Logo
শিরোনাম

বকশীগঞ্জে নৌকা প্রত্যাশী নুর মোহাম্মদের শোডাউন

প্রকাশিত:শুক্রবার ১০ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

জামালপুর প্রতিনিধি :দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামালপুর-১ (দেওয়ানগঞ্জ-বকশীগঞ্জ) আসনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী নুর মোহাম্মদের সমর্থনে শোডাউন করেছে শ্রমিক-চালকরা। এ আসনে জামালপুর জেলা আওয়ামীলীগের কোষাধ্যক্ষ শিল্পপতি নুর মোহাম্মদকে মনোনয়ন দেয়ার দাবিতে এই শোডাউন করেন তারা।

শুক্রবার বিকালে উপজেলার মেরুরচর ইউনিয়নের মাদারেরচর ব্রীজ থেকে শোডাউন বের করেন ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালক,অটোরিক্সা চালক,অটো ভ্যানচালক ও হোটেল শ্রমিকরা। প্রায় ৫ শতাধিক অটোভ্যান ও মোটরসাইকেলের বহরটি বকশীগঞ্জ বাজার হয়ে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের হাটবাজার প্রদক্ষিণ করে। এর আগে তারা দেওয়ানগঞ্জের বিভিন্ন ইউনিয়নে শোডাউন ও মিছিল করেন। শোডাউন থেকে নৌকা মার্কা ও নুর মোহাম্মদের সমর্থনে নানা স্লোগান দেয়া হয়। শোডাউনের সময় সড়কের দুই পাশ থেকে বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ হাততালি দিয়ে তাদের সমর্থন জানান। 

শোডাউনে আসা অটোভ্যান চালক দুলাল মিয়া,খলিলুর রহমান,নওশেদ আলী,নুর মোহাম্মদ কৃষকের সন্তান। তিনি আমাদের মত গরীব অসহায় মানুষের দু:খ বুঝেন। বিপদে আপদে সব সময় পাশে থাকেন। তাই এবার আমরা তাকে এমপি হিসেবে দেখতে চাই। 

ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালক রবিন,ওয়াজকুরুনি,হাফিজুর বলেন,জননেতা নুর মোহাম্মদ এমপি মন্ত্রী না হয়েও অনেকদিন ধরে গরীব মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। আমাদের চাওয়া গরীব অসহায়ের  বন্ধু নুর মোহাম্মদে নৌকা মার্কা দেয়া হোক। এটা প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের দাবি।

হোটেল শ্রমিক রহমান,হিরা মিয়া,কামাল হোসেন বলেন, প্রতিটি ঈদে নুর মোহাম্মদ তাদের খোঁজ খবর নেন। বিভিন্ন সময়ে টাকা পয়সা দিয়ে সহযোগীতা করেন। তার কাছে গেলে কেউ খালি হাতে ফিরেন না। আমাদের মত গরীব খেটে খাওয়া মানুষরা এবার এক হয়ে নুর মোহাম্মদের পক্ষে মাঠে নেমেছি। নুর মোহাম্মদ নৌকা পেলে আমরা কাজ কর্ম বাদ দিয়ে তার নির্বাচনে কাজ করবো। 

একাত্মতা ঘোষনা করে শোডাউনে অন্যান্যের মধ্যে যোগ দেন উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি সাইদুর রহমান লাল,ছাত্রলীগের আহবায়ক রাজন মিয়া,ছাত্রলীগ নেতা মাইনুল ইসলাম ও কলেজ ছাত্রলীগের আহবায়ক আরিফুজ্জামানসহ দলীয় নেতাকর্মীরা। 

জানা যায়,জামালপুর-১ (দেওয়ানগঞ্জ-বকশীগঞ্জ) আসনে আওয়ালীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে বেশ আলোচনায় রয়েছেন নূর মোহাম্মদ। তিনি গত প্রায় ৩০ বছর যাবত সমাজসেবা মুলক কর্মকান্ড করে যাচ্ছেন এলাকায়। যে কারনে ভোটের মাঠে তার শক্ত অবস্থান রয়েছে। এই আসনে বেশ কয়েকবার দলীয় মনোনয়ন চেয়েছেন তিনি। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যৌথভাবে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছিলেন। পরে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে জোরালো ভাবে মাঠে কাজ করেন। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন নুর মোহাম্মদ। সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড তুলে ধরে সভা,সমাবেশ,শোডাউন,পথসভা,উঠান বৈঠক করছেন নিয়মিত।


আরও খবর



নেপালে ভূমিধস ও বন্যায় নিহত ১১, নিখোঁজ ৮

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image

নেপালে ভারী বৃষ্টিতে ভূমিধস ও হঠাৎ বন্যায় অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ১২ জন। এছাড়াও নিখোঁজ রয়েছেন আরও আটজন। রবিবার (৭ জুলাই) কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গত ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে এসব এই ঘটনা ঘটেছে। ভূমিধস ও বন্যার কারণে গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক ও তলিয়ে গেছে।

পুলিশের মুখপাত্র দান বাহাদুর কারকি রয়টার্সকে জানান, কীভাবে আটজন নিখোঁজ হয়েছেনতা বলা যাচ্ছে না। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। জরুরি বিভাগের কর্মীরা ভূমিধসের মাটি ও আবর্জনা পরিষ্কার করে রাস্তাগুলো চালু করার চেষ্টা করছেন।

নেপালের দক্ষিণাঞ্চলীয় কোশি নদীর পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে বইছে। এই নদী নেপালের সীমানা পেরিয়ে ভারতের বিহার রাজ্যের ওপর দিয়ে বয়ে গেছে। প্রায় প্রতি বছর বিহারে প্রাণঘাতী বন্যার কারণ হয় এই নদী বলে এক জেলা কর্মকর্তা জানিয়েছেন।।

নেপালের সানসারি জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বেদ রাজ পুয়েল বলেন, কোশির পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের আমরা সম্ভাব্য বন্যার বিষয়ে সতর্ক থাকতে বলেছি।

তিনি জানান, স্থানীয় সময় রোববার সকাল ৯টায় প্রতি সেকেন্ডে কোশি নদী দিয়ে ৩ লাখ ৬৯ হাজার কিউসেক পানি প্রবাহিত হচ্ছিল, যা স্বাভাবিক প্রবাহ দেড় লাখ কিউসেকের দ্বিগুণের চেয়েও বেশি।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পানি বের করে দিতে কোশি ব্যারেজের ৫৬টি স্লুইস গেটের সবগুলো খুলে দেওয়া হয়েছে। স্বাভাবিক সময়ে যেখানে ১০ থেকে ১২টি গেট খোলা রাখা হয়।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নেপালের পশ্চিমাঞ্চলীয় নারায়ণী, রাপ্তি ও মহাকালী নদীর পানিও বাড়ছে। পাহাড় ঘেরা রাজধানী কাঠমাণ্ডুতে বেশ কয়েকটি নদীর পানি পাড় উপচে বন্যার কারণ হয়েছে, এতে নগরীর কয়েকটি রাস্তা তলিয়ে গেছে ও অনেকগুলো বাড়িতে পানি প্রবেশ করেছে।

নেপালে মধ্য জুনে বৃষ্টির মৌসুম। বৃষ্টি শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত ভূমিধস, বন্যা ও বজ্রপাতে অন্তত ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

সূত্র: রয়টার্স


আরও খবর

আবার কমেছে রিজার্ভ

বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪

বাজারের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে?

মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪




ইসরায়েলি বর্বরতায় আরও ২৭ ফিলিস্তিনি নিহত

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় নয় মাস ধরে ইসরায়েলের হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৮ হাজার ছাড়িয়েছে। আহত হয়েছেন ৮৭ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা শনিবার জানায়, ইসরায়েলের হামলা শুরুর পর থেকে গাজায় নিহত ফিলিস্তিনির সংখ্যা ৩৮ হাজার ১১ জন। অন্যদিকে হামলায় আহত হয়েছেন অন্তত ৮৭ হাজার ৪৪৫ জন।

শুক্রবার ভোর থেকে চালানো হামলায় ২৭ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দুইজন ফিলিস্তিনি সাংবাদিকও রয়েছেন।

এছাড়া অধিকৃত পশ্চিম তীরের জেনিনে ইসরায়েলি অভিযানে নিহতের সংখ্যা বেড়ে সাতজনে দাঁড়িয়েছে।

গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে ঢুকে গাজার শাসক দল হামাসের প্রাণঘাতী হামলার জবাবে উপত্যকায় প্রায় বিরামহীন হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল।

হামাসের ওই হামলায় নিহত হয় ১২ শর মতো ইসরায়েলি। ওইদিন দুই শতাধিক ইসরায়েলিকে বন্দি করে গাজায় নিয়ে আসেন সশস্ত্র ফিলিস্তিনিরা।

ওই হামলার প্রতিক্রিয়ায় গাজায় নির্বিচার হামলা শুরু দখলদার দেশ ইসরায়েল। তাদের হামলা থেকে রেহাই পায়নি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, মসজিদ কিংবা গির্জার মতো বেসামরিক স্থাপনা। ইসরায়েলি হামলায় নিহত ফিলিস্তিনিদের বেশিরভাগ নারী ও শিশু।

হামলার পর বিভিন্ন ভবনের ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়া অনেকেই নিখোঁজ হয়েছেন। তারা মারা গেছেন বলে ধরে নেওয়া হয়েছে।


আরও খবর



গোপন বিয়ের খবর ফাঁস, প্রতিক্রিয়ায় যা বললেন ববি

প্রকাশিত:সোমবার ০১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিনোদন ডেস্ক:


‘নির্মাতাকে পিটিয়েছেন নায়িকা’ এমন খবর এখনও তাজা দেশের শোবিজাঙ্গনে। 



এর মধ্যেই ফাঁস হলো সেই নায়িকা ইয়ামিন হক ববির গোপন বিয়ের খবর। তবে বিষয়টিকে সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করেছেন তিনি।



গণমাধ্যমকে ববি বলেন, এগুলো পুরোপুরি মিথ্যা সংবাদ। আমার সম্মান ক্ষুণ্ন করার জন্য কেউ এগুলো ছড়াচ্ছে। সবাইকে আহ্বান করবো, এসব গুজবে কান না দেওয়ার জন্য।


এর আগে জানা যায়, গোপনে বিয়ে করেছেন আলোচিত এই নায়িকা। বরের নাম আবুল বাশার। পেশায় তিনি একজন ব্যবসায়ী।



 ঈদের সপ্তাহখানেক আগে একটি শুটিংয়ে ববি তার বরকে নিয়ে হাজির হলে, ঘনিষ্ঠজনরা প্রথম তার বিয়ের খবরটি জানতে পারেন।


আরও খবর



বিশ্ববাজারে চাহিদা বাড়ছে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস ডেস্ক:



বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতে নতুন এক সম্ভাবনার দুয়ার উন্মোচন করেছে অপ্রচলিত বাজার। নতুন নতুন বাজারে ক্রমশ চাহিদা বাড়তে থাকায় রপ্তানি আয়ে সাফল্যের ধারা অব্যাহত রেখে চলেছে এদেশের তৈরি পোশাক খাত। 



চলতি অর্থবছরে সামগ্রিকভাবেই রপ্তানি আয় বেড়েছে এ খাতে; তবে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা যাচ্ছে অপ্রচলিত বাজারের আয়ে।


রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের জুলাই থেকে ২০২৪ সালের মে মাস পর্যন্ত অপ্রচলিত বাজার থেকে পোশাক পণ্যের রপ্তানি আয় ৬ দশমিক ৪৭ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮১৮ কোটি ডলার, যা একই সময়ে আগের বছরে ছিল ৭৬৮ কোটি ৯ লাখ ডলার। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর হিসাব অনুযায়ী মোট রপ্তানি আয়ের ১৮ দশমিক ৬৭ শতাংশ এসেছে নতুন বাজার থেকে।



অন্যদিকে, তৈরি পোশাক খাতে সামগ্রিক রপ্তানি আয় বেড়েছে ২ দশমিক ৮৬ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে এ খাতে আয় হয়েছে মোট ৪ হাজার ৩৮৫ কোটি ৬০ লাখ ডলার, আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ৪ হাজার ২৬৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার।


অপ্রচলিত বাজারের মধ্য থেকে সবচেয়ে বেশি আয় হয়েছে জাপান থেকে। চলতি অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে জাপানে তৈরি পোশাক রপ্তানি করে আয় হয়েছে ১৪৮ কোটি ৪৬ লাখ ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ১ দশমিক ৮৩ শতাংশ বেশি। আগের বছর রপ্তানি হয়েছিল ১৪৫ কোটি ৭৯ লাখ ডলার।



হত্যা আতঙ্কে ব্যারিস্টার সুমন, থানায় জিডি

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আয় হয়েছে অস্ট্রেলিয়া থেকে। সেখান থেকে তৈরি পোশাক শিল্পের রপ্তানি আয় ১১ দশমিক ৭৬ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১৮ কোটি ৫৪ লাখ ডলার, যা আগের বছরে ছিল ১০৬ কোটি ডলার।


এদিকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ চলমান থাকলেও বড় ধরনের রপ্তানি আয় এসেছে রাশিয়া থেকেও। দেশের তৈরি পোশাক নতুন এ বাজারে রপ্তানি করে আয় বেড়েছে ১৫ দশমিক ৫০ শতাংশ। চলত অর্থবছর আয় হয়েছে ৪৬ কোটি ২৩ লাখ ডলার, যা আগের বছরে ছিল ৪০ কোটি ডলার।


বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার চীনেও চাহিদা বাড়ছে এখানকার তৈরি পোশাক পণ্যের। চলতি অর্থবছরে দেশটিতে আমাদের রপ্তানি বেড়েছে ২৩ দশমিক ২৩ শতাংশ। আয় হয়েছে ৩১ কোটি ৫৭ লাখ ডলার, যা আগের বছরে ছিল ২৫ কোটি ২ লাখ ডলার।


পাশাপাশি কোরিয়ায় আমাদের তৈরি পোশাকের রপ্তানি বেড়েছে ১৪ দশমিক ৩৪ শতাংশ। গত ১১ মাসে দেশটি থেকে আমাদের আয় হয়েছে ৫৭ কোটি ২৮ লাখ ডলার। গত বছর এ আয় ছিল ৫০ কোটি ডলার।


উল্লেখযোগ্য হারে রপ্তানি বেড়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরবে; ৫৮ দশমিক ২৮ শতাংশ। এ সময়ে দেশটি থেকে বাংলাদেশের আয় হয়েছে ২৭ কোটি ৩ লাখ ডলার, যা গত বছর ছিল ১৭ কোটি ২ লাখ ডলার।


বাংলাদেশের মোট তৈরি পোশাক রপ্তানি আয়ের ৪৯ দশমিক ৩৭ শতাংশ আসে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো থেকে। অপ্রচলিত বাজারে রপ্তানি আয় ইতিবাচক থাকলেও ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশে আমাদের রপ্তানি কমেছে ২ শতাংশ।



 চলতি অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে এই জোন থেকে বাংলাদেশের আয় হয়েছে ২ হাজার ১৬৪ কোটি ৮১ লাখ ডলার। অবশ্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগ করা যুক্তরাজ্যে আমাদের তৈরি পোশাক পণ্যের রপ্তানি বেড়েছে ১২ দশমিক ৩৪ শতাংশ।



 চলতি অর্থবছরে দেশটি থেকে বাংলাদেশের আয় হয়েছে ৫১৬ কোটি ডলার, যা গত বছর ছিল ৪৫৯ কোটি ডলার।


পোশাক পণ্যের রপ্তানি কমেছে আমাদের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বাণিজ্যিক অংশীদার ভারতেও। প্রতিবেশী দেশটিতে বাংলাদেশের পোশাক পণ্যের রপ্তানি কমেছে ২৩ দশমিক ১১ শতাংশ। ১১ মাসে দেশটি থেকে আয় হয়েছে ৭৩ কোটি ডলার, যা আগের বছরে ছিল ৯৫ কোটি ডলার।


এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রেও ৩ দশমিক ৪৩ শতাংশ কমে গেছে আমাদের তৈরি পোশাকের রপ্তানি। প্রথম ১১ মাসে দেশটি থেকে আয় হয়েছে ৭৪৬ কোটি ৮৪ লাখ ডলার। গত বছর একই সময় এ আয় ছিল ৭৭৩ কোটি ৩৮ লাখ ডলার।


বিকেএমইএর নির্বাহী সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, ‘ভারত আমাদের প্রতিবেশী দেশ হওয়া সত্ত্বেও আমরা সম্ভাবনা কাজে লাগাতে পারছি না। সম্ভাবনা অনুযায়ী আমরা রপ্তানি আয় বাড়াতে পারছি না।



 এক্ষেত্রে সরকারকে অশুল্ক বাধা দূর করা এবং রপ্তানি সহজীকরণের প্রতি নজর দেওয়া প্রয়োজন। ভারত একটি বড় বাজার। কারণ দেশটির জনসংখ্যা অনেক বড়। সেখানে যদি আমরা খুব সামান্য পরিমাণও মার্কেট ধরতে পারি সেটা আমাদের জন্য অনেক বড় অর্জন হবে। 


সুতরাং ভারতসহ সম্ভাবনাময় সব অপ্রচলিত বাজারগুলোর প্রতি সরকারকে বিশেষ নজর দিতে হবে এবং বাণিজ্যিক রিংগুলো কাজে লাগাতে হবে।’


এক্ষেত্রে তার পরামর্শ, বাজেটে যে নতুন ধরনের কর আরোপ করা হয়েছে সেগুলো প্রত্যাহার করে বাজেট রপ্তানিবান্ধব করতে হবে।


প্রচলিত বাজারে রপ্তানি কমে যাওয়ায় উদ্বেগ জানিয়েছেন পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর। তিনি বলেন, ‘নতুন বাজারের ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি আশাব্যঞ্জক। তবে তা সম্ভাবনার চেয়ে কম। 


আমাদের নতুন বাজার আরো বেশি করে অনুসন্ধান করা উচিত। কারণ সাম্প্রতিক সময়ে প্রচলিত বাজারে মার্কেটের হিস্যা রপ্তানিতে কমেছে।’


সরকার ও রপ্তানিকারকদের নতুন বাজারে রপ্তানির জন্য নতুন কৌশল অবলম্বন করার পরামর্শ দিয়েছেন এ অর্থনীতিবিদ।


আরও খবর

আবার কমেছে রিজার্ভ

বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪

বাজারের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে?

মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪




পুলিশের ভূমিকা রহস্যজনক

নওগাঁয় গৃহবধূ আত্নহত্যার প্ররোচনা মামলা, ২৫ দিনেও নেই কোন অগ্রগতি

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁর সাপাহারে স্বামী ও শশুর শাশুড়ির অমানুষিক নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে নিগার সুলতানা (৩৩)  নামের এক গৃহবধূ কিটনাশক পানে আত্মহত্যার ঘটনায় আত্মহত্যা প্ররোচনার অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের করার পর পুলিশের নিরব ভূমিকায় নিহতের পরিবার শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। নিহত গৃহবধু নিগার সুলতানার পিতা সাপাহার উপজেলার রসুলপুর গ্রামের মজিবুর রহমান চৌধুরীর দায়েরকৃত এজাহার সুত্রে জানা গেছে, প্রায় ১৭ বছর পূর্বে সাপাহার উপজেলার হোসেনডাঙ্গা গ্রামের আঃ সালাম এর ছেলে আসামী গোলাম মোস্তফার সহিত তার মেয়ে মোছাঃ নিগার সুলতানা (৩৩) এর ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক বিয়ে হয়। 

জামাই গোলাম মোস্তফা, তার পিতা আঃ সালাম ও মা রাহেলা বেগম তার মেয়েকে বিভিন্ন সময়ে শরীরিক এবং মানসিক নির্যাতন করে আসছিলো। স্বামী ও তার পরিবারের সকল যন্ত্রনা সহ্য করে নিগার সুলতানা স্বামীর ঘর সংসার করে আসছিলেন এরিমাঝে তাদের ঘর আলো করে মা বাবার কোলে ২টি পুত্র সন্তান জন্ম গ্রহন করেন। দু’টি সন্তানের কথা চিন্তা কষ্ট স্বিাকার করে সে তার স্বামীর ঘর করে আসছিলো।  


ঘটনার দিন ৯ জুন সামান্য বিষয়ে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে কথা কাটাকটি হলে স্বামী, শশুর, শাশুড়ী সকলে মিলে গৃহবধুকে শারিরীক নির্যাতনের এক পর্যায়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ এবং তাকে আত্নহত্যার জন্য চাপ সৃষ্টি করে। এর পর গৃহবধু নিগার সুলতানা তাদের নির্যাতন সইতে না পেরে সকলের অজান্তেই কীটনাশক পান করে অসুস্থ্য হয়ে পড়েন। তার স্বামী গোলাম মোস্তফা অসুস্থ্য অবস্থায় তার স্ত্রী নিগার সুলতানাকে নিয়ে সাপহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসকগন গৃহবধূর অবস্থা খারাপ দেখে তাকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতারে রেফার্ড করেন। মেয়ের অসুস্থ্যতার সংবাদ পেয়ে গৃহবধুর পিতা-মাতা ছুটে এসে তাৎতক্ষনিক মুমূর্ষু  অবস্থায় মেয়েকে নিয়ে রাজশাহী নিয়ে ভর্তি করান। সেখানে চিকিৎসাকালীন অবস্থায় গত ১০ জুন  সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে  তার  মৃত্যু হয়। বিষয়টি নিয়ে রাজশাহী রাজপাড়া থানায় অভিযোগ করে ময়না তদন্ত শেষে মৃতদেহ নিয়ে বাড়ি ফিরে আসার পথে তানোর পৌছালে স্বামী গোলাম মোস্তফা স্ত্রীর লাশবাহী  গাড়ী থেকে কৌশলে পালিয়ে যায়। এরপর লাশের গাড়ি সাপাহার উপজেলার নিশ্চিন্তপুর মোড় পার হলে গোলাম মোস্তফার আত্মীয় স্বজনরা  মোটরসাইকেল নিয়ে গাড়ীর পথ রোধ করে গাড়ী থেকে মোস্তফার মা ও ছোট ছেলে সন্তান সহ নিহত গৃহবধূর সোনার গহনা ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। এঘটনায়  নিগার সুলতানার পিতা মজিবর রহমান চৌধুরী বাদী হয়ে তার জামাই গোলাম মোস্তফা, তার বাবা মোঃ আঃ সালাম ও মা  রাহেলা বেগমকে আসামী করে দন্ডিবিধির ৩০৬ ধারা মোতাবেক সাপাহার থানায় একটি আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলা দায়ের করেন। 

ঘটনার বিষয়ে নিহত নিগার সুলতানার বড় ছেলে ষষ্ঠ শ্রেণীতে পড়ুয়া সাব্বির হোসেন (১২) এর সাথে কথা হলে সে বলে যে, প্রায় সময় তার বাবা গোলাম মোস্তফা তার মাকে কারণে অ-কারণে মারপিট ও অকথ্য ভাষায় গালি-গালাজ করত।তার সাথে সাথে আমার দাদা,দাদীরাও মা’কে আত্নহত্য করে মরার জন্য বিভিন্ন ভাবে গালিগালাজ করত। ঘটার দিন অসুস্থ্য  অবস্থায় আমি আমার মা’র নিকট গেলে মা’ আমাকে বলে যে মারপিটের পরে তোর বাবা, দাদা, দাদী মিলে জোরপূর্বক আমাকে বিষ খাইয়ে দিয়েছে। একই রকম বক্ত্যব্য শিশুটি থানা পুলিশের উপস্থিতিতেও বলেছে।

এরপরেও পুলিশের রহস্যজনক ভূমিকা দেখে আমি আমার মেয়ে মৃত্যুর সঠিক বিচার পাব কি না সে বিষয়ে চিন্তিত ও শঙ্কিত আছি। আমার মেয়ে হত্যার সঠিক বিচার পাওয়ার জন্য আমি সংশ্লিষ্ট উর্ধতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করছি।

এবিষয়ে সাপাহার থানার ওসিকে না পেয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই মিলন কুমার সিংহ এর সাথে কথা হলে তিনি জানান যে, আমরা একাধিকবার আসামীর বাড়ীতে অভিযান চালিয়েছি বর্তমানে আসামী পলাতক রয়েছে। এর পরেও লাশের ময়না তদন্তের রিপোর্ট এখনও হাতে পাইনি। ময়না তদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে মামলা তার গতিতেই চলবে বলেও জানান তিনি।


আরও খবর