Logo
শিরোনাম

বিরোধী দলগুলোর গণমিছিল

প্রকাশিত:Friday ৩০ December ২০২২ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

রোকসানা মনোয়ার :নির্দলীয় সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচনের দাবি আদায়ে বিএনপিসহ সরকারবিরোধী সমমনা রাজনৈতিক দলগুলো এবার যুগপৎ গণমিছিল কর্মসূচিতে মাঠে নামছে। যুগপৎ আন্দোলনের এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে নেওয়া হয়েছে বড় শোডাউনের প্রস্তুতি।

আজ শুক্রবার (৩০ ডিসেম্বর) ঢাকায় গণমিছিল কর্মসূচি করবে দলগুলো। ঢাকায় যুগপৎ আন্দোলনের এটি প্রথম কর্মসূচি। এই কর্মসূচি থেকে সরকার বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো যুগপৎ আন্দোলনের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা দেবে।

যদিও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের পদত্যাগ, দল নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানসহ ১০ দফা দাবিতে ২৪ ডিসেম্বর (শনিবার) সারাদেশে গণমিছিল নিয়ে মাঠে নামে বিএনপি। কিন্তু সেদিন ঢাকায় আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলন থাকায় ঢাকায় এবং সিটি করপোরেশন নির্বাচনের কারণে রংপুর মহানগরের কর্মসূচি পিছিয়ে ৩০ ডিসেম্বর নির্ধারণ করা হয়।

কোন দলের কোথায় গণমিছিল

নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে আড়াইটায় গণমিছিল শুরু করবে বিএনপি। কাকরাইল মোড়, শান্তিনগর, মালিবাগ, মৌচাক ও মগবাজার গিয়ে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

বেলা ১১টায় গণতন্ত্র মঞ্চ জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে থেকে জমায়েত হয়ে বক্তব্য শেষে মিছিল করবে। সেখান থেকে দৈনিক বাংলা মোড়ে গিয়ে শেষ হবে এই কর্মসূচি।

বিকাল ৩টায় রাজধানীর পূর্ব পান্থপথের এলডিপি কার্যালয়ের সামনে থেকে মিছিল করবে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)।

যুগপৎ আন্দোলনের অংশ হিসেবে গণমিছিলে অংশ নেবে ১২ দলীয় জোট। তারা বিজয়নগর পানির ট্যাংকি এলাকা থেকে বিকেল ৩টায় গণমিছিল শুরু করবে।

১১ দলীয় জোট বেলা ৩টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে শুরু করে মতিঝিল শাপলা চত্বর মোড় হয়ে প্রেসক্লাবের সামনে এসে শেষ হবে।

এ ছাড়া, সকাল ১০টার দিকে প্রেসক্লাবের সামনে গণমিছিল করার ঘোষণা দিয়েছে গণতান্ত্রিক বাম ঐক্য।

গত ১০ ডিসেম্বর ঢাকার গোলাপবাগ মাঠে বিভাগীয় গণসমাবেশ থেকে ১০ দফা ঘোষণা করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ২৪ ডিসেম্বর একযোগে সারাদেশে বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে গণমিছিল কর্মসূচি পালনের কথা ছিল। কিন্তু সেদিন ঢাকায় আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলন থাকায় ঢাকায় এবং সিটি করপোরেশন নির্বাচনের কারণে রংপুর মহানগরের কর্মসূচি পিছিয়ে ৩০ ডিসেম্বর নির্ধারণ করা হয়।


আরও খবর



নওগাঁয় এক ছাত্রীর মৃতদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত:Tuesday ২৪ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :

নওগাঁয় খুশি আক্তার (১৭) নামের একাদশ শ্রেনীতে পড়ুয়া এক ছাত্রী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্নহত্যা করেছে। এআত্নহত্যার ঘটনাটি ঘটেছে নওগাঁর সাপাহার উপজেলার বাবুপুর গ্রামে। খুশি আক্তার ঐ গ্রামের রফিকুল ইসলামের মেয়ে।

থানা ও স্থানিয় সূত্রে জানা গেছে, মাদ্রাসার একাদশ শ্রেণীতে পড়ুয়া ছাত্রী খুশি আক্তার মঙ্গলবার সকালে তার মা’র সাথে কথা কাটাকাটি'র এক পর্যায়ে মায়ের উপর অভিমান করে নিজ শয়ন ঘরে যান। এসময় তার মা বাসার কাজে ব্যস্ত ছিলেন। দুপুরে খুশি আক্তারের মা ও বাবা খুশি'র ঘরে ভিতর থেকে দরজা বন্ধ রাখার বিষয় জানতে পেরে তাদের সন্দেহ হলে তারা ডাক চিৎকার দেন। এসময় লোকজন এসে ঘরের দরজা ভেঙ্গে ঘরের ভেতর ফ্যানের সাথে মেয়েকে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় দেখতে পান। ঘটনাটি থানা পুলিশকে জানালে, সাপাহার থানা পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌছে প্রাথমিক সুরতহাল রির্পোট অন্তে ময়না তদন্তের জন্য সন্ধার দিকে ঘটনাস্থল থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেয়। এব্যাপারে সাপাহার থানার ওসি (তদন্ত) হাবিবুর রহমান মৃতদেহ সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে নিহত ছাত্রীর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়না তদন্ত শেষে মৃতদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এছাড়া ঘটনার ব্যাপারে থানায় একটি ইউডি মামলা দায়ের করার পক্রিয়া চলছে।


আরও খবর



প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তার চেক পেলেন ২৬ জন সাংবাদিক

প্রকাশিত:Wednesday ০১ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :


নওগাঁয় ২৬ জন সাংবাদিকদের মাঝে সাংবাদিক কল‍্যান ট্রাষ্ট থেকে প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়েছে। 

বুধবার বিকাল সারে ৩টায় নওগাঁ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এসব চেক বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক খালিদ মেহেদী হাসান পিএএ'। এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ ইব্রাহিম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এস এম জাকির হোসেন, নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাব এর সভাপতি কায়েস উদ্দিন, নিয়ামতপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি শাহজাহান সাজু সহ অন্যান্য সাংবাদিকরা বক্তব‍্য রাখেন। পরে নওগাঁ জেলা সদর, নিয়ামতপুর ও পত্নীতলা উপজেলার মোট ২৬ জন সাংবাদিককে মোট ২ লাখ ৬০ হাজার টাকার চেক বিতরণ করা হয়।


আরও খবর



কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ও চা‌ন্দিনায়

মডেল মসজিদের উদ্বোধন কর‌লেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:Monday ১৬ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

কুমিল্লা ব্যুরো : 

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে প্রায় ১৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নব-নির্মিত মডেল মসজিদের উদ্বোধন ।

  সোমবার সক‌াল ১১ট‌ায় সারাদেশের জেলা উপজেলায় নির্মাণাধীন ৫৬৪টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের মধ্যে ২য় পর্যায়ে কু‌মিল্লার চৌদ্দগ্রাম ও চা‌ন্দিনা উপ‌জেলাসহ ৫০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এম‌পি

উদ্বোধনী অনুষ্ঠা‌নে প্রধানমন্ত্রীর সাথে কথা ব‌লেন নারী মুসল্লি উম্মে আরা কুলসুম বেগম ও ইমাম মুফ‌তি আবদুর র‌হিম। 

উম্মে আরা কুলসুম  বেগম উদ্বোধনকৃত  চৌদ্দগ্রামের মস‌জি‌দে প্রধানমন্ত্রীকে একসা‌থে এককাতা‌রে নামাজ আদায় করার আমন্ত্রণ জানান । 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছি‌লেন সাবেক রেলপথ মন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্য মুজিবুল হক মুজিব এমপি, চট্রগ্রাম বিভাগের (ভারপ্রাপ্ত)বিভাগীয় কমিশনার ড. প্রকাশ কান্তি চৌধুরী, চট্টগ্রাম রেঞ্জের পুলিশের এডিশনাল ডিআইজি ‌মোঃ মাহফুজুর রহমান , কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শামীম আলম, জেলা পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বিপিএম(বার), চট্টগ্রাম গণপূর্ত বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আবুল খায়ের, ইসলামী ফাউন্ডেশনের চট্রগ্রাম বিভাগের পরিচালক বোরহান উদ্দিন মোঃ আবু আহসান।          

সাবেক রেলপথ মন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্য মুজিবুল হক মুজিব এমপি ব‌লেন,‌চৌদ্দগ্রা‌মে  ম‌ডেল মস‌জিদ উদ্বোধন করায় বঙ্গবন্ধুকণ‌্যা প্রধানমন্ত্রী‌কে ধন‌্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।তিনি বলেন প্রধানমন্ত্রী যা বলেন তাই করেন। এ দেশে  যত উন্নয়ন প্রধানমন্ত্রী শেখহাসিনার দ্বারাই হয়েছে আগামীদিনেও হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এই মডেল মসজিদটিতে ৮৫০জন পুরুষ ও ৩০০জন মহিলাসহ মোট সাড়ে ১১শত মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারবেন।

আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধাসহ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত মসজিদটিতে রয়েছে ইসলামিক সাংস্কৃতিক কমেেপ্লক্স পাঠাগার, গবেষণা কেন্দ্র, ইসলামিক বই বিক্রয় কেন্দ্র, পবিত্র কোরআন হাফেজ বিভাগ, অর্টিজম কর্নার, মাস এডুকেশন প্রজেক্ট রুম, শিশুশিক্ষা, প্রতিবন্ধীদের প্রার্থনা কক্ষ, অতিথিশালা, মৃতদেহ গোসলের ব্যবস্থা, সাব-স্টেশন, হজযাত্রীদের নিবন্ধন ও প্রশিক্ষণ, ইমামদের প্রশিক্ষণ, গণশিক্ষা কেন্দ্র ও ইসলামী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে একটি পূর্ণাঙ্গ কমপ্লেক্স।

দ্বিতীয় তলায় মূল নামাজ কক্ষ, কনফারেন্স রুম, ওজুখানা, টয়লেট, হিসাব কক্ষ। ৩য় তলায় মহিলাদের জন্য নামাজ কক্ষ, মক্তব কক্ষ, ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার, ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, শিক্ষক ও সাধারণ কর্মচারীদের কক্ষ, অতিথি কক্ষ। এছাড়াও মেহেরাব, সিঁড়ি ও একটি সুউচ্চ দৃষ্টিনন্দন মিনার রয়েছে।

স্থানীয়রা  জানান মডেল মসজিদটি আমা‌দের উপজেলায় এটি সর্বপ্রথম সব সুযোগ সুবিধা সমৃদ্ধ দৃষ্টিনন্দন মসজিদ। শুধু চৌদ্দগ্রাম নয় ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়‌কে দি‌য়ে যাত‌ায়াত করা সকল মুসলমানরাই চৌদ্দগ্রাম দি‌য়ে যাওয়ার সময় নামাজ আদায় কর‌তে পার‌বেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানভীর আহম্মেদ জানান, চৌদ্দগ্রাম উপজেলার পরিষদের নব নির্মিত দৃ‌ষ্টিনন্দন মডেল মসজিদ সোমবার প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধনের পর মসজিদটি জোহরের নামাজ আদায় করেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। মসজিদটি সর্ব সাধারণ মুসল্লিদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।         

এদিকে সোমবার  কু‌মিল্লার চা‌ন্দিনা উপ‌জেলায়ও একই ডিজাইনের নান্দ‌নিক ম‌ডেল মস‌জিদ উদ্বোধন করা হ‌য়ে‌ছে।উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য প্রাণ গোপাল দত্তসহ উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা।        

সারাদেশে নির্মাণাধীন ৫৬০‌টি মডেল মসজিদের অবকাঠামো গণপূর্ত অধিদপ্তরের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হচ্ছে। বাস্তবায়নকারী সংস্থা ইসলামিক ফাউন্ডেশন। ২০২১ সালে ৩০ মার্চ দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জেটিসি বিল্ডার্স মুসজিদের নির্মাণ কাজ শুরু করে। কু‌মিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র বি-ক্যাটাগরি হিসেবে ৪০ শতাংশ জমির ওপর নির্মিত। তিন তলা বিশিষ্ট মডেল মসজিদ (টাইপ-বি) যেখানে নিচের ফ্লোরের আয়তন ১১হাজার ৫০০বর্গফুট, ২য় ও ৩য় ফ্লোরের আয়তন ৭ হাজার ৮০০ বর্গফুট। ভবনের মোট আয়তন ২৭ হাজার১০০ বর্গফুট। বাস্তবায়নে ব্যয় ১৪ কোটি ৪২ লাখ টাকা।


আরও খবর

সুখবর নেই বাজারে

Saturday ০৪ February ২০২৩




ডলারের অস্থিরতা আর কতদিন ?

প্রকাশিত:Saturday ০৭ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

জহিরুল কবীর আমজাদ :আলোচনা টেবিলে বার বার ঘুরে-ফিরে বিষয় এখন একটাই। আর তা হলো ডলার। সরকারের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানা উদ্যোগের পরও ডলার নিয়ে অস্থিরতা কাটছে না। বরং দিনের পর দিন টাকার মান কমছে, বাড়ছে ডলারের দাম। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বেঁধে দেওয়া দাম থেকে অনেক বেশি দরে বিক্রিও হচ্ছে। সবশেষ খোলাবাজারে ১২১ টাকা ছুঁয়েছে এক ডলারের বিনিময়মূল্য। সামনে আরও বাড়বে এমন গুঞ্জনও আছে বাজারে। তাই কোথায় গিয়ে থামবে ডলারের দাম আর সংকট কবে কমবে তা কারো বলার যেন সাধ্য নেই!

বিশেষজ্ঞরাও বলছেন, ডলারের এই অবস্থা দিনে দিনে কেটে যাবে এমনটা মনে করার কারণ নেই। তবে পরিস্থিতি সামাল দিতে আমদানির বিষয়ে নির্দেশনাসহ সরকারের নেওয়া উদ্যোগের সঠিক প্রয়োগ, স্বল্প এবং মধ্যমেয়াদে পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়নের কৌশল ঠিক করতে হবে। অন্যথায় পরিস্থিতি আরও বেশি খারাপ হওয়ার আশঙ্কার কথাও বলেছেন বিশেষজ্ঞরা। ইতোমধ্যেই ডলার-সংকট নিরসনে সরকার নানামুখি উদ্যোগও নিয়েছে।


এদিকে আনুষ্ঠানিক দরের বালাই নেই খোলা বাজারে। খোলা বাজারে ১১৫ টাকার বিক্রি হওয়া ডলার মাঝে একদিন আশুরার বন্ধের পর বুধবার এক লাফে সাত টাকা বেড়ে খোলা বাজারে ১২১ টাকায় পৌঁছেছে। যা দেশের ইতিহাসে খোলাবাজারে সর্বোচ্চ দর। গত সোমবারও এই দাম ছিল ১১৫ টাকা ৬০ পয়সা। অন্যদিকে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতেও ১০৮ থেকে ১১০ টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে ডলার। কিন্তু দামে রেকর্ড হওয়ার পরও ডলার সংকট কাটছে না। এর প্রভাব পড়ছে বিদেশগামী সাধারণ মানুষ, ভোক্তা, ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে সবার ওপর।


আরও খবর

কমছে আয়, বাড়ছে ব্যয়

Saturday ০৪ February ২০২৩




স্ট্রোকের বিশ্বমানের চিকিৎসা হচ্ছে দেশেই

প্রকাশিত:Wednesday ০১ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

রোকসানা মনোয়ার :স্ট্রোক একটি ঘাতক ব্যাধি। প্রতি বছর প্রায় দেড় কোটি মানুষ এ রোগের আক্রান্ত হন। এর মধ্যে মারা যান অর্ধ কোটি মানুষ আর অর্ধ কোটি পঙ্গুত্ব বরণ করেন। বিশ্বব্যাপী মৃত্যুর দ্বিতীয় কারণ এটি। মারা যাওয়াদের দুই-তৃতীয়াংশ আমাদের মত দেশে ঘটে। দিন দিন স্ট্রোক আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে।

গবেষণায় দেখা গেছে ২০৫০ সালের মধ্যে এ হার প্রায় ৮০ গুন বেড়ে যাবে। বাংলাদেশেও এ হার কিন্তু কম নয়। গবেষণায় দেখা গেছে দেশে প্রতি ১ হাজার জনে প্রায় ১২ জন স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। ঘাতক এ ব্যাধি থেকে বেঁচে থাকতে সচেতনতার বিকল্প নেই।

স্ট্রোক নিয়ে জাতীয় স্ট্রোক কনফারেন্সের আয়োজন করে বাংলাদেশ সোসাইটি অব স্ট্রোক ও নিউরোইন্টারভেনশন (বিএসএসএনআই)। কনফারেন্সে প্রধান অতিথি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক শারফুদ্দিন আহমেদ। সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রখ্যাত নিউরোলজিস্ট অধ্যাপক কাজী দীন মোহাম্মদ, অধ্যাপক আনোয়ার উল্লাহ, অধ্যাপক ফিরোজ আহম্মেদ কোরাইশি, অধ্যাপক মো. বদরুল আলম ও অধ্যাপক আবু নাসার রিজভী।

উপাচার্য অধ্যাপক শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, স্ট্রোকের চিকিৎসা যত দ্রুত করা সম্ভব তত ফলাফল ভালো হয়। স্ট্রোকের চিকিৎসায় দেরি করলে উন্নতি হওয়ার সম্ভবনা কমে যায়। তাই দেরি না করে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে। জাতীয় পর্যায়ের একজন নেতা স্ট্রোকের তিন ঘণ্টার মধ্যে বিএসএমএমইউ-তে আসলে তাকে স্ট্রোকের আধুনিক চিকিৎসা দেয়া হয়। সাত দিন পরই তিনি হেঁটে বাড়ি চলে যান।

বাংলাদেশ সোসাইটি অব স্ট্রোক ও নিউরোইন্টারভেনশনের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক কাজী মহিবুর রহমান বলেন, আমাদের দেশে স্ট্রোক রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। স্ট্রোকের আধুনিক সব চিকিৎসা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স (নিনস) হাসপাতালে হচ্ছে। সরকারি ভাবে অনেক কম খরচেই স্ট্রোকের সব আধুনিক চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশ সোসাইটি অব স্ট্রোক ও নিউরোইন্টারভেনশনের উপদেষ্টা অধ্যাপক শরীফ উদ্দিন খান বলেন, বাংলাদেশে সরকারিভাবে একমাত্র নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে নিয়মিতভাবে আইভি থ্রোম্বলাইসিস করা হচ্ছে। শুধু তাই নয় এ হাসপাতালের ইন্টারভেনশনাল নিউরোলজি বিভাগ স্ট্রোকের অত্যাধুনিক চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছে। তিনি ঢাকার বাইরের মেডিকেল কলেজগুলোকে এগিয়ে আসার আহবান জানান।

সোসাইটি অব নিউরোলজিস্ট অব বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ফিরোজ আহম্মেদ কোরাইশি, স্ট্রোকের আধুনিক চিকিৎসা আইভি থ্রোম্বলাইসিস জেলা পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের আহবান জানান।

নিউরোসায়েন্সস হাসপাতালের যুগ্ম- পরিচালক অধ্যাপক বদরুল আলম মন্ডল বলেন, নিউরোসায়েন্স হাসপাতাল স্ট্রোক চিকিৎসায় দিকপালের কাজ করছে। স্ট্রোকের অত্যাধুনিক চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছে এটি।


আরও খবর