Logo
শিরোনাম
বহুল পরিচিত পাঁচ তরিকার বিবরণ

চিশতিয়া তরিকা

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ |
Image

মাজহারুল ইসলাম মাসুম , সিনিয়র সাংবাদিক, লেখক ও গবেষক :

চিশতিয়া তরিকার প্রতিষ্ঠাতা ইমাম সুলতানুল হিন্দ খাজায়ে খাজেগান গরীবে নেওয়াজ হযরত খাজা মঈন উদ্দীন হাসান চিশতী সানজরী রহ.। কাদেরিয়া ও চিশতিয়া এই উভয় তরিকারই উদ্ভব ঘটিয়াছে হযরত আলী রা. হইতে। চিশতিয়া তরিকার শাজারা অনুযায়ী রাসূলুল্লাহ সা. হইতে শুরু করিয়া হযরত আলী রা. হইতে হযরত খাজা মঈন উদ্দীন চিশতী রহ. খেলাফত প্রাপ্তির সপ্তদশ খলিফা।

হযরত খাজা মঈন উদ্দীন চিশতী রহ. শরিয়তের সকল বিধি নিষেধ পালনের প্রতি সর্বদা সজাগ থাকিতেন। প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কোন ভাবেই শরিয়তের কোন ব্যত্যয় তিনি সহ্য করিতেন না। তিনি ভক্ত-অনুসারীদিগকে শরিয়তে পাবন্দ থাকিবার জন্য কঠোর নির্দেশ দিতেন। এমন কি চিশতিয়া তরিকার অনুসারীগণ যেন কখনও শরিয়তের বরখেলাপ না করিতে পারে, সেই জন্য আহলে চিশতের পরিপালনীয় একটি অজিফা রচনা করিয়া হযরত খাজা কুতুব উদ্দীন বখতিয়ার কাকী রহ.কে প্রদান করিয়াছিলেন; যাহা হযরত কাকী রহ.-এর স্ব-রচিত দলিলুল আরেফীনগ্রন্থের অষ্টম অধ্যায়ে বিধৃত হইয়াছে।

আহলে চিশতের জন্য প্রদত্ত এই অজিফা দান কালে তিনি বলেন, “বুজুর্গানে দ্বীন হইতে আমি যে অজিফা লাভ করিয়াছি, তাহা পালনে সুদৃঢ় রহিয়াছি। মনে রাখিও, রাসূল সা. বলিয়াছেন: তারিকুল বিরদি মালউন অর্থাৎ অজিফা ত্যাগকারী অভিশপ্ত।

একই ভাবে তিনি তাহাদিগকে সূফী দর্শনের গূঢ় রহস্য পূর্ণ বিষয় গুলি সম্পর্কেও দীক্ষা প্রদান করিতেন। চিশতিয়া তরিকায় নিজকে জানিবার বা দেহ তত্ত্বের তালিম গ্রহণের বিশেষ গুরুত্ব রহিয়াছে। এই তালিমের চূড়ান্ত পর্য্যায়ে উন্নীত না হওয়া পর্য্যন্ত কেহ এই তরিকায় কামালিয়ত অর্জন করিতে পারে না বা তাহার পক্ষে সূফী-দরবেশ পর্য্যায়ে পৌঁছানো সম্ভব হয় না। দেহ তত্ত্বের প্রধান সাধনা হইল আনাসির-এ-খামসা বা পঞ্চভূত (পঞ্চ উপাদান)। এই সাধনার গুরু হযরত মুহাম্মদ সা.। তাঁহার নিকট হইতে হযরত আলী রা., হযরত আলী রা. হইতে হযরত হাসান বসরী রহ. এই তালিম লাভ করেন। সিনা-ব-সিনা চলিয়া আসা এই তালিম হযরত ওসমান হারুনী রহ.ও লাভ করেন। এই তালিম গুলি লিপিবদ্ধ ছিল না। হযরত খাজা মঈন উদ্দীন চিশতী রহ. তালিম গুলি সু-শৃঙ্খল ভাবে সাজাইয়া গুছাইয়া লিপিবদ্ধ করেন।

চিশতিয়া তরিকা মতে আব, আতশ, খাক, বাদ ও নূর যথাক্রমে পানি, আগুন, মাটি, বায়ু এবং নূরকে আনাসির-এ-খামসা বা পঞ্চ উপাদান নামে অভিহিত করা হয়। সমুদয় সৃষ্টি জগতের মূল উৎস এই পঞ্চ উপাদান। সমুদয় জড় বস্তু ও প্রাণী দেহে আনাসিরে আরবায়াবা চার উপাদান যেমন পানি, আগুন, মাটি ও বায়ুর সংমিশ্রণ ঘটিয়াছে। আর চার উপাদানের মূলে রহিয়াছে নূর বা এক জ্যোতির্ম্ময় সত্তা। প্রত্যেক উপাদানে রহিয়াছে পাঁচটি গুণ বা সিফাত।

উহা আবার তিন শ্রেণীতে বিভক্ত। যথা:

১. আহাদিয়াত : এই স্তরে মহিমান্বিত আল্লাহ আপনাতেই বিদ্যমান এবং অতি সূক্ষ্মাতি সূক্ষ্ম দরিয়া রূপে রহিয়াছেন। এই পর্য্যায়ে তিনি একক ও অদ্বৈত।

২. ওয়াহিদাত : এই স্তরে তিনি তাঁহার ইরাদা বা আকাক্সক্ষা বা এশক (প্রেম) হইতে নূরে মুহাম্মদী সা. সৃষ্টি করেন।

৩. ওয়াহেদিয়াত : এই স্তরে নূরে মুহাম্মদী সা. হইতে তিনি নিজেকে বিশ্ব চরাচর সৃষ্টির সঙ্গে আহমদরূপে প্রকাশ করেন। এই কারণেই কুরআনের পূর্বে সকল ধর্ম্ম গ্রন্থে হযরত মুহাম্মদ সা.কে আহমদউল্লেখ করা হইয়াছে।

হযরত সুরেশ্বরী রহ. তাঁহার রচিত আধ্যাত্মিক ঊর্দু গ্রন্থ সিররেহক্ক জামেনূর”- লেখকের ভূমিকায় লিখেছেন আহাদএবং আহমাদএর মধ্যে মীমএর পার্থক্য কেবল হামদ্ ও নাতের জন্য।
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কাব্য পংক্তিতে সেই সুরই ধ্বনিত হইয়াছে এই ভাবে

আহমদের ঐ মীমের পর্দা উঠিয়ে দেখ মন
আহাদ সেথায় বিরাজ করে হেরে গুণীজন ॥

যে চিনতে পারে রয় না ঘরে হয় সে উদাসী
সে সকল ত্যাজি ভজে শুধু নবীজীর চরণ ॥

এই তালিমকে মান আরাফা নাফসাহুএর তালিমও বলা হয়। এই তালিম রপ্ত না করা পর্যন্ত কেহই প্রকৃত সূফী বা চিশতিয়া তরিকার পীর হইবার যোগ্য নহে।

চিশতিয়া তরিকায় সামা প্রচলিত রহিয়াছে। মাঝে মাঝে এই তরিকা পন্থীগণ সামার অনুষ্ঠান করেন। ইহাতে তাহারা জজবার হালতে পৌঁছেন। সামার দ্বারা আল্লাহর প্রেম বর্ধিত হয়। তাই চিশতিয়া তরিকার মাশায়েখগণ সামাকে রুহানী গেজা বা আত্মার খোরাকবলেন।

একই ভাবে চিশতিয়া তরিকায়ও কালেমা তাইয়্যেবা লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহযথা : লাম, আলিফ, আলিফ, লাম, হা, আলিফ, লাম, আলিফ, আলিফ, লাম, লাম, হা নোক্তা বিহীন এই বারোটি বর্ণের খাস তালিমের বিধান রহিয়াছে। এই তরিকার প্রধান দুইটি উপ তরিকা হইল: প্রধান খলিফা সুলতানুল মাশায়েখ হযরত নিজাম উদ্দিন রা.-এর নামানুসারে নিজামিয়াও অন্যতম খলিফা হযরত মখদুম আলী কালিয়ারী রা.-এর নামানুসারে সাবেরিয়াপৃথিবীতে অদ্যাবধি রহিয়াছে।


আরও খবর

আত্মিক জ্ঞান ও বাহ্যিক জ্ঞান

শুক্রবার ১৮ নভেম্বর ২০২২

সাধনার মাধ্যমে আত্মশুদ্ধি অর্জন

বুধবার ০৯ নভেম্বর ২০২২




প্রতিবছর ৩ লাখের বেশি মানুষ যক্ষ্মায় আক্রান্ত হচ্ছে

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

মইনুল ইসলাম মিতুল ঃ

যক্ষা রোগীর চিকিৎসা ও শনাক্তের পরিধি বাড়াতে প্রান্তিক পর্যায়ে পরীক্ষাগার তৈরীর পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। 

যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, দেশের ভালো মানের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। টিবিতে (যক্ষ্মা) আমাদের যে বাজেট বরাদ্দ রয়েছে, প্রয়োজনে তা বাড়ানো হবে।

রোববার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির ৯ম যৌথ মনিটরিং কর্মশালায় অংশ নিয়ে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রতিবছর ৩ লাখের বেশি মানুষ যক্ষ্মায় নতুন করে আক্রান্ত হচ্ছে। তবে মারা যাওয়ার হার কমেছে। আগে যেখানে ৭০ হাজার ছিল, বর্তমানে সেটি ৪০ হাজারে নেমে এসেছে। আমাদের মৃত্যু বেশি, কারণ আমাদের জনসংখ্যাও বেশি। 

জাহিদ মালেক বলেন, যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণে অগ্রগতি হয়েছে, শনাক্তকরণ (স্ক্রিনিং) কার্যক্রম বেড়েছে। আমাদের সকল হাসপাতালে পরীক্ষার যন্ত্রপাতি রয়েছে। যক্ষ্মা নিয়ে মানুষের মাঝে এখনো ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে, তবে পরিবর্তন আসছে, মানুষ চিকিৎসা কেন্দ্রে যাচ্ছে। বর্তমানে আক্রান্তদের ৮৫ থেকে ৯০ ভাগই চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হচ্ছে। আমরা চাই মানুষ চিকিৎসা নিতে আসুক। এজন্য আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো এগিয়ে আসায় তাদের ধন্যবাদ। 

তিনি আরও বলেন, করোনার কারণে আমাদের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যহত হয়েছে। এ সময় আমাদের স্বাস্থ্যখাত চাপে পড়েছিল। হাসপাতালের বেশিরভাগ শয্যা করোনা রোগীদের জন্য দিয়ে দিতে হয়েছিল। নতুন নতুন হাসপাতাল করতে হয়েছে, শয্যা ও সুযোগ সুবিধা যুক্ত করতে হয়েছে। এ সময় টিবিসহ অন্যান্য সেবা কার্যক্রম ব্যহত হয়েছে। তবে করোনা নিয়ন্ত্রণ করে খুব দ্রুতই আমরা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছি। বাংলাদেশে ৯০ ভাগ মানুষকে ভ্যাকসিন দিয়েছে। অথচ সারাবিশ্বে ৭০ ভাগ মানুষ টিকার আওতায় এসেছে।


আরও খবর

জন্মনিয়ন্ত্রণে আগ্রহ কমছে

শনিবার ২৬ নভেম্বর ২০২২




রাণীনগর-আত্রাই থানা পুলিশের অভিযানে ৬জন মাদক কারবারী-জুয়ারী আটক

প্রকাশিত:বুধবার ০৯ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

 কাজী আনিছুর রহমান,রাণীনগর (নওগাঁ) :

নওগাঁর রাণীনগর এবং আত্রাই থানাপুলিশ পৃথক পৃথকভাবে অভিযান চালিয়ে ৩জন মাদক কারবারী ও ৩জন জুয়ারীসহ ৬জনকে আটক করেছে। এর মধ্যে দুইজনের নিট থেকে মাদক উদ্ধার করেছে পুলিশ। আটককৃতদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে বুধবার আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

রাণীনগর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) সেলিম রেজা বলেন,মঙ্গলবার রাতে উপজেলার পূর্ব বালুভরা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় পূর্ব বালুভরা গ্রামের আক্কাছ আলীর ছেলে মুঞ্জ প্রামানিক (৪৮) ও আফজাল মন্ডলের ছেলে ইউনুছ মন্ডল (৪৫) কে ৯০গ্রাম গাঁজা আটক করা হয়। রাতেই তাদের বিরুদ্ধে মাদক মামলা রুজু করা হয়েছে। এছাড়া একই রাতে মাদক মামলায় আদালতের পরোয়ানাভুক্ত আসামী খট্রেশ্বর গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে আব্দুর রশিদ (৩৮)কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

অপর দিকে আত্রাই থানাপুলিশ মঙ্গলবার সন্ধায় উপজেলার জাত আমরুল গ্রাম এলাকায় অভিযান চালিয়ে ঘোষপাড়া গ্রামের মিন্টু খামারু (৩২),জাত আমরুল গ্রামের নজরুল ইসলাম (৫০) ও সুজন (৪০) কে আটক করেছে। তাসের মাধ্যমে জুয়া খেলা হচ্ছিল জানিয়ে থানার ওসি তারেকুর রহমান সরকার বলেন রাতেই আটককৃতদের বিরুদ্ধে জুয়া আইনে মামলা রুজু করে বুধবার আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।


আরও খবর



জাতিসংঘে রোহিঙ্গা সনদ গৃহীত

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৮ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের তৃতীয় কমিটিতে 'মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলিমসহ অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানবাধিকার পরিস্থিতি' শীর্ষক রেজুলেশন বা সনদটি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন এসব তথ্য জানিয়েছে। এবারের সনদটি উত্থাপন করে অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশন-ওআইসি ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন-ইইউ। সনদে রোহিঙ্গা ও অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানবাধিকার পরিস্থিতির ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। এতে বাংলাদেশের প্রতি সংহতি ও মানবিক প্রচেষ্টার স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। এছাড়া রোহিঙ্গাদের ওপর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতে আইসিসি, আইআইএমএম ও অন্যান্য সংস্থাকে বাংলাদেশের সহযোগিতার প্রশংসা করা হয়েছে। ১০৯টি দেশ এতে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়েছে। 


আরও খবর

থাইল্যান্ডে গাড়িবোমা বিস্ফোরণ

মঙ্গলবার ২২ নভেম্বর 20২২

হেরে গেলেন মাহাথির

রবিবার ২০ নভেম্বর ২০22




পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কাজ করছেন আরিফুর রহমান

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৪ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টারঃ


নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার রাইগাঁ ইউনিয়নের গ্রামীন রাস্তায় গেলে চোখে পড়বে ছোট-বড় সারি সারি ফুল, ফল ও ঔষধিসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ। গাছগুলো লাগিয়েছেন রাইগাঁ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ ও রাইগাঁ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আরিফুর রহমান আরিফ।

জানা গেছে, ২০১৭ ইং সালের দিকে নিজের বাড়ির পাশ দিয়ে যাওয়া শহরাই রাস্তায় প্রায় এক হাজার তাল বীজসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রোপন করেন তিনি। তার লাগানো গাছগুলো বড় হতে শুরু করলে মনে একটি ভালো লাগার অনুভূতি কাজ করে। সেই গাছগুলো বড় হয়ে উঠতে থাকলে উৎসাহ আরো বেড়ে যায়। পরবর্তীতে পুরো ইউনিয়নের বিভিন্ন সড়কের দু' ধারে ফুল, ফলদ, বনজ, ঔষধি ও তাল বীজসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগিয়েছেন তিনি।

ইউপি চেয়ারম্যান - অধ্যক্ষ আরিফুর রহমানের দাবি, এখন পর্যন্ত তিনি প্রায় ১৫ হাজারেরও বেশি গাছ রোপন করেছেন। এছাড়া করোনা ভাইরাসের সময় জনসচেতনতা সৃষ্টি, লিফলেট বিতরন, মাক্স বিতরন ও জীবানুনাশক ছিটানোসহ সকল জনকল্যানমূলক কাজে জনসাধারনের পাশে ছিলেন। এছাড়া তিনি দিন-রাত শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন দল মত নির্বেশেষে সকল জনসাধারনের জন্য। শুধু দিনে নয়। রাতের অন্ধকারেও গ্রামে গ্রামে ঘুরে ঘুরে ত্রান সামগ্রী বিতরণ করছেন তিনি।

তিনি রাইগাঁ ইউনিয়নের বহুতি কবরস্থান, বহুতি জামে মসজিদ, শহরাই কবরস্থান, রাইগাঁ পূর্বপাড়া কবরস্থান, কানচকুড়ি মন্দির, কৃষ্ণপুর, দাউল বারবাকপুর রাস্তা, মহেশপুর, হরিপুর জামে মসজিদ, হরিপুর, মহেশপুর, নৈখট্টি রাস্তা, সিলিমপুর শশ্মান, ভবানীনগর জামে মসজিদ, বিরমগ্রাম জামে মসজিদ, দুজাটিয়া মসজিদ, বিরমগ্রাম মন্দির, বোয়লমারি মসজিদ, বোয়ালমারি মন্দির, বিড়মগ্রাম, খলিসাকুড়ি, বোয়ালমাড়ি রাস্তায় গাছগুলো লাগিয়েছেন।

স্থানীয়রা জানান, প্রকৃতি রক্ষায় নিঃস্বার্থভাবে তিনি যে কাজ করে যাচ্ছেন তা সত্যিই নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত। অধ্যক্ষ হওয়ার পরও তিনি রাইগাঁ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। তিনি সব সময় জনসাধারনের জন্য নিবেদিত প্রান। ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি এভাবেই চালিয়ে যাচ্ছেন জনকল্যানমূলক কার্যক্রম।

আরিফুর রহমান বলেন, এখন পর্যন্ত প্রায় ১৫ হাজার গাছ লাগিয়েছেন তিনি। গাছের প্রতি ভালবাসার কারনে তিনি সারা জীবনই বৃক্ষরোপন করতে চান। এসব গাছ লাগিয়ে ব্যক্তিগত ভাবে লাভবান হওয়ার কোনো ইচ্ছে নেই তার। গাছগুলো পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বিশেষ ভূমিকা রাখবে। গাছ সকলের বন্ধু। তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ব্যক্তিগত উদ্যোগে গাছগুলো লাগিয়েছেন। আর এ ধারা তিনি অব্যাহত রাখতে চান।


আরও খবর



কুমিল্লায় ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দুজনকে ফাঁসি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৮ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

কুমিল্লা ব্যুরো ঃ

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জের হাতিমারা গ্রামে দশবছরের এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় ২আসামীকে ফাসিঁ দিয়েছে  আদালত। সেই সঙ্গে প্রত্যককে একলক্ষটাকা অর্থদন্ড দেয় আদালত। 

মঙ্গলবার (৮নভেম্বর ) কুমিল্লার নারী ও শিশু দমন ট্রাইবুনাল-১ আদালতের বিচারক আবদুল্লাহ আল মামুন এ রায় দেন।

মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামীরা হলেন- বাচ্চু মিয়া, আমীর হামজা। দন্ডপ্রপ্তরা শিশুশিশু আক্তারকে ধর্ষণ করে কুপিয়ে হত্যা করেছিলেন। 

নারী ও শিশু দমন ট্রাইবুনাল-১এর স্পেশাল পিপি এড. প্রদীপ কুমার দত্ত জানান- ২০১৮ সালের ৫মার্চ দুপুরে কুমিল্লার মনোহরগঞ্জের হাতিমারা গ্রামের শিমু আক্তার(১০০কে নিজবসত ঘরে ধর্ষণের পর কুপিয়ে হত্যা করে।তারঁ বাবা ছায়েদুল হক এর দায়ের করা মামলায় ১৬জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালতে প্রমাণিত হওয়ায় আসামী বাচ্চু মিয়া ও আমীর হামজাসহ দুইজনকে মৃত্যু না হওয়া পযর্ন্ত ফাসিঁর রুজ্জুতে ঝুলিয়ে তাদের মৃত্যুদন্ডাদেশসহ একলক্ষ টাকা অর্থ দন্ড প্রদান করেছে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল আদালত। 

 আদালতের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে নিহতের পরিবার দাবী করেন যেকোন ধর্ষণ মামলায় যেন ফাসিঁ দেয়া আসামীদের পক্ষে যেন কোন আইনজীবি সহায়তা না করে। আর সেটা যেন সরকার একটি আইন প্রণয়নের দাবী নিহতের পরিবারের।

নারী ও শিশু দমন ট্রাইবুনাল-১এর স্পেশাল পিপি এড প্রদীপ কুমার দত্ত বলেন, ২০১৮ সালের ৫ মার্চ বাচ্চু মিয়া ও আমীর হামজা হাতিমারা গ্রামের শিমু আক্তারকে (১০) ধর্ষণ করে। পরে শিমু তার বাবাকে এঘটনার বিস্তারিত বলে দিবে বলে। তখন আসামী বাচ্চু মিয়া ও আমীর হামজা ঘরে থাকা বটি দা ও দা দিয়ে শিমু আক্তারকে কুপিয়ে ভিকটিমের নাকে, মুখে, তলপেটে, মাথার পিছনের দিকে, কপালে নীচে ডান চোখের কোনায় ঠোটে মুখে, গলার বাম পার্শ্বে এবং যৌনাঙ্গে মোট ১৩টি আঘাত করে তাকে খুন করে। এঘটনার পর শিমুর বাবা মো. ছায়েদুল হক মনোহরগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। তদন্তকালে আসামী বাচ্চু মিয়া ও আমীর হামজাকে গ্রেপ্তার করার পর তারা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে শিমুকে ধর্ষণ করে কুপিয়ে হত্যা করেছে বলে স্বীকার করে। 

কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক মুজিবুর রহমান বলেন, রায় ঘোষণার সময় আসামীরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তাদের সামনে রায় ঘোষণা হয়েছে। আদালতের আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের কারাগারে পাঠানো হবে।


আরও খবর