Logo
শিরোনাম

বিশ্বব্যাংকের সামনে আনন্দ সমাবেশ করবে আওয়ামী লীগ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

পদ্মা সেতু উদ্বোধনের দিনে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত বিশ্বব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনের আনন্দ সমাবেশের প্রস্তুতি নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ। আগামী ২৪ জুন বিকেল ৩টায় এ আনন্দ সমাবেশ হবে। এ উপলক্ষে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনসমূহ।

যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান জানান, ২৫ জুন সকাল ১০টায় (বাংলাদেশ সময়) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বপ্নের ঐতিহাসিক পদ্মা সেতুর উদ্বোধনকালে ২৪ জুন বিকেল ৩টা (যুক্তরাষ্ট্র সময়) ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত বিশ্বব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনের আনন্দ সমাবেশের প্রস্তুতি নিয়েছে। আনন্দ সমাবেশে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ, সকল অঙ্গসংগঠন ও আওয়ামী লীগ সমর্থিত সকল প্রবাসীর যথাসময়ে উপস্থিত থেকে সমাবেশকে সফল ও সার্থক করার আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের নেতারা।

উল্লেখ্য, ২০১২ সালে পদ্মা সেতু প্রকল্প নিয়ে বিশ্বব্যাংক প্রধানমন্ত্রী ও তার সরকার এবং তার পরিবারের সদস্যদের নামে মিথ্যাচারের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ। প্রতিবাদের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ এক হাজারের বেশি নেতাকর্মী নিয়ে ২০১২ সালের ১১ জুন বিশ্বব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে প্রতিবাদ ও অবরোধ করে ইতিহাসে সৃষ্টি করে, যা পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রী এক বক্তৃতায় উল্লেখ করেন।


আরও খবর



সংবিধান দিবসে আইনমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিবাদ

প্রকাশিত:শনিবার ০৫ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

বিদেশী প্রভূ ও তাদের এজেন্টদের খুশি করতে সরকার 'রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম' বাতিল করতে চায়

     ----ইসলামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম পরিষদ  

সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়ার জন্য অপেক্ষা করতে বলে সংবিধান দিবসে আইনমন্ত্রীর দেয়া বক্তব্যে ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছেন ইসলামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম পরিষদ সভাপতি শহিদুল ইসলাম কবির।

আজ শনিবার, গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ ৯২% মুসলমানদের দেশে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম আছে ছিলো থাকবে, এটা গণমানুষের দাবি। ইসলাম বিদ্বেষী গোষ্ঠীর এজেন্ট হাতে গোনা কিছু লোকের মন রক্ষায় সরকার যদি রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম বাদ দিতে চায় তবে দেশবাসী মনে করবে ক্ষমতাসীন সরকার জনগণকে খুশি করতে নয়, বিদেশী প্রভূ ও তাদের এজেন্টদের খুশি করতে রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম বাতিল করতে চায়। সরকারের সুবিধাভোগী কিছু দুস্কৃতিকারী একইভাবে ইসলাম বিদ্বেষী ষড়যন্ত্রকারীদের এজেন্ডা বাস্তবায়নে শিক্ষাব্যবস্থা থেকে ইসলামী শিক্ষা উঠিয়ে দিয়ে ভিনদেশি শিক্ষা-সংস্কৃতির প্রচলন করতে উঠেপড়ে লেগেছে।  

শহিদুল ইসলাম কবির বলেন, সরকারের কোন কোন মন্ত্রীর বক্তব্য ও তৎপরতা বলে দেয় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ মুখে মদীনা সনদের কথা বলে মানুষকে বোকা বানিয়ে ধোঁকা দিয়ে বিধর্মীদের প্রেসক্রিপশন এ অন্যকোন সনদে রাষ্ট্র পরিচালনা করছে। যে কারণে তারা বাংলাদেশ থেকে ইসলামের নাম গন্ধ মুছে দিতে চায়। 

তিনি বলেন, পীর আউলিয়ার বাংলায় ইসলাম ও মুসলমানদের চিন্তা চেতনা বিরোধী কোনো পদক্ষেপ রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে নেয়া হলে তা দেশবাসী অতীতে মেনে নেয়নি, ভবিষ্যতে ও মেনে নিবে না, ইনশাআল্লাহ।


আরও খবর



পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তির ২৫ তম বর্ষপূর্তি

প্রকাশিত:শুক্রবার ০২ ডিসেম্বর 2০২2 | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

উচিংছা রাখাইন কায়েস, রাঙ্গামাটি ঃ

পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তির ২৫ তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে

রাঙ্গামাটিতে বিস্তারিত কর্মসূচী পালন করা হয়। সকালে বর্ষপূর্তি উপলক্ষে

রাঙ্গামাটি রিজিয়নের পক্ষ সর্বসাধারণের একটি শান্তি র‌্যালী রাঙ্গামাটি

সরকারী কলেজ প্রাঙ্গন থেকে শুরু হয়ে রাঙ্গামাটি রিজিয়নের জোন মাঠে গিয়ে

শেষ হয়।

সকালে রাঙ্গামাটি কলেজ মাঠে ২৫ বছর পুর্তি উপলক্ষে কবুতর ও বেলুন উড়িয়ে

কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন রাঙ্গামাটি রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার

 জেনারলে ইমতাজ উদ্দিন এনডিসি, পিএসসি ও রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অংসুইপ্র চৌধুরী।

এ সময় রাঙ্গামাটি বিজিবি সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল তরিকুল ইসলাম,

রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, রাঙ্গামাটি সদর জোন

কমান্ডার লেঃ কর্ণেল আশিকুর রহমান, রাঙ্গামাটি পুলিশ সুপার মীর আবু

তৌহিদ, রাঙ্গামাটি সিভিল সার্জন ডাঃ বিপাশ খীসা।

বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর

জনগন, শিক্ষক,ছাত্র-ছাত্রী, ইলেকট্রনিক এবং প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকসহ

গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ র‌্যালীতে অংশ গ্রহণ করেন।

শোভাযাত্রা শেষে রাঙ্গামাটি রিজিয়নের প্রান্তিক হল মাঠে ১৭ জন দুস্থ

ব্যক্তিকে ১ লাখ টাকা আর্থিক অনুদান,  ঢেউটিন, এতিমখানার এতিম

শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ অনুদান, নারীদের সেলাই মেশিন ও ধর্মীয়

প্রতিষ্ঠানে অনুদান প্রদান করেন রাঙ্গামাটি রিজিয়ন কমান্ডার বিগ্রেডিয়ার

ব্রিগেডিয়ার  জেনারেল ইমতাজ উদ্দিন।

অনুষ্ঠানে রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রগিডেয়িার  জেনারলে ইমতাজ উদ্দিন

এনডিসি, পিএসসি বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী একটি বৈষম্যহীন প্রতিষ্ঠান এবং

আমরা আশা করি সেনাবাহিনীকে অনুকরনীয় হিসাবে গ্রহণ করে ধর্ম বর্ণ জাতি

উপজাতি এবং লিঙ্গ ভেদাবেদ ভুলে গিয়ে সকলে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে

যাওয়ার জন্য এক সাথে কাধে কাধ মিলিয়ে কাজ করবে। এছাড়াও যে কোন প্রয়োজনে

সেনাবাহিনীর এরূপ সহযোগিতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।


আরও খবর



তাপমাত্রা নামতে পারে ৬ ডিগ্রিতে

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ ডিসেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

রোকসানা মনোয়ার : ডিসেম্বরে দুটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে দেশের ওপর দিয়ে। এতে তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসতে পারে। বৃহস্পতিবার দীর্ঘমেয়াদী পূর্বাভাসে এমন তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

আবহাওয়াবিদ ড. এ এম মান্নান জানান, ডিসেম্বর সামগ্রিকভাবে দেশে স্বাভাবিক অপেক্ষা কম বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে। এ মাসে বঙ্গোপসাগরে ১-২টি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার মধ্যে একটি নিম্নচাপে রূপ নিতে পারে।

এছাড়া চলতি মাসে দিন ও রাতের তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে কমতে পারে। তবে দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকতে পারে। মাসের শেষার্ধে দেশের কোথাও কোথাও ১-২টি মৃদু (০৮-১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস) অথবা মাঝারি (০৬-০৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস) শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।

এদিকে ডিসেম্বরে দেশের নদী অববাহিকায় ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত মাঝারি থেকে ঘন এবং অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়বে। প্রধান নদ-নদীগুলোতে স্বাভাবিক প্রবাহ বিরাজমান থাকতে পারে। অন্যদিকে চলতি মাসে দেশে দৈনিক গড় বাষ্পীভবন ২ দশমিক ৫০-২ দশমিক ৫০ মিলিমিটার এবং গড় উজ্জ্বল সূর্যকিরণকাল হবে সাড়ে চার থেকে সাড়ে ছয় ঘণ্টা।


আরও খবর



কু‌মিল্লার ময়নাম‌তি ওয়ার‌ সি‌মেট্টি‌তে ৭ দেশের শ্রদ্ধা

প্রকাশিত:শুক্রবার ১১ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

কুমিল্লা ব্যুরো ঃ

কুমিল্লার ময়নামতিতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত সেনাদের যুদ্ধ সমাধিতে স্মরণ দিবস পালন করে কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলো। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত সৈনিকদের স্মরণে কুমিল্লার সেনানিবাস সংলগ্ন ময়নামতি কমনওয়েল্থ যুদ্ধ সমাধিতে (ওয়ার সিমেট্রি) শ্রদ্ধা জানিয়েছেন ৭টি দেশের হাই কমিশনার ও প্রতিনিধিগন। 

প্রতিবছরের ন‌্যায় নভেম্বর মাসে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত সেনাদের স্মরণে কুমিল্লার ময়নামতি কমনওয়েলথ যুদ্ধ সমাধি স্থল ওয়ার সিমেট্রিতে শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে বাংলাদেশে নিযুক্ত বৃটিশ হাই কমিশনার চ‌্যাটারটন ডিকসন এর নেতৃত্বে ওইসব দেশের হাই কমিশনারগণ ও প্রতিনিধিরা এ স্মরণ সভায় অংশগ্রহণ করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের হাই কমিশনার পিটার ডি. হাস, অস্ট্রেলিয়ার হাই কমিশনার জেরেমি ব্রæয়ার, কানাডার হাইকমিশনার ড. লিল্লি নিকলস্, জাপানের হাই কমিশনার ইটো নাউকি, পাকিস্তানের ডেপুটি হাই কমিশনার ক্বামার আব্বাস খোখার ও ভারতের দূতাবাসের প্রতিনিধি ব্রিগেডিয়ার এমএস সাবারওয়াল এবং ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন প্রতিনিধিসহ অন্যান্যরা। 


শ্রদ্ধা নিবেদনের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত এবং পবিত্র বাইবেল পাঠের পর ফাদার ক্যাট্টিক প্রার্থনা অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন। ব্রিটিশ হাই কমিশনার রবার্ট চ্যাট্টারটন ডিক এর স্বাগত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। প্রার্থনা পর্ব শেষে সমাধিক্ষেত্রের হলিক্রসে বাংলাদেশের পক্ষে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন কুমিল্লা সেনানিবাসের ৩৩ আর্টিলারী বিগ্রেড কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. রাব্বী আহসান এনডিসি পিএসসি, কুমিল্লা জেলা প্রশাসনের পক্ষে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শিউলি রহমান তিন্নী ও জেলা পুলিশের পক্ষে শ্রদ্ধা জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মো. আফজাল হোসেন। এর আগে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। পরে হাইকমিশনার ও প্রতিনিধিগণ ময়নামতির যুদ্ধ সমাধির হলিক্রস পাদদেশে ফুলেল শ্রদ্ধাঞ্জলির মধ্য দিয়ে নিহত সৈনিকদের স্মরণ করেন। এসময় বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে। ওই প্রার্থনা ও স্মরণ অনুষ্ঠান শেষে কমনওয়েলথভুক্ত দেশের প্রতিনিধিগণ সমাধিস্থল পরিদর্শন এবং দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করেন। 


ব্রিটিশ হাই কমিশনার রবার্ট চ‌্যাটারটন ডিকসন এর নেতৃত্বে কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর হাই কমিশনার ও তাদের প্রতিনিধিরা যুদ্ধাহতদের স্মরনে প্রার্থনা অনুষ্ঠান শেষে হাইকমিশনার, প্রতিনিধি ও তাদের সঙ্গে আসা পরিবারের লোকজন কুমিল্লার ময়নামতি ওয়ারসিমেট্রিতে শায়িত বীর যোদ্ধাদের সমাধি ঘুরে দেখেন। তারা সমাধির সামনে অপলক দৃষ্টিতে কিছুক্ষণ নিরব হয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন। 

কমনওয়েলভ’ক্ত দেশগুলো সংগঠন কমনওয়েলথ গ্রেইভস কমিশনের তত্বাবধানে এ সমাধি ক্ষেত্র পরিচালিত হয়ে আসছে। ১৯৩৯ সাল থেকে ১৯৪৫ সাল পযন্ত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সময় নিহত সৈনিক ও সেনা কর্মর্কতাদের সমাধিস্থল এটি। ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রিতে  ৭৩৭ জন সমাহিত আছে।


আরও খবর



বকশীগঞ্জে শীতে বেড়েছে সুস্বাধু পিঠালীর চাহিদা

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

মাসুদ উল হাসান,জামালপুর ঃ

মাংস আর চালের গুড়ো দিয়ে রান্না করা পিঠালী বা মিলেনির কদর সব সময়। তবে এই শীতে এর চাহিদা আরো বেড়েছে। বাজারে ২শ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে রান্না করা পিঠালী। বিশেষ করে সপ্তাহে দুইদিন রোববার ও বৃহস্পতিবার বকশীগঞ্জ মধ্যবাজার,মালিবাগ মোড়,কামারপট্টি মোড় ও বাসস্ট্যান্ডে পিঠালী বিক্রি করতে দেখা যায়। এছাড়াও বিভিন্ন গ্রামাঞ্চলের ছোট ছোট হাটবাজারেও বিক্রি হয় পিঠালী। সব শ্রেণীর মানুষ বাড়িতে কিনে নিয়ে যান মুখরোচর এই পিঠালী তরকারি। 

জানা যায়, জামালপুরের শতবছরের ঐতিহ্যবাহী সুস্বাধু খাবারের নাম পিঠালী। অনেকেই এটাকে ম্যান্দা,মেলানী বা মিল্লি হিসেবে চিনে। খাসি,গরু বা মহিষের মাংস,চালের গুঁড়া,পেঁয়াজ, রসুন, আদা, জিরাসহ নানা উপকরণ দিয়ে রান্না হয় পিঠালী। পিঠালী প্রতিদিনের খাবার নয়। এটা অত্যান্ত মুখরোচক খাবার। কোনও বিশেষ অনুষ্টান বিশেষ করে মানুষ মারা গেলে ৭ দিন বা ৪০ দিনের দোয়ার আয়োজন করা হয়। তখন সারারাত ধরে সারিবদ্ধ পাতিলে পিঠালী রান্না হয়। ভোর হতেই পিঠালী ভাত খাওয়ার জন্য দুরদুরান্ত থেকে ছুটে আসে মানুষ। সারিবদ্ধ হয়ে মাটিতে বসে কলাপাতায় উৎসব মুখর পরিবেশে চলে খাওয়া দাওয়া। সব স্তরের মানুষ পিঠালীর দাওয়াতে আসে। অনেকেই আবার দাওয়াত ছাড়াই চলে আসে পিঠালী খেতে। গ্রামাঞ্চলের মানুষ শখের বসেও অনেক সময় পিঠালীর আয়োজন করে। বিয়ে, আকিকা, খতনাসহ নানা উৎসবে পিঠালীর আয়োজন করা হয়। 

মালিবাগ মোড়ে পিঠালী বিক্রেতা মিনাল বলেন,শখের বসে পিঠালী রান্না করে বিক্রি করতে এসেছেন। গরুর মাংস-চালের গুড়ো আর নানা মসলা দিয়ে তৈরি পিঠালী ২শ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মুহুর্তেই প্রায় ৬০ কেজি তরকারি বিক্রি হয়ে গেছে।

বকশীগঞ্জ মধ্যবাজার হোটেল গুলশানের সামনে প্রায় প্রতি সপ্তাহে একবার পিঠালী বিক্রি করেন পুটল মিয়া নামে একজন। তার সাথে আরো ৫/৬ জন রয়েছেন। তিনি বলেন,মহিষের মাংস ও চালের গুড়ো দিয়ে রান্না করা পিঠালীর মজাই আলাদা। শীতকালে পিঠালীর চাহিদা বেশ। ২শ থেকে ২৫০ টাকা দরে বিক্রি হয়। চাহিদা বেশি থাকায় মুহর্তেই সব শেষ হয়ে যায়। 

পৌর শহরের বাসিন্দা আবদুল লতিফ বলেন,এ অঞ্চলে পিঠালীর জুড়ি নেই। পিঠালী মানেই বিশেষ কিছু। সব সময় বাসায় রান্না করা সম্ভব হয়না। তাই বাজার থেকে কিনে নিয়ে যাই। দামে কম হলেও স্বাধের কমতি নেই।


আরও খবর