Logo
শিরোনাম

বয়সের পার্থক্য কত হলে বিচ্ছেদের ঝুঁকি কম থাকে ?

প্রকাশিত:শুক্রবার ০২ জুন 2০২3 | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

সম্পর্ক শুরুর সময় একে অপরের প্রতি তীব্র আকর্ষণ থেকে বন্ধুত্ব, পরে প্রেম থেকে পরিণয় পাওয়ার সময়কালটা সব সময়ই আনন্দময়। এমন অনুভূতির মধ্যে দিয়ে যাওয়ার প্রতিটি পরতই খুব মোহময়।

তবে সেই প্রেম বা সম্পর্ককে ধরে রাখা, বা পরবর্তীতে বিয়ের পর দাম্পত্য অটুট রাখা মুখের কথা নয়। এক গবেষণায় উঠে এসেছে সম্পর্ক ধরে রাখতে বয়সের আদর্শ ফারাক নিয়ে কিছু তথ্য।

এ নিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, আটলান্টার এমোরি বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে বয়সের ফারাক নিয়ে এক গবেষণায় বেশ কিছু তথ্য তুলে ধরেছে।

তারা ৩০০০ জনের সম্পর্ক নিয়ে গবেষণা করেছে। সেখানে উঠে এসেছে দুজনের সম্পর্কে ৫ থেকে ৭ বছরের ফারাক, ১০ বছরের ফারাক ও সমবয়সীদের সম্পর্ক নিয়ে তথ্য।

৫ থেকে ৭ বছরের ফারাক: গবেষণায় বলা হচ্ছে, যে দম্পতিদের বয়সের ফারাক ৫ থেকে ৭ বছরের, সেখানে ১৮ শতাংশ সুযোগ রয়েছে বিচ্ছেদের। তুলনামূলকভাবে সমবয়সীদের মধ্যে সম্পর্ক অনেক বেশি স্থায়ী।

১০ বছরের ফারাক: দুজনের মাঝে বয়সের ফারাক ১০ বছরের হলে সেই সম্পর্ক ভাঙার সম্ভাবনা ৩৯ শতাংশ। এছাড়াও চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যও বিভিন্ন বয়সীদের মধ্যে সম্পর্ক ভাঙার ক্ষেত্রে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বিষয়।

২০ বছরের ফারাক: দুজনের বয়সের ফারাক যদি ২০ বছরের হয় তাহলে সেই সম্পর্ক ভাঙার সম্ভাবনা ৯৫ শতাংশ। সেক্ষেত্রে এও বলা হচ্ছে যে, যদি বয়সের ফারাক ১ বছরের হয়, তাহলে সম্পর্ক ভাঙার সম্ভাবনা ৩ শতাংশ থাকে।

সম্পর্ক ও সন্তান: গবেষণা এও বলছে যে, সব সময় যে বয়সই একমাত্র বিচ্ছেদের কারণ হচ্ছে, তা নয়। রয়েছে আরও পারিপার্শ্বিক বিষয়। গবেষণায় বলা হচ্ছে, বিয়ের আগে সন্তান এলে সেই জুটির সম্পর্ক বেশ টেকসই হয়, সেক্ষেত্রে বিয়ের পরে সন্তান হওয়ার পরও অনেক সময় বিচ্ছেদের কবলে পড়তে পারেন ৫৯ শতাংশ।

এছাড়াও গবেষণা বলা হচ্ছে, সম্পর্ক স্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে সমবয়সীদের প্রেমে। সেক্ষেত্রে একই বয়সের দুজনের মধ্যে প্রেম সম্পর্ককে স্থায়ী করে বলে ইঙ্গিত গবেষণার।


আরও খবর



সন্ধান মিলেছে বেনজিরের ৭ পাসপোর্টের

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস ডেস্ক:


বেসরকারি চাকরিজীবী পরিচয়ে পাসপোর্ট তৈরির ক্ষেত্রে নজিরবিহীন জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে আলোচিত পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে।



 এ কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে পাসপোর্ট অধিদপ্তরের চারজন পরিচালক, একজন উপপরিচালক ও দুজন উপসহকারী পরিচালককে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সেই সঙ্গে বেনজীর আহমেদের ৭টি পাসপোর্টের সন্ধান পেয়েছে দুদক।



দুদকের ঊর্ধ্বতনসূত্রে জানা গেছে, বেনজীরের ৭টি পাসপোর্টের মধ্যে কয়েকটি পাসপোর্টের নম্বর হলো- E0017616, AA1073252, BC0111070, BM0828141 ও 800002095। এছাড়া, আরও দুইটি পাসপোর্ট রয়েছে।


মঙ্গলবার (২৫ জুন) বেলা সাড়ে ১১টায় দুদকের উপপরিচালক মো. আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে একটি দল সংস্থাটির প্রধান কার্যালয়ে পাসপোর্ট জালিয়াতির অভিযোগে পাসপোর্ট অধিদফতরের আট কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।


বেনজীরের বিরুদ্ধে অভিযোগ, দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত পুলিশের এ সাবেক মহাপরিদর্শক বেসরকারি চাকরিজীবী পরিচয়ে সাধারণ পাসপোর্ট তৈরি করেছেন। পাসপোর্ট তৈরির ক্ষেত্রেও আশ্রয় নিয়েছেন নজিরবিহীন জালিয়াতির।



 কিন্তু নবায়নের সময় ধরা পড়লে বেনজীরের সেই পাসপোর্ট আটকে দেয় পাসপোর্ট অধিদপ্তর। চিঠি পাঠানো হয় র‍্যাব সদর দপ্তরে। কিন্তু অবৈধ প্রভাব খাঁটিয়ে সব ব্যবস্থা করে ফেলেন সাবেক আইজিপি। পাসপোর্ট অফিসে না গিয়ে নেন বিশেষ সুবিধাও।



জানা গেছে, চাকরিজীবনের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত তিনি সরকারি চাকরিজীবী পরিচয়ে নীল রঙের অফিসিয়াল পাসপোর্ট করেননি। সুযোগ থাকার পরও নেননি লাল পাসপোর্ট।


এদিকে, বেনজীর আহমেদ ও তার স্ত্রী ও দুই মেয়েকে দুদক থেকে দুই দফা তলব করা হলেও তারা সংস্থাটির ডাকে হাজির হননি। নিজেরা হাজির না হয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে লিখিত বক্তব্য পাঠিয়েছেন তারা।


প্রসঙ্গত, বেনজীরের বিশাল বিত্তবৈভব নিয়ে গত ৩১ মার্চ ও ৩ এপ্রিল প্রতিবেদন প্রকাশ হয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে। এতে সাবেক এই আইজিপি ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠে আসে।



 প্রতিবেদনে বলা হয়, গোপালগঞ্জের সাহাপুর ইউনিয়নে সাভানা ইকো রিসোর্ট নামে প্রায় ১৪শ’ বিঘা জমিতে একটি রিসোর্ট গড়ে তুলেছে বেনজীর পরিবার। এ ছাড়া ঢাকা ও পূর্বাচলে সাবেক এ আইজিপির একাধিক ফ্ল্যাট ও বাড়ি আছে। তার স্ত্রী ও দুই মেয়ের নামে দেশের বিভিন্ন এলাকায় আছে অন্তত ছয়টি কোম্পানি। পাঁচটি প্রতিষ্ঠানে বেনজীরের বিনিয়োগের পরিমাণ ৫০০ কোটি টাকারও বেশি হতে পারে বলে উল্লেখ করা হয় প্রতিবেদনে। 



পরবর্তীতে অভিযোগ যাচাই-বাছাই শেষে গত ১৮ এপ্রিল অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক। ২২ এপ্রিল শুরু হয় তাদের অনুসন্ধান।


অনুসন্ধান করতে গিয়ে বেনজীর আহমেদ, তার স্ত্রী জীশান মীর্জা ও তিন মেয়ের নামে ১৯৬টি দলিলে থাকা ৬২৭ বিঘা জমি (২০ হাজার ৭০৩ শতক), ৩৩টি ব্যাংক হিসাব ও ২৫টি কোম্পানিতে বিনিয়োগের সন্ধান পায় দুদক। এরপর সংস্থাটির আবেদনের প্রেক্ষিতে এসব সম্পদ জব্দ ও অবরুদ্ধ করার আদেশ দেন আদালত।


আদালতের নথি থেকে জানা যায়, বেনজীরের সম্পত্তির একটি বড় অংশ রয়েছে তার নিজ জেলা গোপালগঞ্জের তিন উপজেলায়। গোপালগঞ্জ সদরে ২০১৭ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ৬৫টি দলিলে ২৪০ বিঘা জমি কিনেছেন তিনি।



 টুঙ্গিপাড়ায় তিনটি দলিলে ৪৭ শতাংশ, কোটালীপাড়ায় ৩৫ বিঘা জমি কিনেছেন। এ ছাড়া পার্শ্ববর্তী জেলা মাদারীপুরের রাজৈরে ২০২১ ও ২০২২ সালে তার স্ত্রী জীশান মীর্জার নামে প্রায় ২৮০ বিঘা জমি কেনা হয়েছে।


অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে বেনজীর আহমেদ ও তার স্ত্রী-কন্যাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গত ২৮ মে তলবি নোটিশ পাঠায় দুদক। এর আগে গত ৪ মে সপরিবারে দেশ ত্যাগ করেন বেনজীর।


বেনজীর আহমেদ ২০১৫ সালের ৭ জানুয়ারি এলিট ফোর্স র‌্যাবের মহাপরিচালকের দায়িত্ব পান। এর আগে তিনি ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সাড়ে চার বছর র‌্যাবের নেতৃত্ব দেওয়ার পর ২০২০ সালের ১৫ এপ্রিল আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব পান তিনি।


এদিকে ‘গুরুতর’ মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে ২০২১ সালের ডিসেম্বরে র‌্যাব ও এর সাবেক-বর্তমান ৭ কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ দপ্তর। 



তালিকায় র‌্যাবের সাবেক মহাপরিচালক হিসেবে বেনজীর আহমেদের নামও স্থান পায়। ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ৫৯ বছর পূর্ণ হওয়ায় সরকারি চাকরির আইন অনুযায়ী অবসরে যান তিনি।


আরও খবর



সার্ক কারেন্সি সোয়াপ চালু করল ভারত

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image

সার্কভুক্ত দেশগুলোর জন্য নতুন কারেন্সি সোয়াপ উইন্ডো গঠন করেছে রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়া (আরবিআই)। ২০২৪-২৭ মেয়াদে তিন বছরের জন্য এই কারেন্সি সোয়াপ চালু করা হয়।

দ্য ইকোনোমিক টাইমসের খবরে বলা হয়, মোট ২৫ হাজার কোটি রুপির কারেন্সি সোয়াপ সুবিধা চালু করেছে রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়া (আরবিআই)। ভারতের রিজার্ভ ব্যাংকের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক চুক্তির মাধ্যমে সার্কভুক্ত দেশগুলো কারেন্সি সোয়াপের সুবিধা গ্রহণ করতে পারবে। ভারতীয় মুদ্রাকে সমর্থনের জন্য দেশগুলো বিভিন্ন ছাড় পেয়ে থাকবে।

এ ছাড়া পৃথক সোয়াপ উইন্ডোর মাধ্যমে ভারতের রিজার্ভ ব্যাংক দুই বিলিয়ন মার্কিন ডলার ও ইউরোতে অদলবদল চুক্তি বজায় রাখবে। এর আগে, ২০১২ সালের ১৫ নভেম্বর বৈদেশিক মুদ্রার তারল্য চাহিদা বা অর্থপ্রদানের ভারসাম্য সংকট মোকাবিলা করতে ব্যাক-আপ তহবিল সরবরাহের জন্য সার্ক কারেন্সি সোয়াপ ফ্যাসিলিটি চালু করে ভারত।

সার্কভুক্ত দেশগুলো হলো, আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা।

প্রসঙ্গত, কারেন্সি সোয়াপ প্রথম চালু হয় ১৯৮১ সালে বিশ্বব্যাংক ও আইবিএমের মধ্যে। এটি মূলত আন্তঃদেশীয়। দুই দেশের দুই কোম্পানি বিনিময় হারের ঝুঁকি কমানো এবং অপেক্ষাকৃত কম সুদে পুঁজির সহজলভ্যতার কারণে দুই মুদ্রার এই অদলবদল সুবিধা গ্রহণ করে থাকে। আন্তর্জাতিক ফাইন্যান্সে এটিকে এক ধরনের হেজিং বা নিরাপত্তার ঢাল হিসেবে দেখা হয়। ২০০৮ সালে বৈশ্বিক আর্থিক সংকটের সময় যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ কিছু উন্নয়নশীল দেশকে এ সুবিধা দিয়েছিল তারল্যের স্বার্থে।


আরও খবর



ছুটি কমিয়ে খুলল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

প্রকাশিত:বুধবার ২৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টুডেস রিপোর্ট:


শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এবারের গ্রীষ্মের ছুটি কমানো হয়েছে।


 আজ বুধবার (২৬ জুন) থেকে খুলে দেয়া হচ্ছে এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।



যদিও ঈদুল আজহা, গ্রীষ্মকালীন ছুটিসহ আগামী ৩ জুলাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার কথা ছিল। কিন্তু পরে তা কমিয়ে ২৬ জুন পর্যন্ত করা হয়।



তাপমাত্রা নিয়ে যে সুসংবাদ দিলো আবহাওয়া অফিস

এবার পবিত্র ঈদুল আজহা এবং গ্রীষ্মকালীন ছুটি শুরু হয়েছে ১৩ জুন থেকে, ২ জুলাই পর্যন্ত যা চলার কথা ছিল।


ছুটি সংক্ষিপ্ত করার কারণ হিসেবে  শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুক্তি হলো, পাঠদানের কর্মদিবস বছরব্যাপী কমেছে। এ ছাড়া শনিবারের বন্ধ পুনর্বহাল করার কারণে কর্মদিবস কমে যাবে। 



এ জন্য গ্রীষ্মের ছুটির এক সপ্তাহ কমানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।


তবে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছুটি কমেনি।  শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শিক্ষাপঞ্জি হিসেবে আগামী ২ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ থাকবে প্রাথমিক বিদ্যালয়।


 ৩ জুলাই যথারীতি শুরু ক্লাস শুরু হবে। একইসঙ্গে এখন থেকে স্কুল-কলেজে সাপ্তাহিক ছুটি শুক্র ও শনিবার দুদিনই বহাল থাকবে।



আরও খবর



টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ : ফাইনালে মুখোমুখি ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টুডেস ক্রীড়া ডেস্ক: আর মাত্র একটি ম্যাচ। এরপরই পর্দা নামবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নবম আসরের। 

শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ থেকে কেবল এক পা দুরত্বে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ইতিহাস গড়ে প্রথমবারের মতো কোনো বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে দক্ষিণ আফ্রিকা।

ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে প্রোটিয়াদের এটি প্রথম ফাইনাল। প্রতিপক্ষ ভারত অবশ্য সর্বশেষ ওয়ানডে বিশ্বকাপেই খেলেছে ফাইনাল। ফেভারিটের মতো খেলে এবারও ফাইনালে তারা। বার্বাডোজের কেনসিংটন ওভালে আজ শনিবার (২৯ জুন) মাঠে গড়াবে মেগা ফাইনাল। বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৮টায় শুরু হবে ম্যাচটি।


এমন এক ম্যাচ যেখানে পরিসংখ্যান, অতীত ইতিহাস, শক্তি-সামর্থ্য—কাজে দেবে না কিছুই। যারা নিজেদের সবটা নিংড়ে দিতে পারবে, শিরোপা তাদের। তাছাড়া, ভারত কিংবা দক্ষিণ আফ্রিকা কেউই পিছিয়ে নেই কারও চেয়ে। 



যে কারণে অপেক্ষা জমজমাট এক লড়াইয়ের। ব্যাটিং, বোলিং, ফিল্ডিং—তিন বিভাগেই টুর্নামেন্টের সবচেয়ে ভারসাম্যপূর্ণ দুদল উঠেছে ফাইনালে।



ফাইনালের আগে ছন্দে আছেন ভারতীয় অধিনায়ক রোহিত শর্মা। টানা দুই ম্যাচে অর্ধশতকের দেখা পেলেন তিনি। তার নেতৃত্বে পুরো দলই আছে ছন্দে। গ্রুপপর্ব থেকে সুপার এইট, সেখান থেকে সেমি, কোথাও প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়তে হয়নি ভারতকে।



 দক্ষিণ আফ্রিকার যাত্রা অতটা মসৃণ না হলেও ইতিহাস গড়ার পথে দলটি খেলেছে উজাড় করে। এইডেন মার্করামের নেতৃত্বে দলটি যা করেছে, প্রোটিয়াদের ইতিহাসেই তো এমনটি হয়নি আগে।


বিশ্বকাপের ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকা, হঠাৎ করে একথা শুনলে অবাক বনে যাবে অনেকেই। এর আগে যে কখনোই বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠতে পারেনি তারা। দলটির ক্রিকেট ইতিহাস বেশ সমৃদ্ধ। তবু, অতৃপ্তি ছিল। 



বিশ্বকাপে সবসময়ই ফেভারিটের তালিকায় থাকে তারা। সেমি ফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছেছে সাতবার (পাঁচবার ওয়ানডে বিশ্বকাপ, দুবার টি-টোয়েন্টি। এবারসহ আটবার)। সেখান থেকে ফাইনালে আর যাওয়া হতো না। 


বড় ম্যাচে চাপ সামলাতে না পারায় প্রোটিয়াদের নামই তাই হয়ে যায় চোকার্স। সেখান থেকে বেরিয়ে ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অবশেষে ফাইনালের মুখ দেখতে পেল তারা।


ভারতের অপেক্ষাটাও কম দীর্ঘ নয়। কেবল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের হিসাব ধরলেও সেটি দীর্ঘদিনের। প্রথমবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয় ২০০৭ সালে। সেবার চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত।



 এরপর দ্বিতীয়বার দলটি ফাইনাল খেলে ২০১৪ সালে। সাত বছর অপেক্ষার পর ফাইনাল খেললেও শিরোপার দেখা পায়নি তারা। এরপর কেটেছে আরও ১০ বছর। এক দশক পর ফের বিশ্বকাপের ফাইনালে ভারত। ক্রিকেটের এই সংস্করণের বিশ্বকাপে এক ফাইনাল থেকে আরেকটি ফাইনাল খেলতে এত লম্বা সময় অপেক্ষা করতে হয়নি কোনো দলকে।



 আর শিরোপার অপেক্ষা ধরলে সেটি আরও দীর্ঘ। ১৭ বছর! আগামীকালের ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারাতে না পারলে যা দীর্ঘায়িত হবে।


ভারতের অপেক্ষাটাও কম দীর্ঘ নয়। কেবল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের হিসাব ধরলেও সেটি দীর্ঘদিনের। প্রথমবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয় ২০০৭ সালে। সেবার চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত। এরপর দ্বিতীয়বার দলটি ফাইনাল খেলে ২০১৪ সালে। 



সাত বছর অপেক্ষার পর ফাইনাল খেললেও শিরোপার দেখা পায়নি তারা। এরপর কেটেছে আরও ১০ বছর। এক দশক পর ফের বিশ্বকাপের ফাইনালে ভারত। ক্রিকেটের এই সংস্করণের বিশ্বকাপে এক ফাইনাল থেকে আরেকটি ফাইনাল খেলতে এত লম্বা সময় অপেক্ষা করতে হয়নি কোনো দলকে। 



আর শিরোপার অপেক্ষা ধরলে সেটি আরও দীর্ঘ। ১৭ বছর! আগামীকালের ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারাতে না পারলে যা দীর্ঘায়িত হবে।


আরও খবর



আসছে নতুন মুদ্রানীতি, ঘোষণা ১৮ জুলাই

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

নতুন অর্থবছরের জন্য মুদ্রানীতি ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আগামী ১৮ জুলাই মুদ্রানীতি ঘোষণার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্ভরযোগ্য সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সূত্র জানায়, চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথমার্ধের ষাণ্মাসিক মুদ্রানীতি ঘোষণা করা হবে আগামী বৃহস্পতিবার। এটি ১৬ জুলাই বাংলাদেশ ব্যাংকের পর্ষদ সভায় পাস হবে। তার আগে ১৪ জুলাই মুদ্রানীতি ঘোষণাসংক্রান্ত মূল কমিটি সভা করবে।

আগামীকাল বুধবার অর্থনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, গবেষণা সংস্থা এবং সাংবাদিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করবে বাংলাদেশ ব্যাংক।


আরও খবর

আবার কমেছে রিজার্ভ

বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪

বাজারের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে?

মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪