Logo
শিরোনাম

বিমানবন্দরে লাগেজের বিষয়ে মিথ্যা তথ্য দিলে লাখ টাকা জরিমানা

প্রকাশিত:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:


নতুন কাস্টমস আইন-২০২৩ অনুসারে বিদেশ থেকে আসা কোনো যাত্রী নিজের লাগেজ সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য দিলে বা ঘোষণা বহির্ভূত পণ্য আনলে ৫০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা গুনতে হবে। 



আর তার লাগেজে থাকা পণ্য রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত হবে। এছাড়া, নিষিদ্ধ পণ্য নিয়ে এলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।

কাস্টমসের নতুন আইন-২০২৩ অনুসারে এমন বিধান রাখা হয়েছে। আগামী ৬ জুন থেকে কার্যকর হচ্ছে ওই আইন।


গত ৩০ মে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিমের সই করা এক প্রজ্ঞাপন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।


কাস্টমস আইনের ১৫৪ ধারায় বলা আছে, বিদেশ থেকে আসা যাত্রীদের কাস্টমসের কাছে তার লাগেজ সম্পর্কে তথ্য দিতে হবে। যাত্রী বা ক্রু লাগেজে রক্ষিত পণ্য সম্পর্কে কাস্টমস কর্মকর্তার কাছে লিখিত বা মৌখিক ঘোষণা দিতে পারবেন এবং কাস্টমস কর্মকর্তার প্রশ্নের জবাব দিতে হবে।



 লাগেজ তল্লাশির আগে যাত্রী যদি রক্ষিত পণ্য সম্পর্কে সঠিক তথ্য দিতে ব্যর্থ হন এবং তল্লাশিকালে ঘোষণা বহির্ভূত পণ্য পাওয়া যায়, তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে কাস্টমস কর্মকর্তা সর্বনিম্ন ৫০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা জরিমানা করতে পারবেন। তাছাড়া, সংশ্লিষ্ট পণ্য বাজেয়াপ্তযোগ্য হবে।


প্রসঙ্গত, কাস্টমস আইন ১৯৬৯ অনুসারে, পণ্যের ক্ষেত্রে অসত্য ঘোষণা প্রদান করা হলে বা কোনও প্রশ্নের জবাব দিতে অস্বীকার অথবা ব্যর্থ হলে, সেক্ষেত্রে যাত্রীকে ওই পণ্য-মূল্যের অনধিক তিনগুণ পরিমাণ অর্থদণ্ডের বিধান ছিল।


এর আগে, গত বছরের ৩১ অক্টোবর জাতীয় সংসদে কাস্টমস আইন-২০২৩ পাস হয়। পুরোনো আইনে ২২৩টি ধারা ছিল। 


নতুন আইনে ২৬৯টি ধারা রয়েছে। রাজস্ব সংগ্রহ ও বাণিজ্য সহজীকরণের লক্ষ্যে বিশ্ব কাস্টমস সংস্থার (ডব্লিউসিও) অনুমোদিত আন্তর্জাতিক চুক্তি ও কনভেনশন অনুযায়ী এবং আন্তর্জাতিক উত্তম চর্চা, যেমন- অনুমোদিত অর্থনৈতিক অপারেটর (এইও), পারস্পরিক স্বীকৃতি চুক্তি (এমআরএ), ইলেকট্রনিক ঘোষণা, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, পোস্ট ক্লিয়ারেন্স অডিট (পিসিএ) ইত্যাদি নতুন আইনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।


আরও খবর



হাসিনা-মোদির শীর্ষ বৈঠক আজ

প্রকাশিত:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডে  ডিজিটাল ডেস্ক:


বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক আজ শনিবার (২২ জুন)। দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে শুক্রবার বিকালে ভারতে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


এর আগে, দুপুর ২টা ৮ মিনিটে বাংলাদেশ বিমানের একটি বিশেষ ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে দিল্লির উদ্দেশে যাত্রা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।



শুক্রবার সন্ধ্যায় ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করেন। সাক্ষাতের ছবি দিয়ে জয়শঙ্কর ‘এক্স’ হ্যান্ডলে লেখেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করে আমি উৎফুল্ল।


 আমাদের দুই দেশের সম্পর্ক কত ঘনিষ্ঠ ও চিরন্তন, এই সফর তার পরিচায়ক। আমাদের বিশেষ সম্পর্ক আরও জোরদার করতে তার নেতৃত্ব প্রশংসনীয়।’


সফর শুরুর দিন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়ালও বলেন, এই সফর থেকে দুই দেশই অনেক কিছু প্রত্যাশা করছে। 


শুক্রবার বিকালে মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে এ মন্তব্য করে তিনি বলেন, এত বিপুল প্রত্যাশার কারণ দুই দেশের সম্পর্কের গভীরতা। সম্পর্ক এত বিশেষ ও বন্ধুত্বপূর্ণ বলে প্রত্যাশাও অনেক।




আরও খবর



ছাগলকাণ্ডের সাদিক অ্যাগ্রোর ইমরানের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে দুদক

প্রকাশিত:সোমবার ০১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টুডেস রিপোর্ট:

ছাগলকাণ্ডে আলোচিত সাদিক অ্যাগ্রোর স্বত্বাধিকারী মো. ইমরান হোসেনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক। 

অবৈধভাবে আমদানি নিষিদ্ধ আমেরিকান ব্রাহামা জাতের গরু চোরাচালান, জালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে তা কোটি টাকা দাম হাঁকিয়ে বিক্রির বিষয়ে সোমবার (১ জুলাই) দুদকের একটি দল অভিযান চালায় সাভারের কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামারে।



 অভিযান চলাকালে জব্দ করা হয় গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু নথিপত্র।


অভিযানে নেতৃত্ব দেন দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক আবুল কালাম আজাদ। এসময় কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামারের পরিচালক ডা. মনিরুল ইসলামের সাথে কথা বলেন তদন্তকারী দলের সদস্যরা।


দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক আবুল কালাম আজাদ জানান, ২০২১ সালে ১৮টি আমেরিকান ব্রাহামা জাতের গরু বাংলাদেশে এনে তোলপাড় সৃষ্টি করেন ইমরান। 



আমদানি নিষিদ্ধ থাকায় ব্রাহমা জাতের গরু বাজেয়াপ্ত করে ঢাকা কাস্টমস। গরুগুলো প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মাধ্যমে সাভারের কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামারে রাখা হয়। পরে রহস্যজনকভাবে গরুগুলো চলে যায় ইমরানের সাদিক অ্যাগ্রোতে।


কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামারের পরিচালক ডা. মনিরুল ইসলাম জানান, ব্রাহমা জাতের গরুগুলো আমদানি নিষিদ্ধ হলেও ফ্রিজিয়ান জাত বলে মিথ্যা তথ্য দিয়ে এনেছিলেন সাদিক অ্যাগ্রোর স্বত্বাধিকারী মো. ইমরান হোসেন।



পরে মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের কতিপয় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে মাংস বিক্রির শর্তে ব্রাহমা জাতের সেই গরুগুলোকেই কৌশলে নিলামে তুলে নিয়ে যান সাদিক অ্যাগ্রোতে। নিলামে বিক্রি হওয়া গরুগুলো জবাই করে সেই মাংস ঈদুল ফিতরের সময় সুলভ মূল্যে বিক্রির কথা থাকলেও তা করেনি সাদিক অ্যাগ্রোর ইমরান হোসেন। 



পরিবর্তে কমদামি গরুর মাংস বিক্রি করে ব্রাহামা জাতের সেই গরুগুলো উচ্চ বংশের গরু বলে কোটি টাকা দাম হাঁকিয়ে আলোচনায় আসে সাদিক অ্যাগ্রোর ইমরান। একইভাবে যশোর থেকে সংগ্রহ করা একটি ছাগলের ১৫ লাখ টাকা দাম হাঁকিয়ে ১২ লাখ টাকায় বিক্রিকাণ্ড থেকে বের হয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য ড. মতিউর রহমানের গোপন রাখা স্ত্রী ও সন্তানদের পরিচয়। পরে একে একে বের হয়ে আসে তার সম্পদের পাহাড়।




এ বিষয়ে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলেন, জাতীয় প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন নীতিমালার আলোকে যেসব গরুর জাত পালনের অনুমতি আছে সেখানে ব্রাহামা জাতের কোনো অনুমোদন নেই। ফলে এই জাত পালনের কোনো অনুমোদন আমরা দেইনি।



 কিন্তু অবৈধভাবে আনা ব্রাহামা গরুগুলো ছিল প্রজনন অনুপযোগী। ফলে নিয়ম অনুসারে এসব প্রজনন অনুপযোগী গরু খামারিদের সংগঠনের কাছে হস্তান্তর করা হয়। কোনো ব্যক্তিকে দেওয়া হয়নি। 



কিন্তু ইমরান কৌশলে এসব গরু নিজের নামে নিয়ে নিয়েছেন। আবার এসব গরুর মাংস বিক্রি না করে কোরবানির পশু হিসেবে বাজারেও বিক্রি করেছেন।



আরও খবর



ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলায় নিহত অন্তত ১২

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস ডেস্ক:


ইউক্রেনে রাশিয়ার পৃথক হামলায় চার শিশুসহ কমপক্ষে ১২ জন নিহত হয়েছে। 



স্থানীয় সময়  শনিবার (২৯ জুন) দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে এসব হামলার ঘটনা ঘটে। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইউক্রেনের বেশ কয়েকটি অঞ্চলে আক্রমণের তীব্রতা বাড়িয়েছে রাশিয়া। খবর আলজাজিরার।



ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কি শনিবার সতর্ক করে বলেন, জাপোরিঝিয়া অঞ্চলের কাছে ভিলনিয়ানস্ক গ্রামে হামলার ঘটনায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।



জেলেনস্কি পশ্চিমা মিত্রদের অস্ত্র সরবরাহ ত্বরান্বিত করার আহ্বান জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে বলেন,  ‘জাপোরিঝিয়া অঞ্চলে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় দুই শিশুসহ সাতজন নিহত হয়েছে। চলমান যুদ্ধে মিত্রদের সিদ্ধান্ত গ্রহণে যেকোনো বিলম্বের অর্থ হলো মানুষের প্রাণহানি।’


ইউক্রেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইগর ক্লিমেংকো বলেন, জাপোরিঝিয়া শহর থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে ভিলনিয়ানস্কে চার শিশুসহ ১৮ জন আহত হয়েছেন।



জাপোরিঝিয়ার গভর্নর ইভান ফেদোরভ বলেন, দিনের বেলায় মানুষের বিশ্রাম করার স্থানে হামলাটি করা হয়। তারা কোনো সামরিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না।


ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা জানান, গতকাল শনিবার ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে রুশ হামলায় চারজন নিহত এবং ২৩ জন আহত হয়েছে। অন্যদিকে উদ্ধারকারীরা দল মধ্যাঞ্চলীয় শহর দিনিপ্রোতে একটি ৯তলা আবাসিক ভবনে হামলার পর ধ্বংসস্তূপ থেকে একজনকে মৃত এবং ১২ জন আহত অবস্থায় পাওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছেন।



ইউক্রেনের এক হাজার কিলোমিটার জুড়ে দেশটির সেনাদের সঙ্গে তীব্র সম্মুখ যুদ্ধ হয় রুশ বাহিনীর। পাশাপাশি রাশিয়া ইউক্রেনের প্রাকৃতিক সম্পদ ধ্বংস করার জন্য বিমান হামলা জোরদার করেছে। প্রায়শ ইউক্রেনের জ্বালানি প্রকল্প এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করে বিমান হামলা চালানো হচ্ছে।


ইউক্রেনের সেনাবাহিনী বলছে, শত্রুদের আক্রমণ পুরো ফ্রন্ট লাইন জুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে। পূর্ব দোনেৎস্কের আঞ্চলিক গভর্নর ভাদিম ফিলাশকিন বলেছেন, গত ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার সেনাবাহিনী জনবহুল এলাকাকে লক্ষ্য করে ১৩ বারের বেশি গোলাবর্ষণ করেছে।



জেলেনস্কি বলেন, ‘ইউক্রেনের মিত্রদের মনে করিয়ে দিতে চাই, দিনিপ্রোতে রাশিয়ার বিমান হামলা প্রতিহত করার জন্য আমাদের আরও বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রয়োজন। পর্যাপ্ত পরিমাণ উচ্চমানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং বিশ্ব সম্প্রদায়ের চাপ প্রয়োগই পারে রাশিয়ার সন্ত্রাস বন্ধ করতে।’



ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর পিছু হটার সুযোগ নিয়ে রাশিয়ার সেনাবাহিনী চারদিক থেকে হামলা চালানো শুরু করেছে। ইউক্রেনের বেশ কয়েকটি অঞ্চলে লড়াই তীব্র হয়েছে।


অন্যদিকে রাশিয়ার কর্মকর্তারা জানান, ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় রাশিয়ার কুর্স্ক অঞ্চলে কমপক্ষে পাঁচজন নিহত হয়েছে। অঞ্চলটির গভর্নর অ্যালেক্সি স্মিরনভ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানান, রাশিয়া-ইউক্রেন সীমান্তবর্তী গ্রাম গোরোদিশে নিহতদের মধ্যে দুই শিশু রয়েছে।



আরও খবর



মুন্সীগঞ্জে ইউপি চেয়ারম্যানকে গুলি করে হত্যা, আটক ৩

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি:  স্কুল ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনের দ্বন্দ্বে  ইউপি চেয়ারম্যান এস এম সুমন হালদার (৪৫) কে গুলি করে হত্যা করেছে চাচা ও চাচাতো ভাইয়েরা । 


রবিবার দুপুর ১ টার দিকে জেলার টঙ্গিবাড়ি উপজেলার পাঁচগাও বাজার এলাকার আলহাজ্ব ওয়েদ আলী দেওয়ান উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এই হত্যা কান্ডের ঘটনা ঘটে।  নিহত এস এম সুমন হালদার পাঁচগাও ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন৷ 


সে ওই গ্রামের পিয়ার হোসেন হালদারের ছেলে। তার একটি পুত্র ও একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। 


প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,রবিবার ওয়েদ আলী দেওয়ান উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন চলছিলো এসময় ভোটাধিকার প্রয়োগ নিয়ে নিহতের চাচা ও চাচাতো ভাই  মৃত মকবুল হালদারের ছেলে নুর মোহাম্মদ, 


নর আহম্মেদ ভোলা,চাচাতো ভাই সেকু নুর ও  কাউসারের সাথে কথা-কাটাকাটি এক পর্যায়ে  ইউপি চেয়ারম্যান সুমনকে এলোপাথারি গুলি করে৷


 পরে আসে পাশের লোকজন ছুটে এসে সুমনকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে টঙ্গিবাড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে৷ 


এঘটনায় মৃত মকবুল হালদারের ছেলে নুর মোহাম্মদ তার ছেলে সেকু নুর ও কাউসার নামের ৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ। তারা আরো বলেন হত্যা কান্ডের সাথে জড়িতরা সবাই সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি প্রার্থী বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃ মিলেনুর রহমান মিলন এর অনুসারী। 


নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে টঙ্গিবাড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোল্লা শোয়েব আলী বলেন,হত্যা কান্ডের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ তাৎক্ষণিক কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।  নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানোর হয়েছে ।


আরও খবর



আ.লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সমাবেশমঞ্চে শেখ হাসিনা

প্রকাশিত:রবিবার ২৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image



সদরুল আইনঃ


দেশের প্রাচীনতম রাজনৈতিক ক্ষমতাসীন দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশের মঞ্চে উপস্থিত হয়েছেন দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।



 আজ রোববার (২৩ জুন) বিকাল ৩টা ৩৭ মিনিটে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সমাবেশ মঞ্চে উপস্থিত হন তিনি। 



সমাবেশ মঞ্চে উপস্থিত হয়ে দলীয় সভাপতি জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এরপর জাতীয় সঙ্গীত বাজানো হয়৷ জাতীয় সঙ্গীত শেষে আওয়ামী প্রধান বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন এবং আসন গ্রহণ করেন। 



এরপর আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হয়। এতে  সভাপতিত্ব করছেন শেখ হাসিনা।


সভায় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা, আমন্ত্রিত অতিথিসহ দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত হয়েছেন। 



আরও খবর