Logo
শিরোনাম

‘বিতর্কিত’ ভাইরাল ছবি প্রসঙ্গে যা বললেন সিয়াম

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি  টুডেস ডেস্ক:


ফের আলোচনায় ঢালিউডের চিত্রনায়ক সিয়াম আহমেদ। তবে সিনেমা নয়, অন্য কারণে ভাইরাল সিয়াম। 



বছর তিনেক আগে স্ত্রী অবন্তীকে নিয়ে তোলা একটি ছবি নিয়েই বিদ্রূপের মুখে পড়েছেন সিয়াম। মূলত ঘুরতে গিয়েই ছবিটি তোলা।



সাজেকের লুসাই গ্রামে গিয়ে সেখানকার ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী পোশাকে ছবিও তোলেন এই দম্পতি। সেই ছবি আবার সামাজিক মাধ্যমেও প্রকাশ করেন তাঁরা। 


কিন্তু হঠাৎ করেই ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর পোশাক পরা সেই ছবি ভাইরাল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। 



সম্প্রতি ‘সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও উন্নয়ন’ শীর্ষক একটি সাইনবোর্ডের ছবি ঘুরছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। সেখানে চাকমা, তঞ্চঙ্গ্যা, পাংখোয়া, গারো, খাসিয়া, মারমা, খুমি, লুসাই, রাখাইন, ত্রিপুরাসহ বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর নারী-পুরুষের ছবি আছে।



 কিন্তু ভুলবশত ‘পাংখোয়া’ ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী হিসেবে সিয়াম ও তাঁর স্ত্রী অবন্তীর ছবিটিও দেওয়া হয়েছে। এই ছবি নিয়েই ট্রলের মুখে সিয়াম। যা নিয়ে বেশ বিব্রত সিয়াম।



পুরো বিষয়টি নিজের ফেসবুকেও তুলে ধরে সিয়াম লিখেছেন, ‘লুসাই জনগোষ্ঠীর সম্মানিত রাজার আমন্ত্রণে বছর তিনেক আগে সাজেকে ঘুরতে গিয়েছিলাম অবন্তীকে নিয়ে। তাঁদের সংস্কৃতি, কৃষ্টি, পরিবেশ ঘুরে দেখেছিলাম। 



তাঁদের ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরেছি, সবার আতিথেয়তায় মুগ্ধ হয়েছিলাম সেবার। নিউজফিডে বেশ কয়েক জায়গায় দেখলাম, আমার আর অবন্তীর এই ছবিটি একটি সাইনবোর্ডে ব্যবহৃত হচ্ছে। 


সেখানে আমাদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়েছে পাংখোয়া জনগোষ্ঠীর সদস্য হিসেবে। আমরা এতে বিব্রত হয়েছি। কারণ, এর মাধ্যমে পাংখোয়া জনগোষ্ঠীকে হেয় করা হচ্ছে।’



সামাজিক মাধ্যমে ট্রলের বিষয়ে তিনি লেখেন, ‘ঘুরতে গিয়েছিলাম পরিবারকে নিয়ে। সেই ছবিটি নিয়ে অনেক জায়গায় দেখলাম নানা রকমের ট্রল হচ্ছে। ভেবেছিলাম অন্য আরও অনেকবারের মতো এবারও এড়িয়ে যাব। 


কিন্তু ভাবলাম কিছু বলা উচিত। ট্রল আমরা অবশ্যই করব, মিম আমরা অবশ্যই বানাব। কিন্তু কিসে কাউকে অসম্মান করা হচ্ছে, একটি সম্প্রদায়কে ছোট করা হচ্ছে, সেই বোধ থাকাটাও জরুরি। 



যে তারুণ্যকে আমি প্রতিনিধিত্ব করি, সেই তারুণ্যের কাছে এই সেনসিবিলিটি তো প্রত্যাশা করতেই পারি।’



এ ছাড়া সাইনবোর্ড থেকে তাঁদের ছবি সরিয়ে নিতেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আহ্বান জানান সিয়াম।



আরও খবর



তিস্তা প্রকল্প নিয়ে ভারত-চীন দুই দেশই প্রস্তাব দিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস রিপোর্ট:



তিস্তা প্রকল্প নিয়ে ভারতের পাশাপাশি চীনও প্রস্তাব দিয়েছে এবং দুটো প্রস্তাবই বিবেচনা করে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


সাম্প্রতিক ভারত সফর নিয়ে মঙ্গলবার (২৫ জুন) গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনের পর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি।


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ভারত সফরে তিস্তার পানি বণ্টন নয়, মহাপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এ প্রকল্প নিয়ে চীনের পক্ষ থেকেও প্রস্তাব আছে। তবে যাদের প্রস্তাব লাভজনক হবে, তাদেরটাই গ্রহণ করবে বাংলাদেশ৷


তিনি বলেন, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়, সকলের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখেই আমরা এগিয়ে যাব। আমার দেশের মানুষের কল্যাণে বিশেষ করে দেশের উন্নয়নে যার সঙ্গে যতটুকু সম্পর্ক রাখা দরকার, সেটা করে যাচ্ছি। 



ভারত আমাদের চরম দুঃসময়ের বন্ধু, তারা রক্ত দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সহযোগিতা করে স্বাধীনতা এনে দিয়েছে; কাজেই তাদের গুরুত্বটা আমাদের কাছে এমনিতেই আছে। আবার চীন যেভাবে নিজেকে উন্নত করেছে, সেখান থেকে আমাদের শেখার আছে। 



সবকিছু ভেবেই আমরা সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। প্রস্তাব তো অনেক আসে। যেখান থেকে যে প্রস্তাবই আসুক না কেন, সেই প্রস্তাবটা আমার দেশের জন্য কতটুকু প্রযোজ্য হবে এবং কল্যাণকর হবে সেটা ভেবেই গ্রহণ করা হবে।


পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর সঙ্গে কোনো দ্বন্দ্ব নেই জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, তিস্তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে৷ গঙ্গা চুক্তি-২০২৬ সালে নবায়ন না হলেও চুক্তি চলমান থাকবে৷



 টেকনিক্যাল গ্রুপ এসে কাজ করবে, তারপর সমঝোতা হবে৷ পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর সঙ্গে আমাদের কোনো দ্বন্দ্ব নেই। তিনি বিরোধিতা করছেন, তার দেশের কেন্দ্র সরকারের সঙ্গে। এবারও দিল্লিতে গিয়ে দেখলাম, মমতা নেই। আমরা তো সবার সঙ্গেই একসঙ্গে কাজ করতে চাই৷


তিনি বলেন, তিস্তা প্রজেক্ট নিয়ে চীন ও ভারত দুদেশই প্রস্তাব দিয়েছে। অবশ্যই আমরা বিবেচনা করব, কোন প্রস্তাব গ্রহণ করলে আমাদের দেশের মানুষের কল্যাণে আসবে। ভারত বলেছে তারা করতে চায়, তারা টেকনিক্যাল গ্রুপ পাঠাবে, অবশ্যই তারা আসবে।



 চীনও একটা ফিজিবিলিটি স্টাডি করছে, ভারতও একটা করবে। আমাদের কাছে যাদেরটা সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য এবং লাভজনক মনে হবে, আমরা তাদেরটাই গ্রহণ করব। চীন সম্ভাব্যতা যাচাই করেছে৷ ভারতও করবে৷ হ্যাঁ, ভারত যদি এটা করে দেয়, তাহলে তো হলোই৷ তাহলে তো প্রতিদিন পানি নিয়ে প্যানপ্যান শুনতে হয় না৷



আরও খবর

সপ্তাহ জুড়ে ভারী বৃষ্টির আভাস

বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪




মিয়ানমার যদি আক্রমণে আসে আমরা কি বসে থাকবো? ওবায়দুল কাদের

প্রকাশিত:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডে ডিজিটাল ডেস্ক:


মিয়ানমার ইস্যুতে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আমরা এখনো কোনো আক্রমণ দেখিনি।


 যদি সত্যিই আক্রমণে আসে, তখন কী আমরা বসে থাকবো? আজ বুধবার সকালে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা বিনিময়কালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।


তিনি বলেন, তাদের অভ্যন্তরীণ ৫৪টি গোষ্ঠী আছে। ওদের অভ্যন্তরীণ অনেক সমস্যা। আমরা সীমান্তে আছি, গুলি এসে লাগতে পারে, গুলির আওয়াজ আসতে পারে। তাদের নৃতাত্ত্বিক বিদ্রোহীরা আছে। তাদের থেকেই এসব ঘটনা ঘটছে। 



সেটার জন্য কেন মিয়ানমার সরকারকে দায় দেবো? যতদিন সম্ভব শেষ পর্যন্ত আমরা আলাপ-আলোচনা চালিয়ে যেতে চেষ্টা করবো। 



সেন্টমার্টিন ইস্যুতে সরকার নতজানু পররাষ্ট্রনীতি নিয়েছে- বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্যের বিষয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, বিরোধীদলের একটা ভাষা আছে, সরকারি দলের সিদ্ধান্ত তারা নতজানু আখ্যায়িত করে। কিন্তু কীভাবে নতজানু, সেটা একটু ব্যাখ্যা করে দিক না। সেন্টমার্টিনে যে গুলিটা এসেছে, সেটা মিয়ানমার সরকার করেনি। এটা আরাকান আর্মি নামের যে বিদ্রোহীরা আছে, তাদের গুলি।


তিনি আরও বলেন, সেখানে যে জাহাজের কথা বলা হয়, সে জাহাজ সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ২৫ আগস্ট যখন রোহিঙ্গারা স্রোতের মতো বাংলাদেশে ঢুকেছিল, তখনও অনেকে উসকানি দিয়েছিল। আমাদের আকাশসীমা কখনো-কখনো অতিক্রম করেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। 



প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তখন ওয়াশিংটনে। তখন সমস্ত বাহিনী প্রধানদের তিনি ফোন করে নির্দেশ দিতেন যে কোনো অবস্থাতেই আমরা যেন যুদ্ধে না যাই। মিয়ানমার উসকানি দিলে আমরা তাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করবো। একটা সমাধান বের করবো। যুদ্ধে জড়াবো না।


সারা দেশে মোটরসাইকেল ও ইজিবাইকের জন্য সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এটা খুব দুর্ভাগ্যজনক ইদানিং যে দুর্ঘটনা ঘটছে সেখানে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা বেশি হচ্ছে। দেখা গেছে মোটরসাইকেলে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে, এরপর ইজিবাইক। বেপরোয়া ড্রাইভিংও আছে। এটাকে বাদ দেয়ার উপায় নেই।


তিনি বলেন, সচিবকে বলবো দ্রুত নীতিমালা করার জন্য। সারা দেশে লাখ লাখ তিন চাকার যান ও মোটরসাইকেলের জন্য শৃঙ্খলা নষ্ট হচ্ছে। সেজন্য নীতিমালাটা জরুরি। মানুষের জীবন আগে জীবিকা পরে। জীবিকা রক্ষা করতে গিয়ে জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলা হচ্ছে।


সড়ক পরিবহন মন্ত্রী আরও বলেন, সড়কে ঈদযাত্রা অনেকটা ভালো হয়েছে। কিন্তু ফিরতি পথের বিষয়টি এখনো রয়েছে। এদিকে অনেকটা নজর কম থাকে, তাই দুর্ঘটনাও ঘটে অনেক সময়। তাই ফিরতি পথটাও এখন দেখতে হবে।


আরও খবর



ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর ক্ষোভ

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image



নিজস্ব প্রতিবেদক:


এক হাজার গুণ বেশি বেতন আদায় করেও অধিকাংশ ইংলিশ মিডিয়াম ও অভিজাত স্কুল শিক্ষার্থীদের নানাভাবে বঞ্চিত করছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।



বুধবার (৩ জুলাই) ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের জন্য ‘ডিএনসিসি স্মার্ট স্কুল বাস সার্ভিস’ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।


শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এক হাজার গুণ বেশি ফি নিয়ে অনেক ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলো নিজস্ব ক্যাম্পাস তৈরি করছে না। ক্যাম্পাস না করে উদ্যোক্তারা পকেটে করে টাকা নিয়ে যাবে, সেই অরাজকতা আমরা চলতে দিতে পারি না।’


এসময় ডিএনসিসির নতুন এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান শিক্ষামন্ত্রী।


সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলমান ষাণ্মাসিক মূল্যায়নের প্রশ্নপত্র প্রকাশ পাওয়া নিয়ে জানতে চাইলে শিক্ষামন্ত্রী জানান, এতে নেতিবাচক কিছু দেখতে নারাজ তিনি।


আরও খবর



বেরিয়ে আসছে বেনজীরের ‘থলের বিড়াল’ : নিশ্চুপ দুদক

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস ডেস্ক:



পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ, তার স্ত্রী ও দুই মেয়ের মোট ৪৩ কোটি ৪৬ লাখ ৭২ হাজার ১৫২ টাকা মূল্যের অবৈধ সম্পদের সন্ধান পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।



দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রাথমিক অনুসন্ধানে বিপুল এই জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। এসব সম্পদের কোনো বৈধ উৎস পাওয়া যায়নি। তদন্তের স্বার্থে এই মুহূর্তে বিস্তারিত কিছু প্রকাশ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুদক।



অবৈধ সম্পদের মধ্যে রয়েছে ঢাকার বেশ কয়েকটি ফ্ল্যাট এবং বিভিন্ন ব্যাংকে জমা রাখা বিপুল পরিমাণ অর্থ। বেনজীরের পরিবারের মালিকানাধীন এসব স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির দালিলিক প্রমাণও পেয়েছে দুদক।



দুদকের প্রতিবেদনে বলা হয়, বেনজীর আহমেদের নামে মোট ৯ কোটি ২৫ লাখ ৭২ হাজার ৫৬৫ টাকা মূল্যের অবৈধ সম্পদের তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। 



তার স্ত্রী জীশান মীর্জার নামে মোট ২১ কেটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার ৪৩ টাকা, তাদের বড় মেয়ে ফারহিন রিসতা বিনতে বেনজীরের নামে মোট আট কোটি ১০ লাখ ৮৯ হাজার ৬৯৬ টাকা। 


মেজো মেয়ে তাহসিন রাইসা বিনতে বেনজীরের নামে চার কোটি ৭৫ লাখ ৫৯ হাজার ৮৪৮ টাকা মূল্যের অবৈধ সম্পদ অর্জনের তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। আদালতের আদেশে এসব সম্পদ জব্দ করা হয়েছে।



প্রতিবেদনে উল্লেখিত তথ্যের ভিত্তিতে এসব সম্পদের বিবরণী চেয়ে গত ২ জুলাই দুর্নীতি দমন কমিশন আইন-২০০৪ এর ২৬(১) ধারা অনুযায়ী সম্পদ বিবরণীর নোটিশও দেওয়া হয়।



সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ পাঠানোর ২১ কর্মদিবস এবং পরে সময়ের আবেদন করলে আরো ১৫ কর্মদিবস সময় পাবেন বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যরা। তবে বিদেশে অবস্থান করায় বেনজীর যেমন দুদকের নোটিশ গ্রহণ করতে পারবেন না, তেমনি দুদকে সম্পদ বিবরণী দাখিল করতেও ব্যর্থ হবেন বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।


দুদকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানান, আদালতের নির্দেশে বেনজীর আহমেদের প্রায় এক হাজার কোটি টাকার সম্পদ জব্দ বা ফ্রিজ করা হয়েছে। এই সম্পদগুলি যাতে আত্মসাৎ বা চোরাচালান না হয় তা নিশ্চিত করা ছিল প্রাথমিক উদ্দেশ্য।


এদিকে, আদালতের নির্দেশে ইতোমধ্যে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের ২৪ কাঠা জমির ওপর বেনজীরের দৃষ্টিনন্দন ডুপ্লেক্স বাড়িটি জব্দ করে প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে নেওয়া হচ্ছে। 



এ ছাড়া গোপালগঞ্জে বিশাল এলাকাজুড়ে রিসোর্ট, রাজধানীর গুলশানে ১০ হাজার বর্গফুটের ডুপ্লেক্স ফ্ল্যাট (চারটি ফ্ল্যাট একসঙ্গে), বান্দরবানে ২৫ একর বাগানবাড়িতে রিসিভার নিয়োগ দিয়ে তত্ত্বাবধানে নেয় প্রশাসন।


এর আগে ২২ এপ্রিল বেনজির ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের তদন্ত শুরু করে দুদক।


উল্লেখ্য, বেনজীর আহমেদ ২০১৫ সালের ৭ জানুয়ারি র‌্যাবের মহাপরিচালকের দায়িত্ব পান। এর আগে তিনি ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। 



পরে ২০২০ সালের ১৫ এপ্রিল আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব পান বেনজীর। এরপর ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ৫৯ বছর পূর্ণ হওয়ায় সরকারি চাকরি আইন অনুযায়ী অবসরে যান তিনি।


আরও খবর



ইউক্রেনে যাচ্ছে ইসরায়েলের সমরাস্ত্র

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image

৩০ বছরেরও বেশি সময় আগে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ৮টি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা সিস্টেম কিনেছিল ইসরাইল। এই সিস্টেমগুলোর সবই এম ৯০১ পিএসি-২ ব্যাটারি মডেলের। গত এপ্রিল মাসে ইসরাইলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ঘোষণা দেয়, পুরোনো হয়ে যাওয়ায় এই সমরাস্ত্রগুলো আর ব্যবহার করবে না দেশটির সেনাবাহিনী। এগুলোর স্থানে আনা হবে নতুন আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঘোষণার পর এই প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা সিস্টেমগুলো ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা বাহিনীকে প্রদানের জন্য অনুরোধ জানায় কিয়েভ। এই ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও ইউক্রেনের মধ্যে সম্প্রতি কয়েক দফা আলোচনাও হয়েছে। সম্প্রতি যুক্তরাজ্যভিত্তিক দৈনিক ফিন্যান্সিয়াল টাইমস এ নিয়ে প্রতিবেদনও প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়েছে, পুরোনো এই ৮টি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা সিস্টেম প্রথমে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠাবে ইসরাইল, তারপর সেখান থেকে সেগুলো ইউক্রেনে পাঠানো হবে।


সোমবার জাতিসংঘের সর্বোচ্চ ক্ষমতাধর সংস্থা নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে এ ব্যাপারে হুঁশিয়ার করেন ভাসিলি নেবেনজিয়া। তিনি বলেন, ইউক্রেনে যে কেউ যত শক্তিশালী অস্ত্রেই পাঠাক না কেন তা ধ্বংস হবে। গত দুই বছরে ইউক্রেনে অনেক শক্তিশালী অস্ত্র পাঠিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্ররা। সেগুলোর প্রায় সবই ধ্বংস হয়েছে।


ভাসিলি নেবেনজিয়া আরও বলেন, আর একটি কথা আমি বলব। যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা বিশ্বের বাইরে কোনো নতুন রাষ্ট্র যদি ইউক্রেনকে অস্ত্র সহায়তা দেয়, সে ক্ষেত্রে তার পরিণতি গুরুতর হবে।

 

২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান শুরু করে রুশ সেনাবাহিনী। সেই অভিযান এখনও চলছে। এই অভিযানের শুরু থেকে ইউক্রেনকে সামরিক ও আর্থিক সহায়তা দিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্ররা। পাশাপাশি অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা জারিসহ রাশিয়ার বিরুদ্ধে বিভিন্ন শাস্তিমূলক পদক্ষেপও নিয়েছে পশ্চিমা বিশ্ব। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ মিত্র ইসরাইল এই ইস্যুতে এ পর্যন্ত প্রকাশ্যে কোনো পক্ষ অবলম্বনের ঘোষণা দেয়নি। রাশিয়ার বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক পদক্ষেপও গ্রহণ করেনি।

এ পর্যন্ত ইউক্রেনে কয়েক দফা সহায়তা পাঠিয়েছে ইসরাইল, তবে সেসব সহায়তার সবই ছিল খাদ্য, চিকিৎসা ও অন্যান্য মানবিক ত্রাণ। গত বছর ইসরাইলের কাছে আয়রন ডোম ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা চেয়েছিলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কি, তবে সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছিলেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।


আরও খবর