Logo
শিরোনাম

বিশ্ববাজারে বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম

প্রকাশিত:বুধবার ২৪ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ০৫ জুন ২০২৩ | ১১৯জন দেখেছেন

Image

আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ১ ডলার বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে মজুত বৃদ্ধি পেয়েছে। সেই সঙ্গে সরবরাহ আঁটসাঁট হয়েছে। পাশাপাশি ওপেক প্লাসের উত্তোলন কমার আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে। ফলে জ্বালানি পণ্যটির দর বৃদ্ধি পেয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য পাওয়া গেছে। এতে বলা হয়, বুধবার (২৪ মে) আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক অপরিশোধিত ব্রেন্টের দাম ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে ৬৮ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৯ শতাংশ। প্রতি ব্যারেলের মূল্য স্থির হয়েছে ৭৭ ডলার ৫২ সেন্টে।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের বেঞ্চমার্ক অপরিশোধিত ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দর বৃদ্ধি পেয়েছে ৭৫ সেন্ট বা ১ শতাংশ। ব্যারেলপ্রতি দাম নিষ্পত্তি হয়েছে ৭৩ ডলার ৬৬ সেন্ট।

ওএএনডিএর জ্যেস্ঠ বিশ্লেষক এডওয়ার্ড মোয়া বলেন, সৌদি আরব তেলের উত্তোলন আরও কমানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে। ফলে জ্বালানি পণ্যটির দাম চড়া হতে শুরু করেছে।

আগামী ৪ জুন বৈঠকে বসবে তেল উৎপাদনকারী দেশগুলো এবং তাদের মিত্রদের জোট ওপেক প্লাস। সেখানেই জ্বালানিটির উৎপাদন কমানোর ঘোষণা আসতে পারে।

ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে লেখা এক নোটে সিএমসি মার্কেটস বিশ্লেষক টিনা টেঙ বলেন, মূল্য স্থিতিশীল রাখতে তেলের উত্তোলন আরও কমাতে পারে ওপেক প্লাস। এতে জ্বালানি পণ্যটির দামে উত্থান ঘটেছে।


আরও খবর



নওগাঁয় প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ০৫ জুন ২০২৩ | ৭০জন দেখেছেন

Image

নওগাঁয় এক প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করেছেন থানা পুলিশ।

নওগাঁর রাণীনগর থানা পুলিশ মঙ্গলবার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল রাতলাই গ্রামে পৌছে প্রাথমিক সুরত হাল রিপোর্ট অন্তে মৃতদেহটি উদ্ধার পূর্বক বুধবার ময়না তদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরন করেন। 

পারিবারিক ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গৃহবধূ জোসনা বিবি (৩৫) এর স্বামী প্রবাসে থাকেন। স্বামী প্রবাসে থাকলে গৃহবধূ জোসনা বিবি তার সন্তানকে নিয়ে স্বামীর বাড়িতে বসবাস করতেন। ঘটনার কয়েক দিন পূর্বে গৃহবধূ জোসনা বিবি ভাত খাবারের জন্য গ্রামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে বাঁকিতে ১২ মণ ধান ক্রয় করেন। সেই ব্যাক্তি   ধানের মূল্য টাকা নিতে আসেন জোসনা বিবির বাড়িতে। 

এসময় প্রবাসী ছেলে বউ জোসনা ঘড়ে ঐ ব্যাক্তিকে দেখে পরকীয়া সম্পর্ক'র সন্দেহ জাগে গৃহবধূ জোসনা বিবির শশুরের মনে। ঐ ঘটনায় মঙ্গলবার সকালে গৃহবধূ জোসনা বিবি ও তার শশুর সহ পরিবারের লোকজনের মাঝে বিবাদ হয়।এরপর মঙ্গলবার বিকালে জোসনা বিবির প্রবাসী স্বামী প্রবাস থেকে ছেলের কাছে ফোন কথা বলার জন্য তার মাকে ফোন দিতে বলেন, এসময় ছেলে তার মাকে ঘড়ে না পেয়ে বাড়ির বাহিরে খোঁজনিয়ে দেখতে না পেয়ে এক পর্যায়ে বাড়ির রান্না ঘরে গিয়ে মাকে গলায় দড়ি পেঁচানো ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। মহূর্তের মধ্যে ঘটনাটি জানাজানি হলে গ্রামের শোকাহত লোকজন সেখানে ভীড় জমান। পরে পরিবার থেকে মৃত্যুর ঘটনাটি থানা পুলিশ কে জানালে খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে প্রাথমিক সুরতহাল রিপোর্ট অন্তে ময়না তদন্তের জন্য মৃতদেহটি উদ্ধার করে নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেন পুলিশ। এব্যাপারে থানায় একটি ইউডি মামলা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন থানার অফিসার ইনচার্জ।


আরও খবর



ড. ইউনূসের কর ফাঁকির অভিযোগ প্রমাণিত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ জুন ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ০৫ জুন ২০২৩ | ৪৫জন দেখেছেন

Image

কর ফাঁকির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় প্রায় ১২ কোটি টাকা পরিশোধ করতে গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। বুধবার (৩১ মে) বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার ও বিচারপতি রাশেদ জাহাঙ্গীরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নোটিসের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের করা তিনটি আয়কর রেফারেন্স মামলা খারিজ করে দিয়েছে আদালত।

আদালতে ড. ইউনূসের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মুস্তাফিজুর রহমান খান, সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী সুমাইয়া ইফরিত বিনতে আহমেদ। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন, সঙ্গে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ফারজানা রহমান।

অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন বলেছেন, নিজের চিকিৎসা, দেশ-বিদেশে যাওয়ার জন্য অর্থ খরচ করছেন। স্ত্রী ও সন্তান ট্রাস্ট থেকে ভাতা পাবেন বলা হয়েছে। যে কারণে মৃত্যুচিন্তা করে তিনি ট্রাস্টে দান করেননি। উনি কর পরিহার করার চেষ্টা করেছেন। রেফারেন্সে প্রশ্ন উত্থাপন করা হয়। কর আরোপ নিয়ে আদেশ সঠিক কি না? রায়ে কর আরোপের সিদ্ধান্ত সঠিক বলা হয়েছে। রেফারেন্স আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন। খারিজের ফলে আরোপিত দানকর দিতে হবে। এই অর্থের পরিমাণ ১২ কোটি টাকার বেশি হবে।

ড. ইউনূসের আইনজীবী মুস্তাফিজুর রহমান খান বলেন, হাইকোর্টের রায়ের প্রত্যায়িত অনুলিপি পাওয়া সাপেক্ষে আপিল করা কিংবা দানের বিপরীতে আরোপিত কর পরিশোধ বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

আইনজীবীদের তথ্য মতে, প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস ট্রাস্ট, ইউনূস ফ্যামিলি ট্রাস্ট এবং ইউনূস সেন্টার ট্রাস্ট এই তিন ট্রাস্টে ড. ইউনূস দান করেন। তিনটি ট্রাস্টে তার দান করা অর্থের পরিমাণ ৭৬ কোটি ৭৩ লাখ ৩৪ হাজার টাকা। পরে ডেপুটি কমিশনার অব ট্যাক্সেস (ডিসিটি) মূল্যায়ন করে ২০১১-১২, ২০১২-১৩ এবং ২০১৩-১৪ করবর্ষের জন্য ওই অর্থের ওপর দানকর হিসেবে ১৫ কোটি ৩৯ লাখ ১৬ হাজার ৮০০ টাকা আরোপ করেন। দানকর আরোপের বিরুদ্ধে ড. ইউনূস কমিশনার অব ট্যাক্সেসে আপিল করে বিফল হন। ডিসিটির সিদ্ধান্ত বহাল থাকে।

এরপর কর ট্রাইব্যুনালে আপিল করে বিফল হন ড. ইউনূস। এ অবস্থায় ২০১৫ সালে হাইকোর্টে পৃথক তিনটি আবেদন (রেফারেন্স) করেন তিনি। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ওই বছরের ২ এপ্রিল হাইকোর্ট রুল দিয়ে দানকর আদায়ে নোটিশের কার্যক্রম অন্তর্বর্তীকালীন সময়ের জন্য স্থগিত করেন। এরপর রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত স্থগিতাদেশের মেয়াদ বাড়ানো হয়। সম্প্রতি রাষ্ট্রপক্ষ এ সংক্রান্ত রুল শুনানির জন্য উদ্যোগ নেয়। আবেদনগুলো ১৬ মে কার্যতালিকায় উঠলে সেদিন আদালত শুনানির জন্য ২৩ মে দিন রাখেন। সেদিন আবেদনগুলোর ওপর শুনানি শেষে রায়ের জন্য দিন রাখে হাইকোর্ট। বুধবার সেই রায় ঘোষণা করা হলো।


আরও খবর



প্রবৃদ্ধি অর্জনে চীনকে ছাড়িয়ে যাবে বাংলাদেশ

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ জুন ২০২৩ | ১৪৯জন দেখেছেন

Image

চলতি অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির হারে চীনকে ছাড়িয়ে যাবে বাংলাদেশ। শুধু তাই নয়, এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অন্য কয়েকটি দেশের তুলনায় বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি বেশি হবে।

আর আগামী অর্থবছরে এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ প্রবৃদ্ধি অর্জনে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকবে। শীর্ষে থাকবে ভিয়েতনাম। ওই বছরে প্রবৃদ্ধির দিক থেকে চীন ও ভারতকেও ছাড়িয়ে যাবে বাংলাদেশ।

আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের (আইএমএফ) প্রকাশিত রিজিয়নাল ইকোনমিক আউটলুক মে ২০২৩ শীর্ষ প্রতিবেদনে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

 ৩ মে আইএমএফ প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে। প্রতিবেদনটি নিয়ে বৃহস্পতিবার (৪ মে) আইএমএফের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের পরিচালক কৃষ্ণা শ্রীনিবাসন সংবাদ সম্মেলন করেন। ওই সময় তিনি এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা ও প্রবৃদ্ধির চিত্র তুলে ধরেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপির প্রবৃদ্ধি হবে সাড়ে ৫ শতাংশ, চীনের হবে ৫ দশমিক ২ শতাংশ। চীনের চেয়ে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির হার বেশি হচ্ছে দশমিক ৩ শতাংশ। তবে চীনের অর্থনীতি বাংলাদেশের আকারের চেয়ে অনেক বড়। একই সঙ্গে ভারতসহ আরও অনেক দেশের অর্থনীতির আকার বাংলাদেশের চেয়ে বড়। শুধু বার্ষিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের দিক থেকে বাংলাদেশ অনেক দেশের চেয়ে এগিয়ে থাকছে।

চলতি অর্থবছরে ভারতের প্রবৃদ্ধি হবে ৫ দশমিক ৯ শতাংশ। ভারতের চেয়ে বাংলাদেশের দশমিক ৪ শতাংশ কম হচ্ছে। বাংলাদেশের চেয়ে বেশি হচ্ছে ভিয়েতনাম, ফিলিপাইন ও কম্বোডিয়ার প্রবৃদ্ধি। তবে অন্য দেশগুলোর প্রবৃদ্ধি বাংলাদেশের চেয়ে কম হচ্ছে। এর মধ্যে ইন্দোনেশিয়ার ৫ শতাংশ, মালয়েশিয়ার সাড়ে ৪ শতাংশ, মিয়ানমারের ২ দশমিক ৬ শতাংশ, নেপালের ৪ দশমিক ৪ শতাংশ এবং থাইল্যান্ডের ৩ দশমিক ৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হচ্ছে। শ্রীলঙ্কার কোনও প্রবৃদ্ধি হবে না। তবে তা নেতিবাচক ৩ শতাংশ হবে। আগামী অর্থবছরে দেশটি প্রবৃদ্ধির ধারায় ফিরবে। ওই বছরে তাদের প্রবৃদ্ধি দেড় শতাংশ হতে পারে।

আগামী অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে সাড়ে ৬ শতাংশ, যা এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে শীর্ষ স্থানের দিক থেকে দ্বিতীয়। ৬ দশমিক ৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করে শীর্ষে থাকবে ভিয়েতনাম। ওই বছরে চীন ও ভারতের প্রবৃদ্ধির হার বাংলাদেশের চেয়ে কম হবে। চীনের হবে ৪ দশমকি ৫ শতাংশ, ভারতের ৬ দশমিক ৩ শতাংশ। অন্য সব দেশের প্রবৃদ্ধি বাংলাদেশের চেয়ে কম হবে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বৈশ্বিক মন্দা কাটিয়ে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলো দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। বৈশ্বিক জিডিপিতে এশিয়ার অবদান হবে ৭০ শতাংশ। এর মধ্যে চীনের এককভাবে ৩৪ দশমিক ৯ শতাংশ, ভারতের ১৫ দশমিক ৪ শতাংশ, বাংলাদেশের ১ দশমিক ৮ শতাংশ, মধ্যপ্রাচ্যের ৭ দশমিক ৮ শতাংশ, ইউরোপের ৭ দশমিক ১ শতাংশ, আফ্রিকার ৪ শতাংশ।

 


আরও খবর



আসছে ৭ লাখ ৫৯ হাজার কোটি টাকার বাজেট

প্রকাশিত:বুধবার ২৪ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ০৫ জুন ২০২৩ | ১০৭জন দেখেছেন

Image

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) থেকে ঋণ নেওয়ার সময় সংস্থাটির পক্ষ থেকে বাংলাদেশ সরকারকে কয়েকটি নির্দেশনা ও শর্ত দেওয়া হয়েছে। এ সব নির্দেশনার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে জ্বালানি খাতে ভর্তুকি পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া। গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে সরকার প্রাথমিক পর্যায়ে এ ক্ষেত্রে কিছু পদক্ষেপ নিয়েছিল। এতে মূল্যস্ফীতির প্রভাবে নিম্ন ও মধ্যবিত্তদের জীবনে দেখা দিয়েছে আর্থিক অনটন। আগামী সংসদ নির্বাচনে সাধারণ মানুষের সমর্থন পেতে চায় সরকার। একারণে আইএমএফের নির্দেশগুলোর সবদিক বাস্তবায়ন করার ক্ষেত্রে সরকার ধীরে চল নীতি গ্রহণ করেছে।

আসন্ন ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে বিভিন্ন প্রকার জ্বালানি তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতে ভর্তুকি থাকবে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন বিভাগের সঙ্গে অর্থমন্ত্রীর বিভিন্ন বৈঠক এবং একাধিক সরকারি সূত্রে এসব কথা জানা গেছে। এছাড়া জানা গেছে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে হবে ৭ লাখ ৫৯ হাজার কোটি টাকার।

আর্থিক খাত সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রের বরাতে জানা গেছে, সাম্প্রতিককালে কেন্দ্রিয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে গেলে চাপে পড়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল থেকে ঋণের জন্য আবেদন করে সরকার। তবে এই ঋণ যেন যথাসময়ে পরিশোধ হয়, সেজন্য সংস্থাটির পক্ষ থেকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানিসহ বিভিন্ন খাতে ভর্তুকি কমানোসহ বেশ কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে সরকারকে। এসব নির্দেশনা মানায় এরই মধ্যে ঋণের প্রথম কিস্তির টাকা পেয়েছে সরকার।

তবে গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর ফলে একদিকে যেমন সাধারণ মানুষের জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে, অপরদিকে এসবের কারণে নিত্যপণ্যের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় স্বল্প ও মাঝারি আয়ের পরিবারগুলো সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছে। মানুষকে এই আর্থিক কষ্ট থেকে পরিত্রাণ দিতে এবার আইএমএফের নির্দেশনাগুলোকে পাশ কাটাতে যাচ্ছে সরকার। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, সরকার চাইলেও আগামী বাজেটে ভর্তুকি খুব বেশি কমাতে পারবে না। কারণ চাপে থাকা অর্থনীতিতে গতিসঞ্চার করতে হবে। সেক্ষেত্রে কয়েকটি খাতে ভর্তুকি কমানো যাচ্ছে না। আইএমএফের চাপ ও শর্ত সত্ত্বেও না, এমনই ভাবছেন সরকারের নীতিনির্ধারকরা।

বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাজেটের আকার ছিল ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকা। কিন্তু আসন্ন ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে এই আকার ৭ লাখ ৫৯ হাজার কোটি টাকায় দাঁড়াতে পারে, যা গত অর্থবছরের চেয়ে ১৩ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি। পাশাপাশি ভর্তুকির আকারও বাড়ানো হবে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে ভর্তুকির পরিমাণ ছিল ৮১ হাজার ৪৯০ কোটি। কিন্তু আসন্ন বাজেটে এই পরিমাণ ৩৫ শতাংশ বাড়িয়ে ১ লাখ ৫ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাব করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থাপনা ও সম্পদ কমিটি। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গ্যাস খাতে চলতি অর্থবছর ৬ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়েছে সরকার।

ধারণা করা হচ্ছে, আগামী বাজেটেও ভর্তুকি এই পরিমাণ অব্যহত থাকবে। কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, সম্প্রতি স্পট মার্কেটে এলএনজির দাম বেড়ে যাওয়ায় আমদানি কমিয়েছে সরকার। আগামী অর্থবছরেও এই খাতে তেমন কোনো পরিবর্তন আসছে না। তবে বিদ্যুৎ খাতে চলতি অর্থবছরে ভর্তুকি ১৭ হাজার কোটি টাকা রাখা হলেও সংশোধিত বাজেটে তা আরো ৬ হাজার কোটি টাকা বাড়িয়ে মোট ২৩ হাজার কোটি টাকা করা হয়েছে। আসন্ন বাজেটে এই খাতে ভর্তুকি আরো বাড়তে পারে।

সূত্র জানায়, গত এপ্রিলে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে কো-অর্ডিনেশন কাউন্সিল অন বাজেট ম্যানেজমেন্ট, কারেন্সি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ রেটের এক সভায় বিদ্যুৎ সচিব বলেছেন, প্রতি মাসে বিদ্যুতের দাম ৫ শতাংশ হারে বাড়ানোর কথা থাকলেও গতমাসে তা বাড়ানো হয়নি। আগামী দুমাসের মধ্যে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সম্ভাবনা নেই। সে সময় অর্থ বিভাগের এক কর্মকর্তা সভা শেষে গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, ব্যবসায়ীরা প্রতিমাসে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয়ের দাবি জানিয়েছে। কিন্তু সরকার প্রতি তিন মাস অন্তর অন্তর আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী জুলাই থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হতে পারে। এর বাইরে কৃষি উৎপাদনকে প্রাধান্য দিয়ে সারে ভর্তুকিও বাড়তে পারে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

তারা বলেছেন, বিশ্ববাজারে সারের দাম কিছুটা কমলেও এখন পর্যন্ত কোভিডপূর্ব মূল্যে ফিরে আসেনি। ফলে এই খাতে ভর্তুকি বাড়বে। বর্তমান বাজেটে এই খাতের জন্য বরাদ্দ আছে ২৬ হাজার কোটি টাকা। এদিকে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে খাদ্য ভর্তুকিসহ সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতা বাড়াচ্ছে সরকার।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, আগামী অর্থবছরে খাদ্য ভর্তুকিতে ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা বাড়তি বরাদ্দ রাখা হতে পারে। টিসিবির মাধ্যমে এক কোটি পরিবারকে কমমূল্যে খাদ্যপণ্য দেওয়াসহ সরকার পরিচালিত খোলা বাজারে বিক্রয় (ওএমএস) এবং ভালনারেবল গ্রুপ ডেভেলপমেন্ট (ভিজিডি) কর্মসূচিগুলোর সরবরাহ ঠিক রাখতে এই বাড়তি বরাদ্দ রাখা হচ্ছে। এছাড়া বয়স্কভাতা, বিধবা ভাতা ও প্রতিবন্ধী ভাতার মতো সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় উপকারভোগীর সংখ্যা ৭ লাখ ৩৫ হাজার বাড়ানো হচ্ছে। শুধু উপকারভোগীর সংখ্যাই নয়, মাসিক ভাতার হারও বাড়ানো হচ্ছে এসব খাতে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে এই খাতে বরাদ্দের পরিমাণ ছিল ১ লাখ ১৩ হাজার কোটি টাকা, যা এখন প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকায় দাঁড়াবে।


আরও খবর



ফুলবাড়িতে আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ০৩ জুন ২০২৩ | ১০৭জন দেখেছেন

Image

উত্তম কুমার মোহন্ত,ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) 

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়িতে উপজেলা আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের বর্ধিত সভা অনুষ্টিত হয়েছে।

রবিবার ০৭ (মে) উপজেলা আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের আহ্বায়ক, আতাউর রহমান রতন এর সভাপতিত্বে,যুগ্ন আহ্বায়ক সেরাজুল ইসলাম সেরার সঞ্চলনায় বিকেল চারটায় পোদ্দার মার্কেট উপজেলা আওয়ামীলীগের কার্যালয়ে এ বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।


এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক, জননেতা আহাম্মদ আলী পোদ্দার রতন, কুড়িগ্রাম জেলা আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের সহ-সভাপতি আব্দুর রউফ সরদার (রপু) সহ-সভাপতি আমানত উল্লাহ বুলু, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম মোস্তফা,যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক, সোহেল আহমদ, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক আতাউর রহমান, সদস্য কামাল হোসেন প্রমুখ।বর্ধিত সভায় উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর