Logo
শিরোনাম

বঞ্চনা ও ক্ষোভ থেকে জঙ্গিবাদের সৃষ্টি হয়

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০22 | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে এদিকে আমাদের ও আন্তর্জাতিক মহলকে খেয়াল রাখতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ-ডিএমপি কমিশনার শফিকুল ইসলাম। সোমবার রাজধানীর বসুন্ধরা কনভেনশন হলে অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিটের (এটিইইউ) এর পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে তিনি কথা বলেন।

ডিএমপি কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বাংলাদেশের জঙ্গিবাদের প্রেক্ষাপটে দেখা গেছে, আমাদের দেশের কোনও কারণে জঙ্গিবাদ মাথাচাড়া দেয় না, আমাদের দেশে জঙ্গিবাদ আন্তর্জাতিক কারণে মাথাচাড়া দেয়। প্রথমে আফগান যুদ্ধ, তারপর ইরাক যুদ্ধ, এরপর আইএস সৃষ্টি হলে দেশেও জঙ্গিবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছিল। আমরা সবকিছু মোকাবিলা করেছি, দমন করেছি।

তিনি বলেন, ‘জঙ্গিবাদ ক্ষোভ ও বঞ্চনা থেকে সৃষ্টি হয়। যত দ্রুত এই ক্ষোভ প্রশমিত করা যাবে, তত তাড়াতাড়ি দমন হবে। আমরা ছোটবেলা মসজিদে যাবার সময় থেকে শুনে আসছি— ফিলিস্তিনে আমাদের মুসলিম ভাইদের খুন করা হচ্ছে, এই বঞ্চনা থেকেই জঙ্গিবাদের সৃষ্টি হয়। আমাদের দেশের বড় কোনও কারণে জঙ্গিবাদ সৃষ্টি হবে না। এটা জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে খেয়াল রাখতে হবে।

শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আরেকটি বিষয় হলো— পাঁচ বছর পর পর আমাদের দেশে রাজনৈতিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ড হয়। সে সময় পুলিশ রাজনৈতিক মিছিল-মিটিং নিয়ে ব্যস্ত থাকে। এসময় জঙ্গিরা মাথাচাড়া দেয়। এ সময় সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে।


আরও খবর

পঞ্চগড়ে নৌকা ডুবে ২৪ জন নিহত

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

এবার ৩২ হাজার মণ্ডপে দুর্গাপূজা

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২




বিক্রামপুর ভূইয়া মেডিকেল কলেজ শিক্ষার্থীদের নবীনববণ

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

শ্রীনগর (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

মুন্সীগঞ্জ শ্রীনগরে বিক্রামপুর ভূইয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শিক্ষার্থীদের নবীনববণ (বিবিঃ ০৮) ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১২ টা সময় প্রতিষ্ঠানে মাঠে নবীনববণ (বিবিঃ ০৮) ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। ফোরেসিক মেডিসিন অধ্যাপক ডাঃ এ. কে. এম শামসুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্তিত ছিলেন বিক্রামপুর ভূইয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চেয়ারম্যান মোঃ আমিনুজ্জামান ভূইয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্তিত ছিলেন বিক্রামপুর ভূইয়া মেডিকেল কলেজের ভাইস চেয়ারম্যান ও মুন্সীগঞ্জ বিক্রামপুর সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ডাঃ মনিরুজ্জামান ভূইয়া, বিক্রামপুর ভূইয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডাঃ বদিউজ্জামান ভূইয়া, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক ডাঃ আবিদা সুলতানা। ।এ ছাড়া আরও বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক ডাঃ শরীফ হাসান (সার্জারী), সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ রোকসানা আফরোজ, সহকারী অধ্যাপক ডাঃ আবিদ হাসান, সহকারী অধ্যাপক ডাঃ সামাওয়াত নায়ের শহিদসহ অন্যান্য ডাক্তরবৃন্ধ ও সকল ছাত্রছাত্রী,কর্মকর্তা -কর্মচারী উপস্থিত ছিল।


আরও খবর

বিশ্বজয় করে দেশে ফিরল ক্ষুদে হাফেজ

শুক্রবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২




ইটনায় সরকারি স্কুলের তদন্ত রিপোর্টে "জজমিয়া কাহিনী"

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

মোঃ মুজাহিদ সরকার কিশোরগঞ্জ ঃ

ইতিহাসের পাতায় জজমিয়ার কাহিনী এক নাটকীয় মিথ্যা গল্প। কোন বানানো গল্প বা নাটকীয় মিথ্যা গল্পের কথা আলোচনা হলেই ইতিহাসের পাতা থেকে "জজমিয়ার" নাম চলে আসে।

বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমল; ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার লক্ষ্যে তাঁর সমাবেশে গ্রেনেড হামলা হয়। এই হামলায় ২২ জনের মৃত্যু হয়। আহত হন আড়াইশর বেশি লোক, যারা এখনো গ্রেনেড হামলার ক্ষত বয়ে বেড়াচ্ছেন। তবে এই গ্রেনেড হামলার কথা উঠলেই হতাহত আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি আরেকটি নাম ঘুরে ফিরে আসে। তিনি জজ মিয়া। 

গ্রেনেড হামলার ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে বিচারের প্রহসনের নামে লজ্জাজনক এক নাটক সাজায় তৎকালীন ক্ষমতাসীন বিএনপি সরকার। তারই পরিপ্রেক্ষিতে ইতিহাসের পাতায় এটি ‘জজ মিয়া নাটক’ নামে জায়গা করে নেয়। গ্রেনেড হামলার সত্যিকারের অপরাধীকে আড়াল করার জন্য নিরপরাধ সিডি বিক্রেতা জজ মিয়াকে আটক করে হামলার মূল হোতা বানানোর চেষ্টা করে বিএনপি সরকার।

তেমনি আর একটি জজমিয়ার কাহিনীর মত ঘটনা ঘটেছে কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার জয়সিদ্ধি ইউনিয়নের ভয়রা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তদন্ত রিপোর্টে। 

গত ২৮ আগস্ট "ইটনায় সরকারি স্কুলে বেলা ১২টায় শিক্ষক আসে নাই, ক্লাস নিচ্ছেন দপ্তরী" নামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। একই নিউজ বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকা যেমনঃ দৈনিক আমাদের সময়, দৈনিক আমার সংবাদ, দৈনিক দেশবাংলা, দৈনিক আজকের পত্রিকা সহ বেশ কিছু অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত হয়। সংবাদ প্রকাশিত হবার পর কিশোরগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সুব্রত কুমার বণিক তদন্তের নির্দেশ দেন ইটনা সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন কে। নির্দেশ মোতাবেক ২৯ আগস্ট তদন্ত করার জন্য ভয়রা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার কে তদন্ত রিপোর্ট পাঠান তদন্ত কর্মকর্তা।

০৫ আগস্ট (সোমবার) জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সুব্রত কুমার বণিক তদন্তের রিপোর্ট হাতে পেয়ে দুইজন সহকারী শিক্ষক মুক্তাহার ইয়াসমিন এবং পপি দাস কে শোকজ করেছেন বলে সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন। 

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সুব্রত কুমার বণিক জানান, উপজেলা থেকে তদন্ত রিপোর্টে তিনি পেয়েছেন 'ভয়রা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলামের নৈমিত্তিক ছুটি ছিল এবং উক্ত স্কুলে একজন সহকারী শিক্ষক ইকবাল হোসাইন যথাযথ সময়ে স্কুলে উপস্থিত ছিলেন এবং তিনি স্কুলের দ্বিতীয় তলায় ক্লাসে ছিলেন।

এবার আসি নতুন "জজমিয়ার গল্পে" গত ২৮ আগস্ট প্রকাশিত সংবাদ কে মিথ্যা বানানোর জন্য জজমিয়ার গল্পের মতোই তদন্ত রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে কারন উক্ত তারিখে প্রতিবেদক সরজমিনে যখন ভয়রা স্কুলে উপস্থিত হন তখন ঘড়ির কাটায় সময় আনুমানিক সকাল সারে এগারোটা (১১:৩০) বাজে।

স্কুলে প্রতিবেদক উপস্থিত হবার পর দেখা যায় একটা স্কেল হাতে একজন ব্যক্তি ছাত্র ছাত্রীদের পড়াশোনা করাচ্ছেন। তখন সংবাদ প্রতিবেদক ঐ ব্যক্তি পরিচয় জিজ্ঞেস করলে জানতে পারেন তিনি স্কুলের দপ্তরী, উনাকে জিজ্ঞেস করা হয় স্কুলে কোন স্যার-ম্যাডাম নাই? তখন দপ্তরী নূরে আলম প্রতিবেদক কে জানান, প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম স্যারের ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে হাসপাতালে আছেন, বাকি স্যার ম্যাডাম এর সাথে ফোনে যোগাযোগ করতেছি উনারা মনে হয় রাস্তায় আছেন আপনি একটু অফিসে এসে বসেন, আমি স্যার ম্যাডামকে ফোন দিচ্ছি আর আপনার জন্য চা নাস্তার ব্যবস্থা করতেছি আপনি একটু বসেন। তখন সংবাদ প্রতিবেদক অফিস কক্ষে ঢুকতেই দেখতে পান একজন বসে আছেন তিনি উক্ত বিদ্যালয়ের নতুন কমিটির বিদ্যোৎসাহী মোঃ মাহাতুবুদ্দিন (স্কুলে স্যার-ম্যাডাম নাই এবং দপ্তরী নূরে আলম স্যার-ম্যাডাম কে ফোন দিচ্ছে ভিডিও ফুটেজ সংরক্ষিত)।

কোন শিক্ষকদের না পেয়ে প্রতিবেদক সকাল ১১: ৩৯ মিনিটে ইটনা সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন কে মুঠোফোনে বিষয়টি জানানোর পর তিনি বিষয়টি খোঁজ খবর নিচ্ছেন জানান (রেকর্ড সংরক্ষিত)।

প্রতিবেদক বিদ্যোৎসাহী মোঃ মাহাতুবুদ্দিন কে নিয়ে স্কুলে ক্লাস গুলো দেখার জন্য দ্বিতীয় তলায় যান, তখন সাথে উক্ত স্কুলে সাবেক শিক্ষার্থী এবং দ্বিতীয় শ্রেণীর একজন শিক্ষার্থীর অভিভাবক ছিলেন। স্কুলের দপ্তরী নূরে আলম দ্বিতীয় তলার শ্রেণিকক্ষে তালা খুলে দেখান। তখন দ্বিতীয় তলায় ৬-৮ জন শিক্ষার্থী ছাড়া কোন শিক্ষক ছিলেন না (ভিডিও ফুটেজ সংরক্ষিত)। স্কুলের প্রতিটা ক্লাস কক্ষ ঘুরে দেখার পর উপস্থিত সবার সাক্ষাৎকার নেওয়া হয় (ভিডিও ফুটেজ সংরক্ষিত)।

তদন্ত রিপোর্টে সরকারী শিক্ষক ইকবাল হোসাইন লিখেছেন তিনি স্কুলে ছিলেন এবং ক্লাস করাচ্ছিলেন তাহলে প্রশ্ন ০১) যখন দ্বিতীয় তলায় সংবাদ প্রতিবেদক, অভিভাবক গিয়েছিলেন দপ্তরি সহ তখন তিনি কোথায় ছিলেন? ০২) দপ্তরী নূরে আলম কেন বলেন নাই একজন শিক্ষক উপরে আছেন? ০৩) একজন অপরিচিত মানুষ স্কুলে গিয়ে ছবি তুলেছেন তখন সহকারী শিক্ষক ইকবাল হোসাইন কেন উনার পরিচয় জিজ্ঞেস করলেন না? ০৪) সহকারী শিক্ষক ইকবাল হোসাইন প্রায় বারোটার সময় স্কুলে উপস্থিত হয়ে সংবাদ প্রতিবেদক চলা যাবার সময় তার সাথে কথা বলেন, বিভিন্ন রিকোয়েস্ট করেন, পরে তিনি কেন প্রতিবেদক এর নৌকা ভাড়া ২০টাকা নৌকার মাঝি কে জোর করে ধরিয়ে দেন? ০৫) সংবাদ প্রতিবেদক স্কুল থেকে চলে আসার পর

সহকারী শিক্ষক ইকবাল হোসাইন কেন সংবাদ প্রতিবেদকের মুঠোফোনে ফোন দিয়ে রিকোয়েস্ট করেন যেন উনার বিষয়টি একটু দেখার জন্য, তিনি যে ১২টার সময় স্কুলে আসছেন এই সময়টা একটু কমিয়ে লেখার জন্য ০৬) প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলামকে মুঠোফোনে শিক্ষক নাই বিষয়টি অবগত করলে, তিনি তখন কেন বললেন সহকারী শিক্ষক ইকবাল হোসাইন এবং পপি দাস কিশোরগঞ্জ থেকে আসতেছেন রাস্তায় আছেন, আপনি একটু বসেন (রেকর্ড সংরক্ষিত )। তদন্ত রিপোর্ট জানাজানি র পর আলোচনা ঝড় উঠেছে সচেতন নাগরিক এবং শিক্ষক সমাজে। কেউ কেউ বলছেন ঐ দিন প্রায় ১২:০০ টার সময় ইকবাল কিশোরগঞ্জ থেকে স্কুলে এসেছে এটা আমরা সবাই জানি কিন্তু এখন তদন্ত রিপোর্ট বলতেছে ইকবাল নাকি ঐদিন স্কুলে ছিল, তদন্ত রিপোর্ট মিথ্যা। সচেতন নাগরিক সমাজের দাবি সত্য কে মিথ্যা করার জন্য এই তদন্ত রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে, আবার সঠিক ভাবে তদন্ত করা উচিত। প্রতিবেদক মোঃ মুজাহিদ সরকার বলেন, আমার তথ্য বহুল সত্য প্রতিবেদন কে মিথ্যা করার জন্য একটা অদৃশ্য শক্তি কাজ করছে। তাদের উদ্দেশ্য আমার সংবাদ টি যেকোন উপায়ে মিথ্যা প্রমাণিত করার পর আমার ক্ষতি করার। সাংবাদিক মুজাহিদ সরকার আরও বলেন, হাওর এলাকার শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে আরও প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে ইনশাল্লাহ। 

তদন্ত রিপোর্ট পাঠানোর বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা এবং ইটনা সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, ইকবাল হোসাইন যদি মিথ্যা লিখিত দিয়ে থাকেন এবং তথ্য গোপন করে থাকেন তাহলে আবার তদন্ত করে রিপোর্ট দিব এবং বিভাগীয় ব্যবস্থা নিচ্ছি।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সুব্রত কুমার বণিক জানান, তদন্ত রিপোর্টে আলোকে দুইজন সহকারী শিক্ষক কে শোকজ করেছি। শোকজ এর উত্তর আসলে সন্তুষ্টমূলক না হলে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিব। সহকারী শিক্ষক ইকবাল হোসাইনের তথ্য গোপন করা এবং তিনি ১২টার সময় স্কুলে এসে লিখিত তদন্ত রিপোর্টে বক্তব্য দিয়েছেন তিনি স্কুলে ছিলেন এই বিষয়ে তিনি বলেন, আপনার কাছে যত প্রমাণ আছে আমাকে পাঠান আমি দেখতেছি এই রকম হলে সেও শাস্তি পাবেন।


আরও খবর



পুতিন-শি জিনপিং বৈঠক

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

ইউক্রেন–রাশিয়া যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবারের মতো সরাসরি বৈঠক করলেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। বৃহস্পতিবার উজবেকিস্তানে অনুষ্ঠিত সাংহাই কো অপারেশন অর্গানাইজেশনের দুদিনের শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে তাদের মধ্যে এ বৈঠক হয়।

ইউক্রেন যুদ্ধে ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান নেওয়ার জন্য চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের প্রশংসা করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। একই সাথে তাইওয়ান ইস্যুতে পশ্চিমাদের উস্কানির সমালোচনা করে নিন্দাও জানান পুতিন। এ সময় জিনপিং জানান, বিশ্বে স্থিতিশীলতা ও ইতিবাচক শক্তি সঞ্চার করতে চীন রাশিয়ার সঙ্গে কাজ করতে ইচ্ছুক ।পশ্চিমাদের রুখতে কৌশলগত মিত্রতার ওপর জোর দেন তাঁরা। 


আরও খবর

জাতিসংঘে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

জাতিসংঘের ভূমিকায় হতাশ মালয়েশিয়া

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২




যশোরে আট জনের শরীরে এইডস শনাক্ত

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

মাত্র ৩৫ দিনের মধ্যে যশোরে আট জনের শরীরে এইচআইভি ভাইরাস -এইডস শনাক্ত হয়েছে। এই নিয়ে তিন বছরে যশোর জেনারেল হাসপাতালের পরীক্ষা কেন্দ্রে মোট ১৭ জনের দেহে ভাইরাসটি শনাক্ত হয়। চলতি বছরে শনাক্ত হয়েছে ১০ জন। 

যশোর জেনারেল হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের আগস্ট মাসে যশোর হাসপাতালের পরীক্ষাকেন্দ্রে চার জনের দেহে ভাইরাসটি শনাক্ত হয়। আর সেপ্টেম্বরের প্রথম চার দিনে আরও চার জনের দেহে ভাইরাসটি ধরা পড়ে। এই নিয়ে ৩৫ দিনে আট জন আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন। হাসপাতালের এইচটিসিতে (এইচআইভি টেস্টিং অ্যান্ড কাউন্সেলিং সেন্টার) ১৬২ জনের রক্ত ও লালা পরীক্ষায় আট জনের শরীরে ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। যার মধ্যে পুরুষ পাঁচ ও নারী তিন জন। তাদের বয়স ২০ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে। আক্রান্তরা ভারত ও বাংলাদেশ উভয় দেশেই বসবাস করেন।

২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে যশোর জেনারেল হাসপাতালে এইচটিসি চালু হয়। সে বছর শনাক্ত হয় তিন জন। পরের বছর অর্থাৎ ২০২১ সালে চার ও ২০২২ সালের ৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১০ জনের শরীরে ভাইরাসটি শনাক্ত হয়।

যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, যেভাবে এইডস আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে তা আমাদের জন্যে একটি সতর্কবার্তা।

তিনি জানান, সারা দেশে এইচআইভি-এইডস পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ২৩ টি সেন্টার ও চিকিৎসাসেবা দেওয়ার জন্য সাতটি সেন্টার রয়েছে। খুব শিগগিরই আরও পাঁচটি কেন্দ্র চালু হবে। যার মধ্যে যশোর জেনারেল হাসপাতালেও হবে।


আরও খবর

পঞ্চগড়ে নৌকা ডুবে ২৪ জন নিহত

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

এবার ৩২ হাজার মণ্ডপে দুর্গাপূজা

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২




অনিয়মিত মাসিক কেন ?

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩০ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

দুই মাসিকের মধ্যবর্তী সময় যদি বার বার পরিবর্তন হতে থাকে, তাহলে তাকে অনিয়মিত মাসিক বলে । অনিয়ম দুইভাবে হতে পারে-ঘন ঘন,নয়তো দেরিতে দেরিতে।


মাসিকের চক্র কিভাবে হিসাব করতে হয় ?

এক মাসিকের প্রথম দিন থেকে আর এক মাসিকের প্রথম দিন পর্যন্ত যে সময় সেটাই হলো এক মাসিক চক্র। সাধারণত ২৮ দিন পরপর মাসিক হয়। যদিও ২১ থেকে ৩৫ দিন অন্তর পর্যন্ত স্বাভাবিকতার তারতম্য হতে পারে। একবার মাসিক হলে সাধারণত ২-৮ দিন থাকে এবং এক মাসিকে মোট ৫-৮০ মিলি পর্যন্ত রক্ত যেতে পারে। এই তিনটার যেকোনো একটার অনিয়ম মানেই অনিয়মিত মাসিক।

কেন হয় ?

বিভিন্ন বয়সে বিভিন্ন কারণে অনিয়মিত মাসিক হয়। যেমন:

১) সাবালিকা হওয়ার প্রথম ১-২ বছর ডিম্বাশয়ের অপরিপক্বতার জন্য।
২) মেনোপজ হওয়ার আগের ৪-৫ বছর হরমোনের তারতম্যের জন্য।
৩) কিছু কিছু পিল খাওয়ার সময় বা কপার-টি দেওয়া অবস্থায় পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার জন্য।
৪) বুকের দুধ খাওয়ানো অবস্থায় হরমোনের তারতম্যের জন্য।
৫) খুব বেশি ব্যায়াম করলে।
৬) অতিরিক্ত টেনশনে থাকলে।
৭) হঠাৎ খুব ওজন বেড়ে বা কমে গেলে।
৮) হরমোনজনিত রোগ পিসিওএস হলে।
৯) থাইরয়েড রোগীদের।
১০) স্ত্রী রোগ যেমন-জরায়ুর পলিপ, ফাইব্রয়েড টিউমার, জরায়ুর প্রদাহ ও এন্ডোমেট্রোসিস রোগ হলে।

 কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন ?

কয়েকদিন মাসিক এদিক ওদিক হলেই ডাক্তারের কাছে দৌড়ানোর দরকার নেই। অথবা সাবালিকা হওয়ার কয়েকবছর মাসিক দেরিতে দেরিতে হলেই ডাক্তারের কাছে যাওয়ার দরকার নেই।

নীচের সমস্যাগুলো থাকলে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। সমস্যাগুলো হলো:

১) হঠাৎ করে যদি মাসিকের চক্র পরিবর্তন হয় এবং রোগীর বয়স ৪৫ এর কম হয়।
২) ২১ দিনের চেয়ে কম সময়ে বা ৩৫ দিনের চেয়ে বেশি সময়ে মাসিক হলে।
৩) মাসিক ৭ দিনের চেয়ে বেশি থাকলে বা ৩ দিনের চেয়ে কম হলে।
৪) সর্বনিম্ন মাসিক ও সর্বোচ্চ মাসিক হওয়ার দিনের মাঝে ২০ দিনের অধিক তফাৎ থাকলে।
৫)অনিয়মিত মাসিক, কিন্তু বাচ্চা নিতে চান।

কেন মাসিক নিয়মিত হওয়া জরুরি ?

অনিয়মিত মাসিক এর সাথে অনেক দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্য সমস্যা জড়িত বলেই মাসিক নিয়মিত হওয়া জরুরি। মেয়েদের পরিপাক, ঘুম, বাচ্চা হওয়া সবই এর সাথে সম্পর্কিত।

ডাক্তার কি করবেন ?

অনিয়মিত মাসিকের রোগীদের গত ৬ মাসের মাসিকের ক্যালেন্ডার রাখতে বলা হয়। কি ধরনের মাসিকের সমস্যা তা ক্যালেন্ডার দেখলে বোঝা যায়। এছাড়া ডাক্তার রোগীর হিস্ট্রি, শারীরিক পরীক্ষা , কিছু রক্তপরীক্ষাসহ আলট্রাসাউন্ড করে জরায়ু ও তার আশপাশে কোন সমস্যা আছে কিনা তা নির্ণয় করবেন।


কিশোরীর অনিয়মিত মাসিক

কিশোরীদের অনিয়মিত মাসিকের কারণগুলো হলো :

১) ডিম্বাশয়ের অপরিপক্বতা, যার কারণে মেয়েলি হরমোন ইসট্রোজেন ও প্রজেস্টেরনের তারতম্য হয় এবং মাসিক যে পর্দা থেকে হয় সে পর্দা নিজেকে ধরে রাখতে পারেনা এবং ভাঙতে শুরু করে। (পরিপক্ব ডিম্বাশয় হলো সেটা যেটা থেকে প্রতি মাসে একটা করে ডিম্বাণু ফুটে বের হয়। কিশোরীর ডিম্বাশয় পরিণত হতে সাধারণত কয়েক বছর সময় লেগে যায়। এজন্য এ কয় বছর মেয়েদের মাসিক অনিয়মিত হয়, ওজন পরিবর্তন হয় ও মানসিক পরিবর্তন হয়।)
২) পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রম, যেখানে অনিয়মিত মাসিকের সাথে হাতে-পায়ে ও মুখে অবাঞ্ছিত লোম হয় এবং ঘাড়ে ও গলায় কালো দাগ পড়ে যায়। ওজন বেড়ে যায়।
৩) এছাড়া যেসব কিশোরীর থাইরয়েডের সমস্যা আছে।

যে সব কিশোরীর মাসিক অনিয়মিত তাদের চিন্তা থাকে কখন মাসিক হবে, কখন মাসিক হবে। তাদের মাসিক কখন হবে বোঝার জন্য কিছু লক্ষণ আছে।

সেগুলো হলো:

১) কোমরের পেছনে ক্রাম্পিং পেইন।
২) ব্রেস্ট ভার ভার লাগা।
৩) মাথা ব্যথা।
৪) ব্রণ।
৫) ঘুমের সমস্যা।
৬) মেজাজ পরিবর্তন।
৭) পেট ফাঁপা।
৮) নরম পায়খানা।

কিশোরীরা কিভাবে তৈরি থাকবে মাসিকের জন্য ?

যেসব কিশোরীর অনিয়মিত মাসিক থাকে তাদেরকে যেন অস্বস্তিকর অবস্থায় পড়তে না হয় সেজন্য নিজেকে তৈরি থাকতে হবে। একটা প্যাড এবং অতিরিক্ত একটা প্যান্টি সবসময় তাদের স্কুল ব্যাগে রাখতে পারে, যাতে হঠাৎ মাসিক হলে অপ্রস্তুত অবস্থায় পড়তে না হয়।

চিকিৎসা

১) জীবনযাত্রা পরিবর্তন, যোগ ব্যায়াম, ওজন কমানোর জন্য ব্যায়াম ও খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন।
২) প্রজেস্টোরন ট্যাবলেট বা জন্ম নিয়ন্ত্রণ বড়ি।
৩) থাইরয়েড সমস্যার জন্য ওষুধ, যদি দরকার হয়।

অনিয়মিত মাসিকের ক্ষেত্রে বাচ্চা নিতে চান?

অনিয়মিত মাসিক অবস্থায় বাচ্চা আসা কঠিন। কেননা অনিয়মিত মাসিক মানে তার ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বাণু ফুটছে না। ডিম না ফুটলে বাচ্চা হবে কোত্থেকে। তাই বাচ্চা নিতে হলে ওষুধ দিয়ে মাসিক নিয়মিত করতে হবে। তাতেও যদি বাচ্চা না আসে তবে ডিমফোটার ওষুধ দিতে হবে।

বাচ্চা নেওয়ার বয়সে অনিয়মিত মাসিক

সাধারণত বিভিন্ন স্ত্রী রোগের কারণেই বেশি হয় এ সমস্যা। তাই প্রথমে কোন স্ত্রী রোগ আছে কিনা তা আলট্রাসাউন্ড করে দেখতে হবে। যদি কোন সমস্যা থাকে, সে সমস্যার সমাধানে ওষুধে কাজ না হলে প্রয়োজনে অপারেশনও লাগতে পারে। যদি কোন স্ত্রী রোগ না থাকে তাহলে ধরে নিতে হবে হরমোনজনিত সমস্যা, যা হরমোন বা পিল দিয়ে ঠিক করা যায়। তবে মনে রাখতে হবে-যেকোনো অনিয়মিত মাসিকের ফলে রক্তশূন্যতা হতে পারে। তাই রক্তের হিমোগ্লোবিন পরীক্ষা করে কম থাকলে আয়রন দিতে হবে। থাইরয়েড সমস্যা থাকলে এর ওষুধ নিয়মিত সকাল বেলা খেতে হবে (কেননা এটা সারা জীবনের রোগ)।

এছাড়া পিসিওএস-যেটা খুব কমন একটা সমস্যা, এটাও সারাজীবনের রোগ। এদের জীবনযাত্রার পরিবর্তন না করলে, ওজন না কমালে, নিয়মিত ব্যায়াম না করলে নানা জটিল রোগ হতে পারে। এসব রোগীদের সাধারণত দেরিতে দেরিতে মাসিক হয়। সুস্থ থাকার জন্য বছরে কমপক্ষে চারবার মাসিক হওয়া উচিত। তাই কমপক্ষে তিন মাস অন্তর অন্তর মাসিক হওয়া জরুরি। প্রাকৃতিক নিয়মে না হলে, ওষুধ দিয়ে মাসিক করাতে হবে তিন মাস পরপর।

যাদের ঘন ঘন মাসিক হয় তাদের ক্ষেত্রে হরমোন বা পিল ২১ দিন করে কমপক্ষে তিন চক্র দিয়ে মাসিক নিয়মিত করাতে হবে। অনেক ক্ষেত্রে আরও দীর্ঘদিন ওষুধ লাগতে পারে।

মেনোপজের আগে অনিয়মিত মাসিক

যদি কোন স্ত্রীরোগের কারণে অনিয়মিত না হয় তাহলে দুশ্চিন্তার কিছু নাই। দেরিতে দেরিতে হলে কোন চিকিৎসার দরকার নেই। তবে ঘন ঘন হলে বা একবার হয়ে বেশিদিন থাকলে হরমোন বা পিল কমপক্ষে তিনমাস খেয়ে মাসিক ঠিক করাতে হবে। তবে এতেও যদি সমাধান না হয় তাহলে জরায়ুর সবচেয়ে ভেতরের লেয়ার থেকে মাংস নিয়ে পরীক্ষা করে দেখতে হবে কোন সমস্যা আছে কিনা। সমস্যা থাকলে সমস্যা অনুযায়ী চিকিৎসা নিতে হবে।

যে বয়সেই অনিয়মিত মাসিক হোক না কেন, এটা মেয়েদের জন্য বিশাল দুশ্চিন্তার ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। মেয়েদের মাসিক শুরু হওয়ার সময় থেকে মাসিক উঠে যাওয়ার আগ পর্যন্ত প্রজননতন্ত্রের সুস্থতার মূল লক্ষণ হলো নিয়মিত মাসিক। এর ব্যত্যয় হলে অবশ্যই গাইনি রোগের চিকিৎসকের কাছে গিয়ে যাচাই করতে হবে কোন রোগ আছে কিনা। কেননা সঠিক সময়ে চিকিৎসা করলে অনেক জটিল সমস্যা এড়ানো সম্ভব।

সূত্র: অধ্যাপক ডাঃ মুনিরা ফেরদৌসী, প্রসূতি, স্ত্রীরোগ, বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ ও সার্জন   শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল

 


আরও খবর

অক্টোবরের ৪ থেকে টিকার প্রথম ডোজ বন্ধ

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

করোনায় এক দিনে ৫ জনের মৃত্যু

বুধবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২