধর্মীয় ও নৈতিক উন্নয়নের দিকেও নজর দিয়েছেন। 

পিতার দেখানো পথ ধরে তিনি সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের আধুনিকায়নের উদ্যোগ নিয়েছেন।

আর সে ধারাবাহিকতায় মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র গড়ে তোলা হচ্ছে।

উল্লেখ্য,আধুনিক সুযোগ-সুবিধা-সংবলিত সুবিশাল এসব মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্সে নারী ও পুরুষদের পৃথক ওজু ও নামাজ আদায়ের সুবিধা, লাইব্রেরি, গবেষণা কেন্দ্র, ইসলামিক বই বিক্রয় কেন্দ্র, পবিত্র কোরআন হেফজ বিভাগ, শিশু শিক্ষা, অতিথিশালা, বিদেশি পর্যটকদের আবাসন, মৃতদেহ গোসলের ব্যবস্থা, হজ্ব যাত্রীদের নিবন্ধন ও অটিজম সেন্টার, প্রতিবন্ধী মুসল্লিদের টয়লেট সহ নামাজের পৃথক ব্যবস্থা, গণশিক্ষা কেন্দ্র, ইসলামি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র থাকবে। এ ছাড়াও ইমাম-মুয়াজ্জিনের প্রশিক্ষণ-আবাসন, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য অফিসের ব্যবস্থা এবং গাড়ি পার্কিং-সুবিধা রাখা হয়েছে।

মডেল মসজিদগুলোতে দ্বিনি দাওয়াত কার্যক্রম ও ইসলামি সংস্কৃতিচর্চার পাশাপাশি মাদক, সন্ত্রাস, যৌতুক, নারীর প্রতি সহিংসতাসহ বিভিন্ন সামাজিক ব্যাধি রোধে সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

নওগাঁ গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আল মামুন হক, নিয়ামতপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ফারুক সুফিয়ান, উপজেলা চেয়ারম্যান ফরিদ আহম্মেদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ এবং ইসলামী ফাউন্ডেশন এর উপ-পরিচালক গোলাম মোস্তফা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। 


আরও খবর



কমছে আয়, বাড়ছে ব্যয়

প্রকাশিত:Saturday ০৪ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

রোকসানা মনোয়ার :করোনায় কমছে মানুষের আয়-রোজগার। আর এর বিপরীতে বাড়ছে জীবনযাত্রার ব্যয়। অবশ্য এই চিত্র আমাদের জন্য অতি পুরনো। তবে চলমান করোনার কারণে এই হ্রাস বৃদ্ধির মাত্রা বেড়েছে অনেকটাই। জানা গেছে, সম্প্রতি সাধারণ মানুষের ব্যয় বেড়েছে সাত ভাগ। বিশেষ করে মোটা ও মাঝারি চালের দাম বেড়েছে ২৫ শতাংশের বেশী।

দেশের আশিভাগ মানুষ নিত্যদিন যে ৩৭ টি পণ্য ব্যবহার করে, এগুলোর মূল্য বৃদ্ধির ফলে দুর্ভোগের মাত্রা বেড়েছে। কঠিন হয়ে ওঠেছে বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর জীবনযাপন। দেশের জনসংখ্যা প্রধানত দরিদ্র, মধ্যবিত্ত আর ধনী এই তিন ভাগে বিভক্ত। সবার আয় সমান নয়, ব্যয় করার ইচ্ছা ও সামর্থ্যও সবার সমান নয়। সাধারণ মানুষ তার ইচ্ছাকে নিয়ন্ত্রণ করে অর্থনৈতিক সামর্থ্য দ্বারা; আর ধনীরা তাদের সামর্থ্য দ্বারা ইচ্ছা তৈরি করে।

বাংলাদেশে মূলত কৃষক-শ্রমজীবী মানুষের সংখ্যাই বেশী। জরিপের তথ্য হচ্ছে, দেশে শ্রমজীবী মানুষের সংখ্যা প্রায় ছয় কোটি ৮২ লাখ। আর মোট শ্রমশক্তির ৮৮ শতাংশ অর্থাৎ প্রায় ছয় কোটি শ্রমজীবীই আবার অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মরত। যাদের চাকরি আয় কোন কিছুতেই স্থায়িত্ব নেই। এর মধ্যে কৃষিকাজে যুক্ত দুই কোটি ৮০ লাখের মতো।

 দেশের অর্থনৈতিক বিবেচনায় দশ শতাংশের মতো মানুষ আছে, যারা ধনী বা উচ্চবিত্ত। যাদের হাতে আছে দেশের মোট আয়ের ৪৬ শতাংশ। আর উচ্চ মধ্যবিত্ত ১৩ শতাংশের হাতে আয়ের সাড়ে ২১ শতাংশ, মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত ৩৭ শতাংশের হাতে ২৬ শতাংশ আয় এবং ৪০ শতাংশ দরিদ্রের হাতে আছে আয়ের মাত্র সাত দশমিক ৬৩ শতাংশ। বিশেষ করে এই ৪০ শতাংশ দরিদ্রের অবস্থা এখন খুবই করুণ। অন্য সবার মতো এই শ্রেণীর মানুষের আয় কমে গেছে। বেড়েছে ব্যয়। আর এই অবস্থায় প্রথম সংকোচন আসে খাদ্যে। সুষম খাদ্য তো দূরের কথা, অনেক সময় কোন খাদ্যই জোগাড় করতে পারছেনা তারা। যে কারণে তাদের মধ্যে বাড়ে অপুষ্টি। যার বিরূপ প্রভাব পড়ে নারী ও শিশুর জীবনে। অথচ পুষ্টির অভাব থাকলে শিশুদের মেধার বিকাশ হয় না। আর চলতি করোনাকালে মানুষের শরীরে যথাযথ পুষ্টির যোগান দেয়া জরুরি।

পুষ্টিহীন শরীরে করোনা সহজে আক্রমণ করতে পারে। কিন্তু এই পুষ্টির যোগান দেয়ার পেছনে দুটি প্রতিবন্ধকতা। একটা হলো পণ্যমূল্য বৃদ্ধি এবং অপরটি আয় কমে যাওয়া। নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে পারিবারিক ব্যয় ও দুশ্চিন্তা বৃদ্ধিপায়। বিশেষত চাল, ডাল, চিনি, শিশু খাদ্য, ওষুধ, পরিবহণ ভাড়া ইত্যাদি পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি করা হয় সিন্ডিকেট করে। যার মারাত্মক প্রভাব পড়ে দরিদ্র মানুষের ওপর।

নতুন বছরের শুরু হয়েছিল বিদ্যুৎ ও গ্যাসের বাড়তি দাম কার্যকরের মধ্য দিয়ে। দিন যত যাচ্ছে মুরগি,ডিম,ডাল,কাঁচা মরিচের দাম ততই বাড়ছে,যা সংসারের ব্যয়ের চাপ আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে, মাঠে শ্রমজীবি খেটে খাওয়া মানুষের।

সব মিলিয়ে সাধারণ জনগনের নাভিশ্বাস বেড়েই চলছে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ানোর কারনে। সরকার গ্যাস-বিদ্যুতের মতো সেবামূল্য বাড়িয়ে দিচ্ছে। দুইদিকের চাপে হিমশিম খাচ্ছে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত।


চিনি,তৈল ও ইত্যাদি দাম বেড়েছিল তা কমানোর কোsনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। এবং সরকার অনেক পণ্যের দাম নির্ধারণ করেছে তা-ও অনেক সময় মানা হচ্ছে না। মুল বাজারের থেকে পাড়া-মহল্লার মুদি দোকানে গেলে দাম আরও বেশি দিতে হয়।

 

 


আরও খবর



কুড়িগ্রামের শীতকাতর অসহায় মানুষের পাশে কেন্দ্রীয় যুবলীগ

প্রকাশিত:Thursday ০২ February 2০২3 | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি :

কুড়িগ্রামের শীতকাতর অসহায়, ছিন্নমূল  মানুষের জন্য গরম কাপড় কম্বল নিয়ে পাশে দাঁড়িয়েছে কেন্দ্রীয় যুবলীগ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কুড়িগ্রামের ১ হাজার শীত কাতর অসহায় মানুষের মাঝে কম্বল বিতরন করেন।

আজ বিকেলে কুড়িগ্রাম স্টেডিয়ামে কম্বল বিতরন করেন কেন্দ্রীয় যুবলীগের যুগ্ন সম্পাদক বাদসা মতিউর রহমান সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল পারভেজ ত্রান ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক নাসিম পারভেজ পাভেল কুড়িগ্রাম জেলা যুবলীগের আহবায়ক এডভোকেট রুহুল আমিন দুলাল যুগ্ন আহবায়ক রেদওয়ানুল হক দুলাল, খ,ম,আনিছুর রহমান চাঁদ মমিনুর রহমান মমিন ও সদস্য আতাউর রহমান বিপ্লব প্রমুখ। 

গরম কাপড় কম্বল পেয়ে শহরের বস্তি এলাকার জয়নব বেওয়া( ৫৭) বলেন যে ঠান্ডা বাহে,গরম কাপড়ের দরকার ছিলো, কম্বল টা পেয়ে মোর খুব উপকার হলো।যারা কম্বল দিলো তাদের জন্য মুই দোয়া করিম। 

বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ এবারের শীতে উত্তর জনপদ  সহ দেশের বিভিন্ন জেলায় শীতকাতর অসহায় মানুষের জন্য কম্বল সহায়তা প্রদান করছেন।


আরও খবর



নওগাঁয় ২০ পিস ইয়াবা সহ একজন কে আটক করেছে পুলিশ

প্রকাশিত:Saturday ০৪ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন :

নওগাঁর রাণীনগরে ২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ পলাশ চন্দ্র ওরফে পলান (৪০) নামে এক ব্যাক্তিকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃতকে শনিবার দুপুরে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে নওগাঁ জেল-হাজতে প্রেরন করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত পলাশ চন্দ্র ওরফে পলান রানীনগর উপজেলার গুঠনিয়া গোবিন্দপুর গ্রামের মৃত সুবল চন্দ্র প্রামানিকের ছেলে।

সত্যতা নিশ্চিত করে রাণীনগর থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ জানান, উপজেলার ভান্ডারগ্রাম বাজার এলাকায় মাদক বেচা-কেনা হচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার রাতে পুলিশ সেখানে অভিযান চালিয়ে তিন মাথার মোড় সংলগ্ন ব্রিজের উপর থেকে মাদক ব্যবসায়ী পলাশ চন্দ্র ওরফে পলানকে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকালে তার কাছ থেকে ২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে পুলিশ। রাতেই পলানের বিরুদ্ধে থানায় মাদক মামলা রুজু করা হয় এবং শনিবার দুপুরে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে নওগাঁ জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান ওসি।


আরও খবর



মির্জাগঞ্জে ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযানে ৭ দোকানিকে জরিমানা

প্রকাশিত:Wednesday ১১ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি,পটুয়াখালী :


পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে অভিযান চালিয়ে ৭ টি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানকে ৩১ হাজার টাকা জরিমানা করেছে পটুয়াখালী জেলা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

বুধবার (১১ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত উপজেলার কলেজ রোড থেকে সুবিদখালী বাজারের ষ্টীল ব্রিজ পর্যন্ত ৭ টি দোকান থেকে এ জরিমানা আদায় করা হয়।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পটুয়াখালী জেলার সহকারী পরিচালক মো.শাহ শোয়াইব মিয়ার নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়। এসময় মির্জাগঞ্জ থানার এসআই মো.ইব্রাহীম,উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মাখসুদুর রহমান খান অভিযানে সহয়তা করেন।

সুবিদখালী কলেজ রোডস্থ সকাল সন্ধ্যা হোটেলকে ৬ হাজার,হোটেল সালামকে ৩ হাজার,মৃধা স্টোরকে ১ হাজার,স্টিল ব্রিজ সংলগ্ন রোগ মুক্তি ফার্মেসীকে ৩ হাজার,অন্তরা মেডিকেল হলকে ১০ হাজার এবং নান্নু শপিং কমপ্লেক্সের সুরাইয়া ফ্যাশনকে ৪ হাজার ও শেফা ফ্যাশন হাউসকে ৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।


জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পটুয়াখালী জেলার সহকারী পরিচালক মো.শাহ শোয়াইব মিয়া বলেন,মির্জাগঞ্জ উপজেলার কয়েকটি জায়গায় অভিযান পরিচালনা করে মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করা,অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যপন্য তৈরি ও সংরক্ষন করা,মেয়াদোত্তীর্ন ঔষধ বিক্রয় ও বিক্রয় প্রস্তাব করা,এমআরপি থেকে অতিরিক্ত দামে ঔষধ বিক্রয় করা,বিক্রয় নিষিদ্ধ কসমেটিক্স বিক্রয় করা ও কসমেটিকসের মোড়কে খুচরা মূল্য উল্লেখ না থাকার কারণে ৭ টি  ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়। জনস্বার্থে বাজার তদারকি মূলক এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।


আরও খবর