Logo
শিরোনাম

বকশীগঞ্জের ধানুয়া কামালপুর হানাদার মুক্ত দিবস কাল

প্রকাশিত:Saturday ০৩ December ২০২২ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

মাসুদ উল হাসান,জামালপুর প্রতিনিধি ঃ

আগামী কাল ৪ ডিসেম্বর জামালপুরের বকশীগঞ্জের ধানুয়া কামালপুর মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক এই দিনে পাকহানাদার মুক্ত হয় মহান মুক্তিযুদ্ধের ১১ নম্বর সেক্টরের কামালপুর রণাঙ্গন। পাক হানাদার বাহিনীর ১৬২ জন সদস্য অস্ত্রসহ আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে আত্মসর্মপণ করে। কামালপুর মুক্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে সূচিত হয় জামালপুর, ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল তথা ঢাকা মুক্ত হওয়ার পথ। 

জানা যায়,১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক মুক্তিযুদ্ধের ১১ নং সেক্টরের গুরুত্বপূর্ণ স্থান বকশীগঞ্জ উপজেলার ধানুয়া কামালপুর রণাঙ্গন। এই সেক্টরের সদর দপ্তর ছিল ভারতের মহেন্দ্রগঞ্জে । ১ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অধীনে থাকা ১১ নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম বীর সেনানী কর্নেল আবু তাহের বীর উত্তম। মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় মিত্র বাহিনীর রাজধানী ঢাকা দখলের সহজ ও একমাত্র পথ ছিল এটি। কামালপুর দখল হলেই ঢাকা দখল সহজ হয়ে যাবে এ কারনে পাক হানাদার বাহিনি ধানুয়া কামালপুরে শক্তিশালী ঘাঁটি গড়ে তুলে ছিলো। পাকসেনাদের এই শক্তিশালী ঘাটির পতন ঘটানোর লক্ষ্যে কর্নেল আবু তাহেরের নেতৃতে ১২ জুন থেকে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে হানাদার পাকসেনাদের দফায় দফায় সম্মুখ যুদ্ধ হয়। সব চেয়ে বড় সম্মুখ যুদ্ধ হয় ৩১ জুলাই রাতে। সম্মুখ যুদ্ধে ক্যাপ্টেন সালাহ উদ্দিনসহ ১৯৪ জন মুক্তিযুদ্ধা শহীদ ও শত্রু পক্ষের একজন মেজরসহ ৪শ ৯৭ জন নিহত হয়। এই যুদ্ধে পাকসেনাদের একটি মর্টার শেলের আঘাতে সেক্টর কমান্ডার কর্নেল আবু তাহের গুরুতর আহত হন এবং ১টি পা হারান। ৩ ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনি হানাদার বাহিনির কামালপুর বিওপিতে আঘাত হানে। মাত্রাতিরিক্ত আর্টিলারি গোলা বর্ষণ করেও তেমন কোন ক্ষতি করা সম্ভব হয়নি। এর পর বিমান হামলার মাধ্যমে পাকিস্থান সেনা বাহিনির বিওপি ধ্বংস করার সিদ্ধান্ত হয়। শুরু হয় বিমান আক্রমণ। প্রতিটি মিশনের পর মেজর জেনারেল গিল পাক বিওপি কমান্ডার ক্যাপ্টেন আহসান কে আত্বসর্মপণ করার জন্য একটি করে চিঠি পাঠান। মৃত্যু নিশ্চিত জেনেও ৪ ডিসেম্বর শত্রু সেনা বিওপিতে প্রথম চিঠি নিয়ে যান বীর মুক্তিযোদ্ধা বশীর আহমদ বীর প্রতীক। চিঠিতে লেখা ছিল তোমাদের চারদিকে যৌথবাহিনী ঘেরাও করে রেখেছে। বাচঁতে চাইলে আত্মসর্মপণ কর, তা না হলে মৃত্যু অবধারিত। এই চিঠি পেয়ে অগ্নিমূর্তি ধারন করে পাকসেনা কমান্ডার আহসান মালিক। বশিরের ফিরতে বিলম্ব হওয়ায় আরেকটি চিঠি দিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা সঞ্জুকে পাঠানো হয় পাকসেনা ক্যাম্পে। চিঠির জবাব না পাওয়ায় শুরু হয় চুড়ান্ত বিমান হামলা। অবস্থা বেগতিক দেখে অস্ত্রসহ পাক বাহিনির কামালপুর ক্যাম্পের গ্যারিসন কমান্ডার আহসান মালিকসহ ১৬২ জনের একটি দল আনুষ্ঠানিকভাবে আত্বসমর্পন করতে বাধ্য হয়। হানাদার মুক্ত হয় কামালপুর রণাঙ্গণ। মুক্তিযোদ্ধারা প্রথম বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন কামালপুর মাঠে। এরপর থেকেই ৪ ডিসেম্বর ধানুয়া কামালপুর মুক্ত দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।


আরও খবর



সাংবাদিক মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু আর নেই

প্রকাশিত:Thursday ১৯ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

মো নুরুল্লাহ খান, আরব আমিরাত থেকে: 

ঢাকার দোহার উপজেলায় দোহার প্রেসক্লাব- এর প্রবীণ সাংবাদিক মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু(৬৭) আর নেই(ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন)। বুধবার(১৮ জানুয়ারি) বাদ যোহর উপজেলার ঝনকী গ্রামে তার নিজ বাড়িতে ইন্তেকাল করেন। তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ ডায়াবেটিস, প্যারালাইসিসসহ নানা রোগে ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও চার কন্যাসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী দুনিয়ায় রেখে গেছেন। 

সাংবাদিকতা পেশাগত জীবনে তিনি দৈনিক সংগ্রাম, দৈনিক দিনকাল, দৈনিক আমার দেশ, সাপ্তাহিক সোনার বাংলা ও সাপ্তাহিক খুলনার বানী পত্রিকার দোহার স্যবাদদাতা ও প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেছেন।

মরহুমের ছোট ভাই আতিকুর রহমান ফনু খান জানান, বুধবার বাদ এশা আল আমিন বাজারের টিনশেটের

কবরস্থান মসজিদের সামনে জানাজা নামাজ শেষে মরহুমের মরদেহ ওই কবরস্থানেই দাফন করা হয়। তার পরিবার-পরিজন, সহকর্মী ও আত্মীয় স্বজন মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

সাংবাদিক মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জুর মৃত্যুতে দোহার প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকেও শোকবার্তা প্রকাশ করা হয়। শোকবার্তায় বলা হয়- ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার প্রবীণ সাংবাদিক মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু আজ বাদ যোহর মারা গেছেন(ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। দোহার প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ করে মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোক সন্তপ্ত পরিবার-পরিজনসহ শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করা হয়।


আরও খবর



নওগাঁয় বাঁশের তৈরী পণ্য বিক্রি করে সংসার চালাচ্ছেন দম্পতি

প্রকাশিত:Thursday ১৯ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :


নওগাঁর মহাদেবপুরে বাঁশদিয়ে আসবাব পত্র তৈরী ও বিক্রি করে সংসারে সফলতা এনেছেন উজ্জ্বল ও পুষ্প তরনী দম্পতি।

কুটির শিল্পের কারিগর এই দম্পতি বাড়িতে বাঁশের তৈরী বিভিন্ন রকম ডালা, চালুন, কুলা, ডালি, হাতপাখা, ঝাড়ুসহ নানা রকম সাংসারিক সামগ্রী তৈরী করে এসব হাটেবিক্রি করে সংসারে খরচ করেন। সংসারে স্বামীকে সহযোগিতা করার পাশাপাশি স্ত্রী নিজেই এখন বড় ব্যবসায়ী। তার দোকানে সাজানো আছে বাঁশ দিয়ে হাতের তৈরি বিভিন্ন রংয়ের কুলা, চালন, ডালি, হাতপাখা, ঝাড়ু সহ অনেক বাঁশের তৈরী আরো অনেক আসবাব পত্র। মহাদেবপুর উপজেলা সদরের সারপট্রি এলাকায় বসে এই শিল্পের ব্যবসায়ীরা বাঁশের তৈরী এসব আসবাব পত্র বিক্রিও করে থাকেন।

সরেজমিনে গিয়ে কথা হয় উজ্জ্বল তরনী দম্পতির সঙ্গে। তারা বলেন, আমরা থাকি উপজেলা সদরের কালিতলা মন্দিরের কাছে সুলতানপুর আশ্রয়ণ প্রকল্পে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া উপহার ঘরে। তিনি আরো বলেন, আমরা স্বামী স্ত্রী দুজনেই বাঁশদিয়ে নিজেরাই এসব আসবাব পত্র তৈরী করি, এছাড়াও কিছু জিনিস আমরা কিনে নিয়ে আসি। 

এসময় দেখা যায়, রঙিন গোমাই। সেগুলো বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা করে। হাঁস মুরগী ঢাকা টোপা বিক্রি হয় ২০০ থেকে ৩০০ টাকা করে। এছাড়া বিভিন্ন দামের বিভিন্ন শিল্প আছে এদম্পতির দোকানে।

পুষ্প তরনী বলেন, ডালি, হাতপাখা, চালন, কুলা সহ অনেক কিছু আমরা নিজেই তৈরি করি। দিনে মাঝারি ডালি ৬-৭টা, কুলা ২০টি তৈরি করা যায়। কুলার দাম ৫০-৭০ টাকা। এগুলো হাতের তৈরি আদীয় শিল্প। সারা বছর এই ব্যবসা চলে। সপ্তাহে শনি ও বুধবার হাট হলেও আমরা প্রতিদিন এখানে নিয়ে এসে বিক্রি করি। এছাড়া বাড়ি থেকেও অনেকে কিনে নিয়ে যায়। প্রকারভেদে এবং মানঅনুযায়ী ৫০ থেকে ১২০ টাকা পর্যন্ত ঝাড়ু বিক্রি হয়।

পাশাপাশি পাইকারি নিয়ে এসে বিক্রি করছে অনেক কিছু। এদম্পতি টিকিয়ে রেখেছে বাঁশের তৈরি আদীয় শিল্পকে। তারা দু'জনেই বলেন, ৪ মেয়েকে নিয়ে ভালোই আছি। এক মেয়ের বিয়ে হয়েছে। আরেক মেয়ের বিয়ের কথা চলছে। অন্য মেয়েরা পড়াশোনা করছে।

এব্যাপারে মহাদেবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আবু হাসান মুঠোফোনে গনমাধ্যমকে বলেন, স্বামী-স্ত্রী দম্পতি হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যকে ধরে রেখেছে এটা অবশ্যই সবার জন্য একটা অনুপ্রেরণা মূলক কাজ। 

এটা আগে ছিল নিত্য প্রয়োজনীয়। তবে এখন এই শিল্পগুলো অনেক জায়গায় সৌখিন হিসেবে ব্যবহার হয়ে থাকে। তিনি বলেন, তারা যদি কোন সহযোগিতার জন্য আসে আমি উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক চেষ্টা করবো।


আরও খবর



টানা ৭ দিন বায়ু দূষণের শীর্ষে ঢাকা

প্রকাশিত:Monday ৩০ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

টানা সাতদিন বায়ু দূষণের শীর্ষে রাজধানী ঢাকা। যানবাহনের কালো ধোঁয়া ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ধুলায় ঢাকা পড়ছে রাজধানীর আকাশ। গাড়ির কালো ধোঁয়া নিয়ন্ত্রণে কার্যকর উদ্যোগ নেই। প্রকল্পে দূষণ কমানোর জন্য অর্থ বরাদ্দ থাকলেও নেই নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা। এনিয়ে দুঃখ প্রকাশ করে বন ও পরিবেশমন্ত্রী আশ্বস্ত করলেন যে, দূষণ নিয়ন্ত্রণে কাজ চলছে।

কুয়াশাচ্ছন্ন রাজধানীর আকাশ। তবে আসলে এটি শীতের কুয়াশা নয়। বরং গাড়ির কালো ধোয়া ও ধুলার কারনেই আকাশে তৈরী হয়েছে কুয়াসার মতো আবরন।

কালো ধোয়া ছড়ানো গাড়ির চলাচলে আইনে নিষিদ্ধ হয়েছে অনেক আগেই। কিন্তু এখনও রাজধানীর গণপরিহনে কালো ধোয়ার দাপট। প্রতিদিন আইন শৃংখলা রক্ষাকারি বাহিনীর সামনেই রাস্তায় চলছে বায়ু দূষণকারি এসব পরিবহন।

বিএসটিআই মান অনুযায়ী দেশের গণপরিবহণ ও ট্রাকে ব্যবহৃত ডিজেলে সালফারের পরিমাণ থাকার কথা ৫০ পিপিএম। কিন্তু বাস্তবে তা দু’শ থেকে তিন’শ পিপিএম। বায়ু দূষণের অন্যতম উপাদান এই সালফার।

রাজধানী জুড়ে চলছে নানা রকম উন্নয়ন কর্মকাণ্ড। দূষণ রোধে প্রতিটি প্রকল্পেই আছে অর্থ বরাদ্দ। কিন্তু সেই অর্থ প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা কতোটা ব্যয় করেন; তা নিয়েও নেই কোন নজরদারি। কিন্তু পরিণতিটা ভোগ করতে হচ্ছে নগরবাসিবে। বাতাসে ভাসা দূষিত সুক্ষ বা অতি সুক্ষ কণা রক্তের সাথে মিশে পৌছে যাচ্ছে মানুষের মস্তিকে। ফলাফল শ্বাস কষ্ট, উচ্চ রক্ত চাপ, কিডনী, বা হৃদরোগ।

আন্তর্জাতিক জরিপে টানা গেলো সাতদিন ধরে দেশের বায়ুর বিশ্বের সবচে দূষিত বলে উঠে আসছে। যা নিয়ে দু:খ প্রকাশ করে বন ও পরিবেশমন্ত্রী বলেছেন, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে নোটিশ দেয়া হয়েছে কিন্তু কাজ হচ্ছে না। এই অবস্থা থেকে বের হয়ে আসাকে কঠিন চ্যালেঞ্জ বলে স্বীকার করলেন মন্ত্রী। 


আরও খবর



নওগাঁয় র‌্যাবের অভিযানে ১ হাজার ৫০ লিটার মদসহ একজন আটক

প্রকাশিত:Sunday ২৯ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :

নওগাঁয় র‌্যাবের অভিযানে ১ হাজার ৫০ লিটার চোলাই মদ সহ ১ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।

সত্যতা নিশ্চিত করে র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩, জয়পুরহাট কাম্প থেকে প্রতিবেদককে জানানো হয়, 

র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩, জয়পুরহাট ক্যাম্পের একটি চৌকশ অপারেশনাল দল কোম্পানী অধিনায়ক মেজর মোঃ মোস্তফা জামান এবং স্কোয়াড কমান্ডার সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ রানা এর নেতৃত্বে শনিবার ২৮ জানুয়ারি দিনগত রাত ৯ টারদিকে নওগাঁর বদলগাছী থানাধীন মথুরাপুর ইউপির কাষ্টগ্রাম বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১ হাজার ৫০ লিটার চোলাই মদ সহ গজেন সরদার (৫০) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ী গজেন সরদার নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার কাষ্টগ্রাম বাজার এলাকার মৃত রবি সরদার এর ছেলে।

অভিযানে চোলাই মদ রাখার কাজে ব্যবহারীত ২ টি প্লাস্টিক ড্রাম, ৬ টি অর্থিং পাত্র, ৫ টি প্লাস্টিকের জারিক্যান, ৬ টি প্লাস্টিকের বালতি ও ১০ টি প্লাস্টিকের কন্টিনার সহ চোলাই মদ উদ্ধার সহ মাদক ব্যবসায়ী গজেন সরদার কে হাতেনাতে গ্রেফতার করেন বলেও নিশ্চিত করেছে র‌্যাব।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, উক্ত ধৃত আসামী দীর্ঘদিন যাবৎ নেশা জাতীয় চোলাই মদ অবৈধভাবে উৎপাদন করে নওগাঁ জেলার বিভিন্ন স্থানে মাদকসেবী ও মাদক কারবারীদের নিকট সরবরাহ করে আসছিল বলে শিকার করেছেন র‌্যাবের কাছে।

এব্যাপারে নওগাঁর বদলগাছী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ অনুসারে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও প্রতিবেদক কে নিশ্চিত করেছে র‌্যাব।


আরও খবর



ইরানে আরও ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশিত:Tuesday ১০ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

ইরানে পুলিশের হেফাজতে মাশা আমিনি নামে এক তরুণীর মৃত্যুর পর দেশটিতে হিজাববিরোধী বিক্ষোভের কারণে আরও তিনজনের মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। বিক্ষোভের সময় নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যকে হত্যার অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে । সোমবার ইরানের বিচার বিভাগ এই তথ্য জানায়।

খবর এনডিটিভির।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তীব্র সমালোচনা উপেক্ষা করে ইরানের বিচার বিভাগ ‘আল্লাহর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার’ অভিযোগে ওই তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিলো।

এর আগে গত শনিবার ইরান মোহাম্মদ মাহদি কারামি এবং সৈয়দ মোহাম্মদ হোসেইনি নামের দুই বিক্ষোভকারীকে ফাঁসি দেয়।

বিক্ষোভের সময় ইরানের আধাসামরিক বাহিনীর এক সদস্যকে হত্যার অভিযোগে তাদেরকে দোষী সাব্যস্ত ক‍রা হয়েছিল। এবার মৃত্যুদণ্ড পাওয়া তিনজন হলেন সালেহ মিরহাশেমি, মাজিদ কাজেমি এবং সাইদ ইয়াগৌবি।

ইসফাহান নগরীতে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চলাকালে স্বেচ্ছাসেবী বাসিজ মিলিশিয়ার সদস্যদেরকে হত্যার অভিযোগে ওই তিনজনকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। তবে এই মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন।

ইরানের অভিজাত রেভল্যুশনারি গার্ড বাহিনী সংশ্লিষ্ট বাসিজ মিলিশিয়া দেশে বিক্ষোভ দমনের অগ্রভাগে রয়েছে। বিক্ষোভকারীদেরকে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে বিক্ষোভ দমনের জন্য সোমবার পোপ ফ্রান্সিস ইরানের নিন্দা করেছেন।

গত মাসে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলেছে, ইরানি কর্তৃপক্ষ কমপক্ষে ২৬ বিক্ষোভকারীর মৃত্যুদণ্ডের সাজা চাইছে। দেশ কাঁপানো গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেয়া প্রতিবাদকারীদের ভয় দেখানোর জন্য প্রহসনমূলক বিচারের নীলনকশা করা হয়েছে বলে নিন্দা জানিয়েছে লন্ডনভিত্তিক এই মানবাধিকার সংস্থা।


আরও খবর