Logo
শিরোনাম

বিশ্বের অনেক দেশ ও অঞ্চলে এবার মন্দা আসবে

প্রকাশিত:Tuesday ১৭ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

মার্কিন-চীন বাণিজ্যযুদ্ধ ও করোনা মহামারি বিশ্বের অনেক কিছুই বদলে দিয়েছে । এরপর চলতি বছর বিশ্বের অনেক দেশ ও অঞ্চলের আর্থনীতি মন্দায় পড়বে। তবে পরিস্থিতি বাংলাদেশ ও ভারতের বাণিজ্য ও অর্থনীতির জন্য অনুকুলে থাকবে।

ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলন উপলক্ষে প্রকাশিত এক জরিপের প্রতিবেদনে বাংলাদেশের এই সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে। মূলত অর্থনীতিবিদদের ওপর এই জরিপ করা হয়। অর্থনীতিবিদরা বলেন, পশ্চিমা দেশগুলো এখন পণ্যের জন্য আর এককভাবে চীননির্ভর থাকতে চাইছে না। আমদানির উৎস বাড়ানোর জোর চেষ্টা করছে তারা। এতে সবচে বেশি লাভবান হতে পারে বাংলাদেশ ও ভারতের মতো দেশ । 


আরও খবর



ইউরোপে পরমাণু সংঘাত চায় ওয়াশিংটন !

প্রকাশিত:Saturday ০৪ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

ইউক্রেনকে পর্যন্ত ৪৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যুদ্ধ সহায়তা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র কিয়েভকে অত্যাধুনিক অস্ত্র দেয়ার মাধ্যমে রাশিয়াকে বাধ্য করছে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারে যার শিকার হতে পারে ওয়াশিংটনের বন্ধুরাষ্ট্র ইউরোপের নিরাপরাধ জনগণই এমন মন্তব্য ভারতের ফ্লাইট অফিসার গ্রুপ ক্যাপ্টেন অজয় শ্রীবাস্তবের

রাশিয়ার বিরুদ্ধে গণবিধ্বংসী অস্ত্র ব্যবহার হলে বা প্রচলিত অস্ত্রে মস্কোর অস্তিত্বকে হুমকি দিলে সম্ভাব্য সবধরনের অস্ত্রের ব্যবহার করা হবে পুতিন সতর্ক কোরেছেন, এটি কোনো ধাপ্পাবাজি নয়

ভারতের ফ্লাইট অফিসার গ্রুপ ক্যাপ্টেন অজয় প্রকাশ শ্রীবাস্তব জানান, যুক্তরাষ্ট্র-জার্মানি ইউক্রেনকে অত্যাধুনিক ট্যাংক দেয়ার সিদ্ধান্তের মাধ্যমে হয়তো রাশিয়ার ঠিক কোরে দেয়া চূড়ান্ত সীমা অতিক্রম করতে চলেছে

রাশিয়া কি প্রতিশোধ হিসাবে পরমাণু অস্ত্রের ব্যবহার করবে? অজয় জানান, হিমারস রকেট সিস্টেম থেকে ট্যাংক, অত্যাধুনিক সব অস্ত্র ইউক্রেনকে দেয়ার মাধ্যমে রাশিয়াকে প্রায় কোণঠাসা কোরে ফেলছে পশ্চিমারা প্রতিশোধ নেয়া ছাড়া মস্কোর জন্য কোনো সুযোগই বাকি রাখছে না তারা

রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইউক্রেনকে প্রায় ৪৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের সহযোগিতা দিয়েছে বিশ্বের স্বঘোষিত শান্তিরক্ষী যুক্তরাষ্ট্র যার মধ্যে অস্ত্র, সরঞ্জাম নিরাপত্তা সহায়তা ২৩ বিলিয়ন সরাসরি আর্থিক মানবিক সহায়তা ২৫ বিলিয়ন যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্তত ৪০টি রাষ্ট্র ইউক্রেনকে সরাসরি সামরিক সহায়তা দিচ্ছে

যুক্তরাষ্ট্র হালকা অস্ত্র থেকে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, আকাশ থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য মিসাইল, বিস্ফোরণ, নজরদারীর ড্রোন, মনুষ্যবিহীন বিমান, কামান, ট্যাংক, সাঁজোয়ানযান, সামরিক ট্রাক, স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন টার্মিনাল, বিভিন্ন ধরনের রাডার, যোগাযোগের অন্যান্য সরঞ্জাম যন্ত্রপাতি দিয়েছে ইউক্রেনকে

যদিও যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, গণতন্ত্র রক্ষা, গণতন্ত্রের বিস্তার, মানবাধিকার সমুন্নত রাখার পক্ষে কাজ করছে তারা বিশ্বের একমাত্র পারমাণবিক অপরাধী যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার করার জন্য রাশিয়াকে বাধ্য করছে

বৃহস্পতিবার পুতিন জানান, আট দশক পর আবারও জার্মান ট্যাংকের হুমকিতে রাশিয়া পুতিনের মুখপাত্র অজয় জানান, পশ্চিমের নতুন নতুন অস্ত্রের জবাবে মস্কো নিজেদের শক্তিশালী অস্ত্রের সর্বোচ্চ ব্যবহার করবে

অজয় বলেন, বিশ্বকূটনীতর নজিরবিহীন উদাহরণ যে, স্বঘোষিত পারমাণবিক অপরাধী যুক্তরাষ্ট্র চক্রান্ত কোরে তার হাজার হাজার মাইল দূরের বন্ধুদেশের নিরাপরাধ মানুষকে হিরোশিমা নাগাসাকির মতো নির্মম ভাগ্য বরণে রাশিয়াকে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারে বাধ্য করছে


আরও খবর



জমে উঠেছে লোককারুশিল্প মেলা ও লোকজ উৎসব

প্রকাশিত:Monday ২৩ January 20২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

বুলবুল আহমেদ সোহেল :

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে চলছে বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনে চলছে মাসব্যাপী লোককারুশিল্প মেলা ও লোকজ উৎসব। দেশের ঐহিত্যবাহী লোককারু শিল্পের নিদর্শন সংগ্রহ সংরক্ষন, প্রদর্শন ও পুনরুজ্জীবিত করে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার জন্যই প্রতি বছর এ মেলার আয়োজন। দর্শনার্থীদের কাছে সব আয়োজন ঠিকঠাক থাকলেও অভিযোগ উঠেছে মূল ভিষণ থেকে সরে যাচ্ছে ফাউন্ডেশন, চারুকারু শিল্পীদের দেয়া হয়নি পর্যাপ্ত স্টল, কনস্ট্রাকশন কাজ বিনষ্ট হচ্ছে প্রাকৃতিক রূপ।

বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের ভেতরে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন কারুশিল্প যাদুঘর এবং লোক ও কারুশিল্প যাদুঘর।  গ্রাম বাংলার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক এ দুটি যাদুঘরে স্থান পেয়েছে প্রাচীন লোক ও কারুশিল্প।  মাসব্যাপী এ উৎসবেকে কেন্দ্র করে পুরো ফাউন্ডেশন চত্বরকে সাজানো হয়েছে বর্নিল সাজে।  প্রতিদিনই বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা প্রদর্শন করছে লোক জীবন প্রদর্শনী,গ্রাম্য নালিশ,কনে দেখা, বিয়ে,জামাইকেও পিঠা আপ্যায়নের দৃশ্য, গ্রামীন খেলা হা-ডু-ডু ও কানামাছি। 

দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা কারুশিল্পীদের প্রদর্শনী,  পুতুল নাচ, বায়স্কোপ, নাগর দোলা, মুন্সিগঞ্জ ও মৌলভী বাজারের শীতল পাটি, মাগুরা ও ঝিনাইদহের শোলা শিল্প, রাজশাহীর শখের হাড়ি ও মুখোশ, চট্টগ্রামের তালপাতার হাতপাখা, রংপুরের শতরঞ্জি, সোনারগাঁওয়ের জামদানী নিয়ে অংশ গ্রহন করেছেন চারু কারু শিল্পিরা। 

এদিকে দর্শনার্থীদের বিনোদনকে আরো প্রানবন্ত করতে ফাউন্ডেশনের ভেতরের লেকে নৌকায় চড়ে ঘুরে বেড়ানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রতিদিন সন্ধ্যায় লোকজ এই উৎসবে থাকছে পালাগান, বাউল ও জারিসারি গানের।করোনা ভাইরাসের কারনে গত কয়েক বছর মেলা বন্ধ থাকায় এবার অন্তত একলাখ দর্শনার্থী লোকজ এ উৎসবে অংশ নেবেন বলে আশাবাদী আয়োজকরা।

মেলায় দর্শনার্থীরা গ্রামীন এসব ঐতিহ্যে দেখে ও ছেলে মেয়েদের পরিচয় করিয়ে দিতে পেরে অনেকটাই আবেগ আপ্লুত। 

এদিকে বিভিন্ন জেলা থেকে আগত শিল্পিরা জানালেন প্রতিবছরই এ মেলায় অংশ গ্রহণ করেন তারা। তবে প্লাস্টিক ও বিদেশী পণ্যের দাপটে আজ বিপন্ন হওয়ার পথে এসব গ্রামীন ঐতিহ্য। বংশ পরম্পরায় অংশ গ্রহন কারী এসব শিল্পীরা বললেন সরকারী ভাবে পিষ্ট পোষকতা ছাড়া এ শিল্প ধরে রাখা যাবেনা। তারা বললেন যাদের জন্য এ মেলার আয়োজন তাদেরকেই অবমূল্যায়ন করা হয়েছে এবার। কয়েকটি স্টলেই দুজন করে শিল্পকে দেয়া হয়েছে। 

মেলা পরিদর্শনে আসা কবি শাহেদ কায়েস বলেন, ফাউন্ডেশনের মূল  উদ্দেশ্য থেকে সরে যাচ্ছে। চারু কারুশিল্পীদের প্রমোট করা,আর্থিকভাবে স্বচ্ছল করা ও গবেষণা কেন্দ্র গড়ে তোলার লক্ষেই জয়নুল আবেদিন প্রতিষ্ঠা করেছিল এ ফাউন্ডেশন। প্রতিবছর মেলার আয়োজন ছাড়া তেমন কোন কার্যক্রমই চোখে পড়েনা। আবার যাদের জন্য এ মেলার আয়োজন তাদেরকেও অবহেলা করা হচ্ছে। ১শটি স্টলের মধ্যে ৩২ স্টল বরাদ্ধ দেয়া হয়েছে শিল্পীদের। কোন কোন স্টলে দুজন শিল্পীকে বরাদ্ধ দেয়া হচ্ছে। এখানেতো অন্তত ৬৪ জেলার জন্য ৬৪টি স্টল বরাদ্ধ দিয়ে দেশের সব প্রান্ত থেকে অন্তত একজন করে শিল্পীকে জড়োকরা সম্ভব। তা না করে বেশীরভাগ স্টল দেয়া হচ্ছে বিভিন্ন ব্যাবসায়ীদের। যারা এখানে প্লাস্টিক ও চায়না প্রডাক্ট বিক্রি করে লাভবান হচ্ছে।  কোটি টাকার বাজেটে বিভিন্ন ভবন তৈরী হচ্ছে। যা এখানকার প্রাকৃতিক পরিবেশ বিনিষ্ট করা হচ্ছে।

এসব ব্যাপারে ফাউন্ডেশনের পরিচালক এস এম রেজাউল করিম বলেন,তিনি মাত্র একমাস হয়েছে দায়িত্বে বসেছেন। অভিযোগ গুলো তদন্ত করে ব্যাবস্থা নেবেন। এ বছর কর্মরত কারুশিল্পীদের প্রদর্শনীর জন্য ৩২টি স্টল সহ ১০০টি স্টল বরাদ্ধ দেয়া হয়েছে। মেলা চলবে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত।


আরও খবর



টানা তিন দিন দূষণের শীর্ষে ঢাকা

প্রকাশিত:Monday ২৩ January 20২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

টানা তিন দিন ধরে দূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে ঢাকা। সোমবার সকালে এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স স্কোর ২৯৩ নিয়ে, দূষিত শহরের তালিকায় প্রথম স্থান ধরে রেখেছে রাজধানী।

গত শনি-রবিবারও দূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষে ছিল ঢাকা। এ নিয়ে টানা তিন দিন শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে শহরটি। এর আগে ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে এবং এ বছরে জানুয়ারির শুরু থেকে একাধিকবার তালিকার শীর্ষে ছিল ঢাকা । তালিকায় ২৯১ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় উজবেকিস্তানের তাসখন্দ ও ২১৬ স্কোর নিয়ে তৃতীয় স্থানে আছে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি। প্রতিদিনের বাতাসের মান নিয়ে তৈরি করা একিউআই স্কোর থেকে একটি নির্দিষ্ট শহরের বাতাস কতটুকু নির্মল বা দূষিত, সে সম্পর্কে জানা যায়। এ থেকে কোনো ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে কি না, তাও জানা যায়। 


আরও খবর



কুমিল্লায় চুরির অভিযোগে পিটিয়ে হত্যা

প্রকাশিত:Sunday ০৮ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

কু‌মিল্লা ব্যুরো ;

কুমিল্লার চান্দিনায় চুরির অভিযোগে মোজাম্মেল হোসেন সুমন (২৩) নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।পু‌লিশ বল‌ছে চু‌রি ঘটনা । স্থানীয় ইউ‌পি চেয়ারম‌্যান বল‌ছে চু‌রির ঘটনায় আটক চোর‌কে গণ‌পিটু‌নি‌দেয় এলাকাবা‌সি ।‌নিহতের প‌রিবা‌রের দাবী হত‌্যা করা হ‌য়ে‌ছে।

রবিবার (৮ জানুয়ারী) ভোরে চান্দিনা উপজেলার কেরণখাল ইউনিয়নের সাতবাড়িয়া গ্রামে ওই ঘটনা ঘটে।

নিহত মোজাম্মেল হোসেন সুমন পাশ্ববর্তী এলাকার বাড়েরা ইউনিয়নের ফরিদপুর গ্রামের রুহুল আমিন এর ছেলে।

স্থানীয় রন‌বীর জানা যায়, শনিবার (৭ জানুয়ারী) দিনগত রাত পৌঁনে ৩টায় সাতবাড়িয়া গ্রামের দোতলা মসজিদ সংলগ্ন আবু সাঈদ এর মুদি দোকানে টিনের চালা খুলে চোর ঢুকে। এসময় পার্শ্ববর্তী বাড়ির রফিক নামের একজন টের পেয়ে দোকানি সাঈদকে ফোন করে বিষয়টি জানায়। এসময় স্থানীয় কয়েকজন যুবক এসে ধাওয়া করে দোকানের ভেতর থেকে মোজাম্মেল হোসেন সুমনকে আটক করে গণপিটুনি দেয়। মারাত্মক আহতাবস্থায় সুমনকে সকালে চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের মা গার্মেন্টস কর্মী মিলি বেগম জানান, আমার ছেলে স্ত্রী নিয়ে চট্টগ্রামে থাকে। শনিবার চট্টগ্রাম থেকে বাড়িতে আসার কথা ছিল। রবিবার সকালে জানতে পারি সাতবাড়িয়া গ্রামে আমার ছেলেকে মেরে ফেলে রেখেছে। তিনি দাবী করেন, আমার ছেলে কখনও চুরি, ডাকাতি করেনি। তার ব্যাপারে কেউ কোন দিন অভিযোগও দেয়নি। তারা কয়েকজন পরিকল্পিত ভাবে আমার ছেলেকে হত্যা করেছে।

কেরণখাল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সুমন ভূইয়া জানান, মূলত চুরির ঘটনা কালেই তাকে হাতেনাতে আটক করে গণপিটুনি দেয় এলাকাবাসী। এলাকাবাসীর ধাওয়া খেয়ে অপর এক চোর পালিয়েও যায়।

চান্দিনা থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) মো. সাহাবুদ্দীন খাঁন জানান, আমাদের প্রাথমিক তদন্তে চুরির ঘটনার সত্যতা পেয়েছি। গণপিটুনিতে চোর সন্দেহে সুমন নামের ওই ছেলেটিকে হত্যা করাও সঠিক। এ ঘটনায় নিহতের মা বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করছেন।


আরও খবর



ভোক্তা পর্যায়ে দাম বাড়লো বিদ্যুতের

প্রকাশিত:Friday ১৩ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

জহীরুল কবির আমজাদ :ভোক্তা পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম। ইউনিটপ্রতি বাড়ানো হয়েছে ১৯ পয়সা। ১ জানুয়ারি থেকে নতুন এ দাম কার্যকর করা হবে। একইসঙ্গে এখন থেকে প্রতিমাসে বিদ্যুতের খুচরা দাম নিয়মিত সমন্বয় করা হবে।

১২ জানুয়ারি এক নির্বাহী আদেশে এ দাম বাড়ানো হয়। এর আগে গত ৮ জানুয়ারি বিদ্যুৎ কোম্পানিগুলোর গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির আবেদনের প্রেক্ষিতে গণশুনানি করেছিল বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

ওইদিন সকাল ১০টায় রাজধানীর বিয়াম ফাউন্ডেশনের শহীদ এ কে এম শামসুল হক খান অডিটোরিয়ামে ওই গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে জানুয়ারির মধ্যেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন বিইআরসি চেয়ারম্যান আবদুল জলিল।

তবে সরকার চাইলে জনসাধারণের কথা বিবেচনায় যে কোনো সময় বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম সমন্বয় করতে পারবে। সম্প্রতি এমন বিধান যুক্ত করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (সংশোধন) আইন, ২০২৩ এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ৯ জানুয়ারি নবনিযুক্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন জানিয়েছেন, বিদ্যমান আইন অনুযায়ী বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম ৯০ দিন সময় নিয়ে নির্ধারণ করে বিইআরসি। তবে বিশেষ পরিস্থিতিতে সরকারও যেন তা নির্ধারণ করতে পারে এ জন্যই প্রস্তাবিত এই সংশোধনী মন্ত্রিসভা অনুমোদন করে।

ইতোমধ্যেই এটি রাষ্ট্রপতির কার্যালয় থেকে অধ্যাদেশ আকারে জারিও করা হয়েছে। তবে ওই সময় জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলমান না থাকায় আইনে কার্যকর করা সম্ভব হয়নি। বর্তমানে সংসদের অধিবেশন চালু রয়েছে। তাই নিয়ম অনুযায়ী সংসদে উত্থাপনের জন্য মন্ত্রিসভায় আইনটি অনুমোদন করে নেওয়া হয়েছে।


আরও খবর

সুখবর নেই বাজারে

Saturday ০৪ February ২০২৩