Logo
শিরোনাম
শবে বরাত পালন মুসলিম জাতিকে একতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে। ৫৭ তম খোশরোজ শরীফ ও মইনীয়া যুব ফোরামের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন বাঙালি সাংস্কৃতিতে মাইজভাণ্ডারী ত্বরীকার সাথে সম্পর্ক রয়েছে সীমান্তে হত্যা বন্ধের দাবীতে প্রতীকী লাশ নিয়ে হানিফ বাংলাদেশীর মিছিল লক্ষ্মীপুরে কৃষক কাশেম হত্যা: স্ত্রী, শ্বশুরসহ গ্রেপ্তার ৫ কুমিল্লা সিটি’র উপনির্বাচন: মেয়র পদে প্রতীক বরাদ্দ অবৈধ মজুদকারীরা দেশের শত্রু : খাদ্যমন্ত্রী ফতুল্লায় সিগারেট খাওয়ার প্রতিবাদ করায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা বকশীগঞ্জে মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা নোবিপ্রবিতে সিএসটিই এলামনাই এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন

বঙ্গবন্ধু টানেলে বদলে গেলো চট্টগ্রাম

প্রকাশিত:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম হয়ে কক্সবাজারের দূরত্ব ৪০ কিলোমিটার ও সময় প্রায় এক ঘণ্টা কমিয়ে আনছে কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল। দুটি টিউব ও চার লেনের সড়কে নদীর তলদেশ দিয়ে পাঁচ মিনিটে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা থেকে যাওয়া যাবে আনোয়ারায়।

সেতু বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশেই প্রথম নদীর তলদেশে চলবে যানবাহন। চীনের সাংহাই শহরের আদলে ‘ওয়ান সিটি টু টাউন’ গড়ে তোলার লক্ষ্যে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা ও আনোয়ারাকে যুক্ত করবে এ টানেল। এতে নগরের অংশ বাড়বে। সেই সঙ্গে নদীর তলদেশ দিয়ে কম সময়ে যাতায়াত সুবিধা নেবে দুটি আলাদা শহর। অন্যদিকে ঢাকা থেকে কক্সবাজারের দূরত্ব কমে আসবে।

রাজধানী থেকে কক্সবাজারগামী গাড়িগুলো ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ফৌজদারহাট দিয়ে বন্দর টোল রোডের সঙ্গে নির্মিত আউটার রিং রোড-পতেঙ্গা হয়ে কর্ণফুলী টানেল ব্যবহার করলে চট্টগ্রামের দিকে পথ কমবে প্রায় ১৫ কিলোমিটার। এতে করে চট্টগ্রাম শহরে প্রবেশ না করেই সময় বাঁচাতে পারবেন চালকরা। কর্ণফুলী টানেল দিয়ে আনোয়ারা উপজেলার সিইউএফএল ঘাট-চাতরি চৌমুহনী-বাঁশখালী-পেকুয়ার মগনামা হয়ে সরাসরি কক্সবাজার সদরে যুক্ত হলে সৈকত নগরীর দূরত্ব কমবে প্রায় ৩০ কিলোমিটারের মতো।

পদ্মা সেতুর পর সরকারের মেগা প্রজেক্টগুলোর অন্যতম বঙ্গবন্ধু টানেল। ৩ দশমিক ৩২ কিলোমিটার এ টানেল নির্মাণব্যয় ধরা হয়েছে ১০ হাজার ৫৩৭ কোটি টাকা। এক নগরের দুই শহর সংযুক্ত করার ভাবনা থেকেই কর্ণফুলী টানেল নির্মাণের পরিকল্পনা করে সরকার।

২০১৬ সালের ১৪ অক্টোবর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিন পিং টানেল প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। ২০১৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রথম টানেল টিউবের বোরিং কাজ উদ্বোধন করেন। ২০২০ সালের ১২ ডিসেম্বর সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের দ্বিতীয় টিউবের বোরিং কাজ উদ্বোধন করেন।

৩ দশমিক ৩২ কিলোমিটার টানেলটি কর্ণফুলী নদীর মোহনার কাছে পশ্চিম প্রান্তে পতেঙ্গা নেভাল একাডেমির কাছ থেকে শুরু হয়ে পূর্ব প্রান্তে চট্টগ্রাম ইউরিয়া সার কারখানা (সিইউএফএল) ও কর্ণফুলী সার কারখানার (কাফকো) মাঝখান দিয়ে আনোয়ারা প্রান্তে পৌঁছেছে।


আরও খবর



চরফ্যাশনে জেলে পরিবারের মাঝে বকনা বাছুর ও চেক বিতরণ

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি :

 চরফ্যাশনে প্রাকৃতিক দূর্যোগে মৃত ও নিখোঁজ নিবন্ধিত অসহায় জেলে পরিবারকে আর্থিক সহায়তার চেক ও মৎস্যজীবীদের বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে বকনা বাছুর বিতরণ করা হয়েছে।

শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারী) বেলা ১২ টার দিকে উপজেলা মৎস্য অফিসের সহযোগিতায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে মৎস্য অধিদপ্তরের রাজস্ব ও ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় এই আয়োজন করা।

এসময় জেলা প্রশাসক আরিফুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন উপস্থিত থেকে অসহায় জেলে পরিবারের ৫ জনকে ৫০ হাজার টাকার চেক ও  ২১জনকে ২১টি বকনা বাছুর বিতরণ করেন। 

এসময় বিশেষ অতিথি ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সৈয়দ মো. আলমগীর, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মো. হেমায়েত হোসেন, মৎস্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক আনিছুর রহমান তালুকদার, বিভাগীয় উপপরিচালক নৃপেন্দ্রনাথ বিশ্বাস, উপজেলা চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদিন আখন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নওরিন হক, ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্প পরিচালক মোল্লা এমদাদুল্লাহ, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম আজাদ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মারুফ হোসেন মিনার প্রমূখ।


আরও খবর



রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের উপায় খোঁজার আহ্বান শেখ হাসিনার

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের উপায় খুঁজতে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্স (এমএসসি)-২০২৪ এর সাইডলাইনে হোটেল বেইরিশার হফে দুই নেতার মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এরপর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

বৈঠকের পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সবসময় বলেন, আমরা সব ধরনের যুদ্ধের বিরুদ্ধে। আজ জেলেনস্কির সঙ্গে আলোচনায় তিনি বারবার আলোচনা করেছেন যে, কীভাবে যুদ্ধ বন্ধ করা যায়।

হাছান মাহমুদ বলেন, গাজায় নিরপরাধ নারী-পুরুষের ওপর হামলা কীভাবে বন্ধ করা যায়, তা নিয়েও তারা আলোচনা করেছেন। প্রধানমন্ত্রী সবাইকে মনে করিয়ে দিয়েছিলেন যে, যুদ্ধ কারও জন্য মঙ্গল বয়ে আনতে পারে না। শেখ হাসিনা বলেছেন, অন্যরা যুদ্ধের মাধ্যমে উপকৃত হতে পারে। কিন্তু যুদ্ধ যুদ্ধে জড়িত দেশগুলোর জন্য কল্যাণ বয়ে আনতে পারে না এবং তাদের জনগণকে যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত হতে হয়।

এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে দেশবাসীর দুর্ভোগের কথা এবং তিনি নিজেও তার মুখোমুখি হওয়ার স্মৃতি স্মরণ করেন, জানান হাছান মাহমুদ।

তিনি যুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বন্দিদশায় তার অমানবিক কষ্ট এবং তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের জন্মের কথা স্মরণ করেন। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতি-'সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারও সাথে বিদ্বেষ নয়'- প্রধানমন্ত্রী এবং জেলেনস্কির মধ্যে আলোচনায় প্রধানত উঠে এসেছে বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

এক প্রশ্নের জবাবে হাছান মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, মুক্তিযুদ্ধের সময় ভিত্তি পেয়েছিল, তাতে কোনো বাধা আসবে না। রাশিয়ার সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক খুবই চমৎকার। মুক্তিযুদ্ধের সময় রাশিয়া আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছিল এবং যুদ্ধের পর বাংলাদেশের পুনর্গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিল।

তিনি বলেন, আমরা শুধু আলোচনা করেছি, কীভাবে যুদ্ধ বন্ধ করা যায়।

ব্রিফিংকালে জার্মানিতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া এবং প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি মো. নূরেলাহী মিনা উপস্থিত ছিলেন।

দিনভর শেখ হাসিনা একাধিক দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হন।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন ২০২৪-এ যোগ দিতে তিন দিনের সরকারি সফরে ১৫ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় মিউনিখে পৌঁছান। সফর শেষে শেখ হাসিনা আগামীকাল রোববার ১৮ ফেব্রুয়ারি রাতে মিউনিখ ত্যাগ করবেন এবং ১৯ ফেব্রুয়ারি সকালে ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।


আরও খবর



চাকুরি দেওয়ার লোভ দেখিয়ে ১১ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

রেলওয়ের খালাসি পদে চাকরির প্রলোভন দিয়ে ১১ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে আব্বাস আলী ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী আজিজুল হক নওগাঁর জেলা প্রশাসক সহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করে প্রতিকার না পেয়ে অবশেষে নওগাঁ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ৩ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলার চাকরাইল গ্রামের মৃত জমির উদ্দীনের ছেলে আব্বাস আলী দেওয়ান এবং তার দুই সন্তান ডিএম আব্দুল ওয়াহাব পলাশ ও সাব্বির আহম্মেদ সাদি। ভুক্তভোগী আজিজুল হক নওগাঁ সদর উপজেলার বরুনকান্দি (স্কুলপাড়া) গ্রামের মৃত ঝরু মন্ডলের ছেলে। 

মামলা সুত্রে জানা যায়, আব্দুল ওয়াহাব পলাশ রেলওয়ের খালাসি হিসেবে পারবর্তীপুরে চাকুরি করেন। বড় ভাই পরিবার নিয়ে আজিজুল হকের বাসায় ভাড়া থাকার সুবাদে আজিজুর হকের সাথে পালাশের পরিবারের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই সুযোগে পালাশ তার বাবা ও ভাইকে দিয়ে আজিজুল হকের ছেলে মেহেদী হাসানকে রেওয়ের খালাসী পদে চাকুরি দেওয়ার কথা বলে ১১ লাখ নেন। ভুক্তভোগী সরল বিশ্বাসে কোনো প্রমানপত্র ছাড়া তাকে ১১ লাখ টাকা দেন। টাকা নেওয়ার পর বেশ কিছুদিন পার হয়ে গেলে ছেলের আর চাকুরি হয় না। আজিজুল হক তার ছেলের চাকুরির জন্য পলাশ ও তার বাবার দ্বারে দ্বারে ঘুরে ছেলেকে চাকুরি দেন না, টাকাও ফেরত পান না। ছেলের চাকুরি ও টাকা কোনোটি ফেরত না পেয়ে ভুক্তভোগী আজিজুল বাবা ও ছেলে কাছ থেকে নন জুডিসিয়াল ট্যাম্প করে নেন। বাবা ও ছেলে আগামী এক মাসের মধ্যে টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য ট্যাম্পে অঙ্গিকার করেন। অঙ্গিকার করার পরে আব্বাস আলী আজিজুল হকের বিরুদ্ধে জোর করে স্ট্যাম্প করে নেওয়া হয়েছে বলে চাঁদাবাজি মামলা করেন। চাঁদাবাজি প্রমান করতে না পারায় মামলা আদালত থেকে বাতিল করা হয়েছে। আজিজুল হক নিরুপায় হয়ে বিভিন্ন দপ্তরে টাকা ফেরতের জন্য আবেদন করেন। অবশেষে আদালতে মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় ডিএম আব্দুল ওয়াহাব পলাশ ও তার ভাই সাব্বির আহম্মেদ সাদি জেল হাজতে আছেন।

এ ব্যাপারে চাকরী প্রার্থী মেহেদী হাসান অভিযোগ করে বলেন, পলাশ ও তার পরিবার সাথে আমাদের পরিবারে ভালো সম্পর্ক ছিলো। আমাদের জমি-জমা বিক্রি করে ১১ লাখ টাকা দেওয়া হয়। আমাদের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নিয়ে আমাদের পরিবারকে নিঃস্ব করে দিয়েছে। আমরা বিভিন্ন সময়ে এলাকার গণ্যমান্য লোকজনকে ধরে তাকে অনুরোধ করেও টাকা ফেরত পাচ্ছি না। এছাড়া কয়েক মাস পূর্বে টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে একটি নন জুডিসিয়াল স্ট্যাম্প করে দেন পলাশ ও তার বাবা। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ে পেরিয়ে গেলেও টাকাগুলো আর ফেরত দেননি তারা। ভুক্তভোগী আজিজুল হক দাবি করেন, পলাশ ও তার বাবা টাকা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে অঙ্গীকার করে স্ট্যাম্প করে দেন। তবে এখন টাকা না দিয়ে উল্টো আমাদেরকে জোর করে তার কাছে থেকে স্ট্যাম্প নেওয়া হয়েছে বলে ভুল তথ্য সরবরাহ করে টাকা নেওয়ার বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন এবং আমাদের কিরুদ্ধে চাঁদাবাজি মামলা করেন। তবে সেই মামলা তিনি প্রমান করতে পারেনি। তিনি বলেন, বিভিন্ন দপ্তরের অফিযোগ করার পর বিষয়টি জেলা গোয়েন্দা স্ংস্থা তদন্ত করে ১১ লাখ টাকা নেওয়ার বিষয়টি প্রমান হয়েছে। তারপর তিনি টাকা ফেরত দিতে অস্বীকার করেন। তাই আমি আইনের আশ্রয় নিয়েছি। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত পালাশ জেল হাজতে থাকায় তার বক্তব্য না পাওয়া গেলেও পালাশের পিতা আব্বাস আলী বলেন, চাকুরি দেওয়ার কথা বলে টাকা নেওয়ার যে অভিযোগ করা হয়েছে তা সত্য নয়। মিথ্যা ও ভীত্তিহীন। তারা জোর করে আমাদের কাছ থেকে স্ট্যাম্প করে নিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে আমার দুই ছেলেকে জেলে পাঠিয়েছেন। 


আরও খবর



বাঙালি সাংস্কৃতিতে মাইজভাণ্ডারী ত্বরীকার সাথে সম্পর্ক রয়েছে

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

২২ শে ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা মোঃ আকরাম খাঁ হলে বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির (বিএসপি) উদ্যোগে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সবাই সভাপতির বক্তব্যে  বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির চেয়ারম্যান ড. শাহজাদা সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী বলেন, বাংলা ভাষা হচ্ছে আমাদের স্বতন্ত্রতার স্মাক্ষর। জাতীয়তাবাদের মূল ভিত্তি হচ্ছে বাংলা ভাষা। বাংলা ভাষা চর্চায় বিচ্যুত হলে সেটা হবে আত্মঘাতী।  কোন জাতি নিজ ভাষাকে ধারণ না করলে সংকটাপন্ন অবস্থা সৃষ্টি হয়। তাই আমাদের দ্বায়িত্ব গৌরবের সাথে বাংলা ভাষাকে তুলে ধরা। 

তিনি বলেন,  আমাদের মাইজভান্ডারী যে গান রয়েছে সেটা বাঙালী সংস্কৃতির একটা অংশ। এই বাঙালী সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করেছে মাইজভাণ্ডারী আধ্যাত্মিক গান। একারণে বাঙালী সংস্কৃতিতে মাইজভাণ্ডারী ত্বরীকার নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। এই দেশ এবং দেশের মাটিকে নিয়েই এই দরবার শরীফ, তরিকা তৈরি হয়েছে। ধর্মীয় অঙ্ঘন থেকে অনেকেই রয়েছে যারা এই দেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী না, তারা এই দেশের মুক্তির সংগ্রামের বিরোধিতা করেছে। 

তিনি আরও বলেন, এই দেশের টাকা লুটপাট করে যারা বিদেশে প্রাসাদ  তৈরি করতে চায়, দেশের সম্পদকে ধ্বংস করতে চায়, তারা কখনো দেশ প্রেমিক হতে পারে না। এই দুর্নিতীবাজ লুটেরারা আমাদের দেশকে আজকে পংগু করে দিয়েছে। যে পরিমান টাকা বিদেশে পাচার হয়ে গিয়েছে সেগুলো দিয়ে আমাদের দেশের পাঁচ বছরের বাজেট করা সম্ভব। গরীব জনগণের গলা টিপে টাকা আদায় না করতে সরকারের প্রতি আমাদের আহ্ববান থাকবে যারা দেশের লক্ষ কোটি টাকা বাইরে পাচার করেছে,  প্রয়োজনে পৃথক মন্ত্রনালয় গঠন করে সে টাকা ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হোক। তাহলে আমাদের রিজার্ভ সংকট কেটে যাবে। দেশের মানুষ স্বস্তিতে থাকতে পারবে। 

তিনি বলেন, আজকে বাজার সিন্ডিকেটের মাধ্যমে  রাতারাতি যেভাবে জিনিসপত্রের দাম দ্বিগুন হয়ে যায় সেখনে পাশের দেশ ভারতে কোন জিনিসের দাম ১০ টাকা বাড়লে মানুষ রাস্তা বন্ধ করে দেয়। আমাদের এই ব্যাপারে সচেতন হতে হবে।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি মমতাজ উদ্দিন আহমেদ,

গ্লোবাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত উপাচার্য প্রফেসর এমিরাটস ডক্টর আনিসুজ্জামান,

অধ্যাপক ডক্টর শহীদ মঞ্জুর,গণ আজাদী লীগের চেয়ারম্যান আতাউল্লাহ খান,

বিএসপি মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুল আজিজ সরকার,  জাতীয় স্থায়ী পরিষদের সদস্য ও সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, যুগ্ম মহাসচিব মোঃ আসলাম হোসাইন 


আরও খবর



রাণীনগরে ক্লাব ঘর থেকে প্রায় ২২শ'কেজি সরকারি চাল জব্দ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

কাজী আনিছুর রহমান,রাণীনগর (নওগাঁ) :

নওগাঁর রাণীনগরে একটি ক্লাবঘর থেকে পরিত্যাক্ত অবস্থায় ভিজিডির বিতরণকৃত দুই হাজার ১৯০কেজি  চাল জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। সোমবার দুপুরে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান চালিয়ে উপজেলার কাশিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের পাশে একটি ক্লাব ঘর থেকে এই চালগুলো জব্দ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা  ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উম্মে তাবাসসুম।পরে চালগুলো তিনটি এতিমখানা-মাদ্রাসায় বিতরণ করে দেওয়া হয়েছে।

রাণীনগর উপজেলা সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবু রায়হান জানান, এদিন সকাল থেকে 

কাশিমপুর ইউনিয়ন পরিষদে ভিজিডির কার্ডধারী সুবিধাভোগীদের মাঝে চাল বিতরণ করা হচ্ছিল। এ সময় অসাধু কিছু ব্যবসায়ী ওইসব সুবিধাভোগীদের কাছ থেকে সরকারি ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ চাল কিনে পরিষদের পার্শ্বে একটি ক্লাবঘরে মজুদ করছেন। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দুপুরে সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ওই ক্লাবঘর থেকে দুই হাজার ১৯০কেজি চাল জব্দ করা হয়। অভিযানকালে চাল ব্যবসায়ী কাউকে না পাওয়ায় পরে চালগুলো জব্দ করে তিনটি এতিমখানা-মাদ্রাসায় বিতরণ করা হয়েছে।

অভিযানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ রাণীনগর  উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মেহেদী হাসান, উপজেলা সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবু রায়হান উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর