Logo
শিরোনাম

বিস্ফোরক মামলায় নওগাঁয় বিএনপির ৯ নেতা কারাগারে

প্রকাশিত:Wednesday ০৪ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :


নওগাঁর বদলগাছী উপজেলায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দায়ের করা মামলায় উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সংগঠনের ৯ জন নেতা-কর্মীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

বুধবার ৪ জানুয়ারি দুপুরে নওগাঁর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের ঐ ৯ জন উপস্থিত হয়ে জামিনের জন্য আবেদন করেছিলেন। তবে বিজ্ঞ আদালতের বিচারক মোঃ আবু শামীম আজাদ তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

কারাগারে যাওয়া ব্যক্তিরা হলেন, নওগাঁর বদলগাছী উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষকদলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক ফজলে হুদা বাবুল, বদলগাছী উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি জাকির হোসেন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাদি চৌধুরী ও দম্পর সম্পাদক শাহিন হোসেন, উপজেলার কোলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ওমর ফারুক, বালুভরা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বিদ্যুৎ হোসেন, মিঠাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, মথুরাপুর ইউনিয়ন যুবদলের সহভাপতি রুস্তম আলী এবং  বদলগাছী উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি দুলাল মোহরী।

মামলার এজহার সূত্রে জানা যায়, গত ২২ নভেম্বর সন্ধ্যায় বদলগাছী উপজেলা সদরে আওয়ামী লীগের শোক র‌্যালিতে কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।  বিএনপি ও এর অঙ্গ-সংগঠেনর নেতা-কর্মীরা

বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে এমন অভিযোগে উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি ছানাউল হোসেন বাদী হয়ে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সংগঠেনর ১৮ নেতা-কর্মীর নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১৫০ জনের বিরুদ্ধে বদলগাছী থানায় মামলা করেন। ঐ দিন রাতেই উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে বিএনপির আট নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করে থানা পুলিশ। ঘটনার পর থেকে মামলায় বাকী আসামিরা পলাতক ছিলেন ।

আজ দুপুরে নওগাঁ জেলা ও দায়রা জজ আবু শামীম আজাদের আদালতে ওই মামলার নয় আসামি হাজির হয়ে জামিনের জন্য আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক আসামিদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী আব্দুর রাজ্জাক এ তথ্য নিশ্চিত করেন।


আরও খবর



বিদ্যুতের দাম ১৫% বাড়ানোর সুপারিশ

প্রকাশিত:Monday ০৯ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

জহীরুল কবির আমজাদ : গ্রাহকপর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ১৫ দশমিক ৪৩ শতাংশ বাড়ানোর সুপারিশ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। রবিবার (৮ জানুয়ারি) বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির গণশুনানিতে এ সুপারিশ করে বিইআরসির কারিগরি কমিটি। 

পল্লীবিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি) জানিয়েছে, গ্রাহকপর্যায়ে বিদ্যুতের দাম না বাড়লে তাদের ১ হাজার ১২৭ কোটি টাকা ক্ষতি হবে। একইভাবে পিডিবি ২৩৪ কোটি, ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ডিপিডিসি) ১ হাজার ৫৫১ কোটি, ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি (ডেসকো) ১ হাজার ৪০২ কোটি টাকা, নর্দান ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি (নেসকো) বলছে, তাদের ৫৩৫ কোটি টাকা লোকসান হবে। ওয়েস্টজোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানিও (ওজোপাডিকো) তাদের ক্ষতির কথা জানিয়েছে।

গত ২১ নভেম্বর বিদ্যুতের পাইকারি দাম ১৯ দশমিক ৯২ শতাংশ বৃদ্ধি করে বিইআরসি। এরপর বিদ্যুতের খুচরা মূল্যবৃদ্ধির আবেদন করে পাঁচটি প্রতিষ্ঠান। সবগুলো প্রতিষ্ঠান বলছে পাইকারি দাম বৃদ্ধির পর খুচরা দাম না বাড়ালে তারা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে। সেসব আবেদন কারিগরি কমিটিতে মূল্যায়ন শেষে তা গণশুনানিতে আসে।

সবশেষ ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে সব পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়। সে সময় পাইকারিতে দাম ৮ দশমিক ৪ শতাংশ বাড়ানোর পাশাপাশি সাধারণ গ্রাহক বা খুচরাপর্যায়ে ৫ দশমিক ৩ শতাংশ বাড়ানো হয়।


আরও খবর

সুখবর নেই বাজারে

Saturday ০৪ February ২০২৩




তুমি তোমার কাজ করে যাও, থেমে যেওনা

প্রকাশিত:Tuesday ২৪ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান চৌধুরী, শিক্ষাবিদ :

তোমাকে নিয়ে মানুষ হাসছে, ঠাট্টা-বিদ্রুপ করছে, তাদের করতে দাও, বাধা দিওনা | তুমি তোমার কাজ করে যাও | থেমে যেওনা | একটা কথা সব সময় মনে রেখো, পৃথিবীতে আজ যাদের আমরা সফল মানুষ বলে জানি,  একদিন তাদের দেখেও  মানুষ হেসেছিলো, ঠাট্টা-বিদ্রুপ করেছিল | তারা থেমে যায়নি | তাদের কাজ থেকে এতটুকু  সরে যায়নি বরং মানুষের এই অবহেলা, অবজ্ঞা, অপমানকে তারা চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছিল, কিন্তু তাদের বুঝতেও দেয়নি | হয়তো তারা কেঁদেছিলো, নীরব যন্ত্রনায় পুড়েছিল, আঘাতের ক্ষত চিহ্ন তারা বয়ে  বেড়াচ্ছিল | কিন্তু কখনো কারো সহানুভূতি চায়নি, কারো ভালোবাসা পেতে নিজেদের ব্যক্তিত্বকে হারিয়ে ফেলেনি, কখনো কারো কাছে তাদের বুকের ভিতরে জমে থাকা কষ্টগুলো প্রকাশ করেনি | কারণ তারা জানতো, মানুষের কাছে কখনো দুর্বলতা প্রকাশ করতে নেই |  

মানুষ দুর্বলদের উপর বুভুক্ষু শুকুনির মতো ঝাঁপিয়ে পড়তে ভালোবাসে  | নিজের বড়ত্ব দেখানোর নাম করে সর্বস্ব কেড়ে নিতে এতটুকু ছাড় দেয়না |  বাস্তবতা হলো মানুষ মানুষের অসহায়ত্ব নিয়ে খেলতে ভালোবাসে, মানুষের দুঃখকে পুঁজি করে নিজের লাভটা কড়ায় গন্ডায়  বুঝে নিতে বিন্দুমাত্র কার্পণ্য করেনা  |  

মানুষ অভিনয় করে হয়তো মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে সহানুভূতি, আবেগ, ভালোবাসা দেখানোর চেষ্টা করবে | সেটা মেরুদন্ড ভেঙে দেবার একটা কৌশল, সেটা মানুষের ভিতর জেগে উঠা স্বপ্নকে মুছে ফেলার একধরণের সুপ্ত কূটনীতি  | কূটনীতি থেকে মানুষকে গিনিপিগ বানানোর রাজনীতিও হয়ে উঠতে পারে সেটা | সহানুভূতি, আবেগ, ভালোবাসা কখনো কখনো আত্মঘাতী হয়, মানুষকে তার লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত করে |  মিথ্যে ভালোবাসায় লোকদেখানো অতি আবেগ থাকে, ভালোবাসা সত্য হলে সেখানে আগুনে পোড়া রুটির মতো কঠিন বাস্তবতা থাকে |  

তোমার মনকে শক্ত করো, মাটিকে খড়কুটোর মতো  আঁকড়ে ধরো, প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়তে লড়তে তোমার স্বপ্নকে অতিক্রম করতে শেখো | মনে রেখো স্বপ্নের পিছনে ছোটা মানে স্বপ্নের কাছে পরাজয় মেনে নেওয়া, তোমাকে এমনভাবে ভেঙে ভেঙে গড়ে তুলো যাতে স্বপ্ন তোমার পিছনে ছুটতে  ছুটতে  ক্লান্ত হয়ে পড়ে  |  যেদিন দেখবে তুমি তোমার স্বপ্নের চেয়েও এগিয়ে গেছো  সেদিন তোমার কাছে স্বপ্নগুলো বাস্তবতা হয়ে হার মানতে বাধ্য হবে | তুমি তোমাকে চেনো, তোমার ভিতরের ঘুমন্ত মানুষটাকে চেনো, তাকে ঘুম থেকে জাগিয়ে তোলো | হয়তো তখন দেখবে তুমি এমন কিছু সৃষ্টি করেছো যা ইতিহাসের সব সৃষ্টিকে হার মানিয়েছে, সময়কেও তোমার পিছনে ফেলে দিয়েছে |   

এই পৃথিবীতে বড় হতে হলে অনেক ছোট হতে হয়, সবার পিছনে দাঁড়িয়ে নিজের পিছিয়ে পরার কষ্টটাকে আনন্দ  বানাতে হয়, অবহেলা, অযত্নকে মেনে নিয়ে নিজের ভিতরের অমিত শক্তিটাকে খুঁজতে হয় |  মনে রেখো এই পৃথিবীতে তুমি কখনো হাত ধরে উপরে তোলার মানুষ পাবেনা, তোমার বড় হয়ে উঠার কঠিন লড়াইকে কেউ মেনে নিতে চাইবেনা, তুমি যতই নিজেকে প্রমান করো না কেন মানুষ তা কখনো স্বীকার করে নেবেনা | 

তারপরও তুমি তোমার হাত ছেড়োনা, তুমি তোমার লড়াইটা থামিয়ে দিওনা, তুমি তোমাকে প্রমান করার চেষ্টাটা বন্ধ করোনা | মনে রেখো পৃথিবীটা খুব নির্মম | পৃথিবীর মানুষের বিচারে তুমি যদি ফেল করো তাহলে বুঝে নিও  তুমি পাশ করেছো | কারণ মানুষ যা ভাবে তা বলেনা, মানুষ যা বলেনা মানুষ সেটাই ভাবে | 

তুমি তোমাকে বিচার করতে শেখো, নিজেকে বিচার করতে শিখলে মানুষের বিচারের জন্য কখনো বসে থাকতে হয়না | আর একটা কথা সব সময় মনে রেখো  যে  মানুষরা তোমাকে দেখে একদিন  হেসেছিলো, অপমান করার খেলায় মেতেছিলো সময়ের স্রোতে  তারা ভেসে যাবে একদিন, ইতিহাসও  তাদের কখনো মনে রাখেনি, রাখবেনা কোনোদিনও  |


আরও খবর



পারমাণবিক হামলার হুমকি রাশিয়ার

প্রকাশিত:Friday ২০ January ২০23 | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

ইউক্রেনে রাশিয়া হেরে গেলে পারমাণবিক যুদ্ধ হবে। বৃহস্পতিবার ন্যাটোকে সতর্ক করে একথা বলেছেন রাশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ।

এক টেলিগ্রাম বার্তায় মেদভেদেভ বলেন, প্রথাগত যুদ্ধে একটি পারমাণবিক ক্ষমতাধর দেশ হেরে গেলে পারমাণবিক যুদ্ধের সূচনা হতে পারে। তিনি আরও বলেন, পরমাণু শক্তিগুলো কখনো বড় ধরনের সংঘাতে হারে না। কারণ এর ওপর তাদের ভাগ্য নির্ভর করে। তাই, ন্যাটো ও অন্যান্য পশ্চিমা প্রতিরক্ষা নেতাদের উচিত যুদ্ধ নীতির ঝুঁকি বিবেচনা করা। মেদভেদেভ বর্তমানে পুতিনের নিরাপত্তা কাউন্সিলের ডেপুটি চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি রাশিয়ার বর্তমান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ঘনিষ্ঠ হিসেবেও পরিচিতি।


আরও খবর



অবৈধ স্টান্ড উচ্ছেদের দাবিতে মানববন্ধন

প্রকাশিত:Saturday ১৪ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image
নারায়ণগঞ্জে যানজট নিরসনে

বুলবুল আহমেদ সোহেল :

নারায়ণগঞ্জে যানজট নিরসনে চাষাঢ়ায় মৌমিতা বাসসহ সকল অবৈধ স্ট্যান্ড শহর থেকে উচ্ছেদ হকার্সমুক্ত ফুটপাত এবং পুলিশ ফাঁড়ি ও ডাক বাংলোর ছেড়ে দেয়া রাস্তা দ্রুত নির্মাণ করার দাবীতে মানববন্ধন করেছে আমরা নারায়ণগঞ্জবাসী সংগঠন। শনিবার সকালে নগরীর চাষাঢ়ায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। মানববন্ধনে আমরা নারায়ণগঞ্জবাসী সংগঠনের সভাপতি নুর উদ্দিনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন নারায়ণগঞ্জ নাগরিক কমিটির সভাপতি এ বি এম সিদ্দিক, কুতুব উদ্দিনসহ নেতৃবৃন্দ।

মানববন্ধনে বক্তাগন প্রশাসনের প্রতি নারায়ণগঞ্জে যানজট নিরসনে চাষাঢ়ায় মৌমিতা বাসসহ সকল অবৈধ স্ট্যান্ড শহর থেকে উচ্ছেদ দাবী জানিয়ে বলেন, মৌমিতা বাস গুলির অনুমতি না থাকা সত্ত্বেও চাষাঢ়ায় এসে প্রতি নিয়ত যানজটের সৃষ্টি করছে। অবিলম্বে এ বাস চাষাঢ়ায় আসা বন্ধ করতে হবে। ফুটপাতের অবৈধ দখল মুক্ত করতে হবে। বক্তগন বলেন, এ সব বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে কঠোর আন্দোলন করা হবে।


আরও খবর



শীতের দাপট থাকবে কয়েকদিন

প্রকাশিত:Friday ২০ January ২০23 | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

মইনুল ইসলাম মিতুল :মৌলভীবাজারে মাঘের প্রথম সপ্তাহে আবারো জেঁকে বসেছে শীত। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৫ দশমিক ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এটি এখন পর্যন্ত সবচেয়ে কম তাপমাত্রা। উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহের পর এবার শুরু হয়েছে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। হিমেল বাতাস আর ঘন কুয়াশায় বিপর্যস্ত জনজীবন। তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিকে তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। বেড়েছে ঠাণ্ডাজনিত রোগের প্রকোপ। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে শিশু ও বয়স্করা।

মাঝারি ও মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বইছে ২৭ জেলায়। শীতের সঙ্গে ঘন কুয়াশায় বিপর্যস্ত জনজীবন। কষ্টের জীবন কাটছে ছিন্নমূল মানুষের। আরো কিছু দিন শীতের দাপট চলবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

বিভিন্ন স্থানে কুয়াশায় ঢেকে থাকে প্রকৃতি। শীত আর কুয়াশার কারণে প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না কেউ। তারপরও জীবিকার তাগিদে ঘরে বসে থাকলে চলে না অনেকের। মাঘের শীত যতই কাঁপন ধরাক হাড়ে, কাজে বের হওয়ায় নিস্তার নেই।

ঘন কুয়াশা আর সূর্য কিরণের অভাবে দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমেছে। চলতি মাসে দেশের কোথাও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রির উপরে ছিল না। আর ঢাকায় এ মাসে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১ দশমিক ৭ ডিগ্রি।

এদিকে আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস বলছে, শৈত্যপ্রবাহ থাকবে আরো কিছু দিন। বাড়বে বিস্তৃতি। নতুন করে আরো কিছু জেলায় ওপর দিয়ে বইতে পারে শৈত্যপ্রবাহ।


আরও খবর

সুখবর নেই বাজারে

Saturday ০৪ February ২০২৩