Logo
শিরোনাম

চালের দাম বাড়ার কোন সম্ভাবনা নেই--নওগাঁয় খাদ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ১৯ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টারঃ 


খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপি বলেছেন, মিলগেট থেকে শুরু করে কোথাও চালের দাম বাড়েনি। একটা মৌসুম শেষ আরেকটা মৌসুম শুরু হলে এই দুই মৌসুমের মাঝখানে চালের দাম একটু ওঠানামা হয়। ইতিমধ্যে আমন মৌসুম এর ধান কাটা-মাড়াই শুরু হচ্ছে। এছাড়াও ওএমএস চলমান রয়েছে। তাই চালের দাম বাড়ার কোন সম্ভাবনা নেই। 

শনিবার দুপুরে নওগাঁ চেম্বার অফ কর্মাস ভবনে ‘বঙ্গবন্ধু কর্ণার’ উদ্বোধনে শেষ সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে খাদ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

খাদ্যমন্ত্রী আরো বলেন, সরকারী গুদামে যে খাদ্য মজুত থাকার কথা, তার দ্বিগুন আছে। প্রায় ১৮ লাখ টন চাল সরকারী গুদামে মজুদ আছে। পাশাপাশি সরকারী ও বেসরকারী ভাবে আমদানী করা হচ্ছে। এরসাথে ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যেই যোগ হবে নতুন আমনের ফলন। সব মিলিয়ে দেশে খাদ্য সংকটের কোন শংকা নেই।

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, সরকার প্রান্তিক কৃষকদের নায্যামূল্য দিতেই ধান কিনে। সরকারের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হলো কি হলো না সেটা কোন বড় কথা নয়। আমরা চাই কৃষকেরা ধানের নায্যা মূল্য পাচ্ছেন।

মন্ত্রী আরো বলেন, চকচকে চাউল না খেয়ে সবাইকে নন-পলিশ চাল খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে। আগের মত মানুষ যদি নন-পালিশ চাল খাওয়া শিখে তাহলে আমাদের দেশে ১৮ থেকে ২০ লাখ চাল সেফ হবে। তখন আমদানি করার প্রয়োজন হবে না।

খাদ্য নিয়ে অযথা কেউ যাতে গুজব ছড়াতে না পারে সে দিকে ব্যবসায়ীসহ সকলকে সচেতন থাকার আহবান জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী।

এসময় সংসদ সদস্য ছলিম উদ্দিন তরফদার ও আনোয়ার হোসেন হেলাল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ ইব্রাহিম, এফবিসিসিআই ভাইস প্রেসিডেন্ট আমিন হেলালি, পরিচালক মোসাদ্দেক হোসেন খান ও যশোধা জীবন দেবনাথ, এফবিসিসিআই এর পরিচালক ও নওগাঁ চেম্বার অফ কর্মাসের সভাপতি ইকবাল শাহরিয়ার রাসেল, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান টুনুসহ চেম্বারের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

পরে চেম্বারের মেম্বার-ডে অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে এফবিসিসিআইয়ের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের কর্ণধাররা অংশ নিয়ে বক্তব্য দেন। তারা দেশের যে কোন সংকটে সরকার কে সহযোগিতা ও মানুষের পাশে দাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেন।


আরও খবর

কর্মবিরতিতে নৌযান শ্রমিকরা

রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২




সবাই যেন উন্নয়নের ছোঁয়া পায় : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, প্রতিটি মানুষ যেন উন্নয়নের ছোঁয়া পায় আমরা সে ব্যবস্থা নিয়েছি। ১৪ নভেম্বর জেলা পরিষদে ৫৯ জন চেয়ারম্যানসহ নবনির্বাচিত প্রতিনিধিদের শপথ পাঠ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গ্রামের মানুষ যাতে শহরের সুযোগ-সুবিধা পায় এ জন্য নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে সরকার। বাংলাদেশকে এখন আর কেউ অবহেলা করে না। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের খুনিদের বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দিয়ে জিয়াউর রহমান পুরস্কৃত করেছেন বলেও মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান দণ্ডিত আসামি, তারা আবার দলের নেতা হয় কি করে। আমাকে অপমান করেছে তারপরও দণ্ডিত হওয়ার পরও আমি তাকে বাসায় থাকতে দিয়েছে। সাজাপ্রাপ্ত আসামীর দল অর্থপাচারে কথা বলে কি করে।

এর আগে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে এ শপথ অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানদের শপথ পড়ান প্রধানমন্ত্রী।

আইনি জটিলতায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নোয়াখালী ছাড়া গত ১৭ অক্টোবর দেশের ৫৭ জেলা পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। স্থগিত হওয়া চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচন হচ্ছে ১৪ নভেম্বর। সম্প্রতি এ সংক্রান্ত গণ-বিজ্ঞপ্তি জারি করেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও জেলা পরিষদ নির্বাচন ২০২২ রিটার্নিং কর্মকর্তা একেএম গালিভ খান।

এদিকে আদালতের রায়ে নোয়াখালীতে একজন চেয়ারম্যান প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবদুল ওয়াদুদ পিন্টু বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার পথে রয়েছেন। এছাড়া ফেনী ও ভোলা জেলার সব পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন প্রার্থীরা। তিন পার্বত্য জেলা রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি বাদে ৬১টি জেলা ৫৭ জেলা পরিষদের নির্বাচনে ২৬ জন চেয়ারম্যান, ১৮ জন মহিলা সদস্য এবং ৬৫ জন সাধারণ সদস্য বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হন।


আরও খবর

কর্মবিরতিতে নৌযান শ্রমিকরা

রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২




আট ব্যাংকের প্রভিশন ঘাটতি ২০ হাজার কোটি টাকা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৭ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

রোকসানা মনোয়ার :  ব্যাংকিং খাতে বাড়ছে খেলাপ ঋণ। সেই সঙ্গে বাড়ছে ঝুঁকিপূর্ণ ঋণের পরিমাণও। আর এই ঝুঁকিপূর্ণ ঋণের বিপরীতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা (প্রভিশন) সংরক্ষণ করতে ব্যর্থ হয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত ও বেসরকারি খাতের আটটি ব্যাংক ।  সেপ্টেম্বর শেষে এসব ব্যাংকের প্রভিশন ঘাটতির পরিমাণ ১৯ হাজার ৮৩৩ কোটি টাকা।

ঘাটতির তালিকায় রয়েছে সরকারি অগ্রণী, বেসিক, জনতা ও রূপালী ব্যাংক। আর বেসরকারিতে বাংলাদেশ কমার্স, মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট, ন্যাশনাল ও স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের নাম।

করোনাভাইরাসের কারণে ২০২০ ও ২০২১ সালে দেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে নানামুখী সুবিধা দিয়েছে সরকার। এ ক্ষেত্রে ব্যাংক ঋণ পরিশোধেও বিভিন্ন ছাড় দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। চলতি বছরের শুরুতে তা তুলে নেয়ার পর ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে খেলাপি ঋণ। 

বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী, সব ধরনের ব্যাংক যেসব ঋণ দেয় তার গুণমান বিবেচনায় নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রভিশন হিসেবে জমা রাখতে হয়। কোনো ঋণ শেষ পর্যন্ত মন্দ ঋণে পরিণত হলে তাতে যেন ব্যাংক আর্থিকভাবে ঝুঁকিতে না পড়ে, সেজন্য এ প্রভিশন সংরক্ষণের নিয়ম রাখা হয়েছে।

ব্যাংকের অশ্রেণিকৃত বা নিয়মিত ঋণের বিপরীতে দশমিক ২৫ থেকে পাঁচ শতাংশ হারে প্রভিশন রাখতে হয়। নিম্ন বা সাব-স্ট্যান্ডার্ড ঋণের বিপরীতে রাখতে হয় ২০ শতাংশ, সন্দেহজনক ঋণের বিপরীতে ৫০ শতাংশ এবং মন্দ বা কু-ঋণের বিপরীতে ১০০ শতাংশ প্রভিশন সংরক্ষণ করতে হয়। 

প্রতিবেদন বিশ্লেষণে দেখা যায়, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর প্রান্তিক শেষে রাষ্ট্রায়ত্ত চার ব্যাংকের প্রভিশন ঘাটতি ১১ হাজার ৬৯৬ কোটি টাকা। জুন শেষে এ চার ব্যাংকের ঘাটতি ছিল ১১ হাজার ১৭ কোটি টাকা। সবচেয়ে বেশি ঘাটতি বেসিক ব্যাংকে চার হাজার ৫৬২ কোটি টাকা। জুনে যা ছিল চার হাজার ৪৪১ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। এর পরেই অগ্রণী ব্যাংকের ঘাটতি তিন হাজার ৫২১ কোটি টাকা। জুনে ছিল দুই হাজার ৯৭৩ কোটি ২২ লাখ টাকা। তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে রূপালী ব্যাংক। তিন হাজার ১৩ কোটি ৫৪ লাখ টাকা প্রভিশন ঘাটতিতে পড়েছে ব্যাংকটি। জুনে রূপালীর ঘাটতি ছিল দুই হাজার ৯৬২ কোটি ১০ লাখ টাকা৷ 

চতুর্থ অবস্থানে থাকা জনতা ব্যাংকের প্রভিশন ঘাটতি কিছুটা কমে হয়েছে ৫৯৮ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। জুনে যা ছিল ৬৪০ কোটি ৫০ লাখ টাকা।

বেসরকারি চার ব্যাংকের প্রভিশন ঘাটতি আট হাজার ১৩৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে শুধু ন্যাশনাল ব্যাংকেরই ঘাটতি  সাত হাজার ৪৭৪ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। জুনে ঘাটতি ছিল সাত হাজার ১১৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা। 

দ্বিতীয় স্থানে থাকা বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের ৩৪৪ কোটি ৬৮ লাখ টাকা প্রভিশন ঘাটতি রয়েছে। এ ছাড়া মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ১৭১ কোটি ১৫ লাখ টাকা ও স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের ১৪৬ কোটি ৭৭ লাখ টাকা প্রভিশন ঘাটতি রয়েছে।


আরও খবর



আসিয়ানে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ বলেছেন, চীন-রাশিয়াকে চাপে রাখতে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াকে সামরিকীকরণ করতে চাইছে পশ্চিমারা। রবিবার কম্বোডিয়ায় আসিয়ান সম্মেলনের শেষ দিনে এ মন্তব্য করেন তিনি।

কম্বোডিয়ার রাজধানী নমপেনে আসিয়ানের শীর্ষ সম্মেলনের সংবাদ সম্মেলনে ওই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেন ল্যাভরভ। রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা ওই অঞ্চলের মহাকাশ আয়ত্বে নেওয়ার চেষ্টা করছে। ল্যাভরভের এমন মন্তব্যের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি পশ্চিমাদের।
এবারের আসিয়ান সম্মেলনে মিয়ানমারসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে আলোচনায় হয়। তবে মিয়ানমারে সামরিক শাসনে যে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে তা গুরুত্ব পায় আলোচনায়। দেশটিতে দমন-পীড়ন বন্ধ করে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে চাপ দিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্রকসহ ইউরোপীয় ইউনিয়ন।


আরও খবর

থাইল্যান্ডে গাড়িবোমা বিস্ফোরণ

মঙ্গলবার ২২ নভেম্বর 20২২

হেরে গেলেন মাহাথির

রবিবার ২০ নভেম্বর ২০22




জন্মনিয়ন্ত্রণে আগ্রহ কমছে

প্রকাশিত:শনিবার ২৬ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

সারা দেশে সরকারি জন্মনিয়ন্ত্রণ সেবা নেওয়ার হার কমছে। অনেকে হাতের নাগালের প্রচলিত জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণ করেন। পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, গত পাঁচ বছরে সাত ধরনের সেবা নেওয়ার হার কমেছে প্রায় ২৪ শতাংশ। আর ছয় বছরের হিসাব করলে এসব সেবা নেওয়ার হার কমে দাঁড়ায় প্রায় ৩৭ শতাংশ। তবে ঢাকার দম্পতিদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি পদ্ধতি গ্রহণের হার কমছে বেশি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রচারের অভাবে দম্পতিরা দীর্ঘমেয়াদি পদ্ধতিতে আগ্রহ হারাচ্ছেন। এ কারণে তারা গর্ভধারণ রোধে হাতের নাগালে থাকা পদ্ধতিই বেশি গ্রহণ করেন। তবে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, মানুষকে সচেতন করতে প্রচার চলছে।

পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর জুলাই থেকে জুন পর্যন্ত অর্থবছর ধরে উপাত্তের হিসাব রাখে। ২০১৭–১৮ থেকে ২০২১–২২ অর্থবছরের উপাত্ত পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, আটটি বিভাগেই দীর্ঘমেয়াদি পদ্ধতি গ্রহণের হার কমেছে। পাঁচ বছরে সারা দেশে জন্মনিয়ন্ত্রণে সব ধরনের সরকারি সেবা নেওয়ার হার প্রায় ২৪ শতাংশ কমেছে। আর স্থায়ী পদ্ধতি নেওয়ার হার কমেছে ৩৩ শতাংশ।

দীর্ঘমেয়াদি ও স্থায়ী পদ্ধতির ৯০ শতাংশের বেশি সেবা দিয়ে থাকে সরকারি সেবাকেন্দ্র। বেসরকারি সংস্থা সোশ্যাল মার্কেটিং কোম্পানিও (এসএমসি) কিছু সেবা দিয়ে থাকে।

ঢাকায় কমেছে যে কারণে :  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘমেয়াদি পদ্ধতির ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যঝুঁকি, যৌন অক্ষমতা, ভবিষ্যতে সন্তান নিতে পারবেন না-অনেকের মধ্যে এমন ভুল ধারণা রয়েছে। এসব ধারণা ভাঙাতে সরকারের যথাযথ উদ্যোগ নেই।

পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের জন্মনিরোধ সেবা ও সরবরাহ কর্মসূচি (সিসিএসডিপি) ইউনিটের সহকারী পরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম তালুকদার বলেন, দীর্ঘমেয়াদি সেবার ক্ষেত্রে সরকারি সুবিধা গ্রামপর্যায়ে বেশি। ঢাকাসহ অন্যান্য সিটি করপোরেশন এলাকায় এ সুবিধা কম। তবে প্রশিক্ষণ, বিলবোর্ড, বিজ্ঞাপন, টক শো ইত্যাদি উপায়ে দীর্ঘমেয়াদি পদ্ধতির বিষয়ে প্রচার চালানো হচ্ছে।

সচেতনতা বাড়াতে হবে : স্ত্রীরোগ ও প্রসূতিবিদ্যায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সংগঠন অবসটেট্রিক্যাল অ্যান্ড গাইনোকোলজিক্যাল সোসাইটি অব বাংলাদেশের (ওজিএসবি) সভাপতি অধ্যাপক ফেরদৌসী বেগম বলেন, কনডমে ৮ শতাংশ অকার্যকারিতা আছে। খাওয়ার বড়িতে ৯৯ শতাংশ কার্যকারিতা থাকলেও বেশির ভাগ নারী নিয়ম মেনে সেবন করেন না।

ফেরদৌসী বেগম বলেন, অপরিকল্পিত গর্ভধারণে নারীর স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকে, শিশুটিরও যত্নের ঘাটতি হয়। অস্ত্রোপচারে সন্তান জন্ম দেওয়া (সি সেকশন) নারী বারবার গর্ভধারণ করলে প্লাসেন্টা আক্রিটা সিনড্রোম বা পিএএস দেখা দেয়। এটা একধরনের অস্বাভাবিক গর্ভধারণ। এতে জরায়ুতে নানা জটিলতা দেখা দিতে পারে। তাই দীর্ঘমেয়াদি ব্যবস্থা নিতে সচেতনতা বাড়াতে প্রচার দরকার।


আরও খবর



মোরেলগঞ্জে প্রতিবন্ধীর খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির যাচাই চুড়ান্ত

প্রকাশিত:বুধবার ২৩ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

এম.পলাশ শরীফ, নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

 বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে খাউলিয়া ইউনিয়নে হালনাগাদ প্রতিবন্ধীর তালিকা যাচাই-বাছাই ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির বাদ পড়া নতুন তালিকা চুড়ান্ত করা হয়েছে।

  বুধবার বেলা ১২টায় ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সুবিধাভোগীদের উপস্থিতিতে এ যাচাই-বাছাই করা হয়।  এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিসার মো. নাসির উদ্দিন, সমাজ সেবা অফিসার গৌতম কুমার বিশ্বাস, ইউপি চেয়ারম্যান মো. সাইদুর রহমান, সংবাদিক গনেশ পাল, ইউপি সদস্য মো. আলমঙ্গীর হোসেন, মো. কামরুজ্জামান, মশিউর রহমান, মো. মহিদুল ইসলাম, সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্য জাহানারা বেগম, নাছিমা বেগম, শাহিনুর বেগমসহ স্থানীয় বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ। ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরে খাউলিয়া ইউনিয়নে যাচাই শেষে প্রতিবন্ধী ভাতার আওতায় ৭৫ জন প্রতিবন্ধী নতুন তালিকায় অন্তভূক্ত হয়েছে।

ওই ইউনিয়নে ৭৪৬ জন প্রতিবন্ধী সুবিধাভোগী মাসে ৭৫০ টাকা করে ভাতা পাবে। এ ছাড়াও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় মৃত্যুজনিত ও বিভিন্ন কারনে তালিকা থেকে বাদ পড়া ২৩০ জনকে যাচাই-বাছাই করে সুবিধার আওতায় এসেছে। এ ইউনিয়নে মোট ২৬৯৯ জন সুবিধাভোগী পাচ্ছেন ১৫ টাকা কেজি দরে ৩০ কেজি চাল বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। 


আরও খবর