Logo
শিরোনাম
নওগাঁয় সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান

বিশ্বেশ্বর দাস 'দাগু'র পরিবারের উপর হামলা

প্রকাশিত:বুধবার ২৬ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রির্পোটারঃ

নওগাঁর মহাদেবপুরে সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত, সারাদেশের আলোচিত ও জনপ্রিয় সাবেক প্রথম উপজেলা চেয়ারম্যান শ্রী বিশ্বেশ্বর দাস ওরফে দাগুর পরিবারের সদস্যদের উপর হামলা হয়েছে। সশস্ত্র হামলায় সাবেক এই চেয়ারম্যানের বিধবা স্ত্রী আরতি রাণী দাস (৬০), মেয়ে অনুপ্রিয়া দাস (৪২) ও স্ত্রীর ভাই শ্রী বৈদ্যনাথ সরকার (৭৫) মারাত্মক আহত হয়েছেন। বৈদ্যনাথ সরকারের মাথায় ৭টি সেলাই দিতে হয়েছে। বুধবার ২৬ অক্টোবর দুপুরে এব্যাপারে আরতি রাণী বাদি হয়ে মহাদেবপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

গরীবের বন্ধু বলে পরিচিত, জীবদ্দশায় অত্যন্ত সাদামাটা সাধারণ পরিবেশে বসবাসকারি সাবেক এই চেয়ারম্যানের পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। বিশ্বেশ্বর দাসের মত তার পরিবার এখনও সামান্য জায়গা জমির উপর ছোট্ট বাড়িতে বসবাস করে আসছেন। বাড়ি সংলগ্ন সামান্য জমি জবর দখল করতে এবার প্রতিপক্ষরা তাদের উপর হামলা চালানো হয়।

বিশ্বেশ্বর দাসের বিধবা স্ত্রী জানান, মহাদেবপুর দুলালপাড়া গ্রামের মৃত শ্যাম চরণ মন্ডলের ছেলে শ্রী সঞ্জয় মন্ডল (৩৫), মৃত গুরু চরণ মন্ডলের ছেলে শ্রী বিদ্যুৎ মন্ডল বিপু (৪৫), শ্রী সুদর্শন মন্ডল (৪০), শ্রী গোলাক মন্ডল (৫২), পরেশ মন্ডলের ছেলে শ্রী পলাশ মন্ডল (৪২), ফাজিলপুর বিনফরসা গ্রামের মৃত খগেন্দ্রনাথ মন্ডলের ছেলে শ্রী অমিও মন্ডল (৫৩) ও শ্রী সুনিল মন্ডল (৬২) সোমবার ২৪ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০ টারদিকে হাতে ধারালো হাসুয়া, বাঁশের লাঠি-সোটা নিয়ে সন্ত্রাসী কায়দায় প্রয়াত বিশ্বেশ্বর দাসের পরিবারের বসতবাড়ীর পিছনে তাদের জমিতে লাগানো ছোট বড় মেহগনি ও আম গাছ কাটতে থাকে। এসময় বাধা দিতে গেলে তারা বিশ্বশ্বর দাসের পরিবারের সদস্যদের উপর হামলা চালান। তাদের হাসুয়ার আঘাতে বৈদ্যনাথ রক্তাক্ত জখম হোন এবং সন্ত্রাসীরা অনুপ্রিয়া দাসের শ্লীলতাহানি ঘটায়। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। এলাকাবাসী তাদের উপর হামলাকারিদের উপযুক্ত বিচার দাবি করেছেন।

এব্যাপারে মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোজাফ্ফর হোসেন জানান, ঘটনাটি তদন্ত পূর্বক দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর



পর্যটক ভ্রমণে বান্দরবানে নিষেধাজ্ঞা বাড়ল

প্রকাশিত:সোমবার ৩১ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

বান্দরবানের চার উপজেলায় পর্যটকদের ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞার সময় আগামী ৪ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

রোববার রাতে বান্দরবান জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে কর্মরত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের বেঞ্চ সহকারী সুমন পাল এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, রুমা, রোয়াংছড়ি, থানচি ও আলীকদম চার উপজেলায় সন্ত্রাসবিরোধী যৌথ বাহিনীর অভিযান ও সন্ত্রাসীদের তথ্য সংগ্রহের চলমান অভিযানে নিরাপত্তা বিবেচনায় পর্যটকদের ভ্রমণে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা আগামী ৪ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।এরআগে গত ১৭ অক্টোবর থেকে রুমা ও রোয়াংছড়ি এবং ২৩ অক্টোবর থেকে থানচি ও আলীকদম উপজেলায় ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত পর্যটক যাতায়তে নিষেধাজ্ঞা জারি করে প্রশাসন।


আরও খবর



জামাত আন্তর্জাতিক ভাবেও স্বীকৃত সন্ত্রাসী দল....কাদের

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৮ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

রোকসানা মনোয়ার

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন  বিএনপি -জামাত শুধু বাংলাদেশের নয়,আন্তর্জাতিক ভাবেও স্বীকৃত সন্ত্রাসী রাজনৈতিক শক্তি। 

তিনি আজ এক বিবৃতিতে বিএনপি নেতৃবৃন্দের মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন বক্তব্যের নিন্দা জানিয়ে একথা বলেন। 

দেশের মানুষ বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের সরাসরি নির্দেশে পরিচালিত বিভীষিকাময় অগ্নিসন্ত্রাসের কথা ভুলে যায়নি উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের তাঁর বিবৃতিতে বলেন ২০১৩ সালে শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকার্য চলমান থাকা অবস্থায় ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচন প্রতিরোধ করতে এবং ২০১৫ সালে বেগম খালেদা জিয়া কর্তৃক ঘোষিত তথাকথিত অবরোধ কর্মসূচির নামে জামাত-বিএনপির সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা সারা বাংলাদেশে পেট্রোল বোমা ও অগ্নিসন্ত্রাসের মাধ্যমে নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালায়।

তিনি আরও বলেন সে সময় সারাদেশে বিএনপি জামাত পরিচালিত এই সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে দেড় শতাধিক মানুষ নিহত হয়, যা দেশীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বিএনপি জামাতের নজিরবিহীন এই সন্ত্রাসের সংবাদ প্রকাশিত ও প্রচারিত হয়।

বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়াসহ শীর্ষ নেতারা টেলিফোন যোগে তাদের নেতাকর্মীদের নির্বিচারে মানুষ হত্যার নির্দেশনা দিচ্ছে,এমন টেলিফোন আলাপও গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়েছিলো বলে দেশবাসীকে স্মরণ করিয়ে দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। 

তিনি বিবৃতিতে বলেন সারাদেশের বিবেকবান মানুষ যখন জামাত-বিএনপির অগ্নিসন্ত্রাসের নারকীয় ঘটনার বিচার দাবি করছে তখন বিএনপি নেতৃবৃন্দ নির্লজ্জভাবে অতীত অপকর্মের দায়ভার অস্বীকার করার হাস্যকর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।

বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের বলেন নির্বাচন ব্যতিরেকে সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতা দখলের কোন সুযোগ আর বাংলাদেশে নাই।

সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের ম্যান্ডেট নিয়েই ক্ষমতায় আসতে হবে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বিবৃতিতে আরও বলেন ক্ষমতায় আসতে এর ব্যত্যয় ঘটিয়ে বিকল্প কোন পন্থা নেই, থাকবেও না।


আরও খবর



তত্ত্ববধায়কের ভূত ভুলে ঠিকই নির্বাচনে যাবে বিএনপি : সবুর

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

কুমিল্লা ব্যুরো ঃ

কু‌মিল্লার আদর্শ সদর উপ‌জেলা আওয়ামীলীগ ত্রি বা‌র্ষিক স‌ম্মেলন।   

বীরমু‌ক্তি‌যোদ্ধা কাজী আবুল বাসার‌কে সভাপ‌তি ও তা‌রিকুল ইসলাম জু‌য়েল‌কে সাথারণ সম্পাদক ক‌রে ৭১সদস‌্য বি‌শিষ্ট ক‌মি‌টি ঘোষণা ।

 আওয়ামীলী‌গের বিজ্ঞান ও প্রযু‌ক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জি‌নিয়ার মোঃ আবদুস সবুর ব‌লে‌ছেন, খু‌নের রাজনী‌তি জিয়া রহমান শুরু ক‌রে‌ছে ।তা‌দের কা‌ছে বাংলা‌দেশ নিরাপদ নয়।খা‌লেদা‌জিয়ারা বাংলা‌দেশ‌কে পা‌কিস্তান বানা‌তে চায়। বঙ্গবন্ধুর আদ‌র্শের নেতাকর্মীরা বে‌চে থাক‌তে তা হ‌বে না।

রোববার কু‌মিল্লা আদর্শ সদর উপ‌জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। কু‌মিল্লা নগ‌রের টাউনহল  মাঠে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

 ইঞ্জি‌নিয়ার মোঃ আবদুস সবুর  বলেন, ‌বিএন‌পি ২১হাজার নেতাকর্মী‌দের হত‌্যা ক‌রে‌ছে। বার বার দূর্নী‌তি‌তে চ‌্যা‌ম্পিয়ান হ‌য়ে‌ছে। ও‌দের কা‌ছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার মানায় না। বাংলা‌দে‌শে আর তত্ত্বাবধ‌ায়ক সরকার আর আস‌বে না।

এর আগে সকালে কু‌মিল্লা আদর্শ সদর উপ‌জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কাজী আবুল বাসার এর সভাপতিত্বে  কু‌মিল্লা সদর আসনের সংসদ সদস্য হাজী আ,ক,ম বাহা উ‌দ্দিন বাহার সন্মেলন উদ্ধোধন করেন।বি‌শেষ অ‌তি‌থির বক্তব‌্য রা‌খেন কু‌মিল্লা সি‌টিক‌র্পো‌রেশ‌নের মেয়র ও মহানগর আওয়ামীলী‌গের সাধারণ সম্পাদক আরফানুল হক রিফাত,‌জেলা আওয়ামীলী‌গের সহ-সভাপ‌তি ও জেলা প‌রিষ‌দের চেয়ারম‌্যান ম‌ফিজুল ইসলাম বাবলূ , বীরমু‌ক্তি‌যোদ্ধা নাজমুল হাসান পাখী,মহানগর আওয়ামীলী‌গের সহ-সভাপ‌তি জ‌হিরুল ইসলাম সে‌লিম,সদর উপ‌জেলা চেয়ারম‌্যান এড আ‌মিনুল ইসলাম টুটুল, সাধারণ সম্পাদক তা‌রিকুর ইসলাম জু‌য়েল,যুগ্ন সম্পাদক আহ‌মেদ নিয়াজ পা‌ভেলসহ আওয়ামীলী‌গের নেতৃবৃন্দরা।

এদিকে সম্মেলনে ৬‌টি ইউ‌নিয়‌ন আওয়ামীলী‌গের নেতাকর্মীরা ঢল নামে নগ‌রের টাউনহল  অংশ নেন। টাউনহল মাঠের। প‌্যা‌ন্ডে‌লে দলের কর্মীরা ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টারসহ মিছিল নিয়ে, উৎসব উ‌দ্দিপনায় ঢাকঢোল বাজিয়ে সম্মেলনস্থলে আসেন।

সম্মেলন স্থল নেতাকর্মী শ্লোগা‌নে মুখ‌রিত হ‌য়ে  উৎসবের আমেজ বিরাজ ক‌রে।


আরও খবর



আদর্শ সবজি সজিনা

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৪ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

সজিনা একটি অতি পরিচিত ও সুস্বাদু সবজি। সজিনার ইংরেজি নাম Drumstick এবং বৈজ্ঞানিক নাম Maringa Oleifera  উৎপত্তিস্থল পাকিস্তান-ভারত উপমহাদেশ হলেও এ গাছ শীত প্রধান দেশ ব্যতীত সারা পৃথিবীতেই জন্মে। বারোমাসি সজিনার জাত প্রায় সারা বছরই বার বার ফলন দেয়। গাছে সব সময় ফুল, কচি পড দেখা যায়। আমাদের দেশে ২-৩ প্রকার সজিনা পাওয়া যায়। বসতবাড়ির জন্য সজিনা একটি আদর্শ সবজি গাছ।

অত্যাশ্চার্য বৃক্ষ : দেশি-বিদেশি পুষ্টি বিজ্ঞানীরা সজিনাকে অত্যাশ্চর্য বৃক্ষ বা অলৌকিক বলে অভিহিত করেছেন। কারণ এর পাতায় আট রকম অত্যাবশ্যকীয় এমাইনো এসিডসহ ৩৮% আমিষ আছে, যা বহু উদ্ভিদেই নেই। সজিনা সবজির চেয়ে এর পাতার উপকার আরও বেশি। দক্ষিণ আফ্রিকায় এ গাছকে মায়েদের উত্তম বন্ধু এবং পুষ্টির এক অনন্য সহজলভ্য উৎস হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

সজিনার পুষ্টি : বিজ্ঞানীরা পুষ্টির দিক দিয়ে সজিনাকে পুষ্টির ডিনামাইট আখ্যায়িত করে বলেন, এ গাছটি থেকে পুষ্টি, ওষুধিগুণ ও সারা বছর ফলন পাওয়া যায় বিধায় বাড়ির আঙিনায় এটি একটি মাল্টিভিটামিন বৃক্ষ-এর পুষ্টিগুণ খাদ্যোপযোগী প্রতি ১০০ গ্রামে খাদ্য শক্তি কি. ক্যাল ৪৩, পানি ৮৫.২ গ্রাম, আমিষ ২.৯ (গ্রাম), চর্বি ০.২ (গ্রাম), শর্করা ৫.১ (গ্রাম), খাদ্য আঁশ ৪.৮ (গ্রাম), ক্যালসিয়াম ২৪ (মি. গ্রাম), আয়রন ০.২ (মি. গ্রাম), জিংক ০.১৬ (মি. গ্রাম), ভিটা-এ ২৬ (মি. গ্রাম), ভিটা-বি১ ০.০৪ (মি. গ্রাম), ভিটা-বি২ (মি. গ্রাম) ০.০৪ ভিটামিন-সি ৬৯.৯ (মি. গ্রাম)।

সজিনা পাতার গুণাগুণ : বিজ্ঞানীরা মনে করেন, সজিনার পাতা পুষ্টিগুণের আঁধার। নিরামিষভোগীরা সজিনার পাতা থেকে সবচেয়ে বেশি উপকৃত হতে পারেন। পরিমাণের ভিত্তিতে তুলনা করলে একই ওজনের সজিনা পাতায় কমলা লেবুর ৭ গুণ ভিটামিন-সি, দুধের ৪ গুণ ক্যালসিয়াম এবং দুই গুণ আমিষ, গাজরের ৪ গুণ ভিটামিন-এ, কলার ৩ গুণ পটাশিয়াম বিদ্যমান। বিজ্ঞানীরা আরও বলেন, সজিনা পাতায় ৪২% আমিষ, ১২৫% ক্যালসিয়াম, ৬১% ম্যাগনোসিয়াম, ৪১% পটাশিয়াম, ৭১% লৌহ, ২৭২% ভিটামিন-এ এবং ২২% ভিটামিন-সি সহ দেহের আবশ্যকীয় বহু পুষ্টি উপাদান থাকে।

এক টেবিল চামচ শুকনা সজিনা পাতার গুঁড়া থেকে ১-২ বছর বয়সী শিশুদের অত্যবশ্যকীয় ১৪% আমিষ, ৪০% ক্যালসিয়াম ও ২৩% লৌহ ও ভিটামিন-এ সরবরাহ হয়ে থাকে। দৈনিক ৬ চামচ সজনে পাতার গুঁড়া একটি গর্ভবর্তী বা স্তন্যদাত্রী মায়ের চাহিদার সবটুকু ক্যালসিয়াম ও আয়রন সরবরাহ করতে সক্ষম।

সজিনার তেল : সজিনার শুকানো বীজ ভাঙিয়ে ৩৮-৪০% ভোজ্যতেল পাওয়া যায়, যাতে উচ্চ মাত্রার বিহ্যানিক এসিড থাকে। যা বিভিন্ন রোগের প্রতিষেধক। এ তেলের কোনো গন্ধ নাই এবং অন্য যেকোনো ভোজ্যতেলের মতোই মান সম্পন্ন। তেল নিষ্কাশনের পর প্রাপ্ত খইল সার হিসেবে এবং পানি শোধনের কাজেও ব্যবহার হয়।

সজিনার ওষুধি গুণাগুণ : আয়ুর্বেদিক শাস্ত্র মতে, সজিনা গাছ ৩০০ রকমের রোগ থেকে মানুষকে রক্ষা করে। আধুনিক বিজ্ঞানও এ ধারণাকে সমর্থন করে। সজিনার কচি পড সবজি হিসেবে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয়। সজিনার বাকল, শিকড়, ফুল, ফল, পাতা, বীজ এমনকি এর আঠাতেও ওষুধিগুণ রয়েছে।

 

ওষুধিগুণ

০১. শরীর ব্যথা : শরীরের কোনো স্থানে ব্যথা হলে বা ফুলে গেলে সজিনার শিকড়ের প্রলেপ দিলে ব্যথা ও ফোলা সেরে যায়।

০২. কান ব্যথা : সজিনার শিকড়ের রস কানে দিলে কানের ব্যথা সেরে যায়।

০৩. মাথা ব্যথা : সজিনার আঠা দুধের সাথে খেলে মাথা ব্যথা সেরে যায়। আঠা কপালে মালিশ করলে মাথা ব্যথা সেরে যায়।

০৪. ফোঁড়া সারায় : সজিনার আঠার প্রলেপ দিলে ফোঁড়া সেরে যায়।

০৫. মূত্রপাথরি ও হাঁপানি : সজিনা ফুলের রস দুধের সাথে মিশিয়ে খেলে মূত্রপাথরি দূর হয়। ফুলের রস হাঁপানি রোগের বিশেষ উপকারী।

০৬. গ্যাস থেকে রক্ষা : সজিনা পাতার রসের সাথে লবণ মিশিয়ে খেতে দিলে বাচ্চাদের পেট জমা গ্যাস দূর হয়।

০৭. কুকুরের কামড়ে : সজিনা পাতা পেষণ করে তাতে রসুন, হলুদ, লবণ ও গোলমরিচ মিশিয়ে সেবন করলে কুকুরের বিষ ধ্বংস হয়।

০৮. জ্বর ও সর্দি : পাতার শাক খেলে যন্ত্রণাধায়ক জ্বর ও সর্দি দূর হয়।

০৯. বহুমূত্র রোগ : সজিনা পাতার রসে বহুমূত্র রোগ সারে।

১০. কোষ্ঠকাঠিন্য ও দৃষ্টিশক্তি : সজিনার ফুল কোষ্ঠকাঠিন্য দোষ দূর করে এবং দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করে।

১১. সজিনা ফুল দুধের সাথে রান্না করে নিয়মিত খেলে কামশক্তির বৃদ্ধি ঘটে। এর চাটনি হজমশক্তি বৃদ্ধি করে।

১২. গেঁটে বাত : সজিনার ফল নিয়মিত রান্না করে খেলে গেঁটে বাত থেকে রেহাই পাওয়া যায়।

১৩. ক্রিমিনাশক ও টিটেনাস : সজিনার কচি ফল ক্রিমিনাশক, লিভার ও প্লীহাদোষ নিবারক, প্যারালাইসিস ও টিটেনাস রোগে হিতকর।

১৪. অবশতা, সায়াটিকা : সজিনার বীজের তেল মালিশ করলে বিভিন্ন বাত বেদনা, অবসতা, সায়াটিকা, বোধহীনতা ও চর্মরোগ দূর হয়।

১৫. পাতার রস হৃদরোগ চিকিৎসায় এবং রক্তের প্রবাহ বৃদ্ধিতে ব্যবহার হয়।

১৬. পোকার কামড়ে এন্টিসেপ্টিক হিসেবে সজিনার রস ব্যবহার করা হয়।

১৭. ক্ষতস্থান সারার জন্য সজিনা পাতার পেস্ট উপকারী।

১৮. সজিনা শরীরের প্রতিরোধক ব্যবস্থা শক্তিশালী করে। শরীর থেকে বিষাক্ত দ্রব্য, ভারি ধাতু অপসারণ এবং শরীরে রেডিয়েশন ও কেমোথেরাপি নিতে সহায়তা করে।

১৯. ইন্টেস্টাইন ও প্রোস্টেট সংক্রমণ : সজিনা বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণের বিরুদ্ধে কাজ করে।

২০. শ্বাসকষ্ঠ, মাথা ধরা, মাইগ্রেন, আর্থাইটিস এবং চুলপড়া রোগের চিকিৎসায় ও সজিনা কার্যকর ভূমিকা রাখে।

 

সজিনার ব্যবহার : সজিনা খাবার টেবিলে সবজি হিসেবেই বেশি ব্যবহার হয়। মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত সজিনা বাজারে প্রচুর পাওয়া যায়। এ সময় খরিপ সবজির মধ্যে সজিনার যথেষ্ট কদর থাকে। সজিনা দিয়ে ডাল তরকারিটি সবচেয়ে জনপ্রিয়। সজিনা শুধু ফল হিসেবেই নয়, সজিনার কচি পাতা ও ডাঁটা বা ডাল ভাজি বা তরকারি হিসেবে খাওয়া যায়। পালংশাকের বিকল্প হিসেবে সজিনা শাক খাওয়া হয়। মুরগির মাংস রান্নায় কচি সজিনা পাতা সুস্বাদু লাগে।

কালিজিরা, কাঁচামরিচ, রসুনের সাথে সজিনা পাতার ভর্তা একটি মজাদার খাবার। ছোট মাছের সাথে সজিনা পাতার চর্চড়ি খুবই উপাদেয়। সজিনা পাতার বড়া, সালাদ, পাতা বাটা ও সজিনা পাতার পাউডার দ্বারা খাদ্য সুস্বাদু ও শক্তি বর্ধক হয়। যেকোনো স্যুপের সাথে শুকনা সজিনা পাতার পাউডার মিশালে খাদ্যমান বেড়ে যায়। চা বা কফি তৈরিতে সজিনা পাতার পাউডার ব্যবহার করা যায়।

সজিনা থেকে তৈরি কয়েকটি বিশেষ খাবারের রেসিপি :-

 ১. মসুর ডালে সজিনা : প্রথমে মসুর ডাল-১ কাপ, সজিনা- ১ কাপ, পেঁয়াজ কুচি, তেল, হলুদ গুঁড়া;, রসুন কুচি, মেথি, সরষে বাটা, লবণ, কাঁচামরিচ, ধনেপাতা পরিমাণমতো নিতে হবে। মসুর ডাল পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। তারপর হাঁড়িতে পানি চাপিয়ে তাতে মসুর ডাল, রসুন কুচি, হলুদ গুঁড়া দিয়ে ভালো করে সেদ্ধ করতে হবে। অন্য পাত্রে তেল দিয়ে সজনে ভেজে তাতে মেথি দিয়ে তুলে নিয়ে পেঁয়াজ কুচি বাদামি করে ভেজে তেলসহ ডালে ঢেলে দিতে হবে। কাঁচামরিচ কালি ও ধনেপাতা দিয়ে চুলা থেকে নামাতে হবে।

২. সজিনা লাউ নিরামিষ : সজিনা ২৫০ গ্রাম, লাউ- আধা কেজি, শুকনা শিমের বীচি-২ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ কুচি, রসুন বাটা, হলুদ গুঁড়া, টমেটো-১টি, কাঁচামরিচ-২টি, ধনেপাতা পরিমাণমতো নিতে হবে। সজিনার আঁশ ফেলে ১.৫-২ ইঞ্চি করে টুকরা করে নিতে হবে। একই সাথে টমেটো ও লাউ টুকরো করতে হবে। শুকনো শিমের বীচি তাওয়ায় ভেজে পাটায় ভেঙে খোসা ছাড়িয়ে নিতে হবে। তেলে পেঁয়াজ অল্প ভেজে রসুন বাটা, হলুদ গুঁড়া, সজিনা ও লাউ দিয়ে রান্না করতে হবে। শিমের বীচি দিয়ে ১০ মিনিট ঢেকে রাখতে হবে এরপর টমেটো দিতে হবে। লাউ ও সজিনা সেদ্ধ হলে, মরিচ ফালি ও ধনেপাতা কুচি দিয়ে ২-৩ মিনিট পর চুলা হতে নামাতে হবে।

৩. সজিনা পাতার পাকোড়া : সজিনা পাতা-১০০ গ্রাম, মসুর ডাল-২০০ গ্রাম, পেঁয়াজ ও আলু-২০০ গ্রাম করে, কাঁচামরিচ, ধনেপাতা, লবণ ও তেল পরিমাণমতো। মসুর ডাল পরিষ্কার করে ১ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে। সজিনা ডাঁটা ভালো করে ধুয়ে কুচি, কুচি করে কাটাতে হবে। আলু, পেয়াজ, ধনেপতা, কাঁচামরিচ, সব কুচি করে কেটে নিতে হবে। মসুরের ডাল হালকা করে বেটে নিতে হবে। ডালের সাথে কুচানো সজিনা পাতা, আলু, পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ ও ধনেপাতা ভালো করে মেশাতে হবে। চুলায় কড়াই বসিয়ে তেল গরম করতে হবে। হাত দিয়ে গোল করে বড়ার মতো করে বানিয়ে তা গরম তেলে ভালোভাবে ভেজে নিতে হবে। সস্ বা চাটনিসহ গরম গরম পাকোড়া পরিবেশন করতে হবে।

৪. আলু সজিনার তরকারি : সজিনা-৫০০ গ্রাম, আলু, পেঁয়াজ কুচি, রসুন বাটা, হলুদ গুঁড়া, মরিচ গুঁড়া ও কাঁচামরিচ পরিমাণমতো নিতে হবে। সজিনা ডাঁটার আঁশ ফেলে ২ ইঞ্চি লম্ব করে কেটে নিতে হবে। আলুর খোসা ছিলে লম্বাকরে টুকরা করে কেটে নিতে হবে। তেলে রসুন বাটা, হলুদ গুঁড়া, মরিচ গুঁড়া, লবণ দিয়ে সরষে বাটা, আলু, সজিনা দিয়ে চুলায় চড়াতে হবে। পরে পানি দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। সবজি সেদ্ধ হয়ে গেলে ধনেপাতা কুচি দিয়ে নামিয়ে নিতে হবে।

৫. সজিনা দিয়ে ইলিশ মাছ : ইলিশ মাছ-৪ টুকরা, সজিনা ৪-৫টি, বড় পেঁয়াজ কুচি-১টি কাঁচামরিচ, হলুদ গুঁড়া, মরিচ গুঁড়া, ধনিয়া গুঁড়া, জিরা বাটা, তেল ও লবণ পরিমাণ মতো নিতে হবে। ইলিশ মাছের টুকরাগুলো ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। সজিনাগুলো ১.৫-২ ইঞ্চি করে কেটে নিতে হবে। কড়াইতে তেল গরম হলে পেঁয়াজ কুচি ও সব মসলা, লবণ কড়াইতে দিয়ে সজিনা দিতে হবে। সজিনা দিয়ে অল্প কষিয়ে নিতে হবে। কষানো হলে তাতে মাছ দিতে হবে। তারপর অল্প নাড়াচড়া করে পানি দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। ঝোল মাখা মাখা হলে নামানোর আগে কাঁচামরিচ দিয়ে নামাতে হবে।

৬. চিংড়ি নারিকেলে সজিনা মালাইকারি : সজিনা ২৫০ গ্রাম, চিংড়ি-১৫/২০টি (মাঝারি আকৃতির), নারিকেল বাটা-আধা কাপ, চিনি-১ চা চামচ, কাঁচামরিচ-২/৩টি, পরিমাণমতো পেঁয়াজ বাটা, আদা বাটা, তেজপাতা, তেল, হলুদ গুঁড়া নিতে হবে। প্রথমে চিংড়ির মাথা ও ভেতরের কালো রগ ফেলে ধুয়ে সজিনার আঁশ ফেলে টুকরো করে রাখতে হবে। নারিকেল বেটে নিতে হবে। তেল গরম হলে তেজপাতা, পেঁয়াজ বাটা, আদা বাটা, আস্ত চিংড়ি দিয়ে নেড়ে চেড়ে সজিনা ভেজে নিতে হবে। পানি দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে। এরপর বাটা নারিকেল, সামান্য চিনি দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। ২০ মিনিট রান্নার পর নামানোর পূর্বে কাঁচামরিচ দিয়ে নামাতে হবে।

৭. আম সজিনার ঝোল : সজিনা ভাটা-২৫০ গ্রাম, কাঁচা আম-৬-৭ টুকরা, পেঁয়াজ বাটা, পাঁচ ফোড়ন, রসুন বাটা, কাঁচামরিচ, সরিষার তেল, হলুদ গুঁড়া ও লবণ পরিমাণমতো। প্রথম সজিনা ডাঁটার আঁশ ফেলে টুকরা করতে হবে। কাঁচা আমের ওপরের সবুজ ত্বক ফেলে লম্বা করে কাটতে হবে। কাঁচামরিচ বেটে নিতে হবে। তেল গরম হলে পেঁয়াজ বাটা, পাঁচ ফোড়ন বাটা, হলুদ ও রসুন বাটা দিয়ে কষাতে হবে। এরপর সজিনা ডাঁটা ও লবণ দিয়ে ২ কাপ পানি দিয়ে অল্প আঁচে ঢেকে দিতে হবে। সজিনা সেদ্ধ হলে আমের টুকরা ও মরিচ বাটা দিয়ে জ্বাল দিতে হয়। তেল ওপরে ভেসে উঠলে নামিয়ে ফেলতে হবে।

৮. দই সজিনা : সজিনা-৫০০ গ্রাম, টকদই-২০০ গ্রাম, রসুন, আদা, কাঁচামরিচ বাটা, হলুদ গুঁড়া ও তেজপাতা পরিমাণমতো নিতে হবে। সজিনা ডাঁটার আঁশ ফেলে ১.৫ ইঞ্চি করে টুকরা করে নিতে হবে। তেলে তেজপাতা ভেজে পেঁয়াজ বাটা, রসুন বাটা, আদা বাটা, হলুদ গুঁড়া ও লবণ দিয়ে কষিয়ে সজিনা ঢেলে দিতে হবে। ভালোভাবে নেড়ে টকদই দিয়ে অল্প পানি সহযোগে ২০ মিনিট পর নামাতে হবে।

৯. সজিনা পাতার সবুজ ভাত : চাল-৪০০ গাম, মুগডাল-২০০ গ্রাম, সজনে পাতা-২০০ গ্রাম, সেদ্ধ ডিম-৩টি, টমেটো, শসা, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, ধনেপাতা, কাঁচামরিচ, তেজপাতা, গরম মসলা, লবণ, সয়াবিন তেল, লেবু পরিমাণমতো নিতে হবে। প্রথমে চাল ও ডাল ধুয়ে পরিষ্কার করতে হবে। সজনে পাতা ধুয়ে পরিষ্কার করে কেটে কুচি কুচি করতে হবে। পেঁয়াজ ও ধনেপাতা কুঁচি করতে হবে। সেদ্ধ ডিমের খোসা ছাড়িয়ে টমেটো ও শসার সাথে স্লাইস করতে হবে। আদা, রসুন ও কাঁচামরিচ বেটে নিতে হবে। চুলায় কড়াই চাপিয়ে তেল গরম হলে পেঁয়াজ ভাজতে হবে। এরপর চাল ও ডাল ২ মিনিট জ্বাল দিতে হবে। তারপর আদা, রসুন, কাঁচামরিচ বাটা ও তেজপাতা দিয়ে ভালোভাবে মিশাতে হবে। তারপর সজিনা পাতা যোগ করতে হবে। পরিমাণমতো পানি দিয়ে ২০ মিনিট জ্বাল দিলে সব সেদ্ধ হয়ে পানি শুকিয়ে যাবে। কুচানো ধনেপাতা ও গরম মসলা দিয়ে নেড়ে দিতে হবে। ডিম, টমেটো, শসা ও লেবু দিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

১০. সজিনা পাতার সবুজ রুটি : গমের আটা-৫০ গ্রাম, বেসন-২০ গ্রাম, সজিনা পাতা-২৫ গ্রাম, পেঁয়াজ-২৫ গ্রাম এর সাথে আদা জিরা, কাঁচামরিচ, তেল, লবণ পরিমাণমতো নিতে হবে। প্রথমে সজিনা পাতা পরিষ্কার করে ধুয়ে বেটে নিতে হবে। আদা, পেঁয়াজ কুচি করে কেটে নিতে হবে। জিরা ভেজে গুঁড়া করে নিতে হবে। এবার আটার সাথে বেসন ভালো করে মেশাতে হবে। একে একে মিশ্রণের সাথে সজিনা পাতা, পেঁয়াজ, মরিচ, আদা ও অন্যান্য মসলা মিশাতে হবে। এরপর পানি দিয়ে রুটি তৈরির খামির বানাতে হবে। কিছুক্ষণ খামির রেখে দিয়ে রুটির গোলা তৈরি করে রুটি বেলে নিতে হবে। চুলায় তাওয়া গরম করে সাধারণ রুটির মতো সবুজ রুটি ভেজে নিতে হবে।

১১. পেলকা : সজিনা পাতার তৈরি দিনাজপুরের গ্রামীণ সমাজের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও উপাদেয় খাবারের নাম হচ্ছে পেলকা। পরিমাণমতো সজিনা পাতা, খাবার সোডা এক চিমটি, রসুন ১টি কাঁচামরিচ ও লবণ স্বাদমতো নিতে হবে। ডেকচিতে ২-৩ লিটার পানি চাপিয়ে পরিমাণমতো লবণ দিয়ে জ্বাল দিতে হবে। সজিনা পাতা পরিষ্কারভাবে ধুয়ে কুচি কুচি করে কেটে নিতে হবে। চুলায় পানি ফুটলে পাতাগুলো ফুটন্ত পানিতে ঢেলে দিতে হবে। এরপর আদা, রসুন কাঁচামরিচ ও সামান্য পরিমাণ খাবার সোডা দিয়ে নেড়ে নিতে হবে। পাতিলের তলায় যেন না লাগে সেজন্য চামচ দিয়ে নাড়তে হবে। মিশ্রণটি ঘন হয়ে এলে নামিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

 লেখক : কৃষিবিদ মো. মোশাররফ হোসেন।

 


আরও খবর

পাহাড়ের টক-মিষ্টি ফল লটকন

বৃহস্পতিবার ০৭ জুলাই ২০২২

আম খেলে কি ভালো ঘুম হয়

রবিবার ০৩ জুলাই ২০২২




ভারত-পাকিস্তানকে হারিয়ে ‘আপসেট’ ঘটাতে চান সাকিব

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০১ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

ইয়াশফি রহমান : জয়ের সম্ভাবনা তৈরী করে হেরে যাওয়া- ভারতের বিপক্ষে গত কয়েক বছর সাদা বলের ক্রিকেটে বাংলাদেশের এমন চিত্র খুবই সাধারণ। এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আবার মুখোমুখি হচ্ছে এই দুই প্রতিবেশী। 

এবারের বিশ্বকাপে বাংলাদেশ, ভারত দুটো দলই জিতেছে দুটি করে ম্যাচ। গ্রুপ-২-এর পয়েন্ট তালিকায় দুইয়ে আছে ভারত এবং তিনে বাংলাদেশ। সেমিফাইনালের লড়াইয়ে এগিয়ে যেতে অ্যাডিলেড ওভালে আগামীকাল মুখোমুখি হবে এই দুই প্রতিবেশী। এমনকি এই অ্যাডিলেডে আরেক এশিয়ান টিম পাকিস্তান দলের বিপক্ষেও খেলবে বাংলাদেশ। সাকিব বলেন, ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের একটা জিতলে আপসেট হিসেবে গন্য হবে ৷ আমরা সেই আপসেট ঘটাতে পারলে খুশি হব ৷

২০১৫ বিশ্বকাপ থেকেই বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচ হয়ে উঠেছে বিশেষ কিছু। আইসিসি ইভেন্ট হোক বা এশিয়া কাপ, অনেকেরই আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে এই দুই প্রতিবেশীর ম্যাচ। ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটা ‘স্পেশাল’ কি না এই প্রশ্নের জবাবে সাকিব বলেন, ‘না। আমাদের কাছে প্রতিটা ম্যাচই গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটা ম্যাচেই আমরা একই অ্যাপ্রোচ নিয়ে আমরা খেলতে চাই। 


আরও খবর

ডু অর ডাই ম্যাচ মেসিদের

শনিবার ২৬ নভেম্বর ২০২২

আর্জেন্টিনাকে মাটিতে নামাল সৌদি

বুধবার ২৩ নভেম্বর ২০২২