Logo
শিরোনাম
চোরাকারবারি কর্তৃক বিজিবি'র উপর হামলা

চিকিৎসার জন্য হেলিকপ্টার যোগে ঢাকায় নেওয়া হলো ক্যাম্প ইনচার্জকে

প্রকাশিত:Saturday ০৫ November ২০২২ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রির্পোটারঃ


নওগাঁর ধামইরহাট ভারতীয় সীমান্তে চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনার সময় চোরাকারবারিদের হামলায় ১৪ বিজিবির বস্তাবর ক্যাম্পের ইনচার্জ নায়েক সুবেদার মজিবর রহমান সহ সোর্স তারেক মারাত্মক জখম হয়েছেন। আহত মজিবর রহমানকে উন্নত চিকিৎসার জন্য হেলিকপ্টারযোগে ঢাকায় নেয়া হয়েছে। শুক্রবার ৪ নভেম্বর ভোর ৩টায় বস্তাবর সীমান্তের শাখাহাটি বাজারে এঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি শান্ত রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

বিজিবি ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মজিবর রহমানসহ কয়েকজন বিজিবি সদস্য বৃহস্পতিবার ৩ নভেম্বর দিবাগত রাতে শাখাহাটি বাজারে টহল দিচ্ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভোর ৩টায় তারা চোরাকারবারিদের ধরতে উপজেলার শিমুলতলী ব্রিজের পাশে কলাবাগানে যান। সেখানে চোরাকারবারিরা মজিবর রহমান ও সোর্স তারেককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে পালিয়ে যায়। শুক্রবার সকালে মজিবর রহমানকে উন্নত চিকিৎসার জন্য হেলিকপ্টারযোগে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয় এবং সোর্স তারেককে পত্নীতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

পত্নীতলা ১৪-বিজিবির কমান্ডিং অফিসার (সিও) লেফটেন্যান্ট কর্নেল হামিদ উদ্দিন পিএসসি বলেন, ‘একটা তথ্যের ভিত্তিতে বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে যায়। যখন এক চোরাকারবারিকে ১৩৫ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক করা হয় তখন পেছন থেকে আরও দু-তিনজন এসে হামলা চালিয়ে বিজিবি সদস্যকে কুপিয়ে জখম করে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর তথ্য অনুসন্ধান করা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সীমান্তের পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক।

তিনি বলেন, ‘আমরা সম্পূর্ণ ঘটনা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি এবং তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের গ্রেপ্তার করার চেষ্টা করছি। 

শুক্রবার সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুল ইসলাম, থানা পুলিশ ও পত্নীতলা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আফতাফ উদ্দিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি বলেন, বিজিবির সদস্যের ওপর চোরকারবারিরা হামলা করায় দুজন আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থলে বিজিবি ও পুলিশ সদস্যরা আছে।


আরও খবর



স্ট্রোকের বিশ্বমানের চিকিৎসা হচ্ছে দেশেই

প্রকাশিত:Wednesday ০১ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

রোকসানা মনোয়ার :স্ট্রোক একটি ঘাতক ব্যাধি। প্রতি বছর প্রায় দেড় কোটি মানুষ এ রোগের আক্রান্ত হন। এর মধ্যে মারা যান অর্ধ কোটি মানুষ আর অর্ধ কোটি পঙ্গুত্ব বরণ করেন। বিশ্বব্যাপী মৃত্যুর দ্বিতীয় কারণ এটি। মারা যাওয়াদের দুই-তৃতীয়াংশ আমাদের মত দেশে ঘটে। দিন দিন স্ট্রোক আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে।

গবেষণায় দেখা গেছে ২০৫০ সালের মধ্যে এ হার প্রায় ৮০ গুন বেড়ে যাবে। বাংলাদেশেও এ হার কিন্তু কম নয়। গবেষণায় দেখা গেছে দেশে প্রতি ১ হাজার জনে প্রায় ১২ জন স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। ঘাতক এ ব্যাধি থেকে বেঁচে থাকতে সচেতনতার বিকল্প নেই।

স্ট্রোক নিয়ে জাতীয় স্ট্রোক কনফারেন্সের আয়োজন করে বাংলাদেশ সোসাইটি অব স্ট্রোক ও নিউরোইন্টারভেনশন (বিএসএসএনআই)। কনফারেন্সে প্রধান অতিথি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক শারফুদ্দিন আহমেদ। সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রখ্যাত নিউরোলজিস্ট অধ্যাপক কাজী দীন মোহাম্মদ, অধ্যাপক আনোয়ার উল্লাহ, অধ্যাপক ফিরোজ আহম্মেদ কোরাইশি, অধ্যাপক মো. বদরুল আলম ও অধ্যাপক আবু নাসার রিজভী।

উপাচার্য অধ্যাপক শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, স্ট্রোকের চিকিৎসা যত দ্রুত করা সম্ভব তত ফলাফল ভালো হয়। স্ট্রোকের চিকিৎসায় দেরি করলে উন্নতি হওয়ার সম্ভবনা কমে যায়। তাই দেরি না করে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে। জাতীয় পর্যায়ের একজন নেতা স্ট্রোকের তিন ঘণ্টার মধ্যে বিএসএমএমইউ-তে আসলে তাকে স্ট্রোকের আধুনিক চিকিৎসা দেয়া হয়। সাত দিন পরই তিনি হেঁটে বাড়ি চলে যান।

বাংলাদেশ সোসাইটি অব স্ট্রোক ও নিউরোইন্টারভেনশনের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক কাজী মহিবুর রহমান বলেন, আমাদের দেশে স্ট্রোক রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। স্ট্রোকের আধুনিক সব চিকিৎসা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স (নিনস) হাসপাতালে হচ্ছে। সরকারি ভাবে অনেক কম খরচেই স্ট্রোকের সব আধুনিক চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশ সোসাইটি অব স্ট্রোক ও নিউরোইন্টারভেনশনের উপদেষ্টা অধ্যাপক শরীফ উদ্দিন খান বলেন, বাংলাদেশে সরকারিভাবে একমাত্র নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে নিয়মিতভাবে আইভি থ্রোম্বলাইসিস করা হচ্ছে। শুধু তাই নয় এ হাসপাতালের ইন্টারভেনশনাল নিউরোলজি বিভাগ স্ট্রোকের অত্যাধুনিক চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছে। তিনি ঢাকার বাইরের মেডিকেল কলেজগুলোকে এগিয়ে আসার আহবান জানান।

সোসাইটি অব নিউরোলজিস্ট অব বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ফিরোজ আহম্মেদ কোরাইশি, স্ট্রোকের আধুনিক চিকিৎসা আইভি থ্রোম্বলাইসিস জেলা পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের আহবান জানান।

নিউরোসায়েন্সস হাসপাতালের যুগ্ম- পরিচালক অধ্যাপক বদরুল আলম মন্ডল বলেন, নিউরোসায়েন্স হাসপাতাল স্ট্রোক চিকিৎসায় দিকপালের কাজ করছে। স্ট্রোকের অত্যাধুনিক চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছে এটি।


আরও খবর



মালয়েশিয়ায় কর্মসংস্থান আইন সংশোধন

প্রকাশিত:Wednesday ১১ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

রোকসানা মনোয়ার :মালয়েশিয়া এমপ্লয়মেন্ট (কর্মসংস্থান) আইন সংশোধন করেছে। যা ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট আইনের ৬০ ধারা সংশোধন করে লেবারের ডিরেক্টর জেনারেলের কাছ থেকে পূর্বানুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

এজন্য নিয়োগকর্তা বা নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের জন্য কিছু বাধ্যতামূলক শর্ত রয়েছে; যেমন—এমপ্লয়মেন্ট আইনের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো ইস্যু পেন্ডিং থাকা যাবে না; এমপ্লয়মেন্ট আইনের অধীনে প্রদত্ত কোনো সিদ্ধান্ত বা আদেশ বা নির্দেশনা বাস্তবায়ন করা; সকসো, মিনিমাম বেতন এবং মিনিমাম আবাসনের শর্ত প্রতিপালন না করার কারণে নিয়োগ কর্তাকে কোনো দণ্ড আরোপ করলে এবং সে মোতাবেক অবস্থার উন্নয়ন না করলে; মানবপাচার ও জবরদস্তিমূলক শ্রমের জন্য নিয়োগকর্তা শাস্তি পেলে নিয়োগের অনুমতি পাবে না।

বর্তমান আইন অনুযায়ী বিদেশিকর্মী নিয়োগের জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হবে নিয়োগকর্তাদের এবং অবশ্যই কোন পদে বা কোন কাজের জন্য নিয়োগ করবে তা স্পষ্ট উল্লেখ করা; কর্মরত স্থানীয় কর্মীর সংখ্যা; কর্মরত বিদেশি কর্মীর সংখ্যা, কোম্পানির নাম, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, কোম্পানির ঠিকানা ও অবস্থান; কোম্পানির যোগাযোগের তথ্যাদি; সেক্টর; কোম্পানি বা ব্যবসা শুরুর তারিখ; কোম্পানির বর্তমান অবস্থা; সকসো নম্বর তথ্য দিতে হবে।

জি-টু-জি প্লাসের নিয়োগের সময় বাংলাদেশ হাইকমিশনের শ্রম উইং ডিমান্ড এটেস্টেশন করার পূর্বে সরেজমিন নিয়োগকর্তা বা কোম্পানির উপযুক্ততা নির্ণয়ের জন্য যেসব বিষয়াদি যাচাই করেছিল ঠিক সে বিষয়গুলো মালয়েশিয়া সংশোধিত এমপ্লয়মেন্ট আইনের অধীনে এনেছে।

হাইকমিশনের শক্ত অবস্থানের কারণে জি-টু-জি প্লাসের সময় তুলনামূলক ভালো এবং শতভাগ কর্মসংস্থান হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে মালয়েশিয়ার সংসদেও ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। সিন্ডিকেট এবং অতিরিক্ত অভিবাসন খরচের ইস্যুর ভিড়ে ভালো কর্মসংস্থানের ইস্যুটি চাপা রয়ে গেছে।

এমন কি কোম্পানির পরিচালকের সাক্ষাৎ এবং লিখিত ঘোষণাও নিয়েছিল যেন বাংলাদেশি কর্মীরা ভালো থাকে। উপযুক্ততা না থাকায় অনেক কোম্পানির এটেস্টেশন করেনি এবং পদ্ধতি অনুসরণ না করায় মালয়েশিয়ার বিমান বন্দরে আগত কর্মীকে নিয়োগকর্তা নিজ খরচে ফেরত পাঠিয়ে এবং পুনরায় যথা নিয়মে মালয়েশিয়ায় আনয়ন করেছিল।

সে সময়ের লেবার কাউন্সিলর সরকারের অবসরপ্রাপ্ত সচিব মো. সায়েদুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের কর্মীদের যৌক্তিক এবং নিরাপদ মাইগ্রেশন অর্থাৎ সঠিক কোম্পানিতে কাজ পাওয়া এবং ভালোভাবে থাকার বিষয়টি ছিল চ্যালেঞ্জের এবং অত্যাধিক গুরুত্বারোপ করা হয়েছিল। ফলে অনেক চাপ ও বিরোধিতা এবং নেতিবাচক প্রপাগান্ডা সত্ত্বেও আমরা নিয়োগকর্তার ও কোম্পানির অবস্থা যাচাই না করে এটেস্টেশন করিনি। এতে দীর্ঘদিনের কাজ না পাওয়া, অমানবিক অবস্থার শিকার হওয়ার যে দুর্নাম ছিল সেখান থেকে উত্তরণ ঘটানো সম্ভব হয়েছে।

করোনার আগে মালয়েশিয়ায় আগমনে বিদেশি কর্মীদের উচ্চ অভিবাসন খরচ এবং কর্মীদের মানহীন আবাসনের কারণে আমেরিকা ও ইউরোপ মালয়েশিয়ায় উৎপাদিত পণ্য গ্রহণ না করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।

আন্তর্জাতিকভাবে এ দুটিকে মানবপাচার এবং জবরদস্তিমূলক শ্রম অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এ দুটি অভিযোগ মালয়েশিয়ার উন্নত দেশের স্বীকৃতি লাভের ক্ষেত্রে অন্যতম বাধা। এসব সমস্যা কাটিয়ে ওঠার জন্য মালয়েশিয়া সরকার জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা এবং দেশীয় এনজিওদের সঙ্গে কাজ করছে।

এরই মধ্যে মালয়েশিয়া সরকার আইএলও কনভেনশনে সই করেছে। বর্তমান সরকার বিদেশি কর্মী নিয়োজন প্রক্রিয়া বেশি সহজ ও সংক্ষিপ্ত করার কাজ করছে।


আরও খবর

সুখবর নেই বাজারে

Saturday ০৪ February ২০২৩




মেসি-রোনালদোর ‘লড়াই’ দেখতে ২০ লক্ষাধিক আবেদন

প্রকাশিত:Saturday ১৪ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

ইয়াশফি রহমান ঃপর্তুগিজ সুপারস্টার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো গত ১ জানুয়ারি সৌদি আরবের ক্লাব আল নাসরে যোগ দিলেও দলটির হয়ে এখন পর্যন্ত মাঠে অভিষেক হয়নি তার। তবে রোনালদোর জন্য অপেক্ষা করছে বড় কিছু। লিওনেল মেসি, নেইমার জুনিয়র ও কিলিয়ান এমবাপ্পের সমন্বিত পিএসজির বিপক্ষে লড়বেন তিনি।

আগামী ১৯ জানুয়ারি সৌদির রাজধানী রিয়াদে ফরাসি চ্যাম্পিয়ন পিএসজির মুখোমুখি হবে আল হিলাল ও আল নাসরের ফুটবলারদের সংগঠিত একটি দল। ওই ম্যাচটি দিয়ে আবারও বিশ্ব ফুটবল ‘মেসি-রোনালদো’ দ্বৈরথ দেখতে পাবেন।

ম্যাচটিকে ঘিরে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে আগ্রহ এখন তুঙ্গে। ইএসপিএনকে জানিয়েছে, পিএসজি ও সৌদি দলটির ম্যাচ টিকিটের জন্য ২০ লাখের বেশি মানুষ অনলাইনে আবেদন করেছেন।

রিয়াল মাদ্রিদ ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাবেক তারকা রোনালদো আল নাসরে যোগ দেয়ার পর ক্লাবটি এখন পর্যন্ত দুইটি ম্যাচ খেলে। কিন্তু নিষেধাজ্ঞার করাণে ম্যাচগুলোতে নামতে পারেননি তিনি। গত বছর প্রিমিয়ার লিগের এক ঘটনার জেরে দুই ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা থাকায় নামা হয়নি রোনালদোর। ১৪ জানুয়ারি আল নাসর-আল শাবাব ম্যাচ দিয়ে নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে।

নিষেধাজ্ঞায় মাঠে নামা বিলম্বিত হলেও পর্তুগিজ তারকার অভিষেক হচ্ছে ‘বড় ম্যাচ’ দিয়ে। কাতারি মালিকানাধীন পিএসজি আগামী ১৯ জানুয়ারি কিং ফাহাদ স্টেডিয়ামে একটি প্রদর্শনী ম্যাচ খেলবে। রিয়াদে অবস্থিত স্টেডিয়ামটির দর্শক ধারণক্ষমতা ৬৮ হাজার।


আরও খবর



নওগাঁয় তীব্র শীত অপেক্ষা করে বোরো ধান রোপনে ব্যস্ত কৃষকরা

প্রকাশিত:Sunday ১৫ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :

নওগাঁ জেলা মূলত উত্তর জনপদের খাদ্যশস্য ভান্ডার খ্যাত হিসেবে ব্যাপক পরিচিত। 

ইতি মধ্যেই নওগাঁ জেলায় হিমেল হাওয়া ও হাড়কাঁপানো শীতের মধ্যেই বোরো ধান রোপনে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা।

জেলার আত্রাই উপজেলার প্রতিটি মাঠে মাঠে চলছে এখন বোরো ধান রোপনের কাজ। শুধু আত্রাই উপজেলা নয় নওগাঁ জেলার ১১টি উপজেলার ৯৯টি ইউনিয়নের প্রতিটি মাঠে মাঠে (বিশেষ করে নিচু জমিতে) চলছে আগাম বোরো ধানের চারা রোপনের কাজ। সঠিক সময়ে বোরো ধান রোপন করতে পেরে খুশি কৃষকরা।

প্রচন্ড শীত আর সেই সাথে ঘণ কুয়াশায় বোরো বীজতলা তৈরি করা থেকে শুরু করে চারা রোপন করা পর্যন্ত ব্যস্ততার মধ্যেই সময় কাটছে ধান চাষি কৃষকদের। ইতোমধ্যে নানা সমস্যার মধ্যেও বোরো চারা রোপনের জন্য কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছেন কৃষকরা। এখন গভীর নলকূপের মাধ্যমে সেচ দিয়ে ধানের চারা রোপনের কাজ চলছে। কোনো জমিতে চলছে চাষ, বীজতলা থেকে তোলা হচ্ছে বীজ, চলছে রোপন সব মিলিয়ে মাঠে মাঠে চলছে বোরো ধান রোপনের কাজ।

কৃষকরা বলছেন, এক ফসল বিক্রি করে অন্য ফসল আবাদ করা হয়। এবারো তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না। তবে এখন কয়েকটি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কৃষকরা ধান চাষের কৃষি জমিগুলো লিজ দিয়ে তৈরি  করছেন মাছ চাষের পুকুর। এতে করে স্থায়ী ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে ৩ ফসলী শত শত বিঘা কৃষি জমি।

নওগাঁর আত্রাইয়ের সাহাগোলা গ্রামের ধান চাষি কৃষক আজাদ সরদার বলেন, গত বছর তিনি ৮বিঘা জমিতে বোরো ধানের আবাদ করেছিলেন। এবার করছেন ৫বিঘা জমিতে। প্রচন্ড শীত আর ঘন কুয়াশাকে উপেক্ষা করে প্রায় জমি তৈরির কাজ শেষের দিকে। আর ক’দিনের মধ্যে চারাগাছ রোপন করা শুরু করব।

ভবানীপুর গ্রামের কৃষক ওয়াজেদ আলী বলেন, পৌষ মাসের শুরুতেই বোরো ধান রোপন করা শেষ হওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু প্রচন্ড শীত আর ঘন কুয়াশার কারণে কৃষকরা মাঠে নামতে পারেননি। তাই চলতি মৌসুমে বোরো ধান রোপনে কিছুটা বিলম্ব হয়ে গেলো। এতে করে ফলনও একটু ব্যাহত হতে পারে বলে ধারনা পোষন করেন তিনি।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কে এম কাউছার হোসেন বলেন, চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় বীজতলার তেমন একটা ক্ষতি না হওয়ায় আত্রাই উপজেলার কৃষকরা অনেকটা স্বস্তিতে রয়েছে। তিনি আরোও জানান, উপজেলায় চলতি বোরো ধানের আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ১৮ হাজার হেক্টর জমিতে। এ পর্যন্ত উপজেলায় প্রায় শতকরা ৩০ শতাংশ জমিতে বোরো ধান রোপন করা সম্পন্ন হয়েছে। অতিদ্রুত পুরো উপজেলার সকল মাঠের জমিতে বোরো ধান রোপন করা সম্পন্ন হবে বলে তিনি আশাবাদি।

এছাড়াও উপজেলার কৃষকদের বোরো বীজতলা তৈরি করা থেকে শুরু করে জমিতে চারা রোপন করা পর্যন্ত সকল পরামর্শ প্রদান অব্যাহত রয়েছে। কৃষি অফিস যে কোন প্রয়োজনে যে কোন সময় কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতা ও পরামর্শ প্রদানের জন্য পাশে দাঁড়াতে প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানান তিনি। 


আরও খবর



বকশীগঞ্জ সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ে পিঠা উৎসব

প্রকাশিত:Thursday ১৯ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

জামালপুর প্রতিনিধি :

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উলফাতুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শীতকালিন পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিদ্যালয় মাঠে দিনব্যাপী এ পিঠা উৎসবের আয়োজন করে স্কুল কতৃপক্ষ। উৎসবে বিভিন্ন স্টলে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রকমারি পিঠার পসরা সাজিয়ে বসে। বাহারী রকমের পিঠার মধ্যে ছিলো হৃদয় হরণ পিঠা,ডিম সুন্দরী, বিবি খানা, চালতাপাতা, জামাই পিঠা,গোলাপ পিঠা, মালপোয়া,তালের পিঠা,দুধ পুলি,ভাপা, চিতই,ডিম পিঠা, নকশি পিঠা, মুগপাকন, পাটিসাপটা ও লবঙ্গ লতিকা পিঠা। শিক্ষক শিক্ষার্থী ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ পিঠা উৎসবে অংশ নেয়। দিনভর পিঠা মেলায় দর্শনাথীদের ভীড় ছিলো চোখে পড়ার মত। 

পিঠা উৎসব পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুন মুন জাহান লিজা, বকশীগঞ্জ সরকারি কিয়ামত উল্লাহ কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর নুরুল ইসলাম আব্দুল্লাহ,সহকারী কমিশনার (ভূমি) আতাউর রাব্বী, পৌর মেয়র নজরুল ইসলাম সওদাগর, প্রধান শিক্ষক আতাউর রহমান, সহকারী শিক্ষক আব্দুল্লাহ মাহবুব তানভী ও আজিম উদ্দিন খন্দকার প্রমূখ। 

দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী রোদেলা জান্নাত মিথিলা জানায়,জমকালো পিঠা উৎসব হয়েছে। স্যারদের সাথে আমরা বেশ মজা করেছি। দর্শনার্থীও ছিলো অনেক। 

প্রধান শিক্ষক আতাউর রহমান বলেন,পিঠা উৎসবে দর্শনার্থীর উপস্থিতি ছিলো অনেক বেশি। দিনব্যাপী শিক্ষার্থীরা বেশ করেছে। সাথে শিক্ষক কর্মচারীরাও পিঠা উৎসবে আনন্দ করেছে।


আরও খবর